অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর সংসদকে জানানো হয়েছে, নতুন জরিপে গুজরাটের উপকূল ২,৩৪০.৬২ কিলোমিটার, অন্য যে-কোনো রাজ্যের চেয়ে দীর্ঘ। পিআরএস লেজিসলেটিভ রিসার্চের হিসাবে ২০২৪-২৫ সালে রাজ্যের মাথাপিছু উৎপাদন ৩,৭১,০১৬ টাকা, ভারতের ২,৩৪,৮৫৯ টাকার বিপরীতে। রাজ্যটি বোম্বাই থেকে গড়ে ওঠে ১৯৬০ সালের ১ মে, আর এখন তার বিধানসভার আসন ১৮২টি ও লোকসভার আসন ২৬টি।
গুজরাটের উপকূলরেখা ভারতের যে-কোনো রাজ্যের চেয়ে দীর্ঘ। ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রক ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর সংসদকে জানিয়েছে, ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক অফিস আর সার্ভে অব ইন্ডিয়ার নতুন জরিপে তা এখন ২,৩৪০.৬২ কিলোমিটার, আগে ছিল ১,২১৪.৭০ কিলোমিটার, তামিলনাড়ুর ১,০৬৮.৬৯ কিলোমিটার আর অন্ধ্রপ্রদেশের ১,০৫৩.০৭ কিলোমিটারের চেয়ে এগিয়ে। এর চেয়ে বেশি আছে কেবল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের, একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের, ৩,০৮৩.৫০ কিলোমিটার। উচ্চ জোয়ারের রেখা ধরে করা একই নতুন মাপে ভারতের মোট উপকূল ৭,৫১৬.৬ কিলোমিটার থেকে বেড়ে হয়েছে ১১,০৯৮.৮১ কিলোমিটার।
২০২৪-২৫ সালে চলতি দামে গুজরাটের অর্থনীতি প্রতিজন বাসিন্দা পিছু ৩,৭১,০১৬ টাকা উৎপাদন করেছে, পিআরএস লেজিসলেটিভ রিসার্চ অনুযায়ী, ভারতের ২,৩৪,৮৫৯ টাকার বিপরীতে, অর্থাৎ প্রায় ৫৮ শতাংশ বেশি। এটি মোট রাজ্য অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিএসডিপি, এক বছরে রাজ্যের উৎপাদিত সবকিছুর মূল্য) জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করা, তাই এতে মাথাপিছু উৎপাদন মাপা হয়, গড় বাসিন্দার আয় নয়। মোট জিএসডিপি ছিল ২৭,০৩,৫১৮ কোটি টাকা। নিচের জনসংখ্যার অঙ্কগুলো ২০১১ সালের জনগণনা থেকে নেওয়া, যাতে গোনা হয়েছিল ৬,০৪,৩৯,৬৯২ জনকে, কারণ পরবর্তী জনগণনা এখনও চলছে।
গুজরাট কীভাবে রাজ্য হল
গুজরাট বর্তমান রূপ পেয়েছে ১৯৬০ সালের ১ মে, বোম্বাই পুনর্গঠন আইন, ১৯৬০-এর নির্ধারিত দিনে। ৩ ধারা বোম্বাই রাজ্যের ১৭টি জেলা, তার মধ্যে আহমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট, কচ্ছ ও বনাসকাঁঠা, আর থানে ও পশ্চিম খান্দেশ জেলার কিছু গ্রাম নিয়ে রাজ্যটি গড়েছে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর রাজ্য-দিবস ব্যাখ্যাপত্র তাকে বর্ণনা করেছে আগের রাজ্যের ১৭টি উত্তরের জেলা থেকে গড়া বলে।
বোম্বাই ১৯৫৬ সাল থেকে ছিল একটিই মিশ্র রাজ্য। ১৯৫৯ সালের ২৮ আগস্ট দেওয়া বাবুলাল পারাতে বনাম বোম্বাই রাজ্য (Babulal Parate v. State of Bombay) মামলার সুপ্রিম কোর্টের রায়ে লেখা আছে, ১৯৫৬ সালের বিলে তিনটি এককের প্রস্তাব ছিল, বোম্বাইয়ের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, মহারাষ্ট্র, আর সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ সহ গুজরাট, কিন্তু সংসদ তার বদলে রাজ্য পুনর্গঠন আইনের ৮(১) ধারায় একটিমাত্র মিশ্র বোম্বাই রাজ্য গঠন করে।
১৯৬০ সালের আইন নির্ধারিত দিন থেকে রাজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে দেয়। ১৩ ধারা গুজরাটকে দিয়েছিল ১৩২ সদস্যের বিধানসভা আর ২৮ ধারা আলাদা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলছে, তা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালের ১ মে, প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি সুন্দরলাল ত্রিকমলাল দেশাই, কাজ শুরু হয় আহমেদাবাদের নবরঙ্গপুরায় আকাশবাণীর কাছে, আর ১৯৯৯ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে বসছে আহমেদাবাদের সোলায়। পিআইবির ব্যাখ্যাপত্র রাজধানী বলেছে আহমেদাবাদের কাছের গান্ধীনগরকে।
গুজরাট কীভাবে শাসিত হয়
বিধানসভায় এখন সরাসরি নির্বাচিত আসন ১৮২টি, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর দ্বিতীয় তফসিল যেমন তালিকা দিয়েছে। ১৯৬০ সালের আইনের ১৯ ধারা প্রথম বিধানসভার ১৩২টি আসন মেয়াদ শেষে বাড়িয়ে ১৫৪ করেছিল, আর পরে নির্বাচনী কেন্দ্রের সীমানা নতুন করে টানার, যাকে বলে সীমানা নির্ধারণ, ফলে তফসিলে এখন ১৮২টি। গুজরাটে একটিমাত্র কক্ষ: আইনের তৃতীয় তফসিল, যা বিধান পরিষদ বা উচ্চকক্ষ আছে এমন রাজ্যগুলোর তালিকা দেয়, তাতে তার নাম নেই। একই আইনের অধীনে রাজ্য লোকসভায় পাঠায় ২৬ জন সদস্য আর সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের অধীনে রাজ্যসভায় ১১ জন। আসন কেন এখনও ১৯৭১ সালের জনগণনা ধরে চলে, তা আমাদের সীমানা নির্ধারণ নির্দেশিকায় ব্যাখ্যা করা আছে।
স্থানীয় প্রশাসনের ক্ষেত্রে ২০১১ সালের জনগণনায় গোনা হয়েছিল ২৬টি জেলা, ২২৫টি উপ-জেলা, ৩৪৮টি শহর ও ১৮,২২৫টি গ্রাম। পিআইবি ২০২৩ সালে জেলা দিয়েছে ৩৩টি, আর অল ইন্ডিয়া রেডিও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি রাজ্য মন্ত্রিসভা বনাসকাঁঠা থেকে কেটে ৩৪তম জেলা ভাভ-থারাদ গড়ার অনুমোদন দিয়েছে।
গুজরাট সরকারি ভাষা আইন, ১৯৬০, যা ১৯৬১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬১ সালের গুজরাট আইন I হিসেবে প্রকাশিত হয়, দেবনাগরি লিপিতে হিন্দি আর গুজরাতিকে সরকারি কাজের ভাষা করেছে, রাজ্য সরকার অন্যভাবে বিজ্ঞপ্তি দিলে সেটা ছাড়া। এমন যে-কোনো বিজ্ঞপ্তি আইনসভার সামনে রাখতে হয়, আর আইনসভা তা বদলাতে পারে।
সংবিধানে গুজরাটের নিজস্ব একটি লাইনও আছে। ৩৭১(২) অনুচ্ছেদ, ১৯৬০ সালের ১ মে থেকে কার্যকর করে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের জন্য নতুন করে লেখা, রাষ্ট্রপতিকে আদেশ দিয়ে রাজ্যপালকে সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ ও গুজরাটের বাকি অংশের জন্য আলাদা উন্নয়ন পর্ষদের বিশেষ দায়িত্ব দিতে দেয়। একই দায়িত্বের মধ্যে পড়ে ওই অঞ্চলগুলোর মধ্যে “উন্নয়নমূলক ব্যয়ের জন্য তহবিলের ন্যায্য বণ্টন”, আর কারিগরি শিক্ষা ও রাজ্যের চাকরিতে ন্যায্য সুযোগ। প্রতিটি পর্ষদের প্রতিবেদন প্রতি বছর বিধানসভায় যায়। ৩৭১ অনুচ্ছেদ নিয়ে আমাদের নির্দেশিকা অন্য রাজ্যগুলোর ধারার পাশে এটিকে রেখেছে।
গুজরাটের অর্থনীতি কী দিয়ে গড়া
পিআরএসের অনুমান, ২০২৪-২৫ সালে চলতি দামে গুজরাটের অর্থনীতির ১৯.৫ শতাংশ কৃষি, ৪৩.৯ শতাংশ উৎপাদন শিল্প আর ৩৬.৬ শতাংশ সেবা, আর বাস্তব জিএসডিপি বেড়েছে ৭.৪ শতাংশ, ভারতের ৬.৫ শতাংশের বিপরীতে।
সেই উৎপাদনের অনেকটা বহন করে কারখানা। পরিসংখ্যান মন্ত্রক ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট ২০২৩-২৪ সালের যে বার্ষিক শিল্প সমীক্ষা প্রকাশ করেছে, তাতে গুজরাটের ছিল দেশের স্থায়ী মূলধনের ১৯.৫৩ শতাংশ, আর কারখানার উৎপাদনের ১৭.২২ শতাংশ তৈরি করেছে সে, রাজ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ভাগ। মোট সংযোজিত মূল্যে (উৎপাদন থেকে উপকরণের খরচ বাদ দিলে যা থাকে) তার ১৪.২০ শতাংশ ছিল মহারাষ্ট্রের ১৫.৯৫ শতাংশের পরে দ্বিতীয়।
২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পেশ করা রাজ্যের ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে রাজস্ব প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ২,৭১,৬০২ কোটি টাকা, যার ৭১ শতাংশ রাজ্যের নিজের তোলা আর ২৯ শতাংশ কেন্দ্রের কাছ থেকে আসা বলে গুনেছে পিআরএস। রাজ্যের নিজের কর রাজস্বের ৪৯ শতাংশ রাজ্য জিএসটি। লক্ষ্য রাখা হয়েছে জিএসডিপির ০.৮ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত ও ২ শতাংশ রাজকোষ ঘাটতির, বছরের শেষে বকেয়া সরকারি ঋণ জিএসডিপির ১৪.৭ শতাংশ। ২০২৬-৩১ সালের প্রতিবেদনের ৮.৯ সারণিতে ষোড়শ অর্থ কমিশন কেন্দ্রীয় করের রাজ্যগুলোর ভাগের ৩.৭৫৫ শতাংশ দিয়েছে গুজরাটকে। কমিশন এ-ও উল্লেখ করেছে, পাওয়ার ফিন্যান্স কর্পোরেশনের পরপর চার বছরের বার্ষিক মূল্যায়নে রাজ্যের সরকারি মালিকানাধীন চারটি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির সবকটিই সেরা ১০টি সংস্থার মধ্যে ছিল।
গান্ধীনগরের গিফট সিটি ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক আর্থিক পরিষেবা কেন্দ্র, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০০৫-এর অধীনে গড়া। পিআইবির ২০২৫ সালের নভেম্বরের ব্যাখ্যাপত্র বলছে, তার নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক পরিষেবা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ, ২০১৯ সালের একটি আইনে গড়া আর কাজ করছে ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে, এমন কেন্দ্রের জন্য রিজার্ভ ব্যাংক, সেবি, বিমা নিয়ন্ত্রক ও পেনশন নিয়ন্ত্রকের হাতে যে ক্ষমতা ছিল তা নিয়ে। তাতে অন্তত ১,০৩৪টি নিবন্ধিত সংস্থা আর ১০০.১৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদের ৩৮টি ব্যাংক গোনা হয়েছে।
গুজরাটকে যা আলাদা করেছে
পিআইবি এশিয়াটিক সিংহকে বর্ণনা করে কেবল গুজরাটের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে পাওয়া যায় বলে। ২০২৫ সালের বিশ্ব সিংহ দিবসের তাদের বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৫ সালের মে মাসের অনুমান ৮৯১টি সিংহ, ২০২০ সালের ৬৭৪টি থেকে বেশি, সৌরাষ্ট্রের ১১টি জেলায় প্রায় ৩৫,০০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে ছড়ানো। পোরবন্দর ও দেবভূমি দ্বারকা জেলার বারদা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে ২০২৩ সালে সিংহরা নিজে থেকে পৌঁছানোর পর ছিল ১৭টি। গির সিংহদের নিয়ে আমাদের বিবরণ রোগ ও স্থানান্তর নিয়ে বিতর্কগুলো ধরেছে।
গুজরাটের সবচেয়ে পরিচিত দুগ্ধ সমবায়ের শুরু হয়েছিল এক ধর্মঘট দিয়ে। কাইরা জেলার যে চাষিরা বোম্বাই মিল্ক স্কিমে সরবরাহকারী ঠিকাদারদের কাছে দুধ বেচতেন, তাঁরা ১৯৪৬ সালের ৪ জানুয়ারি সামারখা গ্রামের এক সভায় গ্রামভিত্তিক সমিতি গড়ার সিদ্ধান্ত নেন, আর অমূল ডেয়ারির ইতিহাস বলছে এরপর ১৫ দিনের দুধ ধর্মঘট হয়। কাইরা জেলা সমবায় দুগ্ধ উৎপাদক ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয় ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর। ১৯৪৮ সালের জুনে দুটি গ্রাম সমিতির দিনে প্রায় ২৫০ লিটার দুধ নিয়ে তা পাস্তুরিত করা শুরু করে, আর ন্যাশনাল ডেয়ারি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গড়া হয় ১৯৬৫ সালে আনন্দে। ভার্গিস কুরিয়েন ও অপারেশন ফ্লাড বলে তার পরে কী ঘটল।
রাজ্যটি ভারতের বেশিরভাগ লবণও তৈরি করে। ভারতীয় খনি ব্যুরো, লবণ কমিশনারের সূত্র দিয়ে, ২০২১-২২ সালে ভারতের ২৬৬ লক্ষ টনের মধ্যে ২২৭.৬৪ লক্ষ টন দিয়েছে গুজরাটকে, অর্থাৎ ৮৫ শতাংশ। ১৯৩০ সালে গান্ধীর পদযাত্রা শেষ হয়েছিল এই উপকূলের ডান্ডিতে, সে কাহিনী বলা আছে লবণ করের উপর আমাদের লেখায়।
এক শুষ্ক রাজ্য আর আদালতে একটি বিচারাধীন চ্যালেঞ্জ
সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ বলে, রাষ্ট্র “চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়া মাদক পানীয়ের ভোগ নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করবে”। বোম্বাই পুনর্গঠন আইনের ৮৭ ধারা ১৯৬০ সালের ১ মের আগে বলবৎ আইনগুলোকে একই ভূখণ্ডে প্রযোজ্য রেখেছিল। এখন গুজরাট নিষিদ্ধকরণ আইন, ১৯৪৯ নামে পরিচিত আইনটি রাজ্যের চেয়ে পুরোনো।
গুজরাট হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনগুলো আইনটির ভোগের উপর নিষেধাজ্ঞাকে স্পষ্টতই খেয়ালখুশি বলে আর ২০১৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের পুট্টাস্বামী রায়ে স্বীকৃত গোপনীয়তার অধিকারের লঙ্ঘন বলে চ্যালেঞ্জ করেছে। রাজ্য আপত্তি তুলেছিল যে বোম্বাই রাজ্য বনাম এফ. এন. বালসারা (State of Bombay v. F.N. Balsara) মামলায়, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট আইনটির কয়েকটি ধারা বহাল রেখেছিল, হাইকোর্ট তার উপর আপিল আদালত হিসেবে বসতে পারে না। আবেদনকারীরা জবাব দেন, বালসারায় চ্যালেঞ্জ সীমিত ছিল ওষুধ ও প্রসাধনী প্রস্তুতিতে। ২০২১ সালের ২৩ আগস্ট প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনগুলো গ্রহণযোগ্য বলে রায় দেয় আর চূড়ান্ত শুনানির জন্য ১২ অক্টোবর তালিকাভুক্ত করে। চূড়ান্ত কোনো রায়ের প্রতিবেদন আমরা পাইনি।
এরপর কী
পিআইবি বলছে, গিফট সিটি, এখন প্রায় ১,০০০ একর, সম্প্রসারিত হচ্ছে ৩,৩০০ একরের বেশিতে। ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছে ১,০৭,১৬০ কোটি টাকা, ২০২৫-২৬ সালের সংশোধিত অনুমানের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি।
পিআরএস আরও উল্লেখ করেছে, নিয়ন্ত্রক ও মহা হিসাবপরীক্ষক ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত গুজরাটের সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও প্যারামেডিকের ২৩ শতাংশ ঘাটতির কথা জানিয়েছে, আর বাজেট স্বাস্থ্যে রেখেছে ৭.১ শতাংশ, জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি, ২০১৭-এর সুপারিশ করা ৮ শতাংশের বিপরীতে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Press Information Bureau, Ministry of Earth Sciences: Parliament question on the coastline of the country (4 December 2025)
- PRS Legislative Research: Gujarat Budget Analysis 2026-27 (6 March 2026)
- The Bombay Reorganisation Act, 1960 (Act 11 of 1960), as hosted by Casemine
- The Constitution of India, Legislative Department pocket edition as on May 2022 (Article 47, Article 371, Fourth Schedule)
- The Representation of the People Act, 1950, First to Third Schedules (copy hosted by the Telangana High Court)
- Supreme Court of India: Babulal Parate v. State of Bombay, judgment of 28 August 1959
- Census of India 2011: Primary Census Abstract, Figures at a Glance, Gujarat
- High Court of Gujarat: About the High Court
- The Gujarat Official Languages Act, 1960 (Gujarat Act I of 1961), text as hosted by Universite Laval
- Press Information Bureau: Gujarat Statehood Day explainer (1 May 2023)
- All India Radio News: Gujarat government approves creation of new district named Vav-Tharad (1 January 2025)
- Press Information Bureau, MoSPI: Annual Survey of Industries (ASI) Results for 2023-24 (27 August 2025)
- Sixteenth Finance Commission: Report for 2026-31, Volume I (Chapter 8, Table 8.9; Chapter 13, Case Study 1)
- Press Information Bureau: Smart Finance, Smart Future, GIFT City explainer (28 November 2025)
- Amul Dairy (Kaira District Co-operative Milk Producers' Union): History
- Indian Bureau of Mines, Indian Minerals Yearbook 2022: Salt (advance release, March 2024)
- Press Information Bureau: World Lion Day 2025 celebrations at Barda Wildlife Sanctuary (10 August 2025)
- LiveLaw: Gujarat High Court holds petitions challenging liquor prohibition law as maintainable (23 August 2021)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।