২০২৫ সালের ৭ মে ভারত ২৫ মিনিটে নয়টি লক্ষ্যে আঘাত হেনেছিল, তারপর তিন রাত নিজের বিমানঘাঁটিগুলোকে পাকিস্তানি ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে বাঁচিয়েছে
সংবাদ

২০২৫ সালের ৭ মে ভারত ২৫ মিনিটে নয়টি লক্ষ্যে আঘাত হেনেছিল, তারপর তিন রাত নিজের বিমানঘাঁটিগুলোকে পাকিস্তানি ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে বাঁচিয়েছে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে বন্দুকধারীরা ২৬ জনকে হত্যা করে। পনেরো দিন পর ভারতের সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান আর পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের নয়টি জায়গায় আঘাত হানে, তারপর তিন রাত ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলা করে স্তরে স্তরে সাজানো বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়। দুই সেনাবাহিনীর অভিযান-প্রধানদের একটি ফোনকলে ১০ মে বিকেল ৫টায় গোলাগুলি থামে।

tuput সম্পাদকীয় দল · · 11 মিনিটের পাঠ

২০২৫ সালের ৭ মে, বুধবার রাত ১:৪৪-এ ভারত সরকারের সংবাদ-দপ্তর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো একটি ছোট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনী ‘পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর’ বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুর শুরু করেছে। তারপর দুটি সাদামাটা বাক্য: ‘মোট নয়টি (৯) জায়গাকে লক্ষ্য করা হয়েছে।’ ‘পাকিস্তানের কোনো সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়নি।’

আঘাত চলেছিল ভারতীয় সময় রাত ১:০৫ থেকে ১:৩০ পর্যন্ত, বিবিসির হিসাবে ২৫ মিনিট। তার জবাবে এল ভারতের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে তিন রাত ধরে পাকিস্তানি ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় অফিসারেরা বলেছেন, বিমান-প্রতিরক্ষার জাল প্রায় সবটাই ঠেকিয়ে দিয়েছে, চারটি বিমানঘাঁটিতে ক্ষতি হয়েছে সীমিত। ১০ মে বিকেল ৩:৩৫-এ পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস তাঁর ভারতীয় সমকক্ষকে ফোন করেন। বিকেল ৫টায় গোলাগুলি থামে।

একটি নাম, দুই অফিসার আর ২১টি শিবিরের তালিকা

প্রথম বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২২ এপ্রিল পহেলগাম কেড়ে নেয় ২৬ জনের প্রাণ, ২৫ জন ভারতীয় আর একজন নেপালি নাগরিক। ৭ মে-র পরের ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার পর ভারতে কোনো সন্ত্রাসী হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা এত বেশি আর হয়নি, এবং নিহতদের বেশির ভাগকে গুলি করা হয়েছিল কাছ থেকে, তাঁদের পরিবারের সামনে।

সিঁদুর হলো সেই লাল গুঁড়ো, যা বিবাহিত হিন্দু নারী সিঁথিতে পরেন। ১২ মে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নামটির সরকারি ব্যাখ্যা দেন। অভিযানটিকে তিনি বলেন ‘দেশের কোটি কোটি মানুষের অনুভূতির প্রতিফলন’, আর বলেন: ‘সন্ত্রাসীরা আমাদের বোনেদের সিঁদুর মুছে দিয়েছিল, আর ভারত তার জবাব দিয়েছে তাদের সন্ত্রাসী সদর দপ্তর ধ্বংস করে।’

মিস্রি, তাঁর দুই পাশে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি আর উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং, সিদ্ধান্তের কারণ বলেছিলেন সংক্ষেপে। পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী মডিউলগুলোর ওপর ভারতের নজরদারি ‘ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে ভারতের বিরুদ্ধে আরও হামলা আসন্ন’, তিনি বলেন। ‘তাই প্রতিরোধ এবং আগেভাগে আঘাত, দুটোরই বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছিল।’ ২৩ এপ্রিল ঘোষিত ভারতের প্রথম জবাব ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েকটি পদক্ষেপ। সেই ধারাবাহিকতা, আর ২০০১ সালের পর থেকে হামলার জবাবে ভারতের পথ কীভাবে বদলেছে, তা আছে ভারত সন্ত্রাসী হামলার জবাব কীভাবে দেয় লেখাটিতে।

এরপর এল লক্ষ্যের তালিকা। একজন অফিসার বললেন, পাকিস্তান ‘গত তিন দশক ধরে’ সন্ত্রাসের পরিকাঠামো গড়েছে, আর জানা শিবিরগুলো ছিল ‘উত্তরে সাওয়াই নালা থেকে’ দক্ষিণে বাহাওয়ালপুর পর্যন্ত, সব মিলিয়ে প্রায় ২১টি। বাছা হয়েছিল নয়টি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের দেওয়া ১১ মে-র ব্রিফিংয়ের বিবরণে, ২১টির একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে এই নয়টি এসেছিল। ব্রিফিংয়ের প্রতিলিপিতে যুক্তিটা লেখা আছে: ‘অপারেশন সিঁদুরের জন্য এই লক্ষ্যগুলো বাছা হয়েছিল বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাতে এই স্থাপনাগুলোর ভূমিকার কারণে।’

অনুমতি এসেছিল একেবারে ওপর থেকে। ১২ মে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে আমরা ভারতীয় বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলাম।’ এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং ৯ আগস্ট বেঙ্গালুরুতে বলেন, বাহিনীর ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না, ‘আবারও বলছি, কোনো নিষেধ ছিল না’, পরিকল্পনা আর রূপায়ণে তারা ছিল স্বাধীন। এক্সপ্রেসের বিবরণ অনুযায়ী তিনি আরও বলেন, অভিযানের নিয়মকানুন কী হবে এবং সংঘাত ধাপে ধাপে কতটা চড়বে তা কীভাবে সামলানো হবে, তা ঠিক করেছিল বাহিনীগুলো নিজেরাই।

প্রথম রাতে নিখুঁত আঘাত

শিবিরগুলোর দুটি ছিল শিয়ালকোটে, সীমান্ত থেকে ৬ থেকে ১৮ কিমি দূরে, ভারতের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন। সবচেয়ে ভেতরে ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দপ্তর, পাকিস্তানের ১০০ কিমি অভ্যন্তরে। পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদে লস্কর-ই-তৈবার একটি শিবির ছিল প্রকৃত সীমানা নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে ৩০ কিমি দূরে। ১৯৯৯ সালে, ষোলো হাজার ফুট উচ্চতায় লড়া যুদ্ধে, ভারত তার স্থলবাহিনী আর বিমানবাহিনীকে ওই রেখার নিজের দিকেই রেখেছিল। ২০২৫ সালে লক্ষ্যগুলো ছিল তার ওপারে।

অফিসারেরা পদ্ধতিটা বর্ণনা করেছিলেন সহজ কথায়। ‘প্রতিটি লক্ষ্যে আঘাতের বিন্দু ছিল একটি নির্দিষ্ট ভবন বা কয়েকটি ভবনের একটি গুচ্ছ,’ একজন বলেন। অস্ত্র নেওয়া হয়েছিল ‘সতর্কভাবে বাছা ওয়ারহেড’, আর জায়গাগুলো ‘এমনভাবে বাছা হয়েছিল যাতে বেসামরিক পরিকাঠামোর ক্ষতি আর কোনো বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এড়ানো যায়।’ প্রতিলিপিতে যোগ করা হয়েছে: ‘কোনো সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়নি।’

কয়েক মাস পরে বিমানবাহিনী দাবির পেছনে ছবি হাজির করে। ৯ আগস্ট বেঙ্গালুরুতে এয়ার চিফ মার্শাল সিং বাহাওয়ালপুরের আগের আর পরের ছবি দেখান। ‘এখানে আনুষঙ্গিক ক্ষতি প্রায় হয়ইনি। পাশের ভবনগুলো বেশ অক্ষত আছে,’ তিনি বলেন।

নিহত সন্ত্রাসীদের সংখ্যা সরকারের হিসাবে ‘একশোর বেশি’। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ২৮ জুলাই লোকসভায় বলেন, এটা ‘একটি আনুমানিক হিসাব’, যাতে প্রশিক্ষক, পরিচালক আর সহযোগীরাও আছে। ১১ মে-র ব্রিফিংয়ে ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই নিহতদের মধ্যে তিনজনের নাম বলেন: ইউসুফ আজহার, আবদুল মালিক রউফ আর মুদাসির আহমেদ। ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের আইসি-৮১৪ বিমান ছিনতাই আর ২০১৯ সালের পুলওয়ামা বিস্ফোরণের সঙ্গে তিনি তাদের যুক্ত করেন।

৭ থেকে ১০ মে-র রাতগুলো

পাকিস্তানের জবাব শুরু হয় সেই রাতেই। ৮ মে সন্ধ্যার ব্রিফিংয়ে উইং কমান্ডার সিং ৭ থেকে ৮ মে-র রাতে পাকিস্তান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানতে চেয়েছিল এমন ১৫টি জায়গার তালিকা দেন, অবন্তীপুরা আর শ্রীনগর থেকে ভুজ পর্যন্ত। সেগুলো ‘ইন্টিগ্রেটেড কাউন্টার আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম এবং অন্যান্য বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে’, তিনি বলেন, আর বেশ কিছু জায়গা থেকে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হচ্ছিল।

সেদিন সকালে ভারতের পাল্টা জবাব গিয়েছিল পাকিস্তানের রাডারে। ‘ভারতের জবাব এসেছে একই ক্ষেত্রে, পাকিস্তানের মতোই একই তীব্রতায়,’ সিং বলেন, আর ‘লাহোরের একটি বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।’ ততক্ষণে নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপার থেকে পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে জম্মু ও কাশ্মীরে ১৬ জন বেসামরিক মানুষ মারা গেছেন, ‘তাঁদের মধ্যে তিনজন নারী ও পাঁচজন শিশু’। মিস্রি যোগ করেন: ‘পরিস্থিতি আরও বাড়ানো আমাদের অভিপ্রায় নয়।’ সিং শেষ করেন এই কথা বলে যে সশস্ত্র বাহিনীর সংঘাত না বাড়ানোর অঙ্গীকার বহাল থাকবে ‘যদি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তা মেনে চলে’।

১০ মে সকালে ভারতীয় পক্ষ জানায়, শ্রীনগর থেকে নলিয়া পর্যন্ত ২৬টিরও বেশি জায়গায় আকাশসীমা লঙ্ঘনের চেষ্টা হয়েছে, আর পাঞ্জাবের বিমানঘাঁটিগুলোতে ‘রাত ১:৪০-এর পর’ ‘দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ হয়েছে। কী কী ভেদ করে এসেছিল, সে বিষয়ে সিং ছিলেন নির্দিষ্ট: ‘উধমপুর, পাঠানকোট, আদমপুর ও ভুজের ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘাঁটিগুলোতে যন্ত্রপাতি ও কর্মীদের ক্ষতি হয়েছে সীমিত।‘

চারটি স্তর, একটিই জাল

বিমান-প্রতিরক্ষার সবচেয়ে পূর্ণ বিবরণ আসে ১২ মে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল ঘাই বর্ণনা করেন চারটি স্তর। প্রথম স্তরে ড্রোন-প্রতিরোধ ব্যবস্থা আর কাঁধে-বওয়া ক্ষেপণাস্ত্র। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তর গড়েছে পয়েন্ট ডিফেন্স আর স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার ভূমি-থেকে-আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র। দীর্ঘ পাল্লার ভূমি-থেকে-আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র চতুর্থ স্তর। ১৯৭০-এর দশকের অ্যাশেজ সিরিজের দুই অস্ট্রেলীয় বোলারকে নিয়ে একটি পঙ্‌ক্তি তাঁর বক্তব্যটা বুঝিয়ে দিয়েছিল। ‘সবগুলো স্তর পেরিয়ে এলেও এই জালের কোনো একটি স্তর আপনাকে আঘাত করবেই,’ তিনি বলেন।

বিমানবাহিনীর অপারেশনস-প্রধান এয়ার মার্শাল এ কে ভারতী বলেন, স্তরগুলোকে একসঙ্গে ধরে রেখেছিল বিমানবাহিনীর ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম। পুরোনো অস্ত্রও ছিল। ভারতী নাম করেন পেচোরা আর ওএসএ-একে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং নিচু উচ্চতার বিমান-প্রতিরক্ষা কামানের, আর ভারতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশের ‘অসাধারণ কার্যকারিতার’ কথা বলেন। দেশীয় ড্রোন-প্রতিরোধ ব্যবস্থা, যা ড্রোনকে জ্যাম করে বা ধ্বংস করে, ড্রোন আর লুটারিং মিউনিশনের ঢেউ সামলেছে, তিনি বলেন। কিছু সামান্য ক্ষতি সত্ত্বেও ভারতের প্রতিটি ঘাঁটি ও ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু ছিল।

সমুদ্রে নৌবাহিনী জুগিয়েছিল নিজের একটি স্তর। ভাইস অ্যাডমিরাল এ এন প্রমোদ বলেন, ক্যারিয়ার গ্রুপের মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমান আর আকাশে-আগাম-সতর্কতার হেলিকপ্টার ‘ক্যারিয়ার ব্যাটল গ্রুপের কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে কোনো সন্দেহজনক বা বৈরী বিমানকে আসতে দেয়নি।’ পাকিস্তানি বিমানশক্তি, তিনি বলেন, ‘মাকরান উপকূলের কাছে আটকে ছিল।’

২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বার্ষিক প্রতিবেদন, ২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত, যোগ করে যে নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা সামরিক আর বেসামরিক নজরদারি সেন্সরকে মিলিয়ে একটিমাত্র স্বীকৃত আকাশচিত্র তৈরি করেছিল। দ্য হিন্দুর বিবরণ অনুযায়ী, প্রশিক্ষিত অপারেটরেরা নিশ্চিত করেছিলেন যে বেসামরিক বিমানকে লক্ষ্য করা না হয়।

রুশ-তৈরি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল দীর্ঘ পাল্লার স্তর। এয়ার চিফ মার্শাল সিং ব্যবস্থাটিকে বলেন ‘খেলা-বদলানো’। এর পাল্লা, তিনি বলেন, পাকিস্তানি বিমানকে এমন দূরত্বের বাইরে রেখেছিল যেখান থেকে তারা দীর্ঘ পাল্লার গ্লাইড বোমা ছুড়তে পারে, আর পাকিস্তান তা ব্যবহার করতে পারেনি, কারণ ব্যবস্থাটি ভেদ করা তার সাধ্যে ছিল না। তারপর তিনি একটি সংখ্যা দেন। ‘আমাদের কাছে নিশ্চিত খবর আছে অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান আর একটি বড় বিমান ধ্বংস হয়েছে, বড় বিমানটি হতে পারে ELINT বিমান বা AEW&C বিমান, যেটিকে নামানো হয়েছে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে,’ তিনি বলেন, এবং একে অভিহিত করেন ‘আমাদের জানা সর্বকালের বৃহত্তম নথিভুক্ত ভূমি-থেকে-আকাশে ধ্বংস’ বলে। ELINT হলো ইলেকট্রনিক গোয়েন্দা তথ্য, আর AEW&C হলো আকাশে-আগাম-সতর্কতা, অর্থাৎ উড়ন্ত রাডার কেন্দ্র। বার্ষিক প্রতিবেদনে এই সংঘর্ষের দূরত্ব বলা হয়েছে ৩১৪ কিমি, একটি এস-৪০০ ইউনিটের হাতে, এমন একটি বিমানের বিরুদ্ধে যাকে প্রতিবেদন বলেছে পাকিস্তানের বিশেষ-অভিযানের বিমান। ‘ভারতীয় রাডার নিঃশব্দে হুমকিটির পিছু নিয়েছিল,’ প্রতিবেদন বলছে, দ্য হিন্দুর উদ্ধৃতিতে। দ্য হিন্দু একে ভারতের দাবি-করা দীর্ঘতম ভূমি-থেকে-আকাশে সংঘর্ষগুলোর একটি বলে বর্ণনা করেছে।

ব্যবস্থাটির সামগ্রিক সাফল্য নিয়ে সবচেয়ে বড় দাবি করেন রাজনাথ সিং। ‘পাকিস্তান ভারতের কোনো লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি, আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের ক্ষতি হয়নি,’ তিনি লোকসভায় বলেন।

বিমানঘাঁটিগুলো, আর বিকেল ৩:৩৫-এর একটি ফোন

১০ মে ভারতের আঘাতের পরিধি বাড়ে। কর্নেল কুরেশি বলেন, রফিকি, মুরিদ, চাকলালা, রহিম ইয়ার খান, সুক্কুর আর জুনিয়ার পাকিস্তানি সামরিক লক্ষ্যগুলোতে ‘আমাদের যুদ্ধবিমান থেকে আকাশ থেকে ছোড়া নির্ভুল অস্ত্রে আঘাত হানা হয়েছে’, আর পাসরুর ও শিয়ালকোটের রাডার ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে নির্ভুল মিউনিশনে। ভারতীয় বাহিনী, তিনি বলেন, ‘শুধু চিহ্নিত সামরিক লক্ষ্যগুলোতেই নির্ভুল আঘাত হেনেছে।’

দুদিন পর এয়ার মার্শাল ভারতী নুর খান আর রহিম ইয়ার খান বিমানঘাঁটির ক্ষতির ভিডিও দেখান, একটি ক্লিপে রহিম ইয়ার খানে বিশাল একটি গর্ত। ওই ব্রিফিংয়ের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, রাওয়ালপিন্ডি থেকে করাচি পর্যন্ত ১৩টি পর্যন্ত সামরিক লক্ষ্যে আঘাত হানা হয়েছিল। বার্ষিক প্রতিবেদনের সূত্র দিয়ে দ্য হিন্দু আঘাত-পাওয়া বিমানবাহিনী-স্থাপনার তালিকায় যোগ করেছে সারগোধা, জ্যাকোবাবাদ আর ভোলারি।

শেষ হলো একটি ফোনকলে। ১০ মে সাংবাদিকদের মিস্রি জানান, বিকেল ৩:৩৫-এ পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল তাঁর ভারতীয় সমকক্ষকে ‘ফোন করেন’। ‘তাঁরা একমত হন যে বিকেল ৫টা থেকে দুই পক্ষই স্থল, আকাশ ও সমুদ্র থেকে সব গোলাগুলি ও সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করবে,’ তিনি বলেন। ১২ মে বিকেল ৫টায় দুজন আবার কথা বলেন, আর ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, তাঁরা সম্মত হন ‘সীমান্ত ও সম্মুখ এলাকাগুলো থেকে সেনা কমানো নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ বিবেচনা করতে’।

প্রধানরা পরে কী বললেন

তৎকালীন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান ৩১ মে সিঙ্গাপুরে রয়টার্স ও ব্লুমবার্গকে সাক্ষাৎকার দেন। আকাশে শুরুর দিকের ক্ষতির পর ভারত কৌশল বদলেছিল, তিনি বলেন। ‘তাই আমরা কৌশল শুধরে নিয়ে ৭, ৮ আর ১০ তারিখে বিপুল সংখ্যায় ফিরে গিয়ে পাকিস্তানের গভীরে বিমানঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানি, তাদের সব বিমান-প্রতিরক্ষা বিনা বাধায় ভেদ করে নির্ভুল আঘাত চালাই,’ তিনি রয়টার্সকে বলেন। ১০ তারিখে বিমানবাহিনী ‘সব ধরনের অস্ত্রসম্ভার নিয়ে সব ধরনের বিমান ওড়ায়’। সামগ্রিক আঘাত নিয়ে তাঁর কথা: ‘বেশির ভাগ আঘাত নিখুঁতভাবে হেনেছে, কোনোটি এমনকি এক মিটারের মধ্যে।’

দুই দেশ যে ঝুঁকি নিয়েছিল, সে নিয়েও কথা বলেন চৌহান। ‘আমার মনে হয়, পারমাণবিক সীমা পেরোনোর আগে অনেকটা জায়গা থাকে, তার আগে অনেক সংকেত বিনিময় হয়, আমার মনে হয় সেরকম কিছু ঘটেনি,’ তিনি বলেন।

এয়ার চিফ মার্শাল সিংয়ের আগস্টের বক্তৃতা পাকিস্তানি বিমানঘাঁটিগুলো একে একে ধরে এগিয়েছিল। জ্যাকোবাবাদে, তিনি বলেন, ‘একটি এফ-১৬ হ্যাঙ্গার আছে। হ্যাঙ্গারের এক অর্ধেক আর নেই।’ মুরিদ আর চাকলালায় অন্তত দুটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল কেন্দ্র ছিল, আর তিনি গুনেছিলেন ‘অন্তত ছয়টি রাডার’। পাকিস্তান ‘এগিয়ে এসে আমাদের ডিজিএমও-র কাছে বার্তা পাঠায় যে তারা কথা বলতে চায়,’ তিনি বলেন। ‘আমাদের দিক থেকে সেটা গ্রহণ করা হয়েছিল।’

মন্ত্রকের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতের জবাবকে বলা হয়েছে ‘পরিমিত অথচ শাস্তিমূলক’, যার লক্ষ্য ‘প্রদর্শনমূলক বাধ্যকরণ’।

লোকসভার বিতর্ক

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ২৮ জুলাই অপারেশন সিঁদুর নিয়ে লোকসভায় বক্তব্য রাখেন। লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর, সীমান্ত পেরোনো বা ভূখণ্ড দখলের কোনো পরিকল্পনা ছিল না, তিনি বলেন, আর ‘আমাদের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার। তা উস্কানিমূলকও নয়, সম্প্রসারণবাদীও নয়।’ প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর নথি অনুযায়ী, তিনি কক্ষকে জানান, অভিযান থামানো হয়েছে, শেষ হয়নি, আর পাকিস্তান আবার হামলার চেষ্টা করলে তা আবার শুরু হবে। ভারত চাপের মুখে থেমেছে, এমন ধারণা ‘ভিত্তিহীন ও ভুল’, তিনি বলেন, কারণ রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে।

যেখানে বিবরণগুলো মেলে না

বিমান নিয়ে পাকিস্তান ৭ মে বলেছিল, তারা ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান আর একটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। বিবিসি লিখেছিল, ভারত তা নিশ্চিত করেনি। ১১ মে-র ব্রিফিংয়ে এয়ার মার্শাল ভারতী বলেন, ‘নিশ্চয়ই, আমরা কয়েকটি বিমান হারিয়েছি’, কোনো সংখ্যা দেননি। রয়টার্স জানায়, তিনি এও বলেছিলেন যে ‘যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি থাকেই’, আর এক্সপ্রেস জানায়, ভারতীয় পাইলটেরা সবাই ঘরে ফিরেছেন। ৩১ মে জেনারেল চৌহান আকাশে প্রাথমিক ক্ষতির কথা মেনে নেন, সংখ্যা না বলে। ভারতের ছয়টি বিমান নিয়ে পাকিস্তানের দাবি ঠিক কি না, ব্লুমবার্গের এই প্রশ্নে তিনি উত্তর দেন: ‘সম্পূর্ণ ভুল।’ দ্য হিন্দুর সম্পাদকীয় বলছে, বিমান-ক্ষতির খুঁটিনাটিকে সরকার অভিযানের দিক থেকে স্পর্শকাতর বলে বর্ণনা করেছে। রয়টার্স জানায়, পাকিস্তান কোনো বিমান হারানোর কথা অস্বীকার করেছে, কিন্তু নিজেদের বিমানঘাঁটিতে আঘাত পড়ার কথা মেনেছে। পাকিস্তানি বিমান নিয়ে ভারতের নিজের হিসাব এয়ার চিফের ‘অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান’ আর একটি বড় বিমান। ২০২৬ সালের ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘১১টি বিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল’, কার, তা না বলে, দ্য হিন্দু জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্প ১০ মে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এক দীর্ঘ রাতের আলোচনার’ পর দুই দেশ রাজি হয়েছে। ভারত সরকারের সূত্র বলেছে, বিরতিটি ঠিক হয়েছিল ‘সরাসরি দুই দেশের মধ্যে’, পাকিস্তানের অপারেশনস-প্রধানের ফোনে, আর রাজনাথ সিং চাপের ধারণাকে বলেছেন ‘ভিত্তিহীন ও ভুল’। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ‘তাৎক্ষণিক কার্যকর’ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। বিবিসির বিবরণ বলছে, যুদ্ধবিরতি যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য আন্তর্জাতিক পক্ষের মধ্যস্থতায় হয়েছে, আর ভারত ওয়াশিংটনের ভূমিকাকে ছোট করে দেখিয়েছে।

হতাহত নিয়ে পাকিস্তান ৭ মে জানায়, ভারতীয় আঘাত ও গোলাবর্ষণে ২৬ জন মারা গেছেন, পরে তারা ৪০ জন বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর দাবি করে। বিবিসি ভারতের দিকে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর দেয়। পাকিস্তান বলেছে মাত্র ছয়টি জায়গায় আঘাত হয়েছিল, আর স্থাপনাগুলো সন্ত্রাসী শিবির, এটা অস্বীকার করেছে, বিবিসি উল্লেখ করেছিল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল ঘাই ১১ মে বলেন, নিয়ন্ত্রণ রেখায় কামান ও ছোট অস্ত্রের গোলাগুলিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জন কর্মী হারানোর কথা জানিয়েছে। একই ব্রিফিংয়ের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে ভারতীয় সামরিক নিহতের সংখ্যা পাঁচজন, আর ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত নাম ছয়টি। ২০২৬ সালের ৩০ জুনের দ্য হিন্দুর সম্পাদকীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ২৮ জুলাইয়ের মন্তব্য উল্লেখ করেছে যে কোনো ভারতীয় সেনা ক্ষতিগ্রস্ত হননি, এবং বলেছে সরকার পরে ব্যাখ্যা দিয়েছে যে তাঁর বক্তব্যের অর্থ ছিল কোনো পাইলট নিহত হননি।

দেয়ালে ছয়টি নাম

২০২৬ সালের ২৬ জুন সরকার নিহত ছয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের নাম প্রকাশ করে। পাঁচজন ছিলেন সেনাবাহিনীর, একজন বিমানবাহিনীর: সুবেদার মেজর পবন কুমার; রাইফেলম্যান সুনীল কুমার, বীর চক্র-প্রাপ্ত; ল্যান্স নায়েক দীনেশ কুমার; মুদ মুরালিনায়েক; হাবিলদার সুনীল কুমার সিং; আর বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট সুরেন্দ্র কুমার। তাঁদের নাম উঠেছে জাতীয় যুদ্ধ স্মারকের ওয়েবসাইটের রোল অব অনারে, আর নতুন দিল্লির স্মারকের একটি দেয়ালে।

২৭ জুন দ্য হিন্দু দেয়ালটির বর্ণনা দেয়। ৩ডি দেয়ালের কোণে, ওপরের সারির একটি ইটে খোদাই করা ‘OP SINDOOR’। তার নিচের ইটে লেখা ‘2025’, আর তার পর এক স্তম্ভে ছয়টি নাম।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau: Operation Sindoor, Indian Armed Forces carried out precision strike at terrorist camps (7 May 2025, 1:44 am)
  2. Ministry of External Affairs: Press briefing by India's Foreign Secretary, accompanied by military officers, on Operation Sindoor, 7 May 2025 (text hosted by the Embassy of India, Hanoi)
  3. Ministry of External Affairs: Transcript of special briefing on Operation Sindoor, 8 May 2025 (text hosted by the Consulate General of India, Istanbul)
  4. Press Information Bureau: Prime Minister Shri Narendra Modi addresses the nation (12 May 2025)
  5. Press Information Bureau: Raksha Mantri Rajnath Singh in the Lok Sabha on Operation Sindoor (28 July 2025)
  6. BBC News: Indian air strikes, how will Pakistan respond? Four key questions (7 May 2025)
  7. BBC News: Kashmir, four days that took India and Pakistan to the brink (18 May 2025)
  8. The Indian Express: Pakistan moving troops to forward areas, India carries out precision attacks on military targets (10 May 2025)
  9. The Indian Express: India and Pakistan decide to stop all firing, military action from land, air and sea (10 May 2025)
  10. The Indian Express: IC-814, Pulwama perpetrators eliminated, over 35 Pak soldiers dead, 10 key takeaways from the armed forces briefing (11 May 2025)
  11. The Indian Express: India, Pakistan DGMOs agree to reduce troops on borders (13 May 2025, covering the 12 May briefing)
  12. The Indian Express, from Reuters: Chief of Defence Staff admits to losing aircraft, rectifying plan to hit Pakistan deep (31 May 2025)
  13. The Indian Express: Three weeks later, CDS sheds new light on operations during hostilities (31 May 2025)
  14. The Indian Express: Crediting Russian S-400, IAF chief says India took down 5 Pak fighters, one large aircraft during Op Sindoor (9 August 2025)
  15. The Hindu: S-400 destroyed Pakistani aircraft at 314 km during Operation Sindoor, Defence Ministry report (14 September 2026)
  16. The Hindu: Names of six personnel who died in action during Op Sindoor inscribed at National War Memorial (27 June 2026)
  17. The Hindu, editorial: Delayed honour, on Operation Sindoor, gains and losses (30 June 2026)
  18. The Hindu: Trump says 11 jets downed during India-Pakistan hostilities last year (9 July 2026)

পর্দায় ও বইয়ে

  • Declassified: Operation Sindoor (2026) , পরিচালনায় Prabhu Asgaonkar and Manika Berry Asgaonkar . যেসব কর্মকর্তা ও কমান্ডার অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের সাক্ষাৎকারের ওপর গড়া দুই পর্বের একটি ডিসকভারি সিরিজ, তাই এতে আছে তাঁদের নিজেদের বিবরণ

এই তালিকা তাঁদের জন্য যাঁরা পর্দায় দেখা গল্পের পিছনের ইতিহাস খুঁজছেন। কোনো নাট্যরূপ সূত্র নয়, এবং এই কাজগুলির কোনোটির সঙ্গে tuput যুক্ত নয়।

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#operation sindoor#pahalgam attack#indian armed forces#air defence#s-400#india pakistan#line of control#2025

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
দুটি পারমাণবিক শক্তি ১৬,০০০ ফুট উচ্চতায় একটি যুদ্ধ লড়েছিল। ভারত কখনো এটি আসতে দেখেনি
একজন মেষপালক প্রথম তাদের দেখেছিলেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভারত ১৬,০০০ ফুট উচ্চতায় উপরের দিকে লড়াই করছিল এমন সৈন্যদের বিরুদ্ধে যাদের আগমন তার নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থাগুলো লক্ষ্য করতে ব্যর্থ হয়েছিল, উভয় দেশ পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করার এক বছর পরে।
কাশ্মীরের মানচিত্র নিয়ে আল জাজিরাকে ভারতে সম্প্রচার থেকে সরানো হয়, কাশ্মীরের এক তথ্যচিত্রের জন্য তার নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল হয়, আর একটি পাইলট ধরা পড়ার খবর সে দেয় যা পাকিস্তানের নিজের সেনাবাহিনী অস্বীকার করেছিল
২০১৫ সালে মানচিত্র নিয়ে পাঁচ দিন সম্প্রচার বন্ধ, ২০১৮ সালে প্রত্যাহার হওয়া নিরাপত্তা ছাড়পত্র, আর ২০২৫ সালের মে মাসের এক পাইলট-ধরা-পড়ার খবর যা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র অস্বীকার করেন। ভারতে আল জাজিরার প্রকাশ্য নথি, তার জবাবসহ।
পাকিস্তান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা বছরের পর বছর ভারতের সেনাবাহিনীকে ফিশিং করেছে। এবার তাদের লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়।
PDF আইকনওয়ালা একটা Windows শর্টকাট, PDF নামের একটা Linux ফাইল, ThePrint-এর হুবহু নকল: টোপ বদলায় প্রতি কয়েক মাসে। লক্ষ্য, ভারতের সরকার, সেনা আর এখন শিক্ষাঙ্গন, বদলায়নি।
← সব লেখা