Skip to content
পাটনার বিহার মিউজিয়াম ওয়ার্থ আ জার্নির ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ জাদুঘরের তালিকায় নবম, এশিয়ার কোনো জাদুঘরের সর্বোচ্চ স্থান আর তালিকার একমাত্র ভারতীয় জাদুঘর, মেট দশম আর লুভর ৩১তম
শিল্প ও চলচ্চিত্র

পাটনার বিহার মিউজিয়াম ওয়ার্থ আ জার্নির ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ জাদুঘরের তালিকায় নবম, এশিয়ার কোনো জাদুঘরের সর্বোচ্চ স্থান আর তালিকার একমাত্র ভারতীয় জাদুঘর, মেট দশম আর লুভর ৩১তম

ছবি: Sumitsurai / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

পাটনার বিহার মিউজিয়াম ভ্রমণ-গাইড ওয়ার্থ আ জার্নির ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ জাদুঘরের তালিকায় নবম স্থানে আছে, যা এশিয়ার যেকোনো জাদুঘরের সেরা স্থান আর তালিকার একমাত্র ভারতীয় জাদুঘর। জাদুঘরটি ২০১৫ সালের আগস্ট থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবরের মধ্যে ধাপে ধাপে খুলেছিল, নকশা করেছিলেন প্রিৎজকার-বিজয়ী ফুমিহিকো মাকি আর অপোলিস আর্কিটেক্টস।

· · 5 মিনিটের পাঠ

পাটনার বিহার মিউজিয়াম ওয়ার্থ আ জার্নির (Worth a Journey) ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ জাদুঘরের তালিকায় নবম। তালিকায় এশিয়ার কোনো জাদুঘরের এটাই সর্বোচ্চ স্থান, আর ১০০টির মধ্যে ভারতের একমাত্র জাদুঘর। গাইডটির নিজের তালিকা অনুযায়ী নিউ ইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট দশম আর প্যারিসের লুভর ৩১তম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ফলটি জানিয়েছে ২০২৬ সালের ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে।

প্রথম দশ

মিউনিখ থেকে সম্পাদিত গাইড ওয়ার্থ আ জার্নি তাদের তালিকা র‍্যাঙ্ক অনুযায়ী প্রকাশ করে। ২০২৬ সালের জাদুঘর তালিকার প্রথম দশটি হলো মেক্সিকো সিটির মিউজিও নাসিওনাল দে আন্ত্রোপোলোজিয়া, মাদ্রিদের মিউজিও দেল প্রাদো, ডেনমার্কের হুমলেবেকের লুইজিয়ানা মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট, সেন্ট পিটার্সবুর্গের স্টেট হার্মিটেজ মিউজিয়াম, ভিয়েনার কুন্সটহিস্টোরিশেস মিউজিয়াম, তুরস্কের শানলিউর্ফা প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর, গ্দান্স্কের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জাদুঘর, নিউ অরলিন্সের ন্যাশনাল ডব্লিউডব্লিউআইআই মিউজিয়াম (National WWII Museum), বিহার মিউজিয়াম আর মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট।

১০০টি জাদুঘরের মধ্যে দশটি এশিয়ায়, পাঁচটি দেশে। গাইডের এশিয়া পাতায় সর্বোচ্চ স্থানে আছে বিহার মিউজিয়াম, জাপানের কাতসুয়ামার ফুকুই প্রিফেকচারাল ডাইনোসর মিউজিয়াম আছে ২৪ নম্বরে আর মালয়েশিয়ার কুচিংয়ের বোর্নিও কালচার্স মিউজিয়াম ৩৫ নম্বরে। ভারতে অবস্থিত বলে চিহ্নিত একমাত্র জাদুঘর বিহার মিউজিয়াম।

তালিকা কীভাবে তৈরি হয়

ওয়ার্থ আ জার্নি বলে, প্রতিটি তালিকা তাদের নিজস্ব অ্যালগরিদমে হিসাব করা হয়। অ্যালগরিদমটি কয়েক লক্ষ স্থান থেকে পাওয়া কয়েক মিলিয়ন তথ্যবিন্দু ঘেঁটে প্রতিটির ওপর একই নিয়ম প্রয়োগ করে। তারা আরও বলে, র‍্যাঙ্ক পাওয়া স্থানগুলোতে তারা সশরীরে যায়, আর সফর এবং হিসাবের ফল না মিললে অ্যালগরিদম নতুন করে সাজায়। তাদের দাবি, কোনো স্থান টাকা দিয়ে তালিকায় ঢুকতে বা ওপরে উঠতে পারে না। আউটলুক লাক্স জাদুঘর তালিকাটিকে দর্শকদের রিভিউ, তথ্য বিশ্লেষণ আর সরেজমিন মূল্যায়নের ওপর দাঁড়ানো বলে বর্ণনা করেছে। এ বছর গাইডটি কোন কোন জাদুঘরে গিয়েছিল, তা তাদের পাতায় বলা নেই।

জাদুঘর বিভাগে জনসাধারণের জন্য খোলা স্থায়ী সংগ্রহ বা প্রদর্শনী আছে এমন যেকোনো প্রতিষ্ঠান ঢুকতে পারে। স্মৃতিসৌধ ও স্মৃতি-জাদুঘর, প্রাসাদ, দুর্গ আর গির্জা যেখানে ভবনটিই দেখার বিষয়, শিশুদের জাদুঘর, চিড়িয়াখানা এবং অ্যাকোয়ারিয়াম বাদ যায়।

পুরোনোটি যা ধরে রাখতে পারেনি, তার জন্য গড়া জাদুঘর

বিহার মিউজিয়ামের নিজের ইতিহাস-পাতা বলছে, শুরুটা ছিল জায়গার সমস্যা থেকে। ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পাটনা মিউজিয়ামে চল্লিশ হাজার প্রদর্শনযোগ্য বস্তু ছিল, দেখানো যেত তার সামান্য অংশ। প্রথমে দুটি সংযোজন ভবনের প্রস্তাব উঠেছিল, কিন্তু রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তার বদলে আলাদা একটি আধুনিক জাদুঘরের প্রস্তাব দেন।

পর্যটন মন্ত্রকের ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া পাতা বলছে, নতুন জাদুঘর ২০১৫ সালের আগস্ট থেকে ধীরে ধীরে খোলা হয়েছে, আর বাকি গ্যালারিগুলো উন্মোচিত হয় ২০১৭ সালের অক্টোবরে। পাতাটি জায়গার পরিমাপ দিয়েছে ৫.৬ হেক্টর, নির্মিত এলাকা ২৪,০০০ বর্গমিটার। জাদুঘরের নিজের পাতা বলছে ক্যাম্পাস ১৩ একরের বেশি। জাদুঘরের পাতায় সংগ্রহের পরিসর দেওয়া আছে সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা থেকে ১৭৬৪ সাল পর্যন্ত, সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী, লোক ও সমকালীন শিল্পও।

ভবন

স্থাপত্যের কৃতিত্ব দেওয়া হয় টোকিওর মাকি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসকে, যার নেতৃত্বে ছিলেন ১৯৯৩ সালে প্রিৎজকার আর্কিটেকচার প্রাইজ পাওয়া ফুমিহিকো মাকি, আর সঙ্গে মুম্বইয়ের অপোলিস আর্কিটেক্টস। মাকি ২০২৪ সালে মারা গেছেন। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া নকশাটিকে ভারতীয় ও জাপানি প্রতিষ্ঠানের যৌথ কাজ বলেছে এবং এমন সব ছাদ-চত্বর আর উঠোনের কথা লিখেছে যা ঘরের ভেতর আর বাইরেকে জুড়ে দেয়, যেমন জলপ্রপাত, পিপল, অ্যাম্ফিথিয়েটার আর নিরঞ্জনা উঠোন।

ভেতরে কী আছে

জাদুঘরের সংগ্রহ-পাতায় আছে একটি ছোট ছবিসহ ওরিয়েন্টেশন গ্যালারি, কালানুক্রমিক তিনটি ইতিহাস গ্যালারি, ইতিহাস শিল্প গ্যালারি, আঞ্চলিক শিল্প গ্যালারি, প্রবাসী গ্যালারি, ভিজিবল স্টোরেজ, শিশুদের গ্যালারি আর সমকালীন শিল্প গ্যালারি। গ্যালারি এ-তে আছে অশোকের অধীনে মৌর্যদের উত্থান আর বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের বিষয়। গ্যালারি বি-তে সুঙ্গ, কুষাণ, গুপ্ত আর পালরা, আর গ্যালারি সি-তে বাংলার নবাবরা, পাটনা কলম চিত্রকলা আর সুলতানি আমল। ভিজিবল স্টোরেজ চলেছে সবচেয়ে আদি পাঞ্চ-চিহ্নিত মুদ্রা থেকে মধ্যযুগের মুদ্রা আর পোড়ামাটির কাজ পর্যন্ত। প্রবাসী গ্যালারি বিশ্বজুড়ে বিহারের মানুষের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কথা বলে।

সবচেয়ে পরিচিত বস্তু দিদারগঞ্জ যক্ষী, যাকে জাদুঘর রেখেছে ইতিহাস শিল্প গ্যালারিতে। এমএপি অ্যাকাডেমির এনসাইক্লোপিডিয়া অব আর্ট অনুযায়ী, যার অংশবিশেষ ছেপেছে দ্য প্রিন্ট, চুনারের পালিশ করা বেলেপাথরের এই মূর্তি স্থানীয় মানুষ ১৯১৭ সালের অক্টোবরে গঙ্গার তীরে হঠাৎ পেয়েছিলেন। এটি যায় পাটনা মিউজিয়ামে, ১৯৪৭ সালে লন্ডনে আর ১৯৮০-র দশকে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রদর্শিত হয়, ১৯৮৯ সালে পাটনায় ফিরে আসে এবং ২০১৭ সালে বিহার মিউজিয়ামে স্থানান্তরিত হয়। একই লেখা বলছে, কালনির্ণয় নিয়ে মতভেদ আছে: আগের পণ্ডিতেরা এটিকে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে, মৌর্য যুগে রাখতেন, আর সাম্প্রতিক গবেষণা রাখছে খ্রিস্টীয় প্রথম বা দ্বিতীয় শতকে, কুষাণদের আমলে।

আউটলুক লাক্স, এসকোয়্যার ইন্ডিয়া ও ফ্রি প্রেস জার্নালও নাম করেছে বুদ্ধের জন্মের কুষাণ যুগের একটি ফলক আর কুর্কিহারের পাল রাজবংশের ব্রোঞ্জের। ব্রোঞ্জগুলোর পেছনের রাজবংশ নিয়ে পড়তে পারেন বাংলা ও বিহারের পাল রাজবংশ। পাটনারই কুমরাহারের মৌর্য স্তম্ভযুক্ত সভাকক্ষ নিয়ে লেখা আছে কুমরাহার নিবন্ধে, আর একই রাজ্যের মৌর্য শৈলগুহা নিয়ে বরাবর ও নাগার্জুনী গুহায়।

জাদুঘরটি বিহার মিউজিয়াম বিয়েনাল-ও চালায়। তাদের সাইটের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালে হয়েছিল ভার্চুয়াল প্রথম সংস্করণ, ২০২৩ সালে ১৫টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে সরাসরি দ্বিতীয় সংস্করণ, আর তৃতীয় সংস্করণ ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর, বিষয় ছিল গ্লোবাল সাউথ।

প্রতিক্রিয়া

মহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মহিন্দ্রা এক্স-এ লিখেছেন, যা দ্য প্রিন্ট ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর প্রকাশ করেছে: “ভারতে জাদুঘর নবজাগরণের সূচনা হোক এটাই।” জাদুঘরটির কৃতিত্ব তিনি দিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর রাজ্য সরকারের প্রশাসকদের।

তালিকাটি আসলে কী

তালিকাটি একটি ভ্রমণ-গাইডের হিসাব করা র‍্যাঙ্কিং। এটি সরকারি, ইউনেস্কো বা জাদুঘর-সংস্থার র‍্যাঙ্কিং নয়, আর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রকাশকটিকে কখনো ভ্রমণ-গাইড, কখনো ভ্রমণ-পত্রিকা, কখনো স্বাধীন গাইড বলে বর্ণনা করেছে। মেট ও লুভরের স্থান শুধু এই তালিকারই অবস্থান, ওপরে বলা যোগ্যতার নিয়মের অধীনে।

দেখতে যেতে চাইলে

২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর অনুযায়ী জাদুঘরের সাইটে সময় দেওয়া আছে এমন: সোমবার বন্ধ, গ্যালারি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা, আর শিশুদের গ্যালারি, জাদুঘরের দোকান ও গ্রন্থাগার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা। ওয়ার্থ আ জার্নি ও এসকোয়্যার ইন্ডিয়া দুটোই ভারতীয় প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকের টিকিট ₹১০০ বলেছে, ওয়ার্থ আ জার্নি যোগ করেছে যে পরিচয়পত্র দেখালে শিক্ষার্থীরা অর্ধেক দেয়। ফি বদলাতে পারে, তাই যাওয়ার আগে জাদুঘরে জেনে নিন। গাইডের পরামর্শ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা। জাদুঘরের তালিকায় আছে “কসমিক গার্ডেন” প্রদর্শনী, যাতে মাধবী পারেখ ও মনু পারেখের কাজ এবং করিশমা স্বালি ও চাণক্য স্কুল অব ক্রাফটের সূচিকর্ম আছে, ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. The World's 100 Best Museums 2026, Worth a Journey
  2. Bihar Museum, N° 9 of The World's 100 Best Museums 2026, Worth a Journey
  3. The 10 Best Museums in Asia (2026), Worth a Journey
  4. About, Worth a Journey
  5. Eligibility criteria, Worth a Journey
  6. About Bihar Museum, Bihar Museum
  7. Collection and galleries, Bihar Museum
  8. Bihar Museum home page: timings and current exhibitions, Bihar Museum
  9. Bihar Museum Biennale 2025, Bihar Museum
  10. Bihar Museum, Incredible India (Ministry of Tourism, Government of India)
  11. Fumihiko Maki, 1993 Laureate, The Pritzker Architecture Prize
  12. What Makes Patna's Bihar Museum One Of The World's Top 10 Museums?, Outlook Luxe, 30 October 2026
  13. Bihar Museum beats Louvre and Met in global ranking, ThePrint, 29 October 2026
  14. From Patna To Global Glory: Bihar Museum Ranks 9th Among World's 100 Best Museums, Free Press Journal, 31 October 2026
  15. Patna Museum Outranks The Louvre And The Met To Be Grandest Museum In 2026, Esquire India, 29 October 2026
  16. How Didarganj Yakshi discovered by accident near Patna led to a colonial fight (excerpt from MAP Academy's Encyclopedia of Art), ThePrint

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#bihar museum#patna#worth a journey#best museums 2026#fumihiko maki#opolis architects#didarganj yakshi#museums of india

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
পাটনার কুমহরারের মৌর্য স্তম্ভশালা দাঁড়িয়েছিল আশিটি পালিশ করা বেলেপাথরের স্তম্ভের ওপর, সেটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল ১৯১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, আর ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আবার তার স্তম্ভ উন্মোচন শুরু করেছে
পাটনার একটি মাঠে পালিশ করা পাথরের ভাঙা টুকরো থেকে বেরিয়ে এল একখণ্ড-পাথরের স্তম্ভের সারি দেওয়া এক মৌর্য হলঘর। কীভাবে তা পাওয়া গেল, গোনা হলো, ভূগর্ভের জলের জন্য চাপা পড়ল, আর ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে আংশিক আবার খুলল, এখানে তাই।
২০২৪-২৫ সালে বিহার বেড়েছে ৮.৬ শতাংশ হারে, ভারতের ৬.৫-এর বিপরীতে, ২০০৬ সাল থেকে পঞ্চায়েতের অর্ধেক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রেখেছে, আর নালন্দা ও বোধগয়ার বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল দুটি তার মাটিতে
মাথাপিছু আয় জাতীয় অঙ্কের প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ, তবু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনীতি ভারতকে ছাড়িয়ে বেড়েছে, আর ইউনেস্কোর দুটি স্থান তার জেলাগুলোতে। ২০১১ সালের জনগণনা থেকে ২০২৬-২৭ সালের বাজেট পর্যন্ত বিহারের সূত্রসহ অঙ্কগুলো এখানে।
বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজারা প্রায় ১৬০০ থেকে ১৭৫৮ সালের মধ্যে পোড়ামাটির মন্দির গড়েছিলেন, আর এএসআই ১৬৫৫ সালের জোড়বাংলাকে গোষ্ঠীর সেরা বলে গণ্য করে
কুঁড়েঘরের মতো ছাদ, তিন খিলান আর দেয়ালের পর দেয়াল জুড়ে মাটির ফলক: বিষ্ণুপুরের মল্ল মন্দিরগুলো, প্রতিটির জন্য ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের দেওয়া তারিখ সহ, আর যেখানে অন্য সূত্র একমত নয় সেই জায়গাগুলো।
← সব লেখা