অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) ইন্ডিয়া রিনিউয়েবল এনার্জি মার্কেট রিপোর্ট ২০২৬ নয়াদিল্লিতে প্রকাশিত হয়েছে ৩ নভেম্বর। তাতে বলা হয়েছে, এক দশকে নবায়নযোগ্য ক্ষমতা প্রায় চার গুণ হয়েছে আর ভারত ২০২৫ সালে অ-জীবাশ্ম ক্ষমতার ৫০ শতাংশের লক্ষ্য পূরণ করেছে, পাঁচ বছর আগে। সংস্থার হিসাবে ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তি জ্বালানি আমদানির ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ এড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর জানিয়েছে, ভারতের নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎক্ষমতা ৩০০ গিগাওয়াট (জিডব্লিউ) ছাড়িয়েছে আর গত এক দশকে প্রায় চার গুণ হয়েছে। এক গিগাওয়াট মানে ১,০০০ মেগাওয়াট। সংস্থার ইন্ডিয়া রিনিউয়েবল এনার্জি মার্কেট রিপোর্ট ২০২৬ আরও হিসাব করেছে, ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ভারতের কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাঁচিয়েছে।
আইইএ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সেদিনই নয়াদিল্লিতে ভারত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলনে, প্রকাশের অনুষ্ঠানে ছিলেন ভারতের নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিমন্ত্রী। এই লেখা তার অঙ্ক নিয়েছে পূর্ণ প্রতিবেদন আর সংস্থার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে, আর নিচের প্রতিটি সংখ্যা আইইএর, যদি না অন্য কোনো উৎসের নাম বলা থাকে।
সংস্থা বলছে ভারত কোথায় পৌঁছেছে
প্রতিবেদনের কার্যনির্বাহী সারাংশ ভারতকে বলেছে বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুততম বর্ধনশীল নবায়নযোগ্য জ্বালানির বাজার আর সৌর ফোটোভোলটেইক (পিভি) মডিউলের দ্বিতীয় বৃহত্তম নির্মাতা। তাতে বলা হয়েছে, ভারত ২০২৫ সালে স্থাপিত বিদ্যুৎক্ষমতার ৫০ শতাংশ অ-জীবাশ্ম প্রযুক্তি থেকে আনার লক্ষ্য পূরণ করেছে, সময়সূচির পাঁচ বছর আগে। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিলের এক পিআইবি বিজ্ঞপ্তিতে এই মাইলফলকের তারিখ দিয়েছিল ২০২৫ সালের জুন।
স্থাপনার ক্ষেত্রে আইইএ বলছে, ২০২৫ সালে বার্ষিক নবায়নযোগ্য সংযোজন পৌঁছেছে ৪৯ জিডব্লিউতে, যা আগের পাঁচ বছরের গড়ের তিন গুণেরও বেশি, আর তাতে ভারত সে বছর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নবায়নযোগ্য বৃদ্ধির বাজার হয়েছে। প্রতিবেদন আরও বলছে, ভারত এখন চতুর্থ বৃহত্তম তরল জৈব জ্বালানির বাজার, ২০২০ সালের পর উৎপাদন ছয় গুণ বেড়েছে।
আইইএর নির্বাহী পরিচালক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন: “বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা যখন বেশি, তখন ভারতের নবায়নযোগ্য শক্তির সম্প্রসারণ তার জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সুফল দিচ্ছে।” নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য শক্তির নতুন দৈত্য হিসেবে ভারতের উত্থানকে বর্ণনা করেছেন সাম্প্রতিক বছরগুলির অগ্রগতির ফল বলে।
১০০ বিলিয়ন ডলারের হিসাব কীভাবে হয়
সাশ্রয়ের অঙ্কটি একটি মডেলভিত্তিক অনুমান। আইইএ একটি বিকল্প কল্পিত পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যার নাম দিয়েছে লো-আরইএস দৃশ্যকল্প, যেখানে ২০১০ সালের পর জলবিদ্যুৎ বাদে কোনো নতুন নবায়নযোগ্য ক্ষমতা যোগ হয়নি। বাস্তবে সৌর, বায়ু আর জৈবশক্তি যে বিদ্যুৎ জুগিয়েছে, সেটা এই দৃশ্যকল্পে তৈরি হয় কয়লা ও গ্যাস কেন্দ্রে, আর বাড়তি জ্বালানি আমদানি করতে হয়। জলবিদ্যুৎ আর পরমাণু যেমন ছিল তেমনই থাকে।
দুই জগতের পার্থক্যই ফলাফল। প্রতিবেদনের হিসাবে, ২০২৫ সালে ভারত প্রায় ১১ কোটি টন বেশি কয়লা ব্যবহার করত, যা তার মোট কয়লা ব্যবহারের প্রায় ১১ শতাংশ আর সে বছরের প্রকৃত কয়লা আমদানির অর্ধেকেরও বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের আমদানিনির্ভরতা, অর্থাৎ আমদানি করা জ্বালানি থেকে তৈরি বিদ্যুতের ভাগ, ২০২৫ সালে ৩০ শতাংশ ছাড়াত, প্রকৃত স্তরের প্রায় দ্বিগুণ।
ঐতিহাসিক জ্বালানি দামে ধরলে ২০১১ থেকে ২০২৫ সালে এড়ানো কয়লা ও গ্যাস আমদানির অঙ্ক দাঁড়ায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আইইএ বলছে, জ্বালানির দাম ২০২৪ ও ২০২৫ সালের গড়ের কাছাকাছি থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট সাশ্রয় ২৪০ বিলিয়ন ডলারের কাছে পৌঁছতে পারে, যেমন এএনআইয়ের সূত্রে ৫ নভেম্বর দ্য ট্রিবিউন জানিয়েছে। প্রতিবেদনে ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক সাশ্রয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের প্রকৃত নন-কোকিং কয়লা ও গ্যাস আমদানির বিলের চেয়ে বেশি। সাশ্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে সৌর থেকে আর প্রায় ৩০ শতাংশ বায়ু থেকে।
তুলনার জন্য, প্রতিবেদন বলছে এই দুই জ্বালানির জন্য ভারতের বার্ষিক আমদানি বিল ২০১১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত গড়ে ছিল প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলার, ২০২২-২৩ সালে বেড়ে হয় ৪৬ বিলিয়ন ডলার, আর ২০২৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত বছরে প্রায় ৩২ থেকে ৩৪ বিলিয়ন ডলার।
নিলাম, কম শুল্ক আর হাইব্রিড প্রকল্প
আইইএ গতির বড় অংশের কৃতিত্ব দিয়েছে প্রতিযোগিতামূলক নিলামকে। কার্যনির্বাহী সারাংশ বলছে, ২০১০ সালের পর ভারত নিলামের মাধ্যমে ২২০ জিডব্লিউয়ের বেশি বড় আকারের নবায়নযোগ্য ক্ষমতা দিয়েছে, মানসম্মত চুক্তি আর কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে, যারা চাহিদা এক জায়গায় জড়ো করেছে আর উন্নয়নকারীদের ঝুঁকি কমিয়েছে। কার্যনির্বাহী সারাংশ আরও বলছে, ভারতে বড় আকারের সৌর পিভির উৎপাদন খরচ বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন, প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৩৫ ডলার, আর ২০২৫ সালে চালু হওয়া সৌর প্রকল্পের শুল্ক কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের গড় খরচের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ কম ছিল।
সংস্থা ভারতকে হাইব্রিড নবায়নযোগ্য প্রকল্প সংগ্রহে বিশ্বনেতা বলেছে, যেখানে সৌর, বায়ু বা সংরক্ষণ মিলিয়ে উৎপাদন আরও স্থিতিশীল করা হয়। ২০২৫ সালে ভারত ১৫ জিডব্লিউ হাইব্রিড নিলাম করেছে, ফলে মোট দাঁড়িয়েছে ৬৪ জিডব্লিউ, যা বিশ্বে বার্ষিক ও সঞ্চিত দুই হিসাবেই সর্বোচ্চ। ২০২৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত গড় শুল্ক ছিল প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় প্রায় ৪৫ ডলার, যা ২০২৫ সালে কয়লা কেন্দ্রের বিদ্যুতের গড় খরচের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ কম।
পরিবার আর কোম্পানিও নিজেদের ক্ষমতা যোগ করছে। আইইএ আশা করছে, নিজের ব্যবহারের জন্য বানানো সৌর পিভি ২০৩০ সালের মধ্যে তিন গুণ হয়ে ১০০ জিডব্লিউয়ের বেশি হবে, আর এর চালিকাশক্তি হিসেবে নাম করেছে ছাদে সৌর প্রকল্প পিএম সূর্য ঘর আর কৃষিজমির সৌর প্রকল্প পিএম-কুসুমের। কোম্পানির বিদ্যুৎ চুক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে বড় আকারের সৌর ও বায়ু সংযোজনের প্রায় ২০ শতাংশের ভিত্তি হবে বলে ধরা হচ্ছে। পিএম সূর্য ঘরের লেখায় আছে স্থাপনার সংখ্যা আর ভর্তুকির নিয়ম।
শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, কারখানাও
আইইএর হিসাবে ভারতের বার্ষিক সৌর মডিউল উৎপাদনক্ষমতা ২০২২ সালের প্রায় ২২ জিডব্লিউ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে প্রায় ১৫০ জিডব্লিউ আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ২২৫ জিডব্লিউ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২ নভেম্বর সম্মেলনে মডিউল ক্ষমতার জন্য ২০০ জিডব্লিউয়ের বেশি আর সৌর সেলের জন্য প্রায় ৪০ জিডব্লিউয়ের অঙ্ক দিয়েছেন, এক দশক আগের মডিউলের প্রায় ২ জিডব্লিউয়ের পাশে। মন্ত্রণালয়ের এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ মডিউল ক্ষমতা ধরেছিল প্রায় ১৭২ জিডব্লিউ।
আইইএ আরও বলছে, নতুন চালু হওয়া কারখানার বেশির ভাগ টপকন সেল প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা বর্তমান বৈশ্বিক উৎপাদনের সঙ্গে মেলে। সংস্থা এটাও লক্ষ করেছে যে সেল উৎপাদনই ধীরতর যোগসূত্র: প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভের দুই পর্বে প্রায় ৪৮ জিডব্লিউ সেল ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, আর ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ প্রায় ২৭ জিডব্লিউ চালু হয়েছে। ২০২৫ সালে সৌর সেল আমদানি ছিল প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার, তার প্রায় ৭০ শতাংশ চীন থেকে।
২০৩০ সালের পূর্বাভাস
আইইএ ২০৩০ সালে প্রায় ৫৩০ জিডব্লিউ নবায়নযোগ্য ক্ষমতা আশা করছে, বৃদ্ধির ৮০ শতাংশের বেশি আসবে সৌর পিভি থেকে। সৌর ক্ষমতা ৩৫০ জিডব্লিউ ছাড়াবে, বায়ু ৯০ জিডব্লিউয়ের কাছাকাছি পৌঁছবে আর জলবিদ্যুৎ হবে ৭৫ জিডব্লিউ। প্রতিবেদন সিদ্ধান্তে এসেছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ জিডব্লিউ অ-জীবাশ্ম ক্ষমতার লক্ষ্য ভারত সময়মতোই পূরণ করবে বলে আশা করা যায়। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অপটিমাল জেনারেশন মিক্স প্রতিবেদন ২০২৯-৩০ সালের জন্য ধরেছে ৪৮৫ জিডব্লিউ (২৯৩ জিডব্লিউ সৌর, ১০০ জিডব্লিউ বায়ু, ৫৯ জিডব্লিউ জলবিদ্যুৎ, ১৯ জিডব্লিউ পাম্পড স্টোরেজ আর ১৫ জিডব্লিউ জৈবশক্তি), আর আইইএ ফারাকটির কারণ বলেছে মডেলের ভিন্ন অনুমান।
উৎপাদন ২০২৫ সালের ৫০০ টেরাওয়াট-ঘণ্টার বেশি থেকে, যা ভারতের বিদ্যুৎ জোগানের এক-চতুর্থাংশ, ২০৩০ সালে প্রায় ৯৫০ টেরাওয়াট-ঘণ্টায় বাড়বে বলে পূর্বাভাস, অর্থাৎ ৩৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে সৌর জলবিদ্যুৎকে ছাড়িয়ে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের বৃহত্তম উৎস হয়েছে।
৩০০ গিগাওয়াটের একাধিক অঙ্ক কেন
আইইএ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎক্ষমতা গোনে পরিবর্তী প্রবাহ (এসি) হিসাবে, আর তাতে বড় জলবিদ্যুৎও ধরা হয়। সংস্থা বলছে, মন্ত্রণালয় সৌরকে একই পরিবর্তী প্রবাহের হিসাবে জানায়, আর সংস্থার বৈশ্বিক নজরদারি ব্যবহার করে সরল প্রবাহ (ডিসি), যা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। আইইএর সারণিতে ২০২৫ সালের ক্ষমতা পরিবর্তী প্রবাহে ২৬২ জিডব্লিউ আর সরল প্রবাহে ২৯৬ জিডব্লিউ।
প্রতিবেদনের ভারত অধ্যায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে নবায়নযোগ্য ক্ষমতা ধরেছে ২৯৯ জিডব্লিউ আর আশা করেছে বছরের শেষে তা ৩০০ জিডব্লিউ ছাড়াবে। কার্যনির্বাহী সারাংশ বলছে, রেখাটি চতুর্থ ত্রৈমাসিকে পার হয়েছে। এনার্জেটিকা ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের নিজের সারণিতে ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ২৯৯.২৫ জিডব্লিউ, আর সেই গণনা বিস্তারিত আছে ২৯৯ জিডব্লিউয়ের লেখায়।
মন্ত্রণালয়ের অন্য মাইলফলকটি আরও বিস্তৃত। ২০২৬ সালের ৯ আগস্টের এক পিআইবি বিজ্ঞপ্তি ৩১ জুলাই ৩০০.৫০ জিডব্লিউ অ-জীবাশ্ম ক্ষমতা গুনেছে, যার মধ্যে ৮.৭৮ জিডব্লিউ পরমাণু, আর তা ছিল প্রায় ৫৫২ জিডব্লিউ স্থাপিত ক্ষমতার ৫৪ শতাংশের বেশি। অ-জীবাশ্ম মাইলফলকের লেখা বিভাগটি ব্যাখ্যা করেছে, আর সৌর ক্ষমতার লেখা সৌরের বছরওয়ারি অগ্রগতি অনুসরণ করেছে।
আইইএ বলছে এরপর কী
আইইএ বলছে, পরের ধাপ নির্ভর করছে গ্রিড, সংরক্ষণ আর ব্যবস্থার নমনীয়তার ওপর, সঙ্গে রাজ্যের বিতরণ কোম্পানিগুলির শক্তিশালী আর্থিক অবস্থা আর প্রকল্পে কম বিলম্ব। সংস্থার হিসাবে এগুলো সামলাতে পারলে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে নবায়নযোগ্য ক্ষমতা স্থাপন ২০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে। বায়ু ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে, তাদের মতে, জমি অধিগ্রহণ আর অনুমোদন দ্রুত হওয়া দরকার।
সংরক্ষণে প্রতিবেদন সবচেয়ে নির্দিষ্ট। ২০২৬ সালের শুরুতে বড় আকারের ব্যাটারি ক্ষমতা ছিল ৩৫০ মেগাওয়াট, আর আইইএ আশা করছে বছরে ১ জিডব্লিউয়ের বেশি চালু হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক সংযোজন ৬ থেকে ৮ জিডব্লিউয়ের কাছাকাছি পৌঁছবে। তার অঙ্কে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে উন্নয়নের পাইপলাইনে ছিল প্রায় ১১১ গিগাওয়াট-ঘণ্টা, আর ২০২৬ সালের মে নাগাদ গুজরাটের খাবড়ায় চালু হয়েছে ৩.৪ গিগাওয়াট-ঘণ্টা। ১৬ জিডব্লিউয়ের বেশি পাম্পড স্টোরেজ জলবিদ্যুৎ নির্মাণাধীন, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০০ জিডব্লিউয়ের লক্ষ্যের পাশে।
ভারতের সৌর বহরের গড় ক্ষমতা ব্যবহারের হার ২০২০ সালের প্রায় ১৯.২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে বেড়ে হয়েছিল ২২.৯ শতাংশ আর ২০২৫ সালে ছিল ২০.৭ শতাংশ। প্রতিবেদন বলছে, এই পতন ইঙ্গিত করে কার্টেলমেন্ট আর সংযুক্তির অন্য সীমাবদ্ধতার, কার্টেলমেন্ট মানে গ্রিড বিদ্যুৎ নিতে না পারায় কেন্দ্র বন্ধ রাখা। প্রতিবেদন যোগ করেছে, প্রকৃত কার্টেলমেন্ট সম্ভবত তার হিসাব করা ঊর্ধ্বসীমার নিচে, যা প্রায় ১৫ টেরাওয়াট-ঘণ্টা বা সম্ভাব্য সৌর উৎপাদনের ১০ শতাংশ। আইইএ আশা করছে, পরিবর্তনশীল নবায়নযোগ্য, প্রধানত সৌর ও বায়ু, ভারতের বিদ্যুৎ জোগানের প্রায় ১৪ শতাংশ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশে উঠবে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- IEA: India Renewable Energy Market Report 2026 (report page, published 3 November 2026)
- IEA: India Renewable Energy Market Report 2026, full report (PDF, CC BY 4.0)
- IEA news release: India's rapid renewables growth is strengthening its role in global energy markets (3 November 2026)
- PIB: India Achieves Landmark 300 GW Non-Fossil Fuel Power Capacity (Ministry of New and Renewable Energy, 9 August 2026)
- PIB: India Ranks third globally in Renewable Energy Installed Capacity (Ministry of New and Renewable Energy, 8 April 2026)
- PIB Backgrounder: India's Energy Journey, Expanding Capacity, Strengthening Security (13 August 2026)
- Prime Minister's Office: PM's address at the inauguration of Bharat Renewable Energy Summit and Expo in Delhi (2 November 2026)
- ET EnergyWorld (PTI): India's renewable energy capacity crosses 300 GW; cuts fuel import bill by $100 bn, IEA (4 November 2026)
- The Tribune (ANI): Renewable energy could save India USD 240 billion in coal, gas imports by 2030, IEA (5 November 2026)
- Energetica India: India adds 3.69 GW RE capacity in September 2026, total addition in FY27 reaches 24.56 GW (14 October 2026)
- Energy Live News: India is important for renewable energy markets, report says (4 November 2026)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।