Skip to content
মেঘালয়ের নংরিয়াতের ডাবল ডেকার রুট ব্রিজ, খাসি গ্রামবাসীরা আনুমানিক ২০০ বছর ধরে যা গড়ে তুলেছেন, টাইরনা থেকে প্রায় ৩,৫০০ পাথরের ধাপের ৩ কিলোমিটারের পথে পৌঁছনো যায়
ভ্রমণ

মেঘালয়ের নংরিয়াতের ডাবল ডেকার রুট ব্রিজ, খাসি গ্রামবাসীরা আনুমানিক ২০০ বছর ধরে যা গড়ে তুলেছেন, টাইরনা থেকে প্রায় ৩,৫০০ পাথরের ধাপের ৩ কিলোমিটারের পথে পৌঁছনো যায়

ছবি: PJeganathan / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

মেঘালয় ট্যুরিজম টাইরনা থেকে নংরিয়াতের হাঁটাপথ প্রায় ৩ কিলোমিটার বলে জানিয়েছে, চেরাপুঞ্জি ১৫ কিলোমিটার দূরে, আর শুকনো মরসুম অক্টোবর থেকে মার্চ। জীবন্ত শিকড়ের সেতুগুলোর জন্য ভারতের ইউনেস্কো সম্ভাব্য তালিকায় ৭২টি এন্ট্রির একটি নংরিয়াত, যার মনোনয়ন ভারত ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দিয়েছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পাহাড়ের নংরিয়াতে উমশিয়াং ডাবল ডেকার রুট ব্রিজে পৌঁছতে হয় টাইরনা গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে। মেঘালয় ট্যুরিজম পথটিকে বর্ণনা করেছে প্রায় ৩,৫০০ পাথরের ধাপ বেয়ে ৩ কিলোমিটারের হাঁটা হিসেবে, আর সবচেয়ে কাছের শহর চেরাপুঞ্জি (সোহরা) প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। নিচের প্রতিটি দূরত্ব, মরসুম আর যোগাযোগের তথ্য রাজ্য পর্যটন পর্ষদের পাতা থেকে নেওয়া, ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর যেমন পড়া হয়েছে।

যেখানে হেঁটে পৌঁছনো

সেতুটি ফিকাস ইলাস্টিকার, অর্থাৎ ভারতীয় রাবার ডুমুরের, বায়বীয় শিকড় দিয়ে গড়া, যা খাসি গ্রামবাসীরা একটি ঝরনার ওপর দিয়ে চালিয়ে নিয়েছিলেন, শিকড় মোটা হয়ে হাঁটার পথ হয়ে ওঠা পর্যন্ত। স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন ২০২৬ সালের মার্চের এক প্রবন্ধে এর দুটি তলার দৈর্ঘ্য ৮০ ফুট ও ৬০ ফুট দিয়েছে, মাউসাউ নদীর ওপর একটি রাবার গাছ থেকে বেড়ে ওঠা, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,২৯৩ ফুট উচ্চতায়। স্মিথসোনিয়ান জানিয়েছে, ওপরের দ্বিতীয় তলাটি যোগ করা হয়েছিল নিচেরটি বন্যায় ডুবে গিয়ে পার হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর।

একই প্রবন্ধ সেতুর বয়স প্রায় ২০০ বছর বলেছে। এটি একটি অনুমান। মিউনিখের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির নেতৃত্বে ২০১৯ সালের একটি জরিপ, সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত, নংরিয়াতের এমন একটি সেতু নথিভুক্ত করেছে যার বয়স, যাঁরা তার রক্ষণাবেক্ষণ করেন সেই বাসিন্দাদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ২০০ বছর। জীবন্ত সেতু নতুন শিকড় নিতে থাকে, তাই তার কোনো একক সমাপ্তির তারিখ নেই। এই সেতুগুলো বয়সের সঙ্গে কেন শক্ত হয়, তার বিজ্ঞান আছে মেঘালয়ের গড়ে তোলা সেতু নিয়ে আমাদের লেখায়।

টাইরনা থেকে পথ

মেঘালয় ট্যুরিজম বলছে, টাইরনার কাছে উপত্যকার কিনারা থেকে শুরু করে প্রায় ৩,৫০০ ধাপ নামতে হয়। নংরিয়াতে পৌঁছনোর বিষয়ে পর্ষদের নিজের লেখা বলে প্রায় ৩,০০০ পাথরের ধাপ, অর্থাৎ সরকারি পাতাগুলোতেই ধাপের সংখ্যা আনুমানিক। তার জীবন্ত শিকড়ের সেতু পাতা হাঁটাকে ৩ কিলোমিটার বলে বর্ণনা করেছে, যার পথে প্রাকৃতিক জলাশয়, জলপ্রপাত আর হ্রদ পড়ে, আর নংরিয়াতের পাতা পথে দুলন্ত ঝুলন্ত সেতুর কথা বলেছে। সেতু যেহেতু নিচে, ফেরার পথ একই ধাপগুলো বেয়ে ওপরে ওঠা।

পথের মুখে পৌঁছতে চেরাপুঞ্জি থেকে টাইরনা পর্যন্ত ট্যাক্সি নিতে হয়, যা পর্ষদের হিসেবে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আর ১৫ কিলোমিটার। যে বিমানবন্দরগুলোর নাম সে করেছে সেগুলো গুয়াহাটি, প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার দূরে, আর শিলং, প্রায় ৮৯ কিলোমিটার। হাঁটার জন্য সে পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় গাইড বা এমন সঙ্গী, যিনি পথ, ভূপ্রকৃতি আর ভাষা জানেন। সেতু ছাড়িয়ে পর্ষদ রেনবো জলপ্রপাতকে আরও প্রায় এক ঘণ্টার পথ বলে তালিকাভুক্ত করেছে। স্মিথসোনিয়ান লিখেছে, নংরিয়াতের অনেক বাসিন্দা এখন নামার পথে গাইডের কাজ করেন।

কখন যাবেন

অক্টোবর থেকে মার্চ, শুকনো মরসুম, মেঘালয় ট্যুরিজম এই ট্রেকের জন্য যে সময়টি সুপারিশ করে। বর্ষার জন্য তার সাধারণ দর্শনার্থী-নির্দেশে আছে জলরোধী ব্যাগ ও জ্যাকেট, পিছল-রোধী জুতো আর দ্রুত শুকোয় এমন পোশাক সঙ্গে রাখা, প্রতিদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখা, আর ভারী বৃষ্টি ও ধসের সতর্কতা মানা। শীতের জন্য সে গরম পোশাক পরতে আর আগে থেকে থাকার জায়গা বুক করতে বলেছে, কারণ তখন ভিড়ের মরসুম।

বর্ষায় সেতুর নিচের নদীগুলো সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। স্মিথসোনিয়ান সময়টা সাধারণত জুন ও জুলাই বলেছে এবং উত্তাল নদী, আকস্মিক বন্যা আর ধসের কথা লিখেছে। প্রবন্ধের লেখক দেখেছেন একটি তরুণ শিকড়ের সেতু বর্ষার ধসের ধাক্কা নিজে নিয়ে নিচের দিকের এক পুরোনো সেতুকে আড়াল করেছে।

গ্রামে থাকা

স্মিথসোনিয়ানের মতে নংরিয়াতে ২০০ জনেরও কম বাসিন্দা। প্রবন্ধের লেখক ২০১৭ সালে গ্রামের একমাত্র কমিউনিটি হোমস্টেতে এক সপ্তাহ ছিলেন, আর এখন সেখানে আধ ডজনের বেশি থাকার ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন। চাষ ছিল প্রধান জীবিকা, আর পর্যটন বড় ভাগ নিচ্ছে। প্রবেশ ফি, গাইডের হার আর হোমস্টের দাম এক ভ্রমণ-পাতা থেকে আরেকটিতে আলাদা এবং স্থানীয়ভাবে ঠিক হয়, তাই এই লেখায় কোনোটি দেওয়া হয়নি। মেঘালয় ট্যুরিজমের হেল্পলাইন ১৮০০ ৫৯৯ ২০২৬ হালনাগাদ তথ্যের সরকারি শুরুর জায়গা।

শিকড়ের সেতুর অন্য হাঁটাপথ

নংরিয়াত সবচেয়ে পরিচিত গন্তব্য, আর পর্যটন পর্ষদ আরও কয়েকটি তালিকাভুক্ত করেছে। তার রাংথিলিয়াং ও মাউকিরনট পাতা শিকড়-সেতুর এক স্থপতির নেতৃত্বে গাইডেড দিনের হাঁটার বর্ণনা দিয়েছে, আর পর্ষদের জীবন্ত শিকড়ের সেতু পাতা বলছে হাঁটার পথে সাতটি সেতু পড়ে। পর্ষদ রাংথিলিয়াং ১ রুট ব্রিজকে দীর্ঘতম বলেছে। মংগাবে ইন্ডিয়ার মতে এটি প্রায় ৫৩ মিটার লম্বা, মাউকিরনটে দুটি ফিকাস গাছের শিকড় দিয়ে গড়া, আর মিউনিখ জরিপের মাপা দীর্ঘতম বিস্তার ৫২.৭ মিটার।

পর্ষদের তালিকায় আরও আছে কুডেংগ্রিম, যেখানে এক পথের ধারে জলপ্রপাত, ঝরনা ও শিকড়ের সেতু, এবং নংবারেহ। সে পাডুকেও তালিকাভুক্ত করেছে, পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড়ে আমলারেম থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে, আর বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ডাউকি। স্মিথসোনিয়ান নোহওয়েট ও রিওয়াই গ্রামের কাছে ৪২ ফুট লম্বা একক-বিস্তারের ওয়াহ থিলং সেতুর কথা বলেছে, আর বলেছে নংব্লাই গ্রামে এক ডজনের বেশি সেতু আছে। পিনুরসলার কাছের পথগুলোয়, মংগাবে ইন্ডিয়া লিখেছে, শিকড়ের মই আর দোলনা-মঞ্চ আছে। মেঘালয় ট্যুরিজম বলছে রাংথিলিয়াং ও মাউকিরনটের হাঁটা অক্টোবর থেকে মার্চে করা সবচেয়ে ভালো, আর কয়েকটি সেতু বর্ষায়ও খোলা থাকে, পিছল জমিতে সাবধানতায়।

সেতুগুলোর যত্ন কারা নেয়

২০১৯ সালের জরিপ জানতে চেয়েছিল পাওয়া সেতুগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ কারা করে। সেই গণনার সেতুগুলোর মধ্যে ১২টি দেখে ব্যক্তি বা পরিবার, ২৫টি এক গ্রামের সম্প্রদায়, ৮টি গ্রামের একটি গোষ্ঠী, আর ১৪টির রক্ষণাবেক্ষণকারী অজানা এবং ১৬টি অযত্নে। গবেষণাপত্র লিখেছে, বসতির কাছের গুচ্ছবদ্ধ সেতুগুলো বেশির ভাগই ভালো রাখা, আর অনেক বিচ্ছিন্ন সেতু তেমন নয়।

সংখ্যা সূত্রভেদে আলাদা। মিউনিখ জরিপ ৭৬টি সেতুর তালিকা করেছিল, আর স্মিথসোনিয়ান ও মংগাবে ইন্ডিয়া ২০১৯ সালের জন্য প্রায় এই সংখ্যাই বলেছে। ভারতের ইউনেস্কো সম্ভাব্য-তালিকার পাঠ ৭২টি সংখ্যাযুক্ত এন্ট্রিতে ৭৫টির বেশি গ্রামের কথা বলেছে, তাদের মধ্যে নংরিয়াত (এন্ট্রি ৪৪), রিওয়াই (৪০), মাউলিননং (৪২), রাংথিলিয়াং (৫৮) এবং মাউকিরনট (৫৫)। খাইরিম সিয়েমশিপ হেরিটেজ কমিটি, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির সহায়তায়, ১৩২টির বেশি সেতুর মানচিত্র করেছে এবং রাংথিলিয়াং, মাউকিরনট ও মিনরিয়েংয়ে ৩০টি দত্তক নিয়েছে, মংগাবে ইন্ডিয়া জানিয়েছে। কোনো সূত্রই এই সংখ্যাগুলোর কোনোটিকে পূর্ণ আদমশুমারি বলেনি।

কমিটির চেয়ারম্যান মর্নিংস্টার খংথাও মংগাবে ইন্ডিয়াকে বলেছেন, এই শিল্পে দক্ষ প্রায় ২০ জন প্রবীণ এখনও আছেন এবং তরুণেরা প্রতি বর্ষায়, যা তরুণ শিকড় বোনার প্রধান মরসুম, তাঁদের কাছে শিক্ষানবিশি করে। কমিটি প্রতিটি সেতুর চারপাশে ৫০ মিটারের সংরক্ষিত বনাঞ্চল প্রস্তাব করেছে। মেঘালয় সরকার নিজের সুরক্ষা-নির্দেশিকা তৈরি করছে, আর কিছু স্থানীয় অংশীজন সেই পথকে ওপর থেকে চাপানো বলেছেন, একই প্রতিবেদন যোগ করেছে।

যত্ন নিয়ে দেখতে যাওয়া

মেঘালয় ট্যুরিজমের টেকসই পর্যটন পাতা সম্প্রদায়-চালিত পর্যটনকে রাজ্যের মডেল হিসেবে তুলে ধরেছে, যেখানে স্থানীয়েরা হোমস্টে ও গাইডেড ভ্রমণ চালান, পর্যটন এলাকার বর্জ্য বাঁশের ঝুড়িতে সামলানো হয়, আর গ্রামীণ পর্যটন দর্শনার্থীদের বহু গ্রামে ছড়িয়ে দেয়। ডিপ্লোম্যাটের ২০২২ সালের প্রতিবেদনে নংরিয়াতে সেতুগুলোর কাছে সাইনবোর্ডে খোদাই করা দর্শনার্থীদের নিয়মের ছবি আছে, আর সেগুলো মেনে চলাই বিবেচনার কাজ।

পর্যটকদের পছন্দের কিছু সেতু নিরাপত্তার জন্য কংক্রিট বা ইস্পাতে মজবুত করা হয়েছে এবং তাদের পথ বাঁধানো হয়েছে, মংগাবে ইন্ডিয়া লিখেছে। মেঘালয় ট্যুরিজমের জীবন্ত শিকড়ের সেতু পাতা পাডুর সেতু সম্পর্কে বলেছে, এর বায়বীয় শিকড় মনে হয় শক্তিবর্ধক উপাদান আর এক কংক্রিটের থামের ওপর ভর দিয়ে আছে। একই প্রতিবেদন বলছে, পর্যটনের আয়ে কিছু গ্রাম চাষ কমিয়ে দিচ্ছে।

ইউনেস্কো মনোনয়ন এখন কোথায়

ভারত জিংকিয়েং জ্রি, জীবন্ত শিকড়ের সেতুর সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্য, ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কোর সম্ভাব্য তালিকায় রেখেছিল, সাংস্কৃতিক মানদণ্ড (i), (iii) ও (vi)-এর অধীনে। নিউজ অন এআইআর ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি জানিয়েছিল, ভারত ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের বিশ্ব ঐতিহ্য মূল্যায়ন চক্রের জন্য “Jingkieng Jri / Lyu Chrai Cultural Landscape” শিরোনামের মনোনয়ন নথি জমা দিয়েছে। নথিটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্রের পরিচালকের হাতে তুলে দিয়েছিলেন ইউনেস্কোতে ভারতের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি। ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত যেসব সূত্র দেখা হয়েছে তার কোনোটিতে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Meghalaya Tourism: Nongriat (Double Decker Root Bridge, steps, distances, season), checked 5 November 2026
  2. Meghalaya Tourism: Living Root Bridges (Nongriat, Kudengrim, Padu, Sohra, Dawki and others), checked 5 November 2026
  3. Meghalaya Tourism: Rangthylliang and Mawkyrnot (guided root bridge walk), checked 5 November 2026
  4. Meghalaya Tourism: Sustainable and responsible tourism, checked 5 November 2026
  5. UNESCO World Heritage Centre: Jingkieng jri, Living Root Bridge Cultural Landscapes (tentative list, submitted 17 February 2022)
  6. News On AIR (Prasar Bharati), 29 January 2026: India submits Meghalaya's living root bridges to UNESCO for World Heritage status
  7. Greater Kashmir, 30 January 2026: Meghalaya's living root bridges nominated for UNESCO World Heritage Status
  8. Ludwig et al., Scientific Reports, 2019: Living bridges using aerial roots of Ficus elastica, an interdisciplinary perspective
  9. Smithsonian Magazine, 25 March 2026: Indigenous people build bridges and ladders out of living tree roots
  10. Mongabay India, 1 November 2024: Rooted in tradition, nature-based architecture bridges generations
  11. The Diplomat, April 2022: Meghalaya's living root bridges are headed for global recognition

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#nongriat#double decker root bridge#living root bridges#tyrna#meghalaya travel#cherrapunji#khasi#unesco tentative list

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভ্রমণ
২০১৪ সাল থেকে ভারতের ইউনেস্কো অস্থায়ী তালিকায় থাকা পদ্মনাভপুরম প্রাসাদ ৬.৫ একরের একটি কাঠের সমষ্টি, তচ্চুশাস্ত্রের নিয়মে গড়া, আছে চালু ঘড়ির মিনার আর উপ্পিরিক্কা মালিকার ওপরতলায় ভিত্তিচিত্র
কালো কাচের মতো মসৃণ মেঝের মন্ত্রণাকক্ষ, আজও সময় দেওয়া একটি ঘড়ি, আর ওপরতলার একটি ভিত্তিচিত্রের ঘর, যাকে একবার এক সফরকারী শিল্প-ইতিহাসবিদ অজন্তার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। প্রাসাদের নিজের নথি এগুলোর প্রতিটি সম্পর্কে কী বলে, আর কোথায় তারিখ ভিন্ন, তা এখানে।
শ্রীরঙ্গমের রঙ্গনাথস্বামী মন্দির সাত প্রাকারের ভেতরে ১৫৬ একর জুড়ে, ২১টি গোপুরম, বাইরের বলয়ে একটি জনপদ আর ৬৪০-এর বেশি প্রকাশিত শিলালিপিসহ
আধা মন্দির আর আধা নগর শ্রীরঙ্গম, যেখানে আছে চোল রাজাদের নামে প্রাচীর, ১২৫৭ সালে নথিভুক্ত এক হাসপাতাল আর ১৯৮৭ সালে সম্পূর্ণ হওয়া এক মিনার। কিছু গণনায় সূত্রগুলো একমত নয়, আর এই লেখা দেখিয়েছে কে কী বলে।
সিরপুরের ইটের মন্দির, বারাটাংয়ের কাদা-আগ্নেয়গিরি আর ব্যারেন দ্বীপ ও নারকোন্ডামের আগ্নেয়গিরি ভারতের ইউনেস্কো অস্থায়ী তালিকায় যুক্ত হল, যাতে এখন ৮১টি এন্ট্রি
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শতকের নদীতীরের ইটের মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারের রাজধানী, ঠান্ডা কাদার চারটি ফোয়ারা-গুচ্ছ আর পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ১৩৮ ও ২৪০ কিলোমিটার দূরের দুটি আগ্নেয় দ্বীপ এখন ভারতের জন্য ইউনেস্কোর অপেক্ষা-তালিকায়।
← সব লেখা