Skip to content
অমৃতা শের-গিল ১৯৪১ সালে ২৮ বছর বয়সে মারা যান, আর ১৯৭৬ সালের ১ ডিসেম্বরের একটি বিজ্ঞপ্তি তাঁর ছবিকে জাতীয় শিল্পসম্পদ ঘোষণা করে, যেগুলো ভারতের বাইরে নিতে সরকারি অনুমতি লাগে
শিল্প ও চলচ্চিত্র

অমৃতা শের-গিল ১৯৪১ সালে ২৮ বছর বয়সে মারা যান, আর ১৯৭৬ সালের ১ ডিসেম্বরের একটি বিজ্ঞপ্তি তাঁর ছবিকে জাতীয় শিল্পসম্পদ ঘোষণা করে, যেগুলো ভারতের বাইরে নিতে সরকারি অনুমতি লাগে

ছবি: Umrao Singh Sher-Gil / Wikimedia Commons, Public domain (ছাঁটা)

বাংলা

১৯৭৬ সালের ১ ডিসেম্বরের ভারত সরকারের জিএসআর ৯০৪(ই) বিজ্ঞপ্তিতে অমৃতা শের-গিল সেই প্রথম চার শিল্পীর একজন, যাঁদের কাজ পুরাকীর্তি ও শিল্পসম্পদ আইন, ১৯৭২-এর অধীনে শিল্পসম্পদ। নয়াদিল্লির ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্টে তাঁর ১০৭টি ছবি আছে, তাঁর প্যারিসের বছরগুলোর এবং ১৯৩৪ সালে ভারতে ফেরার পরের বছরগুলোর।

· · 6 মিনিটের পাঠ

১৯৭৬ সালের ১ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার জিএসআর ৯০৪(ই) বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যাতে চারজন শিল্পীর কাজকে পুরাকীর্তি ও শিল্পসম্পদ আইন, ১৯৭২-এর অধীনে শিল্পসম্পদ ঘোষণা করা হয়। চারজন ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমৃতা শের-গিল, যামিনী রায় ও নন্দলাল বসু, ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পত্তি আইন নিয়ে চেম্বার্স অ্যান্ড পার্টনার্সের প্র্যাকটিস গাইড অনুযায়ী, যেখানে তাঁর নাম লেখা হয়েছে “Amrita Sher Gill”। শের-গিল তখন প্রায় ৩৫ বছর মৃত। তিনি লাহোরে মারা যান ১৯৪১ সালের ৫ ডিসেম্বর, ২৮ বছর বয়সে।

বিজ্ঞপ্তিটি কিসের ওপর দাঁড়িয়ে

আইনটি ১৯৭২ সালের ৫২ নম্বর আইন, পাস হয় ১৯৭২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। এটি কার্যকর হয় ১৯৭৬ সালের ৫ এপ্রিল, ফলে বিজ্ঞপ্তিটি এসেছিল আইন কার্যকর হওয়ার বছরেই। পাঠে শিল্পসম্পদের সংজ্ঞা এই: মানুষের তৈরি শিল্পকর্ম, যা পুরাকীর্তি নয় এবং যাকে কেন্দ্রীয় সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করেছে, “তার শৈল্পিক বা নান্দনিক মূল্য বিবেচনা করে”।

একই ধারার একটি শর্ত স্রষ্টা জীবিত থাকা অবস্থায় কোনো ঘোষণা নিষিদ্ধ করে। তাই তালিকার প্রত্যেক শিল্পীই আগেই মারা গিয়েছিলেন, আর ১৯৪১ সালে মারা যাওয়া শের-গিল ১৯৭৬ সালে যোগ্য হতে পারতেন, কিন্তু নিজের জীবদ্দশায় পারতেন না।

১৯৭৯ সালের ১০ আগস্টের দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তি জিএসআর ৪৭৭(ই) আরও পাঁচজনকে যোগ করে: রাজা রবি বর্মা, গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সাইলোজ মুখার্জি ও নিকোলাস রোয়েরিখ। চেম্বার্স আর হাবিস দুটিই এই নয়জনকে নবরত্ন বলেছে, “নয়টি রত্ন”। ১৯৭৬ সালের তালিকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই নোবেলজয়ী, যাঁকে নিয়ে আছে ঠাকুর, নোবেল আর ফিরিয়ে দেওয়া নাইটহুড।

এই তকমা কী সীমাবদ্ধ করে, আর কী করে না

আইনের ৩ ধারা বলছে, কেন্দ্রীয় সরকার বা তার অনুমোদিত কোনো কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা ছাড়া কেউ শিল্পসম্পদ রপ্তানি করতে পারবে না, আর যেকোনো রপ্তানি করতে হবে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের দেওয়া অনুমতিপত্র অনুযায়ী। চেম্বার্স সেই কর্তৃপক্ষের নাম করেছে: “রপ্তানির আগে ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের মহাপরিচালকের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট অনুমতিপত্র দরকার।”

নিয়মটি দেশ ছেড়ে যাওয়া নিয়ে। হাবিস বলছে, আইন “দেশের ভেতরে শিল্পসম্পদ বিক্রিতে কোনো সীমা বা বিধিনিষেধ আরোপ করে না”, শুধু রপ্তানি নিয়ন্ত্রিত। তারা আরও বলছে, কোনো কাজ সরকারি জায়গায় সংরক্ষণ করা উচিত বলে সরকার সিদ্ধান্ত নিলে সেটি বাধ্যতামূলকভাবে অধিগ্রহণ করতে পারে। মাস্টারওয়ার্কসের একটি শিল্পবাজার-প্রোফাইল-সহ কিছু জনপ্রিয় বিবরণ বলে, তাঁর ছবি আইনত মোটেই রপ্তানি করা যায় না। আইনের ভাষা একটি অনুমতিপত্রের শর্ত, আর প্র্যাকটিস গাইড সেভাবেই পড়েছে।

বুদাপেস্ট, শিমলা আর প্যারিস

শের-গিলের জন্ম বুদাপেস্টে, ১৯১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি। দিল্লি আর্ট গ্যালারির জীবনী অনুযায়ী তাঁর বাবা উমরাও সিং শের-গিল ছিলেন একজন শিখ অভিজাত আর মা মারি অঁতোয়ানেৎ ছিলেন হাঙ্গেরির অপেরা-শিল্পী। পরিবার ১৯২১ সালের জানুয়ারিতে ভারতের দিকে রওনা দেয়, ২ ফেব্রুয়ারি বোম্বেতে পৌঁছয় এবং শিমলায় বসতি করে, যে পাহাড়ি শহরের কালকা থেকে খেলনা-রেলের পথ নিয়ে আলাদা লেখা আছে। সেখানে বাড়িতেই তাঁর পড়াশোনা হয় আর ১৯২৩ সালে তিনি শিল্পে প্রথম পুরস্কার পান।

১৯২৯ সালে তাঁর বাবা তাঁকে প্যারিসে পাঠান। ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্ট (এনজিএমএ) বলছে, তিনি প্রথমে গ্রান্দ শোমিয়েরে পিয়ের ভাইয়াঁর কাছে, তারপর ইকোল ন্যাশনাল দেস বোজার্তে লুসিয়াঁ সিমনের কাছে শেখেন। দিল্লি আর্ট গ্যালারি বোজার্তে যাওয়ার সময় ধরেছে ১৯২৯ সালের অক্টোবর আর সেখান থেকে ছাড়ার সময় ১৯৩৩ সালের জুলাই। তাদের নথিতে আছে, তাঁর ১৯৩২ সালের ইয়ং গার্লস ১৯৩৩ সালে গ্রান্দ সালঁতে সোনার পদক পায় এবং একই বছর তিনি সোসিয়েতে ন্যাশনালের সহযোগী সদস্য নির্বাচিত হন, এর সর্বকনিষ্ঠ সদস্য এবং, গ্যালারির ভাষায়, প্রথম এশীয়। মাস্টারওয়ার্কসও পদক আর সহযোগী সদস্যপদ নিয়ে একই ১৯৩৩ সাল দিয়েছে।

ওই সময়ের এনজিএমএ-র নিজস্ব বিবরণে তাঁর প্রথম দিকের প্রতিকৃতি, নগ্ন অধ্যয়ন ও স্ব-প্রতিকৃতিতে প্রভাব হিসেবে নাম এসেছে একাডেমিক বাস্তববাদ আর উত্তর-ইমপ্রেশনিজমের, গগ্যাঁকে আলাদা করে ধরে।

গ্রুপ অফ থ্রি গার্লস, ফেরার পরে আঁকা

দিল্লি আর্ট গ্যালারির কালানুক্রমিক তালিকা অনুযায়ী তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে ১৯৩৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতে ফেরেন এবং অমৃতসরে থাকেন। গ্রুপ অফ থ্রি গার্লসের তারিখ ১৯৩৫। এনজিএমএ-র ক্যাটালগ-ভুক্তি বলছে, ইউরোপ থেকে ফেরার পর আঁকা তাঁর প্রথম কাজগুলোর একটি এটি, আর সমতল করা মূর্তিগুলোতে গগ্যাঁর প্রভাব আছে, আবার তাঁর পরের কাজের চিহ্ন গাঢ় লালগুলো এতে প্রথম দেখা দেয়।

সূত্রগুলোর মধ্যে দুটি খুঁটিনাটিতে তফাত আছে। এনজিএমএ-র ভুক্তিতে মাপ ৭৩.৫ বাই ৯৯.৫ সেন্টিমিটার, যা অস্তাগুরুর ওভারভিউও বলেছে। এনজিএমএ আরও লিখেছে, শিল্প-ইতিহাসবিদ পার্থ মিত্র ছবিটিকে বলেন দ্য থ্রি উইমেন, আর “Amrita Sher-Gil: An Indian Artist Family of the Twentieth Century” ক্যাটালগে ব্যবহার হয়েছে গ্রুপ অফ থ্রি গার্লস। দিল্লি আর্ট গ্যালারি ও অস্তাগুরু দুটিই বলেছে, ১৯৩৭ সালে বোম্বে আর্ট সোসাইটির বার্ষিক প্রদর্শনীতে এটি সোনার পদক পায়। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ২০২৩ সালের জানুয়ারির বিবৃতিতে তাঁর বিখ্যাত কাজের মধ্যে তিন মেয়ের একটি দল সবার আগে আছে।

ব্রাইডস টয়লেট আর দক্ষিণ ভ্রমণ

দিল্লি আর্ট গ্যালারির কালানুক্রমিক তালিকায় তিনি ১৯৩৬ সালে ভারত জুড়ে এক দীর্ঘ ভ্রমণ করেন, অজন্তা ও ইলোরা দেখেন, আর ১৯৩৭ সালে তাঁর দক্ষিণ ভারতীয় কাজগুলো আঁকেন। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিবৃতি বলছে, ভারতে তাঁর ব্যাপক ভ্রমণ হয় ১৯৩৯ সালে, ফলে ভ্রমণের বছর নিয়ে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো আর গ্যালারির কালানুক্রমিক তালিকা আলাদা কথা বলছে। দুজনেই একমত যে ভ্রমণগুলো তাঁর শৈলী বদলে দিয়েছিল, পিআইবি এগুলোকে তাঁর প্রকাশ, মূর্তি ও বিন্যাসে জোরালো প্রভাবের কারণ বলেছে।

ব্রাইডস টয়লেটের তারিখ ১৯৩৭, ক্যানভাসে তেলরং, ১৪৬ বাই ৮৮.৮ সেন্টিমিটার, আর এটি নয়াদিল্লিতে এনজিএমএ-র সংগ্রহে। গ্যালারি এটিকে তাঁর দক্ষিণ ভারতীয় ত্রয়ীর অংশ বলেছে এবং বলেছে এটি “অজন্তা-ভিত্তিচিত্রের শাস্ত্রীয় ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত”। সেই ভিত্তিচিত্র যে গুহা-সমূহের, তার বর্ণনা আছে অজন্তা আর ইলোরা, পাথর কেটে গড়া-য়। এনজিএমএ বলছে, দক্ষিণ ভ্রমণের পর তাঁর রঙের পরিসর ভরে ওঠে তীব্র লাল, গেরুয়া, বাদামি, হলুদ আর সবুজে, এবং তিনি ভারতীয় ক্ষুদ্রচিত্র থেকে নিয়েছিলেন।

ভিলেজ সিন, হাত বদল হওয়া একটি কাজ

শের-গিলের সব ছবি জাদুঘরের দেয়ালে নেই। আউটলুকের তথ্য অনুযায়ী ভিলেজ সিন সেই ধারার একটি, যা তিনি উত্তর প্রদেশের গোরখপুর জেলার সারায়ায় কাকার জমিদারিতে থাকার সময় আঁকেন, আর দিল্লির শিল্পপতি নন্দ খেমকা এটি কেনেন ৬.৯ কোটি টাকায় (৬ কোটি ৯০ লক্ষ), যাকে তারা রেকর্ড দাম বলেছে। মাস্টারওয়ার্কস এই বিক্রির সাল দিয়েছে ২০০৬, নয়াদিল্লির এক নিলামে, এবং বলেছে ফলটি পরে ছাড়িয়ে গেছে। কোনো পাতাতেই নিলাম-প্রতিষ্ঠানের নাম নেই, আর ছবিটির নিজের সাল নিয়ে সূত্রগুলো কোনো একক বছর দেয়নি, তাই এই লেখা সেটির তারিখ দেয়নি।

বিক্রিটি দেখায় ১৯৭৬ সালের বিজ্ঞপ্তি কী খোলা রেখেছে। আইন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করে, ভারতের ভেতরে বিক্রি নয়, তাই এমন একটি ছবি ভারতীয় মালিকদের মধ্যে কেনাবেচা হতে পারে, আর অনুমতিপত্রের নিয়ম খাটে শুধু তখনই, যখন কেউ সেটি বিদেশে নিতে চায়।

২৮ বছরে মৃত্যু, আর এখন তাঁর কাজের দাম

দিল্লি আর্ট গ্যালারি তাঁর মৃত্যুর তারিখ দিয়েছে ১৯৪১ সালের ৫ বা ৬ ডিসেম্বর, সংক্ষিপ্ত অসুস্থতার পর লাহোরে মধ্যরাতে, এবং বলেছে সেই মাসেই সেখানে তাঁর মরণোত্তর প্রদর্শনী হয়। অকশন ডেইলি বলছে, তা এসেছিল লাহোরে তাঁর প্রথম একক প্রদর্শনীর কয়েক দিন আগে। এনজিএমএ-র নিজস্ব পাতায় তাঁর বয়স ২৯, যা ১৯১৩ সালের ৩০ জানুয়ারির জন্ম আর ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরের মৃত্যুর সঙ্গে মেলে না, আর দিল্লি আর্ট গ্যালারি, আউটলুক ও অকশন ডেইলি দিয়েছে ২৮।

দামও সেই পথে গেছে। ২০২১ সালের জুলাইয়ে স্যাফ্রনআর্ট ইন দ্য লেডিজ এনক্লোজার (১৯৩৮) বিক্রি করে ৩৭.৮ কোটি টাকায় (৫.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), যাকে দ্য ট্রিবিউন শিল্পীর জন্য বিশ্ব রেকর্ড বলে জানিয়েছে। ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে স্যাফ্রনআর্টের ইভনিং সেল: মডার্ন আর্টে দ্য স্টোরি টেলার (১৯৩৭) বিক্রি হয় ৬১.৮ কোটি টাকায়, যা আইএএনএস জানিয়েছে ভারতীয় কোনো শিল্পীর অর্জিত সর্বোচ্চ দাম।

তাঁর শতবর্ষ পালন করে এনজিএমএ ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে, আর ইউনেস্কোর প্যারিস সদর দপ্তরে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে, যেখানে হাঙ্গেরির ইউনেস্কো-রাষ্ট্রদূত বলেন সংস্থাটি ২০১৩ সালকে শের-গিলের আন্তর্জাতিক বর্ষ ঘোষণা করেছিল, ডেইলি নিউজ হাঙ্গেরির তথ্য অনুযায়ী। এনজিএমএ-র কাছে তাঁর ১০৭টি ছবি আছে। ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি গ্যালারি আর দিল্লিতে হাঙ্গেরির সাংস্কৃতিক কেন্দ্র লিস্ট ইনস্টিটিউট তাঁর ১১০তম জন্মবার্ষিকী পালন করে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো উপস্থিতদের মধ্যে শিল্প-ইতিহাসবিদ যশোধরা ডালমিয়া আর চলচ্চিত্র-নির্মাতা মীরা নায়ারের নাম দিয়েছে এবং বলেছে অনুষ্ঠানে জয়পুর হাউসের তাঁর ছবির জন্য নির্ধারিত গ্যালারিতে একটি কিউরেটরিয়াল হাঁটা ছিল।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Antiquities and Art Treasures Act, 1972 (Act 52 of 1972), full text: sections 1, 2 and 3
  2. Chambers and Partners, Art and Cultural Property Law 2026, India: Trends and Developments
  3. Hubbis: Did you know about the legal restrictions behind works of the Navratnas
  4. Press Information Bureau, Ministry of Culture: NGMA and Liszt Institute celebrate the 110th birth anniversary of Amrita Sher-Gil (31 January 2023)
  5. National Gallery of Modern Art via Google Arts and Culture: Bride's Toilet (1937)
  6. National Gallery of Modern Art via Google Arts and Culture: Group of Three Girls (1935)
  7. National Gallery of Modern Art via Google Arts and Culture: Amrita Sher-Gil, exhibit
  8. National Gallery of Modern Art via Google Arts and Culture: Amrita Sher-Gil, artworks from the NGMA collection
  9. Delhi Art Gallery: Amrita Sher-Gil, biography and chronology
  10. Outlook India: White Shadows (Amrita Sher-Gil and Village Scene)
  11. The Tribune: Amrita Sher-Gil's painting sets world record for the artist, sells for Rs 37.8 cr
  12. IANS: Amrita Sher-Gil's The Story Teller sells for Rs 61.8 crore, highest for any Indian artist (17 September 2023)
  13. AstaGuru: Three Girls, Amrita Sher-Gil, 1935, overview
  14. Auction Daily: Artist to Know, Amrita Sher-Gil
  15. Masterworks: Amrita Sher-Gil, artist profile
  16. Daily News Hungary: Amrita Sher-Gil exhibition opened at UNESCO Headquarters in Paris (26 September 2013)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#amrita sher-gil#national art treasure#antiquities and art treasures act#national gallery of modern art#indian modernism#group of three girls#bride's toilet#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
রাজা রবি বর্মার বোম্বাই প্রেস ১৮৯৪ সালের ১২ জুলাই তার প্রথম ওলিওগ্রাফ শকুন্তলার জন্ম ছাপে, আর তাঁর যশোদা ও কৃষ্ণ ২০২৬ সালে বিক্রি হয়েছে ১৬৭.২ কোটি টাকায়
কিলিমানুরের এক অভিজাত মহারাজাদের জন্য ছবি আঁকলেন, তারপর গড়লেন ছাপাখানা, যাতে লক্ষ্মী বা শকুন্তলার একটি ছবির দাম পড়ে কয়েক টাকা। প্রেসটি কী বানাল, কারা তার যন্ত্র চালাত, সেটি কোথায় সরল, আর আসল ছবিগুলো এখন কোথায় টাঙানো।
পণ্ডিত ভীমসেন জোশী এগারো বছর বয়সে গুরুর খোঁজে বাড়ি ছেড়েছিলেন, ১৯৮৮ সালে মিলে সুর মেরা তুম্হারা গানের শুরুটা গেয়েছিলেন এবং ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর ঘোষিত ভারতরত্ন পেয়েছিলেন
উত্তর কর্ণাটকের এক স্কুলশিক্ষকের ছেলে হিন্দুস্তানি সংগীতের কেন্দ্রগুলোর বাইরে থেকে এসে ঢুকেছিলেন, আর শেষ করেছিলেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান নিয়ে। তাঁর পুরস্কারগুলোর তারিখ, আর যেখানে প্রকাশিত বিবরণে মিল নেই সেই জায়গাগুলো।
জাকির হুসেন বাবা আল্লা রাখার কাছে তবলা শিখেছিলেন, ১৯৭০ সালে রবি শঙ্করের সঙ্গে ফিলমোর ইস্টে বাজিয়েছিলেন, শক্তি গড়েছিলেন আর ২০২৪ সালে এক রাতে তিনটি গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন
এক তবলাবাদকের ছেলে, যিনি বারো বছর বয়সে সফরে বেরিয়েছিলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার এক গোলাবাড়িতে ঢোলবাদকদের আসর, এক ইংরেজ গিটারবাদকের সঙ্গে ফিউশন দল, আর তাঁর তিনটি পদ্ম পুরস্কারের গেজেট বিজ্ঞপ্তি। গ্র্যামির গোনাগুনতি সূত্রভেদে আলাদা, আর এই লেখায় তার কারণ বলা আছে।
← সব লেখা