অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
২০০৩ সালের ৩০ আগস্ট স্তাদ দ্য ফ্রাঁসে জর্জ পঞ্চম প্রচেষ্টায় ৬.৭০ মিটার পেরিয়ে তৃতীয় হন, ইউনিস বারবার (৬.৯৯ মিটার) আর তাতিয়ানা কোতোভার (৬.৭৪ মিটার) পেছনে। চ্যাম্পিয়নশিপে এর আগে কোনো ভারতীয় পদক জেতেননি। এরপর আসে ২০২২ সালে নীরজ চোপড়ার রুপো আর ২০২৩ সালে সোনা।
২০০৩ সালের ৩০ আগস্ট প্যারিসের স্তাদ দ্য ফ্রাঁসে নারীদের লং জাম্প ফাইনালে অঞ্জু বব্বি জর্জ তাঁর ছয় প্রচেষ্টার পঞ্চমটিতে ৬.৭০ মিটার লাফান। এতে তিনি তৃতীয় হন, ফ্রান্সের ইউনিস বারবার (৬.৯৯ মিটার) আর রাশিয়ার তাতিয়ানা কোতোভার (৬.৭৪ মিটার) পেছনে, এবং বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জেতা প্রথম ভারতীয় হন। নীরজ চোপড়ার ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স প্রোফাইল পরে আসা ভারতীয় পদকগুলোর তালিকা দিয়েছে: ২০২২ সালের ২৩ জুলাই জ্যাভলিনে রুপো আর ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট সোনা।
ফাইনাল, প্রচেষ্টা ধরে ধরে
ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের ফলাফল-সারণি ফাইনালের শুরুর সময় দিয়েছে ৩০ আগস্টের ১৮:০৫। বারোজন নারী লাফান, আর সেরা আটজন আরও তিনটি করে প্রচেষ্টা পান। জর্জ ফাইনালে ওঠেন যোগ্যতা-পর্বে ৬.৫৯ মিটার নিয়ে ষষ্ঠ হয়ে, যা ছিল সেরা বারোটি মার্কের একটি, কারণ স্বয়ংক্রিয় মার্ক ছিল ৬.৬৫ মিটার। ইএসপিএন সন্ধ্যাটিকে বর্ণনা করেছে ঠান্ডা আর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির।
তাঁর ছয়টি লাফ, হাওয়ার গতি মিটার প্রতি সেকেন্ডে সহ, এই:
- প্রচেষ্টা ১: ৬.৬১ মিটার (+০.৪)
- প্রচেষ্টা ২: ফাউল
- প্রচেষ্টা ৩: ফাউল
- প্রচেষ্টা ৪: ৬.৫৬ মিটার (+০.৮)
- প্রচেষ্টা ৫: ৬.৭০ মিটার (+১.২)
- প্রচেষ্টা ৬: ৬.৬২ মিটার (+০.১)
ব্রিটেনের জেড জনসন তৃতীয় রাউন্ডে ৬.৬৩ মিটার নিয়ে তাঁর আগে এগিয়ে গিয়েছিলেন। জর্জের পঞ্চম লাফ তাঁকে জনসনকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়, যাঁর সেরা থেকে যায় ৬.৬৩ মিটারে, সাত সেন্টিমিটার কম। কোতোভার ৬.৭৪ মিটার, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায়, জর্জের সেরার চেয়ে চার সেন্টিমিটার বেশি ছিল। বারবার জেতেন ৬.৯৯ মিটারে, তাঁর ষষ্ঠ ও শেষ প্রচেষ্টায়, মরশুমের সেরা, হাওয়া +০.৪। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স জর্জের ৬.৭০ মিটারকেও মরশুমের সেরা বলে চিহ্নিত করেছে। রাশিয়ার ওলগা রুবলিওভা ৬.৫৮ মিটার নিয়ে পঞ্চম আর হাঙ্গেরির টুন্ডে ভাসি ৬.৫৩ মিটার নিয়ে ষষ্ঠ।
ইএসপিএন জানাচ্ছে, জর্জ ভেবেছিলেন পঞ্চম লাফটি সমতল গেছে, আর নামার সময় তাঁর পা জড়িয়ে গিয়েছিল। এটি বলছে, তিনি মাথা নামিয়ে বালিতে আঘাত করেন, আর তারপর বোর্ডের সংখ্যা তাঁকে পদকের অবস্থানে দেখায়।
ফাইনালের আগে দু’সপ্তাহের বিশ্রাম
জর্জ আর তাঁর স্বামী ও কোচ রবার্ট বব্বি জর্জ ২০০৩ সালের মরশুম কাটিয়েছিলেন ইউরোপে, ইএসপিএন বলছে, আর তিনি অল্প সময় বিশ্ব লং জাম্প রেকর্ডধারী মাইক পাওয়েলের সঙ্গে অনুশীলন করেন। ওই বছরের শুরুতেই তিনি বার্মিংহামে বিশ্ব ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপে ১৬ মার্চ ৬.৪০ মিটার নিয়ে সপ্তম হয়েছিলেন, ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের রেকর্ড অনুযায়ী।
দ্য ব্রিজ, অলিম্পিক ওয়েবসাইটের একটি লেখা উদ্ধৃত করে, বলছে একের পর এক গ্র্যান্ড প্রিক্স মিটের পর তিনি প্যারিসে পৌঁছান খারাপ অবস্থায়, শরীর ফোলা, হাঁটতেও কষ্ট। এটি বলছে, তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে যান যা ছুটির মতো দেখাচ্ছিল, দু’সপ্তাহ বিশ্রাম আর ঘুরে দেখা, মাঝেমধ্যে একটু দৌড়, আর পরে তিনি বুঝেছিলেন সেটি ছিল ফাইনালের আগে তাঁকে সেরে উঠতে দেওয়ার পরিকল্পনা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের একটি পোস্টে, যা দ্য ব্রিজ উদ্ধৃত করেছে, তিনি বলেছেন তিনি একটিমাত্র কিডনি নিয়ে প্রতিযোগিতা করেছেন, যা তিনি জেনেছিলেন ২০০১ সালে।
ফাইনালের নিজস্ব বিবরণে দ্য ব্রিজ সরকারি সারণি থেকে ভিন্ন। এটি ৬.৭০ মিটার লাফটি রাখে তাঁর শেষ প্রচেষ্টায়, যেখানে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স দেখায় পঞ্চম প্রচেষ্টায়, আর এটি বলে টেক-অফ চেক-মার্ক মিস করার কারণে ফিওনা মে পঞ্চম প্রচেষ্টার পর বাদ পড়েন। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের সিরিজে মের লাফ শেষ হয় তিন প্রচেষ্টার পর। এই নিবন্ধ সরকারি সারণি অনুসরণ করেছে।
চাঙ্গানাশ্শেরি থেকে কমনওয়েলথ ও এশিয়ান গেমসে
অলিম্পেডিয়া ও ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স তাঁর জন্ম দিয়েছে ১৯৭৭ সালের ১৯ এপ্রিল কেরলের চাঙ্গানাশ্শেরিতে। কেরালা ডটকম বলছে তিনি শুরু করেছিলেন হেপ্টাথলনে, তারপর জাম্পে মনোযোগ দেন, আর বব্বি জর্জ, একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও প্রাক্তন জাতীয় ট্রিপল জাম্প চ্যাম্পিয়ন, ১৯৯৮ সালে নিজের ক্যারিয়ার ছেড়ে পুরো সময় তাঁকে কোচিং করতে শুরু করেন।
সিনিয়র পর্যায়ের ফল আসে ২০০২ সালে। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স নথিভুক্ত করেছে ২৯ জুলাই ম্যানচেস্টারে কমনওয়েলথ গেমসে ৬.৪৯ মিটারে ব্রোঞ্জ, আর ইএসপিএন লিখেছে সেখানে জনসন রুপো নেন। ৭ অক্টোবর তিনি বুসানে এশিয়ান গেমসের লং জাম্পে জেতেন ৬.৫৩ মিটারে, যা ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের সম্মান-তালিকায় ও অলিম্পেডিয়ার তালিকায় সোনা। প্যারিস ফাইনালের সময় ভারতীয় রেকর্ড ইএসপিএন দিয়েছে ৬.৭৪ মিটার, তাঁর ব্রোঞ্জজয়ী লাফের চেয়ে চার সেন্টিমিটার ভালো।
চার বছর পর তিনি যোগ করেন ২০০৬ সালের দোহা এশিয়ান গেমসে ১০ ডিসেম্বর ৬.৫২ মিটারে একটি রুপো, আর মেলবোর্নে কমনওয়েলথ গেমসে ৬.৫৪ মিটারে ষষ্ঠ হন।
২০০৪ সালের এথেন্স আর পরে বদলে যাওয়া দুটি ফল
এথেন্স অলিম্পিকে অলিম্পেডিয়ার সারণি দেখায় তিনি ৬.৬৯ মিটারে অষ্টম হয়ে যোগ্যতা অর্জন করেন এবং ২০০৪ সালের ২৭ আগস্ট ফাইনালে ৬.৮৩ মিটার লাফান, যা ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স তাঁর ব্যক্তিগত সেরা বলে তালিকাভুক্ত করেছে। রাশিয়ার পদক-ঝাড়ুতে তাতিয়ানা লেবেদেভা জেতেন ৭.০৭ মিটারে, আর অস্ট্রেলিয়ার ব্রনউইন থম্পসন ৬.৯৬ মিটার নিয়ে চতুর্থ হন। অলিম্পেডিয়া বলছে, জর্জ গেমসের শুরুতে ভারতের পতাকাবাহক ছিলেন এবং সমাপনী অনুষ্ঠানেও পতাকা বহন করেন। ইএসপিএন ২০১৬ সালে লিখেছিল ৬.৮৩ মিটার তখনও জাতীয় রেকর্ড।
এথেন্সে তাঁর স্থান দুভাবে দেওয়া হয়। স্ক্রল বলছে তিনি সেই রাতে ষষ্ঠ হয়েছিলেন এবং মার্কিন ম্যারিয়ন জোনস অযোগ্য ঘোষিত হলে পঞ্চমে উঠে আসেন। অলিম্পেডিয়ার সারণিতে জোনস, যাঁর ফাইনালের মার্ক ছিল অনুকূল হাওয়ায় ৬.৮৫ মিটার, অযোগ্য, আর জর্জ পঞ্চম। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সও পঞ্চম তালিকাভুক্ত করেছে। কেরালা ডটকমের প্রোফাইল এখনও বলছে ষষ্ঠ।
২০০৫ সালের মরশুমে দ্বিতীয় একটি পরিবর্তন ছিল। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স জর্জকে ২০০৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মোনাকোয় ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স ফাইনালে ৬.৭৫ মিটারে লং জাম্পে প্রথম বলে তালিকাভুক্ত করেছে। গাল্ফ নিউজ জানিয়েছিল তাঁকে প্রথমে রুপো দেওয়া হয়েছিল আর পদকটি সোনায় উন্নীত হয় যখন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনস, তখন যে নামে তা ছিল, ২০০৫ সালের একটি নমুনার পুনঃপরীক্ষার পর কোতোভাকে অযোগ্য ঘোষণা করে, যা তারা বলেছে ফর্মেস্টেনের জন্য পজিটিভ ছিল। ইএসপিএন একই উন্নীতকরণ দিয়েছে এবং সেটির সাল ২০১৪ বলেছে। একই প্রতিবেদন হেলসিঙ্কিতে ২০০৫ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর স্থানও চতুর্থে তুলে দেয়, আর ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স ১০ আগস্ট সেখানে তাঁর ৬.৬৬ মিটারকে চতুর্থ বলে তালিকাভুক্ত করেছে। ২০০৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিনি ইনচনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন ৬.৬৬ মিটারে।
তিনি ২০০৮ সালে বেইজিংয়ে দ্বিতীয় অলিম্পিকে খেলেন। অলিম্পেডিয়া ১৯ আগস্ট যোগ্যতা-পর্বে তাঁর কোনো বৈধ মার্ক নথিভুক্ত করেনি।
সম্মান আর তারপর তিনি যা করেছেন
অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া তাঁর অর্জুন পুরস্কার ২০০২ সালে আর রাজীব গান্ধী খেল রত্ন ২০০৩ সালে তালিকাভুক্ত করেছে, আর দ্য ব্রিজ যোগ করেছে ২০০৪ সালে পদ্মশ্রী। কেরালা ডটকম প্রথম দুটি পুরস্কারকে ২০০২-০৩ আর ২০০৩-০৪ ক্রীড়া-বছরের বলেছে এবং পদ্মশ্রীকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার বলেছে। বিশ্ব মঞ্চে ভারতীয় নারীদের আরও দুটি ফল আছে পি. টি. উষার ১৯৮৪ সালের অলিম্পিক ফাইনাল ও সিওল এশিয়ান গেমসের সোনা আর কর্ণম মল্লেশ্বরীর সিডনি ২০০০-এর ব্রোঞ্জে।
ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স তাঁকে ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর তার পুরস্কার-রাতে বর্ষসেরা নারী নামে ঘোষণা করে, স্ক্রল জানিয়েছে। সংস্থাটি ভারতে প্রতিভা গড়ে তোলা আর লিঙ্গ-সমতা প্রচারের জন্য তাঁকে কৃতিত্ব দিয়েছে। স্ক্রল বলছে, তিনি ২০১৬ সালে মেয়েদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ একাডেমি খোলেন, আর সেটি ইতিমধ্যেই একজন বিশ্ব আন্ডার-২০ পদকজয়ী তৈরি করেছে। তখন তিনি অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
চ্যাম্পিয়নশিপে পরে যা হয়েছে
দ্য ব্রিজের ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের সাক্ষাৎকারে জর্জ বলেছেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি ভুল যুগে প্রতিযোগিতা করেছেন, কারণ নীরজ চোপড়ার পদকের পর থেকে অ্যাথলিটদের পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়েছে। চোপড়ার ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স প্রোফাইল তালিকাভুক্ত করেছে ইউজিনে ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়নশিপে ৮৮.১৩ মিটারে রুপো, ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট বুদাপেস্টে ৮৮.১৭ মিটারে সোনা, আর ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর টোকিওতে ৮৪.০৩ মিটারে অষ্টম। সেই থ্রো-গুলোর পূর্ণ বিবরণ আছে চোপড়া আর জ্যাভলিন নিয়ে tuput-এর লেখায়।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- World Athletics: Long Jump women, final, series, 9th IAAF World Championships, Paris Saint-Denis, 30 August 2003
- World Athletics: Long Jump women, qualification, 9th IAAF World Championships, 2003
- World Athletics: Anju Bobby George, athlete profile, personal bests and honours
- World Athletics: Neeraj Chopra, athlete profile and championship honours
- Olympedia: Anju Bobby George, athlete biography, results and flagbearer roles
- Olympedia: Long Jump, Women, Athens 2004, qualifying and final
- Olympedia: Long Jump, Women, Beijing 2008, qualifying and final
- Olympedia: Marion Jones, athlete biography and Olympic results
- ESPN, Gaurav Kalra, 2016: Greatest moments in Indian sport, No. 20, Anju Bobby George wins world championship medal
- The Bridge, Rajdeep Saha, 11 July 2022: When Anju Bobby George won India's only medal at the World Athletics Championships
- The Bridge, 26 December 2023: Anju Bobby George on how conditions for Indian athletes have changed
- Scroll.in, 2 December 2021: Former India athlete Anju Bobby George named World Athletics' Woman of the Year
- Gulf News: India's Anju George gets 2005 gold medal following disqualification of Russia's Tatyana Kotova
- Athletics Federation of India: Rajiv Gandhi Khel Ratna awardees
- Athletics Federation of India: Arjuna awardees
- Kerala.com: Celebrity, Anju Bobby George
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।