Skip to content
প্রকাশ পাডুকোন ১৯৮০ সালের অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন শিরোপা জিতেছিলেন একটি গেমও না হেরে, ফাইনালে দুবারের চ্যাম্পিয়ন লিম সুই কিংকে হারিয়ে ১৫-৩, ১৫-১০
খেলাধুলা

প্রকাশ পাডুকোন ১৯৮০ সালের অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন শিরোপা জিতেছিলেন একটি গেমও না হেরে, ফাইনালে দুবারের চ্যাম্পিয়ন লিম সুই কিংকে হারিয়ে ১৫-৩, ১৫-১০

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

১৯৮০ সালের ২৩ মার্চ ২৪ বছর বয়সী তৃতীয় বাছাই পাডুকোন ইন্দোনেশিয়ার লিম সুই কিংকে ১৫-৩, ১৫-১০ গেমে হারিয়ে অল ইংল্যান্ডের পুরুষ এককে প্রথম ভারতীয় জয়ী হন। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি একটি গেমও হারেননি। পরের ভারতীয় চ্যাম্পিয়ন ২০০১ সালে পুল্লেলা গোপীচাঁদ, যে খেলোয়াড় তাঁর কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

· · 6 মিনিটের পাঠ

প্রকাশ পাডুকোন ১৯৮০ সালের ২৩ মার্চ অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা প্রথম ভারতীয় হন, পুরুষ এককের ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার লিম সুই কিংকে হারিয়ে ১৫-৩, ১৫-১০। তাঁর বয়স ছিল ২৪, তৃতীয় বাছাই, আর শিরোপা জিতেছিলেন একটি গেমও না হেরে। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে এএনআইয়ের প্রতিবেদন, দ্য কুইন্টে আইএএনএসের প্রতিবেদন, দ্য ব্রিজ আর ইএসপিএনের ২০২০ সালের পরিসংখ্যান-লেখা, সবাই এই স্কোরই দিয়েছে।

১৯৭৭ সালে খেলার বিশ্ব সংস্থা নিজেদের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ চালু করার আগে পর্যন্ত অল ইংল্যান্ডকে ধরা হত অনানুষ্ঠানিক বিশ্ব শিরোপা, এ কথা বিডব্লিউএফ আর ব্যাডমিন্টন মিউজিয়াম দুজনেই বলে। ফাইনালে ওঠা দ্বিতীয় ভারতীয় ছিলেন পাডুকোন। ইএসপিএন লিখেছে, ১৯৪৭ সালের ফাইনালে ডেনমার্কের কনি জেপসেনের কাছে হেরেছিলেন প্রকাশ নাথ, আর ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া নাথকে ওই বছরের রানার-আপ বলে তালিকাভুক্ত করেছে।

দুই সপ্তাহে দুই শিরোপা, তারপর লন্ডন

পাডুকোন ইংল্যান্ডে এসেছিলেন জয়ের ধারায়। ইএসপিএন জানাচ্ছে, অল ইংল্যান্ডের আগের দুই সপ্তাহে তিনি ডেনমার্ক ওপেন আর সুইডিশ ওপেন জিতেছিলেন, আর তাঁর কথা উদ্ধৃত করেছে যে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কিন্তু টুর্নামেন্ট জেতার কথা ভাবছিলেন না। অল ইংল্যান্ডে তিনি কখনও কোয়ার্টার ফাইনালের বেশি যাননি। ইএসপিএন বলছে ১৯৭৯ সালে তিনি পায়ের চোটে সরে দাঁড়িয়েছিলেন, যে চোট ডেনমার্ক ওপেনে বেড়েছিল।

ইএসপিএনের ২০১৭ সালের বিবরণে ১৯৮০ সালে তাঁর প্রতিপক্ষদের তালিকা আছে: ইংল্যান্ডের ব্রায়ান ওয়ালওয়ার্ক, তারপর মালয়েশিয়ার সুফিয়ান আবু বকর (১৫-৭, ১৫-০) আর ইন্দোনেশিয়ার হাদিয়ান্তো (১৫-০, ১৫-১০)। কোয়ার্টার ফাইনালে তিনি হারিয়েছেন ১৯৭৫ সালের চ্যাম্পিয়ন ডেনমার্কের সভেন প্রিকে, ১৫-৪, ১৫-৪। সেমিফাইনালে হারিয়েছেন ডেনমার্কের মর্টেন ফ্রস্ট হ্যানসেনকে ১৫-৮, ১৫-১০। ইএসপিএনের ২০২০ সালের লেখা শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলোতে ছেড়ে দেওয়া ১৮ পয়েন্ট গুনেছে এবং বলছে ওই আসরে ওই দুই রাউন্ডে কোনো পুরুষ এককের খেলোয়াড়ের জন্য এটি ছিল যৌথভাবে সর্বনিম্ন।

ইএসপিএনের ২০১৭ সালের লেখা অনুসারে, কিং আর ফ্রস্ট হ্যানসেন ছিলেন দুই শীর্ষ বাছাই, আর পাডুকোন ছিলেন তাঁদের পেছনে।

কিং, ফেবারিট

ব্যাডমিন্টন মিউজিয়ামের সম্মান-তালিকায় কিং ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে চ্যাম্পিয়ন, আর ১৯৮১ সালে আবার চ্যাম্পিয়ন। ১৯৮০ সালে তিনি যাচ্ছিলেন টানা তৃতীয় শিরোপার জন্য। ইএসপিএন ও দ্য ব্রিজ তাঁকে বর্ণনা করেছে তখনকার বিশ্বের শীর্ষ র‍্যাংকিংয়ের খেলোয়াড় হিসেবে, আর ইএসপিএন ও স্ক্রল জানিয়েছে তরতাজা অবস্থায় লন্ডনে পৌঁছতে তিনি ইউরোপের সফরের টুর্নামেন্টগুলো এড়িয়ে গিয়েছিলেন।

ইএসপিএনের ২০১৭ সালের সাক্ষাৎকার অনুসারে, কিং আগের চারবারের মুখোমুখি লড়াইয়ে পাডুকোনকে একটি গেমও না হারিয়ে হারিয়েছিলেন। পাডুকোন এই ধারণা নাকচ করেছেন যে এতে কিং মানসিক সুবিধা পেয়েছিলেন, বলেছেন চারটি ম্যাচ এসেছিল তাঁর কেরিয়ারের আলাদা আলাদা সময়ে। ইএসপিএনের ২০২০ সালের লেখা অনুসারে হারগুলোর একটি ছিল ১৯৭৭ সালের অল ইংল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালে।

ফাইনালের স্ক্রলের বিবরণে দুজনের খেলা ছিল আলাদা। কিং ছিলেন দ্রুত আর ভরসা করতেন জোরালো স্ম্যাশে, আর পাডুকোন পছন্দ করতেন স্পর্শের খেলা, র‍্যালির নিয়ন্ত্রণ, প্রতারণা আর নেটের কাজ।

ফাইনাল কীভাবে খেলা হয়েছিল

২০১৭ সালে ইএসপিএনকে দেওয়া পাডুকোনের নিজের বর্ণনা হল, তিনি খেলা ধীর করে দিয়েছিলেন, শাটল রেখেছিলেন বেসলাইনের কাছে আর কিংয়ের ব্যাকহ্যান্ড পরখ করেছিলেন। স্ট্রোক ধরে রেখে, তাঁর কথায়, তিনি কিংকে “এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশ দেরিতে” নড়তে বাধ্য করতেন। কিং যখন টস আশা করতেন তখন আসত ড্রপ, আর যখন ড্রপ আশা করতেন তখন স্ট্রোক। ম্যাচের পরপরই তিনি একে বলেছিলেন “কৌশলগত জয়”।

ইএসপিএন লিখেছে, দ্বিতীয় গেমের মাঝামাঝি কিং আরও জোরে চাপ দিয়েছিলেন, আর পাডুকোন জবাব দিয়েছেন নেটে পাল্টা ড্রিবলে, উঁচু সার্ভিসে আর সহজ লিফটে। বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতীয় সাপ্তাহিক স্পোর্টসউইকের জন্য ম্যাচটি কভার করা প্রাক্তন খেলোয়াড় শিরীষ নাদকার্নি এক দর্শককে বলতে শুনেছিলেন যে “কিং শাটলকে পেটায়, প্রকাশ যেন তাকে আদর করে”। পাডুকোনের মনে আছে শেষ পয়েন্টটি ছিল নেটে ড্রিবলের বিনিময়, যা তিনি এগিয়ে এসে শেষ করেছিলেন।

দ্য ব্রিজ জানিয়েছে তখন গেম হত ১৫ পয়েন্টে। একটি প্রতিবেদন স্কোরে একমত নয়: ইএসপিএনের ২০১৭ সালের সাক্ষাৎকার-ভিত্তিক লেখা প্রথম গেম দিয়েছে ১৫-৮ এবং বলেছে তা চলেছিল মাত্র আট মিনিট, আর ওপরের চারটি প্রতিবেদন দিয়েছে ১৫-৩। এই লেখা ধরেছে ১৫-৩, ১৫-১০।

ওয়েম্বলি, টিউব আর বাতাসের ঝোঁক

বিডব্লিউএফ বলছে, চ্যাম্পিয়নশিপ ১৯৫৭ সালে ওয়েম্বলি অ্যারেনায় যায় এবং ৩৭ বছর সেখানে থাকে, ১৯৯৪ সালে বার্মিংহামে সরে যাওয়া পর্যন্ত। ব্যাডমিন্টন মিউজিয়াম ওয়েম্বলিকে বলেছে বাতাসের ঝোঁকের জন্য বিখ্যাত, অর্থাৎ যে স্রোত শাটলের গতিপথ বাঁকায়, আর সেমিফাইনালের রাতে দর্শকের জন্যও। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দ্য কুইন্ট ও স্ক্রল ভেন্যুটিকে বলেছে ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম। বিডব্লিউএফ ও মিউজিয়াম ওই বছরগুলোতে চ্যাম্পিয়নশিপের ঘর হিসেবে নাম করেছে ওয়েম্বলি অ্যারেনার।

ইএসপিএন জানাচ্ছে, আগের বছরগুলোতে ঝোঁকটি পাডুকোনকে ভুগিয়েছিল, কিন্তু ১৯৮০ সালে তিনি এসেছিলেন এর জন্য একটি পরিকল্পনা নিয়ে। তিনি ইএসপিএনকে বলেছেন অধিকাংশ খেলোয়াড়ের চেয়ে তিনি একে ভালো নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন।

পাডুকোন থাকতেন মধ্য লন্ডনের ওয়াইএমসিএ-তে। ইএসপিএন বলছে ওয়েম্বলি পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ ট্রেনযাত্রা ছিল প্রায় ২৫ মিনিটের, আর ফাইনালের দিনও তিনি সরঞ্জাম নিয়ে সেটিতেই গিয়েছিলেন। ম্যাচের পর, তিনি ইএসপিএনকে বলেছেন, ভারতীয় দূতাবাসের কেউ তাঁকে গাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। স্ক্রলও একই খুঁটিনাটি দিয়েছে।

শিরোপায় কত মিলেছিল, আর কী বদলাল

ইএসপিএন জানিয়েছে, পুরস্কার ছিল একটি পদক আর প্রায় ১,০০০ পাউন্ড। “বস্তুগতভাবে তখন আমার লাভ হয়নি,” পাডুকোন সাইটটিকে বলেছেন, আর যোগ করেছেন শিরোপা তাঁকে এনে দিয়েছিল নাম আর খ্যাতি, যা টিকে আছে। এর ওজন বুঝতে তাঁর কিছুটা সময় লেগেছিল, তিনি বলেছেন, যতক্ষণ না সারা পৃথিবী থেকে ট্রাঙ্ক কল আসতে শুরু করে।

স্ক্রল জানিয়েছে, দেশে ফেরার পর তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তায় সারি বেঁধে দাঁড়িয়েছিল ভক্তরা। স্ক্রলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ১৯৮০কে বর্ণনা করেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের বিভাজনরেখা হিসেবে। এর আগে, তিনি বলেছেন, খেলাটির প্রচার ছিল সামান্য, সুবিধা কম, টাকা কম আর আন্তর্জাতিক পরিচিতি কম, আর পরে তা হয়ে ওঠে একটি বড় খেলা। ইএসপিএন তাঁকে উদ্ধৃত করেছে: “ভারতীয় ব্যাডমিন্টন গণ্য হতে শুরু করল এমন এক শক্তি হিসেবে, যাকে হিসাবে রাখতেই হবে।”

তিনি ১৯৮১ সালে আবার অল ইংল্যান্ড ফাইনালে পৌঁছেছিলেন এবং কিংয়ের কাছে হেরেছিলেন, আর ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া ও মিউজিয়ামের সম্মান-তালিকা দুটিই তা নথিভুক্ত করেছে। ইএসপিএনের ২০২০ সালের লেখা বলছে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে তিনি শেষ আটে উঠেছিলেন, মোট নয়টি কোয়ার্টার ফাইনাল, চারটি সেমিফাইনাল আর দুটি ফাইনালে, যা কোনো ভারতীয়ের মধ্যে সর্বাধিক। অল ইংল্যান্ড শিরোপা আর আসেনি, ইএসপিএন উল্লেখ করেছে।

অন্যত্র তিনি ১৯৭১ থেকে ১৯৭৯ পর্যন্ত টানা নয় বছর ভারতের জাতীয় পুরুষ এককের শিরোপা জিতেছেন, স্ক্রলের বইয়ের উদ্ধৃতাংশ ও পাডুকোন স্কুল অফ ব্যাডমিন্টন অনুসারে। ১৯৮৩ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি ব্রোঞ্জ জেতেন, যাকে স্ক্রল ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড দুটিই ওই আসরে ভারতের প্রথম পদক বলেছে।

২০০১ সালে গোপীচাঁদ আর তালিকার নামগুলো

পুল্লেলা গোপীচাঁদ পুরুষ এককে জেতেন ২০০১ সালে, পাডুকোনের প্রায় ২১ বছর পরে। দশম বাছাই হিসেবে, ইএসপিএনের ২০১৬ সালের ফিচার অনুসারে, তিনি শেষ ষোলোয় সিডনি অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন জি শিনপেংকে এবং সেমিফাইনালে শীর্ষ বাছাই ডেনমার্কের পিটার গেডকে হারিয়েছেন, তারপর ফাইনালে চীনের চেন হংকে। পাডুকোনের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে গোপীচাঁদ বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন, যিনি ১৯৯৭ সালে খেলোয়াড়দের একটি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ২০০১ সালের ফল নিয়ে পাডুকোনের মূল্যায়ন, একই ফিচারে: “এটা এক চমৎকার কীর্তি, ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের জন্য এক মহান দিন।”

হায়দরাবাদে তাঁর একাডেমি, ইএসপিএন অনুসারে ২০০৮ সালে গড়া, তৈরি করেছে সাইনা নেহওয়াল ও পি. ভি. সিন্ধুকে। সিন্ধুর পদকের কথা আছে tuput-এর পি. ভি. সিন্ধুর দুই অলিম্পিক পদক ও ২০১৯ সালের বিশ্ব শিরোপা নিয়ে লেখায়, আর পুরুষ দলের শিরোপা আছে ২০২২ সালে ব্যাংককে ভারতের থমাস কাপ জয়ের বিবরণে।

অলিম্পিক গোল্ড কোয়েস্ট, যার সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাডুকোন ও গীত শেঠি, নিজের ইতিহাস-পাতায় নিজেকে বর্ণনা করেছে একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন হিসেবে, যার লক্ষ্য ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের অলিম্পিক সোনা জিততে সাহায্য করা।

ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার পাতায় নেহওয়াল ২০১৫ সালের মহিলা এককের রানার-আপ হিসেবে আছেন, ১৯৪৭ সালে নাথ আর ১৯৮১ সালে পাডুকোনের পাশে। ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাডমিন্টন মিউজিয়ামের সম্মান-তালিকা, যা ২০২৬ সালের আসর পর্যন্ত চলেছে, পাঁচটি ইভেন্ট জুড়ে দুটি ভারতীয় নাম বহন করে: ১৯৮০ সালে পাডুকোন আর ২০০১ সালে গোপীচাঁদ।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. BWF World Tour: YONEX All England Open, history and historical results
  2. The Badminton Museum: The history of the All-England Badminton Championships (14 November 2020)
  3. The Badminton Museum: All England past winners
  4. Badminton Association of India: All England Badminton Champions (India)
  5. ESPN: Drift and deception, how Prakash Padukone conquered All England (Nagraj Gollapudi, 13 March 2017)
  6. ESPN: Fourth time's the charm, when Prakash Padukone made history without dropping a game (Mohit Shah, 23 March 2020)
  7. ESPN: Greatest moments in Indian sport, No. 18, Gopichand wins the All England Open (Sharda Ugra, 30 June 2016)
  8. Scroll.in: Pause, rewind, play, when badminton legend Prakash Padukone won the All England title in 1980 (23 March 2020)
  9. Scroll.in: Why Prakash Padukone's All England title in 1980 was the crowning moment of a glorious career (excerpt from The Gopichand Factor, 17 March 2021)
  10. Business Standard (ANI): On this day, Prakash Padukone became first Indian to win All England Badminton Championships (23 March 2020)
  11. The Quint (IANS): 23 March 1980, Padukone won India's first-ever All England title (23 March 2020)
  12. The Bridge: Train ride to destiny, how Prakash Padukone changed the fate of an entire sport (13 March 2021)
  13. Khel Now: How Pullela Gopichand changed Indian badminton with historic All England Open win in 2001 (13 March 2023)
  14. Padukone School of Badminton: Prakash Padukone
  15. Olympic Gold Quest: History

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#prakash padukone#all england#badminton#liem swie king#wembley#pullela gopichand#1980#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: খেলাধুলা
পি. ভি. সিন্ধুর দুটি অলিম্পিক পদক, রিও ২০১৬-তে রুপো আর টোকিও ২০২০-তে ব্রোঞ্জ, আর বাসেলে ২০১৯ সালের সোনাসহ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পাঁচটি পদক
সেকেন্দ্রাবাদের ব্যাডমিন্টন কোর্টে রোজ ৫৬ কিলোমিটার যাতায়াত থেকে পদ্মভূষণ পর্যন্ত, ভারতীয় ব্যাডমিন্টন-জীবনের বছরওয়ারি বিবরণ, বিডব্লিউএফের ম্যাচ প্রতিবেদন, সরকারি বিজ্ঞপ্তি আর অলিম্পেডিয়া থেকে নেওয়া, শেষ ২০২৬ সালের অক্টোবরের ফ্রেঞ্চ ওপেন ফাইনালে।
কর্ণম মল্লেশ্বরী ২০০০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিডনিতে ২৪০ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন, অলিম্পিকে ভারতের কোনো মহিলার প্রথম পদক এবং সেই গেমসে দেশের একমাত্র পদক
শ্রীকাকুলামের এক গ্রামের যে ভারোত্তোলক বাঁকা বারবেল নিয়ে মাটিতে অনুশীলন করতেন, তিনি সিডনির কনভেনশন সেন্টারে পদক জিতলেন। লিফটগুলো, ব্যবধান, শেষ চেষ্টা নিয়ে তাঁর নিজের বিবরণ, আর তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে নথি কী বলে।
লক্ষ্য সেন ও পি. ভি. সিন্ধু ২০২৬ সালের ১ নভেম্বর জার্মানির সারব্রুকেনে হাইলো ওপেন সুপার ৫০০-এর দুটি এককই জিতেছেন, সিন্ধু একটি গেমও না হেরে
প্রত্যেকে পাঁচটি ম্যাচ, সিন্ধুর কোর্টে ১৫৯ মিনিট আর সেনের ২৬১ মিনিট। বিডব্লিউএফের ম্যাচ-তথ্য আর আয়োজকদের অতীত চ্যাম্পিয়নদের তালিকা থেকে, ভারতের দুই এককের খেলোয়াড় কীভাবে সারব্রুকেনের পডিয়ামের শীর্ষে পৌঁছলেন।
← সব লেখা