Skip to content
আদিত্য-এল১-এর ভারতে তৈরি করোনাগ্রাফ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের এক সৌর অগ্ন্যুৎপাতকে অসমভাবে প্রসারিত হতে দেখিয়েছে, প্লাজমা একই সঙ্গে মহাকাশযানের দিকে ও তার থেকে দূরে সরছিল
বিজ্ঞান ও মহাকাশ

আদিত্য-এল১-এর ভারতে তৈরি করোনাগ্রাফ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের এক সৌর অগ্ন্যুৎপাতকে অসমভাবে প্রসারিত হতে দেখিয়েছে, প্লাজমা একই সঙ্গে মহাকাশযানের দিকে ও তার থেকে দূরে সরছিল

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা আদিত্য-এল১-এর ভেলক (VELC) করোনাগ্রাফে রেকর্ড হওয়া রঙের সরণ থেকে একটি করোনাল ম্যাস ইজেকশনের গতি পড়েছেন, তারপর তা নাসার ছবি ও একটি ত্রিমাত্রিক মডেলের সঙ্গে মিলিয়েছেন। ইসরো ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর ফলাফলটি ঘোষণা করেছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর ইসরো ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক ঘোষণা করেছে, ভারতের সৌর মহাকাশ-মানমন্দির আদিত্য-এল১ বিজ্ঞানীদের সাহায্য করেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের একটি করোনাল ম্যাস ইজেকশন (সিএমই, সূর্য থেকে ছুটে আসা গরম, চৌম্বক গ্যাসের বিশাল বিস্ফোরণ) কীভাবে বেড়েছিল তা পুনর্গঠন করতে। সেটি প্রতিসম বুদবুদের মতো ফোলেনি। বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের (আইআইএ) বিজ্ঞানীরা আদিত্য-এল১-এর ভিজিবল এমিশন লাইন করোনাগ্রাফ (ভেলক, VELC) যে আলো রেকর্ড করেছে তার রঙের সরণ থেকে অগ্ন্যুৎপাতের মহাকাশযানের দিকে ও তার থেকে দূরের গতি পড়েছেন, তারপর সেটি মিলিয়েছেন নাসার ছবি ও একটি ত্রিমাত্রিক মডেলের সঙ্গে।

গবেষণাপত্রটি সৌরভ ত্রিপাঠী, তনময় সামন্ত ও জয়ন্ত যোশীর, আর তা ছাপা হয়েছে দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্সে (খণ্ড ১০০৯, নিবন্ধ L24)। জার্নালের তালিকা অনুযায়ী এটি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, উন্মুক্ত প্রবেশাধিকারে, ফলে ঘোষণার পেছনের উপাত্ত যে কেউ পড়তে পারেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অগ্ন্যুৎপাত

সিএমইটি এসেছিল একটি X1.7 ফ্লেয়ারের পর, অর্থাৎ সূর্যের পশ্চিম প্রান্তের ঠিক ওপার থেকে ছুটে আসা এক্স-রের বিস্ফোরণের পর। নোয়ার (NOAA) স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার ফ্লেয়ারটি রেকর্ড করেছিল ১৩:৪০ UTC-তে এবং উৎপত্তির স্থানের কারণে পৃথিবীমুখী সিএমই অসম্ভব বলে বিবেচনা করেছিল। আইআইএর গবেষণাপত্র অগ্ন্যুৎপাতের শুরু ধরেছে প্রায় ১৩:২৭ UT-তে।

নাসার সোলার ডাইনামিকস অবজারভেটরির অ্যাটমোসফেরিক ইমেজিং অ্যাসেম্বলি (AIA) থেকে পাওয়া এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট ছবি ব্যবহার করে লেখকেরা সূর্য ছেড়ে যাওয়া সিএমইর সম্মুখভাগ অনুসরণ করেছেন। তাঁরা মেপেছেন প্রক্ষিপ্ত অরীয় গতি সেকেন্ডে ১,১৩৪.৯ কিলোমিটার, কমবেশি ৩৩.৪। “প্রক্ষিপ্ত” মানে গতির সেই অংশ যা মহাকাশযান থেকে দেখা আকাশের গায়ে ধরা পড়ে।

ক্যামেরা যা দেখতে পায় না, বর্ণালীমাপক তা দেখে

করোনাগ্রাফ সূর্যের উজ্জ্বল চাকতিকে আড়াল করে, যাতে ক্ষীণ করোনা, অর্থাৎ সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল, দেখা যায়। ইসরোর বিবৃতি ব্যাখ্যা করেছে, বেশিরভাগ করোনাগ্রাফ ছবি দেখায় সিএমই আকাশ জুড়ে কীভাবে সরছে, কিন্তু গ্যাস পর্যবেক্ষকের দিকে বা তার থেকে দূরে কত দ্রুত যাচ্ছে তা বলতে পারে না।

ভেলক বর্ণালীও রেকর্ড করে। সে করোনার সবুজ রেখা দেখে ৫৩০.৩ ন্যানোমিটারে (৫৩০৩ অ্যাংস্ট্রম), যে আলো দেয় প্রায় ১.৮ মিলিয়ন কেলভিন তাপমাত্রার উচ্চ-আয়নিত লোহার পরমাণু, সূর্যের কেন্দ্র থেকে ১.০৫ থেকে ১.৫ সৌর ব্যাসার্ধের মধ্যে। সৌর ব্যাসার্ধ হলো সূর্যের নিজের ব্যাসার্ধ, তাই ১.০৫ মানে সূর্যের কিনারার প্রায় ৫ শতাংশ ব্যাসার্ধ ওপরের একটি বিন্দু। গ্যাস নড়লে রেখাটি তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সরে যায়, যে নীতিকে ইসরো তুলনা করেছে গাড়ির গতি মাপার স্পিড গানের সঙ্গে: পর্যবেক্ষকের দিকে ছুটে আসা গ্যাস সরে নীলচে আলোয়, দূরে ছুটে যাওয়া গ্যাস সরে লালচে আলোয়।

এর নকশা-গবেষণাপত্র অনুযায়ী, ভেলকের চারটি সমান্তরাল চেরা আছে, যার প্রতিটি একই সময়ে করোনার একটি ফালি নমুনা করে। এই ঘটনায় সূর্যের পশ্চিম কিনারার কাছের একটি চেরা অগ্ন্যুৎপাত তার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতি ৫১ সেকেন্ডে লোহার রেখাটি রেকর্ড করেছে।

ইসরোর বিবৃতি অনুযায়ী ভেলক নকশা ও তৈরি করেছে আইআইএ, ইসরোর উল্লেখযোগ্য সহায়তায়; ইটিভি ভারত ও পিআইবির পাঠ হোসাকোটের ক্রেস্ট ক্যাম্পাসে আইআইএর এমজিকে মেনন ল্যাবরেটরি ফর স্পেস সায়েন্সেসকে সেই জায়গা বলেছে। আইআইএ নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালে এম কে বৈনু বাপ্পুর হাতে, যিনি ১৯৬০ সাল থেকে কোডাইকানাল সোলার অবজারভেটরি পরিচালনা করছিলেন। আদিত্য-এল১, যা বহন করে সাতটি যন্ত্র, উৎক্ষেপিত হয়েছিল ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর।

বর্ণালীতে দুটি শাখা

প্রায় ১৩:২৭:৫৭ UT-তে সিএমইর সম্মুখভাগ থেকে আসা নিঃসরণ লোহার রেখার স্বাভাবিক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের দুই পাশে দুটি শাখায় ভাগ হয়ে গিয়েছিল, একটি নীলের দিকে সরা, আরেকটি লালের দিকে। লালের দিকে সরা নিঃসরণ দেখা দিয়েছিল কম উচ্চতায়, আর নীলের দিকে সরা বেশি উচ্চতায়। গবেষণাপত্র জানিয়েছে, চেরা বরাবর একটি অবস্থানে বাড়তি উপাদানটি নীলের দিকে সরেছিল সেকেন্ডে ৮১.০ কিলোমিটার, আরেকটিতে লালের দিকে সরেছিল সেকেন্ডে ২১৭.৯ কিলোমিটার। লেখকেরা বলছেন, ২১৭.৯ সম্ভবত একটি নিম্নসীমা, কারণ ওই উপাদানটি ভেলকের রেকর্ড করা তরঙ্গদৈর্ঘ্য-পরিসরের কিনারা পর্যন্ত চলে গিয়েছিল।

একই চেরা বরাবর AIA ছবিতে অনুসরণ করা সিএমইর পাশের দিকের সম্মুখভাগ আকাশ জুড়ে সরেছিল প্রক্ষিপ্ত সেকেন্ডে ৬৯১.৫ কিলোমিটার, কমবেশি ৩০.৭। অরীয় সম্মুখভাগের জন্য মাপা সেকেন্ডে ১,১৩৪.৯ কিলোমিটারের চেয়ে তা অনেক কম, আর গবেষণাপত্র এই পার্থক্যকে পড়েছে এমন প্রসারণ হিসেবে যা সব দিকে একরকম নয়।

প্রতিসম বুদবুদ মেলেনি

দুটি শাখা ব্যাখ্যা করতে আইআইএ দলটি প্রসারিত গ্যাস-খোলকের একটি সরল ত্রিমাত্রিক মডেল বানিয়েছে আর হিসাব করেছে তা কোন বর্ণালী তৈরি করত। তাঁরা চারটি বিন্যাস পরীক্ষা করেছেন। কিনারা থেকে দেখা, সমানভাবে প্রসারিত একটি খোলক দিয়েছিল নীল ও লালের প্রতিসম নকশা। আলাদা একটি ত্রিমাত্রিক পুনর্গঠন থেকে নেওয়া হেলান ও অভিমুখ যোগ করলে, যা অগ্ন্যুৎপাতটিকে সূর্যের কিনারার প্রায় ৭ ডিগ্রি পেছনে বসায়, নকশা বদলেছে কিন্তু মিল কমেছে। মিল এসেছে চতুর্থ বিন্যাস থেকে, যা সেই অভিমুখের সঙ্গে জুড়েছে দুটি লম্ব দিকে আলাদা পাশের প্রসারণ। গবেষণাপত্র বলছে, ওই ক্ষেত্রটি আকার ও সময়ের বিবর্তন দুই দিক থেকেই ভেলকের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলে, আর প্রতিসম বিন্যাসগুলো মেলে কম।

ইসরোর বিবৃতি সিদ্ধান্তটি সহজ ভাষায় বলেছে: অগ্ন্যুৎপাত সরল প্রতিসম বুদবুদের মতো বাইরের দিকে ছড়ায়নি, আর ছবি, ভেলকের বর্ণালীবিশ্লেষণ ও মডেলের সমন্বয় এর প্রমাণ যে সূর্যের কাছাকাছি সেটি সমানভাবে প্রসারিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট লেখক সামন্ত ইটিভি ভারতকে বলেছেন, দলটি দেখেছে “এটি সব দিকে সমানভাবে ছড়ায় না।“

আকার কীভাবে পৌঁছানোর সময় বদলাতে পারে

নোয়ার স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার বলছে, সিএমই চলে সেকেন্ডে ২৫০ কিলোমিটারের কম থেকে প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার গতিতে, আর পৃথিবীমুখী দ্রুততমগুলো পৌঁছাতে পারে ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টায়, ধীরগুলোর লাগে কয়েক দিন। পূর্বাভাসকেরা করোনাগ্রাফ ছবি থেকে আকার, গতি ও দিক হিসাব করেন, আর কেন্দ্রটি জানায়, সূর্য-পৃথিবী এল১ বিন্দুতে থাকা নোয়ার ডিএসসিওভিআর উপগ্রহ প্রায়ই ১৫ থেকে ৬০ মিনিট আগে সতর্ক করতে পারে যে সিএমইর আগের শক এসে পৌঁছাচ্ছে।

আইএএনএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী যোশী বলেছেন, কোনো সিএমইর শুরুর দিকের অসম আকার সৌর বায়ুর সঙ্গে তার মিথস্ক্রিয়া আর সে কতটা টান অনুভব করে তাকে প্রভাবিত করতে পারে, যা তার গতি এবং শেষ পর্যন্ত পৃথিবীতে পৌঁছানোর সময়কে প্রভাবিত করতে পারে। ইসরোর বিবৃতি যোগ করেছে, ভিন্ন আকারের টান ভিন্ন হতে পারে, ফলে পৌঁছানোর সময়ের পূর্বাভাস আরও কঠিন হতে পারে।

ফলাফল কী দাবি করে আর কী খোলা রাখে

পিআইবির বিবৃতির পাঠ, idrw.org-এ যেভাবে ছাপা হয়েছে, বলছে গবেষণাটি “এই প্রথম” দেখিয়েছে সিএমইটি সরল প্রতিসম বুদবুদের মতো বাড়েনি। অসম প্রসারণ আগেই একাধিক মহাকাশযান দিয়ে পাওয়া গিয়েছিল: ক্রেমাদেস ও সহযোগীরা নাসার স্টেরিও ও এসডিও মহাকাশযানের ছবি দিয়ে এক ডজন সিএমই পুনর্গঠন করেছিলেন এবং ২০২০ সালে অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে জানিয়েছিলেন, প্রায় তিন সৌর ব্যাসার্ধের নিচে তাদের প্রসারণ ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে অসম। আইআইএর গবেষণাপত্র সেই কাজের ধারা উদ্ধৃত করেছে এবং বলেছে নিজের ফলাফল তার সঙ্গে মেলে। ইসরোর কথায়, ভেলক যোগ করে একটিমাত্র অবস্থান থেকে দৃষ্টিরেখা বরাবর গতি।

গবেষণাপত্র নিজের সীমা নিয়ে সতর্ক। এটি মডেলটিকে গুণগত বলেছে, জানিয়েছে এর প্যারামিটারগুলো প্রতিনিধিত্বমূলক, অগ্ন্যুৎপাতের কোনো অনন্য পুনর্গঠন নয়, আর বলেছে দুটি শাখার নিচেরটি ক্ষীণ এবং পুরো ঘটনা জুড়ে অনুসরণ করা যায় না। অসম বৃদ্ধির একটি সম্ভাব্য কারণ এটি দিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের চারপাশের অসম চৌম্বক পরিবেশ, আর যোগ করেছে পর্যবেক্ষণ সেই যোগসূত্র নিশ্চিত করার মতো যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা দেয় না। ইটিভি ভারত জানায়, অসম প্রসারণ ভূচৌম্বকীয় ব্যাঘাত কতটা তীব্র হবে তা বদলায় কি না, গবেষণা তা সরাসরি প্রতিষ্ঠা করে না, আর দ্য প্রিন্ট যোগ করেছে এটি একটি ঘটনা পরীক্ষা করেছে এবং কোনো বড় ঝড় আসন্ন বলে ইঙ্গিত দেয় না। অগ্ন্যুৎপাতটি নিজেই শুরু হয়েছিল সূর্যের কিনারার ঠিক ওপারে, আর নোয়া তখনই বিবেচনা করেছিল পৃথিবীমুখী সিএমই অসম্ভব।

এরপর কী

গবেষকেরা কৌশলটি অন্য সিএমইতে প্রয়োগ করার পরিকল্পনা করছেন, ইসরোর বিবৃতি বলছে, ভেলকের বর্ণালীবিশ্লেষণ অগ্ন্যুৎপাতের দিক, গতি ও প্রসারণ কতটা নির্ভরযোগ্যভাবে ফিরিয়ে আনতে পারে তা প্রতিষ্ঠা করতে, আর একাধিক মহাকাশযানের ছবির ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে গতি পুনর্গঠন করতে। ইটিভি ভারত জানাচ্ছে, পরের লক্ষ্য সূর্যের কিনারার কাছের অগ্ন্যুৎপাত, যেখানে ছবি থেকে দৃষ্টিরেখা বরাবর গতি পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। সামন্ত সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, ভেলক এখন একমাত্র চালু মহাকাশভিত্তিক করোনাগ্রাফ যা সূর্যের দৃশ্যমান কিনারার বাইরের করোনার বর্ণালী-পর্যবেক্ষণ নিয়মিত দেয়।

ফলাফলটি এসেছে ১৫ অক্টোবর ঘোষিত ভেলক ও ইউরোপের প্রোবা-৩ করোনাগ্রাফের আইআইএর যৌথ বিশ্লেষণের তিন সপ্তাহেরও কম সময় পরে। ইসরো বলছে, আদিত্য-এল১ ২০২৪ সালের ৬ জানুয়ারি যে হ্যালো কক্ষপথে ঢুকেছে, পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে এল১ বিন্দুর চারপাশে, তা বাছা হয়েছিল পাঁচ বছরের মিশন-জীবন দিতে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. ISRO: India's Aditya-L1 Reveals the Hidden Third Dimension of a Solar Eruption (3 November 2026)
  2. The Astrophysical Journal Letters: Tripathi, Samanta and Joshi, Spectroscopic Signatures of Nonuniform Lateral Expansion of a Coronal Mass Ejection in the Low Corona with ADITYA-L1/VELC (vol. 1009, L24, 2026; open access)
  3. idrw.org: India's Aditya-L1 Sees Something Unusual in a Solar Eruption (PIB release text, 4 November 2026)
  4. IANS via EdexLive: How Aditya-L1 solar eruption discovery helps shield satellites from space weather (3 November 2026)
  5. ETV Bharat: Solar Eruptions Are Lopsided Chaos, How Aditya-L1's VELC Payload Revealed The Secret In 3D (5 November 2026)
  6. ThePrint: Aditya-L1 spots an uneven solar eruption. Why does it matter for Earth? (5 November 2026)
  7. NOAA Space Weather Prediction Center: X1.7 and X1.1 Flares Observed on 05 Aug (5 August 2024)
  8. Solar-Terrestrial Centre of Excellence (Royal Observatory of Belgium): The double X-class flare (5 August 2024)
  9. NOAA Space Weather Prediction Center: Coronal Mass Ejections
  10. arXiv: Singh et al., Visible Emission Line Coronagraph (VELC) onboard ADITYA-L1 (arXiv:2503.21184)
  11. arXiv: Cremades, Iglesias and Merenda, Asymmetric expansion of coronal mass ejections in the low corona (Astronomy and Astrophysics, 2020)
  12. NASA Solar Dynamics Observatory: Instruments
  13. ISRO: Aditya-L1 mission page
  14. ISRO: Halo-Orbit Insertion of Aditya-L1 Successfully Accomplished (6 January 2024)
  15. Kodaikanal Solar Observatory (Indian Institute of Astrophysics): History

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#aditya-l1#velc#coronal mass ejection#space weather#indian institute of astrophysics#isro#solar corona#doppler spectroscopy

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: বিজ্ঞান ও মহাকাশ
আদিত্য-এল১ ও ইউরোপের প্রোবা-৩ ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর সূর্যের একই দুটি অগ্ন্যুৎপাত দেখেছিল, আর বেঙ্গালুরুর নেতৃত্বাধীন একটি দল দুই মহাকাশযানের তথ্য নিয়ে প্রথম যৌথ বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে
ভারতে তৈরি একটি যন্ত্র আর ইউরোপে তৈরি আরেকটি সূর্যের বায়ুমণ্ডলের একই অংশের দিকে তাকিয়েছিল। ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর প্রত্যেকে কী নথিভুক্ত করল, লেখকদের দেওয়া সংখ্যাগুলো, আর তাঁরা নিজেরাই যে খোলা প্রশ্নগুলো তালিকাভুক্ত করেছেন।
সূর্যকে দেখতে আদিত্য-এল১ পাড়ি দিয়েছিল ১৫ লক্ষ কিলোমিটার, তারপর ২০০৩ সালের পর সবচেয়ে প্রবল ভূচৌম্বকীয় ঝড়ের পেছনের সৌর বিস্ফোরণগুলো নথিবদ্ধ করেছে
একটি পিএসএলভি আকাশে উঠেছিল সকাল ১১.৫০-এ, আর ১২৬ দিন পর ভারতীয় গবেষণাগারে তৈরি একটি মহাকাশযান ঘুরছিল এমন এক বিন্দুকে, যেখানে পৃথিবী আর সূর্যের টান সমান হয়ে যায়। তার সাতটি যন্ত্রের কোনটি কী করে, আর কী পেয়েছে, তা এখানে।
ইসরো ২০২৬ সালের ১৬ অক্টোবর জানিয়েছে, গগনযানের ক্রু মডিউল ও সার্ভিস মডিউলের বিচ্ছেদ পরীক্ষা সম্পূর্ণ, প্রথম মনুষ্যবিহীন উড়ানের আগে ক্যাপসুলের ফেরা শুরু করা বিচ্ছেদের পথ পরিষ্কার
তিরুবনন্তপুরমের একটি পরীক্ষার কাঠামোয় গগনযানের ক্যাপসুলকে পুনঃপ্রবেশের আগে মুক্ত করা বিচ্ছেদের মহড়া হয়েছে। ইসরো কী পরীক্ষা করেছে, কী টিকেছে, আর এর পেছনে জুলাইয়ের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষাগুলো।
← সব লেখা