Skip to content
গিনেস মাজুলির আয়তন লিখেছে ৮৮০ বর্গকিলোমিটার, অথচ অসম সরকারের নিজের পাতায় এই একই নদীদ্বীপের জন্য ৪২১, ৪৭৫ আর ৪৮৩
ভ্রমণ

গিনেস মাজুলির আয়তন লিখেছে ৮৮০ বর্গকিলোমিটার, অথচ অসম সরকারের নিজের পাতায় এই একই নদীদ্বীপের জন্য ৪২১, ৪৭৫ আর ৪৮৩

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ব্রহ্মপুত্রের এই দ্বীপের আয়তন লিখেছে প্রায় ৮৮০ বর্গকিলোমিটার, জেলার পোর্টাল বলছে ৪৮৩, আর রাজ্যের পর্যটন পাতা বলছে ৪২১। ২০০৬ সালের একটি অসম আইনে দ্বীপের ৩১টি বিদ্যমান সত্রের নাম আছে, আর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে থমকে থাকা জোরহাটের সেতুর কাজ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আবার শুরু হয়েছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অসমের ব্রহ্মপুত্র নদীর দ্বীপ মাজুলিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদীদ্বীপ বলে তালিকাভুক্ত করেছে, আয়তন প্রায় ৮৮০ বর্গকিলোমিটার। সাধারণত দ্বীপে যেতে হয় জোরহাটের কাছে নিমাটি ঘাট (ঘাট মানে নদীর ধারের খেয়া পারাপারের জায়গা) থেকে ফেরিতে, আর মাজুলি জেলার পোর্টালে ফেরির সময় দেওয়া আছে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা ৩০। নিচে যে পাতাগুলোর উল্লেখ আছে সেগুলো আমরা ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর পড়েছি।

পাতায় পাতায় আয়তন বদলে যায় কেন

অসম সরকার গিনেসের অঙ্কটা ব্যবহার করে না। জেলার হোমপেজে লেখা, ৪৮৩ বর্গকিলোমিটার “বর্তমানে”, আর যোগ করা হয়েছে যে ১৯৫০ সালের আগে দ্বীপটি ছিল ১,২৫০। একই পোর্টালের একটা স্বাগত পাতায় আছে ৪৭৫। রাজ্যের পর্যটন বিভাগের মাজুলি পাতায় আছে ৪২১।

সেন্টিনেল ২০২০ সালে জানিয়েছিল, কেন্দ্র ২০১৭ সালে সংসদকে বলেছিল ১৯৪০ সালের সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার একটি মানচিত্রে আয়তন ছিল ৭৩৩.৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ২০০৪ সাল নাগাদ নেমে এসেছে প্রায় ৫০২.২১-এ। জেলার ইতিহাসের পাতা আরও পুরোনো নথি উদ্ধৃত করে। সেখানে বি. সি. অ্যালেনের ১৯০১ সালের গেজেটিয়ার থেকে প্রায় ১৮৫ বর্গমাইল (আনুমানিক ৪৮০ বর্গকিলোমিটার) আর ১৮৫৩ সালের একটি প্রতিবেদন থেকে ২,৮২,১৬৫ একর (আনুমানিক ১,১৪০ বর্গকিলোমিটার) দেওয়া আছে। পোর্টাল দুটোর মধ্যে মিল ঘটায়নি। বিংশ শতকের গোড়ায় দ্বীপের আয়তন প্রায় ১,২৫০ বর্গকিলোমিটার, এমন কথা বলা কোনো সরকারি পাতা আমরা পাইনি, আর জেলার পোর্টাল ওই অঙ্কটাকে শুধু “১৯৫০ সালের আগে” বলে চিহ্নিত করেছে।

ক্ষয়ের হিসাব কী দেখায়

গিনেসের লেখায় আছে, ব্রহ্মপুত্রের ঘন ঘন বন্যায় মাজুলিতে প্রচণ্ড ক্ষয় হয় আর গত ৩০ থেকে ৪০ বছরে দ্বীপটি তার আয়তনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হারিয়েছে। জেলার প্রোফাইল যোগ করে, ১৯৫০ সালের মহা অসম ভূমিকম্প নদীর তলদেশ উঁচু করে দিয়েছিল, তারপর থেকে দক্ষিণ পাড়ে ক্ষয় বেড়েছে, আর তাতে গ্রাম আর সত্র তলিয়ে গেছে।

সরকারি অঙ্কগুলো একে অপরের সঙ্গে মেলে না। ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবরের সেন্টিনেল সম্পাদকীয় বলছে, কেন্দ্র লোকসভাকে জানিয়েছিল ২০০৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে দ্বীপের মোট আয়তন ২২.০৮ বর্গকিলোমিটার বেড়ে ৫২৪.২৯-এ পৌঁছেছে। সম্পাদকীয় অনুযায়ী জেলার নিজের বিপর্যয় পরিকল্পনায় ২০১৪ সালে আয়তন ধরা হয়েছে ৪৮৩, যাকে সম্পাদকীয় কেন্দ্রের অঙ্কের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে যুক্তি দিয়েছে। পরিকল্পনাটি আরও বলে, ২১০টি রাজস্ব গ্রামের মধ্যে এখনও টিকে আছে মাত্র ১৪১টি।

অসম ট্রিবিউন ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল পুনের সেন্ট্রাল ওয়াটার অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ স্টেশনের একটি স্যাটেলাইট সমীক্ষা নিয়ে খবর করেছিল, যেটা জলশক্তি মন্ত্রক শুরু করিয়েছিল। তাতে দেখা গেছে ১৯৮৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ডান পাড়ে প্রায় ৭৫ বর্গকিলোমিটার ক্ষয় হয়েছে আর ৫৮ জমা পড়েছে, আর ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালে কমলাবাড়ির কাছে প্রায় ২৬ বর্গকিলোমিটার জমা পড়েছে। সংবাদপত্রের সারাংশে মোট হিসাবের কোনো অঙ্ক নেই।

তিন রকমে গোনা সত্র

সত্র হলো নব্য বৈষ্ণব ধারার মঠ, যাকে জেলার পোর্টাল শ্রীমন্ত শঙ্করদেব আর তাঁর শিষ্য মাধবদেবের শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করেছে। অসম পর্যটনের পাতা বলছে আজ ২২টি সত্র আছে। ২০০৬ সালের আইন, অসম আইন VII, তার তফসিলে ৩১টির নাম দিয়েছে, বেশির ভাগকে চিহ্নিত করেছে উদাসীন (ব্রহ্মচারী) বা গৃহস্থী (গৃহস্থ) বলে। ওই তালিকার বাইরে আইনটি কোনো সত্রকে তখনই মানে, যখন সরকার তাকে বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করে, সেটির বয়স অন্তত পঞ্চাশ বছর হয়, আর কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রহণ করে।

দর্শনার্থীদের জন্য পোর্টাল ছয়টির নাম করেছে: অউনিয়াতি, দক্ষিণপাট, গরমুর, কমলাবাড়ি, সামাগুড়ি আর বেংনাআটি।

মুখোশ, রাস আর সত্রীয়

সামাগুড়ি সত্র নিয়ে জেলার পাতা বলছে, সেটি ১৬৬৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শঙ্করদেবের নাতি চক্রপাণি, আর ভাওনা, অর্থাৎ সত্রগুলোর ধর্মীয় নাটকে পরার মুখোশের জন্য এটি পরিচিত। একই পাতা বলছে মুখোশের ঐতিহ্য পাঁচ শতকেরও বেশি সময় ধরে চলছে, যা ১৬৬৩ সালের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে খাপ খায় না।

রাস মহোৎসবে কৃষ্ণের জীবন মঞ্চস্থ হয়। জেলার পোর্টাল বলছে, এটি প্রথম অভিনীত হয়েছিল ১৮৪০ সালে দক্ষিণপাট সত্রে। ১৯৩৪ সালে গরমুর সত্রের পীতাম্বরদেব গোস্বামীর হাতে এটি মঞ্চের অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে, আর ১৯৫০ সালে তিনি সত্রের মেয়েদের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেন। উৎসব চলে তিন থেকে চার দিন, আর পোর্টাল বলছে পরিবারগুলো অতিথিদের নিজেদের বাড়িতে রাখে।

অসম পর্যটন রাসের সময়, অর্থাৎ নভেম্বরের মাঝামাঝিকে ঘুরতে যাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় বলেছে। জেলার পোর্টাল উৎসবের দিন রেখেছে নভেম্বরের পূর্ণিমায়। ২০২৬ সালের কোনো তারিখ আমরা পাইনি, তাই জেলা প্রশাসনকে জিজ্ঞেস করে নিন।

অসম ট্রিবিউন জানিয়েছে, সঙ্গীত নাটক অকাদেমি ২০০০ সালের ১৫ নভেম্বর, যখন ভূপেন হাজারিকা তার সভাপতি ছিলেন, সত্রের নাচ সত্রীয়কে ভারতের আটটি শাস্ত্রীয় নৃত্যের একটি বলে স্বীকৃতি দেয়।

মিসিংদের গ্রাম আর মাচার ঘর

অসম পর্যটন বলছে, দ্বীপবাসীদের বেশির ভাগ তিনটি জনজাতির: মিসিং, দেউরী আর সোনোয়াল কছারি। জেলার পোর্টাল ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ১৩৯টি রাজস্ব গ্রামে ১,৬৭,৩০৪ জন (প্রায় ১.৬৭ লাখ) মানুষের সংখ্যা দিয়েছে।

পোর্টালের প্রস্তাবিত ভ্রমণসূচিতে দর্শনার্থীদের পাঠানো হয়েছে একটা মিসিং গ্রামে, মাচার ওপর তোলা ঘর, যাকে বলে চাং ঘর, দেখতে আর হাতে বোনা কাপড় দেখতে। ২০০৬ সালের আইন মিসিং আর দেউরী গ্রামগুলোকে তার সুরক্ষিত সাংস্কৃতিক সম্পদের তালিকায় রেখেছে, আর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী গোষ্ঠীতে মিসিং স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য নির্বাহী বা তাঁর একজন প্রতিনিধিকে একটা আসন দিয়েছে।

জেলার মর্যাদা, ২০০৬ সালের আইন আর ইউনেস্কোর তালিকা

স্ক্রল ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিল, মাজুলিকে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত করা হচ্ছে, ভারতের প্রথম দ্বীপ-জেলা আর অসমের ৩৫তম। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল বলেছিলেন, দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে কারণ ওটি ভূপেন হাজারিকার জন্মবার্ষিকী, আর স্ক্রল লিখেছিল ওই বছরের বিধানসভা নির্বাচনে মাজুলি আসনে তিনিই জিতেছিলেন। জেলার সদর দপ্তর গরমুরে, তাতে একটি মহকুমা আর দুটি উন্নয়ন ব্লক।

মাজুলি সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্য অঞ্চল আইন, ২০০৬ রাজ্যপালের সম্মতি পেয়েছিল ২০০৬ সালের ২৫ জুলাই। এটি মাজুলি সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গঠন করেছিল, যার সভাপতি মুখ্য সচিব, বা তাঁর মনোনীত একজন অতিরিক্ত মুখ্য সচিব। তার দায়িত্বের মধ্যে আছে সত্র আর গ্রাম রক্ষার কাজের পাশাপাশি বন্যা ও ক্ষয় সুরক্ষা প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয়। কর্তৃপক্ষ এখন কী করে, তা নিয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিবেদন আমরা পাইনি।

ইউনেস্কোর সম্ভাব্য তালিকায় “অসমের ব্রহ্মপুত্র নদের মাঝখানে মাজুলির নদীদ্বীপ” ২০০৪ সাল থেকে আছে। ভারতে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া সম্পদ ৪৫টি, আর মাজুলি তার মধ্যে নেই।

ফেরি, বন্যা আর ঘুরতে যাওয়ার সেরা মাসগুলো

ফেরি নিমাটি ঘাট থেকে দ্বীপের কমলাবাড়ি ঘাট বা আফালামুখ ঘাটে যায়। পোর্টাল যাত্রী আর গাড়ির জন্য অভ্যন্তরীণ জলপরিবহন বিভাগের সাইট asiwt.in-এ বুকিং করতে বলেছে, আর জানিয়েছে উৎসবের মরসুমে নৌকা সকাল ৭টা ৩০ থেকে বিকেল ৩টা ৩০ পর্যন্ত প্রতি আধ ঘণ্টায় চলে। এক নজরে পাতাটি বলছে পরিষেবা শুরু হয় ৭টায়, ৭টা ৩০-এ নয়, আর পারাপারে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা। সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর আর রেলস্টেশন জোরহাটে।

নদী দুই দিকের পরিষেবাই বন্ধ করে দিতে পারে। ২০২৪ সালের ২৯ জুন অসম ট্রিবিউন জানিয়েছিল, জল বেড়ে র‍্যাম্প ঢেকে ফেলায় নিমাটিঘাট আর আফালামুখের ফেরি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়েছে। ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর নদীর জল হঠাৎ কমে গেলে পরিষেবা থেমে যায়, আর সেন্টিনেল জানিয়েছিল ড্রেজিংয়ের পর ৩০ অক্টোবর তা আবার চালু হয়, ছোট সামুদ্রিক ইঞ্জিনের নৌকা দিয়ে, বড় রো-প্যাক্স জাহাজ ছাড়া।

জেলার প্রোফাইল গ্রীষ্মকালীন বর্ষাকালকে বন্যার প্রধান মরসুম বলেছে, আর পোর্টাল ঘুরতে যাওয়ার সেরা সময় বলেছে অক্টোবর থেকে মার্চ। বর্ষা কীভাবে কাজ করে তার ব্যাখ্যা এই বন্যার পেছনের বৃষ্টির কথা বলেছে।

জোরহাট থেকে সেতু

সেতু না খোলা পর্যন্ত জোরহাট থেকে যেতে হয় ফেরিতে। নদীর আরেকটা উত্তর-পূর্বী জবাব মেঘালয়ের, যেখানে গ্রামবাসীরা জীবন্ত ডুমুরগাছের শিকড় থেকে পারাপারের পথ বাড়িয়ে তোলে, যেমন জীবন্ত শিকড়ের সেতু নিয়ে আমাদের লেখা বলেছে।

কেন্দ্রীয় সরকার জোরহাট আর মাজুলির মধ্যে দুই লেনের একটি সেতুর জন্য ৯২৫.৪৭ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। পিটিআই ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর জানিয়েছিল, কাজ থমকে আছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে, যখন প্রথম ঠিকাদার ইউপি স্টেট ব্রিজ কর্পোরেশন কাজের জায়গা ছেড়ে চলে যায়, আর ২০২৫ সালের মার্চে খরচ বাড়িয়ে করা হয়েছে ১,০১৯.১৭ কোটি টাকা (প্রায় ১০.২ বিলিয়ন টাকা)। ২০২৫ সালের নভেম্বরে এটি চালু হওয়ার কথা ছিল।

সড়ক মন্ত্রক হরিয়ানার সংস্থা এসপিএস কনস্ট্রাকশন ইন্ডিয়াকে ৬.৮১ কিলোমিটারের মূল সেতুর জন্য জিএসটি ছাড়া ৬৫৭.৬৬ কোটি টাকায় একটি কাজ গ্রহণের চিঠি দিয়েছে, যা ৮.০৩ কিলোমিটারের এমন একটি কাঠামোর অংশ যাতে সংযোগ পথও ধরা আছে। পিটিআই জানিয়েছে, চিঠিতে কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি।

অসম ট্রিবিউন ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি জানিয়েছে, কাজ আবার শুরু হয়েছে আর, মাঝে বাধা না এলে, প্রায় দুই বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Guinness World Records: Largest river island
  2. Majuli District, Government of Assam: District at a glance
  3. Majuli District, Government of Assam: History
  4. Majuli District, Government of Assam: District profile (updated 29 April 2026)
  5. Majuli District, Government of Assam: Welcome to Majuli, directions and ferry booking
  6. Majuli District, Government of Assam: Raas Mahotsav
  7. Majuli District, Government of Assam: Sri Sri Samaguri Satra
  8. Assam Tourism: Majuli Island
  9. Assam Gazette Extraordinary, 28 July 2006: The Majuli Cultural Landscape Region Act, 2006 (Assam Act VII of 2006)
  10. UNESCO World Heritage Centre: India, properties and Tentative List
  11. The Sentinel (Assam): Protecting Majuli from erosion (editorial, 28 October 2020)
  12. The Assam Tribune: Majuli erosion study reveals 75 sq km land loss, 58 sq km deposition along Brahmaputra since 1986 (8 April 2025)
  13. Scroll.in: Assam's Majuli to become India's first island district today (8 September 2016)
  14. The Assam Tribune: Satriya Sanskriti Divas observed at Tezpur
  15. The Assam Tribune: Nimati Ghat ferry operations halted as Brahmaputra water levels surge (29 June 2024)
  16. The Sentinel (Assam): Kamalabari-Neamati Ghat ferry services resume (30 October 2024)
  17. PTI via The Week: Centre finalises new contractor for stalled Majuli-Jorhat bridge (7 October 2025)
  18. The Assam Tribune: Jorhat-Majuli bridge work resumes, completion targeted within two years (24 January 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#majuli#assam#brahmaputra#satras#sattriya#raas leela#river island#nimati ghat

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভ্রমণ
তিন নম্বর হোলেই ট্রিপল বোগি করেও তিনিই হলেন এশিয়ান গেমসে গলফে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় নারী
প্রণবী উরস এক স্ট্রোকের ব্যবধানে ভারতের প্রথম ব্যক্তিগত এশিয়ান গেমস গলফ সোনা জিতলেন, গুলভীর সিং চার দশকে প্রথম ভারতীয় অ্যাথলিট হলেন যিনি এক এশিয়ান গেমসেই তিনটি মেডেল জিতলেন, এবং অসমে তৈরি মেথানল বোঝাই একটি বার্জ স্বাধীনতার পর থেকে বন্ধ থাকা বাংলাদেশের দিকে একটি নদী বাণিজ্য পথ ফের চালু করল।
৮৮ কিলোমিটারের দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে ২ ফুট চওড়া লাইনে ছয়টি জিগজ্যাগ রিভার্স আর তিনটি লুপ পেরিয়ে ২,২৫৮ মিটারে ওঠে, আর ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো একে তালিকাভুক্ত করেছিল
দার্জিলিংয়ের টয় ট্রেনের দৈর্ঘ্য আর রিভার্সের সংখ্যা ইউনেস্কো আর আইআরসিটিসি আলাদা আলাদা দিয়েছে। কে কী বলছে, এখন লাইনে কী চলে, আর কী তাকে থামিয়েছে, তা এখানে।
হাম্পিতে ৪,১৮৭ হেক্টর জুড়ে টিকে আছে ১,৬০০-র বেশি নিদর্শন, আর সেগুলো দেখতে যাওয়ার সময়, ফি আর পথের যে হিসাব সরকারি পাতাগুলো দেয়
খোলার সময়, যে একটি টিকিটের দাম সরকারি পাতা নিশ্চিত করে, আর নথির ফাঁকগুলো: বিরূপাক্ষের দিনে দুটি দর্শন-পর্ব থেকে মাতঙ্গ পাহাড়ে সূর্যোদয়ের চড়াই পর্যন্ত। প্রতিটি হিসাবের সঙ্গে লেখা, কোন তারিখে তা পড়া হয়েছে।
← সব লেখা