Skip to content
বিশ্বনাথন আনন্দ ১৯৮৮ সালে ভারতের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হন এবং ২০০০, ২০০৭, ২০০৮, ২০১০ ও ২০১২ সালে পাঁচবার বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন
খেলাধুলা

বিশ্বনাথন আনন্দ ১৯৮৮ সালে ভারতের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হন এবং ২০০০, ২০০৭, ২০০৮, ২০১০ ও ২০১২ সালে পাঁচবার বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন

ছবি: Wolfgang Jekel / Wikimedia Commons, CC BY 2.0 (ছাঁটা)

বাংলা

আনন্দ ১৯৮৭ সালে বাগিওতে বিশ্ব জুনিয়র শিরোপা জেতেন, ১৯৮৮ সালে ভারতের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হন এবং ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তেহরানে ফিডে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নেন। তারপর ২০০৭ সালে মেক্সিকো সিটিতে শিরোপা জেতেন এবং বন, সোফিয়া ও মস্কোয় তা রক্ষা করেন।

· · 6 মিনিটের পাঠ

বিশ্বনাথন আনন্দ ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তেহরানে ফিডে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নেন, ফাইনালের চতুর্থ গেমে আলেক্সেই শিরভকে হারিয়ে। ২০০৭ সালে মেক্সিকো সিটিতে তিনি আবার শিরোপা জেতেন এবং ২০০৮, ২০১০ ও ২০১২ সালে তা রক্ষা করেন, মোট পাঁচটি জয়। ফিডের নিজস্ব নথিতে তিনি ১৯৮৮ সাল থেকে গ্র্যান্ডমাস্টার, ভারতের প্রথম।

এই লেখা তাঁর ক্যারিয়ারের তারিখ আর স্কোরে, মাদ্রাজের এক ক্লাব থেকে বিশ্ব সংস্থা ফিডেতে এখন তাঁর পদ পর্যন্ত।

তেহরানের ফাইনাল

সে বছরের চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল নকআউট। ইএসপিএন বর্ণনা করেছে, ১০০ জন খেলোয়াড় ছোট ছোট ম্যাচে মুখোমুখি হন, প্রথম দিকের রাউন্ড হয় নয়াদিল্লিতে আর ফাইনাল তেহরানে। আনন্দ শিরভের বিরুদ্ধে ছয় গেমের ফাইনালে ওঠেন, আর গেমগুলো দ্য উইক ইন চেসে নথিভুক্ত আছে: প্রথম গেম ড্র, তারপর সাদা নিয়ে দ্বিতীয় গেমে জয় (রুই লোপেজ, ৬৪ চাল), কালো নিয়ে তৃতীয় গেমে (সিসিলিয়ান, ৪১ চাল) এবং সাদা নিয়ে চতুর্থ গেমে (ফরাসি ডিফেন্স, ৪১ চাল)। শিরভ চতুর্থ গেম ছেড়ে দেন, ফাইনাল দাঁড়ায় ৩.৫ বনাম ০.৫-এ, আর শেষ দুই গেম খেলার দরকার পড়েনি।

পুরো প্রতিযোগিতায় দ্য উইক ইন চেস তাঁকে অপরাজিত গুনেছে, আটটি জয় ও ১২টি ড্র নিয়ে, এবং বলেছে তাঁর একমাত্র হেরে যাওয়ার মতো অবস্থান এসেছিল কোয়ার্টার-ফাইনালে, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আলেক্সান্দার খালিফম্যানের বিরুদ্ধে। ২০০০ সালের ২৫ ডিসেম্বর লিখতে গিয়ে দ্য ট্রিবিউন তাঁকে ভারতের প্রথম দাবা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বলেছে।

২২ মার্চ ২০০১-এর গেজেট অফ ইন্ডিয়ায় ওই বছরের পদ্মভূষণ প্রাপকদের মধ্যে তাঁর নাম আছে, ক্রীড়া, দাবা, চেন্নাই, তামিলনাড়ু শ্রেণিতে।

মাদ্রাজের এক ক্লাব আর ছয় বছর বয়সে শেখানো মা

ইবিএসসিও-র জীবনী অনুযায়ী আনন্দের জন্ম ১৯৬৯ সালের ১১ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর মায়িলাদুতুরাইয়ে, বড় হন মাদ্রাজে, এখনকার চেন্নাইয়ে। ছয় বছর বয়সে তাঁর মা তাঁকে দাবা শেখাতে শুরু করেন, আর পরে তিনি মাদ্রাজের তাল চেস ক্লাবে যান দাবা-মাস্টার ম্যানুয়েল অ্যারনের কাছে শিখতে।

ইবিএসসিও বলছে, ১৯৮৩ সালের ভারতীয় সাব-জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি জেতেন নয়টি গেমই জিতে। চেসবেসের ক্যারিয়ার-প্রোফাইল যোগ করেছে, ১৯৮৪ সালে থেসালোনিকিতে তিনি প্রথম দাবা অলিম্পিয়াড খেলেন, ১১-র মধ্যে ৭.৫ করে। ১৯৮৫ সালে তিনি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার খেতাব পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হন, যে বছরটি ফিডের নিজস্ব প্রোফাইলও নিশ্চিত করে, এবং তিনি অর্জুন পুরস্কার পান। ১৯৮৬ সালে আসে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ, যাকে চেসবেস ভারতের সর্বকনিষ্ঠ বলে, আর দুবাই অলিম্পিয়াডে ভারতের প্রথম বোর্ড।

বাগিও ১৯৮৭: জুনিয়র শিরোপা আর প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম

ফিলিপাইনের বাগিও ১৯৮৭ সালের বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক ছিল ১৯ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট, ৫২ জন খেলোয়াড় আর ১৩ রাউন্ড নিয়ে। অলিম্পবেস আর বেলজিয়ান চেস হিস্ট্রি আর্কাইভ দুটিই আনন্দকে অপরাজিত ১৩-র মধ্যে ১০ নিয়ে জানিয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাসিল ইভানচুক ৯.৫ নিয়ে দ্বিতীয় আর গ্রিগরি সের্পের ৯ নিয়ে তৃতীয় ছিলেন। ইবিএসসিও-র জীবনী বলছে, আর কোনো ভারতীয় এই প্রতিযোগিতা জেতেননি।

চেসবেস বলছে, এই ফল তাঁকে প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম এনে দেয়, এবং নথিভুক্ত করেছে যে আগের বছর তিনি নর্ম থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন, কলকাতায় ১৯৮৬ সালের টাটা স্টিল টুর্নামেন্টে আধ পয়েন্টে আর ইংল্যান্ডের লয়েডস ব্যাংক মাস্টার্সে পুরো এক পয়েন্টে। ফিডে তাঁকে ১৯৮৮ সাল থেকে গ্র্যান্ডমাস্টার বলে তালিকাভুক্ত করেছে, আর তার মিউজিয়াম-পাতায় তাঁকে বলা হয়েছে “ভারতের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার”।

১৯ মার্চ ১৯৮৮-র গেজেট অফ ইন্ডিয়ায় ওই বছর বিশ্বনাথন আনন্দের জন্য একটি পদ্মশ্রীর কথা আছে, ক্রীড়া, দাবা, মাদ্রাজ শ্রেণিতে।

নিউ ইয়র্কে কাসপারভ, তারপর মেক্সিকো সিটিতে অবিতর্কিত শিরোপা

২০০০-এর আগে এক দশক ধরে চলেছিল যোগ্যতা-চক্র। ফিডের মিউজিয়াম-পাতায় ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩-র চক্রে আনাতোলি কার্পভের কাছে সেমি-ফাইনালে হারের কথা আছে। এরপর আনন্দ প্রফেশনাল চেস অ্যাসোসিয়েশনের চ্যালেঞ্জার-চক্র জেতেন এবং ১৯৯৫ সালে নিউ ইয়র্কে শিরোপার জন্য গ্যারি কাসপারভের সঙ্গে খেলেন, হারেন ১০.৫ বনাম ৭.৫-এ, যেমনটি কাসপারভ সম্পর্কে ফিডের পাতায় বলা আছে।

তখন বিশ্ব শিরোপা ভাগ হয়ে গিয়েছিল। ফিডে চালাত নিজস্ব নকআউট চ্যাম্পিয়নশিপ, যা আনন্দ ২০০০ সালে জেতেন, আর ভ্লাদিমির ক্রামনিক ধরে রেখেছিলেন তথাকথিত ক্ল্যাসিক্যাল শিরোপা, সে বছর লন্ডনে কাসপারভকে ৮.৫ বনাম ৬.৫-এ হারিয়ে। ২০০৬ সালে ক্রামনিক একত্রীকরণ ম্যাচে ভেসেলিন তোপালভকে হারান, ক্ল্যাসিক্যাল গেম ৬ বনাম ৬-এ শেষ হওয়ার পর র‍্যাপিড প্লে-অফে ২.৫ বনাম ১.৫-এ, চেসগেমসের তথ্য অনুযায়ী।

এরপর মেক্সিকো সিটিতে একটি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট হয়, ২০০৭ সালের ১৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর। আটজন খেলোয়াড় ১৪ রাউন্ডের ডাবল রাউন্ড-রবিনে মুখোমুখি হন। আনন্দ করেন ৯, ক্রামনিক ও বরিস গেলফান্ড ৮ করে, আর দ্য উইক ইন চেস জানিয়েছে আনন্দ অবিতর্কিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ইএসপিএন তাঁর রেকর্ড দিয়েছে চার জয়, ১০ ড্র আর কোনো হার নয়।

বন, সোফিয়া ও মস্কোয় তিনটি রক্ষা

২০০৮ সালের অক্টোবরে বনে ক্রামনিক তাঁকে চ্যালেঞ্জ করেন। আনন্দ তৃতীয়, পঞ্চম ও ষষ্ঠ গেম জেতেন, দশম গেম হারেন আর বাকিগুলো ড্র করেন। একাদশ গেমে সাদা নিয়ে ড্র তাঁকে এনে দেয় ৬.৫ বনাম ৪.৫, একটি গেম না খেলা অবস্থায়।

২০১০ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে ১১ মে সোফিয়ায় ভেসেলিন তোপালভ প্রথম ও অষ্টম গেম জেতেন, আর আনন্দ জেতেন দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ১২তম গেম। ১২তম ও শেষ গেমটিই সিদ্ধান্ত করে দেয়, আর আনন্দ জেতেন ৬.৫ বনাম ৫.৫-এ।

২০১২ সালের মে মাসে মস্কোয় গেলফান্ড জেতেন সপ্তম গেম আর আনন্দ জেতেন অষ্টম গেম ১৭ চালে, ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, আর ১২টি ক্ল্যাসিক্যাল গেম শেষ হয় ৬ বনাম ৬-এ। আনন্দ র‍্যাপিড প্লে-অফ ২.৫ বনাম ১.৫-এ জেতেন এবং শিরোপা ধরে রাখেন।

একই সময়ে সরকার তাঁকে সম্মানিত করে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ২৫ জানুয়ারি ২০০৮-এর তালিকায় আনন্দ ১৩ জন পদ্মবিভূষণ প্রাপকের একজন, ক্রীড়া শ্রেণিতে সচিন তেন্ডুলকর ও প্রয়াত স্যার এডমন্ড হিলারিও আছেন। গেজেট অফ ইন্ডিয়ায় রাষ্ট্রপতির ১০ মে ২০০৮-এর বিজ্ঞপ্তি এই পুরস্কার নিশ্চিত করে।

২০০৬ সালের এপ্রিলের তালিকায় তাঁর ফিডে রেটিং ২৮০০ পেরিয়েছিল, যেখানে দ্য উইক ইন চেস তাঁকে দেখিয়েছে ২৮০৩-এ। ২০১১ সালের মার্চের তালিকায় চেস ডটকম তাঁকে রেখেছে ২৮১৭-তে, ২৮১৫ নিয়ে থাকা ম্যাগনাস কার্লসেনের আগে।

চেন্নাই ২০১৩ আর সোচি ২০১৪

২০১৩ সালের নভেম্বরে চেন্নাইয়ে ম্যাগনাস কার্লসেন তাঁকে চ্যালেঞ্জ করেন। দ্য উইক ইন চেস নথিভুক্ত করেছে দশটি গেম খেলা হয়, কার্লসেন জেতেন পঞ্চম, ষষ্ঠ ও নবম গেম আর বাকি সাতটি ড্র। ২২ নভেম্বর দশম গেমের পর ম্যাচ ৬.৫ বনাম ৩.৫-এ দাঁড়ায়, আর বাকি দুটি গেম খেলা হয়নি।

আনন্দ ২০১৪ সালের ক্যান্ডিডেটস টুর্নামেন্টে খান্তি-মানসিয়স্কে জেতেন, এক রাউন্ড হাতে রেখে প্রথম হয়ে, ফিডের মিউজিয়াম-পাতা বলছে, এবং রিম্যাচের সুযোগ পান। সে বছর নভেম্বরে সোচিতে তিনি তৃতীয় গেম জেতেন, কার্লসেন জেতেন দ্বিতীয়, ষষ্ঠ ও ১১তম গেম, আর দ্য উইক ইন চেস অনুযায়ী ১১তম গেমের পর কার্লসেন ম্যাচ নেন ৬.৫ বনাম ৪.৫-এ। কার্লসেন সম্পর্কে ফিডের পাতায় দুটি ম্যাচেরই একই স্কোর আছে।

র‍্যাপিড শিরোপা আর এখনকার রেটিং-তালিকা

আনন্দ ২০০৩ সালের অক্টোবরে কাপ দাগদে ফিডে বিশ্ব র‍্যাপিড চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন। দ্য উইক ইন চেসের তথ্য অনুযায়ী, পিটার স্ভিদলারের বিরুদ্ধে সেমি-ফাইনাল ড্র করে তিনি ব্লিৎজ প্লে-অফ জেতেন, তারপর ফাইনালে ক্রামনিককে ১.৫ বনাম ০.৫-এ হারান। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে রিয়াদে তিনি দ্বিতীয়বার বিশ্ব র‍্যাপিড শিরোপা জেতেন, ১৫ রাউন্ডের প্রতিযোগিতায় ১০.৫ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করে, আর দুজনের মধ্যে ব্লিৎজ টাই-ব্রেকে ভ্লাদিমির ফেদোসেয়েভকে ১.৫ বনাম ০.৫-এ হারান।

ফিডের ২০২৬ সালের অক্টোবরের রেটিং-পাতায় আনন্দ ক্ল্যাসিক্যালে ২৭৩৯, র‍্যাপিডে ২৬৯৪ আর ব্লিৎজে ২৭০৬। তিনি বিশ্বের সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ১৪তম, আর ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয়।

অ্যাকাডেমি আর ফেডারেশন

আনন্দ ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ওয়েস্টব্রিজ আনন্দ চেস অ্যাকাডেমির ঘোষণা দেন, আর এর প্রথম লেকচার শুরু হয় ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। চেসবেস প্রথম দলে নাম দিয়েছে গুকেশ, প্রজ্ঞানন্দ, নিহাল সারিন, রৌনক সাধওয়ানি ও আর. বৈশালীর, আনন্দ প্রধান মেন্টর হিসেবে। ওয়েস্টব্রিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সন্দীপ সিংঘল চেসবেসকে বলেছেন, আনন্দ প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য লক্ষ্য ঠিক করেন এবং তাঁদের নিয়ে ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন লেখেন। ফিডের ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪-এর প্রতিবেদনে যেমন আছে, গুকেশ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হন।

চেসবেস ইন্ডিয়া ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই জানিয়েছে, ভারতে ৯৯ জন গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন, ৯৯তম রতনবেল ভি এস। এর ৩৮ বছর আগে তাঁদের প্রথমজন ছিলেন আনন্দ, তামিলনাড়ুর চেন্নাই থেকে।

২০২৬ সালের ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর সমরকন্দে ফিডের সাধারণ সভায় সিদ্ধান্তের তালিকায় লেখা আছে: “মিস্টার তিমুর তুরলভকে ফিডে প্রেসিডেন্ট এবং মিস্টার বিশ্বনাথন আনন্দকে ফিডে ডেপুটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার জন্য।” আনন্দের ২০২৬ সালের অক্টোবরের ফিডে প্রোফাইলেও একই পদ লেখা আছে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. FIDE ratings: Anand, Viswanathan, profile (titles, ratings and FIDE role, read 28 October 2026)
  2. FIDE Open Chess Museum: Viswanathan Anand
  3. FIDE Open Chess Museum: Garry Kasparov
  4. FIDE Open Chess Museum: Magnus Carlsen
  5. FIDE: 2026 FIDE General Assembly, list of decisions (12 October 2026)
  6. FIDE: Gukesh D crowned 18th FIDE World Champion (13 December 2024)
  7. FIDE: Uzbekistan's dream finish, Olympiad gold in Samarkand (27 September 2026)
  8. Press Information Bureau, Ministry of Home Affairs: Padma Awards announced (25 January 2008)
  9. The Gazette of India, Extraordinary, 5 May 2008 and 10 May 2008: Padma Awards 2008 notifications
  10. The Gazette of India, Extraordinary, 22 March 2001: Padma Awards 2001 notification
  11. The Gazette of India, Extraordinary, 19 March 1988: Padma Awards 1988 notification
  12. The Week in Chess 320 (25 December 2000): FIDE World Championship, Tehran
  13. The Week in Chess 469 (3 November 2003): World Rapid Championship, Cap d'Agde
  14. The Week in Chess 595 (3 April 2006): FIDE rating list, April 2006
  15. The Week in Chess 673 (1 October 2007): World Championship, Mexico City
  16. The Week in Chess 730 (3 November 2008): World Championship match, Bonn
  17. The Week in Chess 810 (17 May 2010): World Championship match, Sofia
  18. The Week in Chess 917 (4 June 2012): World Championship match, Moscow
  19. The Week in Chess 994 (25 November 2013): World Championship match, Chennai
  20. The Week in Chess 1046 (24 November 2014): World Championship match, Sochi
  21. The Week in Chess 1208 (1 January 2018): World Rapid Championship, Riyadh
  22. The Tribune: sports page, 25 December 2000 (Anand wins in Tehran)
  23. Olimpbase: 26th World Junior Chess Championship, Baguio 1987
  24. Belgian Chess History: World Junior Championship, Baguio 1987
  25. ChessBase: Vishy Anand, a passionate portrait, part three
  26. EBSCO Research Starters: Viswanathan Anand
  27. ESPN: How Viswanathan Anand won five world chess championship titles
  28. Chessgames: Vladimir Kramnik, biography and world championship record
  29. Chess.com News: March ratings, Anand number one again
  30. ChessBase: How Vishy Anand is supporting young super talents of India through WACA (November 2022)
  31. ChessBase India: Rathanvel V S is India's 99th Grandmaster (18 July 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#viswanathan anand#chess#world chess championship#grandmaster#fide#chennai#padma vibhushan#world rapid championship

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: খেলাধুলা
গুকেশ ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ১৮ বছর বয়সে ৭.৫ বনাম ৬.৫ ব্যবধানে দাবার বিশ্ব খেতাব জিতেছিলেন, ভারত অলিম্পিয়াডের দুটি সোনা জেতার তিন মাসেরও কম সময় পরে, আর ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে জেনেভায় তিনি তা রক্ষা করবেন
৫৫তম চালে একটি ভুল, দুটি অলিম্পিয়াড সোনা, মহিলা বিশ্বকাপজয়ী এক কিশোরী আর ২০২৬ সালের খেতাব রক্ষার লড়াই: ভারতের দাবা-জোয়ারের পেছনের স্কোর, তারিখ আর ফিডে রেটিং।
নিহাল সারিন ও কোনেরু হাম্পি দুজনেই বুদভার ইউরোপীয় ক্লাব কাপে বোর্ড ২-এ সোনা জিতেছেন, যেখানে হাম্পির মোনাকো মহিলা বিভাগের শিরোপা নিয়েছে আর সারিনের নোভি বোর ২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর ওপেনে দ্বিতীয় হয়েছে
মন্টিনিগ্রোয় বোর্ড পুরস্কারের মঞ্চে তিন ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার, শিরোপা থেকে শুধু টাইব্রেকে সরে যাওয়া অপরাজিত এক চেক ক্লাব, আর ৯৫ চালের একটি এন্ডগেম যা একটি ম্যাচ নিশ্চিত করেছিল: অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের ফলাফল।
২০২৬ সালের সামারকন্দ দাবা অলিম্পিয়াডে ভারত ওপেন বিভাগে রুপো আর মহিলা বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছে, এবং টানা তৃতীয় আসরে সেরা দেশের ট্রফি নিজের কাছে রেখেছে
এগারো রাউন্ডে একটি ম্যাচ হারা দল, দশ গেমে নয় পয়েন্ট করা ১৯ বছরের এক খেলোয়াড়, আর চার প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে টাইব্রেকে আলাদা হওয়া একটি ব্রোঞ্জ: সামারকন্দ অলিম্পিয়াডে ভারতের দুই দল এভাবেই শেষ করেছে।
← সব লেখা