অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি আদেশ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি থেকে তিন বাহিনীপ্রধানের কাছে, আর সেখান থেকে প্রতিটি বাহিনীর নিজস্ব কম্যান্ডে পৌঁছায়। ব্যতিক্রম দুটি যৌথ কম্যান্ড, ২০০১ সাল থেকে পোর্ট ব্লেয়ারে আর ২০০৩ সাল থেকে কৌশলগত বাহিনীর জন্য। ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত tuput আরেকটি থিয়েটার কম্যান্ডের কোনো সরকারি ঘোষণা পায়নি।
২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি নথিতে ভারতে কোনো সমন্বিত থিয়েটার কম্যান্ড নেই, ২০০১ ও ২০০৩ সালে গড়া যৌথ কম্যান্ডগুলো ছাড়া। tuput সবচেয়ে সাম্প্রতিক যে সরকারি বক্তব্য পেয়েছে তা পার্লামেন্টের প্রতিরক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটিকে দেওয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উত্তর, যা দ্য হিন্দু ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট প্রকাশ করেছে: থিয়েটার কম্যান্ড নিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ‘বিবেচনাধীন, এবং আরও আলোচনা চলছে’। যেসব সরকারি সূত্র দেখা হয়েছে তাতে তারপর কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা গেজেট বিজ্ঞপ্তি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বিজ্ঞপ্তি বা মন্ত্রকের বিবৃতি নেই।
ওই দুটি হলো পোর্ট ব্লেয়ারের আন্দামান ও নিকোবর কম্যান্ড আর কৌশলগত বাহিনী কম্যান্ড। এরপর দেখানো হয়েছে আজ একটি সিদ্ধান্ত কীভাবে মাঠে পৌঁছায়, শুধু প্রকাশিত সরকারি নথি ও বিবৃতি ব্যবহার করে। অভিযানের আদেশ প্রকাশ্য নয়, আর এই লেখা তা নিয়ে আন্দাজ করে না।
কমিটি-কক্ষ থেকে ঘোষণা পর্যন্ত, ২০২৫ সালের এপ্রিল ও মে
প্রধানমন্ত্রী যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির সভাপতি, তা বসে ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায়, পহেলগাম হামলার পরের দিন। কমিটির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে গিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, কমিটি ‘সব বাহিনীকে কড়া নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে’। তাঁর তালিকাভুক্ত পদক্ষেপগুলো ছিল বেসামরিক ও কূটনৈতিক: সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত, আটারি চেকপোস্ট বন্ধ, পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা-ছাড় প্রত্যাহার, আর দুই দেশের হাইকমিশনের সংখ্যা ৫৫ থেকে কমিয়ে ৩০ করা।
সশস্ত্র বাহিনী আঘাত হানে ৬ থেকে ৭ মে রাতে। ১২ মে দেশের উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন: ‘আমরা ভারতীয় বাহিনীকে সন্ত্রাসীদের নিশ্চিহ্ন করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি।’ আঘাত, আকাশ প্রতিরক্ষা আর যুদ্ধবিরতির বিবরণ আছে অপারেশন সিন্দুর, ২০২৫ সালের ৭ থেকে ১০ মে লেখায়, আর আগের ঘটনাগুলোর তুলনা আছে ভারত সন্ত্রাসী হামলার জবাব কীভাবে দেয় লেখায়।
গোলাগুলি থামাতে যে পথটি কাজ করেছিল তা চলেছিল সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে। পররাষ্ট্র সচিবের ১০ মে-র বিবৃতি বলছে, পাকিস্তানের সামরিক অভিযান মহাপরিচালক তাঁর ভারতীয় সমকক্ষকে ফোন করেন ১৫৩৫ ঘণ্টায়, দুই পক্ষ সম্মত হয় ১৭০০ ঘণ্টা থেকে স্থলে, আকাশে ও সমুদ্রে গুলি বন্ধ করতে, আর দুজন আবার কথা বলবেন ১২ মে ১২০০ ঘণ্টায়।
কমিটি আর কম্যান্ডারদের মাঝের স্তরগুলো
সংবিধানের ৫৩ অনুচ্ছেদ, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর, প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বোচ্চ অধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে দিয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী কীভাবে নির্দেশ পায় নিয়ে আমাদের লেখা সেই অনুচ্ছেদ, কমিটির এখতিয়ার আর সামরিক বিষয়ক বিভাগকে ধরে। তাদের নিচের যোগসূত্রগুলো সামরিক।
চিফস অফ স্টাফ কমিটি তিন বাহিনীপ্রধানকে একত্র করে। ২০১৯ সালে পদটি তৈরি হওয়ার পর থেকে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ তার স্থায়ী চেয়ারম্যান এবং একাধিক বাহিনী জড়িত বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রধান সামরিক উপদেষ্টা। ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বরের ক্যাবিনেট বিজ্ঞপ্তি বলছে, পদটি ‘তিন বাহিনীপ্রধানের উপরেও কোনো সামরিক কম্যান্ড প্রয়োগ করবে না’।
কার্গিল রিভিউ কমিটির কার্যনির্বাহী সারাংশ ১৯৯৯ সালের মে মাসে স্তরগুলোকে কাজ করতে দেখায়, যে সংঘাত বলা আছে ষোলো হাজার ফুটের উপরে লড়া যুদ্ধ লেখায়। সেনাবাহিনীর উত্তর কম্যান্ড ১২ মে নির্দেশ দেয় ‘পুরো জম্মু ও কাশ্মীর থিয়েটার’কে সতর্ক করার। কমিটি দেখে, একটি কোরের ভেতরে বাহিনী সরানো ছিল ‘পুরোপুরি কোর কম্যান্ডারের এখতিয়ারের মধ্যে’। বিমানবাহিনীপ্রধান পরামর্শ দেন যে বিমানশক্তি ব্যবহারের অর্থ পাকিস্তানের জবাবের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া, এবং সংশ্লিষ্ট এয়ার কম্যান্ড ও ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করা হয়। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বসে ১৯৯৯ সালের ২৫ মে, চিফস অফ স্টাফ কমিটি উপস্থিত ছিল, আর বিমানশক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
প্রতিটি বাহিনী তাই নিজের কম্যান্ড চালাত, এবং এখনো চালায়। দ্য ট্রিবিউনের ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বরের প্রতিবেদন অবস্থানটি এক লাইনে বলে: ‘বর্তমানে তিন বাহিনী আলাদা কম্যান্ড চালায়।’ তৎকালীন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ ২০২৬ সালের এপ্রিলে সংস্কারটি ব্যাখ্যা করেন ফোর্স জেনারেশন, অর্থাৎ বাহিনী গড়া ও সজ্জিত করা, আর ফোর্স অ্যাপ্লিকেশন, অর্থাৎ অভিযানে তার ব্যবহার, আলাদা করা হিসেবে। ‘এতদিন এই দুটি দায়িত্বই একটি বাহিনীর ভেতরে ছিল’, তিনি বলেন।
যে দুটি যৌথ কম্যান্ড আছে, আর যে আইনের জন্য তারা অপেক্ষা করেছে
প্রথমটি এসেছিল কার্গিল রিভিউ কমিটির কাজ থেকে। একটি মন্ত্রীগোষ্ঠী, যাতে ছিলেন প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রী, ২৭টি বৈঠক করে ২০০১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীকে তার প্রতিবেদন দেয়। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি তা বিবেচনা করে ২০০১ সালের ১১ মে। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বাদে সব সুপারিশ গ্রহণ করে, সেটি সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করতে পারার আগে পর্যন্ত স্থগিত রাখে, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ২০০১ সালের ২৩ মে জানিয়েছিল। সৈনিক সমাচার আন্দামান ও নিকোবর কম্যান্ডকে বলেছে তিন বাহিনীর উপাদান নিয়ে ভারতের প্রথম সমন্বিত কম্যান্ড, বলেছে তার প্রতিষ্ঠা অনুমোদিত হয়েছিল সেদিনই, আর তারিখ দিয়েছে ২০০১ সালের ৮ অক্টোবর, যেদিন তা গড়া হয়। এর কম্যান্ডার-ইন-চিফ তিন বাহিনী থেকে পালা করে আসা একজন তিন তারকা অফিসার। তিনি সরাসরি চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানকে রিপোর্ট করেন।
দ্বিতীয়টি আসে ২০০৩ সালের ৪ জানুয়ারি, যখন কমিটি সব কৌশলগত বাহিনী পরিচালনা ও প্রশাসনের জন্য কৌশলগত বাহিনী কম্যান্ডের একজন কম্যান্ডার-ইন-চিফকে অনুমোদন করে। সেই শৃঙ্খলার বর্ণনা আছে ভারতের পারমাণবিক কম্যান্ড কর্তৃপক্ষ লেখায়।
একটি আইনি ফাঁক দুই দশকেরও বেশি খোলা ছিল। প্রতিরক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তা ব্যাখ্যা করে। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী আইনে শুধু নিজ নিজ বাহিনীর অফিসাররাই নিজেদের লোকের উপর শৃঙ্খলামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। তাই যৌথ সংস্থায় কর্মরত অফিসারদের শৃঙ্খলামূলক বা প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য মূল ইউনিটে ফেরত পাঠাতে হতো। আন্তঃসার্ভিস সংস্থা (কম্যান্ড, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা) আইন, ২০২৩ তিনটি বাহিনীর আইন সংশোধন না করেই এমন সংস্থার কম্যান্ডার-ইন-চিফ বা অফিসার-ইন-কম্যান্ডকে তার ভেতরে কর্মরত বা সংযুক্ত কর্মীদের উপর সেই ক্ষমতা দেয়। কমিটি আন্দামান ও নিকোবর কম্যান্ডকে বলেছিল ‘ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ত্রি-বাহিনী থিয়েটার কম্যান্ড’। তা লক্ষ করেছিল যে কম্যান্ডটিকে বিলের অধীনে আন্তঃসার্ভিস সংস্থা হিসেবে এখনো গঠন করা হয়নি। ২০২৪ সালের ৮ মে-র বিজ্ঞপ্তি, S.R.O. 13(E), আইনটিকে কার্যকর করে ২০২৪ সালের ১০ মে।
২০১৯ সালের আদেশ যা শুরু করেছিল
২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বরের ক্যাবিনেট বিজ্ঞপ্তি চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের নেতৃত্বাধীন সামরিক বিষয়ক বিভাগকে এমন একটি দায়িত্ব দিয়েছিল যাতে আছে অভিযানে যৌথতার জন্য সামরিক কম্যান্ডের পুনর্গঠন, ‘যৌথ/থিয়েটার কম্যান্ড স্থাপনের মাধ্যমেও’। কার্য বণ্টন বিধিতে সেই বিভাগের বিষয়ের ৭ নম্বরে একই ভাষা আছে, ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একটি সংশোধনীতে যোগ করা। বিজ্ঞপ্তিটি চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফকে অভিযান, সরবরাহ, পরিবহন, প্রশিক্ষণ ও সহায়ক সেবায় যৌথতা আনতেও বলেছিল ‘প্রথম সিডিএস দায়িত্ব নেওয়ার তিন বছরের মধ্যে’। থিয়েটার কম্যান্ডের জন্য তা কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়নি।
মন্ত্রকের ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের বর্ষপূর্তি পর্যালোচনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযান-দর্শন নিয়ে একটি অংশ আছে। তাতে বলা আছে, অপারেশন সিন্দুর ‘যথার্থই দেখিয়েছে যে যৌথতাই সময়ের দাবি’, আর ‘ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পূর্ণ থিয়েটারাইজেশন অপরিহার্য’। একই অংশ জানায়, যৌথতার লক্ষ্যমাত্রার ২৯ শতাংশ আর যৌথ মতবাদের ৩৫ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে।
বাহিনীগুলোর মতভেদ যেখানে
বাহিনীগুলো সবসময় এক কণ্ঠে কথা বলেনি। ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট মহৌয়ের আর্মি ওয়ার কলেজে বিমানবাহিনীপ্রধান বলেন: ‘আপাতত নিচের স্তরে আমাদের কোনো নতুন কাঠামো (থিয়েটার কম্যান্ড) দরকার নেই।’ দ্য ট্রিবিউন তাঁকে নয়াদিল্লিতে একটি যৌথ পরিকল্পনা ও সমন্বয় কেন্দ্রের প্রস্তাবক বলে জানায়, যেখানে ‘আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা করি আর কাজের বাস্তবায়ন বিকেন্দ্রীভূত’। ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর তিনি বলেন, ‘আমি বলছি না যে আমাদের আরেকটি কাঠামো দরকার নেই’, বিমানবাহিনী ধারণাটির বিরোধী তা অস্বীকার করেন, আর অন্য দেশের কাঠামো যেন পুরোপুরি নকল না করা হয় তা চান।
২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বলেন, পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ধারণাটি নিয়ে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য আছে, বাস্তবায়নের প্রশ্ন খোলা। তিনি বলেন বাহিনীপ্রধানদের সঙ্গে আলোচনা তিনি শেষ করেছেন এবং ‘আমরা ঐকমত্যে পৌঁছেছি’, আর কাঠামো ও অবস্থান নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ‘ভারত সরকারের এখতিয়ার’।
২০২৬ সালের আগস্টের কমিটি-প্রতিবেদন কী নথিভুক্ত করে
২০২৬ সালের মে মাসের শেষে নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ দায়িত্ব নেন, আগের জন পদ ছাড়ার পর, দ্য হিন্দু জানিয়েছে। স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ প্রতিবেদন নিয়ে দ্য হিন্দুর ২০২৬ সালের ৯ আগস্টের প্রতিবেদনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উত্তর এই: ‘থিয়েটার কম্যান্ড চালুর চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিবেচনাধীন, এবং আরও আলোচনা চলছে।’ কমিটি এটিকে তার প্রতিবেদনের ৩৪টি সুপারিশের মধ্যে একমাত্র সেটি বলে তালিকাভুক্ত করেছে যার জন্য সরকারের চূড়ান্ত উত্তর তখনো বাকি। কমিটি বলে, যৌথ স্টাফ কাজটিকে ‘উন্নত পর্যায়ে’ নিয়ে গেছে। চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানের ইন্টিগ্রেটেড স্টাফের প্রধানের অধীনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অফিসারদের একটি দল গঠিত হয়েছে, আর যে বিষয়গুলোতে একমত হওয়া দরকার সেগুলো চিফস অফ স্টাফ কমিটিতে আলোচিত হচ্ছে।
বিদ্যমান দুটি যৌথ কম্যান্ডই এসেছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির সিদ্ধান্তে, যার ২০০৯ সালের মে-র আদেশ তার কাজগুলোর মধ্যে তালিকাভুক্ত করেছে ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় সামলাতে নতুন কাঠামো স্থাপন’। প্রস্তাবিত কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রতিবেদনটি বলছে, হেডকোয়ার্টার ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ থিয়েটারগুলো ও বাহিনীর সদর দপ্তরের মধ্যে অভিযান-সংক্রান্ত বিষয়ে সমন্বয় চালিয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত অনুমোদিত কাঠামোর অধীনে থিয়েটারগুলোর মধ্যে, এবং থিয়েটার ও আলাদা বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় সামলাতে একটি যৌথ অভিযান স্টাফের কথা ভাবা হয়েছে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Press Information Bureau, 24 December 2019: Cabinet approves creation of the post of Chief of Defence Staff in the rank of four star General
- Government of India (Allocation of Business) Rules, 1961, Second Schedule, Ministry of Defence (Cabinet Secretariat)
- Cabinet Secretariat, 27 May 2009: Composition of the Cabinet Committee on Security and its functions
- Ministry of External Affairs, 23 April 2025: Transcript of special briefing by the Foreign Secretary on the Cabinet Committee on Security's decisions (hosted by the Embassy of India, Hanoi)
- Press Information Bureau, 12 May 2025: English rendering of the Prime Minister's address to the nation
- Ministry of External Affairs, 10 May 2025: Statement by the Foreign Secretary (text hosted by GlobalSecurity.org)
- Press Information Bureau, 23 May 2001: Group of Ministers' report on Reforming the National Security System
- Prime Minister's Office, 4 January 2003: Cabinet Committee on Security reviews progress in operationalizing India's nuclear doctrine
- Executive summary of the Kargil Review Committee report (text hosted by GlobalSecurity.org)
- Sainik Samachar: feature on the Andaman and Nicobar Command ahead of its tenth anniversary (text hosted by GlobalSecurity.org)
- Lok Sabha Secretariat: Standing Committee on Defence (2022-23), Thirty-ninth Report on the Inter-Services Organisations (Command, Control and Discipline) Bill, 2023 (July 2023)
- Gazette of India, 8 May 2024: Ministry of Defence notification S.R.O. 13(E) bringing the Inter-Services Organisations (Command, Control and Discipline) Act, 2023 into force
- Press Information Bureau, 31 December 2025: Ministry of Defence, Year End Review 2025 (text hosted by GlobalSecurity.org)
- The Hindu, 9 August 2026: Final report on theatre commands under consideration, Centre tells House panel
- ETV Bharat (PTI), 10 April 2026: Integrated theatre commands on track as services reach consensus, says the Chief of Defence Staff
- The Tribune, 26 August 2025: For now, we don't need new structures as theatre commands, says the IAF chief
- The Tribune, 5 November 2025: Not opposed to new structure, IAF chief on theaterisation move
- Constitution of India.net: Article 53, Executive power of the Union
- Constitution of India.net: Article 394, Commencement
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।