Skip to content
নাসার ইউরোপা ক্লিপার রওনা দিয়েছিল ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে, আর ২০৩১ থেকে বৃহস্পতির মহাসাগরওয়ালা চাঁদের ৪৯টি কাছের ফ্লাইবাই করবে
সংবাদ

নাসার ইউরোপা ক্লিপার রওনা দিয়েছিল ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে, আর ২০৩১ থেকে বৃহস্পতির মহাসাগরওয়ালা চাঁদের ৪৯টি কাছের ফ্লাইবাই করবে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

ইউরোপা ক্লিপার ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর ফ্লোরিডা থেকে ফ্যালকন হেভিতে রওনা দেয়, ২০২৫ সালের ১ মার্চ মঙ্গলের পাশ দিয়ে যায়, আর ২০২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে। ২০৩০ সালের এপ্রিলে সে বৃহস্পতিতে পৌঁছাবে নয়টি যন্ত্র আর একটি মহাকর্ষ-পরীক্ষা নিয়ে, এমন এক চাঁদের দিকে যার নিচে লোনা জলের মহাসাগর আছে বলে ধারণা।

· · 6 মিনিটের পাঠ

নাসার অভিযান-সময়সূচি অনুযায়ী ইউরোপা ক্লিপার ২০২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর পৃথিবী থেকে প্রায় ৩,২০০ কিলোমিটার (২,০০০ মাইল) দূর দিয়ে যাবে। এটি একটি মহাকর্ষ-সহায়তা (গ্র্যাভিটি অ্যাসিস্ট), অর্থাৎ এমন এক বাঁক যেখানে মহাকাশযান গ্রহের টানের কাছ থেকে শক্তি ধার করে নেয়। ২০৩০ সালের এপ্রিলে বৃহস্পতিতে পৌঁছে চাঁদ ইউরোপার ৪৯টি কাছের ফ্লাইবাই শুরুর আগে এটাই যানটির শেষ বড় পথ-বদল।

নাসার ঘোষিত লক্ষ্য হলো ঠিক করা, ইউরোপার পৃষ্ঠের নিচে এমন কোনো জায়গা আছে কি না যা প্রাণকে টিকিয়ে রাখতে পারে। তার তিনটি উদ্দেশ্য: বরফের স্তর ও তার নিচের মহাসাগর, চাঁদটির গঠন, আর তার ভূতত্ত্ব।

ফ্লোরিডা থেকে বৃহস্পতি, মঙ্গল আর পৃথিবীর পাশ ঘুরে

যানটি ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর পূর্বাঞ্চলীয় দিবালোক সময় দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ কমপ্লেক্স ৩৯এ থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভিতে রওনা দেয়। নাসা পুরো যাত্রাকে প্রায় ১৮০ কোটি মাইল (২৯০ কোটি কিলোমিটার) বলে।

পথটা ইচ্ছে করেই ঘোরানো। জেপিএল বলে, মঙ্গল ও পৃথিবীর সহায়তা ছাড়া যানটির বাড়তি জ্বালানি লাগত। ২০২৫ সালের ১ মার্চ সে মঙ্গলের প্রায় ৫৫০ মাইল (৮৮৪ কিলোমিটার) ওপর দিয়ে যায়।

প্রকৌশলীরা ওই পাশ দিয়ে যাওয়াকে কাজে লাগান এমন এক পরীক্ষায়, যা জেপিএলের মতে পৃথিবীতে করা অসম্ভব ছিল। বরফ ভেদ করা রাডারটি প্রায় ৪০ মিনিট চালু রাখা হয়, যখন যানটি মঙ্গল থেকে প্রায় ৫,০০০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে নেমে ৮৮৪ কিলোমিটারে আসে, আর সেটি ৬ গিগাবাইট তথ্য ফেরত পাঠায়। রাডারের প্রধান গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের ডন ব্ল্যাঙ্কেনশিপ বলেছেন, যন্ত্রটির প্রতিটি অংশ ঠিক যা করার কথা ছিল তাই করেছে।

পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাওয়াটা একই সঙ্গে ক্যালিব্রেশনের একটি সেশনও। হাইয়ে কোর্থ, রবার্ট পাপালার্ডো ও বনি বুরাত্তির একটি সারপত্র বলছে, এতে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিয়ে ম্যাগনেটোমিটারের চূড়ান্ত ক্যালিব্রেশন হবে, আর পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা অন্য মহাকাশযানের সঙ্গে মিলিয়ে প্লাজমা যন্ত্রের ক্রস-ক্যালিব্রেশন।

বৃহস্পতিতে নাসার সময়সূচি অনুযায়ী কক্ষপথে ঢুকতে গতি কমানোর জন্য প্রায় ছয় ঘণ্টার ইঞ্জিন-বার্ন হবে, আর সেই সময় গ্যানিমিডের পাশ দিয়েও যেতে হবে। ইউরোপার প্রথম ফ্লাইবাই ২০৩১ সালের বসন্তে। যানটি ইউরোপাকে কখনো প্রদক্ষিণ করে না। সে বৃহস্পতিকে ঘিরে বিশাল বৃত্তে ঘোরে আর পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৬ মাইল (২৫ কিলোমিটার) উচ্চতা পর্যন্ত ডুব দেয়। সময়সূচিতে অভিযানের সম্ভাব্য সমাপ্তি ২০৩৪ সালের সেপ্টেম্বর, গ্যানিমিডে যানটিকে ফেলে নিষ্পত্তি করার পরিকল্পনাসহ।

গ্যালিলিও-র ম্যাগনেটোমিটার কী পেয়েছিল

নাসা বলে, ইউরোপায় বরফের নিচে তরল জলের মহাসাগরের জোরালো প্রমাণ আছে, যাতে পৃথিবীর বৈশ্বিক মহাসাগরের প্রায় দ্বিগুণ জল রয়েছে। কেউ তার নমুনা নেয়নি, আর এর পক্ষের যুক্তি গড়ে উঠেছে দূর থেকে।

প্রথম জোরালো প্রমাণ এসেছিল নাসার গ্যালিলিও অরবিটারের ম্যাগনেটোমিটার থেকে। ১৯৯৮ সালের ২২ অক্টোবরের একটি নেচার গবেষণাপত্রে কে. কে. খুরানা, মার্গারেট কিভেলসন ও আরও পাঁচ সহলেখক ইউরোপা ও ক্যালিস্টোর কাছে বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্রে গোলযোগের কথা জানান। তাঁরা এগুলোকে চাঁদ দুটির ভেতরে আবিষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের ফল বলে ধরেন, আর সিদ্ধান্তে আসেন যে সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ প্রতিটি পৃষ্ঠের ঠিক নিচে যথেষ্ট বিদ্যুৎ-পরিবাহিতার একটি স্তর, যার সবচেয়ে ভালো ব্যাখ্যা লোনা তরল জল।

এরপর এল দ্বিতীয় ফল। নাসা ২০০০ সালের ২৫ আগস্ট সায়েন্স-এর একটি গবেষণাপত্র থেকে জানায়, ২০০০ সালের জানুয়ারির ফ্লাইবাইয়ের সময় ইউরোপায় বৃহস্পতির ক্ষেত্র ছিল ১৯৯৬ ও ১৯৯৮ সালের উল্টো দিকে। দলটির মডেল আগেই বলে রেখেছিল, লোনা জলের স্তর এই উল্টে যাওয়ায় কেমন সাড়া দেবে, আর তথ্য তার সঙ্গে মিলেছিল। নাসার নিজের বিবৃতি একটি সীমাও জুড়ে দেয়: “প্রমাণ এখনো পরোক্ষ এবং অনুমানের বেশ কয়েকটি ধাপ দাবি করে।”

ওপরের বরফ কত পুরু, তা এখনো খোলা প্রশ্ন। ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার দূর থেকে জুনোর একটি ফ্লাইবাই থেকে একটি আন্দাজ মিলেছে, যা জেপিএল ঘোষণা করে ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি: পর্যবেক্ষিত অঞ্চলে গড়ে প্রায় ১৮ মাইল (২৯ কিলোমিটার)। জুনোর প্রকল্প-বিজ্ঞানী স্টিভ লেভিন বলেন, এই সংখ্যা কেবল ঠান্ডা, শক্ত বাইরের স্তরের, তার নিচের উষ্ণতর স্তর পুরুত্ব আরও বাড়াবে, আর বরফে মেশানো লবণ আন্দাজ থেকে প্রায় ৩ মাইল কমিয়ে দেবে।

২০২৬ সালের মে মাসে যে ফোয়ারার দাবি দুর্বল হলো

ইউরোপা থেকে জলীয় বাষ্প ছিটকে বেরোলে কোনো মহাকাশযান না নেমেই মহাসাগরের নমুনা নিতে পারত। এই দাবি দাঁড়িয়ে আছে দুটি দলের হাবল স্পেস টেলিস্কোপের কাজের ওপর।

লরেঞ্জ রোথের নেতৃত্বে ২০১৪ সালের একটি গবেষণাপত্র ইউরোপার দক্ষিণ গোলার্ধের ওপর অতিবেগুনি বিকিরণ নথিভুক্ত করে, যাকে সেটি ফোয়ারার ফল বলে ধরে। ২০১৬ সালে স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউটের উইলিয়াম স্পার্কসের নেতৃত্বাধীন একটি দল ১৫ মাসে বৃহস্পতির মুখের সামনে দিয়ে যাওয়া ইউরোপার হাবলের ১০টি ছবির মধ্যে ৩টিতে সম্ভাব্য ফোয়ারা দেখে। নাসার বিবৃতি উচ্চতা আন্দাজ করে প্রায় ১২৫ মাইল (২০০ কিলোমিটার) আর উল্লেখ করে যে দুই দল একই সময়ে ফোয়ারা ধরতে পারেনি। নাসার জেফ ইয়োডার বলেন, এমন ফোয়ারা, “যদি সত্যিই থাকে”, পৃষ্ঠের নিচের নমুনা নেওয়ার আরেকটি পথ দিতে পারে।

২০২৬ সালের ১৮ মে সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SwRI) হাবলের বর্ণালীমাপকের ১৪ বছরের তথ্যের পুনর্বিশ্লেষণ জানায়, যা অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এ ছাপা হয়েছে। প্রধান লেখক রোথ বলেন, ফোয়ারা নিয়ে দলের মূল ৯৯.৯ শতাংশ আস্থা নেমে এসেছে ৯০ শতাংশের কম। নতুন তথ্য ২০১৪ সালের ফোয়ারাকে নিশ্চিতও করে না, বাতিলও করে না। SwRI-এর বিবৃতি বলছে, ২০৩০ সালে পৌঁছানো ক্লিপার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারে।

নয়টি যন্ত্র আর একটি রেডিও পরীক্ষা

নাসা নয়টি বিজ্ঞান-যন্ত্রের তালিকা দেয়, সঙ্গে একটি মহাকর্ষ ও রেডিও বিজ্ঞান পরীক্ষা, যা যানটির যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে।

  • REASON (Radar for Europa Assessment and Sounding: Ocean to Near-surface) হলো বরফ ভেদ করা রাডার। তার কাজ বরফের স্তরের ভেতরে জলের থলি দেখা, আর সম্ভব হলে তার নিচের মহাসাগরও ধরা। ইসরোর সঙ্গে তৈরি পৃথিবী-পর্যবেক্ষণ উপগ্রহে নাসার একটি ভিন্ন রাডারের কথা আছে নিসার নিয়ে লেখায়।
  • ECM (Europa Clipper Magnetometer) চৌম্বক ক্ষেত্র মেপে মহাসাগরের অস্তিত্ব নিশ্চিত করে এবং তার গভীরতা ও লবণাক্ততা আন্দাজ করে। তার সেন্সর বসানো ২৮ ফুট (৮.৫ মিটার) লম্বা একটি দণ্ডে।
  • PIMS (Plasma Instrument for Magnetic Sounding) ইউরোপার চারপাশের প্লাজমা মাপে, যাতে তার বিকৃতিকে মহাসাগরের আবিষ্ট ক্ষেত্র থেকে আলাদা করা যায়।
  • MASPEX (MAss Spectrometer for Planetary EXploration/Europa) ইউরোপার ক্ষীণ বায়ুমণ্ডল ও যেকোনো ফোয়ারার গ্যাস বিশ্লেষণ করে।
  • SUDA (SUrface Dust Analyzer) চাঁদ থেকে ছিটকে ওঠা ধুলোকণার রসায়ন শনাক্ত করে, যাতে মহাসাগরের লবণাক্ততার সূত্র থাকতে পারে।
  • EIS (Europa Imaging System)-এ আছে প্রশস্ত-কোণ ও সংকীর্ণ-কোণের ক্যামেরা, প্রতিটিতে আট মেগাপিক্সেলের সেন্সর, রঙিন ও ত্রিমাত্রিক ছবির জন্য।
  • E-THEMIS (Europa Thermal Emission Imaging System) তাপের মানচিত্র আঁকে, যাতে উষ্ণতর জায়গা খুঁজে পাওয়া যায় যেখানে জল পৃষ্ঠের কাছে থাকতে পারে বা ফেটে বেরিয়েছে।
  • Europa-UVS (Europa Ultraviolet Spectrograph) অতিবেগুনি আলো পড়ে গ্যাস ও পৃষ্ঠের উপাদান শনাক্ত করে এবং ফোয়ারা খোঁজে।
  • MISE (Mapping Imaging Spectrometer for Europa) একটি অবলোহিত বর্ণালীমাপক, যা বরফ, লবণ ও জৈব যৌগের মানচিত্র আঁকে।
  • মহাকর্ষ ও রেডিও বিজ্ঞান যানটির রেডিও সংকেতের অতি ক্ষুদ্র সরণ নজর করে, মাপতে যে বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করার সময় ইউরোপা কতটা বেঁকে যায়।

বিদ্যুৎ আসে পাঁচটি করে প্যানেলের দুটি সৌর বাহু থেকে, প্রতিটি প্রায় ১৪.২ বাই ৪.১ মিটার, মোট বিস্তার ৩০.৫ মিটারের বেশি। প্রেস কিট বলছে, মূল অভিযানের সময় সেগুলো কমপক্ষে ৭০০ ওয়াট জোগায়।

বৃহস্পতির বিকিরণের বিরুদ্ধে একটি ভল্ট

জেপিএল বলে, বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্র পৃথিবীর চেয়ে ২০,০০০ গুণ শক্তিশালী আর তার বিকিরণ সূর্য বাদে সৌরজগতে সবচেয়ে তীব্র। বিজ্ঞান-যন্ত্র, দিকনির্দেশনা ও তাপ-পাম্প চালানো ইলেকট্রনিক্স রাখা আছে প্রপালশন মডিউলের সঙ্গে আটকানো একটি ভল্টের ভেতরে।

নাসার পাতাগুলো দেয়ালের বর্ণনা দেয় ভিন্ন ভিন্নভাবে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের একটি জেপিএল ফিচার ভল্টকে বলে আধ ইঞ্চির (১ সেন্টিমিটার) সামান্য কম পুরু অ্যালুমিনিয়ামের, আর জানায় সেটি সিল করা হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। প্রেস কিট দেয় ৯.২ মিলিমিটার পর্যন্ত পুরু অ্যালুমিনিয়াম-জিঙ্ক সংকরের পাত, আর অভিযানের সারসংক্ষেপ বলে টাইটানিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম। এর কোনো পাতাতেই বিকিরণের মাত্রার সংখ্যা নেই। জেপিএলের নিজের ভাষা: ভল্টের উচিত বেশির ভাগ ইলেকট্রনিক্সের জন্য বিকিরণকে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নামিয়ে আনা।

জুস, ইউরোপের সঙ্গী

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইসা)-র জুপিটার আইসি মুনস এক্সপ্লোরার, জুস, উৎক্ষেপিত হয় ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল ফরাসি গায়ানার ইউরোপীয় স্পেসপোর্ট থেকে এরিয়ান ৫-এ, অর্থাৎ একই ধরনের রকেট আর একই উৎক্ষেপণ-স্থল, যা ব্যবহার হয়েছিল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের জন্য। ইসা বৃহস্পতির কক্ষপথে ঢোকার পরিকল্পনা করেছে ২০৩১ সালের ২০ জুলাই, ক্লিপারের এক বছর পরে। জুসের আছে দশটি যন্ত্র, আর গ্যানিমিডকে প্রদক্ষিণ করার উদ্দেশ্যে তৈরি প্রথম মহাকাশযান সে।

জুস ২০২৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ১১:৪৫ ইউটিসি-তে ভারত মহাসাগরের ওপর ৮,৬৪০ কিলোমিটার উচ্চতা দিয়ে পৃথিবীর পাশ কাটিয়ে গেছে। ইসা বলে, তাতে তার পথ ২০ ডিগ্রি বেঁকেছে আর গতি বেড়েছে সেকেন্ডে ৩.৫ কিলোমিটার। শেষ পৃথিবী-ফ্লাইবাই ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে।

ইউরোপায় জুসের কাজ ক্লিপারের ৪৯ বারের তুলনায় সংক্ষিপ্ত। ইসার যাত্রা-তালিকায় দুটি ফ্লাইবাই আছে, ২০৩২ সালের ২ জুলাই ও ১৬ জুলাই, প্রতিটিতে নিকটতম দূরত্ব ৪০১ কিলোমিটার।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. NASA Science: Europa Clipper mission page
  2. NASA Science: Europa Clipper mission overview
  3. NASA Science: Europa Clipper mission timeline
  4. NASA JPL: Europa Clipper's radar instrument proves itself at Mars (1 August 2025)
  5. NASA Science: Europa Clipper spacecraft and instruments
  6. NASA JPL: Europa Clipper press kit, spacecraft
  7. NASA JPL: How NASA is protecting Europa Clipper from space radiation (October 2023)
  8. Korth, Pappalardo and Buratti, Earth Encounter: Advancing Europa Clipper Readiness Through Cruise-Phase Flyby Operations (EPSC 2026 abstract)
  9. NASA JPL: Europa Clipper uses Mars to go the distance (25 February 2025)
  10. Khurana et al., Induced magnetic fields as evidence for subsurface oceans in Europa and Callisto, Nature 395 (1998)
  11. NASA: Galileo evidence points to possible water world under Europa's icy crust (25 August 2000)
  12. NASA: Hubble spots possible water plumes erupting on Jupiter's moon Europa (26 September 2016)
  13. Southwest Research Institute: Findings reconsider the existence of Europa's vapor plumes (18 May 2026)
  14. NASA JPL: Juno measures thickness of Europa's ice shell (27 January 2026)
  15. ESA: Juice factsheet
  16. ESA: Juice trajectory profile
  17. ESA: Successful Earth flyby improves Juice's course to Jupiter (28 September 2026)
  18. NASA Science: Webb launch

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#europa clipper#europa#jupiter#nasa jpl#juice#ice-penetrating radar#ocean worlds#space missions

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
ভয়েজার ১ ২০২৬ সালের ১৮ নভেম্বর, উৎক্ষেপণের ৪৯ বছর পরে, পৃথিবী থেকে এক আলোক-দিন দূরে পৌঁছবে, তার দশটি যন্ত্রের মধ্যে দুটি তখনও চালু
২০২৩ সালে ভয়েজার ১-এর একটি মেমরি চিপ বিকল হয়েছিল, শক্তির উৎস বছরে প্রায় ৪ ওয়াট হারায়, আর যন্ত্রগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত দুটি যান নিয়ে নাসা যা প্রকাশ করেছে, আর কোন তারিখগুলো অনুমান।
আর্যভট্ট, ভারতের প্রথম উপগ্রহ, তৈরি হয়েছিল বেঙ্গালুরুর শেডে প্রায় ৩ কোটি টাকায়, আর ১৯৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল উৎক্ষেপিত হয়েছিল একটি সোভিয়েত রকেটে
২৬ পাশের একটি উপগ্রহ, শিল্প-এলাকার শেডে জোড়া লাগানো, অন্য দেশের রকেটে ওড়ানো, আর কয়েক দিনের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষায় নীরব। আর্যভট্ট কীভাবে ঘটল সে বিষয়ে নথিপত্র কী বলে, আর কোথায় তাদের মতভেদ।
ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযানে খরচ হয়েছিল ₹৩৮৬ কোটি, আর তাতে ছিল সেই NASA যন্ত্র যা চাঁদের পৃষ্ঠে জলের সন্ধান পায়
এগারোটি যন্ত্র, তার ছয়টি বিদেশ থেকে আসা, একটি ভারতীয় রকেটে চাঁদে গিয়েছিল। উৎক্ষেপণের এগারো মাস পরে তাদের মধ্যে থাকা একটি NASA স্পেকট্রোমিটার পৃষ্ঠে জল ও হাইড্রক্সিল শনাক্ত করে, এমন এক অনুসন্ধানে যাকে আবিষ্কারের নিবন্ধটি বলেছে ৪০ বছরের সন্ধান।
← সব লেখা