Skip to content
অনুপর্ণা রায়ের লাভার্স ইন দ্য ব্লু নাইট ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভেনিসে সেরা এশীয় ছবির নেটপ্যাক পুরস্কার পেয়েছে, আর অক্টোবরে বুসানে পুরস্কার জিতেছে দুটি ভারতীয় ছবি, সেলভি ও বার্ডস ইন দ্য ডার্ক
শিল্প ও চলচ্চিত্র

অনুপর্ণা রায়ের লাভার্স ইন দ্য ব্লু নাইট ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভেনিসে সেরা এশীয় ছবির নেটপ্যাক পুরস্কার পেয়েছে, আর অক্টোবরে বুসানে পুরস্কার জিতেছে দুটি ভারতীয় ছবি, সেলভি ও বার্ডস ইন দ্য ডার্ক

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

অনুপর্ণা রায়ের দ্বিতীয় ছবি ৮৩তম ভেনিস উৎসবে সেরা এশীয় ছবির নেটপ্যাক পুরস্কার জিতেছে, এক বছর আগে তাঁর প্রথম ছবি অরিজ্জন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পাওয়ার পর। এক মাস পরে বুসানের ভিশন-এশিয়া বিভাগের একমাত্র দুটি ভারতীয় ছবি, সেলভি ও বার্ডস ইন দ্য ডার্ক, দুটিই পুরস্কার নিয়ে ফিরেছে।

· · 5 মিনিটের পাঠ

১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুপর্ণা রায়ের লাভার্স ইন দ্য ব্লু নাইট (Lovers in the Blue Night) ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা এশীয় ছবির নেটপ্যাক পুরস্কার জিতেছে। এটি রায়ের দ্বিতীয় ছবি, আর টানা দ্বিতীয় বছর তাঁর কোনো ছবি ভেনিস থেকে পুরস্কার নিয়ে ফিরল। এক মাস পরে দক্ষিণ কোরিয়ার ৩১তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আরও দুটি ভারতীয় স্বাধীন ছবি পুরস্কার জেতে: তামিল নাট্যছবি সেলভি (Selvi) আর পাঞ্জাবি বার্ডস ইন দ্য ডার্ক (Birds in the Dark)।

ভেনিসের পুরস্কার আর কারা তা দেন

লাভার্স ইন দ্য ব্লু নাইট দেখানো হয়েছিল অরিজ্জন্তিতে, নতুন ও স্বাধীন ছবির জন্য ভেনিসের বিভাগে। পিটিআইয়ের সংবাদ বহনকারী দ্য প্রিন্ট বলছে, ছবিটির প্রথম প্রদর্শনী ছিল ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, বিভাগের প্রতিযোগিতায় এটি ছিল একমাত্র ভারতীয় ফিচার, আর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল আরও ১৪টি ছবি।

নেটপ্যাক পুরস্কার দেয় নেটপ্যাকের নিজস্ব জুরি, উৎসবের জুরিদের থেকে আলাদা। উৎসবের সাইট তার প্রধান পুরস্কারগুলোর ঘোষণার দিন বলেছে ২০২৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবারের অনুষ্ঠান। নেটপ্যাক মানে নেটওয়ার্ক ফর দ্য প্রমোশন অফ এশিয়ান সিনেমা। এশিয়া-ইউরোপ ফাউন্ডেশনের শিল্প-পোর্টাল কালচার৩৬০ বলছে এটি ১৯৯০ সালে নয়াদিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত এবং সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরে। নেটপ্যাক নিজের সাইটে নিজেকে বলে এশীয় চলচ্চিত্র আবিষ্কার ও প্রসারের একটি মঞ্চ।

পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেটপ্যাক জুরি প্রশংসা করেছে প্রান্তিক জীবন ও পরিযায়ী শ্রমিকদের পরস্পরছেদী অভিজ্ঞতার সংবেদনশীল উপস্থাপনার, এবং রায়ের আত্মবিশ্বাসী চলচ্চিত্র-নির্মাণ আর উচ্ছেদ, শহরে টিকে থাকা, আকাঙ্ক্ষা, লিঙ্গ ও দারিদ্র্য নিয়ে তাঁর ভাবনার। একই প্রতিবেদন বলছে, রায় সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তটির বর্ণনা দিয়েছিলেন “একটু অবাস্তব, অনেকখানি কৃতজ্ঞতা” বলে।

ছবিটি কী

উৎসবের নিজের ক্যাটালগ-পাতায় বিবরণ আছে। লাভার্স ইন দ্য ব্লু নাইট ১০৭ মিনিটের, ভাষা হিসেবে তালিকাভুক্ত হিন্দি, আর এটি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রযোজনা। রায় লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন। অভিনয়ে নীলিমা শর্মা, প্রীতম পিলানিয়া, ভূষণ শিম্পি, জতিন সরিন, কাজল কেশব ও বিনোদ সূর্যবংশী। চিত্রগ্রহণ দেবজিৎ সামন্ত, সম্পাদনা কেতুল ঠক্কর, আর প্রযোজকদের মধ্যে আছেন খান অ্যান্ড কুমার মিডিয়ার বিকাশ কুমার, আম্মি মিডিয়ার শারিব খান, বিভাংশু রাই ও রোমিল মোদী। আন্তর্জাতিক বিক্রির দায়িত্বে প্যারালাক্স ফিল্মস।

উৎসবের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের চারজন পরিযায়ী এমন এক শহরে ভালোবাসা ও আপন হওয়ার বোধ খুঁজছেন, যে শহর তাঁদের খুব সামান্যই দেয়। পিটিআইয়ের প্রতিবেদন যোগ করেছে, চরিত্ররা হিন্দি, সিলেটি আর মারাঠিতে কথা বলে।

উৎসবের পাতায় পরিচালকের নোটে রায় বলেছেন, ছবিটি তাঁর নিজের পরিযায়ী অভিজ্ঞতা এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবন শহরের ছন্দে মিলিয়ে যেতে দেখা থেকে এসেছে। তিনি আরও মনে করেছেন, ছোটবেলায় আমিনা নামের এক খেতমজুরকে তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন সে আর তার স্বামী কেন কখনো একসঙ্গে ঘুমায় না, আর সেই নারীর শান্ত উত্তর। ছবিটি সেই স্মৃতিকে নিয়ে গেছে এক কল্পিত মুম্বাইয়ে।

আগের বছর

রায়ের প্রথম ছবি সংস অফ ফরগটন ট্রিজ (Songs of Forgotten Trees)-ও ছিল অরিজ্জন্তিতে, ২০২৫ সালের ৮২তম উৎসবে, আর সেই সংস্করণের উৎসব-পাতা তাকে সেরা পরিচালকের বিজয়ী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। অল ইন্ডিয়া রেডিওর সংবাদ পরিষেবা আকাশবাণী নিউজ ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিল, পুরস্কারটি ঘোষণা করেন অরিজ্জন্তি জুরির সভাপতি জুলিয়া দুকুর্নো। উৎসব ৭৭ মিনিটের হিন্দি ছবিটির বর্ণনা দিয়েছে মুম্বাইয়ের দুই পরিযায়ী নারীর গল্প হিসেবে, যাঁদের জীবন ধীরে ধীরে জুড়ে যায়। দ্য কুইন্ট ও হাইঅনফিল্মস দুটিই রায়কে অরিজ্জন্তি প্রতিযোগিতায় সেরা পরিচালকের পুরস্কার জেতা প্রথম ভারতীয় বলেছে।

বুসান: একই বিভাগে দুটি ভারতীয় ছবি

৩১তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব চলেছিল ২০২৬ সালের ৬ থেকে ১৫ অক্টোবর। আউটলুক ইন্ডিয়া ২৪ আগস্ট, তালিকা ঘোষণার দিন, জানিয়েছিল ভিশন-এশিয়ায়, যে বিভাগে ১০টি দেশ ও অঞ্চলের পরিচালকেরা আছেন, ভারতের দুটি নাম বার্ডস ইন দ্য ডার্ক ও সেলভি।

ভিশন পুরস্কার দেওয়া হয় বুধবার ১৪ অক্টোবর, সিগনিয়েল বুসান গ্র্যান্ড বলরুমে, জানিয়েছে স্ক্রিন ডেইলি। তার তালিকায় সেলভি পেয়েছে হাইলাইফ ভিশন পুরস্কার ও তাইপে ফিল্ম কমিশন পুরস্কার, আর বার্ডস ইন দ্য ডার্ক পেয়েছে এশিয়ার জন্য সংওয়ন ভিশন দর্শক পুরস্কার। মঙ্গোলিয়ার ছবি জোগসুল (Zogsool) সে রাতে চারটি পুরস্কার নিয়ে সবার আগে ছিল। ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর দেখা উৎসবের নিজের হোমপেজে প্রধান বুসান পুরস্কারগুলো ছিল, ভিশন বিজয়ীরা ছিল না, তাই ভিশনের ফল এখানে দাঁড়িয়ে আছে স্ক্রিন ডেইলি আর তার সঙ্গে মেলা ভারতীয় ট্রেড-প্রতিবেদনের ওপর।

সেলভি, এক নার্সের দীর্ঘ শিফট

সেলভি তামিল পরিচালক সাইলেশ রত্নকুমারের প্রথম ছবি। অঞ্জলি পাতিল নাম-ভূমিকায়, এক পরিযায়ী গৃহ-পরিচর্যা নার্স, যিনি সবচেয়ে ভালো বন্ধুর অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ার পর তার শিফট নিজের কাঁধে নেন; হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া ছবিটির বর্ণনা দিয়েছে ২৪ এবং তারপর ৪৮ ঘণ্টা জুড়ে বিস্তৃত বলে, যার বিষয় পরিযান, ক্লান্তি আর অদৃশ্য শ্রম। পাতিল নিজের সংস্থা আনাহাত ফিল্মসের মাধ্যমে এটি প্রযোজনা করেছেন। আউটলুক জানিয়েছে রেড সি ফান্ড সহ-প্রযোজনা করেছে, আর ছবিটি আগে ২৪তম হংকং-এশিয়া ফিল্ম ফাইন্যান্সিং ফোরামে ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস প্রকল্প হিসেবে বাছাই হয়েছিল।

আউটলুকের খবর অনুযায়ী ৯ অক্টোবর হাউসফুল দর্শকের সামনে এর প্রথম প্রদর্শনী হয়, আর বুসানের পরের প্রদর্শনীগুলোর টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। জয় নিয়ে প্রশ্নে রত্নকুমার আউটলুককে বলেছেন, “আমাদের মতো অনেক স্বাধীন নির্মাতাকে এটা অনেকখানি আশা দেবে।” এর পরের গন্তব্য ৫০তম সাও পাওলো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, যেখানে হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া ও আউটলুক দুটিই বলছে এটি প্রতিযোগিতায় থাকবে। পাতিল আউটলুককে বলেছেন, দলটি সারা ভারতে স্বাস্থ্যকর্মী ও শ্রমজীবী দর্শকদের লক্ষ করে ইমপ্যাক্ট স্ক্রিনিংয়ের পরিকল্পনা করছে, এবং “এই ইমপ্যাক্ট স্ক্রিনিং আমাদের ছবিটিকে সারা ভারতে নিয়ে যাওয়ার পথ দেবে।”

বার্ডস ইন দ্য ডার্ক, সাদা-কালোয়

বার্ডস ইন দ্য ডার্ক (পাঞ্জাবিতে হানেরে দে পঞ্ছি) লিখেছেন, চিত্রগ্রহণ করেছেন ও পরিচালনা করেছেন শশাঙ্ক ওয়ালিয়া। এটি সাদা-কালো ছবি, কৃষক আন্দোলনের সময়ের গ্রামীণ পাঞ্জাবে, সংলাপ পাঞ্জাবি, কাশ্মীরি ও উর্দুর উপভাষায়। হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া ও আউটলুক অভিনয়ে তালিকাভুক্ত করেছে মৌলি সিং, সপনা দাস, হরবিন্দর আউজলা, শাহনওয়াজ ভাট ও নবদীপ বাজওয়াকে।

প্রযোজক টু ব্ল্যাক স্কোয়ার্সের রীমা কৌর, আর ট্রু স্টোরি ফিল্মসের হংসল মেহতা ও সাহিল সাইগাল। হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, উৎসবের আগে মেহতা বলেছিলেন বুসানে প্রযোজক হিসেবে অভিষেক ঘটাতে পেরে তিনি গর্বিত, এবং ছবিটিকে ডেকেছিলেন লিঙ্গ, শ্রম, ন্যায় ও ভালোবাসার ওপর “এক সুন্দর ধ্যানমগ্ন চিত্র”। সংওয়ন দর্শক পুরস্কারের সঙ্গে নগদ ১ কোটি কোরিয়ান ওন আছে, আউটলুক ও হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া দুটিই বলছে। ছবিটির বিশ্ব প্রথম প্রদর্শনী হয়েছিল বুসানের ভিশন বিভাগে।

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অবস্থা

এই লেখার জন্য খোলা পাতাগুলোয় তিনটি ছবির কোনোটির ভারতে মুক্তির তারিখ নেই। আউটলুক ১৩ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিল লাভার্স ইন দ্য ব্লু নাইট-এর এশীয় প্রিমিয়ার হওয়ার কথা বুসানে, কিন্তু ওপরের বুসানের ফলাফলে তার নাম নেই, তাই সেই প্রদর্শনী এখানে নিশ্চিত নয়। রত্নকুমার ও পাতিল আউটলুককে বলেছেন, দেশে মুক্তির আগে সেলভি-র জন্য তাঁরা ভারতীয় কোনো উৎসবে প্রিমিয়ার নিশ্চিত করার আশা রাখেন এবং বিতরণ নিয়ে এখনও ভাবছেন, মাথায় রয়েছে ছয় মাসের মুক্তির জানালা। জাতীয় মঞ্চে গোন্ধল ৯৯তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারে ভারতের প্রবেশিকা, আর ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল ২০২৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. La Biennale di Venezia: Lovers in the Blue Night (Orizzonti, Biennale Cinema 2026)
  2. La Biennale di Venezia: Biennale Cinema 2026, awards and sections
  3. La Biennale di Venezia: Orizzonti, Biennale Cinema 2025
  4. La Biennale di Venezia: Songs of Forgotten Trees (Orizzonti, Biennale Cinema 2025)
  5. Akashvani News (All India Radio), 7 September 2025: Indian filmmaker Anuparna Roy wins Best Director award at 82nd Venice Film Festival
  6. The Quint, September 2025: Anuparna Roy's Songs of Forgotten Trees makes history at Venice Film Festival
  7. PTI via ThePrint, 14 September 2026: Anuparna Roy's Lovers in the Blue Night wins NETPAC Award at Venice Film Festival
  8. HighOnFilms, 13 September 2026: Anuparna Roy's Lovers in the Blue Night wins NETPAC Award at Biennale
  9. NETPAC (Network for the Promotion of Asian Cinema): About NETPAC
  10. Culture360 (Asia-Europe Foundation): New Delhi conference on Asian cinema
  11. Screen Daily, 14 October 2026: Mongolian satire Zogsool leads Busan Vision Awards with four prizes
  12. Busan International Film Festival: official site (checked 29 October 2026)
  13. Hollywood Reporter India, 15 October 2026: Busan 2026, India's Birds in the Dark and Selvi win awards
  14. Outlook India, 14 October 2026: Birds in the Dark and Selvi win at the South Korean fest
  15. Outlook India, 24 August 2026: Two Indian films, Birds in the Dark and Selvi, selected for Busan Film Festival 2026
  16. Outlook India, October 2026: Tamil film Selvi opens to a full house at Busan, sells out subsequent screenings
  17. Outlook India, 15 October 2026: Selvi's Sailesh Rathnakumar and Anjali Patil on their Busan win
  18. Hollywood Reporter India: Hansal Mehta on the Busan 2026 selection of Punjabi feature Birds in the Dark

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#anuparna roy#lovers in the blue night#venice film festival#netpac award#busan international film festival#selvi#birds in the dark#indian independent cinema

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
সত্যজিৎ রায় ১৯৫৬ সালে কান উৎসবে সেরা মানবিক দলিলের পুরস্কার আর ১৯৫৭ সালে ভেনিসে গোল্ডেন লায়ন জেতেন, তারপর ১৯৯২ সালে পান সম্মানসূচক অস্কার আর ভারতরত্ন
রবিবারে শুটিং, বন্ধক দেওয়া গয়না আর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থে চলা কাজ, তারপর মাঝরাতের প্রথম প্রদর্শনীর পরে কানের জুরিদের জন্য আরেকটি প্রদর্শনী। রায়ের প্রথম ছবি তৈরির কাহিনি আর তাঁর সম্মান, প্রতিটি দাবি তার সূত্রের নামসহ।
পাটনার বিহার মিউজিয়াম ওয়ার্থ আ জার্নির ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ জাদুঘরের তালিকায় নবম, এশিয়ার কোনো জাদুঘরের সর্বোচ্চ স্থান আর তালিকার একমাত্র ভারতীয় জাদুঘর, মেট দশম আর লুভর ৩১তম
রাজ্যের সংগ্রহকে জায়গা দিতে পাটনায় গড়া একটি জাদুঘর এখন প্রাদো আর হার্মিটেজের সঙ্গে প্রথম দশে। তালিকা, স্থপতি, গ্যালারি আর ব্যবহারিক তথ্য।
বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজারা প্রায় ১৬০০ থেকে ১৭৫৮ সালের মধ্যে পোড়ামাটির মন্দির গড়েছিলেন, আর এএসআই ১৬৫৫ সালের জোড়বাংলাকে গোষ্ঠীর সেরা বলে গণ্য করে
কুঁড়েঘরের মতো ছাদ, তিন খিলান আর দেয়ালের পর দেয়াল জুড়ে মাটির ফলক: বিষ্ণুপুরের মল্ল মন্দিরগুলো, প্রতিটির জন্য ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের দেওয়া তারিখ সহ, আর যেখানে অন্য সূত্র একমত নয় সেই জায়গাগুলো।
← সব লেখা