অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স আর ডেনমার্কের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা পাঁচটি ন্যানোবডি দিয়ে একটি রিকম্বিন্যান্ট অ্যান্টিভেনম বানিয়েছেন। ভারতের চার গোষ্ঠীর কোবরা ও কিং কোবরার বিষ ইনজেকশন দেওয়ার পরও ইঁদুরের মৃত্যু ঠেকিয়েছে এটি, আর গবেষণাপত্র ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিনে প্রকাশিত হয়েছে।
২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি) পাঁচটি ন্যানোবডি দিয়ে তৈরি একটি অ্যান্টিভেনমের কথা জানায়। চশমাধারী কোবরা, একচক্ষু কোবরা আর ভারতের দুই প্রজাতির কিং কোবরার বিষ ইনজেকশন দেওয়ার পরও এটি ইঁদুরদের বাঁচিয়ে রেখেছে। ন্যানোবডি হলো ক্ষুদ্র অ্যান্টিবডি অংশ, যা অণুজীবের কোষে বানানো যায়, তাই এদের উৎপাদন বারবার ঘোড়াকে ইমিউনাইজ করার ওপর নির্ভর করে না। কাজটি এসেছে আইআইএসসির সেন্টার ফর ইকোলজিক্যাল সায়েন্সেস আর ডেনমার্কের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি (ডিটিইউ) থেকে, আর তা সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিনে প্রকাশিত হয়েছে।
আইআইএসসির বিবৃতি শুরু হয়েছে সমস্যার মাপ দিয়ে: ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৫০,০০০ জনের সর্পদংশনে মৃত্যুর খবর মেলে, যা বিবৃতির বর্ণনায় যে-কোনো দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
পাঁচটি ন্যানোবডি, প্রথমে পাওয়া আফ্রিকার সাপের বিরুদ্ধে
প্রতিটি সাপের প্রজাতি নিজের মতো করে বিষের মিশ্রণ বানায়, আর আইআইএসসির বিবৃতি বলছে, এ কারণেই একটিমাত্র চিকিৎসা নকশা করা কঠিন। এখনকার অ্যান্টিভেনম পশুর প্লাজমা থেকে তৈরি। গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপে এদের বলা হয়েছে ঘোড়ার প্লাজমা থেকে তৈরি, আর অসুবিধার তালিকায় রয়েছে কার্যকারিতার তারতম্য, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, এবং বিভিন্ন অঞ্চলের বিষকে সীমিতভাবে প্রতিহত করতে পারা। বিবৃতি যোগ করেছে ব্যাচে ব্যাচে মানের তফাত, উচ্চ খরচ আর সক্রিয় অ্যান্টিবডির কম ফলন।
পাঁচটি ন্যানোবডি এসেছে ডিটিইউর আগের কাজ থেকে। আন্দ্রেয়াস লাউস্টসেনের দল একটি আলপাকা ও একটি লামাকে আফ্রিকার ১৮টি সাপের বিষ দিয়ে ইমিউনাইজ করে, ফাজ ডিসপ্লে লাইব্রেরি বানায় (ভাইরাসের সংগ্রহ, যার প্রতিটি পৃষ্ঠে একটি করে অ্যান্টিবডি অংশ বহন করে, ফলে যেগুলো বিষের অণুতে আটকে যায় তাদের ছেঁকে তোলা যায়), এবং আটটি ন্যানোবডি মিলিয়ে একটি অ্যান্টিভেনম বানায়। ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর নেচারে প্রকাশিত সেই গবেষণায় জানানো হয়, মিশ্রণটি আফ্রিকার ১৭টি ইলাপিড সাপের প্রজাতির বিষ থেকে ইঁদুরের মৃত্যু ঠেকিয়েছে, আর প্লাজমা থেকে তৈরি অ্যান্টিভেনম ইনোসার্প প্যান-আফ্রিকার চেয়ে ভালো ফল দিয়েছে।
আইআইএসসির সেন্টার ফর ইকোলজিক্যাল সায়েন্সেসের সহযোগী অধ্যাপক কার্তিক সুনাগার লাউস্টসেনের সঙ্গে মিলে দেখেছেন, একই অ্যান্টিবডি অংশ ভারতীয় বিষও চিনতে পারে কি না। গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ বলছে, পাঁচটিকে আগেই শনাক্ত করা হয়েছিল এবং আফ্রিকার সাপের মিলে যাওয়া বিষ-পরিবারের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা হয়েছিল। এরা লক্ষ্য করে তিনটি পরিবারকে, যাদের সারসংক্ষেপ বলেছে কোবরা ও কিং কোবরার বিষে প্রচলিত: আলফা-নিউরোটক্সিন, সাইটোটক্সিন আর ফসফোলিপেজ এ২। আইআইএসসির বিবৃতি বলছে, অ্যান্টিবডিগুলো ভারতীয় সাপের তৈরি সম্পর্কিত বিষকে নিষ্ক্রিয় করেছে।
ইঁদুরকে কী দেওয়া হয়েছিল আর কী ঘটল
আইআইএসসির বিবৃতি বলছে, ল্যাবে এই মিশ্রণ বিষের কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় করেছে এবং বিষকে তার লক্ষ্য রিসেপ্টরে আটকাতে দেয়নি। গবেষণাপত্রের সারাংশ দিতে গিয়ে ড্রাগ ডিসকভারি নিউজ জানিয়েছে, পাঁচটি ন্যানোবডিই চশমাধারী কোবরার (নাজা নাজা) পাঁচটি জনগোষ্ঠীর, একচক্ষু কোবরার (নাজা কাউথিয়া) দুটির এবং কিং কোবরার দুই প্রজাতির, ওফিওফেগাস কালিঙ্গা ও ওফিওফেগাস হান্নাহর, বিষে আটকে গেছে। একই প্রতিবেদন বলছে, ন্যানোবডিগুলো ডিএনএ, ইনসুলিন বা মানুষের সিরাম অ্যালবুমিনের মতো সম্পর্কহীন অণুতে আটকায়নি, আর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১৬ ঘণ্টা রাখার পরও স্থিতিশীল ছিল।
ইঁদুরের পরীক্ষায় দুটি নকশা ব্যবহার হয়েছে, প্রিইনকিউবেশন মডেল আর উদ্ধার মডেল, যেখানে বিষের পরে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। সারসংক্ষেপ বলছে, মিশ্রণটি একচক্ষু কোবরার বিষ থেকে, পশ্চিমঘাট ও উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে সংগ্রহ করা দুই প্রজাতির কিং কোবরার বিষ থেকে, এবং চশমাধারী কোবরার সর্বভারতীয় জনগোষ্ঠীগুলোর বিষ থেকে মৃত্যু ঠেকিয়েছে। ড্রাগ ডিসকভারি নিউজ জানিয়েছে, দুই মডেলেই চিকিৎসা পাওয়া প্রতিটি ইঁদুর ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণকাল পার করেছে, আর শুধু বিষ পাওয়া প্রাণীরা পরীক্ষাভেদে ১৫ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে মারা গেছে।
আইআইএসসির বিবৃতি বলছে, বিষ ইনজেকশনের ৩০ মিনিট পরেও মিশ্রণটি ইঁদুরকে বাঁচিয়েছে। সুনাগারের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে: “যে ইঁদুরগুলো অবশ হয়ে গিয়েছিল বা স্নায়ুবিষের সাধারণ লক্ষণ দেখাচ্ছিল, তারাও সম্পূর্ণ উপসর্গহীন অবস্থায় ফিরে আসত।”
মাত্রা নিয়ে বিবৃতি বলছে, ইঁদুরে বিষ নিষ্ক্রিয় করতে আগের কাজে প্রায়ই তুলনামূলক বেশি পরিমাণ অ্যান্টিবডি লাগত। সুনাগারের ব্যাখ্যা, এই গবেষণা দেখাচ্ছে যত্ন করে বাছাই করা খুব অল্প অ্যান্টিবডিই তা পারে, যা পদ্ধতিটি মানুষ পর্যন্ত পৌঁছলে খরচ ও নিরাপত্তায় সাহায্য করতে পারে। ড্রাগ ডিসকভারি নিউজ যোগ করেছে, অ্যান্টিবডির মাত্রা বিষের অণুর সঙ্গে ১:১ মোলার অনুপাতে নামিয়ে আনার পরও সুরক্ষা টিকে ছিল।
প্রকল্পের পেছনের সংখ্যা
২০২৪ সালের ১২ মার্চের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিবৃতি ভারতে বছরে আনুমানিক ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন সর্পদংশনে প্রায় ৫০,০০০ মৃত্যুর কথা বলেছে, যা বিশ্বের সব সর্পদংশন-মৃত্যুর প্রায় অর্ধেক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্যাক্ট শিট দীর্ঘমেয়াদি গড়ে আরও বড় সংখ্যা দিয়েছে: সংশোধিত অনুমানে ২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ভারতে ১২ লক্ষ পর্যন্ত মৃত্যু, অর্থাৎ বছরে ৫৮,০০০।
সেই সংখ্যা এসেছে উইলসন সুরাবেরা ও সহকর্মীদের ইলাইফ গবেষণাপত্র থেকে। মিলিয়ন ডেথ স্টাডির ৬,১১,৪৮৩টি ভার্বাল অটোপসির (পরিবারের সঙ্গে কথা বলে একজনের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল তা জানা) মধ্যে ২০০১ থেকে ২০১৪ সালের ২,৮৩৩টি সর্পদংশনে মৃত্যু তাঁরা বিশ্লেষণ করেন, তারপর যোগ করেন সাহিত্য পর্যালোচনা। লেখকেরা জানিয়েছেন, বেশির ভাগ মৃত্যু ঘটেছে গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে, আর প্রায় ৭০ শতাংশ আটটি বেশি-ভারের রাজ্যে।
হাসপাতালের গোনা কম। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিবৃতিতে বলা আছে, সেন্ট্রাল ব্যুরো অব হেলথ ইনভেস্টিগেশনের ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের প্রতিবেদনে গড়ে বছরে প্রায় ২,০০০ মৃত্যু, আর ক্লিনিক ও হাসপাতালে আসেন আক্রান্তদের কেবল সামান্য অংশ।
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিবৃতি আরও বলেছে, ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ সর্পদংশন আসে চারটি সাপ থেকে: কমন ক্রেইট, ভারতীয় কোবরা, রাসেলস ভাইপার আর করাত-আঁশযুক্ত ভাইপার, এবং এখন ব্যবহৃত পলিভ্যালেন্ট অ্যান্টিভেনম, যাতে ওই চারটির বিরুদ্ধেই অ্যান্টিবডি আছে, ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর। ভারতীয় কোবরা, অর্থাৎ চশমাধারী কোবরা, ওই চারটির একটি, আর নতুন মিশ্রণটির লক্ষ্য সেই গোষ্ঠী এবং কিং কোবরা।
জাতীয় সর্পদংশন পরিকল্পনায় এর জায়গা
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব ২০২৪ সালের ১২ মার্চ সর্পদংশনজনিত বিষক্রিয়ার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনএপি-এসই) চালু করেন, যার ঘোষিত লক্ষ্য ওয়ান হেলথ পদ্ধতিতে, অর্থাৎ মানুষ, পশু ও বন্যপ্রাণীর স্বাস্থ্যকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে, ২০৩০ সালের মধ্যে সর্পদংশনে মৃত্যু অর্ধেক করা। একই দিনে ১৫৪০০ নম্বরের একটি সর্পদংশন হেল্পলাইন ঘোষণা করা হয়, পুদুচেরি, মধ্যপ্রদেশ, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ ও দিল্লিতে পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর জন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রোডম্যাপেও ২০৩০ সালের মধ্যে সর্পদংশনে মৃত্যু ও প্রতিবন্ধকতা ৫০ শতাংশ কমানোর একই লক্ষ্য আছে।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের সেন্টার ফর ওয়ান হেলথের লেখা পরিকল্পনা-নথি এখন উন্নয়নাধীন পরবর্তী প্রজন্মের অ্যান্টিভেনম পদ্ধতির তালিকায় ন্যানোবডির নাম রেখেছে, রিকম্বিন্যান্ট মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, ক্ষুদ্র অণুর প্রতিরোধক, অ্যাপটামার আর কৃত্রিম পেপটাইডের পাশে। আইআইএসসির গবেষণাপত্র সেই তালিকায় একটি ভারতীয় তথ্যবিন্দু যোগ করল।
একটি ভারতীয়, ডেনিশ ও থাই দল
লেখক-তালিকা বলে দেয় কে কী করেছেন। আইআইএসসির ইভোলিউশনারি ভেনোমিক্স ল্যাব দিয়েছে তিনজন লেখক, সুনাগারসহ। ডিটিইউর বায়োটেকনোলজি ও বায়োমেডিসিন বিভাগ দিয়েছে বাকিদের বেশির ভাগকে, লাউস্টসেন ও আনে লিউঙ্গার্সসহ। একজন লেখক, সুথিমন থুমতেছোর, ব্যাংককের চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কিং চুলালংকর্ন মেমোরিয়াল হাসপাতালেও যুক্ততা আছে। এইচ টি লালরেমসাঙ্গা আইজলের মিজোরাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে কাজ করেন, যে উত্তর-পূর্বের রাজ্য নিয়ে লেখা আছে মিজোরাম এক নজরে-তে।
গবেষণাপত্রের অর্থদাতার নথিতে ওয়েলকাম আর ডিবিটি/ওয়েলকাম ট্রাস্ট ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্সসহ আরও কয়েকটির নাম আছে। বিবৃতিতে লাউস্টসেন বলেছেন, স্থানীয় সাপের বিষ-পরিবারকে লক্ষ্য করে কীভাবে রিকম্বিন্যান্ট অ্যান্টিভেনমকে অঞ্চলভিত্তিকভাবে মানানসই করা যায়, কাজটি তার একটি নকশা দেয়। লিউঙ্গার্স বলেছেন, সর্পদংশনের মতো বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসমস্যার সমাধানে বিভিন্ন শাখার মধ্যে এমন সহযোগিতা দরকার।
ভারতীয় নির্মাতারা জৈব পণ্য কীভাবে আগে থেকেই বড় মাপে বানান ও ছাড়েন, তার জন্য দেখুন ভারতীয় ধাঁচে কীভাবে টিকা তৈরি হয়।
কী মাপা হয়েছে, আর পরে কী
গবেষণায় মাপা হয়েছে, কোবরা বা কিং কোবরার বিষ পাওয়া ইঁদুর পাঁচ-ন্যানোবডির মিশ্রণে চিকিৎসার পর বাঁচে কি না, আর প্রমাণ এসেছে ল্যাব পরীক্ষা ও ইঁদুর থেকে, বড় প্রাণী বা মানুষের তথ্য এখনও নেই।
মিশ্রণটি নকশা করা হয়েছিল কোবরা ও কিং কোবরার বিষের বিরুদ্ধে। ড্রাগ ডিসকভারি নিউজ জানিয়েছে, এটি কমন ক্রেইটের বিষ থেকে সুরক্ষা দেয়নি, যে বিষে বিটা-বুঙ্গারোটক্সিন প্রচুর, আর মিশ্রণটি সেই শ্রেণিকে লক্ষ্য করে বানানো হয়নি। আইআইএসসির বিবৃতি বলছে, চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অন্য সাপের ক্ষেত্রেও সুরক্ষা বাড়াতে আরও অ্যান্টিবডি উপাদান যোগ করা যায়। পরের ধাপ নিয়ে ড্রাগ ডিসকভারি নিউজ লিউঙ্গার্সকে উদ্ধৃত করেছে: অ্যান্টিবডি কীভাবে দেহকলায় ছড়ায় আর দেহ থেকে বেরিয়ে যায় তা নিয়ে বড় প্রাণীর গবেষণা, সঙ্গে নিরাপত্তার তথ্য।
প্রতিবেদনগুলো দেরির সময়ও ভিন্ন ভিন্ন দিয়েছে। আইআইএসসির বিবৃতি দিয়েছে বিষ ইনজেকশনের ৩০ মিনিট পর, আর ড্রাগ ডিসকভারি নিউজ দিয়েছে উদ্ধার মডেলে পাঁচ মিনিট এবং বিলম্বিত মাত্রার ক্ষেত্রে ২০ মিনিট পর্যন্ত, তাই সঠিক পদ্ধতি দেখার জায়গা গবেষণাপত্রের মেথডস অংশ। আউটলুক ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন বলছে, ইঁদুরে দেখা সুরক্ষার মানে এই নয় যে চিকিৎসাটি মানুষের জন্য তৈরি।
জাতীয় পরিকল্পনার নিজস্ব চ্যালেঞ্জ-তালিকায় বলা আছে, পরবর্তী প্রজন্মের থেরাপির বেশির ভাগ গবেষণা এখনও ক্লিনিক্যালি যাচাই করা হয়নি, এবং সে কাজের জন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Samanta et al., Oligoclonal nanobody-based recombinant antivenom protects mice challenged with venom from cobras and king cobras from India, Science Translational Medicine 18(866), September 2026
- IISc press release: Engineered antibodies offer broad protection against deadly cobra toxins (9 September 2026)
- News-Medical: New nanobody antivenom offers broad protection against Indian cobras (9 September 2026)
- Drug Discovery News: Nanobody cocktail shows promise as broad-spectrum antivenom (Andrea Corona)
- Outlook India: Scientists develop antibodies targeting multiple cobra venoms (12 September 2026)
- Ahmadi et al., Nanobody-based recombinant antivenom for cobra, mamba and rinkhals bites, Nature (2025)
- Nature Research press release: New antivenom protects against snake bites (30 October 2025)
- Press Information Bureau: Union Health Ministry launches National Action Plan for Prevention and Control of Snakebite Envenoming (12 March 2024)
- National Centre for Disease Control: National Action Plan for Prevention and Control of Snakebite Envenoming (NAPSE)
- World Health Organization: Snakebite envenoming fact sheet
- Suraweera et al., Trends in snakebite deaths in India from 2000 to 2019 in a nationally representative mortality study, eLife (2020)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।