Skip to content
ভারতের প্রথম জাতীয় নদী-ডলফিন গণনায় আট রাজ্যের ২৮টি নদীতে মিলেছে ৬,৩২৭টি ডলফিন, উত্তর প্রদেশে ২,৩৯৭ আর বিহারে ২,২২০, যেখানে বিক্রমশিলা অভয়ারণ্য গঙ্গার ৬০ কিমি রক্ষা করে
পরিবেশ

ভারতের প্রথম জাতীয় নদী-ডলফিন গণনায় আট রাজ্যের ২৮টি নদীতে মিলেছে ৬,৩২৭টি ডলফিন, উত্তর প্রদেশে ২,৩৯৭ আর বিহারে ২,২২০, যেখানে বিক্রমশিলা অভয়ারণ্য গঙ্গার ৬০ কিমি রক্ষা করে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ৮,৫০০ কিমির বেশি নদী জরিপ করে ৬,৩২৭টি নদী-ডলফিনের হিসাব দিয়েছে, যার ৬,৩২৪টি গঙ্গা নদীর ডলফিন আর ৩টি বিয়াস নদীর সিন্ধু নদীর ডলফিন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন ২০২৫ সালের ৩ মার্চ, আর দ্বিতীয় জরিপ শুরু হয় ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিজনৌরে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রথম জাতীয় নদী-ডলফিন গণনায় আট রাজ্যের ২৮টি নদীতে ৬,৩২৭টি ডলফিনের হিসাব মিলেছে, আর প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন ২০২৫ সালের ৩ মার্চ। জরিপ ৮,৫০০ কিমির বেশি নদী জুড়ে হয়েছিল, মাঠের কাজে লেগেছিল ৩,১৫০ কর্মদিবস, আর প্রতিবেদনটি এসেছিল গুজরাটের গিরে জাতীয় বন্যপ্রাণী পর্ষদের সপ্তম বৈঠকে। মাঠের কাজ চলেছিল ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত, পিআইবির একটি পরের বিজ্ঞপ্তি জানায়।

প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে পরিবেশ মন্ত্রক আর দেরাদুনের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (ডব্লিউআইআই)। ডব্লিউআইআইয়ের পুস্তিকা বলছে, ৬,৩২৭ এই হিসাবের পরিসর ৫,৯৮০ থেকে ৬,৬৯১, আর তার মধ্যে আছে ৬,৩২৪টি গঙ্গা নদীর ডলফিন (Platanista gangetica) এবং পাঞ্জাবের বিয়াস নদীতে ৩টি সিন্ধু নদীর ডলফিন।

২০০৯ সাল থেকে জাতীয় প্রাণী

গঙ্গা নদীর ডলফিন বাস করে মিঠা জলে আর নদীর মোহনায়, কখনো খোলা সাগরে ঢোকে না। স্থানীয়রা একে বলে সুসু। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চের সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট আর ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গার গবেষকদের ২০২৫ সালের একটি পর্যালোচনা বলছে, প্রাণীটি প্রায় অন্ধ, উচ্চ কম্পাঙ্কের ক্লিক শব্দ আর তার প্রতিধ্বনি দিয়ে সে পথ চেনে।

পর্যালোচনা অনুযায়ী, ১৮৭০-এর দশকে এর বিচরণ ছিল দক্ষিণ নেপাল, বাংলাদেশ আর ভারতের পরস্পর-যুক্ত নদীজালে, হিমালয়ের পাদদেশ থেকে সুন্দরবনের বদ্বীপ পর্যন্ত। পিআইবির ২০২৬ সালের বিজ্ঞপ্তিতে আজকের ভারতীয় ঘাঁটিগুলো হিসেবে আছে গঙ্গা, যমুনা, চম্বল, গণ্ডক, ঘাঘরা, কোশী, মহানন্দা আর ব্রহ্মপুত্র ব্যবস্থা, আর পিআইবির ২০২৫ সালের মার্চের ব্যাকগ্রাউন্ডার বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ ভারতে রেখেছে।

বিহার বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর ন্যাশনাল গঙ্গা রিভার বেসিন অথরিটির প্রথম বৈঠকে ভারত একে জাতীয় জলজ প্রাণী ঘোষণা করে। পর্যালোচনা যোগ করে, আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আসে ২০১০ সালের মে মাসে।

প্রাণীটি বন্যপ্রাণ (সুরক্ষা) আইন, ১৯৭২-এর প্রথম তফসিলে আছে, পর্যালোচনার ভাষায় যা আইনটির দেওয়া সবচেয়ে জোরালো সুরক্ষা আর যাতে শিকার নিষিদ্ধ। পিআইবি বলছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের একটি সংশোধনী গাঙ্গেয় আর সিন্ধু নদীর ডলফিনকে প্রথম তফসিলের মধ্যেই আলাদা দুটি প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। পর্যালোচনা যোগ করে, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার (আইইউসিএন) গঙ্গা নদীর ডলফিনকে বিপন্ন বলে তালিকাভুক্ত করেছে।

প্রথম গণনা কী পেল, রাজ্য ধরে ধরে

ডব্লিউআইআইয়ের পুস্তিকা উত্তর প্রদেশকে দিয়েছে ২,৩৯৭টি ডলফিন, বিহারকে ২,২২০, পশ্চিমবঙ্গকে ৮১৫, অসমকে ৬৩৫, ঝাড়খণ্ডকে ১৬২, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশকে একত্রে ৯৫, আর পাঞ্জাবকে ৩। এই সাতটি সংখ্যা যোগ করলে ৬,৩২৭ হয়, আর শীর্ষ চারটির একই ক্রম পিআইবিও লিখেছে। নদী-ব্যবস্থা ধরলে গঙ্গার মূল ধারায় ছিল ৩,২৭৫ আর তার উপনদীতে ২,৪১৪। ব্রহ্মপুত্রের মূল ধারায় ছিল ৫৮৪ আর তার উপনদীতে ৫১, যে ভাগ ২০২৬ সালের আগস্টের একটি রাজ্যসভার উত্তরেও এসেছিল, দ্য সেন্টিনেল জানিয়েছে।

অসমে, অল ইন্ডিয়া রেডিও জানিয়েছে, জরিপে পাওয়া গেছে বাধাহীন ব্রহ্মপুত্রে একটি জনগোষ্ঠী, যা ডব্লিউআইআইয়ের ২০২০ সালের হিসাবের সঙ্গে মেলে, আর প্রতিবেদন ইঙ্গিত দেয় সেটি স্থিতিশীল ছিল।

বিহারের ২,২২০ আর বিক্রমশিলা অভয়ারণ্য

বিহারের ২,২২০টি ডলফিন গোনা হয়েছিল ১,৩৬৮ কিমি জুড়ে, প্রতি কিমিতে ১.৬২টি ডলফিনের সাক্ষাৎ-হারে। রাজ্যগুলোর সাতটি সারির মধ্যে শুধু ঝাড়খণ্ডের হার বেশি, ৫৯ কিমিতে ১৬২টি ডলফিন, অর্থাৎ ২.৭৫। tuput-এর যোগফল অনুযায়ী বিহারের ভাগ জাতীয় সংখ্যার ৩৫ শতাংশ। রাজ্যের বাকি তথ্য আছে আমাদের বিহার রাজ্য-পরিচিতিতে।

বিহার বন বিভাগ বলছে, বিক্রমশিলা গাঙ্গেয় ডলফিন অভয়ারণ্য ১৯৯১ সালে ১৯৭২ সালের আইনের অধীনে ঘোষিত হয়েছিল, আর তা ভাগলপুর জেলায় সুলতানগঞ্জ থেকে কাহালগাঁও পর্যন্ত গঙ্গার ৬০ কিমি জুড়ে। নামটি এসেছে বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ থেকে, পাল যুগের একটি বৌদ্ধ বিদ্যাকেন্দ্র। নদী খাত বদলায় বলে, বিভাগ জানায়, অভয়ারণ্যের সীমানা আর বিস্তার বদলাতে থাকে।

২০২৫ সালের পর্যালোচনা একে প্রজাতিটির জন্য নিবেদিত অভয়ারণ্য বলে উল্লেখ করেছে। তারা একটি আগের গবেষণার উল্লেখ করে, যাতে অভয়ারণ্যের ভেতরে প্রতি কিমিতে ১.৮টি পর্যন্ত ডলফিন পাওয়া গিয়েছিল, আর ইঙ্গিত দেয় সেখানে মাছ ধরার পুরো নিষেধাজ্ঞা বেশি হারের কারণ হতে পারে। ভাগলপুরের জেলেরাও ডলফিন মিত্র উদ্যোগে অংশ নেন, মোংগাবে ইন্ডিয়া ২০২২ সালের আগস্টে জানিয়েছিল।

নদী-ডলফিন কীভাবে গোনা হয়

গঙ্গা নদীর ডলফিন জলের উপরে খুব কম সময় কাটায়, পিআইবি লিখেছে, তাই গণনায় এমন প্রাণীদেরও হিসাবে রাখতে হয় যারা আছে অথচ চোখে পড়েনি। ডব্লিউআইআইয়ের পুস্তিকা বলছে, জরিপে ব্যবহার হয়েছে স্বতন্ত্র দ্বৈত-পর্যবেক্ষক পদ্ধতিতে নৌকা থেকে চোখে দেখা জরিপ, সঙ্গে হাইড্রোফোন নামের জলের নিচের মাইক্রোফোন। একটি রাজ্যসভার উত্তরে একই দুটি অংশকে বলা হয়েছে চাক্ষুষ জরিপ আর নিষ্ক্রিয় শব্দ-পর্যবেক্ষণ।

পুস্তিকা বলছে, নকশাটির লক্ষ্য ছিল তার নাম করা দুটি সমস্যা সামলানো, পর্যবেক্ষকের পক্ষপাত আর প্রাপ্যতার পক্ষপাত। নৌকায় থাকা দুজন পর্যবেক্ষক আলাদাভাবে দেখা-সাক্ষাৎ লেখেন, আর তাঁদের তালিকার মিল থেকে বোঝা যায় একজন পর্যবেক্ষক কতগুলো প্রাণী ফসকে ফেলেন। হাইড্রোফোন ডলফিনের ক্লিক শব্দ ধরে, তাই নৌকা পেরিয়ে যাওয়ার সময় যে প্রাণী জলের নিচে থেকে গেছে তাকেও শনাক্ত করা যায়।

ডব্লিউআইআই তথ্য বিশ্লেষণ করেছে চ্যাপম্যানের সংশোধিত রূপে লিঙ্কন-পিটারসেন সূত্র আর হাগিন্স পদ্ধতিতে, যা যা দেখা গেছে তা থেকে মোট সংখ্যা অনুমানের পরিসংখ্যানগত উপায়। যুক্তিটি আমাদের ভারত কীভাবে বাঘ আর সিংহ গোনে লেখায় থাকা ক্যামেরা-ট্র্যাপ যুক্তির কাছাকাছি, আর ৫,৯৮০ থেকে ৬,৬৯১ পরিসর সেখানে বাঘের পরিসরের মতোই ভূমিকা পালন করে।

২০২০ সালের ১৫ আগস্ট থেকে প্রজেক্ট ডলফিন

পিআইবি লিখেছে, প্রজেক্ট ডলফিন শুরু হয়েছিল ২০২০ সালের ১৫ আগস্ট, প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণের দিনে। ইটিভি ভারত সেদিনই জানিয়েছিল, প্রজেক্ট টাইগার আর প্রজেক্ট এলিফ্যান্টের ধাঁচে এটি পরিকল্পিত ১০ বছরের প্রকল্প হিসেবে, ডলফিন গোনা আর শিকার ঠেকানোর আধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে, আর জেলে সম্প্রদায়ের আয় বাড়ানোর কাজ নিয়ে। পিআইবি এর লক্ষ্য বর্ণনা করেছে আবাসস্থল সুরক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা আর জনসচেতনতার মাধ্যমে সামুদ্রিক ও নদী-ডলফিনকে রক্ষা করা।

পিআইবির ২০২৫ সালের মার্চের ব্যাকগ্রাউন্ডারে তালিকা আছে তারপর কী হয়েছে। ২০২২ থেকে ২০৪৭ সালের একটি ব্যাপক কর্ম-পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। পুনর্গঠিত প্রজেক্ট ডলফিন স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছে ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল উন্নয়নের কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ডলফিন সংরক্ষণ কাজের জন্য ২০২২-২৩ সালে বরাদ্দ হয়েছে ২৪১.৭৩ লাখ টাকা (প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা), আর ২০২৩-২৪ সালে ২৪৮.১৮ লাখ টাকা।

২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর ডব্লিউআইআই, অসম বন বিভাগ আর অসমের সংরক্ষণ সংগঠন আরণ্যকের সঙ্গে মিলে অসমে একটি গঙ্গা নদীর ডলফিনের গায়ে উপগ্রহ-ট্যাগ লাগায়, এই প্রজাতির প্রথম এভাবে ট্যাগ-করা প্রাণী, যাকে পিআইবি ডলফিন সংরক্ষণে বিশ্বে প্রথম বলেছে। ২০২৫ সালের মার্চের একই পর্ষদ বৈঠকে ঘড়িয়ালের জন্যও একটি নতুন প্রকল্প ঘোষিত হয়েছিল, লম্বা-নাকওয়ালা এই কুমিরজাতীয় প্রাণীদের কথা আছে আমাদের ঘড়িয়ালের ফিরে আসা লেখায়।

ডলফিনকে কী রক্ষা করে, আর সামনের কাজ

পিআইবি বলছে, চম্বল নদীতে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান আর উত্তর প্রদেশ জুড়ে ২০০ কিমির একটি অংশকে ডলফিন সংরক্ষণ অঞ্চল ঘোষণার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে রাজ্যসভাকে জানানো হয়েছিল, দ্য সেন্টিনেল লিখেছে, ন্যাশনাল ক্যাম্পা, ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের অর্থ যে কর্তৃপক্ষ সামলায়, তার মাধ্যমে অর্থায়নে অনুমোদিত একটি প্রকল্প নয়টি রাজ্যের ১৩১টি জেলা জুড়ে চলবে, আর তাতে আছে উদ্ধার ও পুনর্বাসন, সক্ষমতা গড়া এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ।

২০২৫ সালের পর্যালোচনা হুমকির তালিকায় রেখেছে বাঁধ ও ব্যারাজ, সীমিত নদী-প্রবাহ, মাছ ধরার জালে জড়িয়ে যাওয়া, দূষণ, বালি তোলা আর জলযানের সঙ্গে ধাক্কা। জলের মান আর নদীর প্রবাহের কথা আছে আমাদের গঙ্গা পরিষ্কারের লেখায়। জরিপ নিজেই মনোযোগের জন্য দুটি জায়গা চিহ্নিত করেছে: বিয়াস, যেখানে ৩টি সিন্ধু নদীর ডলফিনের হিসাব মিলেছে, আর অসমের উপনদীগুলো, যেখানে অল ইন্ডিয়া রেডিও জানিয়েছে বরাকে কোনো ডলফিন দেখা যায়নি আর সুবনসিরিতে সংখ্যা কমেছে।

একই পদ্ধতিতে দ্বিতীয় জরিপ শুরু হয়েছে উত্তর প্রদেশের বিজনৌরে ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি, তিনটি নৌকায় ২৬ জন গবেষককে নিয়ে। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা পড়ছে বিজনৌর থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত গঙ্গার মূল ধারা আর সিন্ধু নদী, আর দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গার উপনদী, সুন্দরবন আর ওড়িশা, যেখানে ইরাবদি ডলফিনও গোনা হবে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau: PM chairs the 7th meeting of National Board for Wildlife on 3rd March in Gir, and releases the first-ever riverine dolphin estimation report (3 March 2025)
  2. Press Information Bureau: India's Wildlife Conservation Milestones, World Wildlife Day backgrounder (3 March 2025)
  3. Press Information Bureau, Ministry of Environment, Forest and Climate Change: Second Rangewide Estimation of Riverine and Estuarine Dolphins in India starts from Bijnor (17 January 2026)
  4. Wildlife Institute of India: Population Status of River Dolphins in India, 2021-23 (report listing, 3 March 2025)
  5. Wildlife Institute of India and Ministry of Environment, Forest and Climate Change: Population Status of River Dolphins in India, brochure (2025)
  6. Bihar Forest Department: About Gangetic Dolphin and the Vikramshila Gangetic Dolphin Sanctuary
  7. Das and co-authors, Frontiers in Ecology and Evolution: Status of Ganges River dolphin Platanista gangetica in the lower stretch of the Ganga River, India, with emphasis on threats, conservation, and recommendations (19 March 2025)
  8. The Sentinel (Assam): Centre's Survey Estimates 635 Gangetic River Dolphins in Assam, on a Rajya Sabha reply (14 August 2026)
  9. News On AIR (Akashvani): India's first-ever comprehensive river dolphin survey estimated presence of 6,327 river dolphins across the country (17 March 2025)
  10. Down To Earth: India has an estimated 6,327 river dolphins across eight states (March 2025)
  11. ETV Bharat: PM Modi announces Project Dolphin in I-Day speech (15 August 2020)
  12. Mongabay India: Involvement of fishing communities, transboundary cooperation could help mitigate threats to Ganges river dolphin (August 2022)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#ganges river dolphin#project dolphin#river dolphin survey#vikramshila gangetic dolphin sanctuary#wildlife institute of india#national aquatic animal#bihar#ganga

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
ভারতের প্রথম ডিএনএ-ভিত্তিক হাতি গণনায় ৪,০৬৫টি আলাদা হাতি শনাক্ত হয়েছে আর হিসাব দাঁড়িয়েছে ২২,৪৪৬, এমন দেশে যেখানে আছে ৩৩টি হাতি সংরক্ষিত এলাকা আর ১৫০টি যাচাই-করা করিডর
৩৭টি স্থানের গোবরের নমুনা থেকে ৪,০৬৫টি জিনগত পরিচয় মিলেছে, আর একটি ক্যাপচার-রিক্যাপচার মডেল সেগুলোকে জাতীয় হিসাবে বদলেছে। সংরক্ষিত এলাকার জাল, করিডর জরিপ, ২০১০ সালের ঐতিহ্য-মর্যাদা আর মন্ত্রকের সংঘাত-সংখ্যা আসে তার পরে।
রাজস্থানের থর মরুভূমিতে আছে প্রায় ১৩০টি গ্রেট ইন্ডিয়ান বাস্টার্ড, দুটি প্রজনন কেন্দ্রে আরও ৯৭টি, আর ২০২৬ সালের ৪ অক্টোবর বন্দিদশায় জন্মানো দুটি পুরুষ পাখিকে ছাড়া হয়েছে
একটি চরম বিপন্ন পাখি যে বিদ্যুতের লাইনে ধাক্কা খায়, সেই লাইন নিয়ে তিনটি আদালতের আদেশ, আর একটি প্রজনন কর্মসূচি যা সবে পাখি ছাড়া শুরু করেছে। কী গোনা হয়েছে আর কী কেবল অনুমান।
নমামি গঙ্গা ২০১৪ সাল থেকে ₹২১,৩৪০ কোটি বিতরণ করেছে এবং ৪,২৬৩ এমএলডি ক্ষমতার নর্দমা প্রকল্প সম্পূর্ণ করেছে, আর বারাণসীর অস্সি ঘাটে ফিকাল ব্যাকটেরিয়ার সীমা ২,৫০০-এর বিপরীতে এখন পরীক্ষায় মিলছে ৭৯০
বারো বছরের অর্থ, শোধনাগার আর নদীর পরীক্ষা এক জায়গায়, শুরুতে যা গড়া ও মাপা হয়েছে, আর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রয়াগরাজের জল-বিতর্ক নিয়ন্ত্রক, রাজ্য পর্ষদ ও মুখ্যমন্ত্রীর নিজেদের কথায়।
← সব লেখা