Skip to content
ভারতের ₹৬,০০৩.৬৫ কোটির কোয়ান্টাম মিশনে আছে চারটি হাব, ১,০০০ কিমির একটি কী নেটওয়ার্ক আর ৬৪ কিউবিটের একটি চিপ, লক্ষ্য সর্বোচ্চ ১,০০০ কিউবিট
সংবাদ

ভারতের ₹৬,০০৩.৬৫ কোটির কোয়ান্টাম মিশনে আছে চারটি হাব, ১,০০০ কিমির একটি কী নেটওয়ার্ক আর ৬৪ কিউবিটের একটি চিপ, লক্ষ্য সর্বোচ্চ ১,০০০ কিউবিট

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৩ সালের ১৯ এপ্রিল ২০২৩-২৪ থেকে ২০৩০-৩১ সালের জন্য জাতীয় কোয়ান্টাম মিশন অনুমোদন করে। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চারটি গবেষণা হাবের জন্য মঞ্জুর ₹২,৩৩০.৬৮ কোটির মধ্যে সরকার ছেড়েছিল ₹৬৯৯.৫০ কোটি। একটি স্টার্টআপের ৬৪ কিউবিটের প্রসেসর ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকারি নথিতে উঠেছিল, আর ৮ এপ্রিল জানানো হয় ১,০০০ কিমির একটি কোয়ান্টাম কী নেটওয়ার্কের কথা।

· · 6 মিনিটের পাঠ

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ভারতের জাতীয় কোয়ান্টাম মিশন অনুমোদন করে ২০২৩ সালের ১৯ এপ্রিল, ২০২৩-২৪ থেকে ২০৩০-৩১ সালের জন্য মোট ₹৬,০০৩.৬৫ কোটি খরচে। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারির একটি লোকসভা উত্তর দেখায় তার মধ্যে কতটা সরেছে: মিশনের চারটি গবেষণা হাবের জন্য মঞ্জুর ₹২,৩৩০.৬৮ কোটি, যার ₹৬৯৯.৫০ কোটি, প্রায় ৩০ শতাংশ, ছাড় হয়েছে।

মিশন চালায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ (ডিএসটি)। নিচে মন্ত্রিসভার প্রতিশ্রুতির পাশে রাখা হয়েছে ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি উত্তর, কোম্পানি আর জার্নাল যা জানাচ্ছে।

মন্ত্রিসভা কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল

মন্ত্রিসভার বিজ্ঞপ্তি কম্পিউটিংয়ের লক্ষ্য ঠিক করেছে আট বছরে ৫০ থেকে ১,০০০ ভৌত কিউবিটের ‘মধ্যবর্তী মাপের’ যন্ত্র, সুপারকন্ডাক্টিং সার্কিট আর ফোটনিক্সের মতো প্ল্যাটফর্মে। একটি ভৌত কিউবিট হল চিপের উপর একটি আসল কোয়ান্টাম ডিভাইস। ডিএসটির পরের উত্তরগুলো ধাপগুলো যোগ করেছে: তিন বছরে ২০ থেকে ৫০ ভৌত কিউবিট, পাঁচ বছরে ৫০ থেকে ১০০, আর আট বছরে ৫০ থেকে ১,০০০।

অন্য প্রাপ্তিগুলো নির্দিষ্ট। তার মধ্যে আছে ভারতের ভেতরে ২,০০০ কিমি দূরের দুটি স্থল-কেন্দ্রের মধ্যে উপগ্রহভিত্তিক নিরাপদ যোগাযোগ, আর বিদ্যমান অপটিক্যাল ফাইবারে ট্রাস্টেড নোড ব্যবহার করে ২,০০০ কিমি জুড়ে আন্তঃনগর কোয়ান্টাম কী ডিস্ট্রিবিউশন (কিউকেডি, আলোর একক কণা ব্যবহার করে এনক্রিপশন কী ভাগ করে নেওয়ার একটি পদ্ধতি)। কোয়ান্টাম মেমরিসহ দুই বা তিন নোডের একটি কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কও তালিকায় আছে। আছে পারমাণবিক ব্যবস্থায় প্রতি রুট হার্টজে ১ ফেমটো-টেসলা সংবেদনশীলতার ম্যাগনেটোমিটার (ফেমটো-টেসলা মানে এক টেসলার এক বিলিয়নতম অংশের এক মিলিয়নতম অংশ), এবং ১০-এর ঘাত মাইনাস ১৯ ভগ্নাংশ অস্থিরতার পারমাণবিক ঘড়ি।

চারটি হাব, চারজন প্রকল্প পরিচালক

ডিএসটি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রস্তাব আহ্বান করে এবং ৩৮৪টি পায়, তার মধ্যে ১৭টি বাছাই হয়, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) একটি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী। সেই সন্ধ্যায় প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা এ কে সুদ হাবগুলো ঘোষণা করেন, মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ভিডিওতে যুক্ত থেকে। মন্ত্রীর সেই সন্ধ্যার নিজের বিজ্ঞপ্তিতে আছে ভারতজেনের উদ্বোধনও, সরকারি অর্থে একটি ভাষা-মডেল প্রকল্প। নিজের ভাষায় এআই গড়ার ভারতের বিস্তৃত উদ্যোগ নিয়ে আমাদের আলাদা লেখা আছে।

বিভাগআয়োজকপ্রকল্প পরিচালক২০৩১ পর্যন্ত মঞ্জুর (কোটি টাকা)৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ছাড় (কোটি টাকা)
কোয়ান্টাম কম্পিউটিংআইআইএসসি বেঙ্গালুরুশঙ্কর কুমার সেলভরাজা৬৫৩.১৩২৭৩.৮৫
কোয়ান্টাম যোগাযোগআইআইটি মাদ্রাজ, সি-ডট সহঅনিল প্রভাকর৬১৪.৩১১৪৫.৬২
কোয়ান্টাম সেন্সিং ও মেট্রোলজিআইআইটি বোম্বেকস্তুরী সাহা৭১৪.৭৬১৫১.৩২
কোয়ান্টাম উপাদান ও ডিভাইসআইআইটি দিল্লিরাজেন্দ্র সিং৩৪৮.৪৯১২৮.৭১

টাকার স্তম্ভগুলো এসেছে ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারির উত্তরের সংযোজনী থেকে। পরিচালকদের নাম দেওয়া হয়েছে প্রতিটি হাবের নিজের ওয়েবসাইট বা কিক-অফ প্রতিবেদনে যেভাবে আছে সেভাবে। হাবগুলো অলাভজনক ধারা ৮ কোম্পানি, চালায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো: Foundation for QC Innovation, IITM CDOT Samgnya Technologies Foundation, Qmet Tech Foundation আর QMD Foundation।

২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের দুটি পিআইবি বিজ্ঞপ্তি গণনা করেছে আলাদাভাবে। একটি বলছে ১৭টি প্রকল্প-দল সহ ১৪টি টেকনিক্যাল গ্রুপ, অন্যটি বলছে ১৭টি টেকনিক্যাল গ্রুপ। পরের সরকারি উত্তরগুলো ১৪ আর ১৭ ব্যবহার করে, যাতে জড়িত ১৭টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের ১৫২ জন গবেষক।

কী তৈরি হয়েছে

কম্পিউটিংয়ের প্রথম ধাপে চাওয়া হয়েছে ২০ থেকে ৫০ ভৌত কিউবিট। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির রাজ্যসভা উত্তর কৃতিত্ব দিয়েছে মিশনের সহায়তাপ্রাপ্ত বেঙ্গালুরুর স্টার্টআপ কিউপাইএআই-কে, যাকে সে বলেছে ৬৪ কিউবিটের একটি ‘স্কেলযোগ্য, ত্রুটি-সহনশীল’ কোয়ান্টাম প্রসেসর। কিউপাইএআইয়ের আগের যন্ত্র ইন্দাসে আছে ২৫টি সুপারকন্ডাক্টিং কিউবিট। ২০২৫ সালের এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটি দিয়েছিল একক-কিউবিট গেট ফিডেলিটি ৯৯.৭ শতাংশ আর দুই-কিউবিট গেট ফিডেলিটি ৯৬ শতাংশ, কোহেরেন্স সময় ৩০ আর ২৫ মাইক্রোসেকেন্ড। ওই সংখ্যাগুলোর কোনো স্বাধীন পরীক্ষা আমরা পাইনি।

একই উত্তরে তালিকাভুক্ত আছে আইআইটি বোম্বে হাবের পিকোয়েস্ট গ্রুপের একটি কোয়ান্টাম ডায়মন্ড মাইক্রোস্কোপ, যাকে সে বলেছে ভারতের প্রথম দেশীয়, আর ডিআরডিও ও আইআইটি দিল্লির তৈরি ১ কিমির একটি এনট্যাঙ্গলমেন্ট-ভিত্তিক ফ্রি-স্পেস লিংক। এতে এও বলা আছে যে আইআইটি বোম্বে, আইআইএসসি বেঙ্গালুরু, আইআইটি কানপুর আর আইআইটি দিল্লিতে কোয়ান্টাম ডিভাইসের ফ্যাব্রিকেশন ও কেন্দ্রীয় সুবিধা গড়া হচ্ছে। দেশের বাণিজ্যিক চিপ কারখানা আলাদা কর্মসূচি, আছে সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব প্রতিযোগিতা নিয়ে আমাদের লেখায়।

২৫ ও ৬৪ কিউবিটের চিপের পেছনের প্ল্যাটফর্ম সুপারকন্ডাক্টিং সার্কিট। ২০২৫ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কার, যার কথা আছে বিজ্ঞান নোবেলের আমাদের সারসংক্ষেপে, পেয়েছেন ক্লার্ক, দেভোরে আর মার্টিনিস, হাতে ধরার মতো আকারের একটি সুপারকন্ডাক্টিং সার্কিটের পরীক্ষার জন্য।

১,০০০ কিমির নেটওয়ার্ক আর তার ছোট হরফ

২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল পিআইবি জানায়, আরেকটি সহায়তাপ্রাপ্ত স্টার্টআপ কিউএনইউ ল্যাবস দেশীয় প্রযুক্তিতে ১,০০০ কিমির একটি কোয়ান্টাম যোগাযোগ নেটওয়ার্ক দেখিয়েছে, মিশনের ২,০০০ কিমির লক্ষ্যের বিপরীতে। ডিএসটি সচিব অভয় করন্দীকর একে বলেছেন ‘নিরাপদ কোয়ান্টাম যোগাযোগের এক মাইলফলক অগ্রগতি’, জানিয়েছে পিআইবি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা নেই নেটওয়ার্কে কটি রিলে নোড ব্যবহার হয়েছে। তাতে আরও আছে, মিশন এখন ১৭টি স্টার্টআপকে সহায়তা করে, ১২ ফেব্রুয়ারির উত্তরে যা ছিল আটটি।

মন্ত্রিসভার লক্ষ্যটি নিজেই ট্রাস্টেড নোডের কথা বলে, অর্থাৎ মধ্যবর্তী স্টেশন যারা কী-টি এগিয়ে দেয় এবং তাই নিজেদেরই বিশ্বাসযোগ্য হতে হয়। একটি চীনা দল ২০২১ সালের নেচার-এর একটি গবেষণাপত্রে একই রকম নকশার কথা জানিয়েছিল: ট্রাস্টেড রিলে দিয়ে ২,০০০ কিমিরও বেশি জুড়ে ৭০০টিরও বেশি কিউকেডি লিংকের একটি ফাইবার নেটওয়ার্ক, দুটি উপগ্রহ-থেকে-ভূমি লিংকের সঙ্গে যুক্ত, মোট পৌঁছ ৪,৬০০ কিমি। তাঁরা লিখেছেন, কোয়ান্টাম রিপিটার, ট্রাস্টেড রিলের বিকল্প, ‘বর্তমান প্রযুক্তিতে স্থাপন করা যায় না’।

ডিআরডিওর ১ কিমির লিংকের পর থেকে ফ্রি-স্পেস পরীক্ষা লম্বা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৭ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের রাতে কিউএনইউ ল্যাবস, বিসাগ-এন আর আইআইটি গান্ধীনগর মিলে বিসাগ-এন আর আইআইটি গান্ধীনগরের মধ্যে ৫.৫৬ কিমির একটি লিংক চালায়। ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের ঘোষণা, ডিডি ইন্ডিয়ার প্রচারিত, দিয়েছে সেকেন্ডে ২৩০ থেকে ২৬০ বিটের কী হার আর ৫ শতাংশের নিচে ত্রুটির হার। এটি একটি স্থল-লিংক। উপগ্রহ কিউকেডি লিংকের খবর দেওয়া কোনো বিজ্ঞপ্তি আমরা পাইনি, যা মিশনের অন্য ২,০০০ কিমির লক্ষ্য।

অমরাবতীর যন্ত্র

অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী কোয়ান্টাম ভ্যালি একটি রাজ্য প্রকল্প। IBM ২০২৫ সালের ২ মে বলেছিল, তারা পার্কটির কেন্দ্রে রাখবে ১৫৬ কিউবিটের হেরন প্রসেসর বসানো একটি IBM কোয়ান্টাম সিস্টেম টু দিয়ে, যাকে তারা বলেছে ভারতের বৃহত্তম কোয়ান্টাম কম্পিউটার। হার্ডওয়্যার হবে IBM-এর, চালানো হবে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের সঙ্গে, দেশীয় যন্ত্র নয়। IBM-এর বিজ্ঞপ্তিতে চালুর কোনো তারিখ ছিল না, আর ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবরের মধ্যে তার কোনো ঘোষণা আমরা পাইনি।

বিদেশে অর্থের তুলনা

যুক্তরাষ্ট্র তার ন্যাশনাল কোয়ান্টাম ইনিশিয়েটিভ অ্যাক্টে সই করেছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে। ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি ঘোষণা করে ৬২৫ মিলিয়ন ডলার, তার পাঁচটি জাতীয় কোয়ান্টাম গবেষণা কেন্দ্র আরও পাঁচ বছর পর্যন্ত নবায়নের জন্য, ২০২৫ অর্থবছরের ডলারে ১২৫ মিলিয়ন সহ আর বাকিটা কংগ্রেসের উপর নির্ভর করে। এটি পাঁচটি কেন্দ্রের, গোটা জাতীয় কর্মসূচির নয়, তাই ভারতের মোটের সঙ্গে সরাসরি তুলনা চলে না।

ইউরোপীয় কমিশন বলছে, ২০১৮ সালে চালু হওয়া তাদের কোয়ান্টাম টেকনোলজিস ফ্ল্যাগশিপের বাজেট ১ বিলিয়ন ইউরো। ইউরোএইচপিসি, ইইউয়ের যৌথ সুপারকম্পিউটিং উদ্যোগ, চেকিয়া, জার্মানি, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি আর পোল্যান্ডের স্থানে ছয়টি কোয়ান্টাম কম্পিউটার বসাচ্ছে ১০০ মিলিয়ন ইউরোয়, যা ইইউ আর ১৭টি অংশগ্রহণকারী দেশের মধ্যে ভাগ করা। প্রথমটি খুলেছে পোজনানে ২০২৫ সালের জুনে আর দ্বিতীয়টি অস্ত্রাভায় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। একটি কোয়ান্টাম অ্যাক্ট গ্রহণের কথা আছে ২০২৬ সালে।

এগুলোর পাশে রাখার মতো জাতীয় কোয়ান্টাম ব্যয়ের কোনো সরকারি চীনা অঙ্ক আমরা পাইনি, আর এই লেখা বাইরের কোনো আনুমানিক হিসাব ব্যবহার করে না। চীন একটি জার্নালে যা প্রকাশ করেছে তা হল ওপরে বর্ণিত ২০২১ সালের নেটওয়ার্ক।

কিউবিটের সংখ্যা যা বাদ রাখে

IBM ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ১,১২১ কিউবিটের প্রসেসর কনডর ঘোষণা করে এবং বলে এর কার্যক্ষমতা আগের ৪৩৩ কিউবিটের অস্প্রের সঙ্গে তুলনীয়। কাঁচা সংখ্যায়, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের আট মাসেরও কম সময়ের মধ্যে একটি চিপ মিশনের ১,০০০ কিউবিটের সীমা পেরিয়ে গিয়েছিল।

কিউবিটের সংখ্যা দেখায় না কিউবিটগুলো কত ঘন ঘন ভুল করে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নেচার-এ প্রকাশিত গুগলের উইলো গবেষণাপত্র ১০১টি কিউবিট থেকে একটি ডিস্ট্যান্স-৭ ত্রুটি-সংশোধিত মেমরি বানায় এবং প্রতি সংশোধন-চক্রে ০.১৪৩ শতাংশ ত্রুটি জানায়। একটি লজিক্যাল কিউবিট হল অনেক ভৌত কিউবিট থেকে তৈরি একটি ত্রুটি-সুরক্ষিত কিউবিট, আর গবেষণাপত্রের সূত্র অনুযায়ী ডিস্ট্যান্স ৭-এ একটির জন্য লাগে ৯৭টি ভৌত কিউবিট, তাই সেই অনুপাতে ১,০০০ ভৌত কিউবিটে থাকবে প্রায় দশটি লজিক্যাল কিউবিট। এই ভাগটি আমাদের নিজেদের অঙ্ক, মিশনের কোনো দাবি নয়।

মন্ত্রিসভা আর ডিএসটির প্রকাশিত প্রাপ্তিগুলো সংখ্যা বলে, কম্পিউটারগুলোর জন্য কোনো ত্রুটির হার বলে না। ইন্দাসের দুই-কিউবিট গেটের জন্য কিউপাইএআইয়ের নিজের অঙ্ক ৯৬ শতাংশ।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PM India: Cabinet approves National Quantum Mission (19 April 2023)
  2. PIB: Principal Scientific Adviser unveils Thematic Hubs and Technical Groups under the National Quantum Mission (30 September 2024)
  3. PIB: Jitendra Singh announces Thematic Hubs and Technical Groups, and the launch of BharatGen (30 September 2024)
  4. PIB: Lok Sabha reply on the National Quantum Mission, with hub funding annexure (4 February 2026)
  5. PIB: Rajya Sabha reply on achievements under NQM (12 February 2026)
  6. PIB: National Quantum Mission achieves 1,000-km secure communication milestone (8 April 2026)
  7. DD India, Ministry of Electronics and IT: India demonstrates first 5.56-km free-space Quantum Key Distribution link (4 October 2026)
  8. IBM: IBM, TCS and Government of Andhra Pradesh unveil plans to deploy India's largest quantum computer (2 May 2025)
  9. QpiAI: Announces dawn of quantum era in India with 25 qubit quantum computer (Business Wire release, April 2025)
  10. Nature: An integrated space-to-ground quantum communication network over 4,600 kilometres (6 January 2021)
  11. Nature: Quantum error correction below the surface code threshold (9 December 2024)
  12. IBM Quantum: IBM Quantum System Two, the era of quantum utility is here (December 2023)
  13. US Department of Energy: $625 million to advance the National Quantum Information Science Research Centers (4 November 2025)
  14. European Commission: Quantum, Shaping Europe's digital future
  15. Foundation for QC Innovation (IISc Bengaluru quantum computing hub): The Team
  16. Samgnya Technologies Foundation (IIT Madras and C-DOT quantum communication hub): The Team
  17. IIT Bombay: Qmet Tech Foundation kick-off meeting of the quantum sensing and metrology hub
  18. QMD Foundation (IIT Delhi quantum materials and devices hub): About

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#national quantum mission#quantum computing#quantum key distribution#qpiai#qnu labs#department of science and technology#iisc bengaluru

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
শুভমান গিলের ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি এনে দিল ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ওডিআই রান তাড়া
শুভমান গিলের রেকর্ড গড়া ২২৩ রান এনে দিল ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ওডিআই রান তাড়া, ভারতীয় বিজ্ঞানীরা প্রদর্শন করলেন দেশের প্রথম ফ্রি স্পেস কোয়ান্টাম কি ডিস্ট্রিবিউশন লিংক, আর ইলেকট্রিক গাড়ির বিক্রি পৌঁছাল সর্বকালের সর্বোচ্চে, ভারতে প্রথমবার Mercedes-Benz-কে পেছনে ফেলল Tesla।
আর্যভট্ট, ভারতের প্রথম উপগ্রহ, তৈরি হয়েছিল বেঙ্গালুরুর শেডে প্রায় ৩ কোটি টাকায়, আর ১৯৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল উৎক্ষেপিত হয়েছিল একটি সোভিয়েত রকেটে
২৬ পাশের একটি উপগ্রহ, শিল্প-এলাকার শেডে জোড়া লাগানো, অন্য দেশের রকেটে ওড়ানো, আর কয়েক দিনের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষায় নীরব। আর্যভট্ট কীভাবে ঘটল সে বিষয়ে নথিপত্র কী বলে, আর কোথায় তাদের মতভেদ।
ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযানে খরচ হয়েছিল ₹৩৮৬ কোটি, আর তাতে ছিল সেই NASA যন্ত্র যা চাঁদের পৃষ্ঠে জলের সন্ধান পায়
এগারোটি যন্ত্র, তার ছয়টি বিদেশ থেকে আসা, একটি ভারতীয় রকেটে চাঁদে গিয়েছিল। উৎক্ষেপণের এগারো মাস পরে তাদের মধ্যে থাকা একটি NASA স্পেকট্রোমিটার পৃষ্ঠে জল ও হাইড্রক্সিল শনাক্ত করে, এমন এক অনুসন্ধানে যাকে আবিষ্কারের নিবন্ধটি বলেছে ৪০ বছরের সন্ধান।
← সব লেখা