ছবি: Ministry of Youth Affairs and Sports / Wikimedia Commons, GODL-India (ছাঁটা)
বাংলা
২০০৮ সালের ১১ আগস্ট বিন্দ্রা ৫৯৬ নিয়ে চতুর্থ হয়ে যোগ্যতা অর্জন করেন, তারপর দশ শটের ফাইনালে তোলেন ১০৪.৫, আর শেষ শটের আগে ফিনল্যান্ডের হেনরি হাক্কিনেনের সঙ্গে সমান ৬৮৯.৭-এ ছিলেন। হাক্কিনেনের ৯.৭-এর বিপরীতে তাঁর ১০.৮ তাঁকে দেয় ৭০০.৫, ঝু কিনানের ৬৯৯.৭-এর বিপরীতে। অলিম্পিডিয়ার নথি বলছে, কোনো খেলায় কোনো ভারতীয়ের এটাই প্রথম ব্যক্তিগত স্বর্ণ।
অভিনব বিন্দ্রা ২০০৮ সালের ১১ আগস্ট বেইজিং অলিম্পিকে পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল জেতেন মোট ৭০০.৫ স্কোর নিয়ে, যার মধ্যে যোগ্যতা-পর্বে ৫৯৬ আর দশ শটের ফাইনালে ১০৪.৫। অলিম্পিক-ইতিহাসবিদদের রাখা তথ্যভান্ডার অলিম্পিডিয়া বলছে, কোনো খেলায় কোনো ভারতীয় অ্যাথলিটের এটাই প্রথম ব্যক্তিগত স্বর্ণপদক। আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন (আইএসএসএফ) যোগ করেছে, ১৯৮০ সালে মস্কোয় পুরুষদের হকি দলের সোনা জেতার পর এটাই ভারতের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণ।
বিন্দ্রার বয়স তখন ২৫। তিনি যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন চতুর্থ হয়ে, শীর্ষে থাকা শুটারের দুই পয়েন্ট পেছনে, আর জেতেন ০.৮ পয়েন্টের ব্যবধানে, এমন এক ফাইনালে যেখানে তাঁর কোনো শট ১০.০-এর নিচে যায়নি।
যোগ্যতা-পর্ব: ৫৯৬ আর চতুর্থ স্থান
অলিম্পিডিয়ার তালিকায় এই ইভেন্টে ৩৭টি দেশের ৫১ জন শুটার ছিলেন, বেইজিংয়ের শেজিগুয়ান রেঞ্জে। যোগ্যতা-পর্ব ছিল দশ শটের ছয়টি সিরিজ, সর্বোচ্চ ৬০০, আর প্রথম আটজন যেতেন দশ শটের ফাইনালে, যার স্কোর হতো এক পয়েন্টের দশমাংশ পর্যন্ত। পদকের মোট স্কোর ছিল যোগ্যতা-পর্বের স্কোর আর ফাইনালের স্কোরের যোগফল।
বিন্দ্রার ছয়টি সিরিজ ছিল ১০০, ৯৯, ১০০, ৯৮, ১০০ ও ৯৯, যোগ করলে ৫৯৬। ফিনল্যান্ডের হেনরি হাক্কিনেন ৫৯৮ নিয়ে শীর্ষে ছিলেন, আর এথেন্স ২০০৪-এর চ্যাম্পিয়ন চীনের ঝু কিনানের ছিল ৫৯৭। রোমানিয়ার আলিন মলদোভেয়ানুও করেছিলেন ৫৯৬ এবং তৃতীয় স্থানে ছিলেন। অলিম্পিডিয়ার তালিকায় প্রথম আটের মধ্যে আরও চারজন শুটারের স্কোর ৫৯৫, আর নবম স্থানে ৫৯৫ নিয়ে ছিলেন ভারতের গগন নারাং, যিনি ফাইনালে ওঠেননি, তাঁর কথা নিচে আছে।
দশটি শট, শট ধরে ধরে
অলিম্পিডিয়ার শট-ভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী বিন্দ্রার ফাইনালের শট ছিল ১০.৭, ১০.৩, ১০.৪, ১০.৫, ১০.৫, ১০.৫, ১০.৬, ১০.০, ১০.২ ও ১০.৮। আইএসএসএফ বলছে, তিনি শুরু করেছিলেন ১০.৭ দিয়ে এবং কখনও ১০.০-এর নিচে নামেননি।
হাক্কিনেনের দশটি শট ছিল ১০.১, ১০.২, ১০.৫, ১০.০, ১০.২, ১০.৩, ১০.০, ১০.১, ১০.৩ ও ৯.৭। প্রথম নয়টি শট প্রত্যেকের যোগ্যতা-পর্বের স্কোরের সঙ্গে যোগ করলে দুজনেরই হয় ৬৮৯.৭, যা আইএসএসএফের প্রতিবেদনের সঙ্গে মেলে, যেখানে বলা হয়েছে শেষ শটের আগে দুজন সমান ছিলেন। অলিম্পিডিয়ার তালিকায় ঝুর শেষ শট ১০.৫, আর সেই হিসাবে নিজের শেষ শটের আগে তিনি ছিলেন ৬৮৯.২-এ।
হাক্কিনেনের ৯.৭ তাঁকে রেখে যায় ৬৯৯.৪-এ, ব্রোঞ্জে। ঝুর ১০.৫ তাঁকে তোলে ৬৯৯.৭-এ, রুপোয়। বিন্দ্রার ১০.৮ দাঁড়ায় ৭০০.৫-এ। আইএসএসএফের বিবরণে ১০.৮ ছিল ফাইনালে তাঁর সেরা শট, আর ইএসপিএনের শারদা উগ্রা লিখেছেন, এই ফরম্যাটে একটি শটে সর্বোচ্চ ১০.৯ পাওয়া যায়।
তিন পদকজয়ীর মধ্যে হাক্কিনেনের ১০১.৪ ছিল ফাইনালের সবচেয়ে কম স্কোর, আর বিন্দ্রার ১০৪.৫ সবচেয়ে বেশি। উগ্রার ২০১৬ সালের ইএসপিএন প্রোফাইলে ১০৪.৫-কে বলা হয়েছে অলিম্পিক ফাইনালে করা সর্বোচ্চ স্কোর, তবে এই দাবি ওই বছরের গেমসের আগের।
সাইটিংয়ের কয়েক মিনিটে ঠিক করতে হওয়া রাইফেল
ইএসপিএনে শারদা উগ্রার লেখা ফাইনালের বিবরণে গুলি চালানো শুরুর আগের একটি সমস্যার কথা আছে। পাঁচ মিনিটের সাইটিং-সময়ে রাইফেলের সাইট এতটাই সরে গিয়েছিল যে কেন্দ্রের দিকে করা শট গিয়ে পড়ছিল ৪ নম্বর বলয়ের কাছে। তাঁর কোচ গাব্রিয়েলে বুলমান ভেবেছিলেন, বন্দুকটি দুর্ঘটনায় ধাক্কা খেয়ে সেটিং থেকে সরে গেছে। ইএসপিএন বলছে, বাকি কয়েক মিনিটে বিন্দ্রাকে সাইটের প্রায় ৪০ ক্লিক ঘোরাতে হয়েছিল, আর আগের রাতে তাঁর ঘুমও ভালো হয়নি।
ইএসপিএন বলছে, শেষ শটের পর বিন্দ্রা নিশ্চিতভাবে জানতেন না যে তিনি জিতেছেন। বুলমান তাঁকে থাম্বস-আপ দেখান এবং নিবন্ধের বিবরণ অনুযায়ী বলেন, “তুমি প্রথম। সোনা।” একই নিবন্ধ অনুযায়ী তিনি আট বছর ধরে তাঁর সঙ্গে কাজ করছিলেন।
সেখানে পৌঁছানোর আট বছর
অলিম্পিডিয়ার জীবনী বিন্দ্রার জন্মতারিখ দিয়েছে ১৯৮২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, দেরাদুনে। আইএসএসএফ যেমন বলছে, তাতে ২০০০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সিডনিতে প্রথম অলিম্পিক যোগ্যতা-পর্বে নামার সময় তাঁর বয়স ছিল ১৭। ইএসপিএনের প্রোফাইলে তখনকার বয়স ১৮, অর্থাৎ সূত্রগুলোর মধ্যে এক বছরের তফাত আছে, আর জন্মতারিখ আইএসএসএফের সংখ্যাটিকেই সমর্থন করে।
অলিম্পিডিয়ার সিডনি-তালিকায় তিনি ৫৯০ নিয়ে ১১তম স্থানে সমান, অষ্টম যোগ্যতা-অর্জনকারীর ৫৯১-এর এক পয়েন্ট নিচে। ইএসপিএন বলছে, তিনি এক পয়েন্টের জন্য ফাইনাল হারিয়েছিলেন, আর আইএসএসএফ বলছে তিন স্থানের ব্যবধান। আইএসএসএফ আরও বলছে, দুই বছর আগে, ১৯৯৮ কমনওয়েলথ গেমসে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সী অংশগ্রহণকারী।
২০০৪ সালের ১৬ আগস্ট এথেন্সে তিনি ৫৯৭ নিয়ে তৃতীয় হয়ে যোগ্যতা অর্জন করেন, ঝুর ৫৯৯ আর লি জির ৫৯৮-এর পেছনে, এবং ফাইনালে ৬৯৪.৬ করে শেষ করেন সপ্তম স্থানে। অলিম্পিডিয়া জানাচ্ছে, ঝু জেতেন ৭০২.৭-এর বিশ্ব রেকর্ড নিয়ে। আইএসএসএফ একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট উদ্ধৃত করেছে, যেখানে বিন্দ্রা বলেন, এথেন্সের পর তিনি সাংবাদিক শারদা উগ্রাকে বলেছিলেন, “আমার হয়ে গেছে। আমি ছেড়ে দিতে চাই।” একই পোস্টে তিনি বলেন, উগ্রা জবাব দিয়েছিলেন যে বেইজিংয়ে তিনি সোনা জিতবেন। আইএসএসএফ বলছে, পিঠের চোটে প্রায় এক বছর তিনি প্রতিযোগিতার বাইরে ছিলেন, আর ২০০৬ সালে জাগ্রেবের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ১০ মিটার এয়ার রাইফেল জেতেন, যা অলিম্পিডিয়া নথিভুক্ত করেছে এবং আইএএনএস বলেছে কোনো ভারতীয় শুটারের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ স্বর্ণ।
নারাং, মাঠে থাকা অন্য ভারতীয়
অলিম্পিডিয়ার তালিকা অনুযায়ী গগন নারাং যোগ্যতা-পর্বে ৫৯৫ নিয়ে নবম হন, ফলে ফাইনালে নামেননি। চার বছর আগে এথেন্সে তিনি ৫৯৩ নিয়ে ১২তম স্থানে সমান ছিলেন।
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ভারতের যে পাঁচ শুটার অলিম্পিক পদক জিতেছেন তাঁদের তালিকায় নারাংকে রেখেছে: রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর (এথেন্স ২০০৪), বিন্দ্রা, বিজয় কুমার ও নারাং (লন্ডন ২০১২), মনু ভাকেরের আগে। ইভেন্ট আর স্কোরের পুরো তালিকা tuput-এর মনু ভাকেরের দুটি ব্রোঞ্জ পদকের লেখায় আছে। ২০১০ সালের দিল্লি কমনওয়েলথ গেমসে বিন্দ্রা আর নারাং একসঙ্গে এয়ার রাইফেল পেয়ার্সে সোনা জেতেন, আইএসএসএফ নথিভুক্ত করেছে, আর বিন্দ্রা যোগ করেন ব্যক্তিগত রুপো।
তারপর যা এল
২০০৯ সালের ২৬ জানুয়ারি সরকার বিন্দ্রার জন্য পদ্মভূষণ ঘোষণা করে, আইএএনএস জানিয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা আছে, ২০০১ সালে তিনি রাজীব গান্ধী খেল রত্ন পেয়েছিলেন, যা তখন ছিল ক্রীড়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার। tuput মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রাপকদের তালিকা খুলতে পারেনি, তাই দুটি তারিখই সংবাদ সংস্থার ওপর নির্ভর করছে।
অলিম্পিডিয়া জানাচ্ছে, রিও ২০১৬-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ভারতের পতাকা বহন করেন এবং সেখানে চতুর্থ হন, তাঁর পঞ্চম অলিম্পিকে, ইউক্রেনের সেরহি কুলিশের বিরুদ্ধে শুট-অফের পর, যা আইএসএসএফ জানিয়েছে। লন্ডন ২০১২ শেষ হয়েছিল ১৬তম স্থানে। অলিম্পিডিয়ার হিসাবে ২০০২, ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ জুড়ে কমনওয়েলথ গেমসে তাঁর ঝুলিতে পাঁচটি সোনা, তিনটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ।
বিন্দ্রা আইএসএসএফ অ্যাথলিটস কমিটিতে ছিলেন। আইএসএসএফ বলছে, তিনি ২০১০ থেকে ২০২০ পর্যন্ত সদস্য এবং ২০১৪ থেকে চেয়ার ছিলেন, আর পিটিআই তাঁর চেয়ারম্যান-পদ ২০১৪ থেকে ২০১৮ বলে জানিয়েছে এবং বলেছে, ২০১৮ সালে মিউনিখে সাধারণ সভায় তিনি ফেডারেশনের সর্বোচ্চ সম্মান ব্লু ক্রস পান। আইএসএসএফ ও আকাশবাণী নিউজ অনুযায়ী, তিনি ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির অ্যাথলিটস কমিশনে যোগ দেন।
আইএসএসএফ জানাচ্ছে, আইওসি এক্সিকিউটিভ বোর্ড ২০২৪ সালের ২২ জুলাই তাঁকে অলিম্পিক অর্ডার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আর আকাশবাণী বলেছিল, ১০ আগস্ট প্যারিসে আইওসির ১৪২তম অধিবেশনে এটি তুলে দেওয়া হবে। আইএসএসএফ ও আকাশবাণী তাঁকে এটি পাওয়া প্রথম ভারতীয় বলেছে। অলিম্পিডিয়ার প্রাপকদের তালিকায় ভারতের প্রশাসক শিবন্তি আদিত্যনের নামও আছে, ১৯৯৫ সালে রৌপ্য শ্রেণিতে, এবং বিন্দ্রার ২০২৪-এর পুরস্কারও তারা রৌপ্য শ্রেণিতে রেখেছে। “প্রথম ভারতীয়” নিয়ে সূত্রগুলো একমত নয়, আর tuput দুটিই জানিয়েছে। আইএসএসএফ জানাচ্ছে, প্যারিসে তিনি আইওসিকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, তিনি আশা করেন অলিম্পিক আন্দোলনে অবদান রেখে যেতে পারবেন।
আইএসএসএফ বেইজিংয়ের স্বর্ণকে ভারতীয় ক্রীড়ায় পরের ঘটনাগুলোর সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং বলছে, টোকিও ২০২০-তে নীরজ চোপড়ার বর্শা-নিক্ষেপে সোনা সেটিকে “অনুসরণ” করেছে। সেই ফল আছে tuput-এর নীরজ চোপড়ার প্রোফাইলে। স্বাধীন ভারতের কোনো অ্যাথলিটের প্রথম ব্যক্তিগত অলিম্পিক পদক, ১৯৫২ সালে হেলসিঙ্কিতে খাশাবা জাধবের কুস্তির ব্রোঞ্জ, নিয়েও আলাদা লেখা আছে। আইএসএসএফ বলছে, অভিনব বিন্দ্রা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাঁতার, ব্যাডমিন্টন, বক্সিং ও প্যারা-অ্যাথলেটিক্সের অ্যাথলিটরা ক্রীড়া-প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণে বিনা খরচে সুযোগ পেয়েছেন।
২০২৬ সালের ১১ আগস্ট, ফাইনালের ১৮তম বার্ষিকীতে, এএনআই বিন্দ্রার এক্স-এ করা পোস্ট জানায়: “১৮ বছর আগে আজকের দিনে আমি আমার খেলোয়াড়-জীবনের সবচেয়ে বড় চূড়ায় পৌঁছেছিলাম।”
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Olympedia: Air Rifle (10 metres), Men, 2008 Summer Olympics, full results and shot-by-shot final
- Olympedia: Abhinav Bindra, athlete biography and results
- Olympedia: Air Rifle (10 metres), Men, 2000 Summer Olympics, full results
- Olympedia: Air Rifle (10 metres), Men, 2004 Summer Olympics, full results
- Olympedia: Air Rifle (10 metres), Men, 2016 Summer Olympics, full results
- Olympedia: Olympic Order Recipients
- International Shooting Sport Federation (ISSF): Shooting Sport at the Olympics, Bindra earns first individual Olympic gold for India four years after Athens 2004 heartbreak (22 July 2024)
- International Shooting Sport Federation (ISSF): Abhinav Bindra, first Indian to be conferred with Olympic Order, receives top IOC award in Paris (13 August 2024)
- Akashvani News (All India Radio): Abhinav Bindra awarded prestigious Olympic Order by IOC (23 July 2024)
- Press Information Bureau, Ministry of Youth Affairs and Sports: Manu Bhaker Wins Bronze Medal in 10m Air Pistol at Paris Olympics 2024 (28 July 2024)
- ESPN: Abhinav Bindra's historic solo, by Sharda Ugra (1 July 2016)
- IANS via TwoCircles.net: Bindra awarded Padma Bhushan, Dhoni, Harbhajan to receive Padma Shri (26 January 2009)
- PTI via Onmanorama: Abhinav Bindra first Indian to get highest shooting honour (ISSF Blue Cross)
- ANI via The Tribune: Biggest peak of my sporting life, Abhinav Bindra reflects on 2008 Beijing Olympics gold (11 August 2026)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।