ছবি: Tisha Mukherjee / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)
বাংলা
ডব্লিউডব্লিউএফ ও জুলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডন ৮ অক্টোবর লিভিং প্ল্যানেট রিপোর্ট ২০২৬ প্রকাশ করেছে। তার বাঘ-অধ্যায়ে বিশ্বে বন্য বাঘ প্রায় ৩,২০০ থেকে বেড়ে প্রায় ৫,৭০০ হয়েছে, আর ভারতের নিজস্ব জরিপে দেশের বাঘ ৩,৬৮২, এশিয়াটিক সিংহ ৮৯১ এবং তুষার চিতা ৭১৮।
ডব্লিউডব্লিউএফ ও জুলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডনের ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর প্রকাশিত লিভিং প্ল্যানেট রিপোর্ট ২০২৬ আশার প্রধান প্রমাণগুলোর মধ্যে রেখেছে বন্য বাঘের পুনরুদ্ধারকে, আর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বলছে সেই বাঘের প্রায় ৭০ শতাংশ ভারতে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক এবং গুজরাট সরকারের প্রকাশ করা ভারতের নিজস্ব গণনায় দেশের বন্য বাঘ ৩,৬৮২, এশিয়াটিক সিংহ ৮৯১, চিতাবাঘ ১৩,৮৭৪, তুষার চিতা ৭১৮ এবং নদীর শুশুক ৬,৩২৭।
রিপোর্টের শিরোনামের সংখ্যাটি ১৯৭০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে নজরদারির অধীন বন্যপ্রাণী জনসংখ্যার গড়ে ৭৩.২ শতাংশ হ্রাস। নিচের ভারতীয় প্রজাতিগুলো ওই ছবির সেই অংশ যেখানে সরকারি গণনা বেড়েছে।
৭৩ শতাংশ কী মাপে
লিভিং প্ল্যানেট ইনডেক্স ৫,৭৯০টি মেরুদণ্ডী প্রজাতির (উভচর, পাখি, মাছ, স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ) ৩৫,৮০৩টি জনসংখ্যা অনুসরণ করে। রিপোর্ট ৫২ বছরে গড় হ্রাস ধরেছে ৭৩.২ শতাংশ, বছরে প্রায় ২.৫ শতাংশ, এবং স্পষ্ট করেছে এর মানে কী নয়: এটি আপেক্ষিক প্রাচুর্যের পরিবর্তন, প্রাণীর গণনা নয়, আর এর মানে এই নয় যে ৭৩ শতাংশ প্রজাতি কমছে। নজরদারির অধীন জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক স্থিতিশীল বা বাড়ছে, আর রিপোর্ট বলছে অন্যত্র বড় ক্ষতি বিশ্বব্যাপী গড়ে সেই লাভগুলোকে ছাপিয়ে যায়।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সূচক ৪৯ শতাংশ কমেছে, ৭৮৭টি প্রজাতির ৪,৬৬৪টি জনসংখ্যার ভিত্তিতে, রিপোর্ট ও তার প্রযুক্তিগত পরিশিষ্ট অনুযায়ী। ২০২৪ সালের সংস্করণও ৭৩ শতাংশ (৭২.৯ শতাংশ) জানিয়েছিল; রিপোর্ট বলছে প্রতিটি সংস্করণে নতুন তথ্য যোগ হয়, তাই দুটি সংখ্যার অর্থ এই নয় যে মাঝের সময়ে গড় জনসংখ্যার আকার অপরিবর্তিত ছিল।
বাঘ-অধ্যায়
রিপোর্ট পুনরুদ্ধারের প্রথম কেস স্টাডি হিসেবে বাঘকে নিয়েছে। সে বলছে ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্য বাঘের সংখ্যা ৭০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, প্রায় ৩,২০০ থেকে প্রায় ৫,৭০০, যাকে সে প্রজাতিটির দীর্ঘমেয়াদি হ্রাসের প্রথম নথিভুক্ত উল্টে যাওয়া বলেছে। কৃতিত্ব দিয়েছে জাতীয় পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা, গ্লোবাল টাইগার ইনিশিয়েটিভ, পেশাদার রেঞ্জার দল, সংরক্ষিত এলাকার প্রসার, সীমান্তপারের পাচারবিরোধী কাজ এবং চাহিদা কমানোর প্রচারকে, আর বলেছে কোনোটিই একা যথেষ্ট হতো না।
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ২০২৬ সালের ২৮ জুলাইয়ের ব্যাকগ্রাউন্ডার বিশ্বে ৫,৭১১টি বন্য বাঘের কথা বলেছে, ২০১০ সালের চেয়ে প্রায় ৭৮ শতাংশ বেশি, এবং বলেছে ভারতে তার প্রায় ৭০ শতাংশ। ব্যুরোর ২০২৩ সালের ২৯ জুলাইয়ের আগের একটি বিজ্ঞপ্তিতে প্রায় ৭৫ শতাংশ বলা হয়েছিল। দুটি অংশ আলাদা বৈশ্বিক ভিত্তি থেকে এসেছে, আর ব্যুরো সেগুলো মেলায়নি।
ভারতের ৩,৬৮২টি বাঘ
ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি ও ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া রাজ্য বন বিভাগগুলোকে নিয়ে যে ২০২২ সালের অল ইন্ডিয়া টাইগার এস্টিমেশন চালিয়েছে, তাতে গড়ে বাঘের সংখ্যা ৩,৬৮২, পরিসর ৩,১৬৭ থেকে ৩,৯২৫। ২০১৮ সালের অনুমান ছিল ২,৯৬৭। ব্যুরোর ২০২৩ সালের বিজ্ঞপ্তি বৃদ্ধির হার দিয়েছে বছরে ৬.১ শতাংশ, আর জানিয়েছে ছবি তোলা আলাদা বাঘ ২০১৮ সালের ২,৪৬১ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৩,০৮০ হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে বাঘ সবচেয়ে বেশি, ৭৮৫, তারপর কর্ণাটক (৫৬৩), উত্তরাখণ্ড (৫৬০) ও মহারাষ্ট্র (৪৪৪)। করবেট টাইগার রিজার্ভে যেকোনো রিজার্ভের চেয়ে বেশি, ২৬০।
ব্যুরোর ২০২৬ সালের ব্যাকগ্রাউন্ডার অনুযায়ী প্রজেক্ট টাইগার এখন ১৮টি রাজ্যের ৫৮টি রিজার্ভ ঘিরে আছে, প্রায় ৮৪,৫০০ বর্গকিলোমিটারে, অর্থাৎ ভারতের ভূমির ২.৫৬ শতাংশ। একই মাঠ-অভিযানে ৬,৪১,৪৪৯ কিলোমিটার বন হাঁটা হয়েছে এবং ৩২,৮০৩টি জায়গায় ক্যামেরা ট্র্যাপ বসানো হয়েছে। ভারত তার বাঘ ও সিংহ কীভাবে গোনে পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে, আর বাঘের সংখ্যা কী লুকিয়ে রাখে ৩,৬৮২-এর পাশে থাকা ৩,১৬৭ ও ৩,০৮০ সংখ্যাগুলো আলোচনা করে।
গুজরাটের সিংহ
গুজরাটের ১৬তম সিংহ গণনা, ২০২৫ সালের ১০ থেকে ১৩ মে ১১টি জেলায় প্রায় ৩৫,০০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে, ২০২০ সালের ৬৭৪-এর তুলনায় ৮৯১টি এশিয়াটিক সিংহ গুনেছে, ২১৭ বা ৩২.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ২০২৫ সালের ২১ মে গান্ধীনগরে সংখ্যাগুলো ঘোষণা করেছেন। ডাউন টু আর্থ জানিয়েছে ১৯৬টি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, ৩৩০টি প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী, ১৪০টি কিশোর ও ২২৫টি শাবক, আর দ্য ট্রিবিউন জানিয়েছে প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী ২৬০ থেকে ২৭ শতাংশ বেড়ে ৩৩০ হয়েছে।
কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ২০২৫ সালের বিশ্ব সিংহ দিবসে বলেছেন ১৯৯০ সালে সংখ্যা ছিল ২৮৪, আর ব্যুরোর ২০২৬ সালের ১০ আগস্টের একটি বিজ্ঞপ্তি ২০১৫ সালের জন্য দিয়েছে ৫২৩। একই বিজ্ঞপ্তি বলছে সিংহের বিচরণ এলাকা ২০২০ সালের প্রায় ৩০,০০০ বর্গকিলোমিটার থেকে বেড়ে প্রায় ৩৫,০০০ হয়েছে। দেবভূমি দ্বারকা জেলার বারদা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারিতে ১৭টি সিংহ নথিভুক্ত হয়েছে, দ্য ট্রিবিউন বলছে, ১৮৭৯ সালের পর সেখানে প্রথম নথিভুক্ত উপস্থিতি। গিরের গল্প বলা আছে গিরের এশিয়াটিক সিংহ লেখায়।
চিতাবাঘ, তুষার চিতা আর নদীর শুশুক
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চিতাবাঘ অনুমানের পঞ্চম চক্র ভারতের চিতাবাঘ ধরেছে ১৩,৮৭৪ (পরিসর ১২,৬১৬ থেকে ১৫,১৩২), ২০১৮ সালের ১২,৮৫২-এর তুলনায়। এতে চিতাবাঘের আবাসের প্রায় ৭০ শতাংশের নমুনা নেওয়া হয়েছিল। দুই বছরেই নমুনা নেওয়া এলাকায় জনসংখ্যা বছরে ১.০৮ শতাংশ বেড়েছে, আর মধ্য ভারত ও পূর্ব ঘাট সবচেয়ে দ্রুত, বছরে ১.৫ শতাংশ।
ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালে চালানো ভারতে তুষার চিতার জনসংখ্যা মূল্যায়ন দেশের প্রথম বৈজ্ঞানিক অনুমান দিয়েছে: ৭১৮টি তুষার চিতা, তার ৪৭৭ লাদাখে, ১২৪ উত্তরাখণ্ডে ও ৫১ হিমাচল প্রদেশে। এটি সম্ভাব্য বিচরণ এলাকার ৭০ শতাংশের বেশি ঢেকেছে, ১,৯৭১টি জায়গায় ক্যামেরা বসিয়েছে এবং ২৪১টি আলাদা প্রাণীর ছবি তুলেছে। ৭১৮ ক্যামেরা-ট্র্যাপ তথ্য থেকে বানানো একটি অনুমান, মাথাগণনা নয়। আমাদের তুষার চিতা মূল্যায়নের লেখা রাজ্য ও পদ্ধতি বিশদে বলেছে।
প্রধানমন্ত্রী ২০২৫ সালের ৩ মার্চ গিরে জাতীয় বন্যপ্রাণী পর্ষদের বৈঠকে প্রথম নদীবাসী শুশুকের অনুমান প্রকাশ করেছেন। আটটি রাজ্যের ২৮টি নদীতে ৮,৫০০ কিলোমিটারের বেশি জরিপ থেকে অনুমান করা হয়েছে ৬,৩২৭টি শুশুক, সবচেয়ে বেশি নথিভুক্ত উত্তরপ্রদেশে, তারপর বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম। লিভিং প্ল্যানেট রিপোর্ট নিয়ে ডাউন টু আর্থের প্রতিবেদন সংখ্যাটি দিয়েছে ৬,৩২৪ আর জরিপের বছর ২০২১ থেকে ২০২৩; এখানে ব্যুরোর ৬,৩২৭ ব্যবহার করা হয়েছে। আরও আছে গাঙ্গেয় শুশুক প্রকল্পে।
রিপোর্ট আর ভারতীয় সংখ্যা যেখানে মেলে
ডাউন টু আর্থ ৮ অক্টোবর লিখেছে, রিপোর্টটি ভারতের বাঘ, গন্ডার, এশিয়াটিক সিংহ, চিতাবাঘ, তুষার চিতা ও নদীর শুশুককে তুলে ধরেছে। আমরা ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পুরো ইংরেজি রিপোর্ট ও তার প্রযুক্তিগত পরিশিষ্ট পড়েছি এবং বাঘ-অধ্যায়, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় মোট সংখ্যা আর জ্বালানি নিয়ে ভারতের একটি উল্লেখ পেয়েছি, কিন্তু ভারতীয় প্রজাতির এই গণনার কোনো তালিকা পাইনি; তাই ওপরের সংখ্যাগুলো ভারতীয় জরিপ থেকেই নেওয়া। ডাউন টু আর্থ বড় এক-শৃঙ্গ গন্ডারের সংখ্যা ৩,৩০০-র বেশি বলেও একটি সংখ্যা দিয়েছিল, যা আমরা কোনো সরকারি বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মেলাতে পারিনি, তাই বাদ রেখেছি। এখানকার সব গণনা ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকাশিত সর্বশেষ সরকারি সংখ্যা।
ডব্লিউডব্লিউএফ-ইন্ডিয়ার সেক্রেটারি-জেনারেল ও প্রধান নির্বাহী রবি সিং বলেছেন, রিপোর্ট দেখিয়েছে জীববৈচিত্র্য সংকট কত বড়, আর সঙ্গে আশার বার্তাও আছে। ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্সের মহাপরিচালক এস পি যাদব বলেছেন ভারত “পাঁচটি বড় বিড়ালের সবার সংরক্ষণেই দৃষ্টান্তমূলকভাবে ভালো করছে” এবং কৃতিত্ব দিয়েছেন সরকারি অর্থায়ন, বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিকে।
বিশেষজ্ঞরা কী যোগ করেন
বন্যপ্রাণী বিজ্ঞানী ওয়াই এস ঝালা ডাউন টু আর্থকে বলেছেন, সংরক্ষিত এলাকার ভেতরের প্রজাতির ক্ষেত্রে ভারত ভালো করছে, আর যে প্রাণীরা বেশির ভাগ বাইরে থাকে, যেমন গ্রেট ইন্ডিয়ান বাস্টার্ড, ভারতীয় নেকড়ে আর শেয়াল, তাদের জন্য মানানসই কৌশল এখনো তৈরি হওয়া বাকি। ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার কামার কুরেশি বলেছেন, বড় বিড়ালের সংখ্যা বাড়লে মানুষ-বন্যপ্রাণী সংঘাত বাড়ে, যার ধাক্কা সবচেয়ে বেশি পড়ে দরিদ্র সম্প্রদায়ের ওপর, আর শিকার একটি উদ্বেগ হয়েই আছে। দ্য ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী গুজরাটে এখন ৪৪.২২ শতাংশ সিংহ বনের বাইরে থাকে। চিতাবাঘ প্রতিবেদন শিবালিক পাহাড় ও গাঙ্গেয় সমভূমিতে বছরে ৩.৪ শতাংশ হ্রাসের কথা জানিয়েছে।
লিভিং প্ল্যানেট রিপোর্ট বলছে তার বাঘ-সংক্রান্ত লাভ ভঙ্গুর: বাঘ তাদের ঐতিহাসিক বিচরণ এলাকার ৮ শতাংশেরও কম দখল করে আছে এবং এখনো বিপন্ন তালিকাভুক্ত। রিপোর্ট আরও জানিয়েছে ২০২৩ সালে প্রকৃতির ক্ষতিকর কাজে প্রবাহিত অর্থ প্রায় ৭.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, আর প্রকৃতি রক্ষা বা পুনরুদ্ধারের কাজে প্রায় ২২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- WWF: Living Planet Report 2026, The Science of Hope (full report, PDF)
- Zoological Society of London: Living Planet Report 2026 Technical Supplement (PDF)
- Zoological Society of London: Living Planet Index
- Press Information Bureau: All India Tiger Estimation 2022, release of the detailed report (29 July 2023)
- Press Information Bureau: India Leads the Wilderness in Tiger Conservation (backgrounder, 28 July 2026)
- Press Information Bureau: Parliament Question, census on tigers, elephants and lions (24 July 2025)
- Press Information Bureau: World Lion Day 2025 at Barda Wildlife Sanctuary (10 August 2025)
- Press Information Bureau: Asiatic Lion population rises from 523 in 2015 to 891 in 2025 (10 August 2026)
- Press Information Bureau: Status of Leopards in India, fifth cycle estimation (29 February 2024)
- Press Information Bureau: Status Report of Snow Leopards in India (30 January 2024)
- Press Information Bureau: 7th National Board for Wildlife meeting in Gir, river dolphin estimation released (3 March 2025)
- Down To Earth: Global wildlife populations decline by 73%, but India records conservation gains, WWF report (8 October 2026)
- Down To Earth: Asiatic lion population in Gujarat rises from 674 to 891 in 5 years
- The Tribune: Lion population in Gujarat goes up from 674 to 891 in 5 years
- Armenpress: WWF Living Planet Report, amid an average 73% decline in wildlife population sizes, scientists reveal grounds for hope
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।