Skip to content
পাটনার কুমহরারের মৌর্য স্তম্ভশালা দাঁড়িয়েছিল আশিটি পালিশ করা বেলেপাথরের স্তম্ভের ওপর, সেটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল ১৯১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, আর ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আবার তার স্তম্ভ উন্মোচন শুরু করেছে
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারত

পাটনার কুমহরারের মৌর্য স্তম্ভশালা দাঁড়িয়েছিল আশিটি পালিশ করা বেলেপাথরের স্তম্ভের ওপর, সেটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল ১৯১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, আর ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আবার তার স্তম্ভ উন্মোচন শুরু করেছে

ছবি: Sumitsurai / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের ডি. বি. স্পুনার ১৯১৩ সালে খনন শুরুর এক মাসের মাথায় কুমহরারে চুনারের পালিশ করা বেলেপাথরের স্তম্ভের একটি হলঘর শনাক্ত করেছিলেন, আর ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সালের পাঁচ মরসুমের পর এ. এস. আলতেকার ও বিজয়কান্ত মিশ্র সেখানে আশিটি স্তম্ভ গুনেছিলেন। ভূগর্ভের জল চুঁইয়ে ঢোকায় সর্বেক্ষণ ২০০৪ সালে ধ্বংসাবশেষ মাটি আর বালিতে ঢেকে দেয়, এবং ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর তার মহানির্দেশক কয়েকটি স্তম্ভ আবার উন্মুক্ত করতে শুরু করেন।

· · 7 মিনিটের পাঠ

পূর্ব পাটনার কুমহরারের মৌর্য স্তম্ভশালায় ছিল আশিটি পালিশ করা বেলেপাথরের স্তম্ভ, প্রতিটি একখণ্ড পাথরের, ১৫ ফুট দূরে দূরে সারিতে বসানো। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের (এএসআই) ডি. বি. স্পুনার খনন শুরুর এক মাস পরে, ১৯১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, এটি শনাক্ত করেন, আর ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর সর্বেক্ষণের মহানির্দেশক এর কয়েকটি চাপা পড়া স্তম্ভ আবার উন্মোচন করতে শুরু করেন।

পুরোনো খনন-প্রতিবেদনে জায়গাটির বানান কুমরাহার, ২০২৪ সালের খবরে কুমহরার। দুটিই একই ধ্বংসাবশেষ বোঝায়, যা প্রাচীন রাজধানী পাটলিপুত্রের ভেতরে।

ভাঙা পাথর কীভাবে একটি হলঘর দেখিয়ে দিল

প্রত্নতত্ত্ববিদ দিশা আহলুওয়ালিয়া লিখেছেন, ১৮৯২ থেকে ১৮৯৯ সালের মধ্যে এল. এ. ওয়াডেল পাটনায় প্রথম খনন চালান। স্পুনারের প্রতিবেদন বলছে, কুমহরারে পালিশ করা পাথরের টুকরো দেখে ওয়াডেল ধরে নিয়েছিলেন যে জায়গাটিতে ছিল অশোকের সেই স্তম্ভ, যাকে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং “নিলী” স্তম্ভ বলেছিলেন।

সর্বেক্ষণের ১৯১২-১৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে ছাপা স্পুনারের প্রথম প্রতিবেদন বলছে, সেই ধারণা দ্রুত ভেঙে পড়ে। পালিশ করা টুকরোগুলি সবই একটি স্তম্ভ থেকে আসতে পারে না। তাঁর দল একই সরলরেখায় পাথরের টুকরোর তিনটি স্তূপ পেল, কেন্দ্র থেকে কেন্দ্র ১৫ ফুট দূরে, আর প্রতি দিকে একই দূরত্বে খোঁড়া পরীক্ষামূলক গর্তে আরও স্তূপ মিলল। তাতে স্থির হলো যে সেখানে একটি বড় স্তম্ভশালা ছিল।

প্রতিবেদন আবিষ্কারের তারিখ দিয়েছে ৭ ফেব্রুয়ারি, কাজ শুরুর এক মাস পরে, আর লাইভ হিস্ট্রি ইন্ডিয়ার খননের বিবরণে একই তারিখ আছে। বোম্বাইয়ের রতন টাটা পাটলিপুত্র খননের খরচ জোগাতে রাজি হয়েছিলেন। সর্বেক্ষণের মহানির্দেশক জন মার্শাল একই খণ্ডে লিখেছেন, বড় শহর-খননগুলির একটির খরচ বহন করার প্রস্তাব কোনো ব্যক্তি এই প্রথম দিয়েছিলেন।

প্রথম মরসুম শেষ হওয়ার মধ্যে স্পুনার দশটি করে স্তম্ভের আটটি সারি ছক করে ফেলেছিলেন, সবই ১৫ ফুট দূরে দূরে। তিনি হলঘরটিকে অসাধারণ আকারের বলেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তার সম্পূর্ণ বিস্তার তিনি তখনো ঠিক করতে পারেননি।

কাদা আর কাঠের বিছানায় পাথরের স্তম্ভ

স্পুনার স্তম্ভগুলির বর্ণনা দিয়েছেন চুনার বেলেপাথরের পালিশ করা একখণ্ড-পাথর হিসেবে, গোড়ায় প্রায় ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি চওড়া, মাথায় কোনো শীর্ষ বা তলায় কোনো বেদি নেই। তাঁর ধারণা ছিল উচ্চতা ২০ ফুটের কম নয়। ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সালের খননকারীরা পরে গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত স্তম্ভটি কতটা সরু হয়েছে মেপে উচ্চতা ধরেছিলেন ৩২ ফুটের কাছাকাছি।

ছাদ ছিল কাঠের। স্পুনার দেখেন, শাল কাঠের গুঁড়ি সরাসরি পাথরের ওপর বসানো, প্রতিটি স্তম্ভের মাথায় প্রায় এক ফুট ঢোকানো ধাতব বোল্ট দিয়ে আটকানো, যাকে তিনি তামা বলে ধরেছিলেন। কড়িকাঠ জোড়া ছিল ছয় থেকে আট ইঞ্চি বা তার বেশি লম্বা লোহার পেরেকে, আর ভিত ও মেঝেও ছিল কাঠের। তিনি মেঝে ধরেছিলেন বর্তমান ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭ ফুট নিচে।

৩৮ বছর পরে খনন করে আলতেকার ও মিশ্র ব্যাখ্যা করেন, স্তম্ভগুলি কীভাবে দাঁড়িয়েছিল। প্রতিটি বসানো ছিল প্রায় পাঁচ ফুট চৌকো আর মোটামুটি পাঁচ থেকে ছয় ফুট গভীর একটি ভিতের খাদে। তলায় ছিল নীল কাদার একটি স্তর, তার ওপর কড়িকাঠের তৈরি প্রায় সাড়ে চার ফুট চৌকো একটি কাঠের ভিত, তার ওপর স্তম্ভ। প্রতিটি দণ্ডের প্রায় নয় ফুট ছিল ভিতের তলায়, আর সেই চাপা অংশও পালিশ করা হয়েছিল চোখে-পড়া অংশের মতোই যত্নে। প্রতিবেদন কোনো পাকা কারণ দেয়নি, শুধু ইঙ্গিত করেছে যে হলঘরের নকশা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই পাথর ছেঁটে ফেলা হয়ে থাকতে পারে।

বাহাত্তর, তারপর আশি, তারপর আরও চার

পাটনার কে. পি. জয়সওয়াল গবেষণা প্রতিষ্ঠান ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত কুমরাহারে পাঁচ মরসুম কাজ চালায়। এ. এস. আলতেকার ছিলেন তার অবৈতনিক নির্দেশক আর বিজয়কান্ত মিশ্র মাঠ-নির্দেশক, এবং তাঁদের প্রতিবেদন বেরোয় ১৯৫৯ সালে।

স্পুনারের নকশায় ৭২টি স্তম্ভের জায়গা চিহ্নিত ছিল। জয়সওয়াল প্রতিষ্ঠানের দল আরও আটটির জায়গা পেল, সপ্তম আর অষ্টম সারি দশটি করে পূর্ণ করে, এবং সিদ্ধান্ত নিল হলঘরে মোট আশিটি স্তম্ভ ছিল। প্রবেশপথে আরও চারটি দাঁড়িয়ে ছিল, সম্ভবত একটি বারান্দায়। পশ্চিম আর দক্ষিণের পরিখায় আর কোনো স্তম্ভ মেলেনি।

খননের সময় পর্যন্ত বেশির ভাগ পাথর উধাও হয়ে গিয়েছিল। স্পুনার ভেবেছিলেন, নিখোঁজ স্তম্ভগুলি মাটিতে ডুবে গেছে। আলতেকার ও মিশ্র জবাব দেন, গর্তগুলি নকশায় গোল নয়, অসমান, আর তার নিচের ভিতের কাদা অক্ষত। তাঁদের পাঠে এটি পরবর্তী কালের পাথর-চোরদের কাজ, যারা মাটির নিচ থেকে গোড়াগুলি টেনে বের করেছিল।

হলঘর এলাকা ঢেকে ছিল প্রায় এক ফুট পুরু ছাইয়ের স্তর। প্রতিবেদন তাকে পোড়া কাঠের মেঝে আর ছাদের অবশেষ ধরেছে এবং আগুন লাগার সময় ধরেছে শুঙ্গ যুগের গোড়ায়, মোটামুটি ১৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। পালিশ করা পাথরের কুচি গোটা এলাকায় শুঙ্গ যুগের স্তরে ছড়ানো ছিল, আর লেখকেরা গার্গী সংহিতায় উল্লিখিত যবন আক্রমণকে সম্ভাব্য কারণ বলে ইঙ্গিত করেছেন। এই মত সেই পুরোনো মতের জায়গা নিয়েছে, যা পোড়ার সময় ধরত গুপ্ত যুগের পরে।

পারসিক আদর্শ, না ভারতীয়দের প্রথম প্রচেষ্টা

স্পুনার তাঁর নকশার সঙ্গে পার্সেপোলিসের শত স্তম্ভের হলঘরের মিল দেখেছিলেন এবং লিখেছিলেন, তা একটি সম্ভাব্য সংযোগ দেখায়। পরে ১৯১৫ সালের একটি প্রবন্ধে তিনি ভারতীয় ইতিহাসে জরথুস্ত্রীয় এক পর্বের তত্ত্ব দাঁড় করান, যা আহলুওয়ালিয়ার কথায় কখনোই দৃঢ়ভাবে প্রমাণিত হয়নি।

১৯৫৯ সালে এল দ্বিতীয় একটি পাঠ। লেখকদের মতে, তখনকার উপলব্ধ প্রমাণ বলছিল হলঘরটি সম্ভবত ভারতীয় নির্মাতাদের তোলা প্রথম বড় পাথরের স্তম্ভের ভবন, যাঁদের এ ধরনের কাঠামোর অভিজ্ঞতা ছিল সামান্য। অশোকের একখণ্ড-পাথরের স্তম্ভ মাটিতে বসানো হতো ছয় থেকে সাত ফুট ভেতরে, আর হলঘরের নির্মাতাদের হয়তো মনে হয়েছিল ছাদের জন্য আরও গভীর ভিত দরকার।

কার হলঘর, আর কীসের জন্য

সর্বেক্ষণের ২০২৪ সালের বিবৃতি ভবনটিকে বলেছে অশোকান সভাগার, অশোকের সভাগৃহ। আলতেকার ও মিশ্র লিখেছিলেন, এটি সম্ভবত বানানো হয়েছিল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের আমলে।

এর উদ্দেশ্য আরও অনিশ্চিত। এএসআইয়ের পাটনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রত্নতত্ত্ববিদ সুজিত নয়ন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরুর সময় বলেছিলেন, মনে করা হয় অশোক হলঘরটি ব্যবহার করেছিলেন খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের তৃতীয় বৌদ্ধ সঙ্গীতির জন্য। ১৯৫৯ সালের প্রতিবেদন ঐতিহ্যটি অন্যভাবে নথিবদ্ধ করেছে: সেখানে সঙ্গীতির স্থান ধরা হয়েছে পাটলিপুত্রের অশোকারাম বিহার। হলঘরের কাছের পরিখায় শুঙ্গ যুগ পর্যন্ত পেছনে যাওয়া বৌদ্ধ বিহার মিলেছিল, কিন্তু মৌর্য যুগের একটিও নয়। দলটি প্রশাসনিক ভবন আশা করেছিল, একটিও পায়নি।

প্রতিবেদন এ ধারণাও নাকচ করেছে যে এই হলঘরই ছিল চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েনের দেখা প্রাসাদ। তিনি বর্ণনা করেছিলেন কয়েকটি হল আর খোদাই ও খচিত কাজের একটি প্রাসাদ, অথচ কুমরাহারে আছে একটিমাত্র হল, তাঁর আসার বহু আগেই যা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। অশোকের নিজের বিবরণ আছে মহান অশোক লেখায়।

হলঘরের দক্ষিণে স্পুনার পেয়েছিলেন ৩০ ফুট লম্বা শাল কাঠের গুঁড়ির সাতটি লম্বা মঞ্চ, বর্তমান ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০ ফুট বা তারও নিচে। তাদের উদ্দেশ্য তিনি অনির্ধারিত রেখেছিলেন, আর আনন্দ-তরণীর ঘাট হওয়ার জনপ্রিয় ধারণাটি বাতিল করেছিলেন। আলতেকার ও মিশ্র হলঘরের দক্ষিণে মৌর্য যুগে কাটা একটি খাল পেয়েছিলেন। তা থেকে তাঁরা অনুমান করেছিলেন নৌকায় আসা সম্মানিত অতিথিদের জন্য কাঠের চওড়া সিঁড়ি, আর এমন একটি জলপথ যা বেয়ে চুনারের পাথরখাদান থেকে স্তম্ভ ভাসিয়ে আনা যেত। দুটিই তাঁদের অনুমান, প্রাপ্ত তথ্য নয়।

চারপাশের শহর

পাটলিপুত্রের প্রতিরক্ষার বর্ণনা গ্রিক লেখায় আছে এবং কয়েকটি খননে তার চিহ্ন পাওয়া গেছে। এইচ. এল. জোন্সের অনুবাদে স্ট্র্যাবোর জিওগ্রাফি পালিবোথ্রাকে বর্ণনা করেছে ৮০ স্টাডিয়া লম্বা আর ১৫ চওড়া, সামান্তরিকের আকারের, তীর ছোড়ার ফুটোওয়ালা কাঠের প্রাচীর আর সামনে এমন একটি পরিখা সহ, যা প্রতিরক্ষা আর শহরের নর্দমা দুইয়েরই কাজ করত। আমাদের চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য লেখা সেই পাঠ আর তাতে মেগাস্থিনিসের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছে।

মাটিতে, ১৯৫৯ সালের প্রতিবেদন পাটনার লোহানিপুর, বুলন্দিবাগ, বাহাদুরপুর, কুমরাহার ও অন্যান্য জায়গায় কাঠের বেড়ার অবশেষের তালিকা করেছে। ১৯২৬ ও ১৯২৭ সালে বুলন্দিবাগের খননে প্রায় ২৩০ ফুট লম্বা একটি অংশ বেরিয়েছিল, যাতে ১৪ ফুট ৬ ইঞ্চি ব্যবধানে দুই সারি খুঁটি ছিল। প্রতিবেদন শহরের পরিখাকেও অর্থশাস্ত্র-এর দুর্গ-বিধির পাশে রেখেছে। দুটি পরিখা বাদে খোঁড়া অঞ্চলটিতে মৌর্য যুগ থেকে প্রায় ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অবিরাম বসতি ছিল।

২০০৪ সালে চাপা, ২০২৪ সালে আবার খোলা

পিটিআইয়ের প্রতিবেদন করা এএসআইয়ের বিবরণ অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে ভূগর্ভের জল চুঁইয়ে ধ্বংসাবশেষ জলমগ্ন হতে শুরু করে। আরও ক্ষয় ঠেকাতে সর্বেক্ষণ ২০০৪ সালে জায়গাটি মাটি আর বালিতে ঢেকে দেয়।

২০২৩ সালের অক্টোবরে বিহার হেরিটেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির কার্যনির্বাহী নির্দেশক বিজয় কুমার চৌধুরী বলেন, হলঘরটি প্রায় ২০ ফুট মাটির নিচে আছে এবং সর্বেক্ষণের উচিত তা আবার খনন করা। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের প্রাক্তন অধ্যাপক ও. পি. জয়সওয়াল, যিনি কাঠামোটি চাপা পড়ার আগে দেখেছিলেন, অবিলম্বে সংস্কারের দাবি জানান। একই সপ্তাহে ন্যাশনাল মনুমেন্টস অথরিটি জায়গাটির জন্য খসড়া ঐতিহ্য-উপবিধি প্রকাশ করে, যাকে তারা তালিকাভুক্ত করেছে অশোকের প্রাসাদের অনুমিত স্থান হিসেবে।

২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর রবিবার সর্বেক্ষণের মহানির্দেশক যদুবীর সিং রাওয়াত সুজিত নয়নের উপস্থিতিতে কয়েকটি চাপা পড়া স্তম্ভ উন্মোচন করতে শুরু করেন। এএসআইয়ের বিবৃতি বলেছিল, লক্ষ্য স্তম্ভগুলির বর্তমান অবস্থা পরীক্ষা করা, এবং কেন্দ্রীয় ভূগর্ভস্থ জল পর্ষদের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে জলস্তর মাপা সহ বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের পর আশিটিই উন্মোচন করা যেতে পারে। নয়ন বলেন, গোড়ায় কেবল কয়েকটি স্তম্ভ উন্মুক্ত করা হবে, আর অবস্থার বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর সেগুলি জনসাধারণের জন্য খোলা হতে পারে। তাঁর কথায় এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ “২০ বছর পরে” স্তম্ভ উন্মোচন শুরু হয়েছে।

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত tuput জলস্তর মাপার ফলাফল, কতগুলি স্তম্ভ উন্মুক্ত হয়েছে, বা আশিটিই খোলার কোনো সিদ্ধান্তের সম্পর্কে কোনো প্রকাশিত প্রতিবেদন পায়নি।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Annual Report of the Archaeological Survey of India, 1912-13, edited by John Marshall, including D. B. Spooner's report on Pataliputra, Internet Archive
  2. A. S. Altekar and V. Mishra, Report on Kumrahar Excavations 1951-1955 (K. P. Jayaswal Research Institute, Patna, 1959), Internet Archive
  3. Strabo, Geography, Book 15, section 36, translated by H. L. Jones, Loeb Classical Library vol. 7 (1930), Internet Archive
  4. ASI begins process of unravelling portion of 'assembly hall' of Mauryan emperors in Patna, Millennium Post (PTI), 2 December 2024
  5. Excavation of Mauryan Empire in Patna, Drishti IAS, 12 December 2024
  6. Archaeologists flag concern over buried Mauryan period assembly hall, Millennium Post, 30 October 2023
  7. National Monuments Authority releases draft heritage bye-laws for supposed site of Palace of Asoka in Patna, ThePrint (PTI), 28 October 2023
  8. Disha Ahluwalia, It took 40 yrs to find first traces of Ashoka's Pataliputra. Now, we must find the rest, ThePrint, 18 September 2023
  9. Sir Ratan Tata and the Discovery of Pataliputra, Live History India

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#kumhrar#pataliputra#mauryan architecture#patna#asi excavation#d. b. spooner#80-pillared hall#ancient india

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারত
সেলুকাস চন্দ্রগুপ্তকে সিন্ধুর তীরের ভূমি দিয়েছিলেন ৫০০ হাতির বিনিময়ে। চারজন গ্রিক ও রোমান লেখক এই চুক্তি লিখে রেখেছিলেন, আর রাজা যে কে ছিলেন তা বলতে লেগেছিল ১৭৯৩ সাল পর্যন্ত
একজন গ্রিক রাষ্ট্রদূত পাটলিপুত্রের চারপাশের কাঠের প্রাচীরের বর্ণনা দিয়েছিলেন, আর ১৮৭৬ সালে পাটনায় একটা পুকুর খুঁড়তে গিয়ে শ্রমিকেরা পুরোনো কাঠের সারি পেয়ে যান। চন্দ্রগুপ্তের মন্ত্রীর নামে চলা রাষ্ট্রনীতির পাঠ্যবইয়ে তেমন কোনো যাচাই নেই, আর অলিভেল ও ম্যাকক্লিশ দুজনেই আমাদের হাতের পাঠটির তারিখ দেন তাঁর রাজত্বের কয়েক শতক পরে।
অশোক কান্দাহারে গ্রিক ও আরামাইক ভাষায় নিজের অনুশাসন খোদাই করিয়েছিলেন আর ১৩ নম্বর শিলালিপিতে পাঁচ হেলেনীয় রাজার নাম করেছিলেন, গ্রিক জগতের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তার নিজের ভাষায় আর ধর্মনিষ্ঠার জন্য তার নিজের শব্দে
১৯৫৮ সালের এপ্রিলে কান্দাহারের এক স্কুল-শিক্ষক এমন একটি পাথর পান যার দ্বিতীয় পঙ্ক্তি শুরু হয়েছিল অশোকের রাজকীয় নামের গ্রিক বানান দিয়ে। এটি যুক্ত হলো এমন এক অনুশাসনের সঙ্গে, যা আগেই সিরিয়া, মিশর আর ম্যাসিডনের নাম করেছিল।
কোঙ্কণের ওপরের নানেঘাট গিরিপথে আছে সাতবাহন যুগের এক গুহালিপি, যাতে বৈদিক যজ্ঞ আর দক্ষিণার তালিকায় ১১,০০০ গরু, ১,০০০ ঘোড়া আর ২৪,৪০০ কার্ষাপণের কথা আছে
রানির নামটি এসেছে সাপের সংস্কৃত শব্দ থেকে, গিরিপথের নাম সম্ভবত একটি মুদ্রা থেকে, আর সোপারার এক লোক সিঁড়ির পাশে জলের চৌবাচ্চার খরচ জুগিয়েছিলেন। ওপরের গুহায় তিনটি লিপিই আছে।
← সব লেখা