Skip to content
গুরু দত্তের পিয়াসা টাইমের অল-টাইম ১০০ মুভিজ তালিকায় আছে এবং বিএফআইয়ের ২০২২ সালের সমালোচক জরিপে যৌথভাবে ১৮৫তম, আর তাঁর কাগজ কে ফুল সিনেমাস্কোপে তোলা প্রথম ভারতীয় ছবি
শিল্প ও চলচ্চিত্র

গুরু দত্তের পিয়াসা টাইমের অল-টাইম ১০০ মুভিজ তালিকায় আছে এবং বিএফআইয়ের ২০২২ সালের সমালোচক জরিপে যৌথভাবে ১৮৫তম, আর তাঁর কাগজ কে ফুল সিনেমাস্কোপে তোলা প্রথম ভারতীয় ছবি

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

টাইম ২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গুরু দত্তের পিয়াসা (১৯৫৭) তাদের অল-টাইম ১০০ মুভিজ তালিকায় যোগ করে, আর বিএফআইয়ের সাইট অ্যান্ড সাউন্ডের ২০২২ সালের ১,৬৩৯ জন ভোটারের জরিপে তা যৌথভাবে ১৮৫তম। তাঁর পরের ছবি কাগজ কে ফুল (১৯৫৯)-কে বিএফআই বর্ণনা করে সিনেমাস্কোপে তোলা প্রথম ভারতীয় ছবি বলে। দুটি ছবিই জাতীয় চলচ্চিত্র ঐতিহ্য মিশনের অধীনে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

টাইম ম্যাগাজিন গুরু দত্তের পিয়াসা (১৯৫৭)-কে রেখেছে তাদের অল-টাইম ১০০ মুভিজ তালিকায়, যার তারিখ ২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, আর ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের (বিএফআই) ২০২২ সালের সাইট অ্যান্ড সাউন্ড জরিপে, যেখানে ভোট দিয়েছেন ১,৬৩৯ জন সমালোচক, প্রোগ্রামার, কিউরেটর, আর্কাইভিস্ট ও শিক্ষাবিদ, সব ছবির মধ্যে তা যৌথভাবে ১৮৫তম। তাঁর পরের ছবি কাগজ কে ফুল (১৯৫৯)-কে বিএফআইয়ের ফিল্ম ক্ল্যাসিকস সিরিজ বলেছে “সিনেমাস্কোপে তোলা প্রথম ভারতীয় ছবি”। দুটিই ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র ঐতিহ্য মিশনের অধীনে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

দত্তের জন্ম ১৯২৫ সালের ৯ জুলাই, মৃত্যু ১৯৬৪ সালের ১০ অক্টোবর, ৩৯ বছর বয়সে। মানিলাইফের গণনায় আটটি ছবিতে পরিচালক হিসেবে তাঁর নাম আছে। এই লেখা অনুসরণ করে সেই দুটি ছবিকে, যাদের জন্য তাঁর নাম বিদেশে পৌঁছেছে, তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছবি দুটি বানিয়েছেন তাঁদের, আর ভারত সরকার ও চলচ্চিত্র শিল্প কীভাবে সেগুলিকে আবার পর্দায় ফিরিয়ে এনেছে।

প্রভাত স্টুডিওতে যোগ দেওয়া এক টেলিফোন অপারেটর

ব্রিটানিকা বলে, বসন্ত পাডুকোনের জন্ম ব্যাঙ্গালোরে (এখন বেঙ্গালুরু), পরিবার পরে কলকাতায় চলে যায়। ছেলেবেলার একটি দুর্ঘটনার পরে তাঁর প্রথম নামটি অশুভ গণ্য হয় এবং বদলে হয় গুরু দত্ত। সাইট অ্যান্ড সাউন্ডে লিখতে গিয়ে মার্ক কাজিন্স বলেন তাঁর জন্মস্থান নিয়ে বিতর্ক আছে; ব্রিটানিকা দিয়েছে ব্যাঙ্গালোর।

ব্রিটানিকা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ আসে আলমোড়ায় উদয়শঙ্করের নৃত্য-একাডেমিতে, তারপর তিনি টেলিফোন অপারেটরের কাজ করেন, পরে পুণে ও বোম্বে যান। প্রভাত স্টুডিওতে তিনি প্রথমে অভিনেতা ও তারপর কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন, আর সেখানেই অভিনেতা দেব আনন্দের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। কাজিন্স তাঁর অভিনয় অভিষেকের তারিখ দেন ১৯৪৫ সালে লাখরানি, তখন তাঁর বয়স ২০।

দেব আনন্দ ও তাঁর ভাই চেতন ১৯৪৯ সালে নবকেতন ফিল্মস প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাজি (১৯৫১) পরিচালনার জন্য দত্তকে নেন। বাজি হিট হয়। বিএফআইয়ের অরুণ এ. কে. লিখেছেন, নাটকীয় ছায়া আর ধোঁয়াটে নাইটক্লাব নিয়ে হিন্দি সিনেমায় নোয়ার ঘরানার শুরু এটিতেই, এবং ভবিষ্যতের চিত্রগ্রাহক ভি. কে. মূর্তি এতে ক্যামেরা সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

এরপর দত্ত বানান জাল (১৯৫২), নিজের প্রযোজনা সংস্থা খুলে বাজ (১৯৫৩), আর তারপর হাসির ছবি আর-পার (১৯৫৪) ও মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ৫৫ (১৯৫৫)। ব্রিটানিকা যেভাবে নাম করেছে, তাঁর নিয়মিত দল ছিলেন লেখক আবরার আলভি, সুরকার ও. পি. নায়ার ও এস. ডি. বর্মন, গায়ক মোহাম্মদ রফি এবং গীতা রায়, যাঁকে তিনি ১৯৫৩ সালে বিয়ে করেন এবং যিনি গীতা দত্ত নামে পরিচিত হন। প্রযোজক হিসেবে তিনি রাজ খোসলার প্রথম ছবি সি.আই.ডি. (১৯৫৬)-র পেছনে ছিলেন, যা ব্রিটানিকার মতে ওয়াহিদা রেহমানের কর্মজীবনের সূচনা করে।

পিয়াসা কী নিয়ে

বিএফআইয়ের নথি অনুযায়ী পিয়াসা ১৯৫৭ সালের ছবি, পরিচালনা ও প্রযোজনা গুরু দত্তের, লিখেছেন আবরার আলভি, বিজয়ের ভূমিকায় দত্ত, গুলাবোর ভূমিকায় ওয়াহিদা রেহমান, সঙ্গে মালা সিনহা ও রেহমান। পটভূমি স্বাধীনতার পরের কলকাতা। পিয়াসা মানে তৃষ্ণা।

বিজয় এক অপ্রকাশিত কবি। আপারস্টল বলে, তার ভাইয়েরা তার কবিতা বিক্রি করে দেয় ঠোঙার কাগজ হিসেবে। টাইমের এন্ট্রি বলে, এক পতিতা তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে, আর সে মারা গেছে ধরে নেওয়ার পর তার কবিতা উদযাপিত হয়। আপারস্টলের সারাংশে এক প্রকাশক বিজয়ের নামে কবিতাগুলি থেকে মুনাফা করে, আর বিজয়, জীবিত অবস্থায়, তাদের কাছে অস্বীকৃত হয় যারা এখন তার প্রশংসা করছে।

আপারস্টল সংগীতের কৃতিত্ব দেয় এস. ডি. বর্মনকে, গানের কথার কৃতিত্ব সাহির লুধিয়ানভিকে, আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে রফি, গীতা দত্ত ও হেমন্ত কুমারকে, ক্যামেরার পেছনে মূর্তি। একই পাতা বলে দত্ত ১৯৪৭ সালের কাছাকাছি কশমকশ (সংগ্রাম) নামে গল্পের একটি প্রথম খসড়া লিখেছিলেন।

ভূমিকা-বণ্টন নিয়ে কিছু চলচ্চিত্র-কিংবদন্তি আছে, ব্রিটানিকা যা নথিভুক্ত করেছে। কবির ভূমিকায় দত্তের প্রথম পছন্দ ছিলেন দিলীপ কুমার, আর কুমার নাকি রাজিও হন, কিন্তু শুটিংয়ের প্রথম দিনে হাজির হননি, তাই দত্ত নিজেই ভূমিকাটি নেন। ব্রিটানিকা বলে, আজ ছবিটিকে চলচ্চিত্র-নির্মাণের পাঠশালা গণ্য করা হয়।

যেসব তালিকায় এটি আছে

রিচার্ড কর্লিস ও রিচার্ড শিকেল টাইমের তালিকা সাজিয়েছেন, যা বর্ণানুক্রমে সাজানো, ক্রম অনুযায়ী নয়। এর পিয়াসা এন্ট্রি ছবিটিকে বলেছে “সবার মধ্যে সবচেয়ে প্রাণময় রোমান্টিক” এবং এস. ডি. বর্মনের গানের প্রশংসা করেছে। একটি সঙ্গী লেখায় কর্লিস লিখেছেন, দুটি ভারতীয় সংগীতনাট্য, পিয়াসা ও নায়কন-এর জায়গা করে দিতে তিনি হলিউডের এমন ছবি বাদ দিয়েছেন যা তিনি ভালোবাসতেন। তাঁর যুক্তি, ১৯৪৭-এর পরের দুই দশকে ভারত এমন ছবি বানিয়েছে যার মান হলিউডের সমান। তিনি যোগ করেন, পাঠকেরা পরে পাঠক-জরিপে দুটি ছবিকেই শীর্ষের কাছাকাছি ভোট দিয়েছেন।

বিএফআইয়ের ২০২২ সালের ক্রমানুসারী জরিপে পিয়াসা যৌথভাবে ১৮৫তম। একই তালিকায় সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালী (১৯৫৫), যার কথা আছে tuput-এর রায়, অস্কার ও ভারতরত্ন লেখায়, রয়েছে ৩৫তম স্থানে। তাঁর জন্মের শতবর্ষ উপলক্ষে ২০২৫ সালের ৭ জুলাই প্রকাশিত দত্ত-বিষয়ক বিএফআই নির্দেশিকা পিয়াসা-কে বলেছে “অপরিহার্য দত্ত-ছবি”।

কিছু প্রোফাইল বলে কাগজ কে ফুল-ও টাইমের তালিকায় আছে। টাইমের তালিকায় এর কোনও এন্ট্রি নেই।

কাগজ কে ফুল আর চওড়া পর্দা

কাগজ কে ফুল মানে কাগজের ফুল। বিএফআইয়ের বইয়ের বিবরণ অনুযায়ী দত্ত পরিচালনা করেন এবং সুরেশ সিনহার ভূমিকায় অভিনয় করেন, এক সফল চলচ্চিত্র পরিচালক, যিনি পরিবার হারান এবং শিল্প ছেড়ে চলে যান। ওয়াহিদা রেহমান শান্তির ভূমিকায়, নবাগতা, যাকে তিনি দেবদাস-এর একটি ছবিতে নেন। ব্রিটানিকা বলে কেউ কেউ ছবিটিকে আংশিক আত্মজৈবনিক মনে করেন।

শুটিং হয় সাদা-কালোতে, সিনেমাস্কোপে, একটি চওড়া পর্দার ফরম্যাটে। আপারস্টল ছবির আকার দিয়েছে ২.৩৫ অনুপাত ১, আগের ১.৩৩ অনুপাত ১-এর বিপরীতে, এবং বলে শিল্প নির্দেশক এম. আর. আচরেকরের দলকে পুরো একটি সূচির শুটিং আবার করতে হয়, কারণ তাদের সেটে চওড়া ফ্রেমের হিসাব ছিল না। ললিতা গোপালনের বিএফআই ফিল্ম ক্ল্যাসিকস বইটি, ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত, ছবিটিকে সিনেমাস্কোপে তোলা প্রথম ভারতীয় ছবি বলে বর্ণনা করেছে এবং এর চেহারায় মূর্তিকে একটি অপরিহার্য ভূমিকার কৃতিত্ব দিয়েছে। আপারস্টল অনুযায়ী দত্ত ১৯৫৭ সালে এই ফরম্যাটে গৌরী নামে একটি বাংলা ছবি শুরু করেও তা তাকে তুলে রাখেন। একই পাতা বলে, ছবির বিখ্যাত স্টুডিও-আলোর রেখাটি মূর্তি বানিয়েছিলেন স্টুডিওর ছাদ খুলে, আয়না দিয়ে রোদ ভেতরে ফেলে এবং ধোঁয়া ও ধুলো যোগ করে।

আপারস্টল ও ইমাজিন ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল অনুযায়ী এর জন্য মূর্তি সেরা চিত্রগ্রাহকের ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান; ইমাজিন ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল সাহেব বিবি আউর গোলাম (১৯৬২)-এর জন্য তাঁর দ্বিতীয় ফিল্মফেয়ার জয়ও তালিকাভুক্ত করেছে। সেই প্রোফাইল তাঁর তারিখ দেয় ১৯২৩ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল, এবং বলে তিনি ২০০৮ সালের জন্য দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে।

বক্স অফিস, আর তারপর থেকে খ্যাতি

দর্শক ছবিটি নেয়নি। ব্রিটানিকা, কাজিন্স ও বিএফআইয়ের বইয়ের বিবরণ সবই বলে মুক্তির সময় এটি ব্যর্থ হয়, আর আপারস্টল বলে এটি “শোচনীয়ভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে”। এদের কোনওটিতেই আয়ের কোনও অঙ্ক নেই। ব্রিটানিকা বলে দত্ত হতাশ হয়ে পড়েন এবং আর পরিচালনা করেননি। আপারস্টল ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া তাঁর নিজের পরবর্তী রায় উদ্ধৃত করে: “জায়গায় জায়গায় ভালো ছিল।”

সাহেব বিবি আউর গোলাম (১৯৬২)-এ তাঁর ধরন আছে, কিন্তু আপারস্টল বলে এর পরিচালক হিসেবে কৃতিত্ব আবরার আলভির, আর ব্রিটানিকা সেখানে দত্তকে অভিনেতা ও প্রযোজক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। ব্রিটানিকা আরও বলে, ১৯৬৪ সালের ১০ অক্টোবর বোম্বেতে নিজের বাড়িতে তাঁকে মৃত পাওয়া যায়, বাহারেঁ ফির ভি আয়েঙ্গি অসমাপ্ত রেখে। ১৯৬৬ সালে ছবিটি শেষ হলে প্রধান ভূমিকায় ধর্মেন্দ্র আসেন।

তারপর থেকে এর খ্যাতি উল্টে গেছে। বিএফআইয়ের বইয়ের বিবরণ বলে, কারিগরি কৃতিত্বের জন্য এবং ছবি বানানো নিয়ে একটি ছবি হিসেবে এটি এখন প্রশংসিত। আইওয়ার ইন্ডিয়ান সিনেমা সাইট একে বলেছে দত্তের বিষাদময় শ্রেষ্ঠ কাজ এবং চলচ্চিত্র-নির্মাণ নিয়ে মহৎ ছবিগুলির মধ্যে ফেলিনির ৮½-এর সঙ্গে তুলনা করেছে। আপারস্টল বলে, পুনর্মুক্তির সময় এটি যখনই হয়, টিকিট শেষ হয়ে যায়। ইন্ডিয়ান ফিলাটেলিকসের তালিকা অনুযায়ী ইন্ডিয়া পোস্ট ২০০৪ সালের ১০ অক্টোবর গুরু দত্তের স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

জাতীয় চলচ্চিত্র আর্কাইভের পুনরুদ্ধার

২০২৩ সালের ১৪ জুলাই প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ঘোষণা করে যে জাতীয় চলচ্চিত্র উন্নয়ন নিগম (এনএফডিসি) মুম্বইয়ের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ ইন্ডিয়ান সিনেমায় শনিবারের একটি নতুন সিরিজ শুরু করবে, “এনএমআইসি ক্রনিকলস অফ টাইমলেস ট্রেজারস”, শুরু হবে পিয়াসা দিয়ে। তা শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৫ জুলাই, জাদুঘরের দর্শকদের জন্য বিনা প্রবেশমূল্যে।

২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক দিল্লিতে ১৮ থেকে ২১ অক্টোবর ওয়াহিদা রেহমানের একটি রেট্রোস্পেক্টিভ ঘোষণা করে, তাঁর ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার উপলক্ষে, যা মন্ত্রক ২০২৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করেছিল। পিয়াসা দেখানো হয় ২০ অক্টোবর, কাগজ কে ফুল ২১ অক্টোবর। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দুটিই জাতীয় চলচ্চিত্র ঐতিহ্য মিশনের অধীনে এনএফডিসি ও ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অফ ইন্ডিয়া ২কে রেজোলিউশনে পুনরুদ্ধার করেছে। এতে আরও আছে যে গাইড ও বিশ সাল বাদ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে ৪কে-তে।

শতবর্ষের বছরে মানিলাইফ ২০২৫ সালের ১০ জুলাই জানায়, ছবিগুলির স্বত্ব যাদের হাতে সেই আলট্রা মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট ২০২৫ সালের ৮ থেকে ১০ আগস্ট একটি রেট্রোস্পেক্টিভ মুক্তি দেবে। তাতে তালিকাভুক্ত ছিল এনএফডিসি ও এনএফএআইয়ের ৪কে পুনরুদ্ধারে পিয়াসা, আর-পার, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ৫৫, চৌদভিন কা চাঁদ ও বাজ। এনএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকাশ মাগদুম সেখানে উদ্ধৃত হয়েছেন এই বলে যে দত্তের ছবি পুনরুদ্ধার করা “পুরনো রিল ফিরিয়ে আনার চেয়ে অনেক বেশি কিছু”।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Encyclopaedia Britannica: Guru Dutt
  2. TIME, 12 February 2005: All-TIME 100 Movies (archived edition of the list, Richard Corliss and Richard Schickel)
  3. Richard Corliss, TIME, 2005: That Old Feeling, Secrets of the All-Time 100
  4. BFI Sight and Sound: The Greatest Films of All Time (2022 poll)
  5. BFI: Pyaasa (1957), film record with credits and 2022 poll position
  6. Arun A.K., BFI, 7 July 2025: Where to begin with Guru Dutt
  7. Mark Cousins, Sight and Sound, 2 June 2017: Guru Dutt, such sweet sorrow
  8. BFI Film Classics: Lalitha Gopalan, Kaagaz Ke Phool (Paper Flowers), November 2025
  9. Upperstall.com: Kaagaz Ke Phool (1959)
  10. Upperstall.com: Pyaasa (1957)
  11. University of Iowa, Indian Cinema: Kaagaz Ke Phool (Paper Flowers, Hindi, 1959)
  12. Imagine India Festival: V.K. Murthy, a great man behind the camera
  13. Press Information Bureau, 14 July 2023: NMIC Chronicles of Timeless Treasures starts with Guru Dutt's Pyaasa
  14. Press Information Bureau, 26 September 2023: Ms. Waheeda Rehman to be honoured with 53rd Dadasaheb Phalke Lifetime Achievement Award
  15. Press Information Bureau, 17 October 2023: Ministry of Information and Broadcasting to organize Waheeda Rehman retrospective
  16. Moneylife, 10 July 2025: Guru Dutt lives on, 4K restored classics return to cinemas for his 100th year
  17. Indian Philatelics: Guru Dutt commemorative stamp, 10 October 2004

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#guru dutt#pyaasa#kaagaz ke phool#cinemascope#v k murthy#waheeda rehman#national film heritage mission#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
নানা পাটেকর তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন, প্রহার পরিচালনা করেন এবং মহারাষ্ট্রের খরাপীড়িত কৃষকদের জন্য নাম ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হন
১৩ বছর বয়সে পোস্টার-শিল্পী, ১৯৭০-এর দশকে মঞ্চাভিনেতা, পদাতিক রেজিমেন্টের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেওয়া পরিচালক, আর কৃষকদের ত্রাণ ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। মৃত্যুর কয়েক দিন পরে নথিতে যা আছে।
এ. আর. রহমান রোজা-র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান, তারপর স্লামডগ মিলিয়নেয়ার-এর জন্য একটি গোল্ডেন গ্লোব, একটি বাফটা, দুটি অস্কার আর দুটি গ্র্যামি
১৯৯২ সালের পুরস্কারের ডিরেক্টরেট অব ফিল্ম ফেস্টিভালসের ক্যাটালগে রোজা-র সংগীত নিয়ে জুরির প্রশস্তিপত্র ছাপা আছে। বাকিটা আছে অ্যাকাডেমি, রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি আর গেজেট অব ইন্ডিয়ায়, ১২৭ আওয়ার্স-এর জন্য রহমানের ২০১১ সালের অস্কার মনোনয়ন পর্যন্ত।
অমিতাভ বচ্চন প্রথম পর্দায় আসেন ১৯৬৯ সালে, তারপর চারবার সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার, পদ্মবিভূষণ আর ৫০তম দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার জিতেছেন
১৯৬৯ সালে গোয়ার মুক্তি নিয়ে একটি ছবি, ১৯৭৩ সালে চার তারকা যে ভূমিকা নেননি, আর ১৯৮৩ সালে একটি লড়াইয়ের দৃশ্যের ওপর থমকে থাকা তিন ভাষার ক্যাপশন। সরকারের নিজস্ব পুরস্কার-নথি থেকে সাজানো বচ্চনের কর্মজীবন।
← সব লেখা