Skip to content
নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়েছে ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর, ভারতীয় রপ্তানির ১০০ শতাংশে শুল্কমুক্ত প্রবেশ আর প্রায় ১১৮টি পরিষেবা খাতে প্রবেশাধিকার নিয়ে
আধুনিক ভারত

নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়েছে ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর, ভারতীয় রপ্তানির ১০০ শতাংশে শুল্কমুক্ত প্রবেশ আর প্রায় ১১৮টি পরিষেবা খাতে প্রবেশাধিকার নিয়ে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর, আলোচনা শুরুর ১৯ মাস পরে। ভারতের বিবৃতি বলছে, ভারতের প্রতিটি শুল্ক লাইন প্রথম দিন থেকেই শূন্য শুল্কে নিউজিল্যান্ডে ঢুকছে, আর নিউজিল্যান্ড ১৫ বছরে ভারতে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে অঙ্গীকার করেছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রক (এমএফএটি) এবং নিউজিল্যান্ড কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর কার্যকর হয়েছে। ভারত সরকারের প্রকাশনা সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) মতে, চুক্তিটি শুরুর দিন থেকেই ভারতের রপ্তানির ১০০ শতাংশের জন্য, প্রতিটি শুল্ক লাইনসহ, নিউজিল্যান্ডে শুল্কমুক্ত প্রবেশ দিচ্ছে।

অল ইন্ডিয়া রেডিও ২০ অক্টোবর জানিয়েছে, চুক্তি শুরুর দিন দশেরায় নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন। ওই ২০ অক্টোবরেই ডেকান হেরাল্ড জানিয়েছে, চুক্তির অধীনে প্রথম চালান হিসেবে ভারতে তৈরি জেসিবি যন্ত্রের একটি চালান নিউজিল্যান্ডের জন্য রওনা করানো হয়েছে।

সূচনা থেকে কার্যকর হতে উনিশ মাস

আলোচনা শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের মার্চে। এমএফএটির সময়রেখায় ২০২৫ সালের মে থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নয়াদিল্লি, কুইন্সটাউন এবং অকল্যান্ড ও রোটোরুয়ায় পাঁচটি আনুষ্ঠানিক দফার কথা আছে, আর বলা আছে ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর আলোচকেরা পাঠ চূড়ান্ত করেন। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে দুই বাণিজ্যমন্ত্রী ২০২৬ সালের ২৭ এপ্রিল তাতে সই করেন। পিআইবি বলছে, কোনো উন্নত দেশের সঙ্গে ভারত এর চেয়ে দ্রুত চুক্তি শেষ করেছে এমন নজির কম।

নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট বাস্তবায়নের আইন পাস করেছে ৯৩ ভোট বনাম ২৯ ভোটে, আরএনজেড ১৭ সেপ্টেম্বর জানিয়েছে। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্য ও বিনিয়োগমন্ত্রী পার্লামেন্টে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে অনুসমর্থনের নথি বিনিময় করেন, অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এএপি) সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে। সেদিনই অল ইন্ডিয়া রেডিও জানিয়েছে, ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ২০ অক্টোবরকে শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছেন।

২০ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন: “আমরা শুরু করার মাত্র ১৯ মাস পরে আজ এটি কার্যকর হয়েছে আর রপ্তানিকারকদের জন্য কাজ করছে।” (আরএনজেড)

ভারতীয় রপ্তানিকারকেরা কী পান

কার্যকর হওয়ার দিন থেকে নিউজিল্যান্ডে ভারতের প্রতিটি শুল্ক লাইন শূন্যে নামছে, পিআইবির বিবৃতি বলছে। তার আগে পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড চিনামাটির জিনিস, কার্পেট, মোটরগাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক নিত। বস্ত্র, পোশাক, চামড়া, জুতো, রত্ন ও গয়না, প্রকৌশল পণ্য এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার শ্রমঘন সেই খাত, যেগুলোকে বিবৃতি সবচেয়ে লাভবান বলে নাম করেছে। ভারত কারখানার জন্য কাঠের গুঁড়ি, কোকিং কয়লা ও ধাতব বর্জ্যও শুল্কমুক্ত আমদানি করতে পায়।

ভারত-নিউজিল্যান্ড পণ্য বাণিজ্য ২০২৪-২৫ সালে ছিল ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, আগের বছরের চেয়ে ৪৯ শতাংশ বেশি, পিআইবি বলছে। তার মধ্যে ৭১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল ভারতের রপ্তানি, ডেকান হেরাল্ড জানিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের দিক থেকে এমএফএটি ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়া বছরে পণ্য ও পরিষেবায় দ্বিমুখী বাণিজ্য ধরেছে ৩.৯ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার। দুই সরকারই ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিমুখী বাণিজ্য মোটামুটি দ্বিগুণ করতে চায়, যা অল ইন্ডিয়া রেডিও দিয়েছে প্রায় ₹৩৫,০০০ কোটি।

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ভারতের চুক্তি শুরু হয়েছিল ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই, তা আছে ভারত-যুক্তরাজ্য চুক্তি নিয়ে আমাদের লেখায়। ২০২১ সাল থেকে সই হওয়া অন্য চুক্তির তালিকা আছে ভারতের বাণিজ্য করিডর ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আমাদের লেখায়।

ভারতে নিউজিল্যান্ড কী পায়

ভারতের তালিকা ধাপে ধাপে। পিআইবির বিবরণে, ভারত তার শুল্ক লাইনের ৭০.০৩ শতাংশ উদার করেছে, যা মূল্যের হিসাবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৯৫ শতাংশ জুড়ে, আর ২৯.৯৭ শতাংশ লাইন বাইরে রেখেছে। বাইরে রয়েছে মূলত দুগ্ধ, ভেড়ার মাংস ছাড়া পশুজাত পণ্য, পেঁয়াজ, ছোলা, মটর, ভুট্টা, কাঠবাদাম, চিনি, তেল-চর্বি, অস্ত্র, রত্ন ও গয়না, তামা ও অ্যালুমিনিয়াম। ৩০ শতাংশ লাইনের শুল্ক তৎক্ষণাৎ শূন্য হচ্ছে, তার মধ্যে আছে কাঠ, পশম, ভেড়ার মাংস ও কাঁচা চামড়া, আর আরও ৩৫.৬ শতাংশ ৩, ৫, ৭ বা ১০ বছরে ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে।

ফল ও মধু আসবে ন্যূনতম আমদানি মূল্যসহ কোটার আওতায়, যা আমদানি করা পণ্যের ঘোষিত দামের নিচের একটি সীমা, ভারতীয় চাষিদের রক্ষা করে। পিআইবি শর্তগুলো দিয়েছে:

  • আপেল: শুল্ক এখন ৫০ শতাংশ। প্রথম বছরে ৩২,৫০০ টনের কোটার মধ্যে, যা ষষ্ঠ বছরে বেড়ে ৪৫,০০০ টন, শুল্ক ২৫ শতাংশ, প্রতি কিলোগ্রামে ন্যূনতম দাম ১.২৫ মার্কিন ডলার আর সময়সীমা ১ এপ্রিল থেকে ৩১ আগস্ট।
  • কিউই: শুল্ক এখন ৩৩ শতাংশ। প্রথম বছরে ৬,২৫০ টনের কোটা, ষষ্ঠ বছরে বেড়ে ১৫,০০০ টন, শূন্য শুল্কে ঢোকে, প্রতি কিলোগ্রামে ন্যূনতম দাম ১.৮০ মার্কিন ডলার।
  • মানুকা মধু: ৬৬ শতাংশ শুল্ক পঞ্চম বছর থেকে ১৬.৫ শতাংশে নামবে, বছরে ২০০ টনের কোটার মধ্যে।

এমএফএটির সারসংক্ষেপ বলছে, ওয়াইনে ১৫০ শতাংশ শুল্ক ছিল, তা দশ বছরে ২৫ বা ৫০ শতাংশে নামবে। নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, ভারতে নিউজিল্যান্ডের রপ্তানির ৫৭ শতাংশ এখন শুল্কমুক্ত, ক্রমে তা ৮২ শতাংশে উঠবে, আর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শুল্ক ছাঁটের দ্বিতীয় দফা (আরএনজেড)। দুগ্ধ নিয়ে এমএফএটি বলছে, ভারত রাজি হয়েছে, কোনো তুলনীয় অর্থনীতিকে দুগ্ধে প্রবেশাধিকার দিলে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পরামর্শ করবে, আর দুই পক্ষই চুক্তি শুরুর এক বছর পরে তা পর্যালোচনায় রাজি হয়েছে।

পরিষেবা, ভিসা ও বিনিয়োগ

পিআইবি বলছে, নিউজিল্যান্ড ভারতীয় সংস্থার জন্য প্রায় ১১৮টি পরিষেবা খাত খুলে দিয়েছে, তার মধ্যে কম্পিউটার পরিষেবা, পেশাদার পরিষেবা, শিক্ষা, আর্থিক পরিষেবা ও পর্যটন, এবং প্রায় ১৩৯টি উপখাতে সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের অঙ্গীকার করেছে। সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের অঙ্গীকারের অধীনে নিউজিল্যান্ড পরে অন্য অংশীদারকে যে ভালো শর্ত দেয়, তা ভারতও পায়।

একটি নতুন টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট এন্ট্রি ভিসা পথে ভারতীয় পেশাদারেরা নিউজিল্যান্ডে তিন বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারেন। পিআইবি বলছে, কোটা যে-কোনো সময়ে ৫,০০০ ভিসা, যা আইটি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও নির্মাণের পাশাপাশি আয়ুষ চিকিৎসক, যোগ প্রশিক্ষক, রাঁধুনি ও সংগীতশিক্ষকদের জন্যও। এমএফএটির সারসংক্ষেপ যোগ করেছে, সীমাটি নিউজিল্যান্ড গড় বছরে যত দক্ষ ভিসা দেয় তার ৬ শতাংশের কম। বছরে ১,০০০ জন পর্যন্ত তরুণ ভারতীয় ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা নিতে পারেন, আর পিআইবি বলছে ভারতীয় শিক্ষার্থীর ওপর সংখ্যাগত কোনো সীমা নেই। দুই সরকারের সারসংক্ষেপই ডক্টরেটধারীদের জন্য পড়াশোনার পর চার বছর পর্যন্ত কাজের অধিকার দিয়েছে।

বিনিয়োগ নিয়ে এমএফএটি বলছে, নিউজিল্যান্ড ভারতে ১৫ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যোগ করার লক্ষ্যে বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহ দেবে, আর ভারত একটি নিউজিল্যান্ড বিনিয়োগ ডেস্ক গড়বে। পিআইবি যোগ করেছে, পাঠের একটি পুনর্ভারসাম্য ধারা প্রতিশ্রুতি পূরণে কোনো ঘাটতি হলে তা সামলানোর কাঠামো দেয়। ভারতের ওষুধ শিল্পের ক্ষেত্রে পিআইবি বলছে, নিউজিল্যান্ড মার্কিন এফডিএ, ইউরোপীয় মেডিসিনস এজেন্সি ও যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রকসহ তুলনীয় নিয়ন্ত্রকদের পরিদর্শন প্রতিবেদন গ্রহণ করবে, যা বারবার পরিদর্শন কমায়।

ভৌগোলিক নির্দেশক, অর্থাৎ আঞ্চলিক পণ্যের সুরক্ষিত নাম, নিয়ে পিআইবি বলছে, নিউজিল্যান্ড কার্যকর হওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে আইন সংশোধনে অঙ্গীকার করেছে, যাতে ভারতীয় ওয়াইন, মদ ও অন্যান্য পণ্য নিবন্ধিত হতে পারে। এমএফএটির সারসংক্ষেপ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেওয়া সুরক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি পর্যালোচনার বর্ণনা দিয়েছে। দুই সারসংক্ষেপে ধাপটির বর্ণনা আলাদা। ইউরোপের সঙ্গে ভারতের চুক্তি আছে ভারত-ইইউ চুক্তি নিয়ে আমাদের লেখায়।

হিমাচল প্রদেশের আপেল বাগান

কোটায় প্রবেশাধিকারের সঙ্গে জুড়ে আছে খামারের উৎপাদনশীলতা নিয়ে সহযোগিতা। পিআইবি বলছে, আপেল, কিউই ও মানুকা মধুর প্রতিটি কোটা একটি কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে বাঁধা, যার তদারকি করে যৌথ কৃষি উৎপাদনশীলতা পরিষদ।

আরএনজেড ১৫ অক্টোবর জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের একটি প্রতিনিধিদল সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে হিমাচল প্রদেশে গিয়েছিল, পশ্চিম হিমালয়ের আপেল-উৎপাদক রাজ্য। নিউজিল্যান্ড সেখানে একটি সেন্টার অব এক্সেলেন্স গড়ছে, তাতে থাকবে নানা জাতের আপেলের বাগান, একটি গবেষণা কেন্দ্র আর নিউজিল্যান্ডের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ। নিউজিল্যান্ড অ্যাপলস অ্যান্ড পিয়ার্সের প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ভারত আমদানি করা আপেলের ওপর নির্ভর করে, আর তিনি আশা করেন না নিউজিল্যান্ডের ফল ভারতীয় আপেলের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করবে, কারণ তা আলাদা বাজার-স্তরে এবং উল্টো ঋতুতে বিক্রি হয়। আরএনজেড বলেছে, কিউইয়ের জন্যও নতুন কেন্দ্র পরিকল্পিত।

কাগজপত্র আর পরের তারিখ

নিউজিল্যান্ডের রপ্তানিকারকদের একটি অনুমোদিত সংস্থা থেকে উৎপত্তির প্রমাণপত্র নিতে হবে, আর স্ব-ঘোষণা এখনও চালু নয়, নিউজিল্যান্ড কাস্টমস বলছে। দুই দেশই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে, আর এক্সপ্রেস ও পচনশীল চালানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, পণ্য শুল্ক দপ্তর থেকে ছাড়ার অঙ্গীকার করেছে।

পরের নির্ধারিত বদল ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শুল্ক ছাঁটের দ্বিতীয় দফা, তারপর কার্যকর হওয়ার এক বছর পরে যৌথ পর্যালোচনা। নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী, যিনি নয়াদিল্লির অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন, বলেছেন: “চুক্তির সাফল্য শেষ পর্যন্ত মাপা হবে সে যে সুযোগ তৈরি করে আর ব্যবসাগুলো সেগুলো কতটা কাজে লাগায়, তা দিয়ে।” (ডেকান হেরাল্ড)

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau, Ministry of Commerce and Industry: India and New Zealand sign the Free Trade Agreement (27 April 2026)
  2. New Zealand Customs Service: New Zealand-India Free Trade Agreement (page updated 19 October 2026)
  3. New Zealand Ministry of Foreign Affairs and Trade: New Zealand-India Free Trade Agreement
  4. New Zealand Ministry of Foreign Affairs and Trade: Timeline of negotiations and next steps
  5. New Zealand Ministry of Foreign Affairs and Trade: New Zealand-India Free Trade Agreement summary of outcomes
  6. New Zealand Ministry of Foreign Affairs and Trade: Key facts on New Zealand-India trade
  7. All India Radio: India-New Zealand Free Trade Agreement to come into force from Oct 20 (21 September 2026)
  8. All India Radio: India-New Zealand FTA targets doubling bilateral trade (20 October 2026)
  9. RNZ: NZ-India free trade agreement officially begins (20 October 2026)
  10. RNZ: India free trade agreement edges closer after Parliament passes legislation (17 September 2026)
  11. RNZ: NZ apple sector helps Indian growers to expand orchards under FTA commitment (15 October 2026)
  12. The Canberra Times (AAP): NZ, India trade deal to come into force on October 20 (21 September 2026)
  13. Deccan Herald: India-New Zealand FTA, tariffs slashed on kiwi, apple, wine and goods (20 October 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#india-new zealand trade agreement#free trade agreement#india exports#new zealand#tariffs#skilled worker visas#apples and kiwifruit#investment

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়েছে ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই, ভারতীয় রপ্তানির প্রায় ৯৯ শতাংশের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিয়ে, আর প্রথম দিনেই ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পণ্য পাঠানো হয়েছে
২০২৫ সালের জুলাইয়ে লন্ডনে সই হওয়া একটি চুক্তি এক বছর পরে চালু হল। শুল্ক-হ্রাস, কোটা, অস্থায়ী কর্মীদের জন্য পেনশন-নিয়ম আর দুই সরকার এ পর্যন্ত যে তথ্য প্রকাশ করেছে, প্রতিটি অঙ্ক তারিখসহ।
ভারত ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে পাঁচটি বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর করেছে, ২০২৫-২৬ সালে রেকর্ড ৮৬৩.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি করেছে আর ইউরোপ ও রাশিয়ার দিকের দুটি করিডরের অংশীদার
প্রতিটি চুক্তির তারিখ, উৎপত্তির সনদ আর শুরুর রপ্তানির অঙ্ক, তারপর ২০২৩ সালের আইএমইসি সমঝোতা স্মারকে কী আছে আর মুম্বই থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ করিডর কীভাবে চলার কথা।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের পণ্য রপ্তানি ২৩ শতাংশ বেড়ে ৪৪.৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, ২০২৬-২৭ সালের প্রথম ছয় মাসে মোট দাঁড়িয়েছে ২৫৯.৮৯ বিলিয়ন ডলার
মাসটিতে ইলেকট্রনিক্স রপ্তানি বেড়েছে ৭০ শতাংশ আর ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ২১ শতাংশ। সেপ্টেম্বরের জন্য মন্ত্রকের সারণিগুলো, তিন মাসের প্রতিটিতে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার, আর ৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক রপ্তানি নিয়ে কী লিখেছে, তার একটি পর্যালোচনা।
← সব লেখা