Skip to content
সপ্তম অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স বিশ্ব সম্মেলন ২০২৬ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর নতুন দিল্লিতে হয়েছে, বের করেছে একটি কৃষি-পিভি নীতি-হ্যান্ডবুক, আর ২০২৭ সালের আয়োজনের ভার তুলে দিয়েছে ফ্রান্সের হাতে
পরিবেশ

সপ্তম অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স বিশ্ব সম্মেলন ২০২৬ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর নতুন দিল্লিতে হয়েছে, বের করেছে একটি কৃষি-পিভি নীতি-হ্যান্ডবুক, আর ২০২৭ সালের আয়োজনের ভার তুলে দিয়েছে ফ্রান্সের হাতে

ছবি: Ministry of Culture / Wikimedia Commons, GODL-India (ছাঁটা)

বাংলা

নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রক জার্মানির পরিবেশ মন্ত্রকের সহায়তায় ২০২৬ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর ভারত মণ্ডপমে সপ্তম অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স বিশ্ব সম্মেলনের আয়োজন করেছে। প্রতিবেদনে উপস্থিতি ১,২০০-র বেশি প্রতিনিধি, আর নিউজ অন এআইআর বলেছে ১,৫০০-র বেশি। উদ্বোধনে প্রকাশ পেয়েছে একটি নীতি-হ্যান্ডবুক, একটি সিদ্ধান্ত-গ্রহণ সরঞ্জাম আর একটি সারসংক্ষেপ-বই।

· · 5 মিনিটের পাঠ

সপ্তম অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স বিশ্ব সম্মেলন ২০২৬ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে হয়েছে, আয়োজক নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রক (এমএনআরই), সহায়তায় জার্মানির ফেডারেল পরিবেশ মন্ত্রক। অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স মানে একই জমিতে ফসল ফলানো আর সৌর বিদ্যুৎ তৈরি। সম্মেলনের বিষয় ছিল “গ্লোবাল সাউথকে শক্তি জোগানো”, আর কয়েকটি প্রতিবেদন একে গ্লোবাল সাউথে হওয়া প্রথম আয়োজন বলেছে। ২১ অক্টোবরের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনটি সম্পদ প্রকাশ করা হয়, আর ২৩ অক্টোবরের সমাপনী অধিবেশনে ২০২৭ সালের আয়োজনের ভার দেওয়া হয় ফ্রান্সকে।

ওড়িশা সরকার ২২ অক্টোবর একই সম্মেলনকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স নীতি ঘোষণা করেছে, যা নিয়ে আলাদা একটি লেখা আছে। এই লেখা সম্মেলনটি নিয়ে।

ধারাবাহিকতায় দিল্লির জায়গা

আয়োজক সংস্থা কনেক্সিও-পিএসই তাদের সাইটে আগের আয়োজনগুলোর তালিকা দিয়েছে। প্রথমটি, ২০২০ সালের অক্টোবরে, ছিল অনলাইন অনুষ্ঠান, আয়োজক ফ্রান্সের গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএনআরএই, আর দ্বিতীয়টি, ২০২১ সালে, সেটিও অনলাইন, আয়োজক ফ্রাউনহোফার আইএসই। তারপর সম্মেলন ঘুরেছে বিভিন্ন স্থানে: ইতালির পিয়াচেন্সা (২০২২), দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু (২০২৩), যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার (২০২৪) আর জার্মানির ফ্রাইবুর্গ (২০২৫)। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী ষষ্ঠ আয়োজন, ফ্রাইবুর্গে, ৪০টির বেশি দেশ থেকে ৫০০-র বেশি মানুষকে টেনেছিল।

সম্মেলন থেকে এএনআই-র প্রতিবেদন বলছে, কোনো উন্নয়নশীল দেশে অনুষ্ঠানটি এই প্রথম হল। সম্মেলনটি ছিল হাইব্রিড, সশরীরে ও অনলাইনে অংশগ্রহণসহ। জার্মানির ইন্টারন্যাশনাল ক্লাইমেট ইনিশিয়েটিভের (আইকেআই) একটি পূর্ব-বিজ্ঞপ্তিতে, যার পক্ষে অ্যাগ্রিভোল্টাইক্সে ভারত-জার্মান সহযোগিতা প্রকল্প অনুষ্ঠানটিকে সহায়তা করেছিল, বর্ণনা ছিল দুটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত ধারা, পিচ হাব সহ একটি ভারত-কেন্দ্রিক ধারা, রাজ্য-অধিবেশন ও কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়, দিল্লির আশেপাশের অ্যাগ্রিভোল্টাইক স্থানগুলোতে একটি প্রযুক্তিগত সফর, এবং ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর চার দিনের একটি শীতকালীন স্কুল।

দুটি মাথা-গোনা

চারটি প্রতিবেদন (জিকেটুডে, আইবিইএফ, দ্য পলিসি এজ ও আড্ডা২৪৭) ১,২০০-র বেশি প্রতিনিধির কথা বলেছে, তার মধ্যে ১৫০-র বেশি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারী। সরকারি সম্প্রচারকের সংবাদ-সাইট নিউজ অন এআইআর বলেছে ৪০টির বেশি দেশ থেকে ১,৫০০-র বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে প্রায় ৪০০ কৃষক; তাদের লেখায় আছে “more than one thousand 500”, যা এই লেখা ১,৫০০ ধরেছে। কোনো প্রতিবেদনই ব্যবধানটির ব্যাখ্যা দেয়নি, তাই দুটি সংখ্যাই এখানে নিজ নিজ সূত্রসহ দেওয়া হল।

উদ্বোধনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেছেন, এটি এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে ঐতিহাসিক আয়োজন, আর রেকর্ড উপস্থিতির জন্য বাড়তি হল লেগেছে, পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী।

প্রথম দিনে প্রকাশিত তিনটি সম্পদ

উপরের প্রতিবেদনগুলো অনুযায়ী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনটি সম্পদ প্রকাশ করা হয়। সেগুলো এমএনআরই-র একটি কৃষি-পিভি নীতি-হ্যান্ডবুক, ইন্ডিয়া অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স অ্যালায়েন্সের একটি সিদ্ধান্ত-গ্রহণ সরঞ্জাম, আর আন্তর্জাতিক জল ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের (আইডব্লিউএমআই) একটি সারসংক্ষেপ-বই। আইসিএআর-এর বিবরণ যোগ করেছে যে হ্যান্ডবুকটি, হিন্দিতে যার শিরোনাম ভারতে অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স বিষয়ক নীতি-হ্যান্ডবুক, এমএনআরই ও ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর) যৌথভাবে তৈরি করেছে। পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি বলছে, উপকরণগুলো কৃষক ও অন্য অংশীজনদের মাঠে সুচিন্তিত, নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্যের জন্য।

দুই মন্ত্রী কী সামনে রেখেছেন

কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, মূল বক্তা, বলেছেন ভারতে গড় জোত ০.৯৬ হেক্টর আর ৮৫ শতাংশের বেশি কৃষক ক্ষুদ্র বা প্রান্তিক। তাঁর কথা ছিল, এমন কৃষক বিদ্যুৎকেন্দ্র বসাতে চাষ বন্ধ করতে পারেন না, তাই নকশায় তাঁদের বছর বছর ফসল বদলানোর স্বাধীনতা রাখতে হবে। তিনি কৃষক উৎপাদক সংগঠনগুলোকে (এফপিও) যুক্ত করতে এবং গ্রামের তরুণ ও নারীদের যন্ত্রপাতি চালানো ও মেরামতের প্রশিক্ষণ দিতে বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, কোনো সংস্থা প্রকল্প ছেড়ে গেলে বা চুক্তি শেষে প্যানেল সরাতে হলে কৃষকদের ওপর কোনো বোঝা পড়া উচিত নয়। আইসিএআর-এর বিবরণ যোগ করেছে যে তিনি গবেষণায় এমএনআরই-র সঙ্গে আইসিএআর-এর সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ভারতের ১৫টি কৃষি-জলবায়ু অঞ্চলের জন্য প্রমাণভিত্তিক ফসল-ছক চেয়েছেন।

জোশী খরচের সংখ্যা দিয়েছেন। পিটিআই তাঁকে উদ্ধৃত করেছে, উঁচু অ্যাগ্রিভোল্টাইক প্যানেলের বিদ্যুৎ ইউনিট প্রতি প্রায় ৩.২০ টাকায় তৈরি করা যায়, মাটিতে বসানো সৌরের ২.৬০ টাকার বিপরীতে, আর মডেলটি টেকসই হতে এই ব্যবধান কমাতে হবে। তিনি আরও বলেছেন, বিশ্ব অ্যাগ্রিভোল্টাইক বাজারে স্থাপিত সক্ষমতা ১৮.৪ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সম্মেলনের আগে, ৯ সেপ্টেম্বর, এক পূর্ব-অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, পুনের বাইফ-এর রুরাল ইনোভেশন সেন্টারের গবেষকেরা ৩০টি ফসলে ১৭টি সৌর বিন্যাস পরীক্ষা করছেন। উদ্বোধনে তিনি কিছু সমীক্ষার কথা বলেছেন, যেগুলো অনুযায়ী খাতটি প্রায় ৩.৩২ লক্ষ পূর্ণসময়ের স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে; পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি সেগুলোর নাম বলেনি।

বিজ্ঞান আর কৃষকদের অধিবেশন

আইসিএআর-এর মহাপরিচালক মাঙ্গি লাল জাট যোধপুর ও নতুন দিল্লিতে আইসিএআর-এর অ্যাগ্রিভোল্টাইক গবেষণার কথা তুলেছেন। তিনি প্রযুক্তিটিকে ভারতের প্রায় ১৪ লক্ষ খামার-পুকুর আর চওড়া জমির আল (উঁচু সীমানা) কাজে লাগাতে বলেছেন, বিশেষ করে দক্ষিণে, এবং বলেছেন একে কৃষি-বনায়ন ও পশুপালনের সঙ্গে মেলানো যায়। আইসিএআর-এর শস্য বিজ্ঞান বিভাগের উপ-মহাপরিচালক ডি. কে. যাদব স্থানীয় আবহাওয়া ও প্রতিটি ফসলের ছায়া সহ্য করার ক্ষমতা হিসাবে নেওয়া ফসল-ছক নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছেন।

আইএএনএস ও সোলারকোয়ার্টারের মতে সমাপ্তির মধ্যে আইসিএআর ও আইডব্লিউএমআই-র যৌথ আহ্বানে একটি অধিবেশনে কৃষি-জলবায়ুগত অঞ্চলবিভাগ, ছায়া-সহনশীল ফসল, জল-ব্যবহার দক্ষতার সূচক আর সৌর সারির আণুবীক্ষণিক জলবায়ু প্রভাব আলোচিত হয়েছিল। জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড-এর নেতৃত্বে একটি অধিবেশনে কৃষক, এফপিও ফেডারেশন ও গ্রামীণ উদ্যোক্তারা স্থাপনা চালানো ও রক্ষণাবেক্ষণের অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন। পিটিআই জানিয়েছে, জার্মান রাষ্ট্রদূত জ্যাসপার ভিয়েক পাইলট স্থানগুলোতে যৌথ গবেষণায় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

পুরস্কার, হস্তান্তর আর মঁপেলিয়ে

২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মহাপরিচালক আশিস খান্না কার্যবিবরণীর সারসংক্ষেপ করেছেন, আর সমাপনীতে বলেছেন এমএনআরই-র অতিরিক্ত সচিব ময়াঙ্ক তিওয়ারি। এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে, সঙ্গে স্টার্টআপদের জন্য একটি জাতীয় অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স পিচ-হাব পুরস্কার এবং ছয়টি বৈজ্ঞানিক বিষয়ে সেরা গবেষণাপত্র পুরস্কার। এই লেখার জন্য খোলা প্রতিবেদনগুলো বিজয়ীদের নাম বলেনি। পিচ হাব ঘোষিত হয়েছিল ৯ সেপ্টেম্বরের পূর্ব-অনুষ্ঠানে, বিষয় “খামার থেকে থালা পর্যন্ত উদ্ভাবনে জ্বালানি জোগানো”, জ্ঞান-অংশীদার ন্যাশনাল সোলার এনার্জি ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া।

এরপর আয়োজনের দায়িত্ব গেল ফ্রান্সে। আয়োজকদের সাইট ২০২৭ সালের স্থান বলেছে ইনস্টিটিউট অ্যাগ্রো মঁপেলিয়ে, এবং বলেছে প্রতিষ্ঠানটির কাছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘদিন চালু অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স পরীক্ষা-সুবিধা আছে, যা আয়োজকদের নিজেদের দাবি।

পরের ধাপ নিয়ে যা বলা হয়েছে

সারাঙ্গি এএনআই-কে বলেছেন, ভারতের দরকারি নীতি-কাঠামো, নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা ও মানদণ্ড নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। তাঁর লক্ষ্য, তাঁর নিজের কথায়: “ধারণাটা হল কিছু সফল পাইলটকে বড় মাপে নিয়ে যাওয়া এবং দেখা যে সেগুলো সফল হচ্ছে।” দ্য পলিসি এজ ও মনোরমা ইয়ারবুক দুটিই ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত ভারতের হিসাব দিয়েছে ৩৬টি চালু অ্যাগ্রিভোল্টাইক প্রকল্প, মোট ৩৭.৫৪ মেগাওয়াট, আর ১০টি পাইলট তৈরির পথে; কোনোটিই সরকারের মূল বিজ্ঞপ্তির নাম বলেনি। জোশী বলেছেন সরকার শিগগিরই পিএম-কুসুমের, অর্থাৎ কৃষি-সৌর প্রকল্পের, পরবর্তী পর্যায়ে একটি বড় অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স কর্মসূচি চালু করবে; তিনি ও সচিব যে লক্ষ্যগুলো দিয়েছেন তা আছে ওড়িশার লেখায়। সৌর সক্ষমতা গড়ে ওঠার বৃহত্তর প্রেক্ষাপট আছে সংখ্যায় ভারতের সৌর সক্ষমতা লেখায়।

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই লেখার জন্য খোলা কোনো প্রতিবেদন বলেনি যে ওই কর্মসূচি চালু হয়েছে। অষ্টম সম্মেলন ২০২৭ সালে ইনস্টিটিউট অ্যাগ্রো মঁপেলিয়েতে হওয়ার কথা।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PIB, Ministry of Agriculture and Farmers Welfare: Union Minister Shivraj Singh Chouhan inaugurates the 7th AgriVoltaics World Conference at Bharat Mandapam (21 October 2026)
  2. PIB, Ministry of New and Renewable Energy: The farmer who has always fed the nation is now also lighting it up (curtain-raiser, 9 September 2026)
  3. ICAR: 7th Agrivoltaics World Conference inaugurated at Bharat Mandapam, New Delhi (21 October 2026, Hindi)
  4. News On AIR: 7th Agrivoltaics World Conference begins at Bharat Mandapam in New Delhi (21 October 2026)
  5. AgriVoltaics World Conference (organiser, Conexio-PSE): home page, 2026 theme and 2027 venue
  6. AgriVoltaics World Conference (organiser, Conexio-PSE): past events, 2020 to 2025
  7. International Climate Initiative (IKI): AgriVoltaics World Conference 2026, event notice
  8. GKToday: India hosts Agrivoltaics World Conference 2026
  9. IBEF: India hosts Agrivoltaics World Conference 2026
  10. The Policy Edge: India hosts global conference on farming alongside solar power, releases policy handbook (22 October 2026)
  11. SolarQuarter: Agrivoltaics World Conference 2026 highlights India's push to combine food production, solar power and higher farmer incomes (24 October 2026)
  12. The Hans India (IANS): Farmers, Global South take centre stage at global Agrivoltaics meet in Delhi (23 October 2026)
  13. Deccan Chronicle (PTI): New policy in works to boost agrivoltaics in India (21 October 2026)
  14. Asianet Newsable (ANI): India creating policy framework to scale up agrivoltaics, MNRE Secretary (21 October 2026)
  15. Manorama Yearbook: What is agrivoltaics? What is its scope in India? (24 October 2026)
  16. Adda247 Current Affairs: India hosts 7th Agrivoltaics World Conference 2026 in New Delhi

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#agrivoltaics#agrivoltaics world conference#mnre#bharat mandapam#icar#pm-kusum#solar energy#farmers

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
ওড়িশা ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর কৃষি-পিভি নীতি ঘোষণা করেছে: চাষের জমির ওপরে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুতের লক্ষ্য, প্রতিটি প্রকল্প-এলাকার ৯০ শতাংশ থাকবে ফসলের দখলে
নিচে ফসল, ওপরে সৌর প্যানেল: ওড়িশা যে শর্তগুলো ঘোষণা করেছে, ধারণাটির পেছনে যোধপুর ও অ্যারিজোনার পরীক্ষা, আর কেন্দ্র যে জাতীয় কর্মসূচির কথা বলছে তার কথা।
কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২০১৫ সালে নিজের বিদ্যুৎ-ব্যবহার মেটাতে ১২ মেগাওয়াটের সৌর প্ল্যান্ট চালু করে, আর ২০১৮ সালে জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ পুরস্কার জেতে
২০১৩ সালে ১০০ কিলোওয়াটের ছাদের পরীক্ষা, ২০১৫ সালে বশের বানানো প্ল্যান্ট, খাল আর কারপোর্টের প্যানেল, পায়্যান্নুরে ভূমির ঢাল মেনে বসানো প্ল্যান্ট আর নিউ ইয়র্কে একটি জাতিসংঘ পুরস্কার: বিমানবন্দর কোম্পানির নিজের হিসাব আর তার পেছনের নথির বিবরণ।
ভারত ছয় মাসে ২৪.৫৬ GW পুনর্নবীকরণযোগ্য ক্ষমতা যোগ করেছে, ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মোট ক্ষমতা ২৯৯.২৫ GW, তার মধ্যে সৌর ১৭১ GW
সৌর, বায়ু ও জলবিদ্যুতের গণনা, শীর্ষস্থানীয় রাজ্য, ছয় মাসে যোগ হওয়া ক্ষমতাকে মন্ত্রকের মার্চের সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা, আর ২৯৯ GW পুনর্নবীকরণযোগ্য গণনা ও ৩০০ GW অ-জীবাশ্ম মাইলফলকের তফাত।
← সব লেখা