অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
স্কাইরুটের বিক্রম-১ ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই শ্রীহরিকোটা থেকে কক্ষপথে পৌঁছেছে, ভারতে প্রথম বেসরকারি কক্ষীয় উৎক্ষেপণ। এর পেছনে আছে ২০২০ সালের একটি ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত, ১১ পাতার একটি নীতি আর বেসরকারি উৎক্ষেপণ অনুমোদন দেওয়া একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ভারতে যে বেসরকারি কোম্পানি রকেট ছুড়তে চায়, তার ইন-স্পেসের অনুমোদন লাগে। ইন-স্পেস মহাকাশ বিভাগের একটি সংস্থা, যা সরকারি-বহির্ভূত সংস্থাগুলোর কাজ নিয়ন্ত্রণ ও উৎসাহিত করে। ভারতীয় মহাকাশ নীতি ২০২৩-এ ‘উপকক্ষীয় উৎক্ষেপণসহ উৎক্ষেপণ যানের উৎক্ষেপণ ও পরিচালনা’ সেইসব কাজের মধ্যে আছে, যেগুলো ইন-স্পেস অনুমোদন করে। ২০২৬ সালের ১৩ আগস্ট রাজ্যসভার এক উত্তরে পরমাণু শক্তি ও মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জানান, ইন-স্পেস ৫২টি সরকারি-বহির্ভূত সংস্থাকে ১১৩টি অনুমোদন দিয়েছে, তার ১৮টি স্টার্টআপ।
এই ব্যবস্থার অধীনে এ পর্যন্ত শ্রীহরিকোটা থেকে তিনটি বেসরকারি রকেট উড়েছে: ২০২২ সালের নভেম্বরে স্কাইরুটের বিক্রম-এস, ২০২৪ সালের মে মাসে অগ্নিকুলের অগ্নিবাণ SOrTeD আর স্কাইরুটের বিক্রম-১, যা ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই কক্ষপথে পৌঁছেছে। এই লেখায় আছে তাদের পেছনের কাগজপত্রের কথা।
২০২০ সালের জুনের ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত
২০২০ সালের ২৪ জুন কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট এমন সংস্কার অনুমোদন করে, যার লক্ষ্য ‘মহাকাশ কার্যক্রমের পুরো পরিসরে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানো’, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিবৃতির ভাষায়। বিবৃতিতে প্রতিটি সংস্থাকে একটি করে কাজ দেওয়া হয়েছিল। ইন-স্পেস বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে ভারতীয় মহাকাশ পরিকাঠামো ব্যবহারে সমান সুযোগ দেবে আর নিয়মকানুনের পথ দেখাবে। নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (এনএসআইএল), মহাকাশ বিভাগের বাণিজ্যিক কোম্পানি, মহাকাশ কার্যক্রমকে সরবরাহনির্ভর মডেল থেকে চাহিদানির্ভর মডেলে নিয়ে যাবে। ইসরো গবেষণা, নতুন প্রযুক্তি, অনুসন্ধান অভিযান আর মানব মহাকাশযাত্রায় মনোযোগ দেবে, আর কিছু গ্রহীয় অভিযান ‘সুযোগের ঘোষণা’-র মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থাদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
ইন-স্পেসের নিজের ২০২৪ সালের মে-র বিবৃতি বলছে, কেন্দ্রটি গঠিত হয় ২০২১ সালের অক্টোবরে। ২০২২ সালের নভেম্বরের একটি পিআইবি বিবৃতি এর ধারণার সময় ধরেছে ২০২০ সালের জুনের সিদ্ধান্ত।
২০২৩ সালের নীতি কোম্পানিকে কী করতে দেয়
ভারতীয় মহাকাশ নীতি ২০২৩ ১১ পাতার আর ইন-স্পেসের মতে ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত। এতে বলা আছে, সরকারি-বহির্ভূত সংস্থা মহাকাশ খাতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব কাজ করতে পারে। অনুমোদিত কাজের মধ্যে আছে উৎক্ষেপণ যান তৈরি ও পরিচালনা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও উদ্ধারযোগ্য ব্যবস্থার নকশা (ইসরোর নিজস্ব পরীক্ষা আছে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উৎক্ষেপণ যানের অবতরণ পরীক্ষায়), আর উৎক্ষেপণ পরিকাঠামো গড়া ও চালানো। মহাকাশ পরিষেবার ভারতীয় ব্যবহারকারীরা, সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনো উৎস থেকে, সরকারি বা বেসরকারি, তা কিনতে স্বাধীন।
নীতিতে ইন-স্পেসকে বলা হয়েছে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা আর অনুমোদনের জন্য একক-জানালা সংস্থা। যেসব কাজে তার অনুমতি লাগে তার মধ্যে আছে:
- মহাকাশ বস্তু, অর্থাৎ উপগ্রহ আর অনুরূপ যন্ত্রপাতি, স্থাপন ও পরিচালনা;
- উপকক্ষীয় উৎক্ষেপণসহ উৎক্ষেপণ যানের উৎক্ষেপণ ও পরিচালনা;
- নিজস্ব, ভাড়া করা বা ভ্রাম্যমাণ উৎক্ষেপণ মঞ্চ স্থাপন ও পরিচালনা;
- মহাকাশ বস্তুর পরিকল্পিত পুনঃপ্রবেশ, উদ্ধারসহ বা উদ্ধার ছাড়া;
- উচ্চ-রেজোলিউশনের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ তথ্য বিতরণ, যার সংজ্ঞা হল ৩০ সেন্টিমিটার বা তার চেয়ে সূক্ষ্ম গ্রাউন্ড স্যাম্পলিং দূরত্ব।
জনগণের অর্থে গড়া উৎক্ষেপণ পরিকাঠামোর উৎক্ষেপণ তালিকাও সংস্থাটি অনুমোদন করে, যাতে সরকারি উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে বেসরকারি কোম্পানিরা ন্যায্য সুযোগ পায়। নীতি ইসরোকে বলে চালু মহাকাশ ব্যবস্থা তৈরির কাজ ছেড়ে দিয়ে পরিণত ব্যবস্থাগুলো শিল্পের হাতে তুলে দিতে, আর জনগণের অর্থে তৈরি প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণের দায়িত্ব দেয় এনএসআইএলকে। পরের একটি নথিতে আছে বাস্তব দিকটি: ইন-স্পেসের নিয়ম, নির্দেশিকা ও পদ্ধতি, প্রকাশিত ২০২৪ সালের মে মাসে, অনুমোদন লাগে এমন কাজের তালিকা দেয় আর আবেদনকারীকে যেসব মানদণ্ড ও পূর্বশর্ত মানতে হবে তা ঠিক করে।
বিক্রম-এস: ইন-স্পেসের মাধ্যমে প্রথম উৎক্ষেপণ
বিক্রম-এস উড়েছিল ২০২৩ সালের নীতি প্রকাশের আগে, ২০২০ সালের সংস্কার ইন-স্পেসকে যে দায়িত্ব দিয়েছিল তার অধীনে। ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর কেন্দ্রটি উৎক্ষেপণ অনুমোদন করে, যাকে পিআইবি বলেছিল ভারত থেকে একটি উৎক্ষেপণ যানের প্রথম বেসরকারি খাতের উৎক্ষেপণ। পিআইবির বিবৃতি একে গুনেছিল ছয় মাসে ইন-স্পেসের কোনো সরকারি-বহির্ভূত সংস্থাকে দেওয়া চতুর্থ অনুমোদন হিসেবে, আর তখন পর্যন্ত আবেদন এসেছিল ১৫০টির বেশি।
স্কাইরুট এয়ারোস্পেস, ২০১৮ সালের জুনে পবন কুমার চন্দনা ও নাগা ভারত ডাকার প্রতিষ্ঠিত, বিক্রম-এস উড়িয়েছিল পরদিন সকাল ১১:৩০-এ, শ্রীহরিকোটায় ইসরোর সাউন্ডিং রকেট কমপ্লেক্স থেকে। ইসরো বিক্রম-এসকে উপকক্ষীয় যান হিসেবে ধরে। পিআইবির বর্ণনায় এটি একধাপের কঠিন-জ্বালানির রকেট, যা বানাতে প্রায় দুই বছর লেগেছিল, কার্বন কম্পোজিট কাঠামো আর ত্রিমাত্রিক-মুদ্রিত অংশ দিয়ে তৈরি। তিনটি গ্রাহক পেলোড, সার্কিট বোর্ডের যন্ত্র, যা ত্বরণ ও চাপ মেপেছিল, সঙ্গে গিয়েছিল।
উড়ানের দুটি সরকারি বিবরণ আলাদা। ইসরোর মিশন প্রারম্ভ পাতায় উচ্চতা প্রায় ৮৯.৫ কিলোমিটার আর উড়ানের সময় ১৫৫ সেকেন্ড। প্রতিমন্ত্রী, সেদিনই শ্রীহরিকোটায় বলতে গিয়ে, সর্বোচ্চ উচ্চতা বলেছিলেন ৮১.৫ কিলোমিটার আর মোট সময় প্রায় ৩০০ সেকেন্ড। উৎক্ষেপণের আগে ইন-স্পেসের চেয়ারম্যান বলেছিলেন, তিনি আশা করেন বিক্রম-এস ‘ভারতের বেসরকারি মহাকাশ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা চিহ্নিত করবে’।
অগ্নিকুল আর প্রথম বেসরকারি উৎক্ষেপণ মঞ্চ
২০২৪ সালের ৩০ মে সকাল ৭:১৫-তে আইআইটি মাদ্রাজে ইনকিউবেট হওয়া স্টার্টআপ অগ্নিকুল কসমস অগ্নিবাণ SOrTeD, একটি উপকক্ষীয় প্রযুক্তি প্রদর্শক, উৎক্ষেপণ করে শ্রীহরিকোটায় তাদের নিজেদের স্থাপন করা ও ‘ধনুষ’ নাম দেওয়া একটি মঞ্চ থেকে। পিআইবির বিবৃতি একে বলেছিল বেসরকারি মঞ্চ থেকে ভারতের প্রথম উৎক্ষেপণ আর আধা-ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনে চলা ভারতের প্রথম রকেট উৎক্ষেপণ, যে ইঞ্জিন ছাপা হয়েছে একটি অখণ্ড টুকরোয়।
বিবৃতি অনুযায়ী, উদ্দেশ্য ছিল একটি পরীক্ষামূলক উড়ান, অগ্নিকুলের কক্ষীয় যান অগ্নিবাণের জন্য উড়ানের তথ্য সংগ্রহ, যা ৩০ থেকে ৩০০ কিলোগ্রাম পেলোডের জন্য নকশা করা। ইসরো ও ইন-স্পেসের চেয়ারম্যানরা শ্রীহরিকোটা থেকে তা দেখেন। ইসরোর চেয়ারম্যান বলেছিলেন, ত্রিমাত্রিক-মুদ্রিত আধা-ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনসহ উড়ানের প্রথমগুলো ‘দেশীয় নকশা ও উদ্ভাবনের দক্ষতা প্রমাণ করে’। বিবৃতিতে উচ্চতা বলা হয়নি।
বিক্রম-১ কক্ষপথে পৌঁছাল
বিক্রম-১ শ্রীহরিকোটা থেকে উড়েছিল ২০২৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুর ১২:০৫:৩০-এ, ইসরো জানিয়েছে। ভায়া স্যাটেলাইট জানাচ্ছে, স্কাইরুট ৬০ ডিগ্রি নতিতে ৪৫০ কিলোমিটার কক্ষপথ নিশ্চিত করেছে। ইসরো বলছে, দুটি উপগ্রহ, স্কাইরুটের SCOPE আর গ্রাহা স্পেসের একটি, নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথে স্থাপিত হয়েছে, আর বাকি পেলোড উপরের ধাপে ছিল। আইইইই স্পেকট্রাম জানাচ্ছে, কক্ষপথে পৌঁছাতে উড়ানের সময় লেগেছিল প্রায় ১৫ মিনিট, আর ভারতকে বর্ণনা করেছে তৃতীয় দেশ হিসেবে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পর, যার দেশীয় একটি সংস্থা কক্ষপথে পৌঁছেছে। তারা স্কাইরুটকে প্রথম চেষ্টাতেই কক্ষপথে পৌঁছানো প্রথম কোম্পানিও বলেছে।
ইসরোর পাতায় আছে সংস্থাটি কী জুগিয়েছিল। প্রথম ধাপের কঠিন মোটর ঢালাই ও স্ট্যাটিক পরীক্ষা হয়েছে শ্রীহরিকোটায়, আর দ্বিতীয় ধাপ যাচাই হয়েছে একই পরীক্ষা কেন্দ্রে। উপরের ধাপের তরল ইঞ্জিন রামন-১ পরীক্ষা হয়েছে ইসরোর লিকুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টারের পরীক্ষা কেন্দ্রে। ইসরোর নিরাপত্তা দল শ্রীহরিকোটায় স্কাইরুটের কাজ চব্বিশ ঘণ্টা নজরে রেখেছিল। ইসরো বলছে, ইন-স্পেস স্কাইরুটকে ইসরোর সুবিধায় প্রবেশাধিকার, অভিযানের প্রস্তুতি পর্যালোচনা আর উৎক্ষেপণের ছাড়পত্র দিয়েছিল।
বিক্রম-১ একটি ২২ মিটারের রকেট, তিনটি কঠিন-জ্বালানি ধাপ আর একটি শেষ তরল ধাপসহ, আইইইই স্পেকট্রাম জানাচ্ছে, আর তরল ধাপের ত্রিমাত্রিক-মুদ্রিত ইঞ্জিন মহাকাশে আবার চালু করা যায়। পিআইবি এর ক্ষমতা দিয়েছে নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথে ৩৫০ কিলোগ্রাম। মহেন্দ্রগিরিতে রামন-২ ইঞ্জিন পরীক্ষা নিয়ে ইসরোর ২০২৩ সালের বিবরণে আছে শূন্যে নির্ধারিত ঠেলা ১,৪৬০ নিউটন আর জ্বালানি মনোমিথাইলহাইড্রাজিন ও নাইট্রোজেন টেট্রক্সাইড, আর বলা আছে স্কাইরুট ওই ইঞ্জিনটি বিক্রম-১-এর চতুর্থ ধাপের জন্য ভেবেছিল। ইসরোর ২০২৬ সালের জুলাইয়ের পাতায় যে উপরের ধাপ উড়েছে তার ইঞ্জিন হিসেবে রামন-১-এর নাম আছে।
২০২৬ সালের ২৩ আগস্ট, জাতীয় মহাকাশ দিবসে, স্কাইরুট এক্সে জানায় তাদের দ্বিতীয় বিক্রম-১-এর ১ নম্বর ধাপ শ্রীহরিকোটার পথে, বিজনেস টুডে লিখেছে। কোনো উৎক্ষেপণের তারিখ দেওয়া হয়নি।
বিদেশি অর্থ আর স্টার্টআপের সংখ্যা
২০২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মহাকাশ খাতের বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের নিয়ম সংশোধন করে। পিআইবির বিবৃতি স্বয়ংক্রিয় পথের জন্য তিনটি সীমা ঠিক করেছে, যে পথে সরকারি অনুমোদন লাগে না: উপগ্রহ নির্মাণ ও পরিচালনা, উপগ্রহ তথ্য-পণ্য আর গ্রাউন্ড ও ব্যবহারকারী অংশের জন্য ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত; উৎক্ষেপণ যান ও মহাকাশবন্দরের জন্য ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত; আর উপগ্রহের উপাদান ও উপ-ব্যবস্থার জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত। এই সীমার ওপরে বিনিয়োগে সরকারি অনুমোদন লাগে। ২০২৫ সালের মার্চের একটি পিআইবি উত্তর অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিলের একটি গেজেট প্রজ্ঞাপনে পরিবর্তনটি বিদেশি মুদ্রা ব্যবস্থাপনা (অ-ঋণ লেনদেন) বিধি, ২০১৯-এ যুক্ত হয়।
মহাকাশ বিভাগের স্টার্টআপ-সংক্রান্ত সংখ্যা এই পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে বেড়েছে, এই ক্ষেত্রে আছে উপগ্রহ নির্মাতারাও, যেমন ভারতের নিউস্পেস স্টার্টআপগুলো। ২০২২ সালের নভেম্বরে বিক্রম-এস উৎক্ষেপণের সময় প্রতিমন্ত্রী মহাকাশ স্টার্টআপের সংখ্যা বলেছিলেন ১০২। ২০২৬ সালের আগস্টের সংসদীয় উত্তরে ডিপিআইআইটির স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া পোর্টালে নিবন্ধিত প্রায় ৪৪০টি মহাকাশ প্রযুক্তি স্টার্টআপের কথা আছে, আর ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপে মোট বিনিয়োগ ধরা হয়েছে প্রায় ৬১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৬ সালের ১৮ জুলাইয়ের একটি পিআইবি ফিচার বলছে, সংখ্যাটি ২০১৪ সালে একটি স্টার্টআপ থেকে ২০২৬ সালে ৪০০-র বেশি হয়েছে।
অনুমোদনের গণনাতেও নিজস্ব অসংগতি আছে। ১৮ জুলাইয়ের ফিচার বলছে, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ইন-স্পেস ১৩৩টি অনুমোদন দিয়েছে, আর আগস্টের উত্তরগুলো বলছে ১১৩টি। এখানে পরের সংসদীয় সংখ্যাটি, ১১৩, ব্যবহার করা হয়েছে।
অনুমতির বাইরে ২০২৬ সালের আগস্টের উত্তরগুলোতে আছে ১,০০০ কোটি টাকার একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিল, ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রযুক্তি গ্রহণ তহবিল আর ৮৩টি ইসরো প্রযুক্তি জুড়ে ১১৮টি প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি। তাতে এও বলা আছে, ইন-স্পেস পিএসএলভি ও এলভিএম৩ প্রযুক্তি বেসরকারি শিল্পে হস্তান্তরের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে।
প্রথম উড়ানগুলো কী দেখিয়েছে আর কী দেখায়নি
২০২৬ সালের ১৮ জুলাইয়ের পিআইবি ফিচার মহাকাশ অর্থনীতিকে ধরেছে প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের পূর্বাভাস দিয়েছে। আইইইই স্পেকট্রাম স্পেসওয়াচ.গ্লোবালের বিশ্লেষক টরস্টেন ক্রিনিংকে উদ্ধৃত করেছে, যিনি বলছেন ছোট উৎক্ষেপণ যানের ব্যর্থতা সাধারণত আসে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ উড়ানে। তারা এও জানিয়েছে, স্কাইরুট বলেছে বিক্রম-১ ২০২৭ সালে বাণিজ্যিক কাজ শুরু করতে পারে, তাদের বড় বিক্রম-২ প্রথম উড়ানের সূচি ২০২৭ সালে, আর অগ্নিকুল ও অন্য স্টার্টআপগুলো নিজেদের উৎক্ষেপণ যান গড়ছে।
২০২৬ সালের ১২ আগস্টের লোকসভা উত্তর বলছে ১৮টি স্টার্টআপের ইন-স্পেসের অনুমোদন আছে। এর সংযোজনীতে নাম আছে ১৬টির, তার মধ্যে স্কাইরুট, অগ্নিকুল, পিক্সেল, দিগন্তর ও ধ্রুব স্পেস।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Press Information Bureau: Historic reforms initiated in the Space sector (24 June 2020)
- ISRO: Indian Space Policy 2023 (full text)
- IN-SPACe release on the Norms, Guidelines and Procedures for authorisation (published 3 May 2024)
- Press Information Bureau: IN-SPACe authorizes India's first-ever private launch of a Launch Vehicle (17 November 2022)
- Press Information Bureau: ISRO makes history today by successfully launching India's maiden private Vikram-suborbital (VKS) rocket (18 November 2022)
- ISRO: Mission Prarambh
- Press Information Bureau: Agnikul launches World's First Rocket with Fully 3D Printed Engine (30 May 2024)
- ISRO: First private orbital launch lifts off from Sriharikota
- ISRO: ISRO Supports a space start-up's Rocket Engine Test (Raman-II, 21 July 2023)
- Press Information Bureau: Vikram-1, Charting India's Cosmic Future (18 July 2026)
- Press Information Bureau: Cabinet approves amendment in the FDI policy on Space Sector (21 February 2024)
- Press Information Bureau: Parliament Question, Foreign Direct Investment in the Space Sector (12 March 2025)
- Press Information Bureau: Parliament Question, Space Startups (Lok Sabha, 12 August 2026)
- Press Information Bureau: Parliament Question, Support to Space Startups (Rajya Sabha, 13 August 2026)
- IEEE Spectrum: Startup Skyroot nails an orbital launch on the first try
- Via Satellite: Skyroot Aerospace Makes History for India With First Launch Success
- Business Today: Skyroot gears up for next Vikram-1 launch, moves stage 1 to Sriharikota (24 August 2026)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।