Skip to content
জাকির হুসেন বাবা আল্লা রাখার কাছে তবলা শিখেছিলেন, ১৯৭০ সালে রবি শঙ্করের সঙ্গে ফিলমোর ইস্টে বাজিয়েছিলেন, শক্তি গড়েছিলেন আর ২০২৪ সালে এক রাতে তিনটি গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন
শিল্প ও চলচ্চিত্র

জাকির হুসেন বাবা আল্লা রাখার কাছে তবলা শিখেছিলেন, ১৯৭০ সালে রবি শঙ্করের সঙ্গে ফিলমোর ইস্টে বাজিয়েছিলেন, শক্তি গড়েছিলেন আর ২০২৪ সালে এক রাতে তিনটি গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন

ছবি: Sven.petersen / Wikimedia Commons, Public domain (ছাঁটা)

বাংলা

১৯৫১ সালের ৯ মার্চ মুম্বইয়ে জন্মানো জাকির হুসেন আল্লা রাখার কাছে শিখে বারো বছর বয়সে সফরে বেরোন, আর উনিশ বছর বয়সে নিউ ইয়র্কের ফিলমোর ইস্টে রবি শঙ্করের সঙ্গে বাজান। ২০২৪ সালে তিনি এক বছরে তিনটি গ্র্যামি জেতা প্রথম ভারতীয় সংগীতশিল্পী হন, তার আগে পেয়েছিলেন পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ আর পদ্মবিভূষণ।

· · 6 মিনিটের পাঠ

জাকির হুসেনের জন্ম ১৯৫১ সালের ৯ মার্চ মুম্বইয়ে। তিনি তবলা-গুরু আল্লা রাখার ছেলে ও শিষ্য, আর ২০২৪ সালের ৬৬তম গ্র্যামি পুরস্কারে এক রাতে তিনটি ট্রফি জেতেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও এনপিআর দুটোই জানিয়েছে, এক বছরে তিনটি গ্র্যামি জেতা তিনিই প্রথম ভারতীয় সংগীতশিল্পী। রাষ্ট্রপতির সচিবালয় তার আগেই তাঁকে পদ্মশ্রী (১৯৮৮), পদ্মভূষণ (২০০২) ও পদ্মবিভূষণের (২০২৩) জন্য বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করেছিল। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সান ফ্রান্সিসকোয় তিনি মারা যান, বয়স ছিল ৭৩।

যে বাবা তাঁকে তাল গেয়ে শোনাতেন

হুসেনের বাবা আল্লা রাখা বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে পরিচিত তবলাবাদকদের একজন ছিলেন, আর ন্যাশনাল এন্ডাউমেন্ট ফর দ্য আর্টস বলছে, তিনি ছেলের শিক্ষকও ছিলেন। তবলা একজন বাদকের বাজানো এক জোড়া হাতে-বাজানো ঢোল। এন্ডাউমেন্টের বিবৃতি এর বিকাশকে চতুর্দশ শতাব্দীর বলে ধরেছে।

এনপিআর জানিয়েছে, আল্লা রাখা নবজাতক ছেলের কানে প্রচলিত দোয়ার বদলে তাল গেয়ে শুনিয়েছিলেন, আর হুসেনের মা তাতে আপত্তি করেছিলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বলছে, আনুষ্ঠানিক তালিম শুরু হয় ছেলেটির সাত বছর বয়সে। এন্ডাউমেন্টের মতে হুসেন সাত বছর বয়সে প্রথম অনুষ্ঠান করেন আর বারো বছর বয়সে সফর শুরু করেন, আর ট্রিবিউন যোগ করেছে, সাত বছর বয়সেই তিনি স্কুলের অনুষ্ঠানে বাজাচ্ছিলেন। সাত বছর বয়সে ঠিক কী ঘটেছিল, তালিম না অনুষ্ঠান, তা নিয়ে সূত্রগুলোর সামান্য অমিল আছে, বয়স নিয়ে সবাই একমত।

যিনি তাঁকে শেখালেন

ট্রিবিউনের মৃত্যু-সংবাদ অনুযায়ী আল্লা রাখার জন্ম জম্মুর ফাগওয়াল গ্রামে, লাহোর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে। তিনি তবলা শেখেন পাঞ্জাব ঘরানার (বংশানুক্রমিক বাদনধারার) কাদর বক্সের কাছে, আর রাগ শেখেন পাতিয়ালা ঘরানার আশিক আলি খানের কাছে। ১৯৪০ সালে তিনি দিল্লিতে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে স্টাফ শিল্পী হিসেবে যোগ দেন, হিন্দি ছবিতে সুর দেন, আর কণ্ঠশিল্পী পণ্ডিত জসরাজ ও ভীমসেন জোশী, সেতারবাদক রবি শঙ্কর এবং সানাইবাদক উস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের সঙ্গে বাজান।

সংগীততাত্ত্বিক অশোক দা রানাডে ২০০১ সালের জুনে জেন্টলম্যান পত্রিকায় লিখেছিলেন, দুই শতাব্দী আগে তবলার মর্যাদা ২০০১ সালের মতো এত উঁচু ছিল না। তাঁর বিবরণে আল্লা রাখা তাঁদের একজন, যাঁরা সেটা বদলেছেন, পাঞ্জাবের একটি বাদনশৈলীকে পূর্ণ ঘরানায় পরিণত করে। রানাডে আরও গুনেছেন, আল্লা রাখার সুর করা অন্তত চল্লিশটি হিন্দি আর তিনটি পাঞ্জাবি ছবি।

ট্রিবিউন জানিয়েছে, ২০০০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের বাড়িতে হৃদ্‌রোধে আল্লা রাখার মৃত্যু হয়, বয়স ছিল ৮১। তার আগের রবিবার তিনি পণ্ডিত জসরাজের সত্তরতম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বাজিয়েছিলেন। রবি শঙ্করের নিজের কাহিনি আছে সেতার নিয়ে আমাদের লেখায়, আর আল্লা রাখার মঞ্চে যে সানাইবাদক ছিলেন, তাঁর জন্য আছে আলাদা একটি লেখা।

উনিশ, নিউ ইয়র্ক আর ফিলমোর ইস্ট

ট্রিবিউন জানায়, উনিশ বছর বয়সে নিউ ইয়র্কে রবি শঙ্করের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানই হুসেনের কর্মজীবন শুরু করে দিয়েছিল। এনপিআর তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সাল দিয়েছে ১৯৭০। আইএমজি আর্টিস্টসের জীবনী, যা তাঁর ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে এসেছে, তাঁর প্রথম মার্কিন কনসার্ট বলেছে নিউ ইয়র্ক সিটির ফিলমোর ইস্টে, রবি শঙ্করের সঙ্গে, আর এন্ডাউমেন্টের বিবৃতিও একই কথা বলে। এর কোনোটিতেই কনসার্টের তারিখ দেওয়া নেই।

এনপিআর ওই বছরগুলোতে তাঁর সঙ্গী সংগীতশিল্পীদের মধ্যে জর্জ হ্যারিসন, ভ্যান মরিসন আর গ্রেটফুল ডেডের মিকি হার্টের নাম করেছে, সঙ্গে জ্যাজ স্যাক্সোফোনবাদক জন হ্যান্ডি। রেলিক্স ২০২২ সালের এক সাক্ষাৎকারে হুসেনকে উদ্ধৃত করেছে ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালে হার্টের সঙ্গে করা ডিগা নামের রেকর্ডিং নিয়ে। রেলিক্স আরও বর্ণনা করেছে ১৯৭২ সালের কাছাকাছি সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় হার্টের গোলাবাড়িতে প্রায় চার দিন টানা চলা এক জ্যাম, যাতে তখন আঠারো বা উনিশ বছর বয়সী হুসেন হাজির ছিলেন।

শক্তি আর ঢোলবাদকদের বৃত্ত

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও এনপিআর অনুযায়ী ১৯৭৩ সালে হুসেন ইংরেজ গিটারবাদক জন ম্যাকলাফলিনের সঙ্গে জ্যাজ-ফিউশন দল শক্তি গড়েন। ট্রিবিউন অন্য প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের নাম করেছে বেহালাবাদক এল. শঙ্কর আর ঘটম (মাটির কলসি, যা ঢোল হিসেবে বাজানো হয়) বাদক টি. এইচ. “বিক্কু” বিনায়করাম। এন্ডাউমেন্ট বলছে, ম্যাকলাফলিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব শুরু হয় নিউ ইয়র্কে, কিন্তু দলটির সাল দেয়নি।

রেলিক্স জানিয়েছে, আদি দলটি রিহার্সাল ছাড়াই তাদের প্রথম সংগীত রেকর্ড করেছিল। ২০২২ সালে ঘোষণা করা হয় নতুন শক্তি, যাতে ম্যাকলাফলিন ও হুসেনের সঙ্গে যোগ দেন শঙ্কর মহাদেবন, গণেশ রাজগোপালন আর ভি. সেলভগণেশ। শক্তির পাশাপাশি একোজ গুনেছে মিকি হার্টের সঙ্গে পাঁচটি প্ল্যানেট ড্রাম অ্যালবাম, সর্বশেষটি ২০২২ সালের ইন দ্য গ্রুভ।

গ্র্যামির গোনাগুনতি, আর সূত্রগুলো কেন আলাদা

রেকর্ডিং অ্যাকাডেমির নিজস্ব ডেটাবেস গ্র্যামি ডটকম হুসেনের জন্য চারটি জয় আর নয়টি মনোনয়ন দেখিয়েছে। জয়গুলো হলো ২০০৯ সালের গ্লোবাল ড্রাম প্রজেক্ট (সেরা সমকালীন বিশ্বসংগীত অ্যালবাম, মিকি হার্ট, সিকিরু আদেপোজু ও জিওভানি ইদালগোর সঙ্গে), আর ২০২৪ সালের ৬৬তম অনুষ্ঠানে তিনটি। সেই তিনটি হলো অ্যাজ উই স্পিক (সেরা সমকালীন যন্ত্রসংগীত অ্যালবাম, বেলা ফ্লেক, এডগার মায়ার ও রাকেশ চৌরাসিয়ার সঙ্গে), শক্তির দিস মোমেন্ট (সেরা গ্লোবাল মিউজিক অ্যালবাম) আর পাশতো ট্র্যাকটি (সেরা গ্লোবাল মিউজিক পারফরম্যান্স, ফ্লেক, মায়ার ও চৌরাসিয়ার সঙ্গে)।

একই পাতায় আগের মনোনয়নগুলো হলো বিক্কু বিনায়করামের সঙ্গে রাগ আবেরি (১৯৯৬), আশিস খানের সঙ্গে গোল্ডেন স্ট্রিংস অফ দ্য সরোদ (২০০৭) আর দ্য মেলডি অফ রিদম (২০১০)। তাতে ২০২৬ সালের ৬৮তম অনুষ্ঠানের জন্য দুটি মনোনয়নও আছে, দুটিই শক্তির: মাইন্ড এক্সপ্লোশন (৫০তম বার্ষিকী সফর, লাইভ) অ্যালবাম আর শ্রিনিজ ড্রিম ট্র্যাক।

অন্য সূত্রগুলো গোনে অন্যভাবে। আইএমজি আর্টিস্টসের জীবনী বলছে, হুসেনের সহ-রচিত ও প্রযোজিত, মিকি হার্টের সঙ্গে করা অ্যালবাম প্ল্যানেট ড্রাম ১৯৯২ সালে সেরা বিশ্বসংগীত বিভাগের প্রথম বিজয়ী, আর এন্ডাউমেন্ট একে ১৯৯২ সালের গ্র্যামিজয়ী অ্যালবাম বলেছে, যাতে তিনি বিশেষ শিল্পী ছিলেন। হুসেনের জন্য গ্র্যামি ডটকমের পাতা এটি তালিকায় রাখেনি। ট্রিবিউন প্ল্যানেট ড্রাম আর ২০২৪ সালের তিনটি ধরে মোট চারটি জয় দিয়েছে, যাতে ২০০৯ বাদ পড়ে। এনপিআর আর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বলেছে চারটি জয়, বা কয়েকটির নাম করেছে মাত্র। এই লেখা গ্র্যামি ডটকমের তালিকা ধরেছে, আর প্ল্যানেট ড্রামের কৃতিত্ব অন্য সূত্ররা যেভাবে বলেছে সেভাবেই লিখে রেখেছে।

গেজেটে পদ্ম পুরস্কার

তিনটি পদ্ম পুরস্কার ভারতের গেজেটে মিলিয়ে দেখা যায়। ১৯৮৮ সালের ১৯ মার্চের গেজেট এক্সট্রাঅর্ডিনারি পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে জাকির হুসেনকে তালিকাভুক্ত করেছে, বিভাগ যন্ত্রসংগীত (তবলা), ঠিকানা সান ফ্রান্সিসকো। ২০০২ সালের ২৭ মার্চের গেজেট এক্সট্রাঅর্ডিনারিতে ২০০২ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখের ১০১-পার্স/২০০২ নম্বর বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়, যাতে তিনি মুম্বই থেকে কলা (যন্ত্রসংগীত) বিভাগে পদ্মভূষণ প্রাপকদের মধ্যে আছেন। ২০২৩ সালের ২২ মার্চের বিজ্ঞপ্তি তাঁকে মহারাষ্ট্র থেকে কলা বিভাগে পদ্মবিভূষণের তালিকায় রেখেছে।

সংগীত, নৃত্য ও নাটকের জাতীয় অ্যাকাডেমি সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি হিন্দুস্তানি যন্ত্রসংগীতে (তবলা) তাঁর অ্যাকাডেমি পুরস্কার ১৯৯০ সালের ঘরে তালিকাভুক্ত করেছে, আর ওই বছরেরই মহারাষ্ট্র গৌরব পুরস্কারও নথিভুক্ত করেছে। আইএমজি আর্টিস্টসের জীবনী বলছে, রাষ্ট্রপতি অ্যাকাডেমি পুরস্কার তুলে দেন ১৯৯১ সালের এপ্রিলে, আর এন্ডাউমেন্ট দিয়েছে ১৯৯১, ফলে দুটি সাল মনে হয় পুরস্কারের বছর আর তুলে দেওয়ার বছর। এন্ডাউমেন্ট তাঁকে ১৯৯৯ সালে ন্যাশনাল হেরিটেজ ফেলোশিপ দেয়, যাকে তারা লোক ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান বলে। আইএমজি আর্টিস্টস বলছে, সেটি ১৯৯৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তুলে দেওয়া হয়।

কনসার্ট হল, শ্রেণিকক্ষ আর একটি জাতীয় গান

এন্ডাউমেন্ট লিখেছে, হুসেন ১৯৯৬ সালের আটলান্টা গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য সুর দিয়েছিলেন। আইএমজি আর্টিস্টসের জীবনী, যা তাঁর ম্যানেজমেন্টের লেখা, যোগ করেছে, ২০০৭ সালে ভারত সরকার স্বাধীনতার ষাটতম বছরের জন্য জয় হিন্দ নামে একটি সংগীত রচনার ভার তাঁকে দেয়। তাতে আছে হিট অ্যান্ড ডাস্ট ছবিতে তাঁর আবহসংগীত, যাতে তিনি অভিনয়ও করেছিলেন, আর বার্নার্দো বের্তোলুচ্চির লিটল বুদ্ধার আবহসংগীত।

জীবনীতে লেখা, ২০০৫ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁকে ওল্ড ডোমিনিয়ন ফেলো করা হয়, আর ২০০৫ থেকে ২০০৬ শিক্ষাবর্ষের শরৎ সেমেস্টারে তিনি সেখানে পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে ভারতীয় ধ্রুপদি সংগীত ও নৃত্যের একটি সমীক্ষা-পাঠক্রম পড়ান। ২০০৭ সালের বসন্তে স্ট্যানফোর্ডে একই পাঠক্রম পড়ান। এনপিআর লিখেছে, তিনি এনপিআরের টিনি ডেস্ক কনসার্ট সিরিজে দুবার বাজিয়েছেন, ২০১০ ও ২০২৩ সালে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর রবিবার সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে হুসেন মারা যান, পরিবারের বরাতে কারণ ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস, ফুসফুসের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস পরিবারের বিবৃতি উদ্ধৃত করেছে, যেখানে তাঁকে সাংস্কৃতিক দূত আর “অতুলনীয় উত্তরাধিকার”-এর অধিকারী বলা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যা বেঁচে আছেন। ইন্ডিয়া টিভি ১৬ ডিসেম্বর জানিয়েছে, তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১৬ ডিসেম্বরের নরেন্দ্র মোদির বার্তা প্রকাশ করেছে। তাতে হুসেনকে বলা হয়েছে “একজন সত্যিকারের প্রতিভা, যিনি ভারতীয় ধ্রুপদি সংগীতের জগৎকে বদলে দিয়েছেন”, আর বলা হয়েছে তিনি তবলাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছেন। এন্ডাউমেন্টের ১৭ ডিসেম্বরের বিবৃতি এনইএ জ্যাজ মাস্টার চার্লস লয়েডকে, যিনি তাঁর সহশিল্পী, উদ্ধৃত করেছে এই বলে যে হুসেনের বাজনা তাঁকে ব্লুজ সংগীতশিল্পী হাউলিন উলফের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যেত।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Government of India, President's Secretariat: Padma Awards 2023 notification, 22 March 2023
  2. Gazette of India Extraordinary, 19 March 1988: Padma Shri list
  3. Gazette of India Extraordinary, 27 March 2002: Padma Awards 2002 notifications
  4. Sangeet Natak Akademi: Zakir Hussain, awardee biography (Akademi Awards 1990)
  5. Prime Minister of India, 16 December 2024: PM condoles the passing of Ustad Zakir Hussain
  6. National Endowment for the Arts, 17 December 2024: Statement on the death of National Heritage Fellow Ustad Zakir Hussain
  7. Grammy.com: Zakir Hussain, wins and nominations by ceremony
  8. Associated Press, 15 December 2024: Zakir Hussain, one of India's most accomplished classical musicians, dies at 73
  9. NPR via New Hampshire Public Radio, 15 December 2024: Zakir Hussain, legendary tabla virtuoso who defied genres, dies at 73
  10. The Tribune (Chandigarh), 4 February 2000: report on the death of Ustad Alla Rakha Khan
  11. The Tribune, 16 December 2024: Obituary, tabla maestro Zakir Hussain's music transcended cultures, continents, genres
  12. Echoes, 16 December 2024: Indian tabla master Zakir Hussain, 1951 to 2024
  13. Relix, 9 September 2022: The 96-hour jam, Zakir Hussain on his adventures with Planet Drum, Shakti and Jerry Garcia
  14. IMG Artists: Zakir Hussain biography (2013)
  15. Ashok Da Ranade, Gentleman magazine, June 2001: The tabla nawaz (on Alla Rakha)
  16. India TV News, 16 December 2024: Zakir Hussain, from Sangeet Natak Akademi to Grammy to Padma Vibhushan, full list of awards

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#zakir hussain#tabla#alla rakha#shakti#grammy awards#padma vibhushan#hindustani classical music#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
পণ্ডিত ভীমসেন জোশী এগারো বছর বয়সে গুরুর খোঁজে বাড়ি ছেড়েছিলেন, ১৯৮৮ সালে মিলে সুর মেরা তুম্হারা গানের শুরুটা গেয়েছিলেন এবং ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর ঘোষিত ভারতরত্ন পেয়েছিলেন
উত্তর কর্ণাটকের এক স্কুলশিক্ষকের ছেলে হিন্দুস্তানি সংগীতের কেন্দ্রগুলোর বাইরে থেকে এসে ঢুকেছিলেন, আর শেষ করেছিলেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান নিয়ে। তাঁর পুরস্কারগুলোর তারিখ, আর যেখানে প্রকাশিত বিবরণে মিল নেই সেই জায়গাগুলো।
অমিতাভ বচ্চন প্রথম পর্দায় আসেন ১৯৬৯ সালে, তারপর চারবার সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার, পদ্মবিভূষণ আর ৫০তম দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার জিতেছেন
১৯৬৯ সালে গোয়ার মুক্তি নিয়ে একটি ছবি, ১৯৭৩ সালে চার তারকা যে ভূমিকা নেননি, আর ১৯৮৩ সালে একটি লড়াইয়ের দৃশ্যের ওপর থমকে থাকা তিন ভাষার ক্যাপশন। সরকারের নিজস্ব পুরস্কার-নথি থেকে সাজানো বচ্চনের কর্মজীবন।
রবিশঙ্কর সেতারকে মাইহার থেকে মন্টেরে ও উডস্টকে নিয়ে যান, চারটি গ্র্যামি জেতেন, ১৯৭১ সালের কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন করেন এবং ১৯৯৯ সালে ভারতরত্ন পান
মাইহারের ভাড়া করা এক ঘর থেকে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন: যে গুরু নিজের শর্ত দিয়েছিলেন, প্রায় এগারো ঘণ্টায় রেকর্ড করা একটি ছবির সংগীত, বাঙালি শরণার্থীদের জন্য একটি সহায়তা-কনসার্ট, আর যেখানে সূত্রগুলি তারিখ ও ডলারের অঙ্কে আলাদা।
← সব লেখা