Skip to content
ভারতের অর্থনীতি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুনে বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ, রিজার্ভ ব্যাংকের ৭ শতাংশের পূর্বাভাসের ওপরে, বিনিয়োগ বেড়েছে ১১.৯ শতাংশ আর পরিষেবা খাত ১০ শতাংশ
অর্থনীতি ও পরিকাঠামো

ভারতের অর্থনীতি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুনে বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ, রিজার্ভ ব্যাংকের ৭ শতাংশের পূর্বাভাসের ওপরে, বিনিয়োগ বেড়েছে ১১.৯ শতাংশ আর পরিষেবা খাত ১০ শতাংশ

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

পরিসংখ্যান মন্ত্রকের ২০২৬ সালের ৩১ আগস্টের হিসাবে বাস্তব জিডিপি ৮১.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা, এক বছর আগের চেয়ে ৭.৮ শতাংশ বেশি, আর স্থায়ী সম্পদে ব্যয় বেড়েছে ১১.৯ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছিল ৭.০ শতাংশ, আর রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদেরা আশা করেছিলেন ৭.১ শতাংশ।

· · 6 মিনিটের পাঠ

পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রকের (এমওএসপিআই) ২০২৬ সালের ৩১ আগস্টের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৭ সালের মার্চ) প্রথম ত্রৈমাসিকে, অর্থাৎ ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুনে, ভারতের বাস্তব জিডিপি বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ। বাস্তব জিডিপি দামের ওঠানামার প্রভাব বাদ দিয়ে মাপা হয়, আর তা ছিল ৮১.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা (৮১.৩৬ ট্রিলিয়ন টাকা), এক বছর আগে ছিল ৭৫.৪৬ লক্ষ কোটি টাকা। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক ৫ আগস্ট এই ত্রৈমাসিকের জন্য ৭.০ শতাংশ পূর্বাভাস দিয়েছিল, আর সিএনবিসি জানিয়েছে রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদেরা আশা করেছিলেন ৭.১ শতাংশ।

ব্যয়ের দিকে এগিয়ে ছিল বিনিয়োগ। মোট স্থায়ী মূলধন গঠন, অর্থাৎ দালানকোঠা, যন্ত্রপাতি আর অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী সম্পদে ব্যয়, স্থির দামে বেড়েছে ১১.৯ শতাংশ, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুনে তা ছিল ৫.৮ শতাংশ। উৎপাদনের দিকে পরিষেবা খাত বেড়েছে ১০.০ শতাংশ, আর কারখানা, বিদ্যুৎ ও নির্মাণ নিয়ে গড়া গোষ্ঠী ৮.৬ শতাংশ। এরপর যা আছে তা মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পড়ে নেওয়া। এটি প্রথম হিসাব, আর এমওএসপিআই নিজেই বলে এটি সংশোধিত হতে পারে।

মন্ত্রকের সংখ্যা আর যে পূর্বাভাসকে তা ছাড়িয়েছে

নামিক জিডিপি, অর্থাৎ সেদিনের দামে মাপা জিডিপি, ৮০.০০ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ১০.৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮৮.২৭ লক্ষ কোটি টাকা। মোট মূল্য সংযোজন (জিভিএ, যা উৎপাদনের মূল্য থেকে ব্যবহৃত উপকরণের মূল্য বাদ দিয়ে পাওয়া যায়, পণ্যের ওপর কর যোগ করার আগে) বাস্তব হিসাবে ৮.২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৩.৮২ লক্ষ কোটি টাকা। জিডিপি জিভিএর চেয়ে ধীরে বেড়েছে, কারণ পণ্যের ওপর নিট কর বাস্তব হিসাবে বেড়েছে ৩.৯ শতাংশ। তুলনার ত্রৈমাসিক, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুন, নতুন ধারায় ৬.৯ শতাংশ বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে।

রিজার্ভ ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটি ৫ আগস্টের সিদ্ধান্তে প্রথম ত্রৈমাসিকের জন্য ৭.০ শতাংশ আর পুরো বছরের জন্য ৬.৭ শতাংশ ধরেছিল। সিএনবিসি ৭.৮ শতাংশকে রয়টার্সের জরিপের ৭.১ শতাংশের পাশে রেখেছে, আর ৫পাইসা জানিয়েছে জরিপে ছিলেন ৫৮ জন অর্থনীতিবিদ। এল অ্যান্ড টি ফাইন্যান্সের রজনী ঠাকুর ফলটিকে “ইতিবাচক চমক” বলেছেন, ওয়েবইন্ডিয়া১২৩ জানিয়েছে, কারণ ফলটি এসেছে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত যখন চরমে তখন। ভারতের জিডিপির স্থান আর তার পেছনের সংখ্যা নিয়ে আমাদের লেখায় একই ত্রৈমাসিককে আইএমএফের সারণির পাশে রাখা হয়েছে।

পরিষেবা বেড়েছে সবচেয়ে দ্রুত, নেতৃত্বে অর্থ ও তথ্যপ্রযুক্তি

তৃতীয় খাত, অর্থাৎ পরিষেবা খাত, স্থির দামে বেড়েছে ১০.০ শতাংশ। এর মধ্যে অর্থ পরিষেবা, রিয়েল এস্টেট, নিজের বাসস্থানের মালিকানা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পেশাদার পরিষেবা বেড়েছে ১২.১ শতাংশ, ১৭.৯৯ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ২০.১৭ লক্ষ কোটি টাকায়। বাণিজ্য, হোটেল, পরিবহণ, যোগাযোগ ও সম্প্রচার-সংক্রান্ত পরিষেবা বেড়েছে ৮.৫ শতাংশ, আর সরকারি প্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য পরিষেবা ৭.৫ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তির সংযোজনীর সূচকগুলোর মধ্যে আছে রেলের যাত্রী-কিলোমিটার ৮.৩ শতাংশ বেশি, আর অভ্যন্তরীণ বিমানযাত্রী ও পণ্য পরিবহণ ২.৯ শতাংশ বেশি। একই সারণিতে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল কমেছে ১৯.৫ শতাংশ। আইসিআরএর মুখ্য অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার উল্লেখ করেছেন, ওয়েবইন্ডিয়া১২৩-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিষেবা খাতের বৃদ্ধি টানা তৃতীয় ত্রৈমাসিক দুই অঙ্কে রয়েছে।

কারখানা, বিদ্যুৎ আর নির্মাণ

দ্বিতীয় খাত বেড়েছে ৮.৬ শতাংশ। উৎপাদন খাত বেড়েছে ৯.২ শতাংশ, ৯.৩৮ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ১০.২৪ লক্ষ কোটি টাকায়, এক বছর আগে এই হার ছিল ৮.৩ শতাংশ। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জল সরবরাহ বেড়েছে ৮.৯ শতাংশ, আর নির্মাণ ৭.৭ শতাংশ।

সূচকগুলো এই ছবিকেই সমর্থন করে। মূলধনী পণ্যের (অন্য জিনিস তৈরির যন্ত্র ও সরঞ্জাম) শিল্প উৎপাদন বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ২৭.০ শতাংশ, কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স ও অপটিক্যাল পণ্য ১২.৪ শতাংশ আর অন্যান্য পরিবহণ সরঞ্জাম ১৯.৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ৯.৩ শতাংশ, এক বছর আগে তা ১.৫ শতাংশ কমেছিল। সিমেন্ট উৎপাদন বেড়েছে ৮.৯ শতাংশ আর তৈরি ইস্পাতের ভোগ ৮.৩ শতাংশ। বাণিজ্যিক যানের বিক্রি বেড়েছে ১৮.৩ শতাংশ আর তিন চাকার যানের ২৯.৭ শতাংশ।

বিনিয়োগ বেড়েছে গত বছরের প্রায় দ্বিগুণ গতিতে

স্থির দামে মোট স্থায়ী মূলধন গঠন ২৪.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা, অর্থাৎ ১১.৯ শতাংশ বৃদ্ধি। চলতি দামে তা বেড়েছে ২০.৪ শতাংশ, আর নামিক জিডিপিতে এর ভাগ ৩১.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৪.৩ শতাংশ, বিজ্ঞপ্তির সারণিগুলো তা দেখায়। বিজ্ঞপ্তির সূচক-সারণিতে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের আমদানি বেড়েছে ৫১.৫ শতাংশ।

রিজার্ভ ব্যাংকের অক্টোবরের সিদ্ধান্ত ৭.৮ শতাংশের কারণগুলোর মধ্যে “শক্তিশালী বেসরকারি ভোগ ও স্থায়ী বিনিয়োগ”-এর কথা বলেছে। ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত এক বক্তৃতায় ডেপুটি গভর্নর পুনম গুপ্তাও স্থায়ী বিনিয়োগের ১১.৯ শতাংশ সংখ্যাটিকে বেসরকারি ভোগের পাশে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে রেখেছেন। ব্রিকওয়ার্ক রেটিংসের রাজীব শরণ একে বিনিয়োগের পুনরুজ্জীবন বলেছেন, আর ইন্ডিয়া রেটিংসের দেবেন্দ্র পন্থ বলেছেন কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি ক্ষেত্রের সংস্থাগুলোর মূলধনী ব্যয় একসঙ্গে ত্রৈমাসিকে ১৬.৯ শতাংশ বেড়েছে, ওয়েবইন্ডিয়া১২৩-এর প্রতিবেদনে তা আছে।

ভোগ, রপ্তানি আর আমদানি

বেসরকারি চূড়ান্ত ভোগ ব্যয়, অর্থাৎ পরিবারগুলোর খরচ, স্থির দামে বেড়েছে ৭.১ শতাংশ, এক বছর আগে এই হার ছিল ৬.৮ শতাংশ। এটি ছিল নামিক জিডিপির ৫৫.৬ শতাংশ, আর বিজ্ঞপ্তির সূচক-সারণিতে পরিবারের যান নিবন্ধন বেড়েছে ১৫.৯ শতাংশ। সরকারের চূড়ান্ত ভোগ বেড়েছে ৪.৩ শতাংশ, বিজ্ঞপ্তির স্থির দামের স্তর ধরে হিসাব করে।

পণ্য ও পরিষেবার রপ্তানি স্থির দামে ছিল ১৯.১৪ লক্ষ কোটি টাকা, আগে ছিল ১৭.০৮ লক্ষ কোটি টাকা, একই অঙ্ক কষে বৃদ্ধি প্রায় ১২ শতাংশ। চলতি দামে টাকার অঙ্কে বিজ্ঞপ্তিতে তা ২৫.৮ শতাংশ বেশি দেখানো হয়েছে। স্থির দামে আমদানি ছিল ১৯.৫১ লক্ষ কোটি টাকা, আগে ছিল ১৯.৭২ লক্ষ কোটি টাকা, সামান্য কম। রিজার্ভ ব্যাংকের আগস্ট আর অক্টোবরের দুটি সিদ্ধান্তেই বলা আছে পণ্য রপ্তানি ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং পরিষেবা রপ্তানি শক্তিশালী থেকেছে। বাণিজ্যের দিকটি মাসে মাসে সেপ্টেম্বরের পণ্য রপ্তানির সংখ্যা নিয়ে আমাদের লেখায় আছে।

কৃষি, খনি আর দামের সমন্বয়

কৃষি, পশুপালন, বনায়ন ও মৎস্যচাষ বেড়েছে ৩.৬ শতাংশ, আর প্রাথমিক খাত মোট ২.৯ শতাংশ, কারণ খনি ও খাদান কমেছে ২.৪ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তির সূচক-সারণিতে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ৪.৮ শতাংশ বেশি, তার মধ্যে চাল ৬.২ শতাংশ আর গম ০.৫ শতাংশ বেশি। প্রাথমিক খাতের দুর্বল দিক খনির উৎপাদন, আর সারণিতে জ্বালানি খনিজ ৪.৫ শতাংশ কমেছে দেখা যায়।

নামিক ১০.৩ শতাংশ আর বাস্তব ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধির ফারাক থেকে বোঝা যায় পুরো অর্থনীতির জন্য দামের সমন্বয় প্রায় ২.৩ শতাংশ, বিজ্ঞপ্তির স্তর থেকে কষে পাওয়া সংখ্যা। বিজ্ঞপ্তিটি খতিয়ে দেখা দ্য জিওস্ট্র্যাটা লক্ষ করেছে যে এই সমন্বয় ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে কম, আর এর পেছনের অনুমানগুলো যাচাই করার মতো। সিএনবিসি জুলাইয়ের ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতি ৪.৪৫ শতাংশ জানিয়েছে। ফারাকের একটি উৎস বিজ্ঞপ্তি নিজেই ব্যাখ্যা করেছে। ২০২২-২৩ সালের দামে গড়া এবং ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি চালু হওয়া নতুন ধারা উৎপাদন খাতের উৎপাদ আর উপকরণকে আলাদাভাবে সমন্বয় করে, আর বিজ্ঞপ্তি বলে অপরিশোধিত তেলের মতো উপকরণের দাম উৎপাদের দামের চেয়ে দ্রুত বাড়লে উৎপাদন খাতের দামের উপাদান কমতে পারে। সারণিগুলোতে উৎপাদন খাতের বাস্তব বৃদ্ধি ৯.২ শতাংশ আর নামিক ৭.৭ শতাংশ।

৩১ আগস্টের প্রকাশনা ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিটি ত্রৈমাসিককেও হালনাগাদ করেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ ত্রৈমাসিকের বৃদ্ধি ৫ জুনের বিজ্ঞপ্তিতে ছিল ৭.৮ শতাংশ। ৫পাইসা আর পিএসইউ ওয়াচ, এই দুটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে এখন তা ৮.৬ শতাংশে দাঁড়িয়ে আছে, অথচ সিএনবিসি এখনো লিখছে ৭.৮ শতাংশ, আর আগস্টের বিজ্ঞপ্তির বিবরণীতে ওই ত্রৈমাসিকের উল্লেখ নেই। ২০২৫-২৬ সালের পুরো বছরের বৃদ্ধি জুনের বিজ্ঞপ্তিতে ছিল ৭.৭ শতাংশ।

তারপর পূর্বাভাস কীভাবে সরেছে

রিজার্ভ ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটি ৫ থেকে ৭ অক্টোবর আবার বসে ২০২৬-২৭ সালের জন্য পূর্বাভাস আগস্টের ৬.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছে। তার সিদ্ধান্তে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের জন্য ৭.২ শতাংশ, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের জন্য ৬.৯ শতাংশ আর জানুয়ারি থেকে মার্চের জন্য ৬.৮ শতাংশ আছে। ডেপুটি গভর্নর গুপ্ত ২৮ অক্টোবর বলেছেন, আইএমএফের অক্টোবরের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক বছরের জন্য ৭.০ শতাংশ পূর্বাভাস দিয়েছে।

বেসরকারি পূর্বাভাসকারীদের মত আলাদা। কেয়ারএজ রেটিংস ২০২৬-২৭ সালের পূর্বাভাস ৭.০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করেছে, আর ইন্ডিয়া রেটিংস বলেছে বৃদ্ধি ৭.০ শতাংশ পেরোতে পারে, আগে বলেছিল ৬.৮ শতাংশ। ব্রিকওয়ার্ক রেটিংস প্রায় ৬.৭ শতাংশই রেখেছে এবং বছরের দ্বিতীয় ভাগে কঠিনতর তুলনার ভিত্তি আশা করছে। কেয়ারএজের রজনী সিনহা ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্যনীতির ঝুঁকি, এল নিনিও আর চড়া খাদ্য মুদ্রাস্ফীতিকে ধীর বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রিজার্ভ ব্যাংকের অক্টোবরের সিদ্ধান্ত প্রধান ঝুঁকি হিসেবে নাম করেছে ঘাটতিপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম বর্ষা, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত আর অস্থির অপরিশোধিত তেলের দাম, আর বৃদ্ধির ঝুঁকিকে “সমানভাবে ভারসাম্যপূর্ণ” বলে বিচার করেছে। আবহাওয়ার এই ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে তা জানতে দেখুন বর্ষা নিয়ে আমাদের ব্যাখ্যা।

সুদের হার ঠিক করা আর টাকার মূল্য সামলানোর কাজ রিজার্ভ ব্যাংক আর সরকার কীভাবে ভাগ করে নেয়, তা রিজার্ভ ব্যাংক নিয়ে আমাদের ব্যাখ্যায় আছে। এমওএসপিআইয়ের বিজ্ঞপ্তি জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের হিসাবের প্রকাশের তারিখ দিয়েছে ২০২৬ সালের ৩০ নভেম্বর।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. MoSPI press note: Quarterly Estimates of GDP for the First Quarter (April-June) of 2026-27 (31 August 2026)
  2. MoSPI press note: Provisional Estimates of GDP for 2025-26 and Q4 estimates (5 June 2026)
  3. MoSPI press note: New series of GDP estimates with base year 2022-23 (27 February 2026)
  4. Reserve Bank of India: Monetary Policy Statement, 2026-27, Resolution of the Monetary Policy Committee, 3 to 5 August 2026
  5. Reserve Bank of India: Monetary Policy Statement, 2026-27, Resolution of the Monetary Policy Committee, 5 to 7 October 2026
  6. Reserve Bank of India: speech by Deputy Governor Poonam Gupta at the Business Standard BFSI Insight Summit (published 28 October 2026)
  7. CNBC: India's economy expands 7.8% in fiscal first quarter, beating estimates (31 August 2026)
  8. 5paisa: India's GDP growth rises to 7.8% in Q1 FY27, beats estimates despite global headwinds
  9. WebIndia123: India's 7.8% Q1 growth defies West Asia shock, but economists see moderation ahead (31 August 2026)
  10. The Federal: India's real GDP growth hits 7.8 per cent in Q1 FY27, says govt
  11. PSU Watch: India's Q1 GDP growth beats expectations at 7.8% (31 August 2026)
  12. The Geostrata: India's GDP reset, what 7.8% really tells us

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#india gdp#q1 2026-27#mospi#gross fixed capital formation#gdp growth#reserve bank of india#national accounts#base year 2022-23

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: অর্থনীতি ও পরিকাঠামো
ভারতের ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ক্রয়ক্ষমতার সমতায় বিশ্বে তৃতীয়, সর্বশেষ ত্রৈমাসিকে বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ আর আইএমএফের ২০২৬ সালের এপ্রিলের ডলার-সারণিতে ষষ্ঠ
সর্বশেষ ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতি বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ এবং ক্রয়ক্ষমতার সমতায় তৃতীয়। আইএমএফের ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের অঙ্কে ডলারের হিসাবে সে যুক্তরাজ্যের আগে ছিল, আর ২০২৬ সালের এপ্রিলের ধারায় ষষ্ঠ। অঙ্কগুলো, সংশোধনগুলো, আর অর্থ মন্ত্রক সংসদকে কী বলেছে।
বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর ২০২৬-২৭ সালে ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.১ শতাংশে তুলেছে, এপ্রিলের চেয়ে ০.৫ পয়েন্ট বেশি, ২০২৫-২৬ সালের ৭.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পর
রপ্তানি আর কারখানার উৎপাদন ব্যাংকের এপ্রিলের প্রত্যাশার চেয়ে এগিয়ে ছিল, আর রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া পরের দিন ২০২৬-২৭ সালের নিজের প্রক্ষেপণ ঠিক করেছে ৭.১ শতাংশে। প্রতিবেদনটির পাঠ আর তার তালিকাভুক্ত ঝুঁকিগুলো, ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত।
ভারতের বেকারত্বের হার ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ছিল ৫.০ শতাংশ, এক বছর আগের চেয়ে ০.২ পয়েন্ট কম আর জুনের ৫.৫ শতাংশ থেকে নিচে, আর গ্রামীণ নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ পুরো এক পয়েন্ট বেড়ে ৩৮.৯ শতাংশ
জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারটি মাসিক বুলেটিন, গ্রামীণ ও শহুরে ভাগ, সমীক্ষা কীভাবে ঠিক করে কে বেকার, আর মাসিক হার ও বার্ষিক ৩.১ শতাংশ কেন আলাদা মাপ।
← সব লেখা