Skip to content
হাম্পিতে ৪,১৮৭ হেক্টর জুড়ে টিকে আছে ১,৬০০-র বেশি নিদর্শন, আর সেগুলো দেখতে যাওয়ার সময়, ফি আর পথের যে হিসাব সরকারি পাতাগুলো দেয়
ভ্রমণ

হাম্পিতে ৪,১৮৭ হেক্টর জুড়ে টিকে আছে ১,৬০০-র বেশি নিদর্শন, আর সেগুলো দেখতে যাওয়ার সময়, ফি আর পথের যে হিসাব সরকারি পাতাগুলো দেয়

ছবি: Vijayanarasimha / Pixabay

বাংলা

ইউনেস্কো হাম্পি সম্পত্তির আয়তন ধরেছে ৪,১৮৭.২৪ হেক্টর, টিকে থাকা নিদর্শন ১,৬০০-র বেশি। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বিট্ঠল মন্দিরের সময় দিয়েছে সকাল ৮.৩০ থেকে বিকেল ৫.৩০, আর কর্ণাটক পর্যটন দিয়েছে টিকিটের দাম ভারতীয়দের জন্য প্রায় ৪০ টাকা, বিদেশি দর্শকদের জন্য ৬০০ টাকা। সবচেয়ে কাছের স্টেশন হোসপেট, কোন সরকারি পাতা পড়ছেন তার ওপর নির্ভর করে দূরত্ব ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার।

· · 6 মিনিটের পাঠ

হাম্পির বিট্ঠল মন্দির, যেখানে পাথরের রথটি আছে, পর্যটন মন্ত্রকের ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া সাইটে খোলা থাকার সময় লেখা সকাল ৮.৩০ থেকে বিকেল ৫.৩০। কর্ণাটক পর্যটনের হিসাবে এর প্রবেশ টিকিট ভারতীয় দর্শকদের জন্য প্রায় ৪০ টাকা আর বিদেশি পর্যটকদের জন্য ৬০০ টাকা, ‘পরিবর্তনযোগ্য’। দুটো পাতাই আমরা পড়েছি ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর, নিচে উল্লেখ করা অন্য সরকারি ও ইউনেস্কোর পাতাগুলোর সঙ্গে, আর যেখানে কোনো সরকারি পাতা কোনো সংখ্যা দেয়নি, সেখানে আমরা সংখ্যাটা বাদ রেখেছি।

জায়গাটা কত বড়, আর কীভাবে ভাগ করে দেখবেন

ইউনেস্কোর হিসাবে তালিকাভুক্ত সম্পত্তির আয়তন তুঙ্গভদ্রা অববাহিকায় ৪,১৮৭.২৪ হেক্টর, তার চারপাশে ১৯,৪৫৩.৬২ হেক্টরের একটা বাফার জোন। টিকে থাকা নিদর্শনের সংখ্যা ১,৬০০-র বেশি, তার মধ্যে আছে দুর্গ, মন্দির, থামওয়ালা সভাকক্ষ, আস্তাবল আর জলের কাঠামো। ১৯৮৬ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া এই স্থানটি ১৯৯৯ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ইউনেস্কোর বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাতেও ছিল।

কর্ণাটক পর্যটনের বর্ণনায় ধ্বংসাবশেষ দুটো অঞ্চলে পড়ে: মন্দিরের একটা পবিত্র কেন্দ্র আর প্রাসাদ, রাজকীয় চত্বর, স্নানাগার ও প্রশাসনিক ভবনের একটা রাজকীয় কেন্দ্র। ঘুরে দেখতে তারা দুই থেকে তিন দিনের পরামর্শ দেয়। হাম্পি ছিল বিজয়নগর সাম্রাজ্যের রাজধানী, একই পাতা যার সূচনা ধরেছে ১৩৩৬ সালে, প্রথম হরিহর আর প্রথম বুক্কা রায়ের হাতে। কৃষ্ণদেব রায়ের আমলে শহরটা কীভাবে উঠেছিল আর ১৫৬৫ সালে তালিকোটার যুদ্ধের পর কীভাবে পড়ে গেল, তা আমাদের কৃষ্ণদেবরায় ও বিজয়নগরের স্বর্ণযুগ লেখায় বলা আছে, তাই এই গাইড শুধু ঘুরে দেখার কথাতেই থাকছে।

বিট্ঠল মন্দির আর তার পাথরের রথ

ইউনেস্কো বিট্ঠল চত্বরকে এই স্থানের সবচেয়ে অলংকৃত কাঠামো বলেছে। তারা তালিকায় রেখেছে গ্রানাইটের রথের আকারে গড়া একটি গরুড় মন্দির, একটা বিশাল বাজারের রাস্তা আর ধাপ-কাটা একটা বড় পুকুর। কর্ণাটক ইতিহাস অ্যাকাডেমি বর্ণনা করেছে ১৫১ মিটার লম্বা আর ৪৯ মিটার চওড়া একটা প্রাঙ্গণ, তিনটি প্রবেশদ্বার-গোপুর সহ। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া আর কর্ণাটক পর্যটন দুটোই লিখেছে, রথটি ৫০ টাকার নোটে ছাপা আছে।

কে কী বানিয়েছিলেন, তা সহজ নয়। অ্যাকাডেমি বলছে, দ্বিতীয় দেবরায়ের এক সেনাপতি প্রলুগন্তে তিপ্পা থামওয়ালা ভোগমণ্ডপ বানিয়েছিলেন, আর কৃষ্ণদেবরায় দিয়েছিলেন সোনা ও রুপোর পাত্র, তাঁর দুই রানি বানিয়েছিলেন প্রবেশদ্বারের গোপুর। অ্যাকাডেমি ১৫১৩ থেকে ১৫৬৪ সালের ২৩টি শিলালিপি গুনে দেখিয়েছে, এগুলোই প্রমাণ যে এখানে দেবতার পূজা হত। কোন মন্দির-কৃতিত্ব কৃষ্ণদেবরায়ের, তা আমাদের পায়েস ও নুনিজের চোখে কৃষ্ণদেবরায় লেখায় আলাদা করা হয়েছে।

ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে, চত্বরে ৫৬টি সুর-বাজানো থাম আছে। আউটলুক ট্র্যাভেলার ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর হালনাগাদ করা একটা লেখায় জানিয়েছিল, ২০০৮ সালের আগে দর্শকেরা থামগুলোয় টোকা দিয়ে সুর তুলতে পারতেন; তারপর থামগুলো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এই আশঙ্কায় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (এএসআই) ঢোকা সীমিত করে দেয়। একই প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারপর থেকে ২৫ সেকেন্ডের ক্লিপ বাজানো কিউআর কোড বসানো হয়েছে। সেদিন কতটা ঢোকার অনুমতি আছে, তা গেটে জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন।

সময় সকাল ৮.৩০ থেকে বিকেল ৫.৩০, ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার মতে, ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পড়া, আর তালিকায় কোন কোন দিন, তা লেখা নেই। তুঙ্গভদ্রায় কোরাকল (গোল বেতের নৌকা) পারাপারের তিনটি ঘাটের মধ্যে এই মন্দিরের পাশেরটাই সবচেয়ে জনপ্রিয়, ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে, এক নৌকায় ওঠে প্রায় আটজন। ওড়িশারও রথের আকারে গড়া নিজস্ব মন্দির আছে কোণারকে।

বিরূপাক্ষ, যে মন্দিরে আজও প্রতিদিন পূজা হয়

বিরূপাক্ষে শিবের পূজা হয়। মন্দিরটি হাম্পি বাজারে। কর্ণাটক পর্যটন বলছে, এটি সম্ভবত প্রথম তৈরি হয়েছিল সপ্তম শতকে, পরে বিজয়নগরের শাসকদের আমলে বড় করা হয়। এর পূর্বদিকের গোপুর প্রায় ৫০ মিটার উঁচু, নয় তলা, আর একই পাতা বলছে, ভেতরের একটা জায়গা গাইড দেখিয়ে দিতে পারেন যেখানে গোপুরের ছায়া দেয়ালে উল্টো হয়ে পড়ে।

ইউনেস্কো জানাচ্ছে, অবিরাম পূজার ফলে মন্দিরে সংযোজন আর বদল ঘটেছে। তারা আরও লিখেছে, বাজারের চারপাশে আধুনিক দোকান ও রেস্তোরাঁ আর সামনের পুরোনো পথের ওপর বিছানো পিচ মন্দিরের পরিবেশের ক্ষতি করেছে।

সময় সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা আর বিকেল ৪.৩০ থেকে রাত ৯টা, ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার মতে, ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পড়া। ওই পাতায় কোনো ফি লেখা নেই, কর্ণাটক পর্যটনের পাতাতেও নেই, তারা বলছে হাম্পির বেশিরভাগ মন্দিরে ঢোকা বিনামূল্যে। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বিরূপাক্ষ ও পম্পার বিয়ের উৎসবকে রেখেছে ডিসেম্বরে, আর রথযাত্রাকে ফেব্রুয়ারিতে।

রাজকীয় চত্বর আর লোটাস মহল

ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া ও কর্ণাটক পর্যটন দুই জায়গাতেই লোটাস মহলের সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৬টা, ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পড়া। কর্ণাটক পর্যটনের বর্ণনায় এটা তিন তলার, খোলা পাশের একটা ভবন, ২৪টি থাম, ভারতীয় ও ইসলামি নকশার মিশেল, চিত্রাঙ্গী মহল নামেও পরিচিত। তাদের পাতায় একে কৃষ্ণদেবরায়ের দুই স্ত্রীর একজনের ‘ভার্চুয়াল শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাসস্থান’ বলা হয়েছে, ছাদের চৌবাচ্চা আর কড়ির ভেতরের জলের নল দিয়ে ঠান্ডা রাখা। এটা পর্যটন পর্ষদের বিবরণ, আর এই পাতাগুলোতে এর পক্ষে কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র আমরা পাইনি।

এটা ঠিক কোথায়, সে বিষয়ে দুটো সরকারি পাতা একমত নয়। কর্ণাটক পর্যটন বলছে রাজকীয় চত্বরের ভেতরে। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে হেমকূট পাহাড়ের মাথায়, যেটাকে কর্ণাটক পর্যটন আলাদা করে তালিকাভুক্ত করেছে বিজয়নগরের প্রথম দিকের মন্দিরের একটি গুচ্ছ হিসেবে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তে যা জনপ্রিয়। টিকিট কাউন্টারে পথের নির্দেশ জিজ্ঞেস করে নেওয়া ভালো।

ইউনেস্কো বলছে, রানির স্নানাগার আর হাতিশাল ইন্দো-ইসলামি প্রভাব দেখায়। কর্ণাটক পর্যটন হাতিশালকে বর্ণনা করেছে খিলানওয়ালা করিডরে জোড়া এগারোটি বড় গম্বুজওয়ালা কক্ষ হিসেবে। আমরা যতগুলো সরকারি পাতা খুলেছি, কোনোটাই এ দুটোর কোনোটার ফি দেয়নি। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া কমলাপুরে এএসআইয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরকে তালিকায় রেখেছে, ১৯৭২ সালে স্থাপিত, খোলা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা, ফি বা বন্ধের দিন লেখা নেই।

সূর্য ওঠার আগে মাতঙ্গ পাহাড়

বিরূপাক্ষ মন্দিরের পূবে যা মাথা তুলেছে, বিজয়নগর জেলার সাইট তাকে বলেছে সেখান থেকে দেখা যায় এমন সবচেয়ে উঁচু পাহাড়শ্রেণি, ওঠার পথ তিন দিক থেকে। পাহাড়ের ওপর একটা বীরভদ্র মন্দির আছে, আর পাতাটি সেখানে ২৫টির বেশি শিলালিপি গুনেছে। পাতাটি বলছে, পাহাড়ের প্রথম উল্লেখ ১১৯৯ খ্রিস্টাব্দের একটি শিলালিপিতে। কর্ণাটক পর্যটন একে হাম্পির সর্বোচ্চ বিন্দু বলে, আর জানায় যে লোকে ধ্বংসাবশেষ আর তুঙ্গভদ্রার ওপর সূর্যোদয় দেখতে ভোরে ওঠে, পাথুরে পথ আর পুরোনো সিঁড়ি বেয়ে।

কোনো পাতাতেই খোলার সময় বা ফি লেখা নেই। দুটো ক্ষেত্রেই জেলার সাইট পাঠকদের তাদের যোগাযোগের পাতায় পাঠিয়ে দিয়েছে।

টিকিট, আর সরকারি নথি যা বাদ রেখেছে

কর্ণাটক পর্যটন যে একটি টিকিটের দাম নিশ্চিত করে, তা এই: বিট্ঠল মন্দিরে ভারতীয়দের জন্য প্রায় ৪০ টাকা আর বিদেশি পর্যটকদের জন্য ৬০০ টাকা, ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পড়া। এএসআইয়ের বুকিং পাতা তার দাম লোড করে একটা অ্যাপের ভেতরে, যা আমরা পড়তে পারিনি, তাই এই সংখ্যাগুলো এএসআইয়ের নয়, পর্যটন পর্ষদের কাছ থেকে। এএসআই পোর্টালে বুক করা যায় এমন স্থানগুলোর মধ্যে আছে ‘Group Of Monuments, Hampi’।

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ১৭০টির বেশি স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘরের এএসআই টিকিট ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্সের মাধ্যমে কেনা যাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রথম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে হাইওয়ে ডিলাইট, পেলোকালের হোয়াটসঅ্যাপ পরিষেবা আর মন্ডির অভী-র নাম আছে, আর বলা হয়েছে অনলাইনে যাঁরা কিনবেন তাঁরা ভারতীয়দের জন্য ৫ টাকা আর বিদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০ টাকার ছাড় পাবেন। একটা টিকিটে লোটাস মহল আর হাতিশাল দুটোই ঢোকা যায় কি না, তা বলার মতো কোনো সরকারি পাতা আমরা পাইনি, তাই কেনার আগে জিজ্ঞেস করে নিন।

কখন যাবেন

কর্ণাটক পর্যটনের মূল লেখায় সেরা মরসুম অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি, তাপমাত্রা ১৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যদিও তাদের পাশের ফলকে লেখা অক্টোবর থেকে মার্চ। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার মাসওয়ারি ছকে ডিসেম্বরে ১৭ থেকে ২৮ ডিগ্রি, আর এপ্রিল ও মে মাসে ২৪ থেকে ৩৯ ডিগ্রি।

কর্ণাটক পর্যটনের অনুষ্ঠান-পাতা অনুযায়ী, হাম্পি উৎসব হয়েছিল ২০২৬ সালের ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি, সঙ্গে ছিল স্মৃতিসৌধে আলোকসজ্জা, আলো ও শব্দের অনুষ্ঠান আর লোকশিল্পীদের শোভাযাত্রা। তাদের গন্তব্য-পাতায় একই পর্ষদ বলছে উৎসব সাধারণত নভেম্বর আর জানুয়ারির মধ্যে হয়, আর পরের উৎসবের কোনো সরকারি তারিখ আমরা পাইনি।

কীভাবে পৌঁছাবেন

ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার মতে সবচেয়ে কাছের রেল স্টেশন হোসপেট জংশন, কোড এইচপিটি। হাম্পি থেকে দূরত্ব বিজয়নগর জেলার সাইটে (পাতাটি শেষ হালনাগাদ ২০২২ সালের ২৮ জানুয়ারি) ১২ কিলোমিটার, কর্ণাটক পর্যটনের হাম্পি পাতায় প্রায় ১৩ কিলোমিটার, আর তাদের লোটাস মহলের পাতায় ১৫ কিলোমিটার। জেলার সাইট বলছে, হুবলি আর গুন্তাকল জংশন থেকে রোজ ট্রেন চলে হোসপেটে। ভারতীয় রেলের সময়সূচির পাতা আমাদের কাছে খোলেনি, তাই ট্রেনের নম্বর বা সময় দিচ্ছি না; বুকিংয়ের আগে দেখে নিন। কর্ণাটক পর্যটনের কথায়, হোসপেট থেকে ট্যাক্সি, বাস আর ভাড়ার বাইক চলে।

আকাশপথে জেলার সাইট তালিকায় রেখেছে হাম্পি থেকে ৩৮ কিলোমিটার দূরের জিন্দাল বিজয়নগর বিমানবন্দর, উড়ান আঞ্চলিক প্রকল্পের অধীনে বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদের রোজকার ফ্লাইট সহ, আর প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে হুবল্লি বিমানবন্দর। পাতাটি ২০২২ সালের, আর কোনো সরকারি পাতায় বর্তমান সময়সূচি আমরা পাইনি। বল্লারি থেকেও বাস চলে, প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরে। সবচেয়ে কাছের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেঙ্গালুরুর ক্ষেত্রে কর্ণাটক পর্যটন সড়কপথে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার বলেছে, গাড়ি বা বাসে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. UNESCO World Heritage Centre: Group of Monuments at Hampi
  2. Karnataka Tourism: Hampi
  3. Karnataka Tourism: Virupaksha Temple
  4. Karnataka Tourism: Lotus Mahal
  5. Karnataka Tourism: Hampi Utsav
  6. Incredible India (Ministry of Tourism): Hampi
  7. Incredible India (Ministry of Tourism): Vitthala Temple, Hampi
  8. Incredible India (Ministry of Tourism): Virupaksha Temple, Hampi
  9. Incredible India (Ministry of Tourism): Lotus Mahal, Hampi
  10. Incredible India (Ministry of Tourism): Archaeological Museum, Hampi
  11. Incredible India (Ministry of Tourism): 8 best things to do in Hampi
  12. Vijayanagara District, Government of Karnataka: Stone Chariot, Hampi (page last updated 28 January 2022)
  13. Vijayanagara District, Government of Karnataka: Matanga Parvata, Hampi
  14. Press Information Bureau, Ministry of Culture (6 January 2026): Online ticket booking for ASI monuments and museums now live on the ONDC network
  15. Archaeological Survey of India: online ticket booking portal
  16. Karnataka Itihasa Academy: the Vijaya Vitthala temple at Hampi
  17. Outlook Traveller: Now you can listen to Hampi's musical pillars with a simple QR code scan (updated 2 December 2024)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#hampi#vijayanagara#unesco world heritage#vittala temple#virupaksha temple#lotus mahal#matanga hill#karnataka travel

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভ্রমণ
কৃষ্ণদেবরায় ১৫২০ সালের মে মাসে রাইচুরে বিজাপুরের সুলতানকে হারিয়েছিলেন, আর যে পর্তুগিজ বিবরণকার সেই কাহিনি লিখেছিলেন তিনি তারিখ বসিয়েছিলেন দুই বছর পরের
উৎসবের জন্য যখন মহিষের মাথা কাটা হচ্ছিল, পায়েস তখন রাজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। নুনিজ রাইচুরের যুদ্ধের তারিখ দিয়েছিলেন ১৫২২। পায়েসের নিজের উৎসবের তারিখগুলো ধরে হিসাব কষে সুয়েল সেটাকে পিছিয়ে এনেছেন ১৫২০ সালের মে মাসে।
কবি যিনি একটি সাম্রাজ্য শাসন করেছিলেন: কৃষ্ণদেবরায় আর বিজয়নগরের স্বর্ণযুগ
এমন এক যোদ্ধা যিনি কোনো যুদ্ধে হারেননি, এমন এক রাজা যাঁর রাজধানীকে বিদেশি দর্শনার্থীরা রোমের সঙ্গে তুলনা করত, আর এমন এক বিজেতা যিনি তেলুগুতে একটি মহান কবিতা লিখেছিলেন। তারপর, তাঁর মৃত্যুর এক প্রজন্ম পরে, তাঁর ঝলমলে শহর শিয়ালের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
৮৮ কিলোমিটারের দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে ২ ফুট চওড়া লাইনে ছয়টি জিগজ্যাগ রিভার্স আর তিনটি লুপ পেরিয়ে ২,২৫৮ মিটারে ওঠে, আর ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো একে তালিকাভুক্ত করেছিল
দার্জিলিংয়ের টয় ট্রেনের দৈর্ঘ্য আর রিভার্সের সংখ্যা ইউনেস্কো আর আইআরসিটিসি আলাদা আলাদা দিয়েছে। কে কী বলছে, এখন লাইনে কী চলে, আর কী তাকে থামিয়েছে, তা এখানে।
← সব লেখা