Skip to content
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপিত হয় ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর, প্রথম পাঁচটি লক্ষ্যের ছবি প্রকাশ করে ২০২২ সালের ১২ জুলাই, আর তারপর নিশ্চিত করেছে মহাবিস্ফোরণের ২৮ কোটি বছর পরের একটি ছায়াপথ
সংবাদ

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপিত হয় ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর, প্রথম পাঁচটি লক্ষ্যের ছবি প্রকাশ করে ২০২২ সালের ১২ জুলাই, আর তারপর নিশ্চিত করেছে মহাবিস্ফোরণের ২৮ কোটি বছর পরের একটি ছায়াপথ

ছবি: WikiImages / Pixabay

বাংলা

ওয়েব ফরাসি গায়ানা থেকে এরিয়ান ৫ রকেটে উঠেছিল, আর প্রায় সাত মাস পরে প্রকাশ করে প্রথম ছবি ও বর্ণালী। তার তথ্য এখন নিশ্চিত ছায়াপথের রেকর্ড ঠেলে নিয়ে গেছে ১৪.৪৪ লোহিত সরণে, ছোট লাল বিন্দু নামের ঘন লাল বস্তু নিয়ে বিতর্ক শুরু করেছে, আর এনেছে একটি বহির্গ্রহ-দাবি, যা অন্য দলগুলো মানছে না।

· · 5 মিনিটের পাঠ

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপিত হয় ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন সময় সকাল ৭টা ২০ মিনিটে (১২:২০ ইউটিসি), ফরাসি গায়ানার কুরুর কাছে ইউরোপের স্পেসপোর্ট থেকে এরিয়ান ৫ রকেটে চড়ে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ১১ জুলাই হোয়াইট হাউসে প্রথম ছবিটি উন্মোচন করার পর নাসা প্রথম ছবি আর বর্ণালী প্রকাশ করে ২০২২ সালের ১২ জুলাই।

গত চার বছরে টেলিস্কোপের তথ্য থেকে এসেছে মহাবিস্ফোরণের ২৮ কোটি বছর পরের একটি নিশ্চিত ছায়াপথ, এক শ্রেণির ঘন লাল বস্তু নিয়ে অমীমাংসিত বিতর্ক, আর একটি বহির্গ্রহ-দাবি, যা অন্য দলগুলোর মতে তথ্য সমর্থন করে না। এই লেখায় আলাদা করা হয়েছে সংস্থাগুলো ও গবেষণাপত্র কী বলে, আর কোনটি নিয়ে এখনো তর্ক চলছে।

এক মাসের উড়ান, দশ লক্ষ মাইল দূরের এক বিন্দুতে

নাসা বলছে, উৎক্ষেপণ যান আর উৎক্ষেপণ স্থান ছিল ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ইএসএ) মিশনে অবদান। উৎক্ষেপণের পর টেলিস্কোপ ২৯ দিন ধরে প্রায় দশ লক্ষ মাইল (১৫ লক্ষ কিলোমিটার) পথ পেরিয়ে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ বিন্দুতে পৌঁছয়, যার নাম এল২।

ভারতের সৌর পর্যবেক্ষণকেন্দ্র আছে সূর্য-পৃথিবী ব্যবস্থার আরেকটি ল্যাগ্রাঞ্জ বিন্দুতে, এল১-এ, সেটিও প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে, যেমন আদিত্য-এল১ নিয়ে লেখাটি বলেছে। ইসরোর সঙ্গে নাসার অন্য সাম্প্রতিক অংশীদারি রাডার উপগ্রহ, যা আছে নিসার নিয়ে লেখায়, উৎক্ষেপিত হয়েছিল ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই।

আঠারোটি ষড়ভুজ আর চারটি যন্ত্র

নাসার মতে ওয়েবের প্রধান দর্পণ ৬.৫ মিটার (২১.৩ ফুট) চওড়া, আর ১৮টি ষড়ভুজ অংশে তৈরি। সানশিল্ডকে নাসা বলেছে টেনিস কোর্টের আকারের।

চারটি যন্ত্র আলো ভাগ করে নেয়। নাসার যন্ত্র-পাতাগুলো এই পরিসর দিয়েছে:

  • NIRCam, প্রধান নিকট-অবলোহিত ক্যামেরা, ০.৬ থেকে ৫ মাইক্রন।
  • NIRSpec, নিকট-অবলোহিত বর্ণালীমাপক, ০.৬ থেকে ৫.৩ মাইক্রন।
  • NIRISS, সঙ্গে ওয়েবকে লক্ষ্যে স্থির রাখা ফাইন গাইডেন্স সেন্সর, ০.৬ থেকে ৫ মাইক্রন।
  • MIRI, মধ্য-অবলোহিত যন্ত্র, প্রায় ৪.৯ থেকে ২৭.৯ মাইক্রন।

২০২২ সালের ১২ জুলাইয়ের পাঁচটি লক্ষ্য

প্রথমটি SMACS ০৭২৩, যাকে নাসা বলে ওয়েবের প্রথম ডিপ ফিল্ড। NIRCam-এর যৌগিক ছবিটি ১২.৫ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণের, আর তা আকাশের এমন একটি টুকরো ঢেকেছে যা হাতের নাগালের দূরত্বে ধরা একটি বালুকণার সমান। গুচ্ছটি দেখানো হয়েছে ৪৬০ কোটি বছর আগে যেমন ছিল, আর এর ভর পেছনের ছায়াপথগুলোর আলো বাঁকিয়ে কয়েকটিকে বড় করে দেখায়, নাসার মতে যেগুলো মহাবিশ্বের বয়স একশো কোটি বছরের কম থাকার সময়কার।

দ্বিতীয়টি কসমিক ক্লিফস, ক্যারিনা নেবুলায় নক্ষত্র-জন্মের অঞ্চল NGC ৩৩২৪-এর কিনারা। নাসা অঞ্চলটিকে প্রায় ৭,৬০০ আলোকবর্ষ দূরে বলছে, আর সবচেয়ে উঁচু চূড়াগুলো প্রায় ৭ আলোকবর্ষ উঁচু।

তৃতীয়টি স্টেফানস কুইন্টেট, প্রায় ১,০০০টি ছবির ফাইল থেকে বানানো ১৫ কোটির বেশি পিক্সেলের মোজাইক। ইএসএ বলছে পাঁচটি ছায়াপথের চারটি প্রায় ২৯ কোটি আলোকবর্ষ দূরে, আর পঞ্চমটি, NGC ৭৩২০, প্রায় ৪ কোটি আলোকবর্ষ দূরে। প্রকাশনাটি NGC ৭৩১৯-এর কৃষ্ণগহ্বরের কথাও বলেছে, ইএসএ যার ভর সূর্যের প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ গুণ ধরে, আর বলেছে সেই শকওয়েভের কথা, যেখানে NGC ৭৩১৮B গুচ্ছের ভেতর দিয়ে সরে যাচ্ছে।

চতুর্থটি ছিল বর্ণালী, ছবি নয়। ২০২২ সালের ২১ জুন NIRISS গ্যাস দৈত্য WASP-৯৬ b-কে ৬.৪ ঘণ্টা ধরে তার নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যেতে দেখেছিল। ইএসএ বলছে ফলাফলে আছে ‘জলের সন্দেহাতীত চিহ্ন’, সঙ্গে কুয়াশা আর মেঘ, যেগুলো না থাকার ইঙ্গিত আগের পর্যবেক্ষণে ছিল। গ্রহটি প্রায় ১,১৫০ আলোকবর্ষ দূরে, ভর বৃহস্পতির অর্ধেকেরও কম, আর ব্যাস বৃহস্পতির প্রায় ১.২ গুণ।

পঞ্চমটি সাদার্ন রিং নেবুলা, NGC ৩১৩২, প্রায় ২,৫০০ আলোকবর্ষ দূরে। নাসা বলছে ওয়েবের মধ্য-অবলোহিত দৃশ্যে দেখা গেছে, মাঝের দুটি নক্ষত্রের ক্ষীণতরটি, একটি শ্বেত বামন, ধুলোয় মোড়া।

মহাবিস্ফোরণের ৩০ কোটি বছরের কম পরের ছায়াপথ

২০২৪ সালের ৩০ মে নাসা ঘোষণা করে ওয়েব JADES-GS-z১৪-০ নিশ্চিত করেছে ১৪.৩২ লোহিত সরণে, অনিশ্চয়তা যোগ ০.০৮ আর বিয়োগ ০.২০। লোহিত সরণ মাপে আমাদের কাছে আসার পথে আলো কতটা প্রসারিত হয়েছে, তাই বড় সংখ্যা মানে আরও দূরের, আরও আগের ছায়াপথ। নাসা ছায়াপথটিকে মহাবিস্ফোরণের প্রায় ২৯ কোটি বছর পরের এবং ১,৬০০ আলোকবর্ষের বেশি প্রস্থের বলেছে, যার আলো আসে মূলত তরুণ নক্ষত্র থেকে।

দলের গবেষণাপত্র, নেতৃত্বে স্তেফানো কার্নিয়ানি, ২০২৪ সালে নেচারে ছাপা হয়। লেখকেরা লিখেছেন ছায়াপথটি অপ্রত্যাশিতভাবে উজ্জ্বল আর বিস্তৃত, এবং নক্ষত্রের আলো প্রধান বলে কৃষ্ণগহ্বরের গ্রাসনকে দিয়ে ওয়েবের পাওয়া উজ্জ্বল আদি ছায়াপথের বাড়তি অংশ পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায় না।

২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নাসা আরও এক ধাপের কথা জানায়: MoM-z১৪, NIRSpec-এ নিশ্চিত, লোহিত সরণ ১৪.৪৪, মহাবিস্ফোরণের প্রায় ২৮ কোটি বছর পর। কাজের নেতৃত্বে এমআইটির কাভলি ইনস্টিটিউটের রোহন নাইডু, ওপেন জার্নাল অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে প্রকাশিত। দল অস্বাভাবিক বেশি নাইট্রোজেনের কথা জানিয়েছে, আর নাসা বলছে একটি তত্ত্ব ইঙ্গিত দেয় আদি মহাবিশ্বের ঘন পরিবেশে অতিভারী নক্ষত্রের।

ছোট লাল বিন্দু, আর কে তাদের কীভাবে পড়ছে

ছোট লাল বিন্দু হল ওয়েবের গভীর জরিপে পাওয়া ঘন, লাল উৎস, আর বিতর্কটা এই নিয়ে যে কীসে তারা শক্তি পায়। ভিন্ন পদ্ধতিতে ধরা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে লেখা আছে মহাকর্ষ তরঙ্গ নিয়ে আমাদের লেখায়। জরিট ম্যাথি ও সহকর্মীদের ২০২৩ সালের একটি প্রিপ্রিন্ট ৪.২ থেকে ৫.৫ লোহিত সরণের কাছাকাছি এমন ২০টি পেয়েছিল, প্রশস্ত হাইড্রোজেন নিঃসরণ সহ, যা লেখকেরা আনুমানিক ১ কোটি থেকে ১০ কোটি সৌর ভরের কৃষ্ণগহ্বরের কারণ বলেছেন, আর তাদের লালভাব ধুলোর সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

কৃষ্ণগহ্বরের পাঠটাই এখন সংশোধিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের একটি নেচার গবেষণাপত্রে ভাদিম রুসাকভ ও সহকর্মীরা যুক্তি দিয়েছেন যে ইলেকট্রনের বিক্ষেপণ বর্ণালী-রেখাকে চওড়া করে, ফলে কৃষ্ণগহ্বরের ভর হবে ১ লক্ষ থেকে ১ কোটি সৌর ভর, আগের অনুমানের চেয়ে দুই মাত্রা কম। তাঁরা বর্ণনা করেছেন ঘন আয়নিত গ্যাসের কোকুনের ভেতরে তরুণ কৃষ্ণগহ্বরের। কোহেই ইনায়োশি ও লুই হো, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের একটি প্রিপ্রিন্টে, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ধুলোর কারণে লাল হওয়া জরুরি নয় আর গ্যাসে মোড়া কৃষ্ণগহ্বরও লাল বর্ণালী দিতে পারে, ভর প্রায় ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটি সৌর ভর।

২০২৬ সালের ১০ জুন টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়, অস্টিনের ভাসিলি কোকোরেভের নেতৃত্বে একটি দল লেন্সে বিবর্ধিত একটি বস্তুর, GLIMPSE-১৭৭৭৫-এর, লোহিত সরণ ৩.৫, বিশদ বর্ণালী জানায়। ইএসএর শিরোনাম একে বলেছে ‘ব্ল্যাক হোল স্টার’-এর এ পর্যন্ত সবচেয়ে জোরালো প্রমাণ, অর্থাৎ আংশিক আয়নিত গ্যাসের ঘন কোকুনের ভেতরে বেড়ে ওঠা একটি কৃষ্ণগহ্বর। ইএসএর প্রকাশনা জানিয়েছে যে গবেষণাটি একটিমাত্র বস্তু নিয়ে।

গ্রহ: জল, কার্বন ডাই-অক্সাইড, আর একটি বিতর্কিত অণু

WASP-৯৬ b-এর পর নাসা ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট ঘোষণা করে NIRSpec প্রায় ৭০০ আলোকবর্ষ দূরের WASP-৩৯ b-তে বহির্গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের প্রথম স্পষ্ট, বিশদ প্রমাণ পেয়েছে। সংকেতটি বর্ণালীতে ৪.১ থেকে ৪.৬ মাইক্রনের মাঝে একটি ছোট উঁচু অংশ, ১০ জুলাই ২০২২-এ নথিবদ্ধ।

K২-১৮ b বিতর্কিত ক্ষেত্র। দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্সে গৃহীত ২০২৫ সালের এপ্রিলের একটি গবেষণাপত্রে নিক্কু মধুসূদন ও সহকর্মীরা মধ্য-অবলোহিত বৈশিষ্ট্যের কথা জানান, যা ডাইমিথাইল সালফাইড, ডাইমিথাইল ডাইসালফাইড বা দুটোর সঙ্গেই মেলে, গ্যাসগুলোকে তাঁরা সম্ভাব্য জৈবচিহ্ন বলেন, প্রায় ৩ সিগমায়। রাফায়েল লুকে ও সহকর্মীদের নিকট- ও মধ্য-অবলোহিত তথ্যের যৌথ পুনর্বিশ্লেষণ, অ্যাস্ট্রনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে, কোনো অণুর পক্ষেই যথেষ্ট প্রমাণ পায়নি এবং বলেছে ইথেনের মতো অন্য মিথাইল-বহনকারী অণুও সমানভাবে মেলে। লুকের দলের অনুমান, সমতল বর্ণালী আর DMS ও DMDS-এর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ৩ সিগমায় তফাত করতে আরও প্রায় ২৫টি MIRI অতিক্রমণ লাগবে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. NASA Science: Webb launch
  2. NASA Science: By the Dozen, Webb's mirrors
  3. NASA Science: Webb's scientific instruments
  4. NASA: Webb Delivers Deepest Infrared Image of Universe Yet (SMACS 0723)
  5. NASA: Webb Reveals Cosmic Cliffs, Glittering Landscape of Star Birth
  6. ESA/Webb: Stephan's Quintet photo release (weic2208)
  7. ESA/Webb: WASP-96 b science release (weic2206)
  8. NASA: Webb Captures Dying Star's Final Performance in Fine Detail (Southern Ring Nebula)
  9. NASA: James Webb Space Telescope Finds Most Distant Known Galaxy (JADES-GS-z14-0)
  10. Carniani et al., Spectroscopic confirmation of two luminous galaxies at z~14, Nature 633 (2024)
  11. NASA: Webb Pushes Boundaries of Observable Universe Closer to Big Bang (MoM-z14)
  12. Matthee et al., Little Red Dots: an abundant population of faint AGN at z~5
  13. Rusakov et al., Little red dots as young supermassive black holes in dense ionized cocoons, Nature 649 (2026)
  14. Inayoshi and Ho, A Critical Evaluation of the Physical Nature of the Little Red Dots (preprint)
  15. ESA/Webb: Webb finds strongest evidence yet for black hole stars (weic2610)
  16. NASA JPL: Webb Detects Carbon Dioxide in Exoplanet Atmosphere (WASP-39 b)
  17. Madhusudhan et al., New Constraints on DMS and DMDS in the Atmosphere of K2-18 b from JWST MIRI
  18. Luque et al., Insufficient evidence for DMS and DMDS in the atmosphere of K2-18 b, A&A 700 (2025)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#james webb space telescope#jwst#nasa#cosmic dawn#little red dots#exoplanets#astronomy

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযানে খরচ হয়েছিল ₹৩৮৬ কোটি, আর তাতে ছিল সেই NASA যন্ত্র যা চাঁদের পৃষ্ঠে জলের সন্ধান পায়
এগারোটি যন্ত্র, তার ছয়টি বিদেশ থেকে আসা, একটি ভারতীয় রকেটে চাঁদে গিয়েছিল। উৎক্ষেপণের এগারো মাস পরে তাদের মধ্যে থাকা একটি NASA স্পেকট্রোমিটার পৃষ্ঠে জল ও হাইড্রক্সিল শনাক্ত করে, এমন এক অনুসন্ধানে যাকে আবিষ্কারের নিবন্ধটি বলেছে ৪০ বছরের সন্ধান।
২০২৫ সালের ৩০ জুলাই উৎক্ষেপিত নাসা-ইসরো রাডার উপগ্রহ নিসার এখন ধসে যাওয়া মেক্সিকো সিটি, ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পের পর মাটির সরে যাওয়া আর অগ্ন্যুৎপাতরত কামচাটকার এক আগ্নেয়গিরির মানচিত্র তুলেছে
১২ মিটারের সোনালি প্রলেপ দেওয়া জালের ডিশ, দুটি রাডার তরঙ্গদৈর্ঘ্য আর একটি ভারতীয় উৎক্ষেপণ মঞ্চ। নিসার উপগ্রহ কী করে, কারা তার বিনামূল্যের তথ্য ব্যবহার করতে পারে, আর বরফ, শহর, চ্যুতি আর আগ্নেয়গিরি থেকে প্রথম ফলাফলগুলো কী।
আমরা এখন কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ শুনতে পাই, আর আমরা শত শত ধরেছি
যখন দুটি কৃষ্ণগহ্বর সংঘর্ষ করে, তারা স্থানকাল নিজেই কাঁপিয়ে দেয়। এক দশক আগে আমরা প্রথমবারের মতো সেই কম্পন অনুভব করেছিলাম। এখন তাদের ধরা প্রায় নিয়মিত হয়ে উঠেছে।
← সব লেখা