ছবি: Dr. Raju Kasambe / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)
বাংলা
মণিপুরের বন বিভাগ ১৯৭৫ সালের জরিপে গুনেছিল ১৪টি সাঙ্গাই আর ২০১৬ সালের মার্চের গণনায় ২৬০টি, সবই একটিমাত্র উদ্যানে, যার মাটি ভাসমান উদ্ভিদের স্তর। ২০২৬ সালের গণনা প্রতিবেদনে সাঙ্গাই ১৭২টি আর হগ ডিয়ার ৩৭৫টি, আর ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের পরিকল্পনায় সংখ্যাটি অনেক কম।
মণিপুরের ব্রো-অ্যান্টলার্ড হরিণ সাঙ্গাই ১৯৭৫ সালের এক আকাশপথ জরিপে গোনা হয়েছিল ১৪টি, আর রাজ্য বন বিভাগের ২০১৬ সালের মার্চের গণনায় ২৬০টি। বুনো সাঙ্গাই সবই থাকে একটিমাত্র জায়গায়, কেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যানে। লোকটাক হ্রদের দক্ষিণ কিনারে প্রায় ৪০ বর্গ কিমির এই সংরক্ষিত এলাকার মাটি গাছপালা আর মাটির ভাসমান স্তর।
বন বিভাগের সাম্প্রতিকতম প্রতিবেদন, সাঙ্গাই গণনা প্রতিবেদন ২০২৬, উদ্যানে গুনেছে ১৭২টি সাঙ্গাই আর ৩৭৫টি হগ ডিয়ার। মুখ্য বন্যপ্রাণ রক্ষকের বিজ্ঞপ্তিতে গণনা ঠিক হয়েছিল ২০ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। পরের অংশগুলোয় সংখ্যাটি রাখা হয়েছে রেকর্ডে থাকা অন্য সংখ্যাগুলোর পাশে, কারণ সব গণনা এক কথা বলে না।
যে উদ্যানের মাটি ভাসে
ভাসমান মাটির নাম ফুমদি। ডাউন টু আর্থ একে বর্ণনা করেছে দেশীয় গাছ আর ঘাসে বোনা মাটি ও জৈব পদার্থের স্তর হিসেবে, যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ থাকে জলের ওপরে, আর পুরুত্ব কয়েক সেন্টিমিটার থেকে দুই মিটারের বেশি পর্যন্ত। ভারত সরকারের বন্যপ্রাণ গবেষণা সংস্থা, দেহরাদুনের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (ডব্লিউআইআই) দেখেছে, প্রাপ্তবয়স্ক একটি সাঙ্গাইয়ের ভার বইতে হলে স্তরটি অন্তত এক মিটার পুরু হতে হয়, একই প্রতিবেদন অনুযায়ী।
মঙ্গাবে ইন্ডিয়া জাতীয় উদ্যানের আয়তন ধরেছে ৪০ বর্গ কিমি আর বলেছে তার মধ্যে মাত্র প্রায় ২২ বর্গ কিমি অবিচ্ছিন্ন ফুমদি, যা হরিণ ধরে রাখার মতো পুরু। কারেন্ট কনজারভেশন দিয়েছে ২৩ বর্গ কিমি। হ্রদ পরিচালনাকারী মণিপুর সরকারের সংস্থা লোকটাক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বলছে, উদ্যানটি প্রায় ২৭ বর্গ কিমির অবিচ্ছিন্ন ভাসমান ফুমদির স্তূপ, আর একে তারা বলেছে বিশ্বের বৃহত্তম ভাসমান সংরক্ষিত বন্যপ্রাণ এলাকা। মঙ্গাবে আর ডাউন টু আর্থ দুজনেই একে একমাত্র ভাসমান জাতীয় উদ্যান বলেছে।
হ্রদটি রামসার কনভেনশনের তালিকাভুক্ত, জলাভূমি নিয়ে আন্তর্জাতিক এই চুক্তির। রামসার সাইটস ইনফরমেশন সার্ভিস তালিকাভুক্তির তারিখ দিয়েছে ২৩ মার্চ ১৯৯০ আর আয়তন ২৬,৬০০ হেক্টর, অর্থাৎ ২৬৬ বর্গ কিমি। অন্য সূত্রগুলো দিয়েছে ২৩৬ বর্গ কিমি (ইস্টার্ন মিরর) থেকে ২৮৭ বর্গ কিমি (অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সংক্ষিপ্তসার আর মঙ্গাবের ২০২২ সালের প্রতিবেদন) পর্যন্ত, তাই হ্রদের আকার নির্ভর করে জরিপ আর ঋতুর ওপর।
লোকটাক ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে ফুমদি হ্রদের প্রায় অর্ধেক এলাকা জুড়ে আছে। সেখানে এও লেখা আছে যে লোকটাক আর তার সংযুক্ত জলাভূমির ভেতরে ও চারপাশে আছে ৪৫টি গ্রাম আর ২৯টি শহর, আর মণিপুর উপত্যকার ১৪ শতাংশ মানুষ থাকেন হ্রদের ভেতরে ও আশেপাশে।
বিলুপ্ত ঘোষণা, তারপর ১৯৫০-এর দশকের গোড়ায় আবার খুঁজে পাওয়া
পুনরাবিষ্কারের সাল নিয়ে বিবরণগুলো একমত নয়। ডাউন টু আর্থ বলছে হরিণটিকে ১৯৫১ সালে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল আর কয়েক বছর পরে ভাসমান তৃণভূমিতে তাকে দেখা যায়। মাদ্রাজ কুরিয়ার অবশিষ্ট একটি পালের খোঁজ পাওয়ার সাল দিয়েছে ১৯৫৩। কারেন্ট কনজারভেশন পুনরাবিষ্কারের কৃতিত্ব দিয়েছে ব্রিটিশ চা-বাগানের মালিক ও প্রকৃতিবিদ এডওয়ার্ড প্রিচার্ড গী-কে, সাল দিয়েছে ১৯৫১, আর বলেছে তাঁর প্রতিবেদন বেরিয়েছিল বম্বে ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটির জার্নালে ১৯৬০ সালের ডিসেম্বরে।
প্রজাতিটির ১৯৯২ সালের জনসংখ্যা ও আবাসের টিকে থাকার সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন, যা লিখেছে জু আউটরিচ অর্গানাইজেশন, বর্ণনা করেছে তারপর কী ঘটেছিল। শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে পাওয়া গিয়েছিল ১০০-র কম সংখ্যার একটি অবশিষ্ট দল। এরপর এক বন্যায় অনেক প্রাণী মারা যায়, আর তার পরের গণনায় পাওয়া যায় ১৪টি। সংখ্যাটি দেখে উদ্বিগ্ন কর্তৃপক্ষ এলাকাটিকে বিজ্ঞপ্তিভুক্ত করে, যা ১৯৭৭ সালে জাতীয় উদ্যান হয়। একই নথি বলছে, জাতীয় বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন ১৯৭২ আসার আগেই মণিপুর বন বিভাগ নিজের বন্যপ্রাণ বিধি করেছিল।
কারেন্ট কনজারভেশন বলছে, ওই আইনের পরে এম. কে. রণজিৎসিংহের ১৯৭৫ সালের আকাশপথ জরিপে এখন যে এলাকা উদ্যান হিসেবে বিজ্ঞপ্তিভুক্ত তাতে পাওয়া যায় ১৪টি হরিণ। ১৯৭৫ সালের জরিপ আর বন্যার পরের গণনা একই গণনা ছিল কি না, বিবরণগুলো তা বলে না।
চিড়িয়াখানায় আছে একটি বাড়তি ভরসা। ১৯৯২ সালের মূল্যায়ন বলছে বন্দি দলটি এসেছে বুনো থেকে নেওয়া চারটি প্রাণী থেকে, দুটি ১৯৫৬ সালে কলকাতায় আর দুটি ১৯৬২ সালে দিল্লিতে পাঠানো, আর ১৯৯২ সালের মধ্যে ভারতের চিড়িয়াখানাগুলোয় ছিল প্রায় ১০০টি সাঙ্গাই। ডাউন টু আর্থ বলছে এখন ভারতের চিড়িয়াখানায় আরও প্রায় ২০০টি আছে। মাদ্রাজ কুরিয়ার অনুযায়ী হরিণটি আইইউসিএন রেড লিস্টে বিপন্ন আর ভারতের বন্যপ্রাণ (সুরক্ষা) আইন ১৯৭২-এর প্রথম তফসিলে তালিকাভুক্ত।
১৪ থেকে ২৬০, আর যে গণনাগুলো মেলে না
একই ১৯৯২ সালের নথির একটি সারাংশ-পাতা ১৯৯৪ সালে বুনো সংখ্যা ধরেছে প্রায় ১৩৭। আসাম ট্রিবিউনের ২০১৩ সালের গণনার প্রতিবেদনে ২০০৩ সালের জন্য ১৮০ আর ২০১৩ সালের জন্য ২০৪, যার মধ্যে ৯০টি পুরুষ, ৮৬টি স্ত্রী আর ২৮টি শাবক। ইস্টার্ন মিররের ২০১৮ সালের মার্চের প্রতিবেদন বলছে ২০১৬ সালের মার্চের গণনায় পাওয়া গিয়েছিল ২৬০টি, আর বিশেষজ্ঞদের অনুমান উদ্যানটি প্রায় ২৯৭টি ধরে রাখতে পারে। ১৯৯২ সালের মূল্যায়ন ধারণক্ষমতার মডেল করেছিল ৩০০।
এসব গণনা এসেছে নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়ানো পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে। ইস্টার্ন মিররের মতে ২০১৩ সালের গণনায় ব্যবহার হয়েছিল ৩২টি স্থান আর ২০১৮ সালের গণনায় ৩১টি গণনা-বিন্দু, ২০১৮ সালে অংশ নিয়েছিলেন ৭৪ জন গবেষক, ছাত্র, এনজিও সদস্য ও বন্যপ্রাণ কর্মী।
অন্য অনুমান আরও কম। ডাউন টু আর্থ জানাচ্ছে ডব্লিউআইআইয়ের ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের এক সংরক্ষণ পরিকল্পনায় বুনোয় পাওয়া গেছে ৬৪টি হরিণ, আর সংস্থাটি বলছে ২০১৬ সালের সংখ্যা ফাঁপানো হতে পারে। ২০১৮ সালে মঙ্গাবে ডব্লিউআইআইয়ের জীববিজ্ঞানীদের উদ্ধৃত করে প্রজননক্ষম প্রাপ্তবয়স্কের সংখ্যা বলেছিল ১০০-র কম, বন বিভাগের প্রায় ২৬০-এর বিপরীতে। এই লেখার জন্য খোলা সূত্রগুলো দুই ধারার মিল ঘটায়নি।
২০২৬ সালের গণনা দুই ধারার মাঝখানে পড়ে। ইস্টার্ন মিরর জানাচ্ছে ইম্ফলে ৭৭তম বন মহোৎসবে প্রকাশিত সাঙ্গাই গণনা প্রতিবেদন ২০২৬, যা তারা ১৯ জুলাই ২০২৬ কভার করেছে, অনুমান করেছে ১৭২টি সাঙ্গাই আর ৩৭৫টি হগ ডিয়ার। হগ ডিয়ার ফুমদিতে সাঙ্গাইয়ের সঙ্গে থাকে। পত্রিকাটি সংখ্যাটিকে আগের গণনার সঙ্গে তুলনা করেনি, আর গণনার পদ্ধতিও দেয়নি।
যে ব্যারেজ জল বদলে দিয়েছে
ইথাই ব্যারেজ মণিপুর নদীর ওপর, হ্রদের একমাত্র নির্গমনপথে, আর এটি লোকটাক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অংশ। অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন বলছে ১০৫ মেগাওয়াটের এই প্রকল্প চালু হয়েছিল ১৯৮৩ সালে, ৩৫ মেগাওয়াটের তিনটি ইউনিট নিয়ে। সাইনপোস্ট নিউজ ২০২৩ সালের এপ্রিলে পরিবেশমন্ত্রীর বক্তব্য জানিয়ে বলছে নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালে।
ব্যারেজ হ্রদকে সারা বছর উঁচুতে ধরে রাখে। অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সংক্ষিপ্তসার বলছে এটি তৈরির পর জলস্তরের বার্ষিক ওঠানামা প্রায় ৩.১ মিটার থেকে নেমে প্রায় ১.৪ মিটার হয়েছে। মঙ্গাবে বলছে হ্রদ রাখা হয় গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৬৯.১২ মিটার উচ্চতায়। মঙ্গাবের উদ্ধৃত গবেষকেরা বলেছেন আগের চক্রে শুকনো মরসুমে ফুমদি হ্রদের তলা ছুঁয়ে পুষ্টি নিত আর বর্ষায় আবার ভেসে উঠত।
আর. ডি. কাঙ্গাবাম, এম. সেলভারাজ ও এম. গোবিন্দরাজুর এক স্যাটেলাইট সমীক্ষা ১৯৭৭ আর ২০১৫ সালের ছবি তুলনা করেছে। ইন্ডিয়া ওয়াটার পোর্টাল জানাচ্ছে ওই সময়ে পাতলা-উদ্ভিদের ফুমদি কমেছে প্রায় ৫০ বর্গ কিমি, আর লেখকেরা পরিবর্তনটিকে ব্যারেজ ও হ্রদের চারপাশের ভূমিব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। ডাউন টু আর্থ যোগ করছে, প্রকল্প থেকে বর্ষার উল্টো স্রোত উদ্যানের ভেতরের ফুমদি ক্ষয় করে আর নিচের শহরগুলোর নর্দমার জল বয়ে আনে।
সাইনপোস্ট নিউজ জানাচ্ছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রকল্প চালানো সংস্থা এনএইচপিসি উদ্যানের আবাসের সুবিধার জন্য ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ব্যারেজের জলস্তর ধীরে ধীরে নামিয়ে ড্রডাউন স্তরে আনতে রাজি হয়েছিল। এই লেখার জন্য খোলা কোনো সূত্র ওই তারিখের পরে কী হয়েছে তা জানায়নি। একই প্রতিবেদনে পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, প্রকল্পটি ১৯৯৪ আর ২০০৬ সালের পরিবেশ ছাড়পত্র বিধির আগেকার।
রামসার তালিকা, মন্ত্রো রেকর্ড আর হ্রদ কর্তৃপক্ষ
রামসার কনভেনশন মন্ত্রো রেকর্ড নামে একটি নিবন্ধন রাখে, তালিকাভুক্ত যেসব জলাভূমির অগ্রাধিকারে মনোযোগ দরকার তাদের। এর নির্দেশিকা নথি ভারতের তিনটি এন্ট্রির মধ্যে লোকটাককে রেখেছে, যা ১৯৯৩ সালে যোগ হয় জলাধার এলাকায় বনভূমি কমা, কচুরিপানা আর দূষণের কারণে। রামসারের সাইট-পাতা তারিখ দিয়েছে ১৬ জুন ১৯৯৩। নথিটিতে ভারতের অন্য দুটি এন্ট্রি ছিল কেওলাদেও আর চিলিকা। চিলিকা পরে রেকর্ড থেকে নামানো হয়, যেমন tuput-এর হ্রদটি নিয়ে লেখা দেখিয়েছে।
মণিপুর সরকার লোকটাক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি গঠন করে ১৯৮৬ সালে। এটি মণিপুর লোকটাক লেক (সুরক্ষা) আইন ২০০৬-এর অধীনে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, যা বিজ্ঞপ্তিভুক্ত হয় ৫ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে, আর মুখ্যমন্ত্রী এর প্রধান। ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের প্রতিবেদন তার প্রধান সমস্যার মধ্যে উদ্যানের ক্ষয়িত ফুমদির কথা লিখেছে, আর বলেছে তার পরের প্রকল্প লোকটাক হ্রদের বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহারের সমন্বিত পরিকল্পনা: পাঁচ বছর, ১৪৫.২৬ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অনুমোদিত।
দ্য সেন্টিনেল ২০ মার্চ ২০২৪ জানিয়েছিল, কেন্দ্র একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যার লক্ষ্যের মধ্যে আছে মন্ত্রো রেকর্ড থেকে নাম তোলা, সঙ্গে ভাসমান জৈব পদার্থ তোলা, জলের মান নিয়ে কাজ আর উদ্যানের সীমানা সুসংহত করা। কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন বলছে নতুন প্রকল্প শুরুর অনুমতি চেয়ে তারা মণিপুর হাইকোর্টে হলফনামা দিয়েছে। অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন উল্লেখ করেছে ৭ আগস্ট ২০১৯-এর হাইকোর্টের এক আদেশ, যা আদালতের অনুমতি ছাড়া হ্রদে নতুন প্রকল্প নিষিদ্ধ করেছে।
কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ২০২৩ সালের এপ্রিলে বলেছিলেন, সাইনপোস্ট নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রক ১৯৮৮ থেকে ১৯৮৯ সাল থেকে হ্রদের জন্য মণিপুরকে অর্থ দিয়ে আসছে আর ছেড়েছে ১৬.৮৬ কোটি টাকা।
দ্বিতীয় আবাসের খোঁজ
১৯৯২ সালের মূল্যায়ন প্রজাতিটির বিস্তার-এলাকার অন্য কোথাও বাড়তি বুনো জনসংখ্যা গড়ার সুপারিশ করেছিল, কারণ একটিমাত্র বন্যা, আগুন বা রোগের প্রাদুর্ভাব একমাত্র পালটির ক্ষতি করতে পারে। মঙ্গাবে ২০১৮ সালে জানিয়েছিল ডব্লিউআইআই দ্বিতীয় জনসংখ্যার জন্য উপযুক্ত বলে চিহ্নিত করেছে একটি জলাভূমি পুমলেন পাট আর লাগোয়া থোঙ্গাম মন্দুম সংরক্ষিত বন, থৌবাল জেলায় মোট ৬৩ বর্গ কিমি, আর রাজ্য বন্যপ্রাণ পর্ষদের ষষ্ঠ বৈঠকে ২০১৭ সালের মে মাসে জায়গাটি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
মাদ্রাজ কুরিয়ার ২০২৪ সালের আগস্টে জানিয়েছিল, ডব্লিউআইআই যে পাঁচটি স্থান চিহ্নিত করেছে তার মধ্যে পুমলেন পাটকে সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করে। হ্রদে আর মাছ ধরায় নাগাল হারানোর ভয়ে স্থানীয় সম্প্রদায়গুলো সরানোর বিরোধিতা করেছে, আর ডব্লিউআইআই বলেছে স্থানীয়দের নাগাল হারাবে না। সংরক্ষণ-জিনবিজ্ঞানী অজয় গৌর ২০১৮ সালে মঙ্গাবেকে বলেছিলেন, পালটির জিনগত বৈচিত্র্য কম বলে তা রোগ আর কমে যাওয়া প্রজননক্ষমতার ঝুঁকিতে।
২০২৬ সালের গণনা প্রতিবেদন, ইস্টার্ন মিরর যেভাবে বর্ণনা করেছে, সাঙ্গাই ও হগ ডিয়ারের প্রতিযোগিতাকে বলেছে ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত উদ্বেগ। সেটি কম সংখ্যক কিশোর ও শাবকের কথাও তুলেছে আর হগ ডিয়ারকে উদ্যান থেকে অন্য উপযুক্ত সংরক্ষিত এলাকায় সরানোর সুপারিশ করেছে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Ramsar Sites Information Service: Loktak Lake, site 463 (designated 23 March 1990; Montreux Record 16 June 1993)
- Ramsar Convention Bureau: The Montreux Record Management Guidance Procedure (lists Loktak Lake among India's Montreux Record sites)
- Loktak Development Authority, Government of Manipur: Annual Administrative Report 2025-26
- Zoo Outreach Organisation and CBSG India: Population and Habitat Viability Assessment report for the Manipur brow-antlered deer (Sangai), Mysore workshop of 11 to 14 October 1992
- The Frontier Manipur: Keibul Lamjao National Park to remain closed from Feb 20 to 27 for Sangai census (public notice of the Chief Wildlife Warden, Manipur)
- Imphal Times: Sangai population census from February 20 (18 February 2026)
- Eastern Mirror: Hog deer outnumber Sangai in Keibul Lamjao National Park (19 July 2026, updated 23 July 2026)
- Eastern Mirror: Manipur attempts latest count of its prized Sangai (26 March 2018)
- Assam Tribune: Census on Sangai deer begins (2013 census, 29 March dateline)
- Down To Earth: Drowning in its home (Anupam Chakravartty, 3 January 2026)
- Mongabay India: Seeking a second home for Manipur's dancing deer (Sahana Ghosh, 24 September 2018)
- Mongabay: India's dancing deer and their unique floating home are under threat (Sahana Ghosh, 31 July 2018)
- Current Conservation: One last dance, the fate of Manipur's dancing deer (Priya Ranganathan, 9 October 2019)
- Madras Courier: Saving Manipur's endangered Sangai deer (22 August 2024)
- Observer Research Foundation: The Ithai barrage of Manipur, to decommission or not (Jaya Thakur, ORF Issue Brief 364)
- India Water Portal: Loktak lake is changing, satellite study links hydropower, livelihoods and wetland degradation (Kangabam, Selvaraj and Govindaraju)
- Signpost News: Manipur asked to submit timeline for removal of Loktak Lake from Montreux Record (29 April 2023)
- The Sentinel: Loktak Lake Integrated Management Plan approved (20 March 2024)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।