Skip to content
ইসরোর POEM-4 একটি ব্যবহৃত পিএসএলভি ঊর্ধ্ব স্তরকে ২৪টি পরীক্ষার গবেষণাগারে পরিণত করেছিল, ৪ দিনে বরবটির বীজ অঙ্কুরিত করেছিল আর ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল ফেরার আগে ১,০০০ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করেছিল
বিজ্ঞান ও মহাকাশ

ইসরোর POEM-4 একটি ব্যবহৃত পিএসএলভি ঊর্ধ্ব স্তরকে ২৪টি পরীক্ষার গবেষণাগারে পরিণত করেছিল, ৪ দিনে বরবটির বীজ অঙ্কুরিত করেছিল আর ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল ফেরার আগে ১,০০০ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করেছিল

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর স্পেডেক্স উপগ্রহ দুটি ছাড়ার পর পিএসএলভি-সি৬০-এর খালি চতুর্থ স্তরটি কক্ষপথে থেকে গিয়েছিল ইসরোর ১৪টি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টার্ট-আপের ১০টি পেলোডের মঞ্চ হিসেবে। ইসরো বলছে ২৪টিই তাদের পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেছে, আর স্তরটি ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল ভারত মহাসাগরের ওপর নেমে আসে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

ইসরো জানাচ্ছে, পিএসএলভি-সি৬০ রকেটের খালি চতুর্থ স্তরটি ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর স্পেডেক্স উপগ্রহ দুটি ছাড়ার পর ৯৫ দিন কক্ষপথে ছিল। সেটি ২৪টি পরীক্ষা বহন করেছিল, ২০২৫ সালের ৪ মার্চ ১,০০০ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে, আর ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল ০২:৩৩ UTC-তে ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ে।

ইসরোর ২০২৫ সালের ৭ মার্চের বিবৃতি বলছে, ২৪টি পেলোডই ‘কক্ষপথে নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো সফলভাবে সম্পূর্ণ করেছে।’ চোদ্দোটি এসেছিল ইসরো ও মহাকাশ বিভাগের কেন্দ্রগুলো থেকে, আর দশটি বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টার্ট-আপ থেকে। স্তরটির নাম POEM-4, আর একই উৎক্ষেপণে থাকা স্পেডেক্স ডকিং পরীক্ষার কথা বলা আছে আলাদা একটি লেখায়।

দ্বিতীয় একটি কাজ পাওয়া ব্যবহৃত স্তর

POEM মানে PS4 Orbital Experiment Module। ইসরোর বর্ণনা অনুযায়ী, মডিউলটি পিএসএলভির ব্যবহৃত চতুর্থ স্তরকে কাজে লাগায়, যা মূল উপগ্রহগুলো ছাড়ার পর অন্যথায় মহাকাশ-বর্জ্য হয়ে যেত, যাতে বিজ্ঞানীরা তিন মাস পর্যন্ত মাইক্রোগ্র্যাভিটির পরীক্ষা চালাতে পারেন।

ইসরোর পুনঃপ্রবেশ অভিযানের তালিকায় আগের তিনটি উড়ান আছে: ২০২২ সালের ৩০ জুন পিএসএলভি-সি৫৩-তে POEM, ২০২৩ সালের ২২ এপ্রিল পিএসএলভি-সি৫৫-তে POEM-2, আর ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি পিএসএলভি-সি৫৮-তে POEM-3। ইসরো বলছে, প্রথম তিনটি অভিযানে মোট ২১টি পেলোড উড়েছে।

পিএসএলভি-সি৬০ অভিযানের ব্রোশিওর মঞ্চটিকে বর্ণনা করেছে তিন অক্ষে স্থিতিশীল একটি স্তর হিসেবে। একটি নমনীয় সোলার প্যানেল আর ৫০ Ah লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এর শক্তি জোগায়, আর নিজস্ব অ্যাভিওনিক্স নেভিগেশন, নির্দেশনা, নিয়ন্ত্রণ ও টেলিকমান্ড সামলায়।

উপগ্রহ ছাড়া থেকে ৩৫০ কিমি কক্ষপথে

ব্রোশিওরের উড়ান-সারণি অনুযায়ী দুটি স্পেডেক্স উপগ্রহ ছাড়া হয়েছিল উৎক্ষেপণের প্রায় ৯০৯ সেকেন্ড পরে, প্রায় ৪৭৭ কিমি উচ্চতায়। ব্রোশিওর বলছে, এরপর চতুর্থ স্তরটি দুবার পুনরায় চালু করা হয়েছিল ৩৫০ কিমির বৃত্তাকার কক্ষপথে নামিয়ে আনতে আর তার নতিকোণ বদলাতে। বাকি জ্বালানি একটি নির্দিষ্ট ক্রমে বের করে দেওয়া হয়েছিল, যাকে ইসরো বলে প্যাসিভেশন, স্তরটি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য।

ইসরোর পুনঃপ্রবেশ পাতা বলছে, চূড়ান্ত কক্ষপথ ছিল প্রায় বৃত্তাকার, ৩৫০ কিমিতে, নতিকোণ ৫৫.২ ডিগ্রি। আগের উড়ান POEM-3-কে নামানো হয়েছিল ৬৫০ কিমি থেকে একই ৩৫০ কিমিতে, যা ইসরোর POEM-3 বিবরণ অনুযায়ী স্তরটির ক্ষয়ে নেমে আসার সময় কমায়। এক্সপোস্যাট এক্স-রে উপগ্রহের উৎক্ষেপণের পর বাকি থাকা সেই স্তর পুনঃপ্রবেশ করেছিল ২০২৪ সালের ২১ মার্চ।

ইসরোর ১৪টি পেলোড

ইসরোর POEM-4 পাতা গুনেছে বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের পাঁচটি পেলোড, তার স্পেস ফিজিক্স ল্যাবরেটরির চারটি, ইসরো ইনার্শিয়াল সিস্টেমস ইউনিটের তিনটি, শেষ দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ একটি, আর ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের একটি। ভবিষ্যৎ অভিযানের জন্য ধারণা-প্রমাণের পরীক্ষা, পাতাটি এভাবেই এগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

দুটি ছিল রোবটিক বাহু। ইনার্শিয়াল সিস্টেমস ইউনিটের তৈরি ওয়াকিং রোবটিক আর্ম ৭ ডিগ্রি অব ফ্রিডমের একটি বাহু, যা শুঁয়োপোকার মতো এক প্রান্তের পর অন্য প্রান্ত এগিয়ে হেঁটে মঞ্চের এক স্থির বিন্দু থেকে আরেক বিন্দুতে নিজেকে সরিয়ে নেয়। ইসরোর পাতা একে বলছে হাঁটার সামর্থ্যসহ ভারতের প্রথম মহাকাশ রোবটিক ম্যানিপুলেটর আর ভারতীয় অন্তরিক্ষ স্টেশনে রোবটিক্সের পূর্বসূরি, যে স্টেশনের অনুমোদন ও খরচ আছে স্টেশন পরিকল্পনা নিয়ে আমাদের লেখায়। বিক্রম সারাভাই কেন্দ্রের ডেব্রিস ক্যাপচার রোবটিক ম্যানিপুলেটরের কাজ ছিল একটি বাঁধা বস্তু ধরা, বাহুকে পথ দেখাতে ক্যামেরার ছবি ব্যবহার করে। ইসরো বলছে, একবার প্রমাণিত হলে এটি পরবর্তী POEM উড়ানে মুক্তভাবে ভাসমান বর্জ্য ধরতে আর মহাকাশযানে জ্বালানি ভরতে পারে।

বাকিগুলো পরীক্ষা করেছে একটি সীসামুক্ত পাওয়ার কনভার্টার, ছোট গাইরোস্কোপ আর চৌম্বক সেন্সর, থ্রাস্টারের জন্য লেজারে জ্বলা একটি ইগনিটার, আয়নোস্ফিয়ারের ইলেকট্রন ও আয়ন মাপার এক সেট প্রোব, একটি কিউবস্যাট রেডিও বোর্ড, আর নাভিক, ভারতের আঞ্চলিক নেভিগেশন উপগ্রহ ব্যবস্থা, ব্যবহার করে ৩৫০ কিমির কাছাকাছি প্লাজমাস্ফিয়ারের ইলেকট্রন মাপার একটি গ্রাহক যন্ত্র।

চার দিনে অঙ্কুরিত বরবটির বীজ

সবচেয়ে স্পষ্ট প্রকাশিত সময়রেখা যে পরীক্ষার, সেটি CROPS, কম্প্যাক্ট রিসার্চ মডিউল ফর অরবিটাল প্ল্যান্ট স্টাডিজ, যা বানিয়েছে বিক্রম সারাভাই কেন্দ্র। এটি একটি বন্ধ বাক্স, ৩০০ মিমি চওড়া আর ৪৫০ মিমি উঁচু, যাতে চারটি কুঠুরিতে মাটির গুলির সঙ্গে ধীরে-ছাড়া সার মিশিয়ে আটটি বরবটির বীজ রাখা। ইসরো বলছে, ভূমিতে পরীক্ষার পর বরবটি বাছা হয়েছিল কারণ তা দ্রুত অঙ্কুরিত হয়।

মঞ্চ ৩৫০ কিমিতে পৌঁছালে বাক্সটি চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৯০ মিনিট পর ভূমির নিয়ন্ত্রকরা একটি বৈদ্যুতিক ভাল্ভ খুলে মাটিতে জল ঢোকানো হয়। পরের কক্ষপথগুলোতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পাঠ বেড়েছিল, যাকে ইসরো অঙ্কুরোদগম বলে পড়েছে।

চতুর্থ দিনে ইসরোর পাতা নথিভুক্ত করেছে বীজগুলো ধারক-ফালি থেকে অঙ্কুরিত হচ্ছে, আর এর ছবিগুলোর তারিখ প্রথম অঙ্কুরের জন্য ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি এবং দুটি পাতার জন্য ৫ জানুয়ারি। আলো চলেছিল ১৬ ঘণ্টা জ্বলা আর ৮ ঘণ্টা নেভা চক্রে, আর একটি ক্যামেরা এবং অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, আর্দ্রতা ও মাটির আর্দ্রতার সেন্সর গ্রাউন্ড স্টেশনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তথ্য পাঠিয়েছে। ইসরোর বিবরণে পঞ্চম দিনে দুটি পাতা লক্ষ্য পূরণ করেছিল। এর পাতা কক্ষপথে গাছ ফলানোকে বলছে মহাকাশে খাদ্য উৎপাদনের দিকে এক ধাপ, আর দীর্ঘ মানববাহী অভিযানে নভোচারীদের একটি কাজ দেওয়ার উপায়। ভারতের নিজস্ব মানববাহী কর্মসূচির কথা আছে আমাদের গগনযান লেখায়।

বাইরের দশটি পেলোড

ইসরো বলছে, সরকারি-বহির্ভূত গোষ্ঠীদের দশটি পেলোড ইন-স্পেস (IN-SPACe)-এর মাধ্যমে মঞ্চে পৌঁছেছিল। বেঙ্গালুরুর বেলাট্রিক্স অ্যারোস্পেস তাদের সবুজ মনোপ্রোপেল্যান্ট থ্রাস্টার রুদ্র ৬০ সেকেন্ড চালিয়েছিল। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির বিবৃতিতে কোম্পানি জানিয়েছিল, প্রজ্বলনটি মঞ্চকে তার ইয়ো অক্ষ ঘিরে সেকেন্ডে ১.৪ ডিগ্রি হারে ঘুরিয়েছিল, মোট ৮০ ডিগ্রি বাঁকের জন্য। কোম্পানি বলেছিল, মহাকাশে ওই প্যাকেজের এটি দ্বিতীয় প্রজ্বলন, আর পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে তাদের সহ-প্রতিষ্ঠাতা যশস করনমকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, লক্ষ্য ছিল একই নকশা আবার যাচাই করা আর পুনরাবৃত্তিযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা।

মুম্বইয়ের মনস্তু স্পেস টেকনোলজিস উড়িয়েছিল হাইড্রোজেন পারক্সাইডে চলা ১.১ নিউটনের একটি থ্রাস্টার, যাকে ইসরোর পাতা বর্ণনা করেছে হাইড্রাজিনের চেয়ে নিরাপদ বিকল্প হওয়ার লক্ষ্যে, হাইড্রাজিন একটি প্রচলিত কিন্তু বেশি বিপজ্জনক রকেট জ্বালানি। বেঙ্গালুরুর গ্যালাক্সআই পরীক্ষা করেছিল জাহাজে বসে রাডারের ছবি প্রক্রিয়াজাত করার ইলেকট্রনিক্স, ইসরোর ভাষায় লক্ষ্য ছিল ৪০০ MB কাঁচা ডেটাকে ১০ মিনিটের কম সময়ে ১.৫ MB-র নিচে নামানো। আহমেদাবাদের পিয়ারসাইট স্পেস পরীক্ষা করেছিল কিউবস্যাটের জন্য যথেষ্ট ছোট একটি রাডারের কিছু অংশ, তার মধ্যে কক্ষপথে খুলে যাওয়া একটি রিফ্লেক্টঅ্যারে অ্যান্টেনা।

শিক্ষার্থী আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও অংশ নিয়েছিল। বেঙ্গালুরুর আরভি কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি দল কক্ষপথে একটি অন্ত্র-ব্যাকটেরিয়া, Bacteroides thetaiotaomicron-এর বৃদ্ধির রেখা আঁকতে চেয়েছিল। মুম্বইয়ের অ্যামিটি বিশ্ববিদ্যালয় ভূমিতে একটি জোড়া-পরীক্ষার পাশাপাশি পালং শাকের ক্যালাস, অর্থাৎ জেলে ফলানো উদ্ভিদ-কোষের একটি তাল, উড়িয়েছিল। কর্ণাটকের এসজেসি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ইসরো স্যাটেলাইট সেন্টারের রেডিও ক্লাবের সঙ্গে কাজ করে কণ্ঠ, লেখা ও ছবির জন্য একটি শৌখিন-রেডিও ট্রান্সমিটার বানিয়েছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের এন স্পেস টেক ইসরোর একটি গ্রাউন্ড স্টেশনের সঙ্গে রেডিও সংযোগ পরীক্ষা করেছিল, আর পুনের এমআইটি-ডব্লিউপিইউ চারটি বাণিজ্যিক গতি-সেন্সর পরীক্ষা করেছিল।

হায়দরাবাদের টেকমিটুস্পেস পরিকল্পনা করেছিল মাটি থেকে তিনটি মেশিন-লার্নিং মডেল পাঠিয়ে তাদের উপগ্রহ-কম্পিউটারে চালাবে আর ফলাফল ফেরত পাঠাবে। ইসরোর ২০২৫ সালের মার্চের বিবৃতি বলছে একটি মহাকাশ স্টার্ট-আপ একটি এআই মডেলের আপলিংক ও চালানো পরীক্ষা করেছে, আর তা কোম্পানির নাম বলেনি। ভারতের বৃহত্তর স্টার্ট-আপ ক্ষেত্রের কথা আছে আমাদের নিউস্পেস লেখায়।

মঞ্চটি নিজে কী প্রমাণ করল

ইসরোর মার্চের বিবৃতিতে আরও আছে, POEM-4 যাচাই করেছে ইসরোর তৈরি কাস্টম স্থাপত্যের ৩২-বিটের প্রসেসর বিক্রম৩২০১-এর ওপর বানানো একটি মিশন ম্যানেজমেন্ট কম্পিউটার, আর নেভিগেশনের জন্য প্রথমবার একটি ন্যানো স্টার সেন্সর ব্যবহার করেছে। এটি অবস্থান ধরে রাখতে ব্যবহার করেছে রিঅ্যাকশন হুইলও, আর কোল্ড গ্যাস থ্রাস্টার, যা আগের POEM উড়ানের তুলনায় এর কক্ষপথের আয়ু অন্তত ৪৫ দিন বাড়িয়েছে। বিবৃতি বলছে, এখন পর্যন্ত যেকোনো POEM অভিযানের মধ্যে POEM-4 বহন করেছে সবচেয়ে বেশি পেলোড।

ইসরোর পূর্বাভাসের তারিখেই নেমে আসা

মার্কিন স্পেস কমান্ডের সুবিধাগুলো আর ইসরোর রাডার পুরো সময় স্তরটিকে অনুসরণ করেছে, আর ইসরোর বর্জ্য-পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা IS4OM পূর্বাভাস হালনাগাদ করেছে। ইসরো যখন ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল পুনঃপ্রবেশের পূর্বাভাস দেয়, তখন কক্ষপথ ক্ষয়ে নেমে এসেছিল ১৭৪ কিমি বাই ১৬৫ কিমিতে। ইসরোর পাতা নথিভুক্ত করেছে, স্তরটি বায়ুমণ্ডলে ঢুকে ০২:৩৩ UTC-তে, অর্থাৎ ০৮:০৩ IST-তে, ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ে। পুনঃপ্রবেশটি ইসরোর ডেব্রিস ফ্রি স্পেস মিশনের হিসাবে গোনা হয়, পাতাটি বলছে। ২০২৪ সালের মার্চে ইসরো বলেছিল POEM-3 কার্যত শূন্য বর্জ্য রেখে গেছে।

ইসরো যা প্রকাশ করেছে আর যা করেনি

ইসরোর নথিগুলো একটি সংখ্যায় একমত নয়। POEM-4 পাতা বলছে POEM-3-এ আটটি পেলোড ছিল, অথচ ইসরোর POEM-3-এর দুটি পাতা বলছে নয়টি। দুটি বিবৃতিই একমত যে POEM-4 রেকর্ড গড়েছে।

ফলাফলের প্রতিবেদন বেশির ভাগই সমষ্টিগত। দিনে দিনে বিবরণ আছে CROPS আর পুনঃপ্রবেশের। বাকিদের জন্য ইসরোর পুনঃপ্রবেশ পাতা বলছে ‘সব পেলোড প্রত্যাশা মতো কাজ করেছে, মূল্যবান বিজ্ঞান-তথ্য দিয়েছে।’ এই লেখার জন্য খোলা পাতাগুলোতে হাঁটা বাহু, বর্জ্য-ধরা বাহু বা অ্যামিটির উদ্ভিদ-কোষের আলাদা ফলাফল দেওয়া নেই। আরভি কলেজের দল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বলেছিল, তাদের তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি গবেষণাপত্রে প্রকাশ করা হবে, আর তেমন কোনোটি পাওয়া যায়নি।

ইসরোর পাতা বলছে, CROPS-এর পরবর্তী পর্ব চলবে ৩০ থেকে ৪৫ দিন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অক্সিজেন, আর্দ্রতা, মাটির আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার সক্রিয় নিয়ন্ত্রণ সহ। খোলা পাতাগুলোতে এর কোনো উৎক্ষেপণের তারিখ নেই।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. ISRO: POEM-4 in PSLV-C60 / SpaDeX Mission
  2. ISRO: PSLV-C60 SPADEX mission brochure
  3. ISRO: CROPS, A Leap in Space Biological Experiments (7 January 2025)
  4. ISRO: POEM Completed 1000 Orbits in Space (7 March 2025)
  5. ISRO: Atmospheric Re-entry of POEM-4 (4 April 2025)
  6. ISRO: POEM-3 Mission achieves all its Payload objectives (27 January 2024)
  7. ISRO: PSLV accomplishes zero orbital debris mission (25 March 2024)
  8. ISRO: Re-entry Missions and POEMS
  9. Press Information Bureau: ISRO's year end mission to seek the rare feat of docking two satellites in space (28 December 2024)
  10. Press Information Bureau, Department of Space: Year End Review 2025 (17 December 2025)
  11. Bellatrix Aerospace: Hat-trick in Space with Successful Green Propulsion Firing (1 January 2025)
  12. The Week, PTI: Start-up Bellatrix tests home built green propulsion system in space (2 January 2025)
  13. Indian Defence News: Microbes in microgravity, Indian students' nanosatellite aims to help astronauts stay healthy (20 February 2025)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#poem-4#pslv-c60#isro#cowpea#space biology#orbital platform#space debris#start-ups

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: বিজ্ঞান ও মহাকাশ
ইসরো ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কক্ষপথে ২২০ কেজির দুটি উপগ্রহ জুড়েছে, ১৩ মার্চ আলাদা করেছে, ২০ এপ্রিল আবার জুড়েছে আর ২১ এপ্রিল তাদের মধ্যে বিদ্যুৎ পাঠিয়েছে
২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একটি পিএসএলভি উৎক্ষেপণ, ৩ মিটার পর্যন্ত একটি মহড়া, ১৬ জানুয়ারি স্পর্শ, ২০ এপ্রিল দ্বিতীয় স্বয়ংক্রিয় ডকিং আর ২১ এপ্রিল উপগ্রহ দুটির মধ্যে বিদ্যুৎ পাঠানো। স্পেডেক্স কী প্রমাণ করেছে, আর ইসরো কোন পরবর্তী উড়ান খতিয়ে দেখছে।
আদিত্য-এল১ ও ইউরোপের প্রোবা-৩ ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর সূর্যের একই দুটি অগ্ন্যুৎপাত দেখেছিল, আর বেঙ্গালুরুর নেতৃত্বাধীন একটি দল দুই মহাকাশযানের তথ্য নিয়ে প্রথম যৌথ বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে
ভারতে তৈরি একটি যন্ত্র আর ইউরোপে তৈরি আরেকটি সূর্যের বায়ুমণ্ডলের একই অংশের দিকে তাকিয়েছিল। ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর প্রত্যেকে কী নথিভুক্ত করল, লেখকদের দেওয়া সংখ্যাগুলো, আর তাঁরা নিজেরাই যে খোলা প্রশ্নগুলো তালিকাভুক্ত করেছেন।
ভারতের NavIC এখনই ১০,৪০০-র বেশি রেল ইঞ্জিন ট্র্যাক করে আর ৪০,০০০-এর বেশি মাছ ধরার নৌকাকে সেবা দেয়, আর এর স্বাধীন অবস্থান-নির্ণয় ফেরানোর জন্য তৈরি উপগ্রহ NVS-03 উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত
ইসরো ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে প্রথম সাতটি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছিল, আর এই ব্যবস্থা এখন মাছ ধরার নৌকা ও রেল ইঞ্জিন ট্র্যাক করে এবং ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা পাঠায়। এখানে আছে কক্ষপথের নকশা, বর্তমান ঘাটতির পেছনের ঘড়ির সমস্যা, আর সেই ঘাটতি পূরণের অপেক্ষায় থাকা উপগ্রহটির কথা।
← সব লেখা