Skip to content
যাদব পায়েং ১৯৭৯ সালে ব্রহ্মপুত্রের এক চরে গাছ লাগাতে শুরু করেন আর মোলাই বনের জন্য ২০১৫ সালে পদ্মশ্রী পান, যে বনকে সংবাদ প্রতিবেদন ৫৫০ হেক্টর বলে ধরেছে
পরিবেশ

যাদব পায়েং ১৯৭৯ সালে ব্রহ্মপুত্রের এক চরে গাছ লাগাতে শুরু করেন আর মোলাই বনের জন্য ২০১৫ সালে পদ্মশ্রী পান, যে বনকে সংবাদ প্রতিবেদন ৫৫০ হেক্টর বলে ধরেছে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

মিসিং সম্প্রদায়ের অসমের কৃষক পায়েং ১৯৭৯ সালে কোকিলামুখের কাছে ব্রহ্মপুত্রের এক ন্যাড়া চরে বাঁশ লাগাতে শুরু করেন। সংবাদ প্রতিবেদন সেখানে গড়ে ওঠা মোলাই বনকে প্রায় ৫৫০ হেক্টর ধরেছে, আর প্রধানমন্ত্রীর ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির বেতার ভাষণে এসেছিল প্রায় ৩০০। তিনি ২০১৫ সালে পদ্মশ্রী পান এবং ২০২৫ সালের এপ্রিলে অসম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট।

· · 6 মিনিটের পাঠ

১৯৭৯ সালে যাদব পায়েং নামে ১৬ বছরের একজন অসমের জোরহাট জেলার কোকিলামুখের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একটি ন্যাড়া চরে বাঁশ লাগাতে শুরু করেন। সেখানে গড়ে ওঠা বনটি এখন তাঁর ডাকনাম থেকে মোলাই নামে পরিচিত, আর মংগাবে (২০১৪) ও দ্য শিলং টাইমসের (২০১৫) সংবাদ প্রতিবেদন একে ধরেছে প্রায় ৫৫০ হেক্টর। ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে তালিকাভুক্ত করে, আর প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মন কি বাত বেতার ভাষণে তাঁর নাম করেন।

পায়েং মিসিং সম্প্রদায়ের, যা অসমের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। মংগাবে ও দ্য শিলং টাইমসের বিবরণ অনুযায়ী তিনি স্ত্রী বিনিতা ও তিন সন্তানকে নিয়ে বনের ভেতরে একটি ছোট কুঁড়েঘরে থাকেন এবং গবাদি পশু ও মহিষের দুধ বিক্রি করে জীবিকা চালান।

চর, সাপ আর প্রথম বাঁশ

মংগাবের ২০১৪ সালের প্রোফাইল বলছে, ঘটনার সূত্রপাত ১৯৭৯ সালে, যখন ব্রহ্মপুত্রের বন্যা তাঁর বাড়ির কাছে একটি বড় চরে কয়েক ডজন মরা সাপ ফেলে যায়। “গাছের ছায়া ছাড়া রোদে সাপগুলো মরে গিয়েছিল,” পায়েং দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছিলেন, মংগাবে তাঁকে যেমন উদ্ধৃত করেছে। দ্য শিলং টাইমস যোগ করেছে যে তিনি শুরু করেছিলেন ২০টি বাঁশের চারা দিয়ে। পায়েংয়ের বিবরণে, বন বিভাগের কর্মীরা তাঁকে বলেছিলেন বালিতে কিছুই জন্মাবে না এবং বাঁশ লাগিয়ে দেখতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

“কষ্টের ছিল, কিন্তু আমি করেছি,” একই নিবন্ধে বাঁশ নিয়ে তিনি বলেন, যে নিবন্ধ এও নথিভুক্ত করেছে যে চরে থাকতে তিনি স্কুল আর কোকিলামুখের বাড়ি ছেড়েছিলেন। চরটি প্রথমে বাঁশের ঝোপ হয়ে ওঠে। তারপর তিনি অন্য গাছ লাগাতে শুরু করেন, আর সেখান থেকেই বন বেড়েছে।

দ্য শিলং টাইমস অনুযায়ী জায়গাটিতে যেতে হয় কোকিলামুখে দক্ষিণ পাড় থেকে নৌকায়। যে দ্বীপের সঙ্গে অনেক বিবরণ একে জুড়ে দেয়, তার জন্য দেখুন মাজুলি, নদীর দ্বীপ। মংগাবে উল্লেখ করেছে, কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান একই নদীর ওপর জোরহাটের ঠিক ভাটিতে; উদ্যানটির গণ্ডার গণনা ও প্লাবনভূমির কথা আছে কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান লেখায়।

এক সরকারি প্রকল্প শেষ হয়, একজন শ্রমিক থেকে যান

১৯৮০ সালে গোলাঘাট জেলার সামাজিক বনায়ন বিভাগ মাটির ক্ষয় ঠেকাতে কোকিলামুখ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অরুণা চাপরিতে ২০০ হেক্টরে পাঁচ বছরের একটি বৃক্ষরোপণ প্রকল্প শুরু করে। মংগাবে ও দ্য শিলং টাইমস দুটিই নথিভুক্ত করেছে যে পায়েং তাতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছিলেন। কাজ শেষ হলে অন্যরা চলে যায় আর তিনি চরে থেকে যান, যা লাগানো হয়েছিল তার যত্ন নিয়ে ও আরও লাগিয়ে।

২০০৮ সালে বন কর্মকর্তারা কী পেলেন

মংগাবে জানায়, অসম বন বিভাগ বনটি প্রথম লক্ষ করে ২০০৮ সালে। অরুণা চাপরি গ্রামে সম্পত্তির ক্ষতি করার পর সেখানে সরে আসা ১০০-র বেশি বুনো হাতির খোঁজে কর্মকর্তারা গিয়েছিলেন। ২০১২ সালে লেখা হাফিংটন পোস্টও কর্মকর্তারা জেনেছিলেন ২০০৮ সালে বলে দিয়েছে।

“চরে এমন ঘন বন দেখে আমরা অবাক হয়েছিলাম,” গুনিন সাইকিয়া, তখন সহকারী বন সংরক্ষক, বলেছেন বলে উদ্ধৃত। মংগাবে সাইকিয়াকে উদ্ধৃত করে আরও বলেছে, যাঁদের বাড়ি হাতিরা ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল সেই গ্রামবাসীরা বন কেটে ফেলতে চেয়েছিলেন, আর পায়েং তাঁদের বলেছিলেন বরং তাঁকে মেরে ফেলতে।

দ্য শিলং টাইমস জানায়, ২০০৮ সাল থেকে বন বিভাগ তাঁকে বন রক্ষায় সাহায্য করছে। এটি জোরহাট জেলার এক বন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, প্রায় ১০০ হাতির একটি দল প্রতি বছর আসে আর প্রায় ছয় মাস থাকে। ভারতের হাতি সংরক্ষিত এলাকা ও জাতীয় গণনার বর্ণনা আছে ভারতের এশীয় হাতি লেখায়। একই নিবন্ধ তালিকা দিয়েছে হরিণ, প্রচুর শকুনসহ পাখি, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও ভারতীয় গণ্ডারের, আর বলেছে বাঁশ ছেয়ে আছে ৩০০ হেক্টরের বেশি জায়গা। মংগাবে বলছে প্রতিবেদনগুলো ইঙ্গিত দেয়, চরে যে বন্যপ্রাণী আগে ছিল না, যেমন বেঙ্গল টাইগার, তারা বনে আবার বসতি গেড়েছে।

পায়েং বলেছেন, বাঘ তাঁর প্রায় ১০০টি গবাদি পশু ও মহিষ মেরেছে আর তিনি অভিযোগ করেননি, কারণ তাঁর মতে বন্য আবাসে মানুষ ঢুকে পড়াই সংঘাতের কারণ। মংগাবে এও জানায়, শিকারিরা বনে গণ্ডার মারতে চাইলে তিনি বন কর্মকর্তাদের জানান এবং ফাঁদ বাজেয়াপ্ত হয়।

স্থানীয় গল্প থেকে পদ্মশ্রী

বৃহত্তর মনোযোগ এসেছে ধাপে ধাপে। ২০১২ সালের ২২ এপ্রিল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস দিল্লিতে তাঁর সম্মানে একটি অনুষ্ঠান করে, আর দ্য শিলং টাইমস ও দ্য বেটার ইন্ডিয়া দুটিই বলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুধীর কুমার সোপোরি তাঁকে “ফরেস্ট ম্যান অব ইন্ডিয়া” বলেছিলেন। দ্য শিলং টাইমস যোগ করেছে, ২০১৩ সালের অক্টোবরে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠানে তাঁকে সম্মান জানায়। এটি বলছে, ২০১২ সালের একটি তথ্যচিত্র The Molai Forest তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়, যার প্রযোজক জিতু কলিতা, ব্লু ডট লিভিংয়ের মতে যিনি পায়েংয়ের বাড়ির কাছেই থাকেন।

এরপর এসেছে চলচ্চিত্র। আরতি শ্রীবাস্তব ২০১৩ সালে বানান Foresting Life। কানাডার উইলিয়াম ডগলাস ম্যাকমাস্টারের ১৬ মিনিটের চলচ্চিত্র Forest Man-ও ফিল্মস ফর দ্য আর্থের মতে ২০১৩ সালের, আর মংগাবে বলছে এটি ২০১৪ সালে কান-এর আমেরিকান প্যাভিলিয়নে উদীয়মান চলচ্চিত্রকারদের কর্মসূচিতে সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কার জিতেছে। মংগাবে বলছে, এর পোস্ট-প্রোডাকশনের জন্য ম্যাকমাস্টার কিকস্টার্টারে ৮,৩০০ ডলারের বেশি তুলেছিলেন।

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারির বিজ্ঞপ্তি ১০৪টি পদ্ম পুরস্কারের তালিকায় ৭৫ জন পদ্মশ্রী প্রাপকের মধ্যে “Jadav Molai Peyang”, বিভাগ অন্যান্য, অসম, তালিকাভুক্ত করেছে। পদ্মশ্রী ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান। ইস্টমোজো ২০২০ সালের ৩ মার্চ জানায়, নয়া দিল্লির এক অনুষ্ঠানে তিনি কর্মযোগী পুরস্কার ২০২০ পান, যেখানে তিনি বলেন তাঁর কাজ “ধর্ম বা রাজনীতির ঊর্ধ্বে”।

পিআইবির অনুবাদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মন কি বাত বলেছে, পায়েং একটি পদ্ম পুরস্কার পেয়েছেন এবং মাজুলি দ্বীপে “প্রায় ৩০০ হেক্টর বৃক্ষরোপণ গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখেছেন”, আর তিনি মানুষকে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অনুপ্রাণিত করেন। একটি পিআইবি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ৪ জুলাই তিনি আইআইএম শিলংয়ের ১৬তম প্রতিষ্ঠা দিবসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে অসম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জোরহাটে তার ২৫তম সমাবর্তনে তাঁকে এবং সংরক্ষণকর্মী পূর্ণিমা দেবী বর্মনকে সম্মানসূচক ডক্টরেট দেয়, ইন্ডিয়া টুডে এনই ও দ্য অসম ট্রিবিউন যেমন জানিয়েছে।

দ্বিতীয় একটি বন, আর ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের শীতের আগুন

পায়েং ও তাঁর মেয়ে মুনমুনি একটি নতুন বাগানও বাড়িয়ে তুলছেন, মোলাই কাথনি ২.০, জোরহাট-মাজুলি বন বিভাগে ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে বাঘমোরা ইকো-ক্যাম্পের কাছে। দ্য ফেডারেলে প্রকাশিত সংস্করণে পিটিআই জানায়, সেখানে চারা লাগানো হয়েছিল ২০২২ সালে। ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় আগুন লাগে। একজন জ্যেষ্ঠ বন কর্মকর্তা ক্ষতি ৫,৫০০-র বেশি চারা বলে ধরেন এবং বলেন কেউ আহত হননি ও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুনমুনি পায়েং, যিনি স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগুন নেভানোয় নেতৃত্ব দেন, বলেন আগুন ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো। আউটলুক ট্র্যাভেলার ২০২৬ সালের ২ জানুয়ারি একই সংখ্যা দিয়েছে।

২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দ্য অসম ট্রিবিউন জায়গাটিতে আরেকটি আগুনের খবর দেয়, সাম্প্রতিক মাসগুলোর তৃতীয় বলে বর্ণিত, প্রায় ১০০ হেক্টর জুড়ে। এটি বলছে অনেক পরিণত গাছ বেঁচে গেছে। মুনমুনি পায়েং নাশকতার অভিযোগ করেন এবং এলাকায় বন বিভাগের একটি স্থায়ী ক্যাম্প চান। এই লেখার জন্য খোলা প্রতিবেদনগুলোতে ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারের খবর নেই।

যেখানে বিবরণগুলো আলাদা

আয়তন। মংগাবে ও দ্য শিলং টাইমস দিয়েছে প্রায় ৫৫০ হেক্টর, আর ব্লু ডট লিভিং দিয়েছে তাঁর লাগানো বনের জন্য ৫৫০ হেক্টর এবং সংরক্ষিত এলাকার জন্য প্রায় ১,০০০ হেক্টর। মন কি বাতের পাঠ দিয়েছে প্রায় ৩০০ হেক্টর। অসম বন বিভাগের কোনো প্রকাশিত জরিপ এখানে খোলা সূত্রগুলোতে পাওয়া যায়নি, তাই ৫৫০ সংখ্যাটি সংবাদ বিবরণের ওপর দাঁড়িয়ে।

স্থান। দ্য শিলং টাইমস বনটিকে রাখে জোরহাট জেলার কোকিলামুখে। ইস্টমোজো ও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ একে মাজুলির অংশ বলে বর্ণনা করে, আর পিটিআইয়ের উদ্ধৃত বন কর্মকর্তারা নতুন বাগানটি রাখেন জোরহাট-মাজুলি বন বিভাগে।

সরকারি প্রকল্প। ব্লু ডট লিভিং বলছে এটি ১৯৮৩ সালে পরিত্যক্ত হয়, আর মংগাবের দ্বিতীয় নিবন্ধ বলছে মাঝপথে পরিত্যক্ত। দ্য শিলং টাইমস ও দ্য বেটার ইন্ডিয়া বলছে এটি পাঁচ বছরই চলেছিল। ইস্টমোজো পায়েংয়ের নিজের রোপণকে ১৯৭৯ নয়, ১৯৮০-র দশকের শুরুর দিকের বলে তারিখ দিয়েছে।

উপাধি। “ফরেস্ট ম্যান অব ইন্ডিয়া”-র উৎস হিসেবে দ্য শিলং টাইমস ও দ্য বেটার ইন্ডিয়া সোপোরির নাম করেছে। মংগাবের দ্বিতীয় নিবন্ধ কৃতিত্ব দিয়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে. আবদুল কালামকে।

হাতি। দ্য শিলং টাইমসে জোরহাটের এক বন কর্মকর্তা দিয়েছেন প্রায় ১০০। তাঁর ২০২৩ সালের বক্তব্যের পিআইবি প্রতিবেদনে পায়েং বলেছেন বনে ১১৫টি হাতির সঙ্গে বাঘ, চিতাবাঘ ও গণ্ডার থাকে।

জন্মসাল। বিবরণগুলো একমত নয়, আর এই লেখা কোনো সাল দেয় না।

মংগাবের ২০১৪ সালের নিবন্ধ বলছে পায়েং চরের ক্ষয় ঠেকাতে গাছ লাগিয়েছিলেন, আর এখানে খোলা সূত্রগুলোতে বনটির কোনো জলবিদ্যাগত গবেষণা পাওয়া যায়নি। পিআইবির ২০১৫ সালের পদ্ম তালিকা তাঁর নাম লিখেছে “Peyang”।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau: Padma Awards 2015 (25 January 2015)
  2. Press Information Bureau: English rendering of the Prime Minister's Mann Ki Baat of 28 February 2021
  3. Press Information Bureau: IIM Shillong celebrates its 16th Inaugural Day with a focus on environmental conservation (event of 4 July 2023)
  4. Mongabay: One man plants forest larger than Central Park (November 2014)
  5. Mongabay: Man plants forest, becomes film star (14 November 2014)
  6. The Shillong Times: Molai's green journey to Padma Shri glory (29 January 2015)
  7. HuffPost: Indian man Jadav Molai Payeng single-handedly plants a 1,360 acre forest in Assam (3 April 2012)
  8. The Better India: The man who single-handedly converted a washed-out land into a 1,360 acre forest
  9. Blue Dot Living: The Forest Man of India
  10. EastMojo: India's forest man Jadav Payeng conferred Karmayogi Award 2020 (3 March 2020)
  11. Films for the Earth: Forest Man (2013, 16 minutes)
  12. India Today NE: Jadav Payeng, Purnima Devi Barman conferred honorary doctorates by Assam Agricultural University (9 April 2025)
  13. The Assam Tribune: AAU not just state's pride, but India's asset, Governor at 25th Convocation
  14. The Federal (PTI): Assam forest created by Padma Shri awardee set ablaze, probe ordered (29 December 2025)
  15. Outlook Traveller: Man-made forest created by Forest Man of India damaged in fire (2 January 2026)
  16. The Assam Tribune: Third fire in 2 months guts 100 hectares of Mulai Kathoni 2.0, arson suspected (19 February 2026)

পর্দায় ও বইয়ে

  • Forest Man (2013) , পরিচালনায় William Douglas McMaster , English . পায়েং ও মোলাই বন নিয়ে ১৬ মিনিটের একটি ছোট চলচ্চিত্র; মংগাবে জানায়, এটি ২০১৪ সালে কান-এর আমেরিকান প্যাভিলিয়নে উদীয়মান চলচ্চিত্রকারদের কর্মসূচিতে সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছে।

এই তালিকা তাঁদের জন্য যাঁরা পর্দায় দেখা গল্পের পিছনের ইতিহাস খুঁজছেন। কোনো নাট্যরূপ সূত্র নয়, এবং এই কাজগুলির কোনোটির সঙ্গে tuput যুক্ত নয়।

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#jadav payeng#molai forest#brahmaputra#assam#padma shri#reforestation#jorhat#forest man of india

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
বোগিবিল সেতু ব্রহ্মপুত্রের ৪.৯৪ কিলোমিটার জুড়ে তিন লেনের সড়কের নিচে দুটি রেললাইন বয়ে নিয়ে যায়, আর ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর ভারতের দীর্ঘতম রেল-কাম-সড়ক সেতু হিসেবে চালু হয়
তিনটি কারখানা থেকে ইস্পাতের পাত এসেছিল, ইউরোপীয় মানে ঝালাইকর্মী নেওয়া হয়েছিল সারা ভারত থেকে, আর নদীতে কাজের মরসুম ছিল প্রায় পাঁচ মাস। রেল ও সড়কে আসামের উত্তর ও দক্ষিণ তীর কীভাবে জোড়া লেগেছে, তার নথি।
গিনেস মাজুলির আয়তন লিখেছে ৮৮০ বর্গকিলোমিটার, অথচ অসম সরকারের নিজের পাতায় এই একই নদীদ্বীপের জন্য ৪২১, ৪৭৫ আর ৪৮৩
একটাই দ্বীপের চার রকম আয়তন, নদী বেশি উঁচু বা বেশি নিচু হলে বন্ধ হয়ে যাওয়া ফেরি, আর ঠিকাদার বদলে যাওয়া একটা সেতু। মাজুলি নিয়ে অসমের পাতাগুলো কী বলে, প্রতিটি পড়ার তারিখসহ।
মানস বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ২০১১ সালের ২১ জুন ইউনেস্কোর বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসে, আর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ২০২৬ সালের জুলাইয়ের সিদ্ধান্তে এর মূল প্রজাতিগুলোর স্পষ্ট ঊর্ধ্বমুখী ধারা এবং চাষের নতুন কোনো দখল না থাকার কথা আছে
কাজিরাঙা ও পোবিতোরা থেকে আনা গন্ডার, সড়কপথে সরানো বারাসিঙ্গা, একটি অর্থ তহবিল-সংস্থা, আর ২০২৬ সালের একটি কমিটি-সিদ্ধান্ত যা পরের দুটি সময়সীমা ঠিক করে, ২০২৬ সালের ১ ডিসেম্বর ও ২০২৭ সালের ১ ডিসেম্বর।
← সব লেখা