Skip to content
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের সৌর ক্ষমতা পৌঁছেছে ১৭১ GW-এ, কিন্তু তার কারখানাগুলোতে ওয়েফার তৈরির ক্ষমতা প্রায় ২ GW
পরিবেশ

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের সৌর ক্ষমতা পৌঁছেছে ১৭১ GW-এ, কিন্তু তার কারখানাগুলোতে ওয়েফার তৈরির ক্ষমতা প্রায় ২ GW

ছবি: andreas160578 / Pixabay

বাংলা

নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সৌর ক্ষমতা গুনেছে ১৭১.০৫ GW, ২০১৪ সালের মার্চের ২.৮২ GW থেকে বেড়ে। সরকারি অনুমোদিত তালিকার মডিউল-কারখানাগুলো বছরে প্রায় ২২৮ GW বানাতে পারে, কিন্তু সেল-তালিকায় আছে প্রায় ৩৭ GW, আর সরকার ইনগট ও ওয়েফারের ক্ষমতা গুনছে প্রায় ২ GW। লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ GW অ-জীবাশ্ম ক্ষমতা, আর গণনা এখন ৩০৮ GW।

· · 7 মিনিটের পাঠ

নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রক (MNRE) ৮ অক্টোবর যে সারণি হালনাগাদ করেছে তার হিসাবে, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ভারতে স্থাপিত সৌর ক্ষমতা ছিল ১৭১.০৫ GW। এক গিগাওয়াট (GW) হাজার মেগাওয়াটের সমান। ২০১৪ সালের মার্চে মন্ত্রকের গণনা ছিল ২.৮২ GW। পাতাটির শিরোনামে এখনও লেখা ৩১ আগস্ট, কিন্তু তার কলামগুলোর তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্যানেল তৈরি আলাদা একটি গণনা। সৌর সেল তৈরির আগের ধাপ, ইনগট ও ওয়েফারের ক্ষমতা নিয়ে সরকারি হিসাব ২২ জুলাই ২০২৬-এর একটি লোকসভা-উত্তরে ছিল প্রায় ২ GW। এরপর প্রতিটি সংখ্যা তার উৎস ও তারিখসহ দেওয়া হল, সঙ্গে বলা হল কোথায় উৎসগুলো একমত নয়।

মন্ত্রক যা গোনে

MNRE ১৭১.০৫ GW-কে ভাগ করেছে চার ভাগে: ভূমিতে বসানো কেন্দ্র ১২৫.৬৫ GW, গ্রিডে যুক্ত রুফটপ ৩৩.৪১ GW, বায়ু-সৌর হাইব্রিড কেন্দ্রের সৌর অর্ধেক ৫.৩৬ GW, আর গ্রিড-বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থা ৬.৬৩ GW। সেপ্টেম্বরে যোগ হয়েছে ৩.০১ GW, আর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে ২০.৭৯ GW।

একই সারণিতে ভারতের মোট অ-জীবাশ্ম ক্ষমতা ৩০৮.০৩ GW, যার মধ্যে আছে বড় জলবিদ্যুৎ, বায়ু, বায়োমাস, ছোট জলবিদ্যুৎ এবং ৮.৭৮ GW পারমাণবিক। তার অর্ধেকের বেশি সৌর। ২২ জুলাই ২০২৬ লিখিত উত্তরে মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী লোকসভাকে জানান, ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সির হিসাবে স্থাপিত সৌর ক্ষমতায় ভারত বিশ্বে তৃতীয়, আর ৩০ জুন ২০২৬-এর সংখ্যা দেন ১৬২.১৫ GW।

বছর ধরে, ২.৮২ GW থেকে

MNRE-র বছরভিত্তিক সারণি প্রতিটি অর্থবছরে, এপ্রিল থেকে মার্চ, কী যোগ হয়েছে তা তালিকাভুক্ত করেছে। শুরু ২০১৪-১৫ সালের ১.১৭ GW দিয়ে, আর ২০১৭-১৮ সালে পৌঁছয় ৯.৫৬ GW-এ। পরের তিন বছর কম ছিল: ৬.৭৫ GW, ৬.৫১ GW ও ৫.৬৩ GW। তারপর ২০২১-২২ সালে ১২.৭৬ GW, ২০২২-২৩ সালে ১২.৭৮ GW, ২০২৩-২৪ সালে ১৫.০৩ GW এবং ২০২৪-২৫ সালে ২৩.৮৩ GW।

এগুলো যোগ করলে ২০১৯ সালের মার্চের শেষে দাঁড়ায় প্রায় ২৯.১ GW, ২০২৪ সালের মার্চে ৮১.৮ GW এবং ২০২৫ সালের মার্চে ১০৫.৬ GW। MNRE-র পাতার সারণিতে ২০২৫-২৬-এর কোনো কলাম নেই, তাই ওই বছরের সংখ্যা এসেছে মন্ত্রকের ৮ এপ্রিল ২০২৬-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে। তাতে বলা হয়েছে ৩৪ GW লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৪.৬১ GW যোগ হয়েছে, ৩১ মার্চ ২০২৬-এ মোট ১৫০.২৬ GW। মন্ত্রক একে বলেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ, আগের বছরের প্রায় দ্বিগুণ।

ওই ৪৪.৬১ GW-এর মধ্যে ১৬.৩১ GW ছিল বিকেন্দ্রীকৃত সৌর, অর্থাৎ রুফটপ ব্যবস্থা এবং সৌর খামারের পাম্পের জন্য PM KUSUM প্রকল্প। মন্ত্রক বলছে, বাণিজ্যিক ও শিল্প ব্যবহারকারীরা, একটিমাত্র কোম্পানির জন্য গড়া ক্যাপটিভ কেন্দ্র সহ, নিয়েছেন প্রায় ১৫ GW। লোকসভা-উত্তর অনুযায়ী, PM সূর্য ঘর প্রকল্পের অধীনে রুফটপ বসানো ১৮ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে পৌঁছেছিল ৪৭.২৬ লাখ পরিবারে।

একটি তুলনা MNRE-র সঙ্গে মেলে না। জ্বালানি থিঙ্ক ট্যাংক Ember গুনেছে ২০২৫ ক্যালেন্ডার বছর, আর ভারতের সংযোজন ধরেছে পরিবর্তী প্রবাহ (এসি) হিসাবে ৩৮ GW, ২০২৪ সালের চেয়ে ৫৪ শতাংশ বেশি। সংস্থাটি বলছে ভারত প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি সৌর বসিয়েছে ওই বছরই। সময়কাল আর মাপার ভিত্তি MNRE-র অর্থবছর থেকে আলাদা, তাই দুটি সংখ্যা পাশাপাশি রেখে তুলনা করা উচিত নয়।

কামুথি, পাভাগাডা আর ভাদলা

তিনটি পার্ক মাত্রাটা দেখায়। তামিলনাড়ুতে আদানি গ্রিনের কামুথি কেন্দ্র ৬৪৮ MW। Mercom ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ জানিয়েছিল পুরোটাই গ্রিডে যুক্ত হয়েছে, আট মাসে তৈরি, আদানির হিসাবে খরচ ৬৭৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪,৫৬০ কোটি টাকা)। ওই বছরের মার্চ পর্যন্ত চালু হয়েছিল মাত্র ৩৬০ MW, বাকিটা অপেক্ষা করছিল ইভ্যাকুয়েশনের জন্য, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্কে বার করে আনার কাজের জন্য। একই প্রতিবেদন বলেছিল, রাজ্য নিয়ন্ত্রকের সামনে একটি মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন আদানি চালাচ্ছিল প্রতি ইউনিটে ৭.১ টাকায়।

কর্নাটকের পাভাগাডা ২,০৫০ MW। Mercom-এর ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯-এর প্রতিবেদনে নির্মাতাদের ভাগ দেওয়া আছে: NTPC ৬০০ MW, কর্নাটকের নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থা ১,২৫০ MW এবং সোলার এনার্জি কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ২০০ MW। ২০২৫ সালের এপ্রিলের একটি WRI India নিবন্ধ বলছে, পার্কটি দাঁড়িয়ে আছে পাঁচটি গ্রামের ২,৩০০ কৃষকের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া ১৩,০০০ একরে, যেখানে বেশির ভাগ মানুষ জীবিকার জন্য জমির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।

রাজস্থানের ভাদলা ২,২৪৫ MW। Mercom ১৯ মার্চ ২০২০ জানিয়েছিল, Hero Future Energies ৩০০ MW-এর একটি প্রকল্প চালু করার পর এটি পুরোপুরি সচল হয়েছে। Mercom তার পাভাগাডা প্রতিবেদনের শিরোনামে একই দাবি করেছিল তিন মাসেরও কম আগে, তাই তকমাটি দুটি পার্কের জন্যই ব্যবহৃত হয়েছে।

মন্ত্রক একটি সৌর পার্ক প্রকল্পও চালায়। লোকসভা-উত্তর বলছে, তার অধীনে ১৪টি রাজ্যে ৩৯,৪৬১ MW-এর ৫৬টি পার্ক অনুমোদিত হয়েছে, আর তাতে ১৮,৯১৯ MW-এর প্রকল্প চালু হয়েছে।

সৌর বিদ্যুতের এক ইউনিট কত দামে বিক্রি হয়

২০১৬ সালে কামুথির প্রতি ইউনিটে ৭.১ টাকার তুলনা চলে সোলার এনার্জি কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার রাজস্থানের ১,০৭০ MW নিলামে সর্বনিম্ন দর প্রতি ইউনিটে ২ টাকার সঙ্গে। Mercom এটি জানিয়েছিল ২৩ নভেম্বর ২০২০, নিজেদের সূত্র উদ্ধৃত করে, আর বলেছিল এটি আগের ২.৩৬ টাকার রেকর্ডকে ১৫.৩ শতাংশ ছাপিয়ে গেছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে Waaree মধ্যপ্রদেশের নিমচে ১৭০ MW-এর একটি কেন্দ্র পেয়েছিল প্রতি ইউনিটে ২.১৫ টাকায়। দশটি কোম্পানি অংশ নিয়েছিল, আর দর শুরু হয়েছিল ২.৩০ টাকায়, SolarQuarter জানিয়েছে। একই লেখা বলছে, ২০২৪ সালের এপ্রিলে ALMM বিধি কার্যকর হওয়ার পর যে দর নির্ধারিত হয়েছে তা ছিল ২.৪৮ থেকে ২.৭০ টাকার মধ্যে।

প্যানেল এখানে তৈরি, ওয়েফার অন্য কোথাও

সৌর প্যানেল শুরু হয় পলিসিলিকন দিয়ে, যা গলিয়ে টেনে বার করা হয় ইনগটে, কেটে নেওয়া হয় ওয়েফারে, বানানো হয় সেলে, আর জোড়া লাগিয়ে হয় মডিউল। ভারতের কারখানাগুলো সবচেয়ে শক্তিশালী শেষ ধাপে। সরকার তাদের সুরক্ষা দেয় অ্যাপ্রুভড লিস্ট অফ মডেলস অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স, ALMM নামের একটি নিবন্ধনের মাধ্যমে। সরকার-সমর্থিত প্রকল্পকে মডিউল কিনতে হয় তার List-I থেকে। ১ জুন ২০২৬ থেকে ওই মডিউলগুলোর সেল ব্যবহার করার কথা List-II থেকে। ১৮ জুলাই ২০২৬-এর একটি বিজ্ঞপ্তি নেট-মিটারিং ও ওপেন-অ্যাক্সেস প্রকল্পের জন্য একটি ছাড় বাড়িয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত, আর MNRE তার শিরোনাম দিয়েছিল ‘কোনো সর্বব্যাপী সম্প্রসারণ নয়।’

মডিউল-ক্ষমতার চারটি সংখ্যা ঘুরছে, প্রতিটি আলাদা তালিকা বা জরিপ থেকে:

  • MNRE বলছে ৩১ মার্চ ২০২৬-এ মডিউল-ক্ষমতা ছিল প্রায় ১৭২ GW, ২০১৪ সালে যা ছিল ২.৩ GW।
  • Energetica India ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে ১২,২৫৬ MW যোগ হওয়ার পর List-I-এ ছিল ২,২৮,৫২৪ MW।
  • PV Tech-এর উদ্ধৃত Mercom জরিপে ২০২৬ সালের জুনে ভারতের সব মডিউল-ক্ষমতা ছিল ২৬১.৭ GW। একই নিবন্ধে উদ্ধৃত IEEFA ও JMK Research-এর একটি প্রতিবেদনে তা প্রায় ২৩৩ GW।
  • লোকসভা-উত্তর গুনেছে শুধু উচ্চ-দক্ষতার মডিউলের প্রণোদনা প্রকল্পে থাকা নির্মাতাদের: ২০২৬ সালের জুনের শেষে প্রায় ৪২ GW মডিউল, ১১.৫ GW সেল এবং প্রায় ২ GW ইনগট ও ওয়েফার ক্ষমতা।

সেল অনেক পেছনে। Energetica India জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ জুলাইয়ের প্রথম তালিকার পর দশম সংশোধনীতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে List-II পৌঁছেছে ৩৬,৮৬৪ MW-এ। IEEFA ও JMK-র প্রতিবেদনে কারখানার ব্যবহার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ। PV Tech বলছে Mercom দেখেছে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সেল ও মডিউলের আমদানি ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেড়েছে, যার ৮১ শতাংশ সেল। লোকসভা-উত্তর অনুযায়ী শুধু মডিউল আমদানি ২০২৩-২৪ সালের প্রায় ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে ২০২৫-২৬ সালে হয়েছে প্রায় ৯৯৪ মিলিয়ন ডলার।

ওয়েফার সবচেয়ে পেছনে। ২০২৬ সালের মার্চে MNRE তালিকাটি ইনগট ও ওয়েফার পর্যন্ত বাড়িয়েছে, যা কার্যকর হবে ১ জুন ২০২৮। প্রথম ওয়েফার-তালিকা জারি হবে তখনই যখন অন্তত তিনটি স্বাধীন কারখানা মিলিয়ে বছরে ১৫ GW ক্ষমতায় চলবে। Premier Energies-এর বিনয় রুস্তগি pv magazine-কে বলেছেন: ‘এখন আমাদের সৌর ওয়েফারের চাহিদার ১০০% মেটে আমদানি থেকে।’

একই আদল দেখা যায় ওষুধশিল্পে এবং প্রতিরক্ষায়, যেখানে তৈরি পণ্য দেশে বানানো হয় আর একটি মূল উপাদান কেনা হয় বিদেশ থেকে।

২০২৫ সালে বিদ্যুতের মিশ্রণে সৌর ৯.৪ শতাংশে পৌঁছেছে

Ember-এর Global Electricity Review 2026 ভারতের ২০২৫ সালের সৌর উৎপাদন ধরেছে ১৯৬ TWh, তার বিদ্যুতের ৯.৪ শতাংশ এবং এক বছরে ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি। সৌর ছাড়িয়ে গেছে জলবিদ্যুৎকে, ভারতের বৃহত্তম পরিচ্ছন্ন উৎস হিসেবে। বায়ু ও সৌর মিলে ছিল ১৪ শতাংশ, বিশ্বের ১৭ শতাংশের বিপরীতে, আর সামগ্রিকভাবে পরিচ্ছন্ন উৎপাদন ২৭ শতাংশ। কয়লার ভাগ কমেছে ৭৫ থেকে ৭১ শতাংশে।

মন্ত্রকের সংখ্যাগুলো ক্ষমতা আর উৎপাদনের ফারাক দেখায়। তারা জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে অ-জীবাশ্ম উৎস স্থাপিত ক্ষমতার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়েছে, প্যারিস চুক্তির অধীনে ২০৩০-এর অঙ্গীকারের পাঁচ বছর আগে। ২০২৫-২৬ সালে অ-জীবাশ্ম উৎপাদন ছিল মোটের ২৯.২ শতাংশ, ৫৩৮.৯৭ বিলিয়ন ইউনিট।

বিদ্যুৎ সবসময় কাজে লাগে না। Ember জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মে-র শেষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রিড অপারেটর ২.৩ TWh সৌর বিদ্যুৎ ছেঁটে ফেলেছে, যা একটি গড় মাসের সৌর উৎপাদনের প্রায় ১৮ শতাংশ, মূলত পূর্বাভাসের চেয়ে চাহিদা কম আসায়। ক্ষতিগ্রস্ত উৎপাদকদের আনুমানিক ৫৭৫ কোটি থেকে ৬৯০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। Ember-এর বিশ্লেষক রুচিতা শাহ বলেছেন, ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছে নমনীয়তা ছাড়া পরিচ্ছন্ন শক্তি দক্ষভাবে বাড়তে পারে না।

৫০০ GW-এর অঙ্ক

COP26 জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ GW অ-জীবাশ্ম ক্ষমতার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন, আর MNRE বলছে তারা সেদিকে কাজ করছে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ গোনা ৩০৮.০৩ GW-এর বিপরীতে, এই লেখার হিসাবে, বাকি থাকে প্রায় ১৯২ GW।

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত Renewables 2025 প্রতিবেদন বলেছে, ভারত তার ২০৩০ লক্ষ্য পূরণের পথে আছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃদ্ধির বাজার হতে চলেছে, পাঁচ বছরে ক্ষমতা বাড়বে ২.৫ গুণ।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. MNRE: Physical Achievements (installed capacity as on 30 September 2026, page updated 8 October 2026)
  2. MNRE: Year-wise Achievements, installed renewable energy capacity from 2014
  3. PIB: India Ranks third globally in Renewable Energy Installed Capacity (Ministry of New and Renewable Energy, 8 April 2026)
  4. Lok Sabha Starred Question No. 58, Growth in Solar Capacity (Ministry of New and Renewable Energy, answered 22 July 2026)
  5. MNRE: ALMM List-II for solar PV cells, no blanket extension, limited window till 31.12.2026 (notice of 18 July 2026)
  6. Energetica India: ALMM Update, solar module capacity surpasses 228 GW in September 2026 (18 September 2026)
  7. Energetica India: Solar cell capacity in ALMM nears 37 GW in September 2026 (29 September 2026)
  8. pv magazine: India extends solar manufacturing mandate to wafers and ingots (19 March 2026)
  9. PV Tech: India adds 50.6GW module and 9.7GW cell capacity in H1 2026 (28 September 2026)
  10. Ember: Global Electricity Review 2026, major countries and regions (India)
  11. Ember: India lost 2.3 TWh of solar generation due to grid security concerns (27 January 2026)
  12. IEA: Renewables 2025, Executive summary
  13. Mercom India: Pavagada is now fully operational (27 December 2019)
  14. Mercom India: Bhadla has become the world's largest solar park (19 March 2020)
  15. Mercom India: Adani commissions 648 MW solar project in Tamil Nadu after evacuation delays (22 September 2016)
  16. WRI India: Just Transition Insights from India's 2050 MW Pavagada Solar Park (24 April 2025)
  17. Mercom India: India's new record for lowest solar tariff is Rs 2/kWh (23 November 2020)
  18. SolarQuarter: Waaree wins 170 MW solar project in Neemuch with Rs 2.15/kWh bid (9 December 2024)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#solar power#india solar capacity#mnre#bhadla solar park#pavagada#almm#solar manufacturing#500 gw target

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
২০২৬ সালের ভারতীয় মৌসুমি বায়ু এনেছে স্বাভাবিক বৃষ্টির ৮৭ শতাংশ, আর এটি কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা কী জানেন এবং কী এখনো জানেন না, তা এখানে
আবহাওয়া দপ্তর কেরালায় বৃষ্টির জন্য ২৬ মে বলেছিল, বৃষ্টি এসেছে ৪ জুন। তারিখ আর মৌসুমের মোট বৃষ্টির পেছনের কলকব্জা, আর বড় ভুল এবং সাম্প্রতিক সাফল্য দুইই থাকা একটি পূর্বাভাস-খতিয়ানের দিকে একটি দৃষ্টি।
ভারত বলছে তার 3,682টি বাঘ আছে। এটাও বলছে 3,167। আর ছবি তুলেছে 3,080টির।
তিনটে সংখ্যাই সত্যি, তিনটেই সরকারি, আর তিনটের অর্থ আলাদা। একটা থেকে আরেকটায় পৌঁছানোর পথটাই গত পঞ্চাশ বছরের সবচেয়ে বড় সংরক্ষণ সাফল্য আর আজও না মেটা বিতর্ক, দুটোই ব্যাখ্যা করে।
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল ছড়িয়ে পড়া কোনো দুর্ঘটনা ছিল না
ডিপওয়াটার হরাইজন প্রায় চল্লিশ লক্ষ ব্যারেল তেল ছড়িয়েছিল আর পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত তেল-দুর্ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। ১৯৯১ সালের পারস্য উপসাগরের জন্য নোয়ার হিসাব শুরু হয় ষাট লক্ষ থেকে, আর প্রায় কেউই বলতে পারে না ঠিক কবে সেটা ঘটেছিল।
← সব লেখা