অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
অমিতাভ বচ্চনের প্রথম ছবি ১৯৬৯ সালের সাত হিন্দুস্তানি, যে বছর দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার চালু হয়। সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তিনি পেয়েছেন চারবার, তাঁর পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ আর পদ্মবিভূষণও আছে, আর ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাত থেকে নিয়েছেন ৫০তম ফালকে পুরস্কার। ২০০০ সালে তাঁকে উপস্থাপক করে শুরু হওয়া কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ঘোষণা করেছে তার অষ্টাদশ মরসুম, ২০২৬ সালের ১০ আগস্টে।
২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ অমিতাভ বচ্চনের হাতে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার তুলে দেন, সেদিন সন্ধ্যায় জানিয়েছিল প্রেস ইনফরমেশন বুরো (পিআইবি)। এটি ছিল ৫০তম ফালকে পুরস্কার, যাকে পিআইবি বলেছে ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে বড় সম্মান, আর আট দিন আগের একটি পিআইবি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, এটি আসছে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর ৫০তম বছরে।
গেইলের কনটেম্পোরারি অথরস অনুযায়ী বচ্চনের জন্ম ১৯৪২ সালের ১১ অক্টোবর, অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর তাঁর বয়স ৮৪ হচ্ছে। তাঁর প্রথম ছবি মুক্তি পায় ১৯৬৯ সালে।
প্রথম ছবি গোয়াকে নিয়ে, যে বছর ফালকে পুরস্কার শুরু হল
সাত হিন্দুস্তানি (১৯৬৯) লিখেছিলেন, পরিচালনা করেছিলেন আর প্রযোজনা করেছিলেন খাজা আহমেদ আব্বাস। নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ২০১৮ সালের জুনে ছবিটি দেখিয়েছিল। তাদের তালিকায় ছবিটি হিন্দি ভাষায় ১৪৪ মিনিটের, আর এটিকে বর্ণনা করা হয়েছে সাতজন ভারতীয়ের গল্প হিসেবে, যাঁরা গোয়াকে পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। সেই একই টীকায় লেখা আছে, ছবিটি জাতীয় সংহতির সেরা কাহিনিচিত্র হিসেবে নার্গিস দত্ত পুরস্কার পেয়েছিল এবং এটি বচ্চনের চলচ্চিত্র-জীবনের সূচনা।
গেইল তাঁকে আনোয়ার আলির ভূমিকায় উল্লেখ করেছে, আর একই বছরের আরেকটি কাজও তালিকায় রেখেছে: মৃণাল সেনের ভুবন শোম-এর কণ্ঠকথক। ছবিটির পেছনের ইতিহাস, ১৯৬১ সালের ডিসেম্বরে ভারতীয় বাহিনীর গোয়ায় প্রবেশ, বলা আছে tuput-এর গোয়ার মুক্তি কীভাবে ঘটেছিল লেখায়।
জঞ্জির: চারজন প্রধান নায়ক যে ভূমিকা নেননি
আউটলুকের জন্য আইএএনএস-এর একটি ফিচার জানায়, ১৯৭৩ সালের মধ্যে বচ্চন তিন বছরের বেশি সময় হিন্দি ছবিতে কাটিয়েছেন এবং দু’ডজনেরও বেশি ছবিতে দেখা দিয়েছেন, তবে তাঁর বেশি মনে রাখার মতো ভূমিকাগুলো ছিল ছোট অংশে, আর প্রধান ভূমিকার ছবিগুলো চলেনি। ফিচারটি নির্ভর করেছে দীপ্তকীর্তি চৌধুরীর ২০১৫ সালের বই রিটেন বাই সেলিম-জাভেদ-এর ওপর। লেখক সেলিম খান আর জাভেদ আখতারের হাতে ছিল এমন এক পুলিশের চিত্রনাট্য যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, আর পরিচালক প্রকাশ মেহরা ছবিটি বানাতে রাজি হন।
নায়ক খুঁজে পেতে সময় লেগেছিল। চৌধুরীর বিবরণে, যেভাবে আইএএনএস তা তুলে ধরেছে, দিলীপ কুমার ভূমিকাটিকে মনে করেছিলেন “এক-মাত্রিক”, দেব আনন্দ আপত্তি তুলেছিলেন যে নায়কের কোনো গান নেই, রাজ কুমার না করে দেন, আর ধর্মেন্দ্রর শুরুর আগ্রহ কোথাও পৌঁছয়নি। প্রথম যিনি ছবিতে নির্বাচিত হন তিনি প্রাণ, শের খানের ভূমিকায়, আর তিনিই মেহরাকে বচ্চনের নাম সুপারিশ করেন। মেহরা পরে এক জীবনীকারকে বলেছিলেন, “আমার ওর গলা আর চোখ ভালো লেগেছিল”, আইএএনএস-এর বিবরণ অনুযায়ী।
পরিবেশকেরা তখনও সতর্ক। সেলিম-জাভেদ তখন সিপ্পি পরিবারের জন্য শোলে লিখছিলেন। তাঁরা নিজের খরচে জঞ্জির-এর একটি বিশেষ প্রদর্শনী করান এবং সিপ্পিদের রাজি করান ওই ছবির জন্য বচ্চনকে চুক্তিবদ্ধ করতে, বলছে আইএএনএস। মেহরা এরপর তাঁকে নিয়ে আরও ছবি পরিচালনা করেন, যার মধ্যে ১৯৭৬ সালের হেরা ফেরি আর ১৯৮৪ সালের শারাবি। আউটলুকের ফিচারে হিন্দি সিনেমায় “ক্রুদ্ধ তরুণ” চরিত্রের জন্মের কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে জঞ্জির-কে।
দিওয়ার: ১০০ সপ্তাহের প্রদর্শন আর পাঁচ ভাষায় রিমেক
দিওয়ার মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি। পরিচালক যশ চোপড়া, প্রযোজক গুলশন রাই, বচ্চনের ভাইয়ের ভূমিকায় শশী কাপুর, তাঁদের মায়ের ভূমিকায় নিরূপা রায়। ইস্টার্ন আই জানিয়েছে, সেলিম-জাভেদ চিত্রনাট্য লিখেছিলেন ৪৫ দিনে, ছবির কাজ শুরু হয় ১৯৭৪ সালের ২১ মার্চ, আর এক বছরের মধ্যেই শুটিং, সম্পাদনা আর মুক্তি শেষ হয়।
ইস্টার্ন আইয়ের মতে ছবিটি সিনেমাহলে ১০০ সপ্তাহের বেশি চলেছিল এবং ১৯৭৫ সালের ফিল্মফেয়ারের সব বড় পুরস্কার জিতেছিল, কেবল সেরা অভিনেতা বাদে। এটির রিমেক হয় তেলুগু, তামিল, মালয়ালম, ফারসি আর তুর্কি ভাষায়, আর ১০০১ মুভিজ ইউ মাস্ট সি বিফোর ইউ ডাই বইয়ে যে তিনটি হিন্দি ছবি ঠাঁই পেয়েছে, এটি তার একটি। গেইলের তালিকায় বচ্চন ফিল্মফেয়ারের সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন আমর আকবর অ্যান্টনি, ডন আর হাম-এর জন্য।
কুলি: শুটিংয়ে আঘাত আর ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বরের মুক্তি
ইস্টার্ন আই দুর্ঘটনার তারিখ দিয়েছে ১৯৮২ সালের ২৬ জুলাই, ব্যাঙ্গালোরে, মনমোহন দেশাইয়ের কুলি-র একটি লড়াইয়ের দৃশ্যের সময়। ডারাগ ও’ডোনোগিউ সেন্সেস অফ সিনেমার জন্য যে বিবরণ লিখেছেন, তাতে অভিনয়ের ঘুষিটি সত্যি সত্যি লেগে গিয়েছিল। বচ্চনকে নেওয়া হয় বোম্বের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে, আর ও’ডোনোগিউ লিখেছেন, পরের কয়েক মাস হাসপাতালের বাইরে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হত। ইস্টার্ন আই বলছে, শুটিং আবার শুরু হয় ১৯৮৩ সালের ৭ জানুয়ারি, যে লড়াইয়ের দৃশ্য ছবিটি থামিয়ে দিয়েছিল সেটি দিয়েই।
দেশাই এর জবাবে ছবিটি বদলান। ও’ডোনোগিউ লিখেছেন, পর্দা সেই লড়াইয়ের ওপর থমকে যায় আর তিন ভাষার একটি ক্যাপশন ভেসে ওঠে, আর মুখ্য চরিত্র ইকবাল, যাঁকে লেখা হয়েছিল শহিদের মৃত্যু বরণ করার জন্য, এবার বেঁচে যায়। ইস্টার্ন আই বলছে, পরিচালনা করেন প্রয়াগ রাজ, আর পরিবেশকদের খুশি করতে দেশাইও নিজের প্রযোজনায় নিজের নাম পরিচালক হিসেবে দিয়েছিলেন। কুলি মুক্তি পায় ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। ও’ডোনোগিউ একে বলেছেন সে বছর ভারতের বক্স অফিসে সবচেয়ে সফল ছবি, বারো মাসে যার টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৭ কোটির (৭০ মিলিয়ন) বেশি, আর ইস্টার্ন আইও একে ১৯৮৩ সালে ভারতের সর্বোচ্চ আয়ের ছবি বলেছে।
কৌন বনেগা ক্রোড়পতি: ২০০০ সালে শুরু হওয়া একটি কুইজ শো
স্টার প্লাস ২০০০ সালে কৌন বনেগা ক্রোড়পতি চালু করে হু ওয়ান্টস টু বি আ মিলিয়নেয়ার?-এর ভারতীয় সংস্করণ হিসেবে, উপস্থাপক বচ্চন, সর্বোচ্চ পুরস্কার ১ কোটি টাকা (১০ মিলিয়ন রুপি)। টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্টিন ক্যাম্পাসের শান্তি কুমার ২০০৫ সালে মিডিয়া জার্নাল ফ্লো-তে লিখেছেন, অনুষ্ঠানটি ভারতীয় টেলিভিশনের সবচেয়ে বড় হিট হয়ে ওঠে। ২০০০ থেকে ২০০১ সালের মরসুমে এটি সপ্তাহে চারদিন রাত ৯টায় দেখানো হত। প্রথম মরসুমের টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি, ভারতে দর্শকসংখ্যা মাপার একক) ছিল ১৪, যেখানে কেবল চ্যানেলের বেশির ভাগ অনুষ্ঠানের রেটিং এক অঙ্কে, আর প্রতিযোগী হতে চাওয়া মানুষের প্রায় ২,০০,০০০ ফোন চ্যানেল পেত প্রতিদিন।
কুমার আরও লিখেছেন, ১৯৮০-র দশকের শেষে দূরদর্শনের রামায়ণ আর মহাভারত ধারাবাহিকের পর ভারতীয় টেলিভিশনে দর্শকদের এভাবে ধরে রাখার নজির ছিল না। ডেকান ক্রনিকল ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই জানিয়েছে, সনি পিকচার্স নেটওয়ার্কস ইন্ডিয়া ঘোষণা করেছে অষ্টাদশ মরসুম, উপস্থাপক বচ্চন, ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট রাত ৯টায়, সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন আর সনি লিভে। আউটলুক জানিয়েছে, এ মরসুমের বিষয়বস্তু “সোচনা পড়েগা” (আপনাকে ভাবতে হবে) খেলাটিকে মুখস্থ উত্তরের থেকে সরিয়ে আনছে।
সরকারি তালিকা
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পদ্ম পুরস্কার ডিরেক্টরিতে বচ্চনের নাম আছে শিল্প বিভাগে, মহারাষ্ট্র থেকে: ১৯৮৪ সালে পদ্মশ্রী, ২০০১ সালে পদ্মভূষণ আর ২০১৫ সালে পদ্মবিভূষণ। ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল তারিখের রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতেও তাঁর নাম পদ্মবিভূষণের তালিকায়, একই বিভাগ ও রাজ্যে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতার চারটি উল্লেখ অগ্নিপথ, ব্ল্যাক, পা আর পিকু-র জন্য। ডেইলি স্টার ২০০৭ সালের আগস্টে জানিয়েছিল, ২০০৫ সালের ছবিগুলোর জন্য ব্ল্যাক-এর পুরস্কার এসেছে প্রায় এক বছর দেরিতে, আদালতের মামলার কারণে ঘোষণা আটকে থাকার পর, আর একই ঘোষণায় রং দে বাসন্তী সেরা জনপ্রিয় ছবি হয়, যে ছবির কথা tuput বলেছে রং দে বাসন্তীর কুড়ি বছর লেখায়। আসাম ট্রিবিউন ২০১০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিল যে আর. বালকির পা-র জন্য তিনি পুরস্কার পেয়েছেন। পিআইবি ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ ঘোষণা করে যে পিকু-র জন্য তিনি পুরস্কার জিতেছেন, সেবার ফিচার ছবির বিচারকমণ্ডলীর প্রধান ছিলেন পরিচালক ও প্রযোজক রমেশ সিপ্পি।
পুরস্কারের সংখ্যা নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর হিসেব এক নয়। ডেইলি স্টার ২০০৭ সালে ব্ল্যাক-কে বলেছিল তাঁর তৃতীয় সেরা অভিনেতার পুরস্কার এবং আগের দুটির মধ্যে গুনেছিল সাত হিন্দুস্তানি-কে, আর গাল্ফ নিউজ ২০১০ সালে পা-কে বলেছিল অগ্নিপথ আর ব্ল্যাক-এর পর তৃতীয়। ওপরে যেভাবে করা হয়েছে, ছবি ধরে ধরে চারটি উল্লেখ গুনলে সংখ্যা দাঁড়ায় চার।
গেইল আরও নথিভুক্ত করেছে ১৯৯৯ সালের একটি বিবিসি অনলাইন ভোট, যাতে তাঁকে সহস্রাব্দের অভিনেতা বলা হয়েছিল, ২০০৩ সালে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে তাঁর নিয়োগ, আর পোলিও টিকাদানের প্রচারে জনসচেতনতার বিজ্ঞাপন।
ফালকে পুরস্কার
২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর টুইটারে ঘোষণা করেন যে বচ্চন সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হয়েছেন, লিখেছিলেন যে তিনি দু’প্রজন্মকে বিনোদন দিয়েছেন ও অনুপ্রাণিত করেছেন, জানিয়েছে খালিজ টাইমস। ২০১৮ সালের ছবিগুলোর জন্য ২৩ ডিসেম্বর নির্ধারিত ৬৬তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি পিআইবির ২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বরের বিজ্ঞপ্তি এই সম্মানের কথা বলেছিল, একে বলেছিল ৫০তম ফালকে পুরস্কার। এরপর ২৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি কোবিন্দের হাতে পুরস্কার প্রদানের খবর দেয় পিআইবি।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ওপর পিআইবির পটভূমি-নথিতে বলা আছে, ফালকে পুরস্কার ভারতীয় সিনেমার বিকাশ ও উন্নয়নে অসামান্য অবদানকে সম্মান জানায়, আর এর নাম ধুন্ডিরাজ গোবিন্দ ফালকের নামে, যিনি ১৯১৩ সালে ভারতের প্রথম কাহিনিচিত্র রাজা হরিশ্চন্দ্র পরিচালনা করেছিলেন। পুরস্কারটি চালু হয় ১৯৬৯ সালে, বচ্চনের প্রথম ছবির বছরেই, আর এর প্রথম প্রাপক ছিলেন দেবিকা রানি।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- PIB, 29 December 2019: President of India Presents Dada Saheb Phalke Award
- PIB, 21 December 2019: Vice President of India to give away prestigious 66th National Film Awards on 23rd December
- PIB Research Unit, October 2021: National Film Awards (backgrounder)
- PIB, 28 March 2016: 63rd National Film Awards, 2015 announced
- Ministry of Home Affairs: Padma Awards Directory (1954-2017), Year-Wise List
- President's Secretariat notification of 8 April 2015: Padma Awards 2015
- India International Centre, New Delhi: Saat Hindustani, Indradhanush ke Saat Rang, Celebrating Abbas and Bachchan (screening note, 5 June 2018)
- IANS in Outlook India, 10 October 2022 (updated 18 January 2024): The Zanjeer That Kept Amitabh Bachchan Bound To Bollywood
- Asjad Nazir and Dharmesh Patel, Eastern Eye, 19 January 2023: How Deewaar became a cult classic
- Darragh O'Donoghue, Senses of Cinema no. 101, May 2022: Manmohan Desai
- Eastern Eye: Coolie, 40 years of an all time classic
- Shanti Kumar, Flow, 18 February 2005: Who Wants to be a Crorepati? Global Television and Local Genres in India
- Deccan Chronicle, 18 July 2026: KBC Season 18 to premiere on Aug. 10; Amitabh Bachchan returns as host
- Outlook India, 18 July 2026: Amitabh Bachchan Returns to Host Kaun Banega Crorepati Season 18 With New 'Sochna Padega' Theme
- Pallab Bhattacharya, The Daily Star (Dhaka), 10 August 2007: Kaalpurush wins Indian National Award for best film
- The Assam Tribune, 15 September 2010: Amitabh best actor for Paa
- Gulf News: National Awards for Kutty Srank, Amitabh, Rituparno (57th National Film Awards)
- Khaleej Times, 24 September 2019: Prestigious Indian award for Bollywood legend Amitabh Bachchan
- Contemporary Authors (Gale) via Encyclopedia.com: Bachchan, Amitabh 1942-
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।