Skip to content
মেরি কম ছয়টি বিশ্ব বক্সিং খেতাব ও আট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ পদকের রেকর্ড জিতেছেন, আর লন্ডন ২০১২-তে অলিম্পিক ব্রোঞ্জ নিয়ে হয়েছেন অলিম্পিকের মঞ্চে ওঠা প্রথম ভারতীয় নারী বক্সার
খেলাধুলা

মেরি কম ছয়টি বিশ্ব বক্সিং খেতাব ও আট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ পদকের রেকর্ড জিতেছেন, আর লন্ডন ২০১২-তে অলিম্পিক ব্রোঞ্জ নিয়ে হয়েছেন অলিম্পিকের মঞ্চে ওঠা প্রথম ভারতীয় নারী বক্সার

ছবি: President's Secretariat / Wikimedia Commons, GODL-India (ছাঁটা)

বাংলা

মেরি কম বিশ্ব খেতাব জিতেছেন ২০০২, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৮, ২০১০ ও ২০১৮ সালে, তার সঙ্গে ২০০১ সালের একটি রুপো আর ২০১৯ সালের একটি ব্রোঞ্জ, সব মিলিয়ে আটটি বিশ্ব পদক। প্রথম অলিম্পিক নারী বক্সিং প্রতিযোগিতা লন্ডন ২০১২-তে তিনি ভারতের একমাত্র নারী বক্সার হিসেবে ব্রোঞ্জ জেতেন।

· · 5 মিনিটের পাঠ

মেরি কম নারীদের বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে আটটি পদক জিতেছেন, তার ছয়টি সোনা, আর আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির তাঁর অ্যাথলিট-পাতা এই মোটকে রেকর্ড বলেছে। তাঁর অলিম্পিক পদকটি লন্ডন ২০১২-র একটি ব্রোঞ্জ, প্রথম অলিম্পিক নারী বক্সিং প্রতিযোগিতায়। অলিম্পিক ফলাফলের ডেটাবেস অলিম্পেডিয়া তাঁকে অলিম্পিকে পদক জেতা তৃতীয় ভারতীয় নারী বলে তালিকাভুক্ত করেছে, আর দ্য ব্রিজ বলছে ওই গেমসে তিনিই ছিলেন ভারতের একমাত্র নারী বক্সার।

১৫ বছর বয়সে ইম্ফলে শুরু

অলিম্পেডিয়া তাঁর জন্ম তালিকাভুক্ত করেছে ১৯৮৩ সালের ১ মার্চ, মণিপুরের চুড়াচাঁদপুর জেলার কাঙ্গাথেইতে। আইওসি বলছে তিনি এসেছিলেন এক গরিব কৃষক পরিবার থেকে এবং ১৯৯৮ সালে ব্যাংককে এশিয়ান গেমসে ডিংকো সিংয়ের সোনা তাঁকে বক্সিংয়ের দিকে টেনেছিল। তিনি ১৫ বছর বয়সে ঘর ছেড়ে ইম্ফল স্পোর্টস একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিতে যান এবং শুরুতে তা তাঁর বাবা, এক প্রাক্তন কুস্তিগীরের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ২০০০ সালে রাজ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খবরের কাগজে তাঁর ছবি ছাপা হলে বাবা জেনে যান, আইওসি বলছে।

আটটি বিশ্ব পদক, ক্রমানুসারে

পেনসিলভানিয়ার স্ক্র্যান্টনে ২০০১ সালে নারীদের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর বয়স ছিল ১৮, আর তিনি রুপো জেতেন, আটটি পদকের প্রথমটি, আইওসি বলছে। তাঁর ছয়টি খেতাবের প্রথমটি আসে ২০০২ সালে তুরস্কে, দ্য কুইন্ট জানিয়েছে। অলিম্পিক মিউজিয়ামের প্রোফাইল ২০১০ পর্যন্ত বাকিগুলোর তালিকা দিয়েছে ২০০৫, ২০০৬, ২০০৮ ও ২০১০, যাতে ওই বছর পর্যন্ত পাঁচটি সোনা হয়।

স্ক্রল জানাচ্ছে, পঞ্চম খেতাবের পর তিনি এক ওজন-শ্রেণি ওপরে, ৫১ কেজিতে, উঠেছিলেন লন্ডন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনের জন্য, কারণ লন্ডনের তিনটি নারী শ্রেণির মধ্যে তাঁর পুরনোটি ছিল না। অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া তাঁর ছয়টি সোনা আর রুপোকে ৪৮ কেজির ফলাফল বলেছে এবং জানিয়েছে অলিম্পিকে নারীদের জন্য ৪৮ কেজি শ্রেণি নেই।

ষষ্ঠ খেতাবটি আসে ২০১৮ সালের ২৪ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে। ৩৫ বছর বয়সে তিনি ৪৮ কেজির ফাইনালে ইউক্রেনের হান্না ওখোটাকে হারান ৫-০, পাঁচ বিচারকের কার্ডেই, দ্য কুইন্ট ও গাল্ফ নিউজে এএফপির প্রতিবেদন দুটি অনুযায়ী। এই জয়ে তিনি আয়ারল্যান্ডের কেটি টেলরকে ছাড়িয়ে যান, যাঁর পাঁচটি সোনা ছিল, আর দ্য কুইন্ট তাঁকে ছয়টি বিশ্ব খেতাব জেতা প্রথম নারী বলেছে। স্ক্রল একটি শর্ত যোগ করেছে: কিউবার ফেলিক্স সাভনও ছয়টি বিশ্ব খেতাব জিতেছেন, পুরুষদের হেভিওয়েটে, তাই রেকর্ডটি একজন পুরুষের সঙ্গে ভাগ করা।

দ্য কুইন্ট আরও লিখেছে ক্যারিয়ার কত দীর্ঘ হয়েছে: কম যখন প্রথম খেতাব জেতেন তখন ওখোটার বয়স ছিল ছয়, আর ফাইনালটি এসেছিল তার ১৬ বছর পর আর তাঁর পঞ্চম খেতাবের আট বছর পর। স্ক্রল বলছে, দু’বার সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তিনি রিংয়ে ফিরেছিলেন। দিল্লি ফাইনালের দুই মাস পর, এএফপি জানিয়েছে, তিনি বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠেন।

অষ্টম পদকটি আসে ২০১৯ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার উলান-উদেতে। অলিম্পিকের ওজন ৫১ কেজিতে খেলে তিনি ১০ অক্টোবর কলম্বিয়ার ইনগ্রিত ভালেন্সিয়াকে ৫-০তে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছান এবং পদক নিশ্চিত করেন। অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া বলছে, ওই জয় সাভনের সঙ্গে সমতা ভেঙে তাঁকে আটটি বিশ্ব পদকওয়ালা একমাত্র বক্সার করে, পুরুষ বা নারী। তিনি সেমিফাইনালে তুরস্কের বুসেনাজ চাকিরোগলুর কাছে ১-৪ হেরে ব্রোঞ্জ পান। ভারত সিদ্ধান্তটির পর্যালোচনা চেয়েছিল, আর আইবা-র টেকনিক্যাল কমিটি অনুরোধটি নাকচ করে, দ্য প্রিন্টে পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেটি এ-ও জানিয়েছে যে ব্রোঞ্জটি ছিল তাঁর ৫১ কেজিতে প্রথম বিশ্ব পদক। ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বরের হিসাবে আইওসির অ্যাথলিট-পাতা এখনও আটটি বিশ্ব পদককে রেকর্ড বলে বর্ণনা করছে।

লন্ডন ২০১২: তিনটি ওজন-শ্রেণি, একজন ভারতীয় নারী

নারী বক্সিং লন্ডনে অলিম্পিকে অভিষিক্ত হয় তিনটি শ্রেণি নিয়ে: ফ্লাইওয়েট (৫১ কেজি), লাইটওয়েট (৬০ কেজি) আর মিডলওয়েট (৭৫ কেজি), দ্য ব্রিজ বলছে। কম প্রায় এক দশক ধরে লড়েছিলেন ৪৬ কেজি ও ৪৮ কেজিতে, তাই তিনি ৫১ কেজিতে উঠলেন। দ্য ব্রিজ যোগ করেছে, তাঁর কোচ চার্লস অ্যাটকিনসন তাঁর সঙ্গে যেতে পারেননি, কারণ অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য দরকারি আইবা থ্রি-স্টার সনদ তাঁর ছিল না।

মঞ্চের পথে তাঁর যাত্রা, দ্য ব্রিজের স্কোরসহ:

  • শেষ ১৬: পোল্যান্ডের কারোলিনা মিখালচুকের বিরুদ্ধে ১৯-১৪, যাকে দ্য ব্রিজ অলিম্পিক ইতিহাসের তৃতীয় নারী বাউট বলেছে।
  • কোয়ার্টার-ফাইনাল: তিউনিসিয়ার মারওয়া রাহালির বিরুদ্ধে ১৫-৬। অলিম্পিক বক্সিংয়ে হেরে যাওয়া দুই সেমিফাইনালিস্টই ব্রোঞ্জ পান, তাই এই জয়ে পদক নিশ্চিত হয়।
  • সেমিফাইনাল: গ্রেট ব্রিটেনের নিকোলা অ্যাডামসের কাছে ৬-১১ হার।

অলিম্পেডিয়ার প্রিভিউ তিনজন সম্ভাব্য সোনাজয়ীর নাম করেছিল: চীনের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন রেন ক্যানক্যান, অ্যাডামস আর কম। এটি অ্যাডামসকে দুটি সুবিধা দিয়েছিল, কারণ তিনি স্বাভাবিক ফ্লাইওয়েট ছিলেন এবং নিজের দেশের দর্শকের সামনে লড়ছিলেন। অ্যাডামস ফাইনালে রেনকে হারান ১৬-৭, স্কোরটি অলিম্পেডিয়া ও স্পোর্টসকিডা দুটিই দিয়েছে। কম ব্রোঞ্জ ভাগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের মার্লেন এসপার্জার সঙ্গে। অলিম্পেডিয়া তাঁকে অলিম্পিকে পদক জেতা তৃতীয় ভারতীয় নারী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, সিডনি ২০০০-এ কর্ণম মল্লেশ্বরীর ভারোত্তোলনের ব্রোঞ্জের পরে। দ্য ব্রিজ নথিভুক্ত করেছে, লন্ডনে ভারতের ছয়টি পদক, দুটি রুপো ও চারটি ব্রোঞ্জ, এক গেমসে সবচেয়ে বেশি। অলিম্পেডিয়া তাঁকে সমাপনী অনুষ্ঠানে ভারতের পতাকাবাহক হিসেবেও তালিকাভুক্ত করেছে। তেলেঙ্গানা টুডে লভলিনা বরগোহাঁইকে টোকিও অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী বলে বর্ণনা করেছে।

এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে সোনা

অলিম্পেডিয়া তালিকাভুক্ত করেছে গুয়াংজু ২০১০ এশিয়ান গেমসে একটি ব্রোঞ্জ এবং ২০১৪ সালে ইনচনে সোনা। ইনচনের ফাইনাল নিয়ে এপির প্রতিবেদন, যা গাল্ফ নিউজ ছেপেছে, বলছে তিনি ৫১ কেজির ফাইনালে কাজাখস্তানের ঝাইনা শেকেরবেকোভাকে হারান। বরগোহাঁই ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর এশিয়ান গেমসের ৭৫ কেজি বক্সিংয়ে সোনা জিতলে আউটলুক ইন্ডিয়া আর তেলেঙ্গানা টুডে দুটিই তাঁকে ২০১৪ সালে কমের পর এ কীর্তি করা দ্বিতীয় ভারতীয় নারী বলেছে, যে ফলাফল tuput-এর ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসে ভারত বিবরণে আছে। দ্য প্রিন্টে পিটিআইয়ের প্রতিবেদন যোগ করেছে, ২০১৯ সালের মধ্যে তাঁর পাঁচটি এশীয় খেতাবও ছিল।

কমনওয়েলথ গেমসে তিনি সোনা জেতেন ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল গোল্ড কোস্টে, ৪৮ কেজি শ্রেণিতে, তাঁর প্রথম কমনওয়েলথ গেমসে। ফাইনালে তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের ক্রিস্টিনা ও’হারাকে ৫-০তে হারান। দ্য কুইন্ট একে কমনওয়েলথ গেমসে প্রথম ভারতীয় নারীর বক্সিং সোনা বলেছে, আর অলিম্পেডিয়া পদকটি তালিকাভুক্ত করেছে।

সম্মান, গেজেটের তারিখসহ

পদ্ম পুরস্কারের গেজেট অব ইন্ডিয়া বিজ্ঞপ্তিগুলো সালগুলো দেয় কোনো অস্পষ্টতা ছাড়াই:

  • পদ্মশ্রী: ২০০৬ সালের ২০ মার্চের বিজ্ঞপ্তি, যা তাঁকে মণিপুরের জন্য ক্রীড়া বিভাগে তালিকাভুক্ত করেছে।
  • রাজীব গান্ধী খেল রত্ন: ২০০৯, স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার তালিকা দেখাচ্ছে, ওই বছর বক্সার বিজেন্দর সিং আর কুস্তিগীর সুশীল কুমারের সঙ্গে ভাগ করে।
  • পদ্মভূষণ: ২০১৩ সালের ৫ এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তি, যাতে এম. সি. মেরি কম, ক্রীড়া, মণিপুর, তালিকাভুক্ত।
  • পদ্মবিভূষণ: ২০২০ সালের পুরস্কার প্রদানকারী ২০২১ সালের ৮ নভেম্বরের বিজ্ঞপ্তি।

টোকিও, বই আর চলচ্চিত্র

অলিম্পেডিয়া নথিভুক্ত করেছে, টোকিও ২০২০-তে তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের পতাকা বহন করেন এবং ৫১ কেজি শ্রেণিতে যৌথভাবে নবম হন। আইওসির অলিম্পিক মিউজিয়ামের প্রোফাইল বলছে, তিনি মেরি কম-এসএআই বক্সিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, যা সুবিধাবঞ্চিত এলাকার বক্সারদের সহায়তা করে, এবং ২০১৬ সালে তিনি ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে মনোনীত হন।

অলিম্পিক মিউজিয়াম বলছে, তাঁর আত্মজীবনী আনব্রেকেবল প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে। এপি অনুযায়ী, ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া একটি জীবনীচিত্রে নাম-ভূমিকায় ছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Olympedia: Mary Kom, athlete biography and Olympic results
  2. Olympedia: Flyweight (48-51 kilograms), Women, London 2012, results
  3. Olympics.com (IOC): Mary Kom, biography
  4. The Olympic Museum via Google Arts and Culture: Mary Kom, participant in the first women's boxing competition
  5. Olympic Council of Asia, 12 October 2019: India's Mary Kom makes history at Women's World Boxing Championships
  6. Gazette of India, Extraordinary, 20 March 2006: President's Secretariat notification of the Padma awards
  7. Gazette of India, Extraordinary, 5 April 2013: President's Secretariat notification of the Padma awards
  8. Gazette of India, Extraordinary, 8 November 2021: President's Secretariat notification of the Padma awards for the year 2020
  9. Sports Authority of India: List of Rajiv Gandhi Khel Ratna Awardees
  10. Scroll, 25 November 2018: There's something about Mary
  11. The Quint, 24 November 2018: Mary Kom wins World Championship final, defeats Hanna Okhota 5-0
  12. Gulf News (AFP): India's Mary Kom becomes world's top woman boxer
  13. ThePrint (PTI), October 2019: Boxer Mary Kom bags historic 8th World Championship medal, settles for bronze
  14. The Bridge, 18 June 2021: Behind an Olympic medal, Mary Kom's bronze at 2012 London
  15. Sportskeeda: Women's boxing, Britain's Adams wins flyweight gold
  16. Gulf News (AP): Mary Kom sets sights on 2016 Rio de Janeiro Olympic Games after winning gold at Asian Games
  17. The Quint, 14 April 2018: Mary Kom sweeps final 5-0, bags first CWG gold
  18. Outlook India, October 2026: Lovlina Borgohain wins 75kg boxing gold at Asian Games 2026, joins Mary Kom in exclusive club
  19. Telangana Today, 2 October 2026: Asian Games 2026, Lovlina Borgohain wins gold in women's 75kg boxing

পর্দায় ও বইয়ে

  • Mary Kom (2014) . প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নাম-ভূমিকায় নিয়ে একটি বলিউড জীবনীচিত্র; অলিম্পেডিয়া, আইওসির অলিম্পিক মিউজিয়াম ও এপি তিনটিই এটি নথিভুক্ত করেছে।
  • Unbreakable (2013) , লেখক Mary Kom . তাঁর আত্মজীবনী, আইওসির অলিম্পিক মিউজিয়ামের তালিকাভুক্ত।

এই তালিকা তাঁদের জন্য যাঁরা পর্দায় দেখা গল্পের পিছনের ইতিহাস খুঁজছেন। কোনো নাট্যরূপ সূত্র নয়, এবং এই কাজগুলির কোনোটির সঙ্গে tuput যুক্ত নয়।

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#mary kom#boxing#london 2012 olympics#world boxing championships#manipur#indian women athletes#asian games#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: খেলাধুলা
অঞ্জু বব্বি জর্জ ২০০৩ সালের ৩০ আগস্ট প্যারিসে ৬.৭০ মিটার লাফিয়ে লং জাম্পে ব্রোঞ্জ জেতেন, বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের প্রথম পদক, রুপোর ৪ সেন্টিমিটার পেছনে আর চতুর্থ স্থানের ৭ সেন্টিমিটার সামনে
ছয় প্রচেষ্টার পঞ্চমটিতে মরশুমের সেরা লাফ, ঠান্ডা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে একটি ফাইনাল, আর কেরল থেকে এথেন্স পর্যন্ত গড়ানো এক ক্যারিয়ার। লাফ ধরে ধরে রেকর্ড, ফলাফলের যে জায়গায় উৎসগুলো একমত নয়, আর ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের পরে কী এল।
কর্ণম মল্লেশ্বরী ২০০০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিডনিতে ২৪০ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন, অলিম্পিকে ভারতের কোনো মহিলার প্রথম পদক এবং সেই গেমসে দেশের একমাত্র পদক
শ্রীকাকুলামের এক গ্রামের যে ভারোত্তোলক বাঁকা বারবেল নিয়ে মাটিতে অনুশীলন করতেন, তিনি সিডনির কনভেনশন সেন্টারে পদক জিতলেন। লিফটগুলো, ব্যবধান, শেষ চেষ্টা নিয়ে তাঁর নিজের বিবরণ, আর তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে নথি কী বলে।
মিলখা সিং চারটি এশিয়ান গেমসের সোনা আর ১৯৫৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসের ৪৪০ গজ জিতেছিলেন, আর ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিকে তাঁর ৪৫.৭৩ সেকেন্ড ৩৮ বছর ভারতের ৪০০ মিটারের রেকর্ড ছিল
১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর সেনাবাহিনীতে যিনি অ্যাথলেটিক্সের সঙ্গে পরিচিত হন সেই এক স্প্রিন্টার, রোমের এক ফাইনাল যেখানে দুই বিজয়ীর মধ্যে ব্যবধান ছিল সেকেন্ডের শততমাংশ, আর হিন্দি ছবি, যা ২০১৩ সালে তাঁর গল্প নতুন দর্শকের কাছে নিয়ে গেছে।
← সব লেখা