Skip to content
কর্ণম মল্লেশ্বরী ২০০০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিডনিতে ২৪০ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন, অলিম্পিকে ভারতের কোনো মহিলার প্রথম পদক এবং সেই গেমসে দেশের একমাত্র পদক
খেলাধুলা

কর্ণম মল্লেশ্বরী ২০০০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিডনিতে ২৪০ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন, অলিম্পিকে ভারতের কোনো মহিলার প্রথম পদক এবং সেই গেমসে দেশের একমাত্র পদক

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

মহিলাদের ভারোত্তোলন যুক্ত হওয়া প্রথম অলিম্পিকে মল্লেশ্বরী ৬৯ কেজি বিভাগে স্ন্যাচে ১১০ কেজি আর ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৩০ কেজি, মোট ২৪০ কেজি তোলেন। চীনের লিন ওয়েনিং আর হাঙ্গেরির এরজেবেত মার্কুস-পেরেস্তেগি ২৪২.৫ কেজিতে সমান হন, মল্লেশ্বরী ছিলেন তাঁদের ২.৫ কেজি পেছনে। তিনি ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ছিলেন।

· · 6 মিনিটের পাঠ

২০০০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিডনি কনভেনশন সেন্টারে কর্ণম মল্লেশ্বরী স্ন্যাচে ১১০ কেজি আর ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৩০ কেজি, মোট ২৪০ কেজি তুলে মহিলাদের ৬৯ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। অলিম্পিকের ফল-তথ্যভান্ডার অলিম্পেডিয়া তাঁকে অলিম্পিকে পদক জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা বলেছে। সেই গেমসের জন্য তাদের দেশভিত্তিক পাতায় দেখা যায়, সিডনিতে ভারতের একমাত্র পদকটি তাঁর।

ফল, লিফট ধরে ধরে

১৩টি দেশের পনেরো জন ভারোত্তোলক ৬৯ কেজি বিভাগে নেমেছিলেন, আর অলিম্পেডিয়া অধিবেশনের সময় দিয়েছে ১৮:৩০। চীনের লিন ওয়েনিং সোনা জেতেন আর হাঙ্গেরির এরজেবেত মার্কুস-পেরেস্তেগি রুপো। দুজনেরই মোট ২৪২.৫ কেজি, আর তথ্যভান্ডারে দুটি সংখ্যাই অলিম্পিক রেকর্ড হিসেবে চিহ্নিত। মল্লেশ্বরীর ২৪০ কেজি তাঁকে তাঁদের ২.৫ কেজি পেছনে রাখে।

শীর্ষের টাই ভাঙে শরীরের ওজনে। মার্কুস-পেরেস্তেগির ওজন ছিল ৬৮.৫২ কেজি আর লিনের ৬৬.৭৪ কেজি, তাই হালকা চীনা ভারোত্তোলক সোনা পান। মল্লেশ্বরীর ওজন ছিল ৬৭.৯০ কেজি। অলিম্পেডিয়ার নথি অনুযায়ী তাঁর লিফট ছিল স্ন্যাচে ১১০ কেজি, যা দ্বিতীয়-সেরার সমান, লিনের সঙ্গে, আর ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৩০ কেজি, মার্কুস-পেরেস্তেগির সমান। লিনের ১৩২.৫ কেজি ছিল দিনের সেরা ক্লিন অ্যান্ড জার্ক, দুজন বুলগেরীয়র সঙ্গে ভাগ করা।

দুই বুলগেরীয়, মিলেনা ট্রেন্ডাফিলোভা আর দানিয়েলা কেরকেলোভা, ২৩২.৫ কেজিতে চতুর্থ ও পঞ্চম হন, ভারতীয় ভারোত্তোলকের ৭.৫ কেজি পেছনে।

মহিলাদের ভারোত্তোলনের প্রথম অলিম্পিক

মহিলাদের ভারোত্তোলন অলিম্পিকে অভিষিক্ত হয় সিডনিতে। অলিম্পেডিয়া বলছে, মহিলাদের সাতটি বিভাগ যোগ হয় আর জায়গা করে দিতে পুরুষদের কর্মসূচি দশটি থেকে আটটি ইভেন্টে কমানো হয়, ফলে মোট ১৫টি পদক ইভেন্ট দাঁড়ায়। প্রতিটি দেশ সাতটির মধ্যে সর্বোচ্চ চারটি বিভাগে মহিলাদের নামাতে পারত।

অলিম্পেডিয়ার গোনায় ভারত পাঠিয়েছিল ৬৫ জন ক্রীড়াবিদ, ৪৪ জন পুরুষ ও ২১ জন মহিলা। মহিলাদের মধ্যে দুজন ছিলেন ভারোত্তোলক: মল্লেশ্বরী আর সনমাচা চানু, যিনি ৫৩ কেজি বিভাগে ষষ্ঠ হন। স্ক্রোল জানায়, আগের চারটি গেমসে ভারত একটি মাত্র পদক জিতেছিল, ১৯৯৬ সালে লিয়েন্ডার পায়েসের টেনিস ব্রোঞ্জ, এবং মল্লেশ্বরীর ব্রোঞ্জকে গোনে ভারতের তৃতীয় ব্যক্তিগত অলিম্পিক পদক হিসেবে, ১৯৫২ সালে খাশাবা জাধবের কুস্তি ব্রোঞ্জ আর পায়েসের পরে। অলিম্পেডিয়া ভারতের নামে ১৯০০ সালের দুটি অ্যাথলেটিক্স রুপোও তালিকাভুক্ত করেছে, যে দাবির কথা tuput-এর জাধবের হেলসিঙ্কি ব্রোঞ্জের বৃত্তান্তে আছে, তাই গোনা নির্ভর করে সেগুলো ধরা হচ্ছে কি না তার ওপর।

শ্রীকাকুলামের এক জিম থেকে বিশ্ব মঞ্চে

অলিম্পেডিয়া জানায়, তিনি ১৯৭৫ সালের ১ জুন অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার ভুসাভানিপেটায় জন্মেছিলেন। ২০২০ সালের এক স্ক্রোল সাক্ষাৎকারে আছে, ১২ বছর বয়সে স্কুলের কাছের একটি জিমে তাঁর প্রথম যাওয়ার কথা। স্থানীয় প্রশিক্ষক নীলমশেট্টি আপ্পান্না তাঁকে অতি রোগা ও দুর্বল বলে ফিরিয়ে দেন। তাঁর বোনেরাও ভারোত্তোলন ধরেন, আর স্ক্রোল বলছে মায়ের সমর্থন তাঁকে চালিয়ে নিয়ে গেছে।

তিনি স্ক্রোলকে বলেছিলেন, সরঞ্জাম ছিল সামান্য: তিনি ও তাঁর বোনেরা মাটিতে অনুশীলন করতেন স্থানীয় একটি বারবেল নিয়ে, যেটি বেঁকে যেত আর সোজা করে নিতে হতো। স্ক্রোল জানায়, ১৯৯০ সালের এশিয়ান গেমসের আগে বেঙ্গালুরুতে জাতীয় শিবিরে, যেখানে তাঁর বোন প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, ভারতের রুশ প্রশিক্ষকের নজরে পড়েন তিনি। ১৯৯০ সালে উদয়পুরে তাঁর প্রথম জুনিয়র জাতীয় প্রতিযোগিতায় ৫২ কেজি বিভাগে তিনি নয়টি জাতীয় রেকর্ড ভাঙেন, স্ক্রোল বলছে।

আন্তর্জাতিক স্তরের ফল এল দ্রুত। স্ক্রোল ও দ্য ব্রিজ দুটিই জানায়, ১৯৯৩ সালে মেলবোর্নে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৫৪ কেজি বিভাগে তিনি ব্রোঞ্জ জেতেন আর ১৯৯৪ সালে ইস্তানবুলে সোনা, ভারতের প্রথম মহিলা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে। ১৯৯৫ সালে গুয়াংজুতে এল দ্বিতীয় খেতাব, আর ১৯৯৬ সালের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ। এর মাঝে অলিম্পেডিয়া তাঁর এশিয়ান গেমসের রুপোর তালিকা দিয়েছে: ১৯৯৪ সালে হিরোশিমায় (৫৪ কেজি) এবং ১৯৯৮ সালে ব্যাংককে (৬৩ কেজি)।

অলিম্পেডিয়ায় তাঁর পাতায় একটি বিশ্ব রেকর্ডও আছে ৫৪ কেজি ক্লিন অ্যান্ড জার্কে: ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর গুয়াংজুতে ১১৩.০ কেজি, যে মান টিকে ছিল ১৯৯৬ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। মহিলাদের ভারোত্তোলন তখনও অলিম্পিক খেলা ছিল না, তাই এর কিছুই কোনো গেমসের হিসাবে ধরা যেত না।

সিডনির জন্য ওপরের বিভাগে ওঠা

২০০০ সালে তাঁর বয়স ২৫। স্ক্রোল বলছে, তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল ৬৩ কেজি থেকে ৬৯ কেজিতে উঠতে, যে বিভাগে ১৯৯৮ সালে এশিয়ান গেমসের রুপো জিতেছিলেন, আর ৬৯ কেজিতে তিনি কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নামেননি। লেখাটি যোগ করে, সমালোচকেরা তাঁকে বাতিল করে দিয়েছিলেন, কারণ ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে তিনি কোনো বিশ্ব খেতাব জেতেননি।

৬৯ কেজিতে তাঁর মুখোমুখি ছিল এমন এক চীনা দল, যা অলিম্পেডিয়ার বিবরণে ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনজন আলাদা ভারোত্তোলককে দিয়ে বিশ্ব খেতাব জিতেছিল, আর তারা সিডনির জন্য লিন ওয়েনিংকে নামায়। মল্লেশ্বরী বাকি প্রতিযোগীদের ৭.৫ কেজি আগে শেষ করেন।

শেষ চেষ্টা

স্ক্রোলের লিফট ধরে ধরে বিবরণে তিনি স্ন্যাচ শুরু করেন ১০৫ কেজিতে, তারপর ১০৭.৫ কেজি ও ১১০ কেজি, সবই সফল। ক্লিন অ্যান্ড জার্ক গেছে ১২৫ কেজি, তারপর ১৩০ কেজি, যা তাঁকে ২৪০ কেজিতে নিয়ে যায়। লিন প্রথম চেষ্টাতেই ১৩২.৫ কেজি তুলে ফেলেছিলেন, আর মার্কুস-পেরেস্তেগি ১৩০ কেজির লিফটে লিনের মোটের সমান করেন।

শেষ চেষ্টায় তিনি চান ১৩৭.৫ কেজি, যা তাঁকে ২৪৭.৫ কেজি মোট দিত। তিনি তা পারেননি, আর স্ক্রোল জানায়, লিন ও মার্কুস-পেরেস্তেগিও তাঁদের শেষ চেষ্টায় ব্যর্থ হন। অলিম্পেডিয়ার সংখ্যা অনুযায়ী, ১৩২.৫ কেজির একটি লিফট তাঁকে অন্য দুজনের সঙ্গে ২৪২.৫ কেজিতে সমান করত, আর শরীরের ওজনের টাই-ব্রেকে সোনা যেত লিনের, রুপো তাঁর। স্ক্রোল সোনা জেতার সংখ্যাটি ১৩৩ কেজি বলেছে।

ব্যর্থতার দুটি ব্যাখ্যা নথিতে আছে। স্ক্রোলের প্রতিবেদনগুলো ১৩৭.৫ কেজি বেছে নেওয়ার কারণ বলেছে তাঁর প্রশিক্ষকদের হিসাবের ভুল, আর বলছে তিনি এর জন্য আক্ষেপ করেন। ২০১৬ সালের জুনে প্রকাশিত এক আউটলুক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, লিফটের সময় বারটি তাঁর ঘাড়ে লাগে, তিনি জ্ঞান হারান ও পা হারিয়ে ফেলেন, আর অনুশীলনে তিনি ১৩৭.৫ কেজির বেশি তুলেছেন। “এটা নার্ভাসনেসের জন্য হয়নি। সোনা জেতা আমার ভাগ্যে ছিল না,” তিনি পত্রিকাটিকে বলেছেন।

দেশে ফেরার পর কী রকম অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন, তাও তিনি বর্ণনা করেছেন। “একটা মেয়ে অলিম্পিক পদক জিততে পারে, এটা সবার কাছে ছিল একটা ধাক্কা,” তিনি ২০২০ সালে স্ক্রোলকে বলেছেন।

এথেন্স এবং সম্মাননা

২০০৪ সালের এথেন্স ছিল তাঁর দ্বিতীয় গেমস। অলিম্পেডিয়া ২০০৪ সালের ১৮ আগস্ট তাঁকে ৬৩ কেজি বিভাগে তালিকাভুক্ত করেছে, ফল ‘শেষ করতে পারেননি’।

তাঁর জাতীয় সম্মাননা দুটিই সিডনির আগের। স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার রাজীব গান্ধী খেলরত্ন প্রাপকদের তালিকায় তাঁর নাম ১৯৯৪-৯৫-এর জন্য, আর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর একটি ব্যাকগ্রাউন্ডারে বলা হয়েছে, তিনিই এই পুরস্কার পাওয়া প্রথম ভারতীয় মহিলা। ১৯৯৯ সালের ২৬ জানুয়ারির গেজেট অব ইন্ডিয়ার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আছেন কর্ণম মল্লেশওয়ারী বানানে, ক্রীড়ায় পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে, ভারোত্তোলন, শ্রীকাকুলাম থেকে।

২০২১ সালের জুনে দিল্লি সরকার তাঁকে দিল্লি স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য নিযুক্ত করে, ইন্ডিয়া টিভি নিউজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের যে আদেশ তারা উদ্ধৃত করেছে তার ভিত্তিতে।

এর পরে যা ঘটল

অলিম্পিকে পদক জেতা পরের ভারতীয় মহিলা তা করেন ১২ বছর পরে, স্ক্রোল বলছে; তাদের ২০২০ সালের সাক্ষাৎকারে যাঁরা অনুসরণ করেছেন বলে নাম এসেছে তাঁরা মেরি কম, সাইনা নেহওয়াল, পি. ভি. সিন্ধু ও সাক্ষী মালিক। tuput তাঁদের একজনকে নিয়ে লিখেছে পি. ভি. সিন্ধুর দুটি অলিম্পিক পদকের বৃত্তান্তে।

ভারোত্তোলনে ভারতের দ্বিতীয় অলিম্পিক পদক এসেছে টোকিওতে ২০২১ সালের ২৪ জুলাই, যখন মীরাবাই চানু মহিলাদের ৪৯ কেজি বিভাগে ২০২ কেজি, স্ন্যাচে ৮৭ কেজি আর ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১৫ কেজি তুলে রুপো জেতেন। অলিম্পেডিয়া একে ভারতের দ্বিতীয় অলিম্পিক ভারোত্তোলন পদক বলেছে, আর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ব্যাকগ্রাউন্ডার বলছে চানু মল্লেশ্বরীর সঙ্গে দেশের দ্বিতীয় ভারোত্তোলন পদকজয়ী হয়েছেন এবং রুপো জেতা প্রথম। ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর যেমন দেখা গেছে, অলিম্পেডিয়ার ভারতের পদক তালিকায় ভারোত্তোলনে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ।

ভারত ২০২৯ সালে সিনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক হবে, ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ভারোত্তোলন ফেডারেশন এই আয়োজন আহমেদাবাদকে দেওয়ার পর। tuput-এর আহমেদাবাদকে দেওয়া আয়োজনের প্রতিবেদনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের এ পর্যন্ত পদকগুলো দেওয়া আছে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Olympedia: Karnam Malleswari, athlete biography and Olympic results
  2. Olympedia: Light-Heavyweight (up to 69 kg), Women, Sydney 2000, lift-by-lift results
  3. Olympedia: Weightlifting at the 2000 Summer Olympics
  4. Olympedia: India at the 2000 Summer Olympics
  5. Olympedia: Middleweight (up to 63 kg), Women, Athens 2004, results
  6. Olympedia: Flyweight (up to 49 kg), Women, Tokyo 2020, results
  7. Olympedia: Mirabai Chanu, athlete biography and Olympic results
  8. Gazette of India, Extraordinary, 23 March 1999: President's Secretariat notification of 26 January 1999 listing the Padma awards
  9. Sports Authority of India: List of Rajiv Gandhi Khel Ratna Awardees
  10. Press Information Bureau: Backgrounder, National Sports Awards (November 2021)
  11. Scroll, 17 July 2021: Pause, rewind, play: Karnam Malleswari, the first Indian woman to win an Olympic medal
  12. Scroll, 4 May 2020: Karnam Malleswari interview, 'That a girl could win an Olympic medal came as a shock to everyone'
  13. Outlook, 17 June 2016: The Golden Bronze
  14. The Bridge: Behind an Olympic Medal, Karnam Malleswari's bronze at 2000 Sydney
  15. The Bridge, 2019: Indian women at the World Weightlifting Championships
  16. India TV News, June 2021: Karnam Malleswari appointed Delhi Sports University's first Vice Chancellor

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#karnam malleswari#weightlifting#sydney 2000 olympics#indian women athletes#olympic bronze#indian weightlifting#andhra pradesh#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: খেলাধুলা
অল্লুরি সীতারাম রাজু ১৯২২ সালের আগস্ট থেকে ১৯২৪ সালের মে পর্যন্ত গোদাবরীর পাহাড়ে গেরিলা অভিযান চালিয়েছিলেন, আর আজ অন্ধ্রপ্রদেশের একটি জেলা, ১৯৮৬ সালের একটি ডাকটিকিট ও ৩০ ফুট উঁচু একটি মূর্তি তাঁকে সম্মান জানাচ্ছে
মদ ছাড়া আর খাদি পরার কথা প্রচার করা এক তেলুগু ভ্রাম্যমাণ মানুষ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া রাইফেলে নিজের অনুগামীদের সজ্জিত করেছিলেন। তাঁর জন্মসাল, মৃত্যুর দিন আর এই অভিযানে মাদ্রাজ সরকারের খরচ কত হয়েছিল, তা নিয়ে ইতিহাসবিদেরা আজও একমত নন।
প্রকাশ পাডুকোন ১৯৮০ সালের অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন শিরোপা জিতেছিলেন একটি গেমও না হেরে, ফাইনালে দুবারের চ্যাম্পিয়ন লিম সুই কিংকে হারিয়ে ১৫-৩, ১৫-১০
মধ্য লন্ডনের একটি ওয়াইএমসিএ থেকে ট্রেনযাত্রা, ড্রপ আর নেট-খেলায় জেতা একটি ফাইনাল, আর প্রায় ১,০০০ পাউন্ডের পুরস্কার: ভারতীয় ব্যাডমিন্টন যেদিন প্রথম অল ইংল্যান্ডের মুকুট জিতেছিল, সেই দিনটি নিয়ে নথি আর পাডুকোনের নিজের বিবরণ কী বলে।
২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর আইডব্লিউএফ ২০২৯ সালের সিনিয়র বিশ্ব ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপ দিল আহমেদাবাদকে, ভারতে এই আসর এই প্রথম
নিংবোর একটি বৈঠকে একসঙ্গে চারটি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক ঠিক হয়েছে, তার একটি আসছে গুজরাটে। আইডব্লিউএফ কী ঠিক করল, আর কারা আয়োজনের অধিকার পেল, আর বিশ্ব আসরে ভারতীয় ভারোত্তোলকেরা এ পর্যন্ত কী জিতেছেন।
← সব লেখা