Skip to content
ওড়িশা ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর কৃষি-পিভি নীতি ঘোষণা করেছে: চাষের জমির ওপরে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুতের লক্ষ্য, প্রতিটি প্রকল্প-এলাকার ৯০ শতাংশ থাকবে ফসলের দখলে
পরিবেশ

ওড়িশা ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর কৃষি-পিভি নীতি ঘোষণা করেছে: চাষের জমির ওপরে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুতের লক্ষ্য, প্রতিটি প্রকল্প-এলাকার ৯০ শতাংশ থাকবে ফসলের দখলে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর নয়াদিল্লির সপ্তম অ্যাগ্রিভোলটাইক্স ওয়ার্ল্ড কনফারেন্সে ওড়িশার উপমুখ্যমন্ত্রী কৃষি-পিভি নীতি ২০২৬ ঘোষণা করেছেন। রাজ্যের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১ গিগাওয়াট কৃষি-সৌর ক্ষমতা। প্রতিটি প্রকল্প-এলাকার অন্তত ৯০ শতাংশ চাষের আওতায় রাখতে হবে। রাজ্য একে ভারতের কোনো রাজ্যের প্রথম নিজস্ব অ্যাগ্রিভোলটাইক্স নীতি বলছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর ওড়িশা কৃষি-পিভি নীতি ২০২৬ ঘোষণা করেছে। এটি একই জমিতে ফসল ফলানো আর সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঠামো, আর লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১ গিগাওয়াট (GW) কৃষি-সৌর ক্ষমতা। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী, যাঁর হাতে জ্বালানি ও কৃষি দপ্তর, নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সপ্তম অ্যাগ্রিভোলটাইক্স ওয়ার্ল্ড কনফারেন্সে নীতিটির রূপরেখা তুলে ধরেন। ওড়িশা একে ভারতের কোনো রাজ্যের প্রথম নিজস্ব অ্যাগ্রিভোলটাইক্স নীতি বলে বর্ণনা করছে।

ঘোষণার খবরগুলো সবই ২২ ও ২৩ অক্টোবরের, আর সেগুলো নীতিটিকে রাজ্য এখনও চূড়ান্ত করছে বলেই জানায়; কোনো বিজ্ঞপ্তির উল্লেখ কোথাও নেই। তাই এই লেখায় লেখা হয়েছে “ঘোষিত”, “কার্যকর” নয়। নিচের শর্তগুলো উপমুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বলেছেন, সেভাবেই।

যে নিয়ম মাঠকে মাঠ রাখে

মূল শর্ত হলো, প্রতিটি প্রকল্প-এলাকার অন্তত ৯০ শতাংশ সক্রিয় চাষের আওতায় থাকতে হবে। জমি তার কৃষিজমির শ্রেণি ধরে রাখে, আর খবর অনুযায়ী ফসল বিমার যোগ্যতাও। ধারণাটির রাজ্য-দেওয়া নাম “এক মাঠ, দুই ফসল” (One Field, Two Harvests)। সম্বাদ ইংলিশের বিবরণ অনুযায়ী উপমুখ্যমন্ত্রী অগ্রাধিকারের ক্রম বলেছেন এভাবে: আগে কৃষক, তারপর সৌর প্যানেল।

সাধারণ সৌর খামার জমিকে চাষ থেকে সরিয়ে নেয়। যোধপুরের ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের (ICAR) বিজ্ঞানীরা ২০২৫ সালের মার্চের একটি গবেষণাপত্রে লিখেছেন, প্রচলিত সৌর প্রকল্পে এক মেগাওয়াটের জন্য প্রায় ২ হেক্টর লাগে, ফলে শুষ্ক অঞ্চলের দুর্লভ চাষযোগ্য জমি নিয়ে সৌর আর চাষ পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।

কৃষকের সামনে দুটি পথ, আর বিনিয়োগকারীদের জন্য যা আছে

কৃষক নিজে কৃষি-সৌর ব্যবস্থার মালিক হয়ে ফসল ও বিদ্যুৎ দুই দিক থেকেই আয় করতে পারেন, কিংবা সৌর ডেভেলপারকে জমি লিজ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ভাড়া পেতে পারেন। রাজ্য গ্রিডকো (ওড়িশার গ্রিড কর্পোরেশন) মারফত ২৫ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি দিচ্ছে, সঙ্গে নিশ্চিত বিদ্যুৎ কেনা, গ্রিড সংযোগ আর ওপেন অ্যাক্সেসের অধিকার। কৃষি-পিভির প্রণোদনার সঙ্গে থাকবে ড্রিপ সেচ, হিমঘর, সৌর পাম্প আর কৃষি-প্রক্রিয়াকরণের সহায়তা, আর সম্বাদ ইংলিশ যোগ করেছে যে কৃষকদের যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা হবে।

একই প্রতিবেদনে রাজ্যের নজরে থাকা জমির হিসাবও আছে: ৪০.৭ লক্ষ একর উপযুক্ত চাষের জমি আর ৪৭.৭ লক্ষ একর পতিত জমি। নীতিটি দাঁড়িয়ে আছে ওড়িশা নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২২ আর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির একটি বিনিয়োগকারী সম্মেলনের ওপর, যেখানে খবর অনুযায়ী ৬.৮ গিগাওয়াটের জন্য ৬৭,০০০ কোটি টাকার পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রতিশ্রুতি এসেছিল।

মাঠে কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। একটি ১ মেগাওয়াটের কৃষি-পিভি প্রকল্প চলছে, আর সিঙ্গাপুরের ন্যানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে একটি পাইলটে উন্নত অ্যাগ্রিভোলটাইক্স নকশা পরীক্ষা হচ্ছে। এক গিগাওয়াট মানে ১,০০০ মেগাওয়াট, অর্থাৎ ২০৩০ সালের লক্ষ্য সেই প্রথম প্রকল্পের ক্ষমতার এক হাজার গুণ।

জুনের কর্মশালা থেকে অক্টোবরের ঘোষণা

ঘোষণার একটি প্রস্তুতিপর্ব ছিল। ২০২৬ সালের জুনের শুরুতে উপমুখ্যমন্ত্রী অ্যাগ্রিভোলটাইক্সের প্রসার নিয়ে রাজ্যের এক কর্মশালায় বলেছিলেন, যেখানে রাজ্য জ্বালানি কর্মপরিকল্পনাও উন্মোচিত হয়। ৮ জুনের একটি প্রতিবেদনে রাজ্যের লক্ষ্য ছিল ২০২৭ সালের মধ্যে অ্যাগ্রিভোলটাইক্স নীতি আনা। ২২ অক্টোবর নাগাদ সেই নীতিই ২০২৬-এর নাম আর ১ গিগাওয়াটের অঙ্ক নিয়ে হাজির হলো।

ভারতের মাঠ-পরীক্ষায় কী দেখা গেছে

ভারতের প্রমাণ আসছে মূলত যোধপুরের ICAR-কেন্দ্রীয় শুষ্কাঞ্চল গবেষণা প্রতিষ্ঠান (CAZRI) থেকে। এক একরে ১০৫ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার তাদের ব্যবস্থার নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালের মার্চে, ICAR-এর অনুদানে, আর ভুজে ছিল ২৫ কিলোওয়াট-পিকের একটি সহযোগী কেন্দ্র; এ কথা জানিয়েছে পিভি ম্যাগাজিন ইন্ডিয়া। ২০১৯ সাল নাগাদ নকশাটি গুজরাটের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, নয়ডার অ্যামিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অনুকরণ করা হয়েছিল।

ইন্ডিয়ান ফার্মিং পত্রিকায় ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত CAZRI বিজ্ঞানীদের গবেষণাপত্র জানায়, প্যানেলের সারিগুলো গাছের জমির ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ প্যানেলের নিচে রাখে, আর ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ থাকে সারির মাঝের খোলা জায়গা, ফসলের জন্য। তাঁরা জমির উৎপাদনশীলতা শুধু চাষ বা শুধু সৌরের চেয়ে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বলে উল্লেখ করেছেন, জমি-সমতুল্য অনুপাত ১.৪২ (শুধু খোলা জায়গা গুনলে) আর ১.৬২ (ছায়ার ফালিটিও গুনলে)। ১.৬২ অনুপাতের মানে, আলাদা ফসলের জমি আর আলাদা সৌর জমিতে একই উৎপাদন পেতে ১.৬২ গুণ জমি লাগত। গবেষণাপত্র আরও জানায়, প্যানেলের নিচে মাটির তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম আর সেচে সাশ্রয় ২০ শতাংশ পর্যন্ত। পশ্চিম রাজস্থানের জন্য উপযুক্ত ফসল হিসেবে তালিকায় আছে বৃষ্টিনির্ভর মুগ, মথ ডাল আর গুয়ার, এবং সেচের আওতায় ছোলা, লাউ, পালং, গাজর ও পেঁয়াজ।

অ্যারিজোনার একটি নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা তিনটি ফসলের হিসাব দিয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনার একটি দল বায়োস্ফিয়ার ২ গবেষণা কেন্দ্রে সমান সেচে প্যানেলের নিচে আর খোলা রোদে তিনটি ফসল ফলায়, এবং ফল ২০১৯ সালে নেচার সাস্টেনেবিলিটিতে প্রকাশ করে। চিলটেপিন মরিচ প্যানেলের নিচে তিন গুণ আর চেরি টম্যাটো দ্বিগুণ ফল দিয়েছিল। হালাপেনোর ফলন প্রায় সমান ছিল, আর পাতা দিয়ে পানির ক্ষয় হয়েছে ৬৫ শতাংশ কম। ফসলের ওপরের প্যানেল প্রচলিত সারিতে বসানো প্যানেলের চেয়ে দিনের বেলায় প্রায় ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ঠান্ডা ছিল, যা থেকে লেখকেরা বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে মোটামুটি ১ শতাংশ বাড়তি পাওয়ার মডেল দাঁড় করিয়েছেন।

কেন্দ্র যে জাতীয় কর্মসূচির কথা বলছে

সম্মেলনের ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রাক-ঘোষণা অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিমন্ত্রী বলেছিলেন, পিএম-কুসুম কৃষি-সৌর প্রকল্পের পরের ধাপে একটি নিজস্ব অ্যাগ্রিভোলটাইক্স অংশ থাকবে, যার লক্ষ্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, কৃষক উৎপাদক সংগঠন, সমবায় আর পঞ্চায়েত; জমির মালিকানা থাকবে কৃষকের হাতেই। ২১ অক্টোবর তিনি বলেন, সরকার শিগগিরই সেই পরের ধাপে তাঁর ভাষায় বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী অ্যাগ্রিভোলটাইক্স কর্মসূচি চালু করবে, এবং দ্য এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের (TERI) একটি সমীক্ষার উল্লেখ করেন, যাতে ভারতের ৪৭.৫ মিলিয়ন হেক্টর কৃষিজমিকে প্রযুক্তিগতভাবে উপযুক্ত ধরা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিটিতে ফসলের ফলন ১০ থেকে ২০ শতাংশ বাড়তে দেখা গেছে, তবে কোনো সমীক্ষার নাম করেননি।

PIB-র বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের কৃষিজমি ১১৬ মিলিয়ন হেক্টর বলা হয়েছে, আবার ৪৭.৫ মিলিয়ন হেক্টরকে তার প্রায় ৩০ শতাংশও বলা হয়েছে; এই দুটি অঙ্ক মেলে না, আর একই বক্তৃতার PTI-র বিবরণে ১৬০ মিলিয়ন হেক্টর আছে, যা ৩০ শতাংশের সঙ্গে খাপ খায়।

PTI জানিয়েছে, MNRE-র সচিব বলেছেন, অ্যাগ্রিভোলটাইক্সের একটি খসড়া নীতি তৈরি হচ্ছে এবং রাজ্য ও অন্য অংশীজনদের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হবে। “শুরুতে আমরা আগামী কয়েক বছরে ৫ গিগাওয়াট ক্ষমতার লক্ষ্য রাখছি,” তিনি বলেন। PTI আরও জানিয়েছে, উঁচু কাঠামোর কারণে এ ধরনের কেন্দ্রের খরচ সাধারণ জমিতে বসানো সৌরের চেয়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি, এবং প্রস্তাবিত পিএম-কুসুম ২.০-তে ১০ গিগাওয়াটের একটি কৃষি-পিভি অংশ প্রত্যাশিত।

কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী সম্মেলনে বলেন, নীতিটিকে ক্ষুদ্র বা প্রান্তিক সেই ৮৫ শতাংশ কৃষকের জন্য কাজ করতে হবে, যাঁদের গড় জোত ০.৯৬ হেক্টর। তিনি চেয়েছেন এমন প্যানেলের উচ্চতা ও ব্যবধান যাতে লাঙল চালানো যায়, প্যানেল থেকে বৃষ্টির জলের নিরাপদ নিকাশ, বিদ্যুতের দামের সময়মতো পরিশোধ, আর কোনো কোম্পানি প্রকল্প ছেড়ে চলে গেলে কৃষকের ঘাড়ে যেন বোঝা না পড়ে সেই সুরক্ষা।

খামারভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ একটি বড় নির্মাণযজ্ঞের অংশ, যার কথা আছে ভারতের সৌর ক্ষমতা: সংখ্যায় লেখায়, আর ঘরের ছাদের জন্য পিএম সূর্য ঘর প্রবন্ধে।

যা এখনও খোলা

“ভারতে প্রথম” তকমাটি রাজ্যের নিজের। উত্তরপ্রদেশের একটি প্রদর্শনী প্রকল্প ২০২৫ সালের মার্চে অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের অনুমোদন পেয়েছিল, যা পরীক্ষামূলক প্রকল্প সফল হলে পূর্ণ নীতিতে পৌঁছতে পারে বলে রাজ্য জানিয়েছিল, কিন্তু সেটি ছিল পাইলট, নীতি নয়। আরগাস নিউজ তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের আগের কয়েকটি পাইলটের কথাও উল্লেখ করেছে। এই লেখার জন্য দেখা প্রতিবেদনগুলোর কোনোটিতে নীতির পাঠ পাওয়া যায়নি।

আরগাসের প্রতিবেদনে ব্যবহারিক প্রশ্নগুলোর তালিকা আছে: সাধারণ সৌরের চেয়ে উঁচু কাঠামোর খরচ অনেক বেশি, ছড়ানো ছোট ছোট জমি একত্র করা কঠিন, গ্রামীণ বিদ্যুৎ লাইন দুর্বল, আর ছায়ায় কিছু ফসলের ফলন কমে। প্রতিবেদনটি এও বলে যে প্রচলিত ফসল বিমা দ্বৈত-ব্যবহারের জমির জন্য তৈরি নয়, যা নীতির বিমার যোগ্যতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতির পাশে বসে। CAZRI-র লেখকেরা নিজেদের চ্যালেঞ্জের তালিকায় রেখেছেন উচ্চ প্রাথমিক খরচ, শুষ্ক অঞ্চলে প্যানেলের উৎপাদন ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে এমন ধুলো, আর ছায়া সহ্য করতে পারে এমন ফসলের প্রয়োজন।

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ওড়িশার বিদ্যমান কৃষি-সৌর ক্ষমতা ১ মেগাওয়াটের প্রকল্পটি আর সিঙ্গাপুরের পাইলট, আর ২০৩০ সালের লক্ষ্য ১,০০০ মেগাওয়াট।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PIB, Ministry of Agriculture and Farmers Welfare: Union Minister Shivraj Singh Chouhan inaugurates the 7th AgriVoltaics World Conference (21 October 2026)
  2. PIB, Ministry of New and Renewable Energy: The farmer who has always fed the nation is now also lighting it up (curtain-raiser, 9 September 2026)
  3. ICAR: 7th Agrivoltaics World Conference inaugurated at Bharat Mandapam, New Delhi (21 October 2026)
  4. News On AIR: 7th Agrivoltaics World Conference begins at Bharat Mandapam in New Delhi (21 October 2026)
  5. N. K. Jat, S. Poonia and P. Santra (ICAR-CAZRI), Agrivoltaics: a promising farming system for the western arid regions of India, Indian Farming, March 2025
  6. Barron-Gafford et al., Agrivoltaics provide mutual benefits across the food, energy and water nexus in drylands, Nature Sustainability, 2019
  7. pv magazine India: Jodhpur agrivoltaic pilot project replicated (30 September 2019)
  8. OdishaBytes: One Field, Two Harvests, Odisha to roll out India's first dedicated agrivoltaics policy (22 October 2026)
  9. Sambad English: Odisha to introduce Agri-PV policy soon, Deputy CM (22 October 2026)
  10. OrissaPOST: State aims 1 GW agrivoltaic capacity by 2030 (23 October 2026)
  11. UNI India: Odisha finalising Agri-PV policy (22 October 2026)
  12. Responsible Us: Odisha plans AgriPV policy by 2027 to combine farming and solar energy (8 June 2026)
  13. Deccan Chronicle (PTI): New policy in works to boost agrivoltaics in India (21 October 2026)
  14. The Week (PTI): UP first state to implement agrivoltaics project with Centre's nod (21 March 2025)
  15. Argus News: Odisha sells agrivoltaic dreams in Delhi, but is the ground reality rosy (special report, October 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#agrivoltaics#odisha#agri-pv#solar energy#pm-kusum#renewable energy#farmers#icar-cazri

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
সপ্তম অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স বিশ্ব সম্মেলন ২০২৬ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর নতুন দিল্লিতে হয়েছে, বের করেছে একটি কৃষি-পিভি নীতি-হ্যান্ডবুক, আর ২০২৭ সালের আয়োজনের ভার তুলে দিয়েছে ফ্রান্সের হাতে
খামারে সৌরশক্তির একটি সম্মেলন, যা ইতালি, কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি হয়ে এসেছে দিল্লিতে: উপস্থিতির সংখ্যা, কী প্রকাশিত হল, আইসিএআর আর কৃষক সংগঠনগুলো কী আলোচ্যসূচিতে তুলল, আর ২০২৭ সালের আয়োজন কোথায় যাচ্ছে।
কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২০১৫ সালে নিজের বিদ্যুৎ-ব্যবহার মেটাতে ১২ মেগাওয়াটের সৌর প্ল্যান্ট চালু করে, আর ২০১৮ সালে জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ পুরস্কার জেতে
২০১৩ সালে ১০০ কিলোওয়াটের ছাদের পরীক্ষা, ২০১৫ সালে বশের বানানো প্ল্যান্ট, খাল আর কারপোর্টের প্যানেল, পায়্যান্নুরে ভূমির ঢাল মেনে বসানো প্ল্যান্ট আর নিউ ইয়র্কে একটি জাতিসংঘ পুরস্কার: বিমানবন্দর কোম্পানির নিজের হিসাব আর তার পেছনের নথির বিবরণ।
ভিতরকণিকার লোনা জলের কুমির ১৯৭৬ সালে গোনা ৯৬ থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ১,৮৫৮-তে পৌঁছেছে, ১৯৭৫ সালে শুরু হওয়া এক প্রকল্প ওড়িশার খাঁড়িতে ৩,০০৮টি বন্দিদশায় বড় করা শাবক ছেড়ে দেওয়ার পর
১৯৭৬ সালে গোনা হয়েছিল ২৯টি পূর্ণবয়স্ক। ২০২৬ সালের জানুয়ারির জরিপে মিলল ৩৫৩টি, সঙ্গে হ্যাচারির পুকুর, বাসার নথি আর নদীর ঘাট, যা এই ফিরে আসার সঙ্গে এসেছে।
← সব লেখা