Skip to content
আয়তনে ভারতের বৃহত্তম রাজ্য ৩,৪২,২৩৯ বর্গকিলোমিটারের রাজস্থানে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অন্য যে-কোনো রাজ্যের চেয়ে বেশি সৌরশক্তির স্থাপিত ক্ষমতা ছিল, ৪৫,১২১ মেগাওয়াট, দেশের মোটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ
ভারতের শাসন ও রাজ্য

আয়তনে ভারতের বৃহত্তম রাজ্য ৩,৪২,২৩৯ বর্গকিলোমিটারের রাজস্থানে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অন্য যে-কোনো রাজ্যের চেয়ে বেশি সৌরশক্তির স্থাপিত ক্ষমতা ছিল, ৪৫,১২১ মেগাওয়াট, দেশের মোটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের রাজ্যওয়ারি সারণিতে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাজস্থানের সৌরশক্তির ক্ষমতা ৪৫,১২১ মেগাওয়াট, গুজরাটের ৩৬,২৩৫ মেগাওয়াটের বিপরীতে। রাজ্যে বিধানসভার আসন ২০০টি, লোকসভার ২৫টি ও রাজ্যসভার ১০টি, আর তা পুনর্গঠিত হয় ১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর।

· · 6 মিনিটের পাঠ

নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রক (এমএনআরই) অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাজস্থানে সৌরশক্তির স্থাপিত ক্ষমতা ছিল ৪৫,১২১ মেগাওয়াট, অন্য যে-কোনো রাজ্যের চেয়ে বেশি। গুজরাট ছিল তার পরে ৩৬,২৩৫ মেগাওয়াট নিয়ে। একই সারণিতে জাতীয় মোট ছিল ১,৭১,০৫১ মেগাওয়াট, ফলে রাজস্থান একাই ধরেছিল তার প্রায় ২৬ শতাংশ।

আয়তনেও সে বৃহত্তম রাজ্য। ২০১১ সালের জনগণনার এ-১ সারণি রাজস্থানকে দিয়েছে ৩,৪২,২৩৯ বর্গকিলোমিটার, মধ্যপ্রদেশের ৩,০৮,২৫২-এর চেয়ে এগিয়ে, আর জনসংখ্যা ৬,৮৫,৪৮,৪৩৭, প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২০০ জন। এই লেখার জনগণনার অঙ্ক ২০১১ সালের, কারণ পরবর্তী জনগণনা চলছে।

রাজস্থান কীভাবে রাজ্য হল

১৯৪৭ সালের আগে এলাকাটি ছিল কয়েকটি দেশীয় রাজ্য আর ব্রিটিশ-শাসিত আজমের-মেরওয়ারা জেলার একটি গুচ্ছ, সব মিলিয়ে যার নাম ছিল রাজপুতানা। রাজস্থান হাইকোর্টের নিজের ইতিহাস বলছে, রাজ্যটি গড়ে ওঠে ১৯৪৮ সালের ১৭ মার্চ থেকে ১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ১৯টি দেশীয় রাজ্য জুড়ে, যে প্রক্রিয়া আদালতের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শুরু করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেল। প্যাটেল ও দেশীয় রাজ্য নিয়ে আমাদের বিবরণ বলে সেই আলোচনা সারা দেশে কীভাবে চলেছিল।

১৯৪৯ সালের ৩০ মার্চ প্যাটেল জয়পুরে বৃহত্তর ইউনিয়নের উদ্বোধন করেন, জয়পুর, যোধপুর, বিকানের ও জয়সলমীর রাজস্থান সংযুক্ত রাজ্যে যোগ দেওয়ার পর, আর আদালতের প্রতিবেদন বলছে তা অস্তিত্বে আসে ৭ এপ্রিল। এর তিন দিন আগে, ২৭ মার্চ, একটি কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছিল, রাজধানী হিসেবে জয়পুর আর হাইকোর্টের আসন হিসেবে যোধপুরের সুপারিশ করে। মৎস্য ইউনিয়ন মিশে যায় ১৯৪৯ সালের ১৫ মে, আর তাতে সংহতি সম্পূর্ণ হয়। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হলে রাজস্থান ছিল খ ভাগের রাজ্য, ১৯৫৬-র আগে সংবিধান যে শ্রেণিগুলো ব্যবহার করত তার একটি।

সবচেয়ে বড় বদল এল ১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর। রাজ্য পুনর্গঠন আইনের অধীনে আগের গ ভাগের রাজ্য আজমের আর আবু ও সুনেল টাপ্পা এলাকা যুক্ত হয়, আর কোটা জেলার সিরোঞ্জ মহকুমা মধ্যপ্রদেশে যায়। ১৯৫৯ সালের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর আরেকটি আইন রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের মধ্যে কিছু ভূখণ্ড সরিয়েছে। বৃহত্তর পুনর্গঠনের কথা আছে ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে আমাদের ব্যাখ্যায়।

রাজস্থান কীভাবে শাসিত হয়

বিধানসভায় আসন ২০০টি। ১৭০ অনুচ্ছেদ রাজ্য বিধানসভায় ৬০ থেকে ৫০০ সদস্য রাখার অনুমতি দেয়, আর জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর দ্বিতীয় তফসিল রাজস্থানের জন্য ঠিক করেছে ২০০। ২০০৮ সালের সীমানা নির্ধারণ আদেশের পর ৩৪টি তফসিলি জাতির জন্য আর ২৫টি তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত, আগে ছিল ৩৩ ও ২৪।

রাজস্থানে একটিই কক্ষ। ১৬৮ অনুচ্ছেদ সেই রাজ্যগুলোর নাম করে যাদের বিধান পরিষদ আছে, আর রাজস্থান তাদের মধ্যে নেই। বিধানসভা ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল ৬৬ সদস্যের একটি পরিষদ চেয়ে প্রস্তাব নেয়। একটি বিল ২০১৩ সালের ৬ আগস্ট রাজ্যসভায় পৌঁছায় আর যায় আইন ও বিচার বিষয়ক স্থায়ী কমিটির কাছে, যা প্রতিবেদন দেয় ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর। পিআরএস লেজিসলেটিভ রিসার্চের ট্র্যাকার তার পরে কিছু তালিকাভুক্ত করেনি, আর দুটি কক্ষের রাজ্য নিয়ে আমাদের নির্দেশিকা ব্যাখ্যা করেছে পরিষদ কীভাবে গড়া হয়।

সংসদে রাজস্থানের লোকসভা আসন ২৫টি, তার চারটি তফসিলি জাতির জন্য ও তিনটি তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত, আর সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের অধীনে রাজ্যসভা আসন ১০টি।

রাজ্যে জেলা ৪১টি ও বিভাগ সাতটি। এই গণনা ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের, যা ২০২৩ সালে ঘোষিত নতুন জেলাগুলোর নয়টি আর বিভাগগুলোর তিনটি বাতিল করেছে আর নতুন জেলার আটটি রেখেছে, তার মধ্যে বালোতরা, বেওয়ার, দীগ ও ফালোদি। স্ক্রল জানিয়েছে, রাজ্যের এক মন্ত্রী বলেছেন, অর্থকড়ি, প্রশাসনিক প্রয়োজন ও আইনশৃঙ্খলা বিবেচনা না করেই নতুন এককগুলো গড়া হয়েছিল। কংগ্রেস, তখন বিরোধী দলে, সিদ্ধান্তটিকে অদূরদর্শী বলেছে, আর তার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যুক্তি দিয়েছেন যে ছোট জেলা চালানো সহজ, আর ২০২৩ সালের জেলাগুলো গড়ার পর জেলাপ্রতি গড় জনসংখ্যা ৩৫.৪২ লক্ষ থেকে নেমে ১৫.৩৫ লক্ষ হয়েছে।

বিচারের কাজ ভাগ করা। যোধপুর হাইকোর্টের প্রধান আসন। জয়পুরের স্থায়ী বেঞ্চ এসেছে ১৯৭৬ সালের ৮ ডিসেম্বরের রাষ্ট্রপতির আদেশে, ১৯৫৮ সালে জয়পুরের আগের বেঞ্চ তুলে দেওয়ার পর। আদালতের ইতিহাস-টীকা মঞ্জুর করা বিচারকসংখ্যা দিয়েছে ৫০। সরকারি ভাষা রাজস্থান সরকারি ভাষা আইন, ১৯৫৬-র অধীনে দেবনাগরি লিপিতে হিন্দি, যা রাজ্যপালের সম্মতি পায় ১৯৫৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।

রাজস্থানের অর্থনীতি কী দিয়ে গড়া

২০২৬-২৭ সালের বাজেট নিয়ে পিআরএস লেজিসলেটিভ রিসার্চের বিশ্লেষণ ২০২৪-২৫ সালে রাজস্থানের মোট রাজ্য অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিএসডিপি, এক বছরে রাজ্যের উৎপাদিত সবকিছুর মূল্য) ধরেছে ১৭,০১,১৯০ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ সালের জন্য তারা বাস্তব প্রবৃদ্ধি অনুমান করেছে ৮.৭ শতাংশ, ভারতের ৭.৪ শতাংশের বিপরীতে। চলতি দামে অর্থনীতির ২৫.৭ শতাংশ কৃষি, ২৬.৫ শতাংশ উৎপাদন শিল্প আর ৪৭.৭ শতাংশ সেবা।

মাথাপিছু উৎপাদন জাতীয় অঙ্কের চেয়ে কম। পিআরএসের অনুমান, ২০২৫-২৬ সালে রাজস্থানের মাথাপিছু জিএসডিপি ২,২৫,২০০ টাকা, ৯.১ শতাংশ বেশি, ভারতের ২,৫১,৩৯৩ টাকার বিপরীতে, যা ৭ শতাংশ বেশি।

বাজেটের দিকে, ২০২৬-২৭ সালের রাজস্ব প্রাপ্তির ১,৯১,১০৩ কোটি টাকা (৫৯ শতাংশ) রাজ্যের নিজের আর ১,৩৪,৬৩৭ কোটি টাকা (৪১ শতাংশ) আসে কেন্দ্রের কাছ থেকে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় করের ৯০,৪৪৬ কোটি টাকার ভাগ আছে।

সৌরশক্তির এগিয়ে থাকা দাঁড়িয়ে আছে মরু জমি আর বড় বড় পার্কের উপর। এমএনআরইর সারণি দেখাচ্ছে রাজস্থানে ভূমিতে বসানো সৌরশক্তি ৩৯,৩৬৩ মেগাওয়াট, হাইব্রিড সৌরশক্তি ২,৫৬৮ মেগাওয়াট, আর রুফটপ সৌরশক্তি ২,৩১৬ মেগাওয়াট, সঙ্গে ৫,৮১৫ মেগাওয়াট বায়ুশক্তি, সব মিলিয়ে ৫১,৫৯৬ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ। নাসার আর্থ অবজারভেটরি ফালোদির কাছের ভাড়লা সোলার পার্ককে বর্ণনা করেছে ৫,৭০০ হেক্টরের বেশি জুড়ে ২,২৪৫ মেগাওয়াট বলে, আর বলেছে তা রাজস্থানকে কর্ণাটককে ছাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি স্থাপিত সৌরশক্তির রাজ্য হতে সাহায্য করেছে।

খনি আরও পুরোনো ভিত্তি। ভারতীয় খনি ব্যুরোর ইয়ারবুক ২০২১ রাজস্থানকে খনিজের প্রাপ্যতা ও বৈচিত্র্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য বলে, ২০২০-২১ সালে প্রায় ৫০টি উৎপাদিত হয়েছে, আর সীসা ও দস্তার আকরিক, সেলেনাইট ও ওয়োলাস্টোনাইটের একমাত্র উৎপাদক বলে। তারা দেশের সম্পদে রাজ্যের ভাগ ধরেছে সীসা ও দস্তার আকরিকে ৮৯ শতাংশ, রুপোর আকরিকে ৮৮ শতাংশ আর মার্বেলে ৬৩ শতাংশ, আর মাকরানাকে বলেছে বিশ্বখ্যাত মার্বেল কেন্দ্র।

রাজস্থানকে যা আলাদা করেছে

রেকর্ডের তিনটি অংশ রাজস্থানকে আলাদা করেছে। প্রথমটি তথ্য জানার অধিকারের আন্দোলন। দ্য উইক জানিয়েছে, মজদুর কিষাণ শক্তি সংগঠন (এমকেএসএস, শ্রমিক ও কৃষক শক্তি ইউনিয়ন) আনুষ্ঠানিকভাবে গড়া হয় ১৯৯০ সালের ১ মে, ১৯৮৭ সালে তিনজন বাইরের মানুষ দেবডুংরি গ্রামে গিয়ে বসবাস শুরু করার পর। ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বরে বেওয়ারের এক সভায় তারা, পত্রিকাটির ভাষায়, এমন আইনের জন্য প্রথম প্রকাশ্য দাবি তোলে, আর ১৯৯৬ সালের এপ্রিলে বেওয়ারের চাং গেটে ৪০ দিনের এক ধরনা শুরু হয়, যা ইন্ডিয়া টুগেদারের মতে গড়ে দেয় জনগণের তথ্য জানার অধিকারের জাতীয় প্রচারাভিযান। রাজস্থান ২০০০ সালে নিজের তথ্য জানার অধিকার আইন পাস করে, ১১ মে সম্মতি সহ। তা একটি দপ্তরকে ৩০ দিনের মধ্যে তথ্য দিতে বলেছিল আর তালিকা করেছিল কী আটকে রাখা যায়। তার পরের জাতীয় কাহিনী আছে তথ্য জানার অধিকার আইন নিয়ে আমাদের নির্দেশিকায়।

দ্বিতীয়টি সাংবিধানিক আইনে একটি স্থান। ১৯৬৪ সালের ৩০ অক্টোবরের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে লেখা আছে, রাজস্থান প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫৫ অবৈধ ঘোষিত হয়েছিল, আর সংসদ তখন সপ্তদশ সংশোধনী পাস করে নবম তফসিলে ৪৪টি আইন যোগ করে, যাতে ভূমিসংস্কার আইন বাতিল করা না যায়। ওই তফসিলের ৫৫ ও ৫৬ নম্বর ভুক্তি রাজস্থানের প্রজাস্বত্ব আইন এবং জমিদারি ও বিশ্বেদারি বিলোপ আইন, আর তার একমাত্র ব্যাখ্যামূলক টীকা প্রজাস্বত্ব আইন নিয়ে। সজ্জন সিং বনাম রাজস্থান রাজ্য (Sajjan Singh v. State of Rajasthan) মামলায় প্রধান বিচারপতি গজেন্দ্রগডকর আর বিচারপতি ওয়াঞ্চু ও দয়াল সংশোধনীটি বহাল রাখেন, আর বিচারপতি হিদায়াতুল্লা ও মুধোলকর আলাদাভাবে লেখেন এবং সংসদ মৌলিক অধিকার আদৌ সংশোধন করতে পারে কি না, প্রশ্নটি খোলা রাখেন। মৌলিক কাঠামো তত্ত্ব নিয়ে আমাদের বিবরণ সেই প্রশ্নকে ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের রায় পর্যন্ত অনুসরণ করেছে।

তৃতীয়টি ইউনেস্কো তালিকার ঐতিহ্য। ২০১৩ সালের ২১ জুন তালিকাভুক্ত রাজস্থানের ছয় পাহাড়ি দুর্গ হল চিতোরগড়, কুম্ভলগড়, রণথম্ভোর, গাগরোন, আমের ও জয়সলমীর, আর ইউনেস্কো বলছে তার কোনো কোনোটি ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঘিরে চলে। জয়পুরের প্রাচীর-ঘেরা শহর তালিকাভুক্ত হয় ২০১৯ সালের ৬ জুলাই। ইউনেস্কো তাকে বর্ণনা করেছে ১৭২৭ সালে দ্বিতীয় সওয়াই জয় সিংয়ের ছক-নকশায় গড়া বলে, যার বেশিরভাগ অবকাঠামো শেষ হয় ১৭২৭ থেকে ১৭৩১ সালের মধ্যে।

এরপর কী

৮২ অনুচ্ছেদের একটি শর্তাংশ বলে, ২০২৬ সালের পরের প্রথম জনগণনার অঙ্ক প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যগুলোর মধ্যে লোকসভা আসনের বণ্টন নতুন করে ঠিক করার প্রয়োজন নেই, তাই তত দিন রাজস্থানের ২৫টি আসন যেমন আছে তেমনই থাকবে। পিআরএস জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ সালের বাজেট চলতি দামে জিএসডিপি ধরেছে ২১,৫২,১০০ কোটি টাকা আর রাজকোষ ঘাটতি ৭৯,৪৯৩ কোটি টাকা, অর্থাৎ জিএসডিপির ৩.৭ শতাংশ।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. The Constitution of India, Legislative Department pocket edition as on May 2022 (Articles 82, 168 and 170, Fourth Schedule, Ninth Schedule)
  2. The Representation of the People Act, 1950, First and Second Schedules (copy hosted by the Telangana High Court)
  3. Office of the Registrar General and Census Commissioner, India: Census 2011 Table A-1, number of villages, towns, households, population and area
  4. Rajasthan High Court: History of the Rajasthan High Court, a bird's eye view (Justice Govind Mathur)
  5. Rajasthan High Court: Annual Report 2017 (history of the State and the Court)
  6. The Rajasthan Official Language Act, 1956 (Act 47 of 1956), page of a printed edition of the Act hosted by jainqq.org
  7. PRS Legislative Research: Rajasthan Budget Analysis 2026-27 (28 February 2026)
  8. PRS Legislative Research: The Rajasthan Legislative Council Bill, 2013 (bill tracker)
  9. Ministry of New and Renewable Energy: State-wise (location based) installed capacity of renewable power as on 30.09.2026
  10. NASA Earth Observatory: Soaking Up Sun in the Thar Desert (Image of the Day, 19 February 2022)
  11. Ministry of Mines, Indian Bureau of Mines: Indian Minerals Yearbook 2021, State Reviews, Rajasthan (advance release, July 2023)
  12. UNESCO World Heritage Centre: Hill Forts of Rajasthan (inscribed 21 June 2013)
  13. UNESCO World Heritage Centre: Jaipur City, Rajasthan (inscribed 6 July 2019)
  14. The Rajasthan Right to Information Act, 2000 (Act 13 of 2000), copy hosted by the Commonwealth Human Rights Initiative
  15. The Week: How a grassroots movement ignited India's RTI revolution (4 October 2025)
  16. India Together: The National Campaign for People's Right to Information
  17. Supreme Court of India: Sajjan Singh v. State of Rajasthan, judgment of 30 October 1964, 1965 AIR 845
  18. Scroll.in: Rajasthan's government scraps 12 new districts and 3 divisions (28 December 2024)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#rajasthan#state profile#jaipur#rajasthan solar capacity#hill forts of rajasthan#formation of rajasthan#right to information movement#rajasthan economy

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভারতের শাসন ও রাজ্য
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ২০২৩-২৪ সালে মাথাপিছু নিট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ছিল ২.৭৬ লক্ষ টাকা, জাতীয় গড়ের উপরে, ৮৩৬টি দ্বীপ জুড়ে, যার ৩১টিতে মানুষ থাকেন
চেন্নাই থেকে সমুদ্রপথে ১,৪১৫ কিলোমিটারে একটি অঞ্চল, চলে বিধানসভায় নয়, বিধিতে। ২০১১ সালের জনগণনা কী গুনেছে, উপজাতি সংরক্ষিত এলাকায় কারা ঢুকতে পারেন, রাজধানী কীভাবে নতুন নাম পেল, আর গ্রেট নিকোবরের মামলাগুলো কোথায় দাঁড়িয়ে।
অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল ১,০৫৩ কিলোমিটার, ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে তৃতীয় দীর্ঘতম, দেশের মাছ উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ তার নিজের গণনায়, আর ২০২৬ সালে সংসদের এক আইনে নাম পাওয়া এক রাজধানী
১৯৫৩ সালের অন্ধ্র রাজ্য থেকে অমরাবতীর নাম করা ২০২৬ সালের আইন পর্যন্ত, অন্ধ্রপ্রদেশ কারা শাসন করে, তার অর্থনীতি কী আয় করে, আর তেলেঙ্গানা, আদালত ও কেন্দ্রের অর্থ কোথায় গল্পে আসে, তার এক সূত্রনির্ভর নির্দেশিকা।
ভারতের ব্যবহারযোগ্য বড় জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনার ৫০,৩৯৪ মেগাওয়াট, জাতীয় মোটের ৩৭.৮ শতাংশ, অরুণাচল প্রদেশে, আর ৬০টি বিধানসভা আসনের ৫৯টি তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত
অসমের একটি সীমান্ত সংস্থা কীভাবে ১৯৮৭ সালে রাজ্য হল, কেন তার রাজ্যপালের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব সংবিধানেই লেখা, আর তার বাজেট, তালিকাভুক্ত ১০৪টি উপজাতি এন্ট্রি ও সীমান্তের গ্রামগুলো কী দেখায়।
← সব লেখা