Skip to content
সত্যজিৎ রায় ১৯৫৬ সালে কান উৎসবে সেরা মানবিক দলিলের পুরস্কার আর ১৯৫৭ সালে ভেনিসে গোল্ডেন লায়ন জেতেন, তারপর ১৯৯২ সালে পান সম্মানসূচক অস্কার আর ভারতরত্ন
সংবাদ

সত্যজিৎ রায় ১৯৫৬ সালে কান উৎসবে সেরা মানবিক দলিলের পুরস্কার আর ১৯৫৭ সালে ভেনিসে গোল্ডেন লায়ন জেতেন, তারপর ১৯৯২ সালে পান সম্মানসূচক অস্কার আর ভারতরত্ন

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

তাঁর প্রথম ছবি পথের পাঁচালী ১৯৫৬ সালে কান উৎসবে সেরা মানবিক দলিলের পুরস্কার পায়, আর অপরাজিত ১৯৫৭ সালে ভেনিসে গোল্ডেন লায়ন জেতে। ১৯৯২ সালের মার্চে অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস রায়কে সম্মানসূচক পুরস্কার দেয়, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তালিকায় তাঁর ভারতরত্ন ১৯৯২ সালের নামে আছে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

কান চলচ্চিত্র উৎসবের আর্কাইভ সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালী-কে ১৯৫৬ সালের প্রতিযোগিতার ছবি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে এবং তার পুরস্কারের নাম দিয়েছে “Prix du document humain”, অর্থাৎ সেরা মানবিক দলিলের পুরস্কার। এক বছর পরে রায়ের দ্বিতীয় ছবি অপরাজিত ভেনিসে গোল্ডেন লায়ন জেতে। ১৯৯২ সালে অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস তাঁকে “চলচ্চিত্র শিল্পে বিরল দক্ষতার” জন্য সম্মানসূচক পুরস্কার দেয়, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তালিকায় তাঁর ভারতরত্ন একই বছরের নামে আছে। রায় কলকাতায় মারা যান ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল, বয়স ছিল ৭০।

একজন বাণিজ্যিক শিল্পী, হাতে একটি নোটবই, পেছনে কোনো ছবি নেই

সত্যজিৎ রায় ফাউন্ডেশনের জীবনীর মতে, রায়ের জন্ম কলকাতায় ১৯২১ সালের ২ মে। তিনি সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন, আর ১৯৪০ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভারতীতে যোগ দেন শান্তিনিকেতনে, যেখানে ১৯৪২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিলেন। ফাউন্ডেশন জানায়, ঠাকুর রায়ের ঠাকুরদা ও বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন, এবং ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট ঠাকুরের মৃত্যুর সময় রায় সেখানে ছাত্র। কবির নিজের কাহিনি আছে tuput-এর লেখা ঠাকুর, নোবেল পুরস্কার আর ফিরিয়ে দেওয়া নাইটহুড প্রবন্ধে।

১৯৪৩ সাল থেকে রায় বাণিজ্যিক শিল্পী হিসেবে কাজ করেন, আর ১৯৪৯ সালের মধ্যে কলকাতার বিজ্ঞাপন সংস্থা ডি. জে. কিমারে আর্ট ডিরেক্টর। ফাউন্ডেশন বলছে, ১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতার প্রথম ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। দ্য উইক জানায়, সিগনেট প্রেস তাঁকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস পথের পাঁচালী-র শিশুদের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ছবি আঁকতে বলে, আর তিনি পুরো উপন্যাসটি পড়েন এবং সিগনেট সংস্করণের প্রচ্ছদ আঁকেন।

১৯৪৯ সালে ফরাসি পরিচালক জাঁ রেনোয়া দ্য রিভার ছবির লোকেশন দেখতে কলকাতায় আসেন। রায় তাঁর হোটেলে যান, সপ্তাহান্তে শহরের প্রান্তে তাঁর সঙ্গে ঘুরতে যান, আর রেনোয়া যখন জিজ্ঞেস করেন তিনি চলচ্চিত্রকার হতে চান কি না, তখন পথের পাঁচালী-র একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা তাঁকে শোনান, ফাউন্ডেশনের নথি অনুযায়ী।

১৯৫০ সালে কিমার রায়কে কাজে লন্ডন পাঠায়। তিনি সেখানে প্রায় ছ’মাস থাকেন এবং মোটামুটি একশোটি ছবি দেখেন, তার মধ্যে বাইসাইকেল থিভস, যা তাঁর এই বিশ্বাসকে পাকা করে যে প্রায় অপেশাদার অভিনেতা আর আসল লোকেশন নিয়েও বাস্তবসম্মত ছবি বানানো যায়। উপন্যাসটি নিয়ে ছবির নোট তাঁর নোটবইয়ে আগেই ছিল। তিনি চেয়েছিলেন অচেনা অভিনেতা, মেক-আপ ছাড়া মুখ আর সত্যিকারের গ্রাম, বেশির ভাগ বন্ধুর কাছে তা অসম্ভব মনে হয়েছিল, আর দেশে ফেরার জাহাজেই তিনি তাঁর ট্রিটমেন্ট শেষ করেন।

রবিবার, ধারের টাকা আর একটি রাজ্য সরকার

শুটিং শুরু হয় ১৯৫২ সালের ২৭ অক্টোবর, কাশফুলের মাঠে অপু আর তার দিদি দুর্গা একটি ট্রেন দেখতে পায়, সেই দৃশ্য দিয়ে। কিমারে চাকরি থাকায় রায় রবিবারে শুটিং করতেন। পরের রবিবারের মধ্যে গরু ফুল খেয়ে ফেলে, তাই দৃশ্যটির জন্য পরের বছর কাশফুল ফোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, ফাউন্ডেশন জানায়।

তিনি নিজের বিমা পলিসির বিপরীতে এবং আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের কাছ থেকে ধার নেন, আর টাকা ফুরিয়ে গেলে আরও কয়েক দিন শুটিং চালানোর জন্য স্ত্রী বিজয়ার গয়না বন্ধক দেওয়া হয়। শুটিংয়ের আগে প্রায় দুই বছর তিনি এমন প্রযোজক খুঁজেছিলেন যে ছবিটিতে টাকা ঢালবে, কিন্তু কেউ রাজি হননি, যদিও তাঁর চিত্রনাট্য আর স্কেচ সবাই প্রশংসা করেছিলেন।

তখন প্রোডাকশন ম্যানেজার অনিল চৌধুরী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের কাছে যাওয়ার প্রস্তাব দেন, আর রাজ্য সরকার ছবিটিতে অর্থ দিতে রাজি হয়। টাকা আসত কিস্তিতে, প্রতিটির জন্য হিসাব পাস করাতে হতো যাতে এক মাস পর্যন্ত লেগে যেত, আর প্রায় এক বছরের বিরতির পরে ১৯৫৪ সালের গোড়ায় শুটিং আবার শুরু হয়। অঙ্কটি নিয়ে বিবরণ ভিন্ন। দ্য উইক জানায়, কোনো কোনো বিবরণে ১ লাখ টাকা আর কোনোটিতে ৮০,০০০ টাকা বলা হয়েছে, আর রায়ের ছেলে সন্দীপ রায় ১ লাখ টাকায় সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন তা ৬০,০০০ টাকার বেশি হতে পারে না।

অভিনেতাদের বেশির ভাগই পর্দায় নতুন। অপুর ভূমিকায় ছিলেন সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, অপুর মায়ের ভূমিকায় করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়, আর তাঁরা বা গ্রামবাসীরা কেউ আগে অভিনয় করেননি। ৮০ বছরের অবসরপ্রাপ্ত মঞ্চাভিনেত্রী চুনিবালা দেবী করেছিলেন ইন্দির ঠাকরুনের ভূমিকা। প্রধান লোকেশন ছিল কলকাতার উপকণ্ঠের গ্রাম বোড়াল, আর ছবি তোলেন সুব্রত মিত্র, যিনি আগে স্থিরচিত্র তুলতেন। ছবির প্রায় অর্ধেক দেখা রবি শঙ্কর প্রায় এগারো ঘণ্টার একটানা এক সেশনে সুর রেকর্ড করেন।

১৯৫৪ সালের হেমন্তে নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্টের মনরো হুইলার বিশ্ব প্রিমিয়ার করার প্রস্তাব দেন, ফাউন্ডেশন জানায়। আউটলুক ইন্ডিয়া মিউজিয়ামের আর্কাইভের চিঠির ভিত্তিতে জানায়, ওই বছর অর্থাভাবে শুটিং আটকে থাকার সময় হুইলার কলকাতায় রায়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ধর্মঘটের কারণে রায় কলকাতায় কাঁচা ফিল্ম কিনতে না পারলে মিউজিয়াম লন্ডনে ফিল্ম কিনে তাঁকে পাঠিয়ে দেয়। সাবটাইটেলের জন্য সময় বা টাকা কোনোটাই ছিল না।

কানে মাঝরাতের প্রদর্শনী

পথের পাঁচালী কলকাতায় মুক্তি পায় ১৯৫৫ সালের ২৬ আগস্ট। দু’সপ্তাহ ব্যবসা সামান্য ছিল, আর তৃতীয় সপ্তাহে তিনটি প্রেক্ষাগৃহে ভরা হলে চলছিল। প্রথম প্রেক্ষাগৃহ ছবিটি ছ’সপ্তাহ রাখে, তারপর আরেকটি শৃঙ্খলে আরও সাত সপ্তাহ চলে, ফাউন্ডেশনের মতে। তার পুরস্কারের তালিকায় ওই বছর নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রপতির স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক দেখা যায়।

ডা. রায় আগেই ছবিটি দেখেছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্য একটি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেন, নেহরু ছবিটিতে অভিভূত হন এবং কিছু বিরোধিতা সত্ত্বেও ছবিটি যাতে কানে পাঠানো হয় তা নিশ্চিত করেন, ফাউন্ডেশন বলছে। দ্য উইক অন্য পথের কথা বলে। তাদের মতে, ডা. রায় ছবিটি দিল্লিতে নিয়ে যান, আর প্রিন্টে সাবটাইটেল না থাকায় নেহরুকে দৃশ্যের পর দৃশ্য বুঝিয়ে দেন।

কানে প্রথম প্রদর্শনী হয় উৎসবের এক ছুটির দিনে মাঝরাতে, আর জুরিদের বেশির ভাগ আসেননি। লিন্ডসে অ্যান্ডারসন আর আঁদ্রে বাঁজাঁ-সহ রায়ের সমালোচক ও বন্ধুরা আরেকটি প্রদর্শনীর জন্য চাপ দেন, এবং পুরো জুরির জন্য দ্বিতীয় প্রদর্শনী হয়। উৎসবের নিজস্ব আর্কাইভ ১৯৫৬ সালের জন্য পুরস্কারটিকে Prix du document humain হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। ফাউন্ডেশন একে বিশেষ জুরি পুরস্কার বলে।

ফাউন্ডেশন দেশে-বিদেশে ছবিটির প্রায় এক ডজন পুরস্কার গুনেছে। তার তালিকায় আছে এডিনবরায় ডিপ্লোমা অব মেরিট আর ১৯৫৬ সালে রোমে ভ্যাটিকান পুরস্কার, ১৯৫৭ সালে সান ফ্রান্সিসকোয় সেরা ছবি ও পরিচালনা, ১৯৫৮ সালে ভ্যাঙ্কুভারে সেরা ছবি এবং ১৯৫৯ সালে নিউ ইয়র্কে সেরা বিদেশি ছবি।

আউটলুক ইন্ডিয়া জানায়, মার্কিন পরিবেশক এডওয়ার্ড হ্যারিসন ১৯৫৮ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কের ফিফথ অ্যাভিনিউ সিনেমায় ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে দু’বছর একজন প্রদর্শক খুঁজেছিলেন। ছবিটি সাত মাস চলে, যাকে পত্রিকাটি যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি ছবির জন্য রেকর্ড বলেছে।

অপরাজিত আর গোল্ডেন লায়ন

অপরাজিত আসে ১৯৫৬ সালে, গণমুক্তির আগে নেহরু ও রাজেন্দ্র প্রসাদের জন্য বিশেষ প্রদর্শনী হয়। ছবিটি গ্রামাঞ্চলে অপু আর তার বিধবা মায়ের কথা বলে, এবং মায়ের মৃত্যুর পরে অপুর কলকাতায় চলে আসার। ফাউন্ডেশন বলছে, প্রথমে বাঙালি দর্শকদের কাছে ছবিটি তেমন ভালো চলেনি।

১৯৫৭ সালে ভেনিসে ছবিটি সেরা ফিচার ফিল্মের গোল্ডেন লায়ন জেতে। ফাউন্ডেশন ওই উৎসবের একটি সিনেমা নুওভো পুরস্কার আর একটি সমালোচক পুরস্কারও তালিকাভুক্ত করেছে। লা বিয়েনালের আর্কাইভ ১৯৫৭ সালে ১৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে (Mostra Internazionale d’Arte Cinematografica) ভারতের নামে অপরাজিত সহ রায়ের উপস্থিতি নথিভুক্ত করেছে।

রায় তৃতীয় ছবির পরিকল্পনা করেননি। ফাউন্ডেশন বলছে, নেহরু যখন জিজ্ঞেস করেন অপুর এখন কী হবে, রায় বলেন তৃতীয় কোনো অপু-ছবি তাঁর মাথায় নেই। ভেনিসের সংবাদ সম্মেলনে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় ত্রয়ীর কথা ভাবছেন কি না, আর তিনি নিজেকে হ্যাঁ বলতে শোনেন। অপুর সংসার আসে ১৯৫৯ সালে, অপুর ভূমিকায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আর তাঁর স্ত্রীর ভূমিকায় শর্মিলা ঠাকুর, তাঁর প্রথম ছবিতে। ফাউন্ডেশন ১৯৫৯ সালে নয়াদিল্লিতে ছবিটির জন্য রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদক তালিকাভুক্ত করেছে।

একই তালিকায় আছে ১৯৬৪ সালে মহানগর-এর জন্য এবং ১৯৬৫ সালে চারুলতা-র জন্য বার্লিনে সেরা পরিচালনার সিলভার বিয়ার। তাতে আরও আছে ১৯৮২ সালে ভেনিসের বিশেষ গোল্ডেন লায়ন, যার জন্য লা বিয়েনালের আর্কাইভে “Leone d’oro alla carriera” নথিভুক্ত, ওই বছরই কানে একটি শ্রদ্ধানিবেদন, ১৯৮৩ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ফেলোশিপ আর ১৯৮৭ সালে ফরাসি লেজিয়ঁ দ’অনর।

দেশে সম্মান

ফাউন্ডেশন তালিকাভুক্ত করেছে ১৯৫৮ সালে পদ্মশ্রী, ১৯৬৫ সালে পদ্মভূষণ ও ১৯৭৬ সালে পদ্মবিভূষণ, আর ১৯৬৭ সালে ম্যানিলায় দেওয়া র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার। চলচ্চিত্রের জন্য সরকারের আজীবন সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ফাউন্ডেশনের তালিকায় ১৯৮৫ সালের নামে, আর ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার বিজয়ীদের তালিকায় ১৯৮৪ সালের নামে আছে, যে তালিকা ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতি বছর একজন বিজয়ীর নাম দেয়। tuput-এর অমিতাভ বচ্চন ও লতা মঙ্গেশকর-এর প্রোফাইলে ফালকে পুরস্কার ও অন্যান্য জাতীয় সম্মানের দুই পরবর্তী প্রাপকের কথা আছে।

ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্নের প্রাপকদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তালিকায় রায়ের নাম ১৯৯২ সালের অধীনে। tuput যেসব সূত্র খুলেছে, তাতে ঘোষণা বা প্রদানের দিনটি দেওয়া নেই।

অ্যাকাডেমি পুরস্কার, আর তারপর

অ্যাকাডেমির অনুষ্ঠানের পাতা অনুযায়ী, ৬৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কার হয় ১৯৯২ সালের ৩০ মার্চ লস অ্যাঞ্জেলেসের ডরোথি চ্যান্ডলার প্যাভিলিয়নে। হৃদরোগের কারণে রায় যেতে পারেননি। অড্রে হেপবার্ন সম্মানসূচক পুরস্কার তুলে দেন, আর রায় কলকাতার একটি হাসপাতালের বিছানা থেকে তা গ্রহণ করেন। দ্য ক্যারাভান ২০১৬ সালে একে আগে থেকে রেকর্ড করা ভিডিও বলে বর্ণনা করেছিল, আর সত্যজিৎ রায় ফাউন্ডেশন বর্ণনা করে সরাসরি স্যাটেলাইট টেলিভিশন সংযোগ।

ফাউন্ডেশন মানপত্রটি ছাপিয়েছে এভাবে: “চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর বিরল দক্ষতার স্বীকৃতিতে” আর তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য। ক্যারাভান ২০১৬ সালে যোগ করে, সম্মানসূচক অস্কার পাওয়া একমাত্র ভারতীয় এখনও রায়। অনুষ্ঠানের ২৪ দিন পরে তিনি মারা যান।

পুরস্কারের পরে অ্যাকাডেমি একটি রায় প্রিজারভেশন প্রজেক্ট শুরু করে। তার অ্যাকাডেমি ফিল্ম আর্কাইভে এখন রায়ের পরিচালিত আঠারোটি ফিচার ফিল্ম আর একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির সংরক্ষণ মাস্টার আর প্রদর্শনের প্রিন্ট আছে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Festival de Cannes archive: Pather Panchali, In Competition 1956 (Prix du document humain)
  2. Academy of Motion Picture Arts and Sciences: The 64th Academy Awards, 30 March 1992
  3. Academy Film Archive: Satyajit Ray Collection (Ray Preservation Project)
  4. Ministry of Home Affairs, Government of India: List of recipients of the Bharat Ratna
  5. La Biennale di Venezia, ASAC archive: Satyajit Ray (18th Mostra, 1957, and 1982)
  6. Satyajit Ray Foundation: Awards won by Satyajit Ray and his films
  7. Satyajit Ray Foundation: Making of Pather Panchali, 1950 to 1955
  8. Satyajit Ray Foundation: Triumph of Pather Panchali, 1955
  9. Satyajit Ray Foundation: Encounter with Jean Renoir, 1949
  10. Satyajit Ray Foundation: The Bicycle Thieves effect, 1950
  11. Satyajit Ray Foundation: At Shantiniketan, 1940 to 1942
  12. Satyajit Ray Foundation: The Apu Trilogy
  13. Satyajit Ray Foundation: Biography
  14. Satyajit Ray Foundation: The final offerings, 1984 to 1992
  15. The Week, 15 May 2022: The story behind the making of Pather Panchali
  16. Outlook India: Park Avenue Panchali (letters in the MoMA archives)
  17. Film Federation of India: Dadasaheb Phalke Award winners
  18. The Caravan, 1 March 2016: Editor's pick on Satyajit Ray's honorary Oscar

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#satyajit ray#pather panchali#apu trilogy#cannes film festival#venice film festival#honorary academy award#bharat ratna#bengali cinema

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
লতা মঙ্গেশকর ১৯৬৩ সালের ২৭ জানুয়ারি দিল্লির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে এ মেরে ওয়াতন কে লোগোঁ গেয়েছিলেন আর ২০০১ সালে ভারতরত্ন পেয়েছিলেন
গানটির জন্য আশা ভোঁসলে, দ্বৈত গান, না কি একা লতা, পরিকল্পনা কী ছিল তা নিয়ে বিবরণ ভিন্ন, আর গানের গীতিকারকে অনুষ্ঠানে ডাকাই হয়নি। সেই রাত, সম্মান আর গানের সংখ্যা নিয়ে গেজেট, পিআইবি আর সংবাদমাধ্যম কী নথিভুক্ত করেছে।
রাজ কাপুরের আওয়ারা ১৯৫৩ সালে কান উৎসবে প্রতিযোগিতায় ছিল আর সোভিয়েত ইউনিয়নে ৬৩.৭ মিলিয়ন টিকিট বিক্রি করেছিল বলে জানা যায়, আর তিনি ১৯৭১ সালে পদ্মভূষণ এবং ১৯৮৭ সালের ফালকে পুরস্কার পান
সরকারি ভোজসভায় বাজানো একটি শিরোনাম-গান, ভক্তদের কাঁধে তোলা একটি গাড়ি, আর ছাপায় দুটি আলাদা বছর নিয়ে চলা একটি ফালকে পুরস্কার। ভারতীয় সিনেমার শোম্যান সম্পর্কে কান আর্কাইভ, গেজেট আর নামধারী সাংবাদিকেরা কী নথিভুক্ত করেছেন।
অরুণা আসফ আলি ১৯৪২ সালের ৯ আগস্ট গোয়ালিয়া ট্যাঙ্কে কংগ্রেসের পতাকা তুলেছিলেন, সাড়ে তিন বছর আত্মগোপনে ছিলেন, আর ১৯৪৬ সালের ২৯ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে পরোয়ানা বাতিল হলে তবেই বেরিয়ে আসেন
সকাল সাতটার মধ্যে তাঁর স্বামী পুলিশের বিশেষ ট্রেনে বোম্বাই ছেড়ে গিয়েছিলেন। তিনি বোম্বাইতেই থেকে গিয়েছিলেন, আর ময়দানে কী ঘটেছিল তা জানা যায় একটি ডায়েরির পাতা, একটি জাদুঘরের পাতা আর কয়েকটি পরবর্তী বিবরণ থেকে, যাদের খুঁটিনাটিতে মিল নেই।
← সব লেখা