Skip to content
একটি ভারতীয় রকেট ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ১০৪টি উপগ্রহ কক্ষপথে বসিয়েছিল, আগের ৩৭-এর রেকর্ডের প্রায় তিন গুণ
সংবাদ

একটি ভারতীয় রকেট ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ১০৪টি উপগ্রহ কক্ষপথে বসিয়েছিল, আগের ৩৭-এর রেকর্ডের প্রায় তিন গুণ

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

পিএসএলভি-সি৩৭ ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ০৯:২৮-এ শ্রীহরিকোটা থেকে উড়ে গিয়ে এক উড়ানে ১০৪টি উপগ্রহ ছেড়েছিল। কার্টোস্যাট-২ডির ওজন ছিল ৭১৪ কেজি, যাত্রীদের মধ্যে ১০১টি ছিল বিদেশি গ্রাহকের, আর ৩৭-এর আগের রেকর্ডটি ছিল একটি রুশ রকেটের।

· · 5 মিনিটের পাঠ

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, ভারতীয় সময় সকাল ০৯:২৮-এ পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল পিএসএলভি-সি৩৭ ১০৪টি উপগ্রহ নিয়ে শ্রীহরিকোটার প্রথম উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে উড়ে গিয়েছিল। ইসরো জানায়, ১৬ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড পরে রকেটটি কক্ষপথে পৌঁছায়, আর পরের ১২ মিনিটে প্রতিটি উপগ্রহ তার চতুর্থ ধাপ থেকে আলাদা হয়ে যায়। এক রকেটের আগের রেকর্ড ছিল ৩৭, ২০১৪ সালের জুনে একটি রুশ ড্নেপ্রের।

রকেটে কী ছিল

একটি উপগ্রহ ছিল বড়। ইসরোর উৎক্ষেপণ-পাতায় যাকে কার্টোস্যাট-২ সিরিজের উপগ্রহ বলা হয়েছে, সেই কার্টোস্যাট-২ডির ওজন ছিল ৭১৪ কেজি, আর তাতে দূর-সংবেদনের জন্য প্যানক্রোম্যাটিক (সাদা-কালো) ও বহুবর্ণালি ক্যামেরা ছিল। বাকি ১০৩টি ছিল ছোট। ইসরো তাদের মোট ভর বলেছে প্রায় ৬৬৩ কেজি, অর্থাৎ একা কার্টোস্যাট-২ডির চেয়েও কম, আর পুরো বোঝা প্রায় ১,৩৭৮ কেজি।

১০৩টির মধ্যে দুটি ছিল ভারতের প্রযুক্তি-প্রদর্শক উপগ্রহ, আইএনএস-১এ ও আইএনএস-১বি, ওজন ৮.৪ কেজি ও ৯.৭ কেজি। বাকি ১০১টি বিদেশি গ্রাহকের। ছিয়ানব্বইটি ছিল মার্কিন: প্ল্যানেট কোম্পানির ৮৮টি ডাভ উপগ্রহ, যাদের ইসরো ফ্লক-৩পি নামে তালিকাভুক্ত করেছে, আর স্পায়ার কোম্পানির আটটি লেমুর-২ উপগ্রহ। বাকি পাঁচটি ছিল কাজাখস্তানের আল-ফারাবি-১, ইসরায়েলের বিজিইউস্যাট, সুইজারল্যান্ডের ডিডো-২, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নায়েফ-১ আর নেদারল্যান্ডসের পিইএএসএস।

এক্সএল রূপে একটি রকেট

ইসরো ও দ্য ওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী, পিএসএলভি-সি৩৭ ছিল ৩৯তম পিএসএলভি উড়ান আর এক্সএল বিন্যাসে ১৬তম, যাতে মূল ধাপের সঙ্গে ছয়টি কঠিন-জ্বালানির স্ট্র্যাপ-অন বুস্টার যুক্ত থাকে। ইসরো একে পরপর ৩৮তম সফল পিএসএলভি অভিযান বলে বর্ণনা করেছে।

লক্ষ্য ছিল মেরুকেন্দ্রিক সূর্য-সমলয় কক্ষপথ, অর্থাৎ যে কক্ষপথ প্রতিদিন একই স্থানীয় সময়ে যেকোনো জায়গার ওপর দিয়ে যায়। ইসরো জানিয়েছে ৫০৬ কিমি উচ্চতা আর নিরক্ষরেখার সঙ্গে ৯৭.৪৬ ডিগ্রি নতি, আর বলেছে ফলাফল অভীষ্ট কক্ষপথের খুব কাছাকাছি ছিল।

উৎক্ষেপণ থেকে শেষ ছাড়া পর্যন্ত ঊনত্রিশ মিনিট

ইসরোর দুটি সংখ্যা যোগ করলে উৎক্ষেপণ থেকে শেষ বিচ্ছিন্নকরণের মধ্যে প্রায় ২৯ মিনিট পাওয়া যায়। প্রথমে গেল কার্টোস্যাট-২ডি। তারপর আইএনএস-১এ ও আইএনএস-১বি, তারপর ১০১টি বিদেশি উপগ্রহ, সবই আগে থেকে ঠিক করা ক্রমে। কার্টোস্যাট-২ডির সৌর প্যানেল আপনা থেকে খুলে যায়, আর বেঙ্গালুরুতে ইসরোর ট্র্যাকিং নেটওয়ার্ক তার নিয়ন্ত্রণ নেয়।

কঠিন কাজটা ছিল একই ধাপ থেকে বেরোনোর সময় ১০৪টি বস্তুকে পরস্পরকে ছুঁতে না দেওয়া। মিশন ডিরেক্টর বি. জয়কুমার রুম স্পেস জার্নালকে বলেছিলেন, বিচ্ছিন্নকরণের সময় সংঘর্ষ এড়ানোই ছিল একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ, আর একটি নতুন বিচ্ছিন্নকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তা কার্যকরভাবে কাজ করেছে। এখানে উদ্ধৃত ইসরোর পাতাগুলোয় আলাদা আলাদা উপগ্রহ ছাড়ার সময় দেওয়া নেই, যন্ত্রাংশেরও কোনো বিবরণ নেই, তাই ক্রমটি জানা আছে, কিন্তু সেকেন্ডের হিসাবটি জানা নেই।

আসনের দাম কারা দিয়েছিল

ইসরো বলেছে, ১০১টি বিদেশি উপগ্রহ উড়েছিল অ্যান্ট্রিক্স কর্পোরেশন লিমিটেড আর গ্রাহকদের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যবস্থার অধীনে। অ্যান্ট্রিক্স মহাকাশ বিভাগের একটি কোম্পানি, যা ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা হিসেবে কাজ করে। উড়ানের পরে ইসরোর হিসাবে পিএসএলভি ৪৬টি ভারতীয় আর ১৮০টি বিদেশি গ্রাহক-উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে। ওই ১৮০টির মধ্যে ১০১টি এসেছিল এই একটি উড়ান থেকে।

এখানে উদ্ধৃত ইসরোর পাতাগুলোয় উড়ানটির কোনো সরকারি খরচ নেই। ক্রিশ্চান সায়েন্স মনিটর, মানিকন্ট্রোলের একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে, লিখেছিল ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ইসরো গড়ে প্রতি উপগ্রহে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার নিয়েছিল, আর আগের বছর বেসরকারি উৎক্ষেপণ ইসরোর বাণিজ্যিক শাখাকে ২৩০ কোটি টাকা (প্রায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার) এনে দিয়েছিল। এই দামের মাত্রাই সেই খ্যাতির পিছনের ধরনের সংখ্যা, যা মিতব্যয়ী মহাকাশ শক্তি হিসেবে ইসরোর আমাদের প্রোফাইলে বর্ণিত হয়েছে।

পরবর্তী কালের একটি মোট হিসাব এসেছে প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের লোকসভায় দেওয়া একটি লিখিত উত্তর থেকে, যা এএনআই ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ প্রতিবেদন করেছিল। তাতে বলা হয়েছিল, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পিএসএলভি, এলভিএম৩ ও এসএসএলভিতে ৩৯৩টি বিদেশি আর তিনটি ভারতীয় গ্রাহক-উপগ্রহ বাণিজ্যিকভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, যাতে ১৪৩ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। উত্তরে আরও বলা হয়, ২০১৪ সাল থেকে ভারত ৩৪টি দেশের জন্য উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে। একই বাজারে এখন যে বেসরকারি সংস্থাগুলো ঢুকছে, তাদের কথা ভারতের নিউস্পেস স্টার্টআপ নিয়ে আমাদের লেখায় আছে।

রেকর্ডে কী গোনা হয়েছিল

উপগ্রহের সংখ্যার রেকর্ড তাদের ভর সম্পর্কে কিছু বলে না। স্পেসফ্লাইট নাউ অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ১৯ জুনের ড্নেপ্র উড়ানে ৩৭টি উপগ্রহ ছিল, তাদের মধ্যে ৩০০ কেজির ডেইমস ২ আর ১৮০ কেজির কাজইওস্যাট ২। তেত্রিশটি একটি সময়-নির্ধারিত ক্রমে ছাড়া হয়েছিল, আর চারটি পরে ছাড়ার জন্য ইউনিস্যাট-৬ মাদারশিপের ভেতরে থেকে গিয়েছিল। ইসরোর মতে, পিএসএলভি-সি৩৭-এর ১০৪টির সবকটি চতুর্থ ধাপ থেকে আলাদা হয়েছিল। ২০১৭ সালের তালিকার বেশির ভাগ জুড়ে থাকা ডাভ উপগ্রহের নির্মাতা প্ল্যানেট ২০১৪ সালের সেই ড্নেপ্রেও ১১টি কিউবস্যাট পাঠিয়েছিল।

ইসরোর নিজের তালিকা অনুযায়ী প্রতিটি ডাভের ওজন ৪.৭ কেজি, প্রতিটি লেমুরের ৪.৬ কেজি। গুণ করলে ৯৬টি মার্কিন উপগ্রহ মিলিয়ে প্রায় ৪৫০ কেজি হয়, মোট ১,৩৭৮ কেজির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। একা কার্টোস্যাট-২ডি ছিল ১০৩টি যাত্রীর সম্মিলিত ওজনের চেয়ে ভারী।

ইসরো চেয়ারম্যান এ. এস. কিরণ কুমার এই ধারণা নাকচ করেছিলেন যে উড়ানটি কোনো খেতাবের দৌড় ছিল। রুম স্পেস জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লক্ষ্য ছিল রকেটের প্রায় ৬০০ কেজি বাড়তি ক্ষমতা কাজে লাগানো আর আয় বাড়ানো। দ্য ওয়্যারের উড়ানের আগের প্রতিবেদনও খরচ কমিয়ে রাখার কথা একইভাবে বলেছিল।

স্পেসএক্স ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি রেকর্ডটির অবসান ঘটায়, যখন একটি ফ্যালকন ৯ ১৪৩টি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে, তার মধ্যে ১০টি তাদের নিজস্ব স্টারলিংক। অ্যাডভান্সড টেলিভিশন জানিয়েছে, ১৪৩টির মধ্যে প্রায় ১৩৩টি ছিল কিউবস্যাট ও মাইক্রোস্যাটেলাইট।

২০০৮ সালে দশ, ২০১৬ সালে কুড়ি, আর তারপরের উড়ানগুলো

পিএসএলভি-সি৩৭-এর আগে দুটি ধাপ ছিল। ২০০৮ সালের ২৮ এপ্রিল পিএসএলভি-সি৯ দশটি উপগ্রহ নিয়ে গিয়েছিল: ৬৯০ কেজির কার্টোস্যাট-২এ, ৮৩ কেজির আইএমএস-১ আর একসঙ্গে প্রায় ৫০ কেজি ওজনের আটটি বিদেশি ন্যানোস্যাটেলাইট। এটি ছিল যানটির ১৩তম উড়ান আর স্ট্র্যাপ-অন বুস্টার ছাড়া তৃতীয়। ২০১৬ সালের ২২ জুনের পিএসএলভি-সি৩৪ বহন করেছিল ২০টি, যাকে ইউনিভার্স টুডে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারির আগে পিএসএলভির সেরা বলে জানিয়েছে।

তারপর থেকে রকেটটির ব্যর্থতাও হয়েছে। ইসরোর তালিকায় ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট নেভিগেশন উপগ্রহ আইআরএনএসএস-১এইচ নিয়ে ওড়া পিএসএলভি-সি৩৯ অসফল বলে চিহ্নিত। ২০২৫ সালের ১৮ মে ৬৩তম উড়ান পিএসএলভি-সি৬১ দ্বিতীয় ধাপ পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল, আর ইসরো বলেছে তৃতীয় ধাপে একটি পর্যবেক্ষণের ফলে অভিযানটি সম্পন্ন করা যায়নি। দ্য উইক জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারির পিএসএলভি-সি৬২ তৃতীয় ধাপের ত্রুটিতে তার প্রধান উপগ্রহ ইওএস-এন১ আর ১৫টি ছোট উপগ্রহ হারিয়েছিল। এই লেখার জন্য যেমন দেখা হয়েছে, ইসরোর উৎক্ষেপণ-তালিকা পিএসএলভি-সি৬২-তে শেষ। ২০১৩ সালে একটি পিএসএলভি মঙ্গলযানকে মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছেও দিয়েছিল।

ট্র্যাকিংয়ের উদ্বেগ আর পিছনে থেকে যাওয়া ধাপ

ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান জি. মাধবন নায়ার ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রুমে প্রকাশিত মন্তব্যে একটি উদ্বেগ তুলেছিলেন। ক্ষুদ্র উপগ্রহগুলো হয়তো এক-দুই বছর টেকে, তিনি বলেছিলেন, আর আকারের কারণে সেগুলো “ট্র্যাক করা আর তাদের অবস্থান বের করার উপযোগী না-ও হতে পারে।”

যে চতুর্থ ধাপ ১০৪টি উপগ্রহ ছেড়েছিল, সেটি সাত বছরের বেশি কক্ষপথে ছিল। ইসরোর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর সেটি উত্তর আটলান্টিকের ওপর দিয়ে বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে, ইন্টার-এজেন্সি স্পেস ডেব্রিস কোঅর্ডিনেশন কমিটির নির্দেশিকার ২৫ বছরের সীমার মধ্যে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. ISRO: PSLV-C37 Successfully Launches 104 Satellites in a Single Flight
  2. ISRO: PSLV-C37 / Cartosat-2 Series Satellite mission page
  3. ISRO: Upper stage of the PSLV-C37 mission re-enters Earth's atmosphere
  4. ISRO: List of international customer satellites launched by PSLV
  5. ISRO: PSLV-C9 / Cartosat-2A mission page
  6. ISRO: List of PSLV launches
  7. ISRO: PSLV-C61 / EOS-09 mission page
  8. Spaceflight Now: Dnepr rocket launches 37 satellites (19 June 2014)
  9. Advanced Television: SpaceX sets another launch record (25 January 2021)
  10. ROOM Space Journal, issue 1 (11), 2017, page 58: report on the 104-satellite launch
  11. ROOM: Indian rocket sets new satellite launch record (15 February 2017)
  12. The Wire: PSLV-C37 preview, 104 satellites (14 February 2017)
  13. Christian Science Monitor: For the record, India launches 104 satellites all at once
  14. Planet Labs: Commissioning the World's Largest Satellite Constellation (SmallSat 2017)
  15. Computerworld: India launches 88 Earth-imaging satellites from Planet Labs
  16. Universe Today: India sets record with 104 satellites in a single launch
  17. The Tribune (ANI): India generated USD 143 million launching foreign satellites since 2015
  18. The Week: PSLV-C62 failure explainer (12 January 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#pslv-c37#isro#sriharikota#cartosat-2d#antrix#cubesats#satellite launch record#planet labs

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
আর্যভট্ট, ভারতের প্রথম উপগ্রহ, তৈরি হয়েছিল বেঙ্গালুরুর শেডে প্রায় ৩ কোটি টাকায়, আর ১৯৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল উৎক্ষেপিত হয়েছিল একটি সোভিয়েত রকেটে
২৬ পাশের একটি উপগ্রহ, শিল্প-এলাকার শেডে জোড়া লাগানো, অন্য দেশের রকেটে ওড়ানো, আর কয়েক দিনের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষায় নীরব। আর্যভট্ট কীভাবে ঘটল সে বিষয়ে নথিপত্র কী বলে, আর কোথায় তাদের মতভেদ।
ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযানে খরচ হয়েছিল ₹৩৮৬ কোটি, আর তাতে ছিল সেই NASA যন্ত্র যা চাঁদের পৃষ্ঠে জলের সন্ধান পায়
এগারোটি যন্ত্র, তার ছয়টি বিদেশ থেকে আসা, একটি ভারতীয় রকেটে চাঁদে গিয়েছিল। উৎক্ষেপণের এগারো মাস পরে তাদের মধ্যে থাকা একটি NASA স্পেকট্রোমিটার পৃষ্ঠে জল ও হাইড্রক্সিল শনাক্ত করে, এমন এক অনুসন্ধানে যাকে আবিষ্কারের নিবন্ধটি বলেছে ৪০ বছরের সন্ধান।
চন্দ্রযান-৩ নেমেছিল ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ১৮:০৪-এ, ₹৬১৫ কোটি খরচে, আর তার রোভারের চলা ১০৩ মিটার থেকে এর মধ্যেই একটি Nature প্রবন্ধ এসেছে
২৬ কেজির একটি রোভারের পিঠে দুটি ভারতীয় যন্ত্র ৬৯ ডিগ্রি দক্ষিণের কাছে মাটি পেরিয়েছিল। তিন বছর পরও তাদের রিডিং থেকে গবেষণাপত্র আসছে, আর ল্যান্ডারের NASA-র তৈরি প্রতিফলক এখনও চিহ্ন হিসেবে কাজে লাগছে।
← সব লেখা