Skip to content
এইমস দিল্লি গড়ে উঠেছিল ১৯৫৬ সালের ২ জুন স্বাক্ষরিত সংসদীয় আইনে, নিউজিল্যান্ডের কলম্বো পরিকল্পনা অনুদানে, আর ২০২৫ সালে এনআইআরএফ-এ ভারতের চিকিৎসা বিভাগে প্রথম স্থান পেয়েছে
আধুনিক ভারত

এইমস দিল্লি গড়ে উঠেছিল ১৯৫৬ সালের ২ জুন স্বাক্ষরিত সংসদীয় আইনে, নিউজিল্যান্ডের কলম্বো পরিকল্পনা অনুদানে, আর ২০২৫ সালে এনআইআরএফ-এ ভারতের চিকিৎসা বিভাগে প্রথম স্থান পেয়েছে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস গড়া হয়েছিল ভারতের নিজের বিশেষজ্ঞ তৈরির জন্য আর অন্য সব মেডিকেল কলেজের মান বেঁধে দেওয়ার জন্য। শুরুর খরচ জুগিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের একটি অনুদান, দুই কক্ষে বিলটি পার করিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আর প্রতিষ্ঠানের ২০১৬-১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এক বছরে ৪১.৪০ লাখ বহির্বিভাগের রোগীর হিসাব আছে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস গড়ে উঠেছে ১৯৫৬ সালে সংসদের পাস করা একটি আইনের জোরে: ১৯৫৬ সালের ২৫ নম্বর অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস আইন, তারিখ ২ জুন ১৯৫৬। আইনটি প্রতিষ্ঠানকে “জাতীয় গুরুত্বের প্রতিষ্ঠান” ঘোষণা করে, নিজের ডিগ্রি দেওয়ার ক্ষমতা দেয়, আর তিনটি উদ্দেশ্য বেঁধে দেয়: ভারতের অন্য সব মেডিকেল কলেজকে দেখিয়ে দেওয়া উঁচু মান কেমন, স্বাস্থ্যকর্মীদের উচ্চস্তরের প্রশিক্ষণ এক জায়গায় আনা, আর স্নাতকোত্তর চিকিৎসাশিক্ষায় ভারতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। ২০১৬-১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানের নিজেরই হিসাব, সে বছর বহির্বিভাগে এসেছিলেন ৪১.৪০ লাখ (৪.১৪ মিলিয়ন) রোগী, আর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রকের এনআইআরএফ র‍্যাঙ্কিংয়ে চিকিৎসা বিভাগে এটি প্রথম স্থান পায়।

আইনটি আসলে কী বলে

আইনটি ছোট। এইমস ওয়েবসাইটে থাকা এর পাঠ বলে, প্রতিষ্ঠানটি চিরস্থায়ী উত্তরাধিকারসহ একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা, এটি “নয়াদিল্লিতে অবস্থিত হবে”, আর আধুনিক চিকিৎসা ও তার সহযোগী বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়াতে পারবে। গবেষণা চালানো, পরীক্ষা নেওয়া এবং অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যম ছাড়াই “ডিগ্রি, ডিপ্লোমা ও অন্যান্য শিক্ষাগত সম্মান” দেওয়াও তার এখতিয়ারে।

একটি ধারা প্রথম প্রধানের কথা বলে: প্রথম অধিকর্তাকে নিয়োগ করবে কেন্দ্রীয় সরকার, পরের প্রত্যেককে নিয়োগ করবে প্রতিষ্ঠান নিজে। আরেকটি ধারা বলে, আইনের কার্যকর প্রশাসনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে নির্দেশ দেবে, প্রতিষ্ঠানকে তা মানতে হবে। অমৃত কৌরের মত ছিল, ১৯৫৬ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠান স্বশাসিত হয়, প্রতিষ্ঠানের নিজের ডায়মন্ড জুবিলি প্রবন্ধে তাঁর সম্পর্কে এমনই বলা আছে।

ভাবনাটা এসেছিল ভোর কমিটি থেকে

স্যার জোসেফ ভোরের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য জরিপ ও উন্নয়ন কমিটি ১৯৪৬ সালে প্রতিবেদন দেয় এবং দেশের প্রসারমান স্বাস্থ্যকাজের জন্য উচ্চশিক্ষিত মানুষ তৈরি করতে একটি জাতীয় চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ার সুপারিশ করে। এইমসের ইতিহাস-পাতা বলছে, জওহরলাল নেহরু চেয়েছিলেন এমন একটি কেন্দ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চিকিৎসাশিক্ষা ও গবেষণার গতি ঠিক করে দেবে, আর তাঁর স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজকুমারী অমৃত কৌর পরিকল্পনাটিকে পুরোপুরি সমর্থন করেছিলেন। সংবিধান অফ ইন্ডিয়া প্রকল্পে তাঁর পরিচিতি অনুযায়ী, তিনি ১৯৪৭ সালে নেহরুর প্রথম মন্ত্রিসভায় স্বাধীন ভারতের প্রথম স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন, আর ১৯৫০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদের সভাপতিত্ব করা প্রথম নারী ও প্রথম এশীয় হন।

অমৃত কৌর ১৯৫৬ সালের ৩ মে রাজ্যসভায় বলেছিলেন, এ ধরনের একটি সর্বভারতীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবনা প্রথম তুলে ধরেছিল ভোর কমিটি, তিনি তা সঙ্গে সঙ্গে মেনে নেন এবং দায়িত্বের প্রথম বছর থেকেই তার জন্য চাপ দিয়ে এসেছেন, আর কলম্বো পরিকল্পনা না আসা পর্যন্ত কোনো টাকা আসেনি। কলম্বো পরিকল্পনা ছিল কমনওয়েলথ ও এশীয় দেশগুলোর মধ্যে উন্নয়ন সহায়তার একটি ব্যবস্থা। তার আওতায় নিউজিল্যান্ড শুরুর খরচ জুগিয়েছিল।

১৯৫২ সালের ভিত্তিপ্রস্তর আর নিউজিল্যান্ডের উপহার

এইমস বলছে, নিউজিল্যান্ডের অনুদানের কারণেই ১৯৫২ সালে ভিত্তিপ্রস্তর বসানো সম্ভব হয়েছিল। দিল্লি সরকারের মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজের একটি ইতিহাস-পাতায় দিনটি ১৯৫২ সালের ৪ এপ্রিল এবং বলা আছে, পাথরটি আরউইন হাসপাতালের চত্বরে বসিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের এক মন্ত্রী। দিন আর জায়গার জন্য আমি এটিই একমাত্র সূত্র পেয়েছি, আর পাতাটিতে মন্ত্রীর নামের যে রূপ আছে তা নির্ভরযোগ্য মনে হয় না, তাই নামটি বাদ রাখলাম। প্রতিষ্ঠানটি পরে উঠেছিল এখনকার ঠিকানা আনসারী নগরে।

অনুদানের অঙ্ক কত, তা নির্ভর করে কে গুনছেন তার ওপর। এইমসের ২০১৬-১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং অমৃত কৌরকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ডায়মন্ড জুবিলি প্রবন্ধ, দুটিতেই বলা আছে ১০ লাখ পাউন্ড। ১৯৫৬ সালের ৩ মে রাজ্যসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে নিউজিল্যান্ড সরকারের কাছ থেকে “এক মিলিয়ন আর সিকি মিলিয়ন পাউন্ড” পাওয়ার কথা বলেছিলেন। সংসদীয় নথিতে এটিও আছে যে, বিতর্কের জবাবে তিনি বলেছিলেন অনুদানের সঙ্গে কোনো শর্ত জোড়া ছিল না। সূত্রগুলো আলাদা বলে এখানে দুটি অঙ্কই দেওয়া হলো।

রাজ্যসভায় চার দিন

বিলটি লোকসভায় পেশ হয় ১৯৫৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। লোকসভার কার্য উপদেষ্টা কমিটি এর জন্য ৬০ মিনিট ধরেছিল; কক্ষটি ১৯৫৬ সালের ১৮ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি বিতর্ক চালায় এবং একটি সংশোধনীসহ বিলটি পাস করে, যাতে প্রতিষ্ঠানকে তার বার্ষিক প্রতিবেদন দুই কক্ষেই পেশ করতে হয়। তারপর রাজ্যসভা বিলটি নেয় ১৯৫৬ সালের ৩ থেকে ৯ মে। প্রতিষ্ঠানের ডায়মন্ড জুবিলি বিবরণ অনুযায়ী, দুই বিতর্কের সংসদীয় নথি মিলিয়ে ৮০০ পাতার বেশি।

সব দলের সদস্যরাই বিলটি সমর্থন করেছিলেন এবং তার গড়ন নিয়ে তর্ক করেছিলেন। রাজ্যসভায় সদস্যরা দেখিয়েছিলেন, ৩০টি ধারার মধ্যে ২৫টিতে “বিধি দ্বারা নির্ধারিত” কথাটি আছে, আর কেউ কেউ জানতে চেয়েছিলেন আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথি আর ইউনানি কেন বাদ গেল। অমৃত কৌর উত্তরে বলেছিলেন প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক চিকিৎসার জন্য, এবং ভবিষ্যতের জন্য জামনগরে আয়ুর্বেদের একটি এবং হোমিওপ্যাথির একটি সর্বভারতীয় ইনস্টিটিউটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। স্বায়ত্তশাসন নিয়ে তিনি কক্ষকে বলেছিলেন: “নিজের সরকারকে বিশ্বাস করুন, নিজেদের বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস করুন।” ৯ মে রাজ্যসভা বিলটি পাস করে। একই জবাবে তিনি বলেছিলেন: “আমি চাই এটা এমন কিছু হোক যা চমৎকার, যা নিয়ে ভারত গর্ব করতে পারে, আর আমি চাই ভারত এটা নিয়ে গর্ব করুক।”

বেসরকারি প্র্যাকটিস নিষেধ, আর প্রথম অধিকর্তা

সংসদ-বিতর্কের বিবরণ এইমসকে ভারতে ও এশিয়ায় এ ধরনের প্রথম প্রতিষ্ঠান বলে বর্ণনা করে, দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যসহ: কোনো রূপেই বেসরকারি প্র্যাকটিস করা যাবে না, আর তা পুষিয়ে দিতে যথেষ্ট উঁচু বেতন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী লোকসভাকে বলেছিলেন চিকিৎসকেরা পুরো সময় দেবেন শিক্ষাদান, রোগী আর গবেষণায়। তিনি রাজ্যসভাকেও জানিয়েছিলেন প্রথম অধিকর্তা হবেন ডঃ বি. বি. দীক্ষিত, যিনি হাফকিন ইনস্টিটিউটে কাজ করেছিলেন এবং বোম্বাইয়ের সার্জন-জেনারেল ছিলেন। প্রতিষ্ঠানের পাতায় তাঁর সম্পর্কে বলা আছে, ১৯৫৬ সালে তাঁকে প্রথম অধিকর্তা হতে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং বিদেশে কর্মরত ভারতীয় চিকিৎসা-বিজ্ঞানীদের তিনি এইমসে ফিরিয়ে আনেন।

সংসদ-বিতর্কের বিবরণে তাঁর নাম লেখা হয়েছে Dixit, প্রতিষ্ঠানের নিজের জীবনীপাতায় Dikshit; এই লেখা দ্বিতীয়টি অনুসরণ করেছে।

প্রথম কয়েক বছর: ছোট বাজেট, ধার করা শয্যা আর বিদেশি সাহায্য

প্রতিষ্ঠানের প্রথম সভাপতি এবং ১৯৬৪ সালে মৃত্যু পর্যন্ত পরিচালন পর্ষদের সভাপতি অমৃত কৌরকে নিয়ে ডায়মন্ড জুবিলি প্রবন্ধে শুরুর বাজেটের একটি ছবি আছে। পর্ষদের প্রথম বৈঠক হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর। ১৯৫৭-৫৮ সালের বাজেট ছিল ৪০ লাখ টাকা, আর দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এইমসের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ১১.১১ কোটি টাকা। রকফেলার ফাউন্ডেশন বই, প্রকাশনা ও যন্ত্রপাতির জন্য ২,০০,০০০ মার্কিন ডলার দিয়েছিল এবং ভবনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের খরচ বহন করেছিল। নিউজিল্যান্ডের অনুদানে প্রতিষ্ঠানের নিজের হাসপাতাল তৈরি হতে হতে স্বাস্থ্য পরিষেবা মহানির্দেশক সফদরজং হাসপাতালে ৬০টি শয্যা দিয়েছিলেন মেডিসিন ও সার্জারি পড়ানোর জন্য। ১৯৫৯ সালের মধ্যে এইমসের নিজের শয্যা হয় ৩৫০টি, আর সফদরজংয়ে শিক্ষণ শয্যা ৮৪টি।

ভর্তি শুরু থেকেই ছিল মুক্ত প্রতিযোগিতায়। প্রবেশিকা পরীক্ষা ১৯৫৬, ১৯৫৭ ও ১৯৫৮ সালে হয়েছিল পাঁচটি শহরে (বোম্বাই, কলকাতা, মাদ্রাজ, নাগপুর ও দিল্লি), আর প্রবন্ধ বলছে, ৫০টি এমবিবিএস আসনের জন্য পরীক্ষায় বসেছিলেন ৪০০ জন। ১৯৫৭ সালের শেষ দিকে পর্ষদ এটাও ঠিক করে যে প্রতিষ্ঠান অস্ত্রোপচার ও ক্লিনিক্যাল বিশেষজ্ঞতায় এম.সি.এইচ. এবং ডিএম ডিগ্রি দেবে।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ১৯৬১ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের ভবন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন, রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন; ২০১৬-১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন আর দ্য প্রিন্ট, দুটিতেই তারিখটি আছে। প্রতিষ্ঠানের প্রবন্ধ অনুযায়ী, সে বছর ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল তার ১৫০তম বার্ষিকীতে আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপের সবচেয়ে বিশিষ্ট হাসপাতালগুলির তালিকায় এইমসকে রাখে এবং অমৃত কৌরকে একটি পদক উপহার দেয়। তাঁর শেষ পর্ষদ-বৈঠক ছিল ১৯৬৩ সালের ১৪ আগস্ট, যেদিন পর্ষদ শিমলায় তাঁর বাড়ি “ম্যানরভিল” এইমসের চিকিৎসক ও নার্সদের বিশ্রামগৃহ হিসেবে তাঁর দান গ্রহণ করে।

সংখ্যা কী দেখায়

২০১৬-১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনই আমি যত খুলতে পেরেছি তার মধ্যে সবচেয়ে বিশদ হিসাব। ৭২টি এমবিবিএস আসনের জন্য ২,৪৫,৮৬৫টি আবেদন এসেছিল এবং ২০১৬ সালের ২৯ মে প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসেছিলেন ১,৮৯,৩৫৭ জন। হাসপাতাল ও তার কেন্দ্রগুলোয় শয্যা ছিল ২,৩৬২টি এবং সে বছর প্রায় ৪১.৪০ লাখ বহির্বিভাগের রোগী, ২.৩৪ লাখ ভর্তি রোগী আর ১.৭ লাখের বেশি অস্ত্রোপচারের হিসাব আছে। প্রতিবেদনের সারাংশ-তালিকায় জার্নাল ও সারসংক্ষেপে ২,৪৮৫টি প্রকাশনা গোনা হয়েছে। এতে এটাও বলা আছে যে পরের শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রতিষ্ঠান স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি ৭২ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করবে।

পরবর্তী স্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য tuput-এ আলাদা লেখা আছে: ভারত কীভাবে পোলিও নির্মূল করেছে আর আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জেএওয়াই স্বাস্থ্যবিমা। একই সময়ের আরেকটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে লেখা আছে হিজলি শিবির থেকে আজকের আইআইটি-নেটওয়ার্ক প্রসঙ্গে।

বিভাগ আর প্রকাশনার গণনা এক পাতা থেকে আরেক পাতায় আলাদা। এইমস ওয়েবসাইট বলছে শিক্ষা ও গবেষণা ৪২টি বিষয়ে এবং বছরে ৬০০-র বেশি প্রকাশনা; বার্ষিক প্রতিবেদনের ভূমিকা বলছে প্রায় ১০০টি বিষয় ও ২,০০০-এর বেশি প্রকাশনা, আর অধিকর্তার পর্যালোচনায় ৭টি কেন্দ্র ও ৪২টি স্বতন্ত্র বিভাগ গোনা হয়েছে।

আরও সাম্প্রতিক হিসাব এসেছে প্রতিষ্ঠানের ৭০তম ইনস্টিটিউট ডে-তে অধিকর্তার বক্তৃতা থেকে, যা দ্য ট্রিবিউন ২০২৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ছেপেছে: এক বছরে ৫০ লাখের বেশি বহির্বিভাগের রোগী, ৩.২ লাখের বেশি ভর্তি আর ৩.১ লাখের বেশি অস্ত্রোপচার। ট্রিবিউন এই মোট সংখ্যা কোন বছরের তা বলেনি, তাই এগুলোকে ওখানে প্রতিবেদিত অধিকর্তার হিসাব হিসেবেই ধরুন।

শিক্ষা মন্ত্রক ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এনআইআরএফ ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্কিংস ২০২৫ প্রকাশ করে, এবং অল ইন্ডিয়া রেডিও জানায় এইমস দিল্লি চিকিৎসা বিভাগের শীর্ষে। মেডিকেল ডায়ালগস তাকে ৯১.৮০ স্কোর দিয়েছে, দ্বিতীয় স্থানে চণ্ডীগড়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ৮২.৫৮ নিয়ে। কত বছর ধরে এটি শীর্ষে, তা বিভিন্ন প্রতিবেদনে আলাদাভাবে গোনা হয়, তাই এখানে কোনো সংখ্যা দেওয়া হলো না।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. AIIMS New Delhi: About Us (history of the Institute; page last updated 20 March 2019)
  2. AIIMS New Delhi: Annual Report 2016-17
  3. AIIMS Diamond Jubilee Celebrations: AIIMS Act 1956, The Parliament Debate (V. Srinivas)
  4. AIIMS Diamond Jubilee Celebrations: Rajkumari Amrit Kaur, Founder of the All India Institute of Medical Sciences (V. Srinivas)
  5. The All India Institute of Medical Sciences Act, 1956 (No. 25 of 1956), text and rules, hosted by AIIMS
  6. Parliamentary proceedings on the All-India Institute of Medical Sciences Bill, Lok Sabha February 1956 and Rajya Sabha May 1956 (compiled by A. K. Bisoi, hosted by AIIMS)
  7. AIIMS New Delhi: Professor B. B. Dikshit, the first Director
  8. Maulana Azad Medical College, Delhi government: Earlier Days in MAMC
  9. Constitution of India project: Rajkumari Amrit Kaur, member profile
  10. ThePrint: Elizabeth II visited India thrice; got rousing reception at Ramlila Maidan in 1961, inaugurated AIIMS buildings
  11. All India Radio News: Union Education Minister releases NIRF India Rankings 2025 (4 September 2025)
  12. Medical Dialogues: NIRF 2025 rankings, AIIMS New Delhi stays No. 1
  13. The Tribune: 50 lakh outpatients, 3.1 lakh surgeries in a year, AIIMS Director on Institute Day (26 September 2025)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#aiims#rajkumari amrit kaur#bhore committee#colombo plan#medical education#new delhi#nirf#health

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
প্রথম আইআইটি গড়ে উঠেছিল খড়গপুরের পুরনো হিজলি বন্দিশিবিরে, উদ্বোধন হয় ১৯৫১ সালে, আর ভারতে এখন সংসদের আইনের অধীনে ২৩টি আইআইটি
বাংলার একটি বন্দিশিবির, মস্কো, বন, ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সাহায্যের প্রস্তাব, আর ১৯৬৩ সালে কানপুরে আকাশপথে আনা একটি কম্পিউটার। পাঁচটি ক্যাম্পাস কীভাবে ২৩টি প্রতিষ্ঠান হল, আর ২০২৫ সালের র‍্যাঙ্কিং সেগুলো সম্পর্কে কী বলে।
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স শুরু হয়েছিল ১৯০৯ সালের ২৭ মে, টাটার অনুদান, মহীশূরের ৩৭১ একর আর সরকারি অনুদান নিয়ে, আর ২০১৬ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত প্রতি বছর ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিল
পিটার প্যান নামের ঘোড়ায় চড়া এক রসায়নবিদ, সাবান আর চন্দনের তেল চাওয়া এক দেওয়ান, ১৯৩৩ সালে পরিচালক হওয়া এক নোবেল জয়ী। আইআইএসসি সংগ্রহশালা থেকে টাটা ইনস্টিটিউটের প্রথম বছরগুলো।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর নৌবাহিনীর নিজের নকশা করা আটটি নেক্সট জেনারেশন কর্ভেটের জন্য ₹৫৩,৮৬৬.৫০ কোটির চুক্তি সই করেছে, পাঁচটি গার্ডেন রিচের, তিনটি গোয়া শিপইয়ার্ডের
আটটি কর্ভেট, দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা আর নৌবাহিনীর নিজের আঁকা নকশা। সই-হওয়া মূল্য, তার আগে প্রতিবেদনে আসা অনুমোদনের অঙ্ক, আর জাহাজের আকার ও গতি নিয়ে দুটি বেশ ভিন্ন বিবরণ।
← সব লেখা