Skip to content
ভারতীয় নৌবাহিনী ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সেসের একটি টাস্ক ফোর্সের প্রথম নেতৃত্ব সম্পূর্ণ করেছে, ৩৯টি দেশের কর্মীদের ৭,৮০০-র বেশি প্রশিক্ষণ ঘণ্টা দেওয়ার পর
আধুনিক ভারত

ভারতীয় নৌবাহিনী ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সেসের একটি টাস্ক ফোর্সের প্রথম নেতৃত্ব সম্পূর্ণ করেছে, ৩৯টি দেশের কর্মীদের ৭,৮০০-র বেশি প্রশিক্ষণ ঘণ্টা দেওয়ার পর

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত কমোডর মিলিন্দ মোকাশী ৪৭ দেশের কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সেসের প্রশিক্ষণ টাস্ক ফোর্স সিটিএফ ১৫৪-কে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই সময়ে হয়েছে ২০টি স্টাফ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, একটি সম্পূর্ণ অনলাইন মহড়া, কোচিতে ২৭ দেশের একটি মহড়া আর জলদস্যুতা নিয়ে একটি সিম্পোজিয়াম। তারপর মানামায় দায়িত্ব হস্তান্তর হয়েছে।

· · 5 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর বাহরাইনের মানামায় এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় নৌবাহিনী আট মাস পর কম্বাইন্ড টাস্ক ফোর্স ১৫৪-এর (সিটিএফ ১৫৪) নেতৃত্ব হস্তান্তর করেছে। কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সেসের (সিএমএফ) কোনো টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্বে নৌবাহিনী এই প্রথম। সিটিএফ ১৫৪ হলো ৪৭টি দেশের নৌ-অংশীদারত্ব সিএমএফের প্রশিক্ষণ টাস্ক ফোর্স। কমোডর মিলিন্দ মোকাশীর অধীনে এটি ৩৯টি দেশের কর্মীদের ৭,৮০০ ঘণ্টার বেশি প্রশিক্ষণ দিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও সিএমএফের মতে, যাদের সংখ্যা মিলে যায়।

নৌবাহিনী দায়িত্ব নিয়েছিল ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। এই দুই তারিখের মধ্যে টাস্ক ফোর্স চালিয়েছে ২০টি স্টাফ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, একটি পুরোপুরি অনলাইন মহড়া, কোচির সাদার্ন নেভাল কমান্ডে ২৭ দেশের একটি মহড়া আর জলদস্যুতা নিয়ে দুই দিনের একটি সিম্পোজিয়াম। একই মাসগুলোতে নৌবাহিনী ভারতে তৈরি নয়টি জাহাজ কাজে যুক্ত করেছে। নিচের সব সংখ্যা ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর পর্যন্ত।

সিটিএফ ১৫৪ কী

সিএমএফের সদর দপ্তর বাহরাইনে, মার্কিন নৌবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড আর মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সঙ্গে। এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে ৪৭টি সদস্য দেশের নাম আছে, ভারত তাদের একটি, আর অংশীদারত্বটিকে বলা হয়েছে “ইচ্ছুকদের জোট”, যেখানে প্রতিটি দেশ যা পারে তা দেয়। এর পাঁচটি টাস্ক ফোর্স। চারটি অভিযানের কাজ করে: ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সিটিএফ ১৫০, জলদস্যুতা দমনে সিটিএফ ১৫১, আরব উপসাগরে সিটিএফ ১৫২ আর লোহিত সাগরে সিটিএফ ১৫৩।

২০২৩ সালের ২২ মে গঠিত সিটিএফ ১৫৪ হলো যেটি শেখায়। সিএমএফ জানায়, এটি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় অংশীদার নৌবাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়, যাতে জাহাজ বা বিমান না পাঠিয়েও আরও বেশি দেশ অংশ নিতে পারে, আর তার কর্মসূচি পাঁচটি ক্ষেত্র ঘিরে সাজানো: সামুদ্রিক সচেতনতা, সামুদ্রিক আইন, সামুদ্রিক বাধাদান, সামুদ্রিক উদ্ধার ও সহায়তা এবং নেতৃত্ব বিকাশ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত সিএমএফে সহযোগী অংশীদার হিসেবে যোগ দেয় ২০২২ সালে আর পূর্ণ সদস্য হিসেবে ২০২৩ সালে। এই অঞ্চলে নৌবাহিনীর আগের অভিযানের মধ্যে আছে ১৯৮৮ সালে মালদ্বীপে অপারেশন ক্যাকটাস। সিটিএফ ১৫৪-এর জন্য সিএমএফের নেতৃত্বের ইতিহাসে ছয়টি দায়িত্ব তালিকাভুক্ত, ক্রমানুসারে যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডন, মিশর, শ্রীলঙ্কা, ইতালি ও ভারত। ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতের দায়িত্বটি ষষ্ঠ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দেওয়া ১২ ফেব্রুয়ারির প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) বিবৃতিতে একে টাস্ক ফোর্সে নৌবাহিনীর প্রথম নেতৃত্ব বলা হয়েছে, আর বলা হয়েছে শৌর্য চক্রপ্রাপ্ত মোকাশী বিদায়ী ইতালীয় কমান্ডারের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি: আইএনএস সুরাতে স্টাফ প্রশিক্ষণ

সিএমএফ জানাচ্ছে, ভারতের নেতৃত্বাধীন টাস্ক ফোর্স দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিন, ১২ ফেব্রুয়ারি, ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস সুরাতে তার প্রথম স্টাফ এনহ্যান্সমেন্ট ট্রেনিং করেছে। দশটি দেশের তেইশজন অংশগ্রহণকারী জাহাজটি ঘুরে দেখেন এবং ভিজিট, বোর্ড, সার্চ অ্যান্ড সিজার-এর একটি প্রদর্শনী দেখেন, আর জাহাজের বিমান দল হেলিকপ্টারে অগ্নিনির্বাপণ, আহত উদ্ধার ও তেল ছড়িয়ে পড়ার মোকাবিলা দেখায়। দলটি টাস্ক ফোর্স ৫৯-এর কর্মীদের সঙ্গেও দেখা করে, যাঁরা চালকহীন ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সক্ষম সামুদ্রিক অভিযানের নতুন ধারণা দেখান।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলছে, পুরো মেয়াদে মোট ২০টি স্টাফ এনহ্যান্সমেন্ট ট্রেনিং হয়েছে। নৌবাহিনীর বৃত্তান্তে সেগুলোর বিষয় বলা হয়েছে সামুদ্রিক ক্ষেত্র-সচেতনতা, সামুদ্রিক আইন ও আইন প্রয়োগ, তথ্য আদানপ্রদান, জলদস্যুতা দমন, সামুদ্রিক অপরাধ তদন্ত, সাইবার সহনশীলতা, উদীয়মান প্রযুক্তি, বহুজাতিক অভিযান পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং কর্মীদের সহনশীলতা।

এপ্রিল: কম্পাস রোজ ২৬-১ অনলাইনে

অপারেশন কম্পাস রোজ টাস্ক ফোর্সের প্রধান মহড়া। এর ২৬-১ সংস্করণ হয়েছে ২০ থেকে ২২ এপ্রিল, আর সিএমএফ বলছে, প্রথমবার তা সম্পূর্ণ অনলাইনে হয়েছে, ২৫টি অংশীদার দেশ ও ১৩টি সংস্থার ১৩৭ জন অংশগ্রহণকারী, ১১ জন পর্যবেক্ষক ও ২১ জন সহায়ক নিয়ে। নৌবাহিনীর বৃত্তান্তে বলা হয়েছে, অঞ্চলের প্রচলিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ধরনটি বদলানো হয়েছিল।

সিএমএফের কমান্ডার মার্কিন নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল কার্ট রেনশ সিএমএফের হস্তান্তর-বিবৃতিতে বলেছেন, মোকাশীর দল একটি কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছিল এবং প্রশিক্ষণের গতি স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়িয়েছে। মোকাশী বলেছেন, টাস্ক ফোর্সকে ঘিরে পরিস্থিতি বদলেছে, কিন্তু মানুষকে যুক্ত রাখা আর শেখানোর দায়িত্ব বদলায়নি।

জুলাই: কোচিতে ২৭৬ জন কর্মী

অপারেশন সাদার্ন রেডিনেস ২৬-২ হয়েছে ২০ থেকে ২৩ জুলাই কোচির সাদার্ন নেভাল কমান্ডে, আর নৌবাহিনী ও সিএমএফ দুই পক্ষই একে ভারতের আয়োজিত প্রথম বড় সিএমএফ প্রশিক্ষণ মহড়া বলেছে। ২৩ জুলাই প্রতিরক্ষা মুখপাত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে পিটিআই জানিয়েছে, ২৭টি দেশের ২৭৬ জন কর্মী ছিলেন, সঙ্গে ৭৬ জন সহায়ক ও বিষয়-বিশেষজ্ঞ আর চারটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। মহড়ায় তৈরি হয়েছে প্রায় ৩,৮০০ প্রশিক্ষণ ঘণ্টা, যা মেয়াদের ৭,৮০০ ঘণ্টার অর্ধেকের সামান্য কম। নৌবাহিনীর বৃত্তান্ত ও সিএমএফ দুটিতেই একে টাস্ক ফোর্স গঠনের পর সিটিএফ ১৫৪-এর চালানো এই ধরনের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি বলা হয়েছে।

অনমনোরমার প্রিভিউতে পাঠ্যসূচি তালিকাভুক্ত ছিল: সামুদ্রিক আইন, সামুদ্রিক ক্ষেত্র-সচেতনতা ও তথ্য আদানপ্রদান, মাদকবিরোধী কাজ, বাহিনী সুরক্ষা, অসম হুমকি ও সামুদ্রিক চালকহীন ব্যবস্থা, সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনির্বাপণ, সমুদ্রে টিকে থাকা, জাহাজে ওঠার পদ্ধতি আর ভারতীয় নৌজাহাজে সময় কাটানো। নৌবাহিনী বলেছিল, মহড়ায় সাদার্ন নেভাল কমান্ডের সিমুলেটর ব্যবহার হবে। প্রতিরক্ষা মুখপাত্র জানিয়েছেন, শিক্ষা দিয়েছে নৌবাহিনীর ভারত মহাসাগর অঞ্চলের ইনফরমেশন ফিউশন সেন্টার, সিএমএফের জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার, জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর এবং আইএমও ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ল ইনস্টিটিউট।

আগের রেকর্ড হয়েছিল কেনিয়ায়। সিএমএফ জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি শেষ হওয়া মোম্বাসার সাদার্ন রেডিনেস অনুষ্ঠান, ইতালির নেতৃত্বাধীন টাস্ক ফোর্সের, ১৬০ জনের বেশি কর্মী টেনেছিল এবং সেই সময় পর্যন্ত সিটিএফ ১৫৪-এর কোনো একক কর্মসূচির সবচেয়ে বড় উপস্থিতি ছিল। দুটি বিবৃতিতে অংশগ্রহণকারীদের গণনা আলাদা, তাই কোচির সংখ্যার সঙ্গে সরাসরি তুলনা চলে না, তবে নৌবাহিনী ও সিএমএফ দুজনেই কোচিকে সবচেয়ে বড় বলেছে। এই অঞ্চলে নৌবাহিনীর আরও বন্দর, মহড়া ও অংশীদারত্ব নিয়ে লেখা আছে ভারত মহাসাগর ও নৌবাহিনীর নিরাপত্তা বিষয়ক প্রবন্ধে।

অক্টোবর: এসপিএআর ২০২৬ এবং হস্তান্তর

শেষ বড় কর্মসূচি ছিল জলদস্যুতা ও সশস্ত্র ডাকাতি নিয়ে প্রথম বিষয়-বিশেষজ্ঞ বিনিময় (এসপিএআর), ৫ ও ৬ অক্টোবর। সিএমএফ গুনেছে ২৫টি দেশ ও ১৯টি সংস্থার ১৩৫ জন অংশগ্রহণকারী, এসেছিলেন নৌবাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, আইন-বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তি সংস্থা ও জাহাজ শিল্প থেকে। অধিবেশনগুলোতে ছিল জলদস্যুতা দমনের সাম্প্রতিক অভিযান, জাহাজে ওঠা, আঞ্চলিক আইন প্রয়োগ, তথ্য আদানপ্রদান, বিচার ও প্রমাণের নিয়ম, বন্দরের প্রতিক্রিয়া আর নজরদারি প্রযুক্তি। সিটিএফ ১৫১-এর বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মীরা অভিযানের বিবরণ দেন।

মোকাশী বলেছেন, এসপিএআর দেখিয়েছে জলদস্যুতা দমন “নির্ভর করে সমন্বিত বহুজাতিক ও বহু-সংস্থার প্রচেষ্টার ওপর”। সিএমএফ এসপিএআরকে বলছে একটি নতুন টেইলার্ড সিরিজের প্রথম কর্মসূচি, আর জানাচ্ছে প্রতিক্রিয়া ভবিষ্যতের সিটিএফ ১৫৪ প্রশিক্ষণকে আকার দেবে।

১৪ অক্টোবর রেনশের সভাপতিত্বে নেতৃত্ব মোকাশীর কাছ থেকে সিএমএফের কাছে গেছে। idrw.org-এ পুনঃপ্রকাশিত নৌবাহিনীর বৃত্তান্ত অনুযায়ী, সিটিএফ ১৫৪-এর ডেপুটি কমান্ডার কমান্ডার মেলিসা ডেজার্ডিন্স সিএমএফ সদর দপ্তরের পক্ষে তা গ্রহণ করেছেন। ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর পর্যন্ত সিএমএফের টাস্ক ফোর্স পাতায় বর্তমান কমান্ডার হিসেবে সিএমএফ সদর দপ্তরের নাম আছে।

মেয়াদ আর কী রেখে গেছে

কর্মসূচির বাইরে, সিএমএফের বিবৃতি বলছে টাস্ক ফোর্স প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার নতুন নির্দেশিকা অনুমোদন করেছে, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রশিক্ষণ অংশীদারদের একটি তালিকা তৈরি করেছে এবং প্রশিক্ষকদের জন্য নিবেদিত প্রথম বিনিময় করেছে, যাকে নৌবাহিনীর বৃত্তান্ত ট্রেনিং অব ট্রেনার্স কর্মসূচি বলেছে। সিএমএফের নতুন প্রশিক্ষণ অংশীদারদের মধ্যে আছে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ল ইনস্টিটিউট, অস্ট্রেলিয়ান মেরিটাইম বর্ডার কমান্ড, ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি এবং বাল্টিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম কাউন্সিল।

যেখানে সংখ্যায় ফারাক

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও সিএমএফ ৭,৮০০ ঘণ্টা আর ৩৯টি দেশে একমত। মানুষের সংখ্যা তারা আলাদাভাবে বর্ণনা করেছে। সিএমএফ বলছে টাস্ক ফোর্স ৩৯টি দেশের ১,১০০-র বেশি মানুষের প্রশিক্ষণ তত্ত্বাবধান করেছে, আর নৌবাহিনীর বৃত্তান্ত বলছে শুধু স্টাফ কোর্স ও এসপিএআরেই ১,১০০-র বেশি অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতি নথিভুক্ত হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতিতে আছে ২০টি স্টাফ কোর্স, আর সিএমএফ বলছে “২০-র বেশি” বিশেষ বিনিময় ও কর্মসূচি। কোচির ৩,৮০০ ঘণ্টার বাইরে কোনো বিবৃতিই ৭,৮০০ ঘণ্টাকে কর্মসূচি ধরে ভাগ করে দেখায়নি।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau, Ministry of Defence: Indian Navy assumes first-ever command of Combined Task Force (CTF) 154 (12 February 2026)
  2. Combined Maritime Forces: Combined Maritime Forces HQ assumes command of Combined Task Force 154 (16 October 2026)
  3. Combined Maritime Forces: CTF 154 brings counter-piracy partners together for inaugural SPAR 2026 (14 October 2026)
  4. Combined Maritime Forces: CTF 154, Maritime Security Training (task force page and command history)
  5. Combined Maritime Forces: Indian Navy-led CTF 154 conducts staff training aboard INS Surat (22 February 2026)
  6. Combined Maritime Forces: Kenya Operation Southern Readiness 2026 draws record participation (10 February 2026)
  7. Combined Maritime Forces: About Combined Maritime Forces (47 member nations)
  8. DVIDS (US Navy): India assumes command of Combined Maritime Forces' Combined Task Force 154 (11 February 2026)
  9. ThePrint (PTI, citing the Ministry of Defence statement): Tenure of Indian Navy's command of CTF 154 reinforced its role as preferred security partner (14 October 2026)
  10. ThePrint (PTI): Operation Southern Readiness 26-2 concludes at Southern Naval Command in Kochi (23 July 2026)
  11. All India Radio News: Indian Navy to organise Operation Southern Readiness 26-2 in Kochi (16 July 2026)
  12. All India Radio News: Indian Navy assumes command of multinational CTF-154 task force (February 2026)
  13. Onmanorama: Navy to host multinational maritime security exercise in Kochi (16 July 2026)
  14. idrw.org: Indian Navy completes first command of Combined Task Force 154 (14 October 2026, reproducing the Navy's account)
  15. GKToday: Indian Navy completes maiden command of Combined Task Force 154 (October 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#indian navy#ctf 154#combined maritime forces#operation southern readiness#maritime security#commodore milind mokashi#kochi#modern india

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ভারতে তৈরি নয়টি জাহাজ নৌবাহিনীর কাজে যোগ দিয়েছে, স্টেলথ ফ্রিগেট দুনাগিরি থেকে সাবমেরিন-শিকারি মাঙ্গরোল পর্যন্ত
তিনটি ফ্রিগেট, উপকূলীয় সাবমেরিন-বিরোধী চারটি জাহাজ, একটি জরিপ জাহাজ আর একটি ডুবুরি সহায়তা জাহাজ, প্রতিটির তারিখ, ইয়ার্ড আর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সংখ্যা সহ। সঙ্গে যে হিসাবটি পুরো মেলে না, আর এরপর কী আসছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর নৌবাহিনীর নিজের নকশা করা আটটি নেক্সট জেনারেশন কর্ভেটের জন্য ₹৫৩,৮৬৬.৫০ কোটির চুক্তি সই করেছে, পাঁচটি গার্ডেন রিচের, তিনটি গোয়া শিপইয়ার্ডের
আটটি কর্ভেট, দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা আর নৌবাহিনীর নিজের আঁকা নকশা। সই-হওয়া মূল্য, তার আগে প্রতিবেদনে আসা অনুমোদনের অঙ্ক, আর জাহাজের আকার ও গতি নিয়ে দুটি বেশ ভিন্ন বিবরণ।
মুম্বইয়ের ডাব্বাওয়ালারা ১৮৯০ সাল থেকে ট্রেন আর সাইকেলে বাড়ির রান্না করা দুপুরের খাবার অফিসের টেবিলে পৌঁছে দিচ্ছেন, প্রতিটি বাক্সকে চালিয়ে রঙ-করা সংকেত দিয়ে
আটটা সাড়ে আটটায় তোলা, বারোটা সাড়ে বারোটায় টেবিলে, আর বাক্স ফেরত বিকেলের মাঝামাঝি। হাতবদলের ধাপ, সংকেত, এই পেশার পেছনের আস্থা আর সূত্রগুলো এর যে সংখ্যা দেয়, তার একটি ঘুরে দেখা।
← সব লেখা