Skip to content
মহিলা হকি দলের কাহিনি নিয়ে ২০০৭ সালের ছবি চক দে! ইন্ডিয়া জিতেছে সুস্থ বিনোদন দেওয়া সেরা জনপ্রিয় ছবির জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আর বক্স অফিস ইন্ডিয়ার ২০০৭ সালের আয়ের তালিকায় ছিল তৃতীয় স্থানে
সংবাদ

মহিলা হকি দলের কাহিনি নিয়ে ২০০৭ সালের ছবি চক দে! ইন্ডিয়া জিতেছে সুস্থ বিনোদন দেওয়া সেরা জনপ্রিয় ছবির জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আর বক্স অফিস ইন্ডিয়ার ২০০৭ সালের আয়ের তালিকায় ছিল তৃতীয় স্থানে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

শিমিত অমিনের চক দে! ইন্ডিয়া, যশ রাজ ফিল্মসের জন্য প্রযোজনা আদিত্য চোপড়ার, মুক্তি পায় ২০০৭ সালের ১০ আগস্ট, কোচ কবীর খানের ভূমিকায় শাহরুখ খান। সুস্থ বিনোদন দেওয়া সেরা জনপ্রিয় ছবির জন্য ৫৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছবিটি জিতেছে, আর খান জিতেছেন ফিল্মফেয়ারের সেরা অভিনেতার পুরস্কার। ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর ভারতের মহিলারা এশিয়ান গেমসে হকিতে সোনা জিতেছেন, ১৯৮২ সালের পর এশিয়ান গেমসে তাঁদের প্রথম খেতাব, আর পেয়েছেন লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ অলিম্পিকের টিকিট।

· · 6 মিনিটের পাঠ

চক দে! ইন্ডিয়া ৫৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে, যা ২০০৭ সালের ছবির জন্য, সুস্থ বিনোদন দেওয়া সেরা জনপ্রিয় ছবির জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে। সরকারের প্রেস দপ্তর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) নথি অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, ওই পুরস্কারের জন্য হিন্দি ছবি চক দে ইন্ডিয়ার নাম আর সেরা কাহিনিচিত্রের জন্য কাঞ্চীভরমের নাম জানিয়ে। কাহিনিচিত্র জুরির প্রধান ছিলেন সাঈ পরাঞ্জপে, জুরি ৯২টি ছবি বিচার করেছিল। রাষ্ট্রপতি প্রতিভা দেবীসিং পাটিলের পুরস্কার তুলে দেওয়ার কথা ছিল ২০০৯ সালের ২১ অক্টোবর, নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন শিমিত অমিন, যশ রাজ ফিল্মসের জন্য প্রযোজনা আদিত্য চোপড়ার। মুক্তি পায় ২০০৭ সালের ১০ আগস্ট। স্টুডিওর ছবি-পাতা অনুযায়ী কাহিনি, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গান লিখেছেন জয়দীপ সাহনি, সংগীত সেলিম-সুলেমানের। শাহরুখ খান অভিনয় করেছেন কবীর খানের ভূমিকায়, যিনি ভারতের প্রাক্তন জাতীয় হকি অধিনায়ক এবং ভারতের মহিলা দলের কোচ হন। খানের পুরো কর্মজীবন আছে tuput-এর শাহরুখ খান লেখায়। এই লেখা ছবিটি নিয়ে।

কমনওয়েলথ গেমসের ফাইনালের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদন

২০১৭ সালে দ্য কুইন্টকে সাহনি বলেছেন, ভাবনাটির শুরু ২০০২ সালের কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের মহিলা হকি দলের জয় আর এশিয়া কাপে দলের ফলের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে। প্রতিবেদনটি তাঁকে আরও জানতে আগ্রহী করেছিল, তিনি বলেছেন, আর তারপর দল, তার কোচ ও কর্মীদের সঙ্গে যে সময় কাটিয়েছেন তাতে তাঁদের নিয়ে ছবি লেখার ইচ্ছা হয়। প্রথমে মনে এসেছিল একটি বই, তারপর একটি তথ্যচিত্র, শেষে তিনি কাল্পনিক কাহিনিতে থিতু হন।

ইএসপিএন ২০১৮ সালে ম্যানচেস্টার গেমসের বিবরণে ম্যাচটিকে বর্ণনা করেছে ছবিটির অনুপ্রেরণা হওয়া দুর্বলের জয়ের গল্প হিসেবে। ১৭তম স্থানে থাকা ভারত ফাইনালে পঞ্চম স্থানের আয়োজক ইংল্যান্ডকে হারায় গোল্ডেন গোলে (অতিরিক্ত সময়ের প্রথম গোল, যা ম্যাচ শেষ করে দেয়), আর ইএসপিএন গোলদাতা হিসেবে নাম করেছে মমতা খরবের। ফিল্ম কম্প্যানিয়ন লিখেছে, ছবির দলটি কাল্পনিক।

সাহনি বলেছেন, বান্টি আউর বাবলির প্রযোজনা শুরুর সময় চোপড়া ভাবনাটি শোনেন। প্রস্তাবে ছিল দলের অনুশীলনের অবস্থা, আর বহুল পরিচিত না হয়েও দলটি কীভাবে জিতে চলেছিল, এবং চোপড়া ছবিটি বানাতে রাজি হন। তারপর তিনি পরিচালক হিসেবে প্রস্তাব করেন অমিনকে, যিনি অব তক ছাপ্পানের পরিচালক। ম্যাচের কৌশল এসেছিল হকির মানুষ আর দলের কোচের কাছ থেকে, যাঁর নাম সাহনি বলেছেন কৌশিক।

অতীত নিয়ে এক কোচ

১০ আগস্ট ২০০৭ সালের সমালোচনায় রেডিফের রাজা সেন কবীর খানকে বর্ণনা করেছেন একজন অসম্মানিত খেলোয়াড় হিসেবে, যিনি একদল বেমানান মানুষকে একজোট করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জেতান। দ্য কুইন্টের সাক্ষাৎকারগ্রহীতা অতীতের কথাটি আরও নির্দিষ্ট করে বলেছেন: একজন অধিনায়ক, যাঁর বিরুদ্ধে ভুলভাবে অভিযোগ ওঠে যে তিনি পাকিস্তানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিততে দিয়েছেন। অমিন দ্য কুইন্টকে বলেছেন, শোষণমূলক বা রুচিহীন না হয়ে এই সুতোটি কাজ করবে কি না, সে বিষয়ে প্রথমে তাঁর সংশয় ছিল।

স্টার অফ মাইসুরু ২০২১ সালের ২ আগস্ট মীর রঞ্জন নেগির একটি সাক্ষাৎকার ছাপে, উপশিরোনামে তাঁকে ভারতীয় হকির আসল কবীর খান বলে। নেগি বলেছেন, তিনি ১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ভারতের হয়ে খেলেছেন, আর ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ভারত হারার পর তাঁকে দোষ দেওয়া হয়, কেউ কেউ অভিযোগ করেন যে তিনি পাকিস্তানের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। তাঁর নিজের কথায়, তিনি যা সয়েছেন তার তুলনায় ছবিটি কিছুই নয়। চরিত্রটি নিয়ে সেই সাক্ষাৎকারে তিনি কিছু বলেননি, তাই তুলনাটি থেকে যাচ্ছে সংবাদপত্রেরই।

ঝাড়খণ্ড থেকে মণিপুর পর্যন্ত খেলোয়াড়েরা

ফিল্ম কম্প্যানিয়ন বলেছে, ছবিটি ঝাড়খণ্ড, মিজোরাম ও মণিপুরসহ দেশের নানা অংশের তরুণীদের সামনে এনেছে, এবং এটিকে পড়েছে প্রতিনিধিত্বের প্রতি ছবির আগ্রহের প্রমাণ হিসেবে। একই লেখা কিছু খেলোয়াড়কে বলেছে হেঁটে বেড়ানো বাঁধা ছক, নাম করেছে রাগী পাঞ্জাবি বলবীরের, অভিনয়ে তানিয়া অবরল, আর হরিয়ানভি ছেলেমেয়ে-মার্কা কোমলের, অভিনয়ে চিত্রাশী রাওয়াত।

এত ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ধর্ম ও অঞ্চলের এতগুলি চরিত্রকে একটি গল্পে আনা বিরল, সাহনি দ্য কুইন্টকে বলেছেন, আর সেই সুযোগে তিনি লিঙ্গ, বর্ণবিদ্বেষ ও ধর্মের প্রসঙ্গ ছুঁয়েছেন। যশ রাজ ফিল্মসের কলাকুশলীর তালিকায় আছেন বিন্দিয়া নায়েক রূপে শিল্পা শুক্লা, প্রীতি সবরওয়াল রূপে সাগরিকা ঘাটগে, বিদ্যা শর্মা রূপে বিদ্যা মালভাডে, রানি ডিসপোত্তা রূপে সীমা আজমি, সোইমোই কেরকেট্টা রূপে নিশা নায়ার, মলি জিমিক রূপে মাসোচোন ভি জিমিক এবং মেরি রালতে রূপে কিমি লালডাওলা, আরও অনেকের সঙ্গে।

প্রথম দিকের প্রদর্শনীতে ফিরিয়ে দেওয়া

ছবিটি প্রথম দর্শকদের মুগ্ধ করেনি। বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের জন্য প্রদর্শনীর প্রতিক্রিয়া ছিল একবাক্যে নিরুৎসাহজনক, সাহনি দ্য কুইন্টকে বলেছেন। মাল্টিপ্লেক্সগুলি খেলোয়াড়দের একটি প্রচারমূলক ভিডিও ফেরত পাঠিয়ে সতর্ক করেছিল যে ছবিটি দেখতে কেউ আসবে না, তিনি বলেছেন। সাহনির বয়ানে খানের প্রতিক্রিয়া ছিল, তিনি ছবিটিতে খুশি এবং দলের গর্বিত হওয়া উচিত যা তারা বানিয়েছে তার জন্য।

অমিন বলেছেন, দ্বিতীয়ার্ধ বড্ড তাড়াহুড়োয় কাটা হয়েছিল আর প্রথমার্ধ বড্ড ধীর, এবং ১০ আগস্টের মুক্তির তারিখ স্থির থাকায় নতুন করে সাজানোর সময় ছিল না। সাহনি যোগ করেছেন, এক বছর পরে একই দর্শকেরা একই খেলোয়াড়দের নিয়ে আশ মেটাতে পারছিলেন না।

সমালোচনা ও ২০০৭ সালের বক্স অফিস তালিকা

সেন লিখেছেন, ছবিটি কখনো কখনো মেলোড্রামা আর ক্রীড়া ঘরানার ভারসাম্য রাখতে হিমশিম খায়, এবং একে বলেছেন “একটি চমৎকার, খাঁটি রক্তের স্পোর্টস মুভি” যা করতালির যোগ্য।

বক্স অফিস ইন্ডিয়ার ছবিটির পাতায় ভারতে নিট ৬৬.৫৪ কোটি টাকা (এক কোটি মানে ১০ মিলিয়ন), ভারতে গ্রস ৮৫.৮৬ কোটি টাকা, বিশ্বব্যাপী গ্রস প্রায় ১০১.৮২ কোটি টাকা, প্রথম সপ্তাহে ২১.৫৩ কোটি টাকা আর বাজেট ২২ কোটি টাকা। ২০০৭ সালের ভারতীয় আয়ের তালিকায় তারা চক দে ইন্ডিয়াকে রেখেছে তৃতীয় স্থানে, ১০৯.৭৮ কোটি টাকার ওম শান্তি ওম আর ৯৮.৭৬ কোটি টাকার ওয়েলকামের পরে, এবং চিহ্নিত করেছে সুপার হিট বলে। বাণিজ্য সংস্থাগুলি আলাদা আলাদা মোট আয় দেয়, তাই এগুলি একটি সংস্থার সংখ্যা, চূড়ান্ত নয়।

জাতীয় পুরস্কার আর অন্য পুরস্কার

যশ রাজ ফিল্মস জানিয়েছে, ৫৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠান হয় নয়াদিল্লিতে বুধবার ২১ অক্টোবর ২০০৯, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নেন যশ চোপড়া ও অমিন।

ইন্ডিসিনের বিজয়ীদের তালিকা অনুযায়ী, ফিল্মফেয়ার খানকে ওই ভূমিকার জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার এবং অমিনের নামে সেরা ছবির সমালোচকদের পুরস্কার দিয়েছে, স্টুডিওর পাতাও একমত। স্টুডিওর পুরস্কার-পাতায় ছবিটির জন্য আরও আছে আন্তর্জাতিক ভারতীয় চলচ্চিত্র একাডেমি পুরস্কারে সেরা ছবি, পরিচালক, অভিনেতা ও কাহিনি, জি সিনে ও স্ক্রিন পুরস্কারে সেরা ছবি, এবং রাষ্ট্রসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের লাদলি মিডিয়া পুরস্কার লিঙ্গ-সংবেদনশীলতার জন্য।

হকির মানুষেরা বলেন ছবিটি কী করেছে

এখানকার দাবিগুলি কার বলা তা উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ কোনো সূত্রই মাপেনি কত মেয়ে খেলাটি নিয়েছে বা অর্থায়ন কীভাবে বদলেছে। কিশোলয় রায় ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে অ্যাডভার্টাইজিং এক্সপ্রেসে লিখেছেন, বক্স অফিসের সাফল্যের বাইরেও ছবিটি হকির প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ জাগিয়েছে, আর “চক দে! এফেক্ট” চলতি বুলি হয়ে উঠেছে। রায় যোগ করেছেন, অনেকে বিশ্বাস করতেন এই প্রভাব সাময়িক। লেখায় উদ্ধৃত হকি অস্ট্রেলিয়ার বোর্ড সদস্য অ্যাডাম ওয়ালিশ বলেছেন, ছবিটি ভারতীয় হকিকে খুব দরকারি একটি ধাক্কা দেবে।

দ্য কুইন্ট ২০১৭ সালে লিখেছিল, ছবিটি ভারতকে একটি ক্রীড়া সংগীত দিয়েছে এবং নারী ক্রীড়াবিদ ও হকিকে দেখার দৃষ্টি বদলেছে। একই সাক্ষাৎকারে সাহনি বলেছেন, হকি ও অন্য খেলার সব বয়সের নারী ক্রীড়াবিদেরা তাঁকে বলেছেন ছবিটি তাঁদের ঠিকঠাক ধরেছে। তিনি বলেছেন, শিরোনাম-গানটি প্রযোজক যে ক্রীড়া সংগীত চেয়েছিলেন সেটিই হয়ে উঠেছে, এখন প্রতিটি খেলার জন্য বাজানো হয়। নেগি স্টার অফ মাইসুরুকে বলেছেন, ছবিটি দেখে হকি খেলতে অনুপ্রাণিত অনেক তরুণের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে।

আসল দল তারপর

টোকিওতে ২০২১ সালের ২ আগস্ট ভারতের মহিলারা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার অলিম্পিকের সেমিফাইনালে ওঠেন, অধিনায়ক রানি রামপাল, কোচ সিয়ের্ড মারিনে, দ্য ট্রিবিউন জানিয়েছে। সেদিনই খান সামাজিক মাধ্যমে মারিনেকে লিখেছিলেন, নিজের নাম সই করেছিলেন “প্রাক্তন কোচ কবীর খান” বলে, আর দলকে বলেছিলেন কিছুটা সোনা ফিরিয়ে আনতে। মারিনে তাঁর নিজের পোস্টে সই করেছিলেন “দ্য রিয়াল কোচ” বলে। আউটলুক জানিয়েছে, ২০২১ সালের ৬ আগস্ট ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে ভারত ৪-৩ গোলে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে হেরে চতুর্থ হয়।

২০২৬ সালের ২ অক্টোবর জাপানে এশিয়ান গেমসের মহিলা হকি ফাইনালে ভারত চীনকে ১-০ গোলে হারায়। হকি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন গোলের কৃতিত্ব দিয়েছে লালরেমসিয়ামিকে, দশম মিনিটে রিভার্স-স্টিকের শটে, আর গোলরক্ষক সবিতাকে, চীনের একটি পেনাল্টি স্ট্রোক ঠেকানোর জন্য। প্রতিবেদনে এটিকে বলা হয়েছে এশিয়ান গেমসে ভারতের মহিলা হকিতে দ্বিতীয় সোনা এবং ১৯৮২ সালের পর প্রথম, আর দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সলিমা তেতে। পুরুষ দলের দুটি অলিম্পিক ব্রোঞ্জের কথা আছে tuput-এর ভারতের হকি ব্রোঞ্জ লেখায়। আরেকটি মহিলা দল, ভারতের ক্রিকেটাররা, ২০২৫ সালের বিশ্বকাপ জিতেছেন, tuput-এর মহিলা ক্রিকেট লেখার বিষয়।

ওই সোনার সঙ্গে এসেছে লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ অলিম্পিকে সরাসরি জায়গা, আর এফআইএইচ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডসের পর ভারত সেখানে জায়গা নিশ্চিত করা তৃতীয় মহিলা দল।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau, 19 October 2009: President to give away 55th National Film Awards
  2. Yash Raj Films: Chak De India (film page with credits and synopsis)
  3. Yash Raj Films: Chak De India lauded at 55th National Awards
  4. Yash Raj Films: List of awards won by Chak De India
  5. Box Office India: Chak De India (movie page)
  6. Box Office India: Top India total grossers of 2007
  7. Suresh Mathew, The Quint, 9 August 2017: Shimit Amin and Jaideep Sahni on 10 years of Chak De! India
  8. Raja Sen, Rediff, 10 August 2007: review of Chak De! India
  9. Film Companion, updated 10 August 2022: The game changer called Chak De! India
  10. Star of Mysore, 2 August 2021: Good sportspersons are born, not made (interview with Mir Ranjan Negi)
  11. Kisholoy Roy, Advertising Express, January 2008: The Chak De! Effect, a post-mortem (abstract)
  12. Debayan Sen, ESPN, 2 April 2018: Six iconic Indian medals at the Commonwealth Games
  13. The Tribune, 2 August 2021: India's Chak De moment turns real, Shah Rukh Khan asks women's hockey team to bring some gold
  14. Outlook India: India v Great Britain women's hockey bronze medal match, Tokyo Olympics (6 August 2021)
  15. Hockey India, 2 October 2026: Indian women's hockey team dethrones China to become Asian Games champion again after a 44-year wait
  16. FIH, 2 October 2026: India clinch Asian Games gold to seal LA28 Olympic qualification
  17. Indicine: Filmfare award winners 2007-2008, the 53rd Filmfare Awards

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#chak de india#shimit amin#shah rukh khan#yash raj films#women's hockey#national film awards#jaideep sahni#indian cinema

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
স্বদেশ, আশুতোষ গোয়ারিকরের ২০০৪ সালের ছবি, যেখানে এক নাসা প্রকল্প ব্যবস্থাপক ভারতের এক গ্রামের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র বানান, জিতেছে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আর শাহরুখ খানের জন্য ফিল্মফেয়ারের সেরা অভিনেতার পুরস্কার
পর্দায় চরণপুর নামের এক গ্রাম, ১৯৫ মিনিটের দৈর্ঘ্য আর মহারাষ্ট্রের একটি সত্যিকারের জলপ্রপাত। স্বদেশ কী দেখায়, কী জিতেছে, আর যে বিদ্যুতায়নের গল্পের পাশে ছবিটি দাঁড়ায়, তার নথিভুক্ত বিবরণ।
উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে, তার মধ্যে আদিত্য ধরের জন্য সেরা পরিচালনা আর ভিকি কৌশলের জন্য সেরা অভিনেতার ভাগাভাগি করা পুরস্কার; ছবিটি দাঁড়িয়ে আছে ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরের সেনাবাহিনীর ঘোষণার ওপর
একটি হিন্দি ছবির চারটি জাতীয় পুরস্কার, আর ২০১৬ সালের সেনাবাহিনীর একটি ছোট বিবৃতি, যার ওপর ছবিটি দাঁড়িয়ে। জুরি কী তালিকাভুক্ত করেছিল, সেদিন ডিজিএমও কী বলেছিলেন, আর কোন দৃশ্য ও চরিত্র নির্মাতাদের নিজেদের।
দাদাসাহেব ফালকে ১৯১৩ সালের ৩ মে বোম্বেতে ভারতের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র রাজা হরিশ্চন্দ্র মুক্তি দেন, আর ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ৩৪টি ভাষায় ৪০০টি ফিচার ছবি জমা পড়েছে
এক আলোকচিত্রী, ছাপাখানার মালিক ও মঞ্চের জাদুকর টাকা ধার করে ক্যামেরার জন্য লন্ডনে যান এবং কথা রাখা এক রাজাকে নিয়ে চার রিলের একটি ছবি বানান। এক শতাব্দীরও বেশি পরে সরকারের নিজের সংখ্যাই দেখায় তা থেকে কী বেড়ে উঠেছে।
← সব লেখা