Skip to content
লাদাখকে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ভারতের প্রথম ১০০ শতাংশ জৈব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে, লেহ ও কার্গিল জুড়ে রাসায়নিক সারের ওপর জুলাইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর
আধুনিক ভারত

লাদাখকে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ভারতের প্রথম ১০০ শতাংশ জৈব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে, লেহ ও কার্গিল জুড়ে রাসায়নিক সারের ওপর জুলাইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর

ছবি: Chris Hunkeler from Carlsbad, California, USA / Wikimedia Commons, CC BY-SA 2.0 (ছাঁটা)

বাংলা

২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর অঞ্চলটিকে ভারতের প্রথম ১০০ শতাংশ জৈব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছেন। জুলাইয়ের একটি আদেশে লেহ ও কার্গিল জুড়ে চাষে রাসায়নিক ও কৃত্রিম সার নিষিদ্ধ হয়েছে, আর প্রশাসন জুলাইয়ে জানিয়েছিল ২০৭টি রাজস্ব গ্রাম জৈব প্রত্যয়নের আওতায় ছিল।

· · 5 মিনিটের পাঠ

আইবিটাইমস ইন্ডিয়ার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর, রবিবার, লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে অঞ্চলটিকে ভারতের প্রথম ১০০ শতাংশ জৈব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণার ভিত্তি ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই লেহ থেকে জারি করা একটি আদেশ, যাতে লেহ ও কার্গিল দুই জেলা মিলিয়ে লাদাখের যে কোনো জায়গায় চাষের জন্য রাসায়নিক ও কৃত্রিম সার কেনা, বেচা, বিলি, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা ছিল, আদেশ জারির সময়ই ২০৭টি রাজস্ব গ্রাম জৈব প্রত্যয়নের আওতায় ছিল।

জুলাইয়ের আদেশে কী বলা আছে

লাদাখ প্রশাসন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে আদেশটি জারি করেছে, তাৎক্ষণিক কার্যকর করে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে কৃষিকাজের জন্য রাসায়নিক বা কৃত্রিম সার সংগ্রহ, বিলি, বিক্রি, বিপণন ও ব্যবহার এর আওতায় পড়ে। লঙ্ঘনে ন্যূনতম জরিমানা ১০,০০০ টাকা, আর প্রশাসনের বিবৃতি বলছে কৃষক ও কৃষি প্রতিষ্ঠানগুলি শুধু খামারের ভেতরের বা বাইরের জৈব উপকরণ ব্যবহার করবে।

কৃষি বিভাগ এ কাজের নোডাল বিভাগ। উদ্যানপালন, সমবায় এবং গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ বিভাগগুলি সচেতনতা কর্মসূচি, সক্ষমতা বৃদ্ধি আর জৈব উপকরণের সহজলভ্যতা বাড়িয়ে সাহায্য করবে, আর প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নিয়ম মানা নিশ্চিত করতে। প্রশাসন তার লক্ষ্য হিসেবে জানিয়েছে জৈব প্রত্যয়ন রক্ষা করা, মাটি ও জল রক্ষা করা এবং লাদাখকে একটি আদর্শ জৈব অঞ্চল করে তোলা। সাম্প্রতিক নীতি আয়োগের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে জৈব চাষ এগিয়ে নিতে যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, পদক্ষেপটিকে তার সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে। ১৮ জুলাই আদেশটির খবর দিতে গিয়ে কাশ্মীর লাইফ একই বিবরণ দিয়েছে।

২৫ অক্টোবর কী ঘোষণা করা হয়েছে

ডেকান ক্রনিকল, দ্য পায়োনিয়ার ও আইবিটাইমস ইন্ডিয়া সবাই ঘোষণাটিকে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বলে জানিয়েছে, যার কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে লাদাখের কৃষকদের এবং রাসায়নিকমুক্ত চাষে প্রশাসনের কাজকে। ডেকান ক্রনিকল খুবানি, সি বাকথর্ন (হিমালয়ের শক্তপোক্ত এক ধরনের বেরির ঝোপ), কালো গম, যব ও সবজিকে উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে নাম করেছে। ইন্ডিয়ান মাস্টারমাইন্ডস জানিয়েছে, লেফটেন্যান্ট গভর্নর অন্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকেও নিজেদের পরিস্থিতির উপযোগী টেকসই চাষ গ্রহণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন।

ঘোষণাটি এসেছে গোটা অঞ্চল জুড়ে নিষেধাজ্ঞার পর। জিকেটুডে মনে করিয়ে দিয়েছে, প্রত্যয়ন নিষেধাজ্ঞা থেকে আলাদা একটি প্রক্রিয়া। স্বরাজ্য জানিয়েছে লাদাখের ৬৬৬টি গ্রামের মধ্যে ২০৭টির আনুষ্ঠানিক জৈব প্রত্যয়ন আছে, আর ইন্ডিয়ান মাস্টারমাইন্ডস লিখেছে প্রশাসনের পরের কাজ হলো প্রত্যয়ন, কৃষকদের চলমান সহায়তা ও জোরদার বাণিজ্যিক সুযোগ দিয়ে ঘোষিত মর্যাদাকে সমর্থন করা।

২০২০ সালে পরিকল্পনা যেভাবে শুরু হয়েছিল

রিচ লাদাখের বিবরণ অনুযায়ী মিশন অর্গানিক ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে লেহ পার্বত্য পরিষদের সঙ্গে। তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর ২০২০ সালের ৪ জুলাই এটি চালু করেন একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে, ৫০০ কোটি টাকার বাজেটে, লেহ ও কার্গিল জুড়ে জৈব চাষকে মূলধারার উৎপাদনে আনার লক্ষ্যে। দ্য ট্রিবিউন ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, লেহ পরিষদের কৃষি বিষয়ক নির্বাহী কাউন্সিলর বলেছেন ২০২৫ সালের মধ্যে গোটা লাদাখ জৈব চাষে চলে যাবে।

২০২১ সালের ১৩ জুলাই লাদাখ প্রশাসন, লাদাখ স্বশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদ এবং সিকিম স্টেট অর্গানিক সার্টিফিকেশন এজেন্সি লেহে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই করে, প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা লেখা আছে। চুক্তিতে তিন ধাপে ২০২৫ সালের মধ্যে একটি প্রত্যয়িত জৈব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লক্ষ্য ঠিক করা হয়। প্রথম দুই ধাপে ছিল ৫,০০০ ও ১০,০০০ হেক্টর।

মার্চের জৈব সারের চালান

২০২৬ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর অঞ্চলের গ্রামে গ্রামে কৃষকদের জন্য জৈব সারের চালানের যাত্রায় পতাকা নাড়ান। সমবায়ের অতিরিক্ত নিবন্ধক জানান, ঘাটতি এড়াতে প্রশাসন পর্যাপ্ত পরিমাণ সংগ্রহ করে বপনের আগেই মজুত করে রেখেছিল। বিজ্ঞপ্তিতে কোনো টনের হিসাব নেই, কোনো গ্রামের নামও নেই। লেফটেন্যান্ট গভর্নর বলেন, সিকিমের মতো করে লাদাখ সম্পূর্ণ জৈব অঞ্চল হতে পারে, আর রাসায়নিক সার থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার আহ্বান জানান।

জৈব প্রত্যয়ন একটি খামারের কাছে কী চায়

ভারতের জাতীয় মান হলো ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর অর্গানিক প্রোডাকশন, যা চালায় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক, আর কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এপিইডিএ) তার সচিবালয়। ২০২৪ সালের অষ্টম সংস্করণ বলছে, বছরভিত্তিক ফসল জৈব প্রত্যয়ন পেতে পারে বপনের আগে অন্তত দুই বছর জৈব ব্যবস্থাপনার পর, আর ফলগাছের মতো বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ প্রথম প্রত্যয়িত ফসলের আগে তিন বছর পর। জমির আগের ব্যবহার অনুযায়ী প্রত্যয়নকারী সংস্থা এই সময় বাড়াতে বা কমাতে পারে। যে জমি টানা তিন বছর পার্টিসিপেটরি গ্যারান্টি সিস্টেমের প্রত্যয়ন ধরে রেখেছে, কৃষি মন্ত্রক বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে, তার জন্য মানটি আরও কম সময়ের রূপান্তরেরও সুযোগ দেয়।

সিকিম গিয়েছিল আগে, ২০১৬ সালে

মিলেনিয়াম পোস্ট ২০১৬ সালের ১৫ জানুয়ারি জানিয়েছিল, সিকিমের বিধানসভা ২০০৩ সালে প্রস্তাব নিয়েছিল রাজ্য জৈব হবে। তখন থেকে কৃষিজমিতে রাসায়নিক উপকরণ সীমিত হয় এবং তার বিক্রি নিষিদ্ধ হয়। জাতীয় কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৭৫,০০০ হেক্টর রূপান্তরিত হয়, আর রাজ্য ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের শেষে সম্পূর্ণ জৈব মর্যাদায় পৌঁছায়। ফুডনেভিগেটর ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, বিধানসভার সিদ্ধান্তের ১৩ বছর পর প্রধানমন্ত্রী সিকিমকে ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ জৈব রাজ্য বলে নাম করেন। আমাদের সিকিমের পরিচিতিতে রাজ্যটির জৈব রেকর্ড এবং সেখানকার কৃষকেরা কী জানিয়েছিলেন তা আছে। লাদাখের ঘোষণা এসেছে সার নিষেধাজ্ঞার প্রায় তিন মাস পর।

এরপর কী

দ্য পায়োনিয়ার জানিয়েছে, ঘোষিত পরের ধাপগুলি হলো জৈব প্রত্যয়ন, ফসল তোলার পর ভালো সামলানো, মূল্য সংযোজন, ব্র্যান্ডিং এবং বাজারের সঙ্গে জোরদার সংযোগ। আইবিটাইমস ইন্ডিয়া লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, কৃষকেরা যাতে লাভবান হন তা নিশ্চিত করা অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বরের ১০১রিপোর্টার্সের একটি প্রতিবেদনে ঘোষণার আগে লাদাখের কৃষক ও বিজ্ঞানীরা কী বলেছিলেন তা লেখা আছে। স্পিতুকের এক কৃষক বলেছিলেন, জৈব ফসল কেনার কোনো নিশ্চয়তা সরকার দেয়নি। প্রতিবেদনে হরিয়ানা থেকে সার আনার কথা আছে, আর পোরোর এক কৃষক বলেছিলেন তা যথেষ্ট নয়। প্রতিরক্ষা উচ্চতা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিআইএইচএআর-এর জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ডক্টর সেরিং স্তোবদান আমদানি করা সারকে স্থানীয় ব্যবস্থা নতুন করে গড়ে ওঠা পর্যন্ত একটি দরকারি আপস বলেছিলেন। একই লেখায় উল্লেখ ছিল হিমবাহ পিছিয়ে যাওয়ায় জল ক্রমশ দুষ্প্রাপ্য হচ্ছে, যে প্রবণতার কথা আছে হিমালয়ের হিমবাহ মাপার ওপর আমাদের লেখায়।

বৃহত্তর অঞ্চল সম্পর্কে, লাদাখের সরকার ও অর্থনীতির ওপর আমাদের পরিচিতি অঞ্চলটি যে দুই পার্বত্য পরিষদ ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের প্রশাসন চালায় তার রূপরেখা দিয়েছে। ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত, দেখা প্রতিবেদনগুলিতে কভার হওয়া হেক্টর বা কৃষকের কোনো সংখ্যা মেলেনি, আর ওই প্রতিবেদনগুলিতে প্রশাসনের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রত্যয়ন গণনা ২০৭টি গ্রাম।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Ladakh Administration, L-G orders strict prohibition on use and sale of chemical fertilisers in Ladakh (dateline Leh, 18 July 2026)
  2. Ladakh Administration, Lt Governor flags off organic fertiliser distribution consignment (event of 5 March 2026)
  3. Ladakh Administration, tripartite MoU with the Sikkim State Organic Certification Agency (13 July 2021)
  4. Ministry of Commerce and Industry, National Programme for Organic Production (NPOP), Eighth Edition 2024
  5. Deccan Chronicle, Ladakh becomes India's first 100 per cent organic UT (25 October 2026)
  6. IBTimes India, Ladakh becomes India's first 100% organic Union Territory (25 October 2026)
  7. The Pioneer, Ladakh's green dream takes root in the heart of the Himalayas (25 October 2026)
  8. Swarajya, Ladakh becomes India's first fully organic UT following complete ban on chemical fertilisers
  9. GKToday, Ladakh becomes India's first fully organic Union Territory
  10. Indian Masterminds, Ladakh India first fully organic Union Territory (26 October 2026)
  11. Kashmir Life, Ladakh bans chemical fertilisers to become India's largest organic farming region (18 July 2026)
  12. Reach Ladakh, L-G Mathur launches Mission Organic Development Initiative, Ladakh Greenhouse Project (July 2020)
  13. The Tribune, Ladakh to fully turn to organic farming soon (15 February 2020)
  14. 101Reporters, Why Ladakh's organic mission needs a reality check (8 September 2025)
  15. Millennium Post, Sikkim becomes India's first organic state (15 January 2016)
  16. FoodNavigator, Modi names Sikkim as India's first fully organic state (2 February 2016)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#ladakh#organic farming#union territory#chemical fertilisers#leh#kargil#mission organic development initiative#sustainable agriculture

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
লাদাখ ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়েছে বিধানসভার বদলে দুটি পার্বত্য পরিষদ নিয়ে, ২,৯০০ থেকে ৫,৯০০ মিটার উচ্চতায় বিস্তৃত, আর ৪,৫০০ মিটারে এক দূরবীনের আবাস
যেসব নথি দেখা হয়েছে তাতে লাদাখের কোনো সরকারি জিএসডিপি অঙ্ক মেলেনি, তাই এই প্রোফাইলে প্রকাশিত অঙ্কই ব্যবহার করা হয়েছে: কেন্দ্রীয় বাজেটের একটি বরাদ্দ, পর্যটকের সংখ্যা, ১৩ গিগাওয়াটের নবায়নযোগ্য শক্তির পরিকল্পনা আর ২০২৬ সালের অক্টোবরেও চলতে থাকা আলোচনার বিবরণ।
চাদর হলো লাদাখের জমে যাওয়া জাঁস্কার নদী, যে পথে জাঁস্কারি পরিবারগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম শীতে হেঁটেছে, আর ২০২৩ সালে লেহ প্রশাসনের লিখিত নিয়মের অধীনে ১,৩২৫ জন ট্রেকার সেই পথে হেঁটেছেন
জাঁস্কারের গ্রামগুলোর শীতকালীন পায়ে-চলা পথ এখন নিয়ন্ত্রিত ট্রেক, যার আছে চার দিনের পৌঁছানোর নিয়ম, দলের সংখ্যার সীমা আর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এখানে পথ, নিয়মাবলি, সড়ক আর ২০২৬ সালের মরসুমের কথা।
লেহ ৩,৫০০ মিটার উচ্চতায়, ২০২১ সালের আগস্ট থেকে ভারতীয় পর্যটকদের নুব্রা, প্যাংগং বা ত্সো মোরিরির জন্য ইনার লাইন পারমিট লাগে না, আর সরকারি গ্রিন ফি জনপ্রতি ৪০০ টাকা
কার পারমিট লাগে, ৪০০ টাকার ফিটি কী, লেহে কত সময় বিশ্রাম নিতে হয়, দুটি হাইওয়ে কখন চলে, আর আজকের সড়কের অবস্থা কোনো সরকারি পাতা কেন বলতে পারে না। প্রতিটি নিয়মের তারিখ দেওয়া আছে।
← সব লেখা