Skip to content
রাজা রবি বর্মার বোম্বাই প্রেস ১৮৯৪ সালের ১২ জুলাই তার প্রথম ওলিওগ্রাফ শকুন্তলার জন্ম ছাপে, আর তাঁর যশোদা ও কৃষ্ণ ২০২৬ সালে বিক্রি হয়েছে ১৬৭.২ কোটি টাকায়
শিল্প ও চলচ্চিত্র

রাজা রবি বর্মার বোম্বাই প্রেস ১৮৯৪ সালের ১২ জুলাই তার প্রথম ওলিওগ্রাফ শকুন্তলার জন্ম ছাপে, আর তাঁর যশোদা ও কৃষ্ণ ২০২৬ সালে বিক্রি হয়েছে ১৬৭.২ কোটি টাকায়

ছবি: Raja Ravi Varma / Wikimedia Commons, Public domain (ছাঁটা)

বাংলা

রাজা রবি বর্মা ১৮৪৮ সালে কিলিমানুরে জন্মেছিলেন, ১৮৭৩ সালে মাদ্রাজে প্রথম পুরস্কার পান আর ১৮৯৪ সালে বোম্বাইয়ে একটি লিথোগ্রাফিক প্রেস শুরু করেন। দেবদেবী আর শকুন্তলার রঙিন ছাপা ছবি পৌঁছে গিয়েছিল এমন সব ঘরে, যেখানে আসল ছবি কেনা কোনোদিনই সম্ভব হত না। ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁর একটি তেলচিত্র নিলামে বিক্রি হয়েছে ১৬৭.২ কোটি টাকায়।

· · 7 মিনিটের পাঠ

আউটলুক বিজনেসের খবর অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল মুম্বইয়ে সাফ্রনআর্টের এক নিলামে রাজা রবি বর্মার যশোদা ও কৃষ্ণ বিক্রি হয়েছে ১৬৭.২০ কোটি টাকায় (১৭,৯৭৮,৪৯৫ মার্কিন ডলার), আগাম অনুমান ছিল ৮০ থেকে ১২০ কোটি টাকা। ছবিটি ১৮৯০-এর দশকের একটি তেলচিত্র, যাতে যশোদা গরুর দুধ দুইছেন আর শিশু কৃষ্ণ দুধভরা একটি পানপাত্রের দিকে হাত বাড়াচ্ছে। যে শিল্পী ছবিটি এঁকেছিলেন, তিনি ১৮৯৪ সালে বোম্বাইয়ে একটি ছাপাখানাও খুলেছিলেন, আর ওপেন ম্যাগাজিন জানাচ্ছে, সেখানকার দেবদেবীর রঙিন ছাপা ছবি বিক্রি হত মাত্র ২ টাকা দামেও।

২০২৬ সালের এপ্রিলের রেকর্ড বিক্রি

আউটলুক বিজনেস জানিয়েছে, ক্রেতা ছিলেন সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. সাইরাস এস পুনাওয়ালা, যিনি বলেছেন ছবিটি মাঝেমধ্যে জনসাধারণকে দেখানো উচিত। একটি ভারতীয় শিল্পকর্মের আগের নিলাম রেকর্ড গড়েছিল তার আগের বছর, এম. এফ. হুসেনের শিরোনামহীন (গ্রাম যাত্রা), ১১৮ কোটি টাকার বেশিতে। বিক্রিটি নিয়ে দ্য প্রিন্টের বিবরণেও একই অঙ্ক আছে।

গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচারের একটি ফিচার বলছে, ভারত সরকার ১৯৭৯ সালে রবি বর্মাকে জাতীয় শিল্প সম্পদ ঘোষণা করে এবং তাঁর ছবি রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। ১৯৭২ সালের অ্যান্টিকুইটিজ অ্যান্ড আর্ট ট্রেজারস অ্যাক্ট অনুযায়ী, শিল্প সম্পদ হল এমন একটি কাজ, যা কেন্দ্রীয় সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করেছে, আর কেন্দ্রীয় সরকার বা তার অনুমোদিত কোনো সংস্থা ছাড়া কেউ সেটি রপ্তানি করতে পারে না।

কিলিমানুর থেকে ১৮৭৩ সালের মাদ্রাজ পুরস্কার

কেরল পর্যটন তাঁর জীবনকাল দিয়েছে ১৮৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল থেকে ১৯০৬ সালের ২ অক্টোবর, আর জন্মস্থান ধরেছে ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যের অভিজাত পরিবারে কিলিমানুর। মডার্নিস্ট জার্নালস প্রজেক্টের জীবনীর মতে, মহারাজা আয়িলিয়াম তিরুনাল তাঁকে ১৪ বছর বয়সে ত্রিবাঙ্কুর প্রাসাদে নিয়ে যান, যেখানে একজন প্রাসাদ-চিত্রকর তাঁকে জলরং শেখান আর পরে ব্রিটিশ শিল্পী থিওডোর জেনসেন শেখান তেলরং। ওপেন ম্যাগাজিন যোগ করেছে, জেনসেন তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে শেখাতে রাজি হননি, দেখতে দিয়েছিলেন।

প্রথম নথিভুক্ত পুরস্কার আসে ১৮৭৩ সালে। মডার্নিস্ট জার্নালস প্রজেক্ট বলছে, সে বছর মাদ্রাজের চিত্র প্রদর্শনীতে তিনি প্রথম পুরস্কার জিতেছিলেন, আর তাঁর এক বংশধরের তৈরি একটি সাইট বলছে তার সঙ্গে ছিল গভর্নরের সোনার পদক। দ্য প্রিন্ট ছবিটির নাম দিয়েছে নায়ার নারী নিজের চুল সাজাচ্ছেন।

ভিয়েনা নিয়ে বিবরণগুলো ভিন্ন। মডার্নিস্ট জার্নালস প্রজেক্টের একটি জীবনী বলছে, ১৮৭৩ সালের ভিয়েনা প্রদর্শনীতে জিতে তিনি বিশ্বখ্যাত হন। দ্য প্রিন্ট তার লেখায় বলেছে প্রথম পুরস্কার, অথচ একই ছবির ফটো-ক্যাপশনে বলেছে সার্টিফিকেট অব মেরিট। তুপুত ভিয়েনার এমন কোনো নথি পায়নি যাতে পুরস্কারের নাম আছে, তাই এই লেখা ভর করেছে মাদ্রাজের ওপর, যে পুরস্কারের কথা একাধিক সূত্র একমত হয়ে বলেছে।

১৮৯৩ সালের শিকাগোও দুই রকমে জানানো হয়েছে। গণেশ শিবস্বামী ফাউন্ডেশনের গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার ফিচার বলছে, তিনি ওয়ার্ল্ডস কলম্বিয়ান এক্সপোজিশনে দশটি ছবি পাঠিয়েছিলেন এবং দুটি পদক ও একটি ডিপ্লোমা পেয়েছিলেন, আর বংশধরের সময়রেখা বলছে তিনটি সোনার পদক।

বরোদার প্রাসাদের জন্য চৌদ্দটি ছবি

বরোদার গাইকোয়াড় তৃতীয় সায়াজিরাও নতুন লক্ষ্মী বিলাস প্রাসাদের দরবার হলের জন্য চৌদ্দটি পৌরাণিক ছবির বরাত দিয়েছিলেন। স্ক্রল.ইন উটিতে সেই সাক্ষাৎ ১৮৮৮ সালে বলছে এবং জানাচ্ছে বিষয় ছিল ভাগবত পুরাণ থেকে কৃষ্ণের লীলা এবং রামায়ণ ও মহাভারতের নানা পর্ব। গণেশ শিবস্বামী ফাউন্ডেশন বরাতের সময় বলছে ১৮৮৯। দুই সূত্রই বলছে ছবিগুলো কিলিমানুরে আঁকা হয়েছিল তাঁর ভাই সি. রাজা রাজা বর্মা আর বোন মঙ্গলাবাই থাম্পুরাট্টির সাহায্যে।

স্ক্রল.ইনের বিবরণে রাজা রাজা বর্মা ছিলেন পৌরাণিক ছবিগুলোর প্রকৃতিদৃশ্য আর পটভূমির শিল্পী এবং আজীবন সহযোগী, আর তাঁর ডায়েরি শিল্পীর জীবনের শেষ ভাগের অন্যতম প্রধান সূত্র। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে, বরোদার মহারাজা ফতেহ সিং মিউজিয়ামে রবি বর্মার সেই সব কাজ দেখানো হয়, যেগুলোর বরাত মহারাজা দিয়েছিলেন, তার মধ্যে আছে পৌরাণিক দৃশ্য আর রাজকীয় প্রতিকৃতি। তাঁর অনেক বিষয়ের পেছনের মহাকাব্যটি ব্যাখ্যা করা আছে মহাভারত কী লেখায়, আর শকুন্তলার কবি, যে নায়িকার কাছে তিনি একাধিকবার ফিরে গিয়েছিলেন, তাঁর কথা আছে কালিদাস, শকুন্তলার কবি লেখায়।

প্রেস: ১২ জুলাই ১৮৯৪

দ্য প্রিন্টে ম্যাপ একাডেমির উদ্ধৃতাংশ আর ওপেন ম্যাগাজিন অনুযায়ী, ১৮৮৪ সালে ত্রিবাঙ্কুরের প্রাক্তন দেওয়ান টি. মাধব রাও পরামর্শ দেন, রবি বর্মা যেন তাঁর ছবি ইউরোপে ওলিওগ্রাফ হিসেবে ছাপিয়ে নেন। ওলিওগ্রাফ হল এমন একটি রঙিন লিথোগ্রাফ, যার ওপর বার্নিশ করা হয় যাতে তা তেলচিত্রের মতো দেখায়। প্রায় দশ বছর এই ধারণা থেকে কিছু হয়নি।

১৮৯৪ সালে বোম্বাইয়ে খুলল রবি বর্মা ফাইন আর্ট লিথোগ্রাফিক প্রেস। ওপেন আর দ্য প্রিন্ট সেটিকে বসায় গিরগাঁওয়ে, যদিও বংশধরের সময়রেখা বলছে ঘাটকোপার। ওপেন বলছে রাজা রাজা বর্মা সেটি গড়েছিলেন বোম্বাইয়ের শিল্পপতি গোবর্ধনদাস খাটাউ মাখনজির সঙ্গে, আর গণেশ শিবস্বামী ফাউন্ডেশন বলছে এই অংশীদারি তিনিই ঠিক করেছিলেন। ওপেন শুরুর বিনিয়োগ ধরেছে ৫০,০০০ টাকা; শিবস্বামী ফাউন্ডেশন যোগ করেছে, মহারাজার ৫০,০০০ টাকা এর খরচ জোগাতে যথেষ্ট ছিল না।

প্রথম ছাপা ছিল শকুন্তলার জন্ম-এর একটি ক্রোমোলিথোগ্রাফ, প্রায় ১৮৯০ সালের একটি ছবি থেকে করা, যেটি এখন শিবস্বামী ফাউন্ডেশনের কাছে আছে। তার তালিকাভুক্তিতে ছাপাটির সূচনা ১২ জুলাই ১৮৯৪ বলা আছে। ওপেনের মতে সেটি বিক্রি হত ৬ টাকায়, আর লক্ষ্মী ও সরস্বতী এল প্রতিটি ২ টাকায়; দ্য প্রিন্ট ওপেনকে উদ্ধৃত করে একই অঙ্ক বলেছে। ওপেন যোগ করেছে, প্রতিটি ছবির জন্য লাগত সাত থেকে ৩০টি লিথোগ্রাফিক পাথর।

রঙের পেছনের জার্মান হাত

রাজা রবি বর্মা হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের একটি গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার গল্প বলছে, ফ্রিৎস শ্লাইশার নামে এক জার্মান মুদ্রক শুরু থেকেই কারিগরি দিক নিয়ন্ত্রণ করতেন। পাথরের ওপর মূর্তি আঁকায় তিনি ছিলেন দক্ষ এবং বাষ্পচালিত যন্ত্রগুলো বসিয়েছিলেন। দ্বিতীয় এক জার্মান, পি. গেরহার্ট, ছবি পাথরে তুলে দিতেন এবং পাতাভরা পটভূমির জন্য পরিচিত ছিলেন। গল্পটি বলছে, দোকানের কাজের ভাষা ছিল জার্মান, পাথরের ওপরকার চিহ্নেই তা বোঝা যায়, আর দুটি যন্ত্রে ঘণ্টায় ৮০০টি পর্যন্ত ছাপ তোলা যেত। গল্পটি প্রেসটিকে কিছুকাল ভারতের সবচেয়ে বড় ছবি-ছাপার প্রতিষ্ঠান বলেছে।

দ্য প্রিন্টের উদ্ধৃতাংশ অনুযায়ী প্রেসের জন্য যেসব শিল্পী কাজ করেছেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন এম. ভি. ধুরন্ধর, জি. ভি. ভেঙ্কটেশ রাও এবং দাদাসাহেব ফালকে, যাঁর পরের কাজের কথা বলা আছে দাদাসাহেব ফালকে ও প্রথম ভারতীয় ছবি লেখায়।

স্থানান্তর, একটি বিক্রি আর একটি আগুন, তারিখগুলো যেখানে মেলে না

প্রেসটি গিরগাঁও ছেড়ে গেল বোম্বাইয়ের শহরতলি ঘাটকোপারে, তারপর লোনাভালার কাছে মালাভলিতে। ওপেন আর দ্য প্রিন্ট কারণ হিসেবে বোম্বাইয়ের প্লেগের কথা বলেছে। তারিখ নিয়ে, দ্য প্রিন্টে ঘাটকোপার ১৮৯৮ সালে আর মালাভলি ১৯০১ থেকে, বংশধরের সময়রেখায় লোনাভালা ১৮৯৯ সালে, আর হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বলছে ১৮৯৮ থেকে ১৯০১-এর মধ্যে প্রেসটি অন্তত দুবার খুলে নিয়ে আবার বসানো হয়েছিল।

গণেশ শিবস্বামী ফাউন্ডেশন শ্লাইশারের কাছে বিক্রির তারিখ বলছে ২০ জুলাই ১৯০১। দ্য প্রিন্টেও ১৯০১, ২৫,০০০ টাকায়, শতাধিক ছবি পুনর্মুদ্রণের অনুমতিসহ, আর ওপেন বলছে ১৯০৩। হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বলছে শ্লাইশার ও এক অংশীদার শ্রীরাম পন্ত ১৯০১ সালে প্রেসটি ইজারা নেন, আর তাঁর মালিক হওয়ার সাল দিয়েছে ১৯০৩। দ্য প্রিন্ট বলছে তিনি এর নাম রাখেন এফ.এ.এল. প্রেস, বোম্বাই, আর যোগ করেন ক্রিসমাস কার্ড, পোস্টকার্ড, বিজ্ঞাপন আর লেবেল। ওপেনের বিবরণে তিনি কপিরাইট রাখতেন এবং ছাপাগুলো ব্যবহার করতেন বিজ্ঞাপন আর ক্যালেন্ডারে।

শেষের বিবরণগুলো আলাদা। দ্য প্রিন্টের উদ্ধৃতাংশ আর বংশধরের সময়রেখা লোনাভালার কারখানায় আগুন বসায় ১৯৭২ সালে। ওপেনে আছে ১৯৭৩ সালের আগুনের পর সাময়িক বন্ধ আর ১৯৮০ সালে সমাপ্তি। দ্য প্রিন্ট বলছে প্রেস বন্ধ হয় ১৯৭৫ সালে এবং এর অবশিষ্ট ছাপা ও মূল পাথরগুলো নিলামে বিক্রি হয় ২০০০ সালে।

ছাপাগুলো কী করেছিল, আর সমালোচকেরা কী বলেছেন

কেমব্রিজের মিউজিয়াম অফ আর্কিওলজি অ্যান্ড অ্যানথ্রোপলজির কাছে আছে ভারতের দেবদেবী নামে ২৩টি ছাপার একটি সিরিজ, আই. এইচ. এন. ইভান্সের সংগ্রহ করা, আনুমানিক ১৯১৫ সালের, প্রতিটিতে লেখা “Ravi Varma Press. Karla Lonavla.”। জাদুঘরটি ইতিহাসবিদ ক্রিস্টোফার পিনিকে উদ্ধৃত করে বলেছে, সেটের কালী ছাপাটির “শিল্পী রবি বর্মার সঙ্গে স্পষ্টতই কোনো প্রত্যক্ষ সংযোগ নেই”। প্রেসের আরও ছাপা আছে ওয়েলকাম কালেকশনে, যার তালিকা বলছে, একটির, বিশ্বামিত্র তাঁর নবজাত কন্যাকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন, বিন্যাস ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়ামের একটি রুপোর জলপাত্রের একটি ফলকের নকশার আদর্শ হয়েছিল, যা বিদ্যা দেহেজিয়া ২০২২ সালের অক্টোবরের বার্লিংটন ম্যাগাজিনে দেখিয়েছেন।

জেস্টোর ডেইলি দুজন গবেষকের কথা সংক্ষেপে বলেছে। পিনি ১৯৯৭ সালে যুক্তি দিয়েছিলেন যে প্রেসটি হিন্দু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ধারণা ছড়িয়েছিল এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তারা নতুন এই মাধ্যমকে বলতেন “ছাপা জাতীয়তাবাদ”। জ্যাকবসেন ২০০৪ সালে রবি বর্মাকে বলেছিলেন “ঈশ্বর-পোস্টার শিল্পের” প্রতিষ্ঠাতা।

সমালোচকেরা সোজাসুজিই বলেছেন। কেউ কেউ কাজটিকে বলেছেন “বাজারি শিল্প”, জানাচ্ছে গণেশ শিবস্বামী ফাউন্ডেশন। আনন্দ কুমারস্বামী ১৯১৪ সালের ১৬ এপ্রিল দ্য নিউ এজ-এ লিখতে গিয়ে রবি বর্মাকে অমার্জিত বলেছিলেন, অংশটি মডার্নিস্ট জার্নালস প্রজেক্ট পুনর্মুদ্রণ করেছে।

ছবিগুলো কোথায় দেখা যায়

তিরুবনন্তপুরমের রাজা রবি বর্মা আর্ট গ্যালারি, যাকে কেরল পর্যটনের ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের নিউজলেটার বর্ণনা করেছে শ্রী চিত্রা আর্ট গ্যালারির পাশে ১২,০০০ বর্গফুটের বলে, তাতে তাঁর ১৩৪টি কাজ আছে, তার মধ্যে ৪৬টি চিত্র, ১৪টি ওলিওগ্রাফ আর ১৬টি পেনসিল স্কেচ, এবং সেখানে রাজা রাজা বর্মা আর মঙ্গলাবাইয়ের কাজও দেখানো হয়। নিউজলেটার বলছে, এর সময়সূচি মঙ্গলবার থেকে রবিবার, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট, আর বলছে কিলিমানুর প্রাসাদ ১৯৩৫ সালে এর তেলচিত্রগুলো দান করেছিল। নয়াদিল্লির ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্ট, যারা নিজেদের সংগ্রহে ১৭,০৩৯টি শিল্পকর্ম আছে বলে জানায়, তাদের সংগ্রহের অংশ যে দশজন মাস্টার শিল্পীর কাজ, তাঁদের মধ্যে প্রথমে নাম করেছে তাঁর।

ওপেন জানাচ্ছে, চেন্নাইয়ের সি. পি. রামস্বামী আইয়ার ফাউন্ডেশনের কাছে ১৩০টি ওলিওগ্রাফ আছে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. ThePrint, 'How Raja Ravi Varma Press revolutionised printing in modern India' (22 February 2026), excerpt from MAP Academy's Encyclopedia of Art
  2. Open magazine, Nanditha Krishna, 'Raja Ravi Varma: When the Gods Came Home'
  3. Google Arts & Culture, 'Wanderers Between Worlds: Story of the Ravi Varma Press' (The Raja Ravi Varma Heritage Foundation)
  4. Google Arts & Culture, The Ganesh Shivaswamy Foundation story on Ravi Varma and the press
  5. Google Arts & Culture, 'Birth of Shakuntala' (c. 1890), The Ganesh Shivaswamy Foundation
  6. Google Arts & Culture, 'The Classic Trail: Decoding the Art of Investment' (1979 art treasure declaration)
  7. Kerala Tourism newsletter no. 373 (September 2024), Raja Ravi Varma Art Gallery, Thiruvananthapuram
  8. Museum of Archaeology and Anthropology, Cambridge, oleograph of Kali, Ravi Varma Press, Karla Lonavla (Z 44986.7)
  9. Wellcome Collection, chromolithograph of Viswamitra and Shakuntala, Ravi Varma Press (catalogue record 26597i)
  10. Scroll.in (3 August 2020), 'A Family Affair: Few Know About the Artistic Prowess of Raja Ravi Varma's Siblings'
  11. JSTOR Daily, 'Why Is Raja Ravi Varma's Art So Valuable Today?'
  12. Outlook Business (2 April 2026), 'Raja Ravi Varma's Yashoda and Krishna Sells at Record-Breaking Rs 167.20 Crore'
  13. ThePrint, 'Calendar artist to Rs 167 cr sale: how Raja Ravi Varma still defines India's imagination'
  14. Modernist Journals Project, Brown and Tulsa Universities, biography of Raja Ravi Varma
  15. rajaravivarma.org, biography and timeline compiled by a descendant of the painter
  16. National Gallery of Modern Art, New Delhi, collection page
  17. Incredible India (Ministry of Tourism), Maharaja Fateh Singh Museum, Vadodara
  18. Archaeological Survey of India, The Antiquities and Art Treasures Act, 1972 (text)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#raja ravi varma#oleographs#ravi varma press#kilimanoor#indian painting#shakuntala#national art treasure#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
অমৃতা শের-গিল ১৯৪১ সালে ২৮ বছর বয়সে মারা যান, আর ১৯৭৬ সালের ১ ডিসেম্বরের একটি বিজ্ঞপ্তি তাঁর ছবিকে জাতীয় শিল্পসম্পদ ঘোষণা করে, যেগুলো ভারতের বাইরে নিতে সরকারি অনুমতি লাগে
যে শিল্পী ১৯৩৪ সালে ভারতে ফিরে ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরে মারা গিয়েছিলেন, তাঁর কাজ এখন রপ্তানি-নিয়মের আওতায়। আইনের পাঠ, তিনটি ছবি, আর পরের নিলামের দাম, প্রতিটি একটি নামধরা সূত্রে।
কালিদাসের শকুন্তলা ১৭৮৯ সালে ইংরেজিতে ও ১৭৯১ সালে জার্মানে পৌঁছায়, আর গেটে তার উত্তর দেন চার লাইনের এক কবিতায়
মাছের পেটে হারানো আংটির এক নাটক, বর্ষার মেঘকে লেখা এক প্রেমের গীতিকবিতা, আর দেবতা ও রাজাদের নিয়ে দুটি কাব্য: কালিদাসের সংস্কৃত রচনা, এবং তার একটি কীভাবে দুই বছরে কলকাতা থেকে ওয়াইমার পৌঁছাল।
জাকির হুসেন বাবা আল্লা রাখার কাছে তবলা শিখেছিলেন, ১৯৭০ সালে রবি শঙ্করের সঙ্গে ফিলমোর ইস্টে বাজিয়েছিলেন, শক্তি গড়েছিলেন আর ২০২৪ সালে এক রাতে তিনটি গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন
এক তবলাবাদকের ছেলে, যিনি বারো বছর বয়সে সফরে বেরিয়েছিলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার এক গোলাবাড়িতে ঢোলবাদকদের আসর, এক ইংরেজ গিটারবাদকের সঙ্গে ফিউশন দল, আর তাঁর তিনটি পদ্ম পুরস্কারের গেজেট বিজ্ঞপ্তি। গ্র্যামির গোনাগুনতি সূত্রভেদে আলাদা, আর এই লেখায় তার কারণ বলা আছে।
← সব লেখা