Skip to content
চন্দ্রযান-৩ নেমেছিল ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ১৮:০৪-এ, ₹৬১৫ কোটি খরচে, আর তার রোভারের চলা ১০৩ মিটার থেকে এর মধ্যেই একটি Nature প্রবন্ধ এসেছে
সংবাদ

চন্দ্রযান-৩ নেমেছিল ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ১৮:০৪-এ, ₹৬১৫ কোটি খরচে, আর তার রোভারের চলা ১০৩ মিটার থেকে এর মধ্যেই একটি Nature প্রবন্ধ এসেছে

ছবি: marmixer / Pixabay

বাংলা

চন্দ্রযান-২-এর ল্যান্ডার চাঁদে খুব জোরে আছড়ে পড়ার চার বছর পর বিক্রম ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতীয় সময় ১৮:০৪-এ নামল। এরপর প্রজ্ঞান দশ দিনে প্রায় ১০৩ মিটার চলে, আর তার মাটির এক্স-রে রিডিং Nature-এ ছাপা হয় ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট।

· · 6 মিনিটের পাঠ

চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতীয় সময় ১৮:০৪-এ ৬৯.৩৭ ডিগ্রি দক্ষিণ ও ৩২.৩৫ ডিগ্রি পূর্বে নেমেছিল, রোভারের এক্স-রে ফল নিয়ে ISRO ও ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির (PRL) যৌথ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী। NASA অবতরণস্থলটিকে চাঁদের দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরে বলছে। সংস্থাটির তৎকালীন প্রশাসক বিল নেলসন পোস্ট করেছিলেন, চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করা চতুর্থ দেশ ভারত, এবং একই বার্তায় তিনি দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অবতরণের কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

ল্যান্ডারের ভারতে তৈরি রোভার প্রজ্ঞান পরের দশ দিনে প্রায় ১০৩ মিটার চলে, PRL-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আর তার দুটি যন্ত্রের সংখ্যা এখনও প্রকাশিত হচ্ছে।

২০১৯ সালে কী ভুল হয়েছিল, আর ISRO কী বদলাল

চন্দ্রযান-২-এর ল্যান্ডার ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে একই অবতরণ চেষ্টা করেছিল এবং জোরে আছড়ে পড়ে। লোকসভায় সরকারের লিখিত উত্তর, যা ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিবেদিত হয়েছিল, বলছে অবতরণের প্রথম পর্ব নকশা অনুযায়ীই চলেছিল, ৩০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে ৭.৪ কিলোমিটারে, গতি সেকেন্ডে ১,৬৮৩ মিটার থেকে নেমে ১৪৬-এ। দ্বিতীয় পর্বে বেগ-হ্রাস নকশার মান ছাড়িয়ে যায়, যার ফলে শেষ ‘ফাইন ব্রেকিং’ শুরুর সময়ে অবস্থা নকশার সীমার বাইরে চলে যায়। ল্যান্ডার নির্ধারিত স্থানের ৫০০ মিটারের মধ্যেই নেমেছিল।

দ্য উইক ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর জানায়, লিকুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টারের ভি. নারায়ণনের নেতৃত্বে একটি জাতীয় কমিটি ব্যর্থতা বিশ্লেষণ করেছিল। মহাকাশ কমিশনে পেশ করা একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনের উল্লেখ করে তারা ধ্বংসের কারণ বলেছিল গাইডেন্স সফটওয়্যার। সংসদে সরকারের উত্তর অবশ্য কারণ হিসেবে বেগ-হ্রাসের নাম করেছিল। কমিটির প্রতিবেদনের কোনো প্রকাশিত কপি tuput খুঁজে পায়নি।

২০২৩ সালের উৎক্ষেপণের আগে ISRO চেয়ারম্যান এস. সোমনাথ বলেছিলেন, সংস্থা চন্দ্রযান-২-এর ‘সাফল্য-ভিত্তিক নকশা’ থেকে চন্দ্রযান-৩-এ ‘ব্যর্থতা-ভিত্তিক নকশা’য় যাচ্ছে, ETV Bharat অনুযায়ী। তিনি বলেন, অবতরণ-এলাকা ৫০০ মিটার বাই ৫০০ মিটার থেকে বাড়ানো হয়েছে, আর ল্যান্ডারে জ্বালানি বেশি ছিল। ISRO-র মিশন পাতায় প্রধান অবতরণস্থল দেওয়া আছে মোটামুটি ৪ কিলোমিটার বাই ২.৪ কিলোমিটার, আর অবতরণের সীমা খাড়া দিকে সেকেন্ডে ২ মিটার, পাশের দিকে সেকেন্ডে ০.৫ মিটার এবং ১২ ডিগ্রি ঢাল।

অবতরণ

LVM3 M4 রকেট চন্দ্রযান-৩-কে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করে ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই। ১৭ আগস্ট ল্যান্ডার মডিউল প্রপালশন মডিউল থেকে আলাদা হয়। ISRO-র পাতায় ২৩ আগস্ট প্রায় ১৭:৪৫-এ চালিত অবতরণ শুরুর সময়সূচি ছিল, তাই পরিকল্পিত সেই শুরু থেকে অবতরণ পর্যন্ত শেষ পথ লেগেছিল মোটামুটি ১৯ মিনিট।

২৬ কেজির রোভার সহ ল্যান্ডার মডিউলের ওজন ছিল ১,৭৫২ কিলোগ্রাম। ISRO সমন্বিত মহাকাশযানের মোট ভর দিয়েছে ৩,৯০০ কেজি।

২৬ আগস্ট বেঙ্গালুরুতে ISRO-র কমান্ড সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অবতরণস্থলের নাম দেন শিব শক্তি পয়েন্ট এবং চন্দ্রযান-২-এর আছড়ে পড়ার স্থানের নাম তিরঙ্গা পয়েন্ট, অল ইন্ডিয়া রেডিও অনুযায়ী। তিনি এও ঘোষণা করেন যে ২৩ আগস্ট জাতীয় মহাকাশ দিবস হিসেবে পালিত হবে।

২৬ কেজির রোভারে দুটি যন্ত্র

প্রজ্ঞানে ছিল একটি লেজার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ (LIBS), বেঙ্গালুরুতে ISRO-র ল্যাবরেটরি ফর ইলেক্ট্রো-অপটিক্স সিস্টেমসে তৈরি, এবং একটি আলফা পার্টিকল এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার (APXS), আহমেদাবাদে PRL-এ তৈরি। রোভার কেবল ল্যান্ডারের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে পারত, আর এর নকশা-আয়ু ছিল একটি চান্দ্র দিন, প্রায় ১৪ পৃথিবী-দিন। বিক্রমের নিজের ছিল তিনটি যন্ত্র: তাপমাত্রার জন্য ChaSTE, মাটির কম্পনের জন্য ILSA এবং পৃষ্ঠের কাছের প্লাজমার জন্য RAMBHA-LP, সঙ্গে ছিল একটি NASA প্রতিফলক।

সালফার, মাটি আর তাপ

ISRO ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট জানায়, LIBS চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে প্রথম স্থানে-স্থানে মৌলিক পরিমাপ করেছে। তারা বলে, সেগুলো সেখানে সালফারের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে, যা কক্ষপথের যন্ত্র দিয়ে সম্ভব হয়নি। প্রথম তালিকায় আরও ছিল অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, ক্রোমিয়াম ও টাইটানিয়াম, আর পরের রিডিংয়ে যোগ হয় ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন ও অক্সিজেন। হাইড্রোজেন তখনও অনুসন্ধানাধীন ছিল। ভারতের প্রথম চন্দ্র মিশন চন্দ্রযান-১ বহন করেছিল সেই NASA যন্ত্র, যা ২০০৯ সালে পৃষ্ঠে জল ও হাইড্রক্সিলের সন্ধান পায়।

APXS-এর ফল Nature-এ পৌঁছতে এক বছর লেগেছিল। PRL ও ISRO ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট জানায়, যন্ত্রটি রোভারের পথ ধরে ২৩টি পরিমাপ করেছে, মোট প্রায় ৩১ ঘণ্টা এক্সপোজারে। মাটি ছিল মোটামুটি অভিন্ন। তা ছিল ফেরোয়ান অ্যানর্থোসাইটের মিশ্রণ, প্লাজিওক্লেজ খনিজে সমৃদ্ধ এক ধরনের শিলা, এবং ম্যাগনেসিয়াম-সমৃদ্ধ একটি শিলাগোষ্ঠী। লেখকেরা প্রথমটিকে চান্দ্র ম্যাগমা মহাসাগরের ধারণার সমর্থন হিসেবে পড়েছেন, যে ধারণায় আদি চাঁদ গলিত ছিল আর হালকা খনিজ ভেসে উঠে ভূত্বক গড়ে। ম্যাগনেসিয়াম-সমৃদ্ধ অংশটি তাঁরা দক্ষিণ মেরু-আইটকেন অববাহিকা থেকে ছিটকে আসা পদার্থ বলে ধরেছেন, যে অববাহিকা তৈরি হয় প্রায় ৪.২ থেকে ৪.৩ বিলিয়ন বছর আগে, PRL-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী। স্থানটি সেই অববাহিকার কিনারা থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে।

কমিউনিকেশনস আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টে ২০২৫ সালে প্রকাশিত দ্বিতীয় একটি APXS প্রবন্ধে উদ্বায়ী পদার্থের সংখ্যা আছে। ISRO-র সারাংশ বলছে, সালফার ছিল ৯০০ থেকে ১,৪০০ পার্টস পার মিলিয়ন, অ্যাপোলো ১৬ ও লুনা ২০-র উচ্চভূমির মাটির চেয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ পার্টস পার মিলিয়ন বেশি, আর সোডিয়াম (৭০০ থেকে ২,৮০০) ও পটাশিয়াম (৩০০ থেকে ৪০০) ছিল কম। লেখকেরা প্রস্তাব করেছেন, অববাহিকার সংঘাত চাঁদের ম্যান্টল থেকে সালফার-সমৃদ্ধ পদার্থ খুঁড়ে তুলেছিল।

ChaSTE-র প্রোবে মাটির ১০ সেন্টিমিটার গভীরে পৌঁছনো দশটি তাপমাত্রা-সেন্সর আছে, আর এটি চলেছিল ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ২০২৫ সালের মার্চের প্রবন্ধ নিয়ে ISRO-র বিবরণ বলছে, পৃষ্ঠের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ উঠেছিল ৩৫৫ কেলভিনে, প্রায় ৮২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে অরবিটারের উপাত্ত ইঙ্গিত দিয়েছিল প্রায় ৩৩০ কেলভিন। প্রোবটি দাঁড়িয়ে ছিল সূর্যমুখী প্রায় ৬ ডিগ্রি ঢালে। এক মিটার দূরে সমতল জমির একটি সেন্সর পড়েছিল প্রায় ৩৩২ কেলভিন, প্রায় ৫৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। লেখকদের মডেল বলছে, মেরুমুখী এবং ১৪ ডিগ্রির চেয়ে খাড়া ঢালগুলো কয়েক দশ সেন্টিমিটার নিচে জলের বরফ ধরে রাখতে পারে।

ISRO-র বিজ্ঞান পাতা তার ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারের বিজ্ঞানীদের একটি অনুমান জানায় যে অবতরণে প্রায় ২.০৬ টন এপিরিগোলিথ, অর্থাৎ চান্দ্র মাটির আলগা ওপরের স্তর, ছিটকে গিয়েছিল, এবং স্থানচ্যুত এলাকা দিয়েছে ১০৮.৪ বর্গমিটার। NASA-র লুনার রিকনেসান্স অরবিটার ২৭ আগস্ট ল্যান্ডারের ছবি তোলে এবং উজ্জ্বল বলয়টিকে রকেটের শিখা মিহি মাটিতে লাগার ফল বলে ধরে।

লাফ

ISRO-র কথায়, প্রায় দশ পৃথিবী-দিনের পরীক্ষার পর ল্যান্ডার ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর আবার ইঞ্জিন চালায় এবং বাকি জ্বালানি দিয়ে প্রায় ৫০ সেন্টিমিটার লাফ দেয়। ২০২৬ সালের মে তারিখের ISRO-র পাতা বলছে, নির্গত গ্যাস প্রায় ৩ সেন্টিমিটার আলগা ধুলো সরিয়ে দেয় এবং পুরনো, আরও সংকুচিত মাটি উন্মুক্ত করে। এরপর ChaSTE-র রিডিং দুই স্তরের গঠন দেখায়। ৬.৫ সেন্টিমিটার গভীরে ঘনত্ব মোটামুটি দ্বিগুণ হয়, ঘনমিটারে ৭৫০ থেকে ১,৬০০ কিলোগ্রাম, আর সংসক্তি ৩০০ থেকে ১,৬০০ প্যাসকালে ওঠে। প্রবন্ধটির লেখক PRL-এর কে. দুর্গা প্রসাদ ও সহকর্মীরা, প্রকাশিত দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নালে।

ISRO-র মিশন পাতা বলছে, এরপর ল্যান্ডার ও রোভার স্লিপ মোডে যায়, আশা করা হয়েছিল ২২ সেপ্টেম্বরের কাছাকাছি জেগে উঠবে। ২০২৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর তারিখের তার শেষ এন্ট্রি বলছে, যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চলছে।

যে মডিউল ঘরে ফিরল

প্রপালশন মডিউল, যে ল্যান্ডারকে চান্দ্র কক্ষপথে পৌঁছে দিয়েছিল, তখনও তার ১০০ কিলোগ্রামের বেশি জ্বালানি ছিল। ISRO তা দিয়ে ফেরার যাত্রার মহড়া দেয়। ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবরের একটি জ্বালানি-দহন তার চান্দ্র কক্ষপথের সর্বোচ্চ বিন্দু ১৫০ থেকে ৫,১১২ কিলোমিটারে তোলে। ১৩ অক্টোবরের ট্রান্স-আর্থ ইনজেকশন বার্ন তাকে বাড়ির পথে বসায়, আর চাঁদের চারটি ফ্লাইবাইয়ের পর ১০ নভেম্বর সে চাঁদের প্রভাব-গোলক ছেড়ে যায়। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের বিন্দু, প্রথম পেরিজি, আসে ২২ নভেম্বর প্রায় ১.৫৪ লাখ কিলোমিটারে (১৫৪,০০০ কিমি), প্রায় ১৩ দিনের কক্ষপথে। ISRO বলছে, লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের নমুনা-ফেরত মিশনের পদ্ধতি পরীক্ষা করা এবং চাঁদে জঞ্জাল না রেখে আসা, আর মডিউলের পৃথিবী-পর্যবেক্ষণ যন্ত্র SHAPE পর্যবেক্ষণ চালিয়ে গিয়েছিল।

খরচ কত

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর পত্রিকা নিউ ইন্ডিয়া সমাচার ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জানায়, ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত উৎক্ষেপণ-রকেট সহ চন্দ্রযান-৩-এর জন্য ₹৬০১.৩৪ কোটি খরচ হয়েছে, আর পূর্ণ বাজেট ₹৬১৫ কোটি। ISRO-র বাজেট নিয়ে আমাদের লেখা সেই অঙ্ক মঙ্গল মিশনের অঙ্কের পাশে রেখেছে। অবতরণের দশ দিন পর ISRO সূর্যকে নিয়ে গবেষণার জন্য আদিত্য-এল১ উৎক্ষেপণ করে।

যে প্রতিফলক এখনও কাজে লাগছে

২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর NASA-র লুনার রিকনেসান্স অরবিটার প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকে বিক্রমের ওপরের NASA প্রতিফলকের দিকে তার লেজার অল্টিমিটার তাক করে, এবং অষ্টম চেষ্টায় ফেরত সংকেত ধরে। NASA একে প্রথমবার বলে, যখন একটি লেজার রশ্মি একটি অরবিটার আর চাঁদের পৃষ্ঠের একটি যন্ত্রের মধ্যে গিয়ে ফিরে এসেছে। NASA বলছে, প্রতিফলকটির বিদ্যুৎ বা রক্ষণাবেক্ষণ লাগে না এবং এটি কয়েক দশক টিকতে পারে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. ISRO: Chandrayaan-3 mission updates
  2. ISRO: Chandrayaan-3 Details
  3. ISRO and PRL: PRL-built APXS on Pragyan Rover made the first elemental abundance measurements of lunar soil in the south polar region (21 August 2024)
  4. Vadawale et al., Chandrayaan-3 APXS elemental abundance measurements at lunar high latitude, Nature 633 (2024)
  5. ISRO: LIBS confirms the presence of Sulphur on the lunar surface (28 August 2023)
  6. ISRO: India bags credit for first-ever in-situ measurement of lunar south polar temperature (ChaSTE)
  7. ISRO: Primitive mantle material revealed by Chandrayaan-3 APXS volatile measurements in the South Polar Region of the Moon
  8. ISRO: Chandrayaan-3 science results
  9. ISRO: Chandrayaan-3 hop experiment reveals the lunar surface structure
  10. ISRO: Chandrayaan-3 Propulsion Module moved from lunar orbit to Earth orbit (4 December 2023)
  11. NASA: NASA's LRO observes Chandrayaan-3 landing site (5 September 2023)
  12. NASA Science: Laser instrument on NASA's LRO successfully pings Indian Moon lander (18 January 2024)
  13. Outlook India (PTI): Chandrayaan-2's Vikram lander had hard landing, government tells Lok Sabha (21 November 2019)
  14. The Week: How did Chandrayaan 2 fail? (16 November 2019)
  15. ETV Bharat: Why ISRO opted for a 'failed design' for Chandrayaan-3 (12 July 2023)
  16. Press Information Bureau, New India Samachar: India on the Moon (16 to 30 September 2023)
  17. The Tribune: NASA chief congratulates India and ISRO as Chandrayaan-3 lands on Moon (23 August 2023)
  18. All India Radio: 23 August to be observed as National Space Day, landing site to be called Shiv Shakti

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#chandrayaan-3#isro#moon#lunar south pole#vikram lander#pragyan rover#shiv shakti point#indian space programme

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযানে খরচ হয়েছিল ₹৩৮৬ কোটি, আর তাতে ছিল সেই NASA যন্ত্র যা চাঁদের পৃষ্ঠে জলের সন্ধান পায়
এগারোটি যন্ত্র, তার ছয়টি বিদেশ থেকে আসা, একটি ভারতীয় রকেটে চাঁদে গিয়েছিল। উৎক্ষেপণের এগারো মাস পরে তাদের মধ্যে থাকা একটি NASA স্পেকট্রোমিটার পৃষ্ঠে জল ও হাইড্রক্সিল শনাক্ত করে, এমন এক অনুসন্ধানে যাকে আবিষ্কারের নিবন্ধটি বলেছে ৪০ বছরের সন্ধান।
ভারতের মার্স অরবিটার মিশন প্রথম চেষ্টাতেই ₹৪৫০ কোটিতে কক্ষপথে পৌঁছেছিল, আর ছয় মাসের পরিকল্পনায় কাজ করেছিল সাত বছরের বেশি
চতুর্থ বার্ন কম পড়েছিল, মূল ইঞ্জিন তারপর নয় মাসের বেশি অব্যবহৃত পড়ে ছিল, আর পৌঁছানোর দুই দিন আগে চার সেকেন্ডের একটা পরীক্ষা তাকে ছাড়পত্র দেয় সেই দীর্ঘ বার্নের জন্য, যা ভারতের প্রথম মঙ্গল অরবিটারকে কক্ষপথে পৌঁছে দেয়। ধাপে ধাপে তার নথি।
সূর্যকে দেখতে আদিত্য-এল১ পাড়ি দিয়েছিল ১৫ লক্ষ কিলোমিটার, তারপর ২০০৩ সালের পর সবচেয়ে প্রবল ভূচৌম্বকীয় ঝড়ের পেছনের সৌর বিস্ফোরণগুলো নথিবদ্ধ করেছে
একটি পিএসএলভি আকাশে উঠেছিল সকাল ১১.৫০-এ, আর ১২৬ দিন পর ভারতীয় গবেষণাগারে তৈরি একটি মহাকাশযান ঘুরছিল এমন এক বিন্দুকে, যেখানে পৃথিবী আর সূর্যের টান সমান হয়ে যায়। তার সাতটি যন্ত্রের কোনটি কী করে, আর কী পেয়েছে, তা এখানে।
← সব লেখা