ছবি: ajay_suresh / Wikimedia Commons, CC BY 2.0 (ছাঁটা)
বাংলা
২০২৬ সালের ৬ অক্টোবরের ইন্ডিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেটে ব্যাংক ২০২৭ সালের মার্চে শেষ হওয়া বছরের প্রবৃদ্ধি ধরেছে ৭.১ শতাংশ, এপ্রিলের ৬.৬ শতাংশের বিপরীতে। ব্যাংক বলছে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো টিকে আছে, এপ্রিলের পর রপ্তানিই প্রধান ভরসা, আর প্রথম ত্রৈমাসিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭.৮ শতাংশ।
বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর ২০২৬-২৭ সালে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.১ শতাংশে তুলেছে, এপ্রিলে দেওয়া ৬.৬ শতাংশের চেয়ে ০.৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। সংখ্যাটি নতুন দিল্লিতে প্রকাশিত ব্যাংকের ইন্ডিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেটে আছে, যা বলছে বাণিজ্য ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো টিকে আছে। একই প্রতিবেদন ২০২৫-২৬ সালের প্রবৃদ্ধি ধরেছে ৭.৮ শতাংশ, আগের বছরের ৭.২ শতাংশ থেকে বেশি, আর ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন ত্রৈমাসিকের প্রবৃদ্ধিও ৭.৮ শতাংশ। এই লেখা প্রতিবেদনটিকে পড়েছে ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর যে অবস্থায় ছিল সেভাবে।
ব্যাংকের লেখায় “এফওয়াই২৭” মানে ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আর্থিক বছর, আর “এফওয়াই২৬” তার আগের বছর। এক শতাংশ পয়েন্ট মানে প্রবৃদ্ধির হারে এক একক, তাই ৬.৬ থেকে ৭.১-এ ওঠা ০.৫ পয়েন্ট।
৬ অক্টোবর ব্যাংক কী প্রকাশ করেছে
প্রেস বিজ্ঞপ্তির শিরোনাম “বৈশ্বিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ভারতের প্রবৃদ্ধি অটুট; নীতিগত পদক্ষেপে এআই নতুন সুযোগ গড়তে পারে”। এতে বলা হয়েছে অর্থনীতি এফওয়াই২৭-এ ৭.১ শতাংশ বাড়বে বলে প্রক্ষেপিত, অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও জোরালো রপ্তানির ভর নিয়ে, আর ভারতকে বলা হয়েছে বিশ্বের দ্রুততম-বাড়া প্রধান অর্থনীতিগুলোর একটি এবং বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে অবদানকারী। ব্যাংকের সহযোগী প্রতিবেদন সাউথ এশিয়া ইকোনমিক আপডেট ২০২৬ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপণ করেছে ৬.৯ শতাংশ, যাকে ব্যাংক বর্ণনা করেছে যেকোনো অঞ্চলের মধ্যে দ্রুততম বলে।
পূর্ণ প্রতিবেদন বলছে তারা ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য ব্যবহার করেছে। তার ভিত্তি-অনুমান হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ২০২৬ সাল জুড়ে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত থাকবে এবং ২০২৭ সালের শুরুতে তেলের বাজার সংঘাতের আগের অবস্থায় ফিরবে। দ্য প্রিন্ট (পিটিআই-র একটি প্রতিবেদন নিয়ে), দ্য পায়োনিয়ার আর ইউএনআই ৬ অক্টোবর একই সংখ্যাগুলো জানিয়েছে।
কী পূর্বাভাসকে ওপরে তুলেছে
ব্যাংক শক্তির উৎস খুঁজেছে বিনিয়োগ আর ভোগে। এফওয়াই২৬-এ প্রবৃদ্ধি চালিত হয়েছিল বিনিয়োগে, যা বেড়েছে ৮.০ শতাংশ, আর ব্যক্তিগত ভোগে, যা প্রবৃদ্ধির অর্ধেকের বেশি জুগিয়েছে বলে ব্যাংক বলছে। বছরের শুরুতে গ্রামীণ ব্যয় এগিয়ে ছিল, সাহায্য করেছিল ভালো কৃষি বছর, কৃষকদের আয় সহায়তা, খাদ্য ভর্তুকি ও কম মুদ্রাস্ফীতি। শহুরে ব্যয় বেড়েছে পরে, যা প্রতিবেদন আয়কর ছাড় আর জিএসটি কাটছাঁটের সঙ্গে যুক্ত করেছে। (করটি কীভাবে ভাগ হয় তা জানতে দেখুন জিএসটি কীভাবে কাজ করে ব্যাখ্যা।)
এফওয়াই২৭-এর প্রথম ত্রৈমাসিক তখন পূর্বাভাসকারীদের প্রত্যাশার ওপরে এসেছে। পরিসংখ্যান মন্ত্রকের ৩১ আগস্টের হিসাব ছিল ৭.৮ শতাংশ, রিজার্ভ ব্যাংক ৫ আগস্ট যে ৭.০ শতাংশ প্রক্ষেপণ করেছিল তার বিপরীতে। ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে ত্রৈমাসিকে বিনিয়োগ বেড়েছে ১১.৯ শতাংশ, মূলত স্বাভাবিকের চেয়ে আগে সরকারি মূলধন ব্যয় আর বেসরকারি বিনিয়োগের গতি বাড়ার কারণে। ব্যক্তিগত ভোগ বেড়েছে প্রায় ৭.১ শতাংশ। উৎপাদনের দিকে শিল্প বেড়েছে ৮.৬ শতাংশ, এক বছর আগের ৬.১ শতাংশের বিপরীতে, ম্যানুফ্যাকচারিং ৯.২ শতাংশ, আগের ৮.৩-এর বিপরীতে, আর পরিষেবা ১০.০ শতাংশ, আগের ৮.০-এর বিপরীতে। ওই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আমাদের নিজের লেখা, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুনে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ, মন্ত্রকের সারণিগুলো ধরে ধরে দেখেছে।
সংখ্যায় একটি ছোট পার্থক্যের কথা বলা দরকার। ৫ জুনের মন্ত্রকের প্রাথমিক হিসাবে ২০২৫-২৬ সালের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.৭ শতাংশ। ব্যাংক ব্যবহার করেছে ৭.৮ শতাংশ, যাকে জিকেটুডে ৩১ আগস্টের মন্ত্রকের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টস স্ট্যাটিসটিক্সে সংশোধিত সংখ্যা বলে জানিয়েছে।
রপ্তানিই প্রধান ভরসা
প্রতিবেদন বলছে রপ্তানি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো করেছে এবং এপ্রিলের পূর্বাভাসের তুলনায় এফওয়াই২৭-এর দৃষ্টিভঙ্গির প্রধান ভরসা এটিই। এপ্রিল থেকে জুন ত্রৈমাসিকে ডলারে মাপা পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৬.২ শতাংশ, নেতৃত্বে পেট্রোলিয়াম পণ্য, শোধিত পেট্রোলিয়ামের রপ্তানি বেড়েছে ৩৬.৬ শতাংশ। বাকি অংশটা এসেছে পরিষেবা থেকে: পরিষেবা বাণিজ্যের উদ্বৃত্ত এক বছর আগের ৪৭.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৫১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে, আর ব্যাংক বলছে এটি চলতি হিসাবকে সামাল দিয়েছে।
আমদানি রপ্তানির চেয়ে দ্রুত, ১৯.৯ শতাংশ বেড়েছে, কারণ জ্বালানি ও সোনার দাম বেড়েছিল। পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ত্রৈমাসিকে ৬৮.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৮৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী তবু ত্রৈমাসিকে নিট রপ্তানি জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে যোগ করেছে, কারণ আমদানির পরিমাণ কমেছে আর পরিষেবা ও উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরের সংখ্যা আছে আমাদের ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের পণ্য রপ্তানি লেখায়।
কোথায় ব্যাংক প্রবৃদ্ধি কমতে দেখছে
প্রথম ত্রৈমাসিকের ৭.৮-এর পর পুরো বছরের ৭.১ পূর্বাভাসের মানে এফওয়াই২৭-এর বাকি সময়ে ব্যাংক ধীরতর প্রবৃদ্ধি আশা করছে। কারণ দিয়েছে তিনটি। বেশি মুদ্রাস্ফীতি আর বর্ষার ঘাটতি পরিবারগুলোর খরচের ক্ষমতা কমানোর কথা। বেসরকারি বিনিয়োগ দ্বিতীয়ার্ধে নরম হওয়ার কথা, কারণ গত বছরের উঁচু ভিত্তি এবং জ্বালানি ও সরবরাহের বিঘ্নের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসেবে সংস্থাগুলো আগে যে মজুত করেছিল তা কমে আসছে। সরকারি পরিকাঠামো ব্যয় পরের ত্রৈমাসিকগুলোতে ধীর হওয়ার প্রত্যাশা, তবে জোরালো থাকবে।
পুরো বছরে ব্যাংক শিল্পে ৭.৫ শতাংশ আর পরিষেবায় ৮.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আশা করছে। এফওয়াই২৭-এর পরে এফওয়াই২৮-এর জন্য প্রক্ষেপণ ৭.২ শতাংশ আর এফওয়াই২৯-এর জন্য ৭.০ শতাংশ, যাকে সে অর্থনীতির মধ্যমেয়াদি সম্ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলেছে। গতি বাড়াতে প্রত্যাশিত সংস্কার হিসেবে সে নাম করেছে জিএসটি যুক্তিসংগতকরণ, বাণিজ্য ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ উদারীকরণ, শ্রমবাজার সংস্কার আর এমএসএমই-র ঋণপ্রাপ্তি বাড়ানোর ব্যবস্থা।
একই সপ্তাহগুলোয় অন্য পূর্বাভাসকারীরা
রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার মুদ্রানীতি কমিটি ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবরের বিবৃতিতে ২০২৬-২৭ সালের জন্য প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপণ করেছে ৭.১ শতাংশ, দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৭.২, তৃতীয়তে ৬.৯ আর চতুর্থে ৬.৮ শতাংশ। আগস্টে তারা প্রক্ষেপণ করেছিল ৬.৭ শতাংশ, যে সংখ্যার সঙ্গে ইউএনআই ৬ অক্টোবর ব্যাংকের সংখ্যা তুলনা করেছিল। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক তার সেপ্টেম্বরের আউটলুকে ২০২৭ সালের মার্চে শেষ হওয়া বছরের জন্য ভারতকে ধরেছে ৭.০ শতাংশ। ডিডি ইন্ডিয়া জানিয়েছে এটি জুলাইয়ের ৬.৬ শতাংশ থেকে বেশি, আর ৭.৮ শতাংশের প্রথম ত্রৈমাসিকের কথা উল্লেখ করেছে। রিজার্ভ ব্যাংকের ৭ অক্টোবরের বিবৃতি নীতি রেপো হারও ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫.৫০ শতাংশ করেছে এবং ২০২৬-২৭ সালের জন্য ভোক্তা মূল্যসূচক মুদ্রাস্ফীতি প্রক্ষেপণ করেছে ৫.২ শতাংশ।
ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ঝুঁকিগুলো
ব্যাংক বলছে এপ্রিলের চেয়ে ঝুঁকি আরও ভারসাম্যপূর্ণ, তবে নিম্নমুখী দিকে তা উঁচুই আছে। প্রধান ঝুঁকি মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের দৈর্ঘ্য ও তীব্রতা, যা তেলের দাম উঁচু রাখতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি, চলতি হিসাবের ঘাটতি আর ভর্তুকিতে সরকারি ব্যয় বাড়াতে পারে। ভোক্তা মূল্যসূচক মুদ্রাস্ফীতি, যাকে প্রতিবেদন এফওয়াই২৬-এ কয়েক বছরের সর্বনিম্ন ২.১ শতাংশ বলেছে, এপ্রিলের ৩.৫ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালের আগস্টে ৪.৮ শতাংশে উঠেছে, মূলত খাদ্যের দামে। ব্যাংক চলতি হিসাবের ঘাটতি, এফওয়াই২৬-এ জিডিপির ০.৭ শতাংশ, এফওয়াই২৭-এ ১.৫ শতাংশ প্রক্ষেপণ করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি যোগ করেছে এল নিনো আর শেয়ার বাজারের সংশোধন, যা অস্থির মূলধন প্রবাহ ঘটাতে পারে। প্রতিবেদন আগস্ট পর্যন্ত বৃষ্টির ঘাটতির কথা বলেছে, জুলাইয়ের পর গড়ের ওপরে বৃষ্টিতে যা কমেছে, এবং তা কৃষির দৃষ্টিভঙ্গি দুর্বল করেছে। এপ্রিল থেকে জুন ত্রৈমাসিকে কৃষি বেড়েছে ৩.৬ শতাংশ, এক বছর আগের ৪.৪ শতাংশের বিপরীতে। প্রতিবেদন আরও বলছে তরুণদের বেকারত্ব বেড়েছে, বিশেষ করে গ্রামের তরুণীদের মধ্যে, আংশিকভাবে দুর্বল কৃষিকাজের কারণে, আর নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়তেই থেকেছে। অন্য দিকে, জোরালো অভ্যন্তরীণ চাহিদা, পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আর নীতি-পরিসর হাতে থাকাকে সে রক্ষাকবচ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, এবং বলেছে সংঘাতের দ্রুত অবসান বা ভালো বৃষ্টি দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত করবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অধ্যায়
আপডেটের বিশেষ অধ্যায়টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে। এতে বলা হয়েছে বিশাল প্রযুক্তি-কর্মীবাহিনী, সমন্বিত আইটি খাত আর ডিজিটাল গণ-পরিকাঠামোর কারণে ভারত এআই গ্রহণে ভালো অবস্থানে। ভারতে বেসরকারি এআই বিনিয়োগ ২০২৪ সালের ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০২৫ সালে ৪.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উঠেছে, আর গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার, অর্থাৎ বহুজাতিক সংস্থাগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি ও সহায়তা অফিস, ২০২৪ সালের ১.৯ মিলিয়নের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২.৩৬ মিলিয়ন মানুষকে কাজ দিয়েছে। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর পল প্রোসি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, এআই প্রস্তুতিতে ভারত উদীয়মান বাজারের শীর্ষ ১০ পারফরমারের একটি। প্রতিবেদন যোগ করেছে, গ্রহণ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে এবং প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অনিশ্চিত।
রিজার্ভ ব্যাংকের পরবর্তী মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠক নির্ধারিত ২০২৬ সালের ২ থেকে ৪ ডিসেম্বর।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- World Bank press release: India Development Update, October 2026 (6 October 2026)
- World Bank: India Development Update, October 2026, India and Artificial Intelligence: Seizing the Development Opportunity (full report, data as of 15 September 2026)
- MoSPI press note: Quarterly Estimates of GDP for the First Quarter (April-June) of 2026-27 (31 August 2026)
- MoSPI press note: Provisional Estimates of GDP for 2025-26 and Q4 estimates (5 June 2026)
- Reserve Bank of India: Monetary Policy Statement, Resolution of the Monetary Policy Committee, 3 to 5 August 2026
- Reserve Bank of India: Monetary Policy Statement, Resolution of the Monetary Policy Committee, 5 to 7 October 2026
- Asian Development Bank: Asian Development Outlook, September 2026
- ThePrint (PTI): World Bank ups India's GDP growth projection to 7.1 pc for FY27
- The Pioneer: World Bank raises India FY27 growth forecast to 7.1 per cent
- UNI: World Bank raises India's growth forecast (6 October 2026)
- DD India: ADB raises India's GDP growth forecast to 7 pc on stronger-than-expected Q1 growth (23 September 2026)
- GKToday: Government releases National Accounts Statistics 2026
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।