Skip to content
আলম আরা ১৯৩১ সালের ১৪ মার্চ বোম্বের মেজেস্টিক সিনেমায় ভারতের প্রথম সবাক ছবি হিসেবে মুক্তি পায়: আর্দেশির ইরানির হিন্দুস্তানি ভাষার ছবি, খরচ প্রায় ৪০,০০০ টাকা, গান সাতটি
শিল্প ও চলচ্চিত্র

আলম আরা ১৯৩১ সালের ১৪ মার্চ বোম্বের মেজেস্টিক সিনেমায় ভারতের প্রথম সবাক ছবি হিসেবে মুক্তি পায়: আর্দেশির ইরানির হিন্দুস্তানি ভাষার ছবি, খরচ প্রায় ৪০,০০০ টাকা, গান সাতটি

ছবি: Shruti Swamy from India / Wikimedia Commons, CC BY 2.0 (ছাঁটা)

বাংলা

আর্দেশির ইরানি গ্র্যান্ট রোডে নিজের ইম্পেরিয়াল স্টুডিওতে হিন্দুস্তানি ভাষায় আলম আরা প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন, শেষ আর প্রথম লোকাল ট্রেনের মাঝের রাতে শব্দ ধরে। ব্রিটানিকা একে ভারতের প্রথম সবাক ছবি বলেছে। কোনো প্রিন্ট টিকে নেই, কিন্তু যে ছাপার যন্ত্রে এর কপি তৈরি হতো তা ২০২২ সালে উদ্ধার হয়েছে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

আলম আরা বোম্বের মেজেস্টিক সিনেমায় মুক্তি পায় ১৯৩১ সালের ১৪ মার্চ, আর ব্রিটানিকা একে ভারতের প্রথম সবাক ছবি বলেছে। আর্দেশির ইরানি ছবিটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন হিন্দুস্তানি ভাষায়, হিন্দি আর উর্দুর রোজকার মেশানো ভাষায়। চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ বি. ডি. গর্গকে তিনি বলেছিলেন, খরচ পড়েছিল প্রায় ৪০,০০০ টাকা, আর মুক্তির সময় হলে ভিড়ে ঠাসাঠাসি অবস্থা ছিল, কয়েক সপ্তাহ টিকিট পাওয়া কঠিন ছিল।

আঠারো বছর আগে রাজা হরিশ্চন্দ্র ভারতকে দিয়েছিল প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র, একটি নির্বাক ছবি। আলম আরা তাতে যোগ করল কথা আর গান।

একটি আমেরিকান ছবি থেকে শুরু হওয়া গোপন কাজ

১৯৪৯ ও ১৯৬৪ সালে নেওয়া এবং ১৯৮০ সালে প্রকাশিত গর্গের সাক্ষাৎকারে ইরানি বলেছিলেন, আলম আরা শুরুর প্রায় এক বছর আগে তিনি বোম্বের এক্সেলসিয়র থিয়েটারে ইউনিভার্সালের শো বোট দেখেছিলেন। সেটিকে তিনি বলেছেন ৪০ শতাংশ সবাক ছবি। ছবিটি তাঁকে একটি ভারতীয় সবাক ছবির ভাবনা দেয়, যদিও তাঁর দলের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, নকল করার মতো কিছুও ছিল না।

কাজ চলেছিল নিঃশব্দে। ইরানির স্মৃতিতে, একটি নির্বাক ছবি শেষ করতে লাগত প্রায় এক মাস, আর আলম আরা-র লেগেছিল কয়েক মাস, কারণ শব্দ ধরা ছিল ভীষণ কঠিন। সবাক ছবির খবর যাতে বাইরে না যায়, দলটি সে ব্যাপারেও সতর্ক ছিল।

গ্র্যান্ট রোডে ইরানির স্টুডিওই ছিল সেট। বৃহন্মুম্বাই পুরসভার ঐতিহ্য-নথি বলছে, তিনি সেখানে ১৯২৬ সালে ইম্পেরিয়াল ফিল্মস স্টুডিও বসান, এখন যেখানে জ্যোতি স্টুডিওজ, এবং সেখান থেকেই ইম্পেরিয়াল ফিল্ম কোম্পানি চালাতেন। হিন্দুস্তান টাইমস আর দ্য ট্রিবিউন দুটিই তাঁকে বরং “ইম্পেরিয়াল মুভিটোন”-এর প্রধান বলেছে, আর হিন্দুস্তান টাইমস যোগ করেছে যে ছবিটি বিলি করেছিল সাগর মুভিটোন। মানুষটি আর জায়গা নিয়ে সব বিবরণ একমত; ব্যানারের নাম আলাদা।

শেষ ট্রেন আর প্রথম ট্রেনের মাঝখানে শুটিং

শব্দরোধী কোনো স্টেজ ছিল না। গর্গকে বলা হয়েছিল, স্টুডিওর পাশ দিয়ে কয়েক মিনিট পরপর ট্রেন যেত, তাই বেশির ভাগ শুটিং হতো ট্রেন থেমে থাকা ঘণ্টাগুলোয়। পুরসভার ঐতিহ্য-নথি আউটলুককে উদ্ধৃত করে সময়সূচি দিয়েছে রাত ১টা, শেষ লোকালের পর, থেকে ভোর ৪টা, চার্চগেট থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়ার আগে পর্যন্ত।

একটি একক-ব্যবস্থার তানার যন্ত্র ছবির একই ফিল্মে শব্দ ধরত, কোনো বুম ছাড়া। ইরানি বলেছিলেন, মাইক্রোফোন ফ্রেমের বাইরে রাখতে অদ্ভুত সব জায়গায় লুকোতে হতো, আর হিন্দুস্তান টাইমসের মতে কিছু মাইক অভিনেতাদের পোশাকে ছদ্মবেশে লুকানো ছিল।

ওয়েলফোর্ড ডেমিং নামে এক আমেরিকান রেকর্ডিস্ট বোম্বেতে এসে যন্ত্রটি জোড়া দেন, দৈনিক পারিশ্রমিক ছিল ১০০ টাকা। ইরানি বলেছিলেন, কোম্পানির পক্ষে সেটা বেশি হয়ে যাচ্ছিল, তাই তিনি আর রুস্তম ভারুচা, এক আইনজীবী যিনি পরে ইম্পেরিয়াল স্টুডিওজ চালিয়েছিলেন, ডেমিংয়ের কাছে মূল কাজটুকু শিখে নেন। তারপর ভারুচার সাহায্যে রেকর্ডিংয়ের কাজ ইরানি নিজেই করেন।

পার্সি মঞ্চনাটক, হিন্দুস্তানি চিত্রনাট্য আর কথা শুনে বাছা অভিনেতা

ইরানির কথায়, উৎস ছিল বোম্বের নাট্যকার জোসেফ ডেভিডের একটি জনপ্রিয় মঞ্চনাটক, যিনি নিজেই সেটি পর্দার জন্য রূপান্তর করেন। প্রেস ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার লেখায় নাট্যকারের পুরো নাম জোসেফ ডেভিড পেনকার (১৮৭৬ থেকে ১৯৪৮) এবং বলা হয়েছে তিনি পার্সি ইম্পেরিয়াল থিয়েটার কোম্পানির সঙ্গে কাজ করতেন। হিন্দুস্তান টাইমসের সারকথায়, গল্পটি এক রাজকুমার ও এক যাযাবর মেয়ের প্রেমের, তাতে আছে এক রাজা, তাঁর দুই রানি, এক সুফি ভবিষ্যদ্বাণী আর প্রচুর ঈর্ষা।

প্রেস ইনস্টিটিউটের লেখা অনুযায়ী ইরানি গুজরাতি বা মারাঠির বদলে হিন্দুস্তানি বেছেছিলেন, আর গোস্বামী লিখেছেন তিনি তাতে বড় দর্শকগোষ্ঠী দেখেছিলেন। হিন্দুস্তান টাইমস যোগ করেছে, আলম আরা-র পর হিন্দুস্তানিই বোম্বের ছবির মান্য ভাষা হয়ে ওঠে।

নামভূমিকায় ছিলেন জুবেইদা (১৯১১ থেকে ১৯৮৮), যুবরাজ কামারের ভূমিকায় নির্বাক যুগের তারকা মাস্টার বিঠল (১৯০৬ থেকে ১৯৬৯)। হিন্দুস্তান টাইমস ও দ্য ট্রিবিউনের মতে সেনাপ্রধান আদিলের ভূমিকায় ছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুর। প্রেস ইনস্টিটিউট বলছে, নায়িকার জন্য ইরানির প্রথম পছন্দ সুলোচনা (রুবি মায়ার্স) বাদ পড়েন কারণ তিনি হিন্দুস্তানি ভালো বলতে পারতেন না। হিন্দুস্তান টাইমস এবং অসম ট্রিবিউনের জন্য গোস্বামীর লেখা, দুটিই বলছে, ইরানি প্রথমে যুবরাজের ভূমিকার জন্য তরুণ মেহবুব খানকে ভেবেছিলেন; মেহবুব পরে বানান মাদার ইন্ডিয়া।

সাতটি গান, আর এক ভিখারির গান যা প্রথম হিট হয়

মহারাষ্ট্র সরকারের পত্রিকা মহারাষ্ট্র অ্যাহেড (জানুয়ারি ২০১২) ছবির হিন্দুস্তানি সংলাপ আর সাতটি গানকে বক্স অফিস সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসও একই সংখ্যা দিয়েছে, আর আউটলুক বর্ণনা করেছে একটি প্রধান গান ও আরও ছয়টি হিট, বেশির ভাগ গেয়েছিলেন জুবেইদা।

দর্শকদের মনে ছিল “দে দে খুদা কে নাম পর পেয়ারে”, গেয়েছিলেন ওয়াজির মোহাম্মদ খান, যিনি ছবিতে ফকিরের (ভ্রাম্যমাণ সাধুর) ভূমিকাও করেছিলেন। ইরানি গর্গকে বলেছিলেন প্রায় সব গানই হিট হয়েছিল, সবচেয়ে বেশি খানের গানটি। আউটলুক বলছে ভিখারিরা ঘুরে ঘুরে ভিক্ষার সময় সেটি গাইত।

সুর কে দিয়েছিলেন তা কম স্পষ্ট। ইরানি বলেছিলেন কোনো সংগীত পরিচালক ছিলেন না, গানের কথা আর সুর তিনি নিজেই বাছতেন, একজন হারমোনিয়াম ও একজন তবলা-বাদককে ক্যামেরার নাগালের বাইরে রেখে, আর গায়ক মুখ করে থাকতেন লুকানো মাইকের দিকে। হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে ক্রেডিটে কোনো সুরকারের নাম নেই, যদিও পরের প্রতিবেদনে ফিরোজশাহ মিস্ত্রি আর বি. ইরানির নাম আসে।

মেজেস্টিকে উদ্বোধনের দিন

পোস্টারে প্রতিশ্রুতি ছিল এমন ছবির যা “সম্পূর্ণ জীবন্ত, নিঃশ্বাস-নেওয়া, ১০০ শতাংশ কথা-বলা”, ছবির মুক্তির সময়কার এই বাক্যটি দিয়েছে পুরসভার ঐতিহ্য-নথি। ইরানির নিজের বিবরণ সংক্ষিপ্ত। হলে ভিড়ে ঠাসাঠাসি, কয়েক সপ্তাহ টিকিট নেই, আর কালোবাজারিরা ভালোই কামিয়েছিল।

পরের লেখাগুলো আরও বিশদ যোগ করেছে। ভিড় সামলাতে পুলিশ ডাকতে হয়েছিল, বলেছে মুম্বাইয়ের ঐতিহ্য-নথি, হিন্দুস্তান টাইমস, আউটলুক আর গোস্বামীর লেখা। আউটলুক বলছে চার আনার টিকিট আবার বিক্রি হয়েছিল ৫ টাকায়, আর গোস্বামী ও দ্য কুইন্ট দুজনেই হাউসফুল চলার সময় ধরেছে প্রায় আট সপ্তাহ। এই লেখকদের কেউই ১৯৩১ সালের মার্চের কোনো সংবাদপত্র-প্রতিবেদনের দিকে আঙুল তোলেননি, তাই পুলিশের কথাটি দাঁড়িয়ে আছে পরের বর্ণনার ওপর, যেগুলো একে অপরের সঙ্গে এবং ইরানির “ভিড়ে ঠাসা” কথাটির সঙ্গে মেলে।

এর পরে যা এল

ব্রিটানিকা বলছে ভারতীয় চলচ্চিত্র হিন্দি সবাক ছবি থেকে আলাদা হয়ে তামিল, তেলুগু আর বাংলার মতো ভাষায় আঞ্চলিক শাখায় ভাগ হয়ে যায়। প্রথম দিককার একটি এসেছিল ইরানির নিজের হাত থেকেই। মাদ্রাজ মিউজিংস বলছে, এইচ. এম. রেড্ডির পরিচালনায় কালিদাস আলম আরা-র কয়েক মাস পরে মাদ্রাজের কিনেমা সেন্ট্রালে মুক্তি পায়। ছবিটি তেলুগু ও তামিল দ্বিভাষিক। পত্রিকাটি বলছে একে প্রথম তামিল সবাক ছবি বলা দ্বিধা ছাড়া কঠিন, এবং লক্ষ করেছে যে তামিলের বেশির ভাগই ছিল কথায় নয়, গানে। মুম্বাইয়ের ঐতিহ্য-নথি যোগ করেছে, খরচ বাঁচাতে ইরানি কালিদাস বানিয়েছিলেন আলম আরা-র সেটেই।

ইরানির পরের কাজে রঙিন ছবিও ছিল। ব্রিটানিকা তাঁকে ১৯৩৭ সালে ভারতে তৈরি প্রথম রঙিন ছবি কিষাণ কন্যা প্রযোজনার কৃতিত্ব দিয়েছে। পুরসভার ঐতিহ্য-নথি বলছে, ছবিটি একই গ্র্যান্ট রোড স্টুডিওতে সিনেকালার পদ্ধতিতে তোলা হয়েছিল।

ভাষার এই ছড়িয়ে পড়া দেখা যায় ২০২৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে, যেখানে সেরা ছবির পুরস্কার গেছে ১৪টি ভাষার ছবির হাতে।

কী টিকে আছে

আলম আরা-র কোনো প্রিন্ট টিকে আছে বলে জানা নেই। হিন্দুস্তান টাইমস, প্রেস ইনস্টিটিউট আর দ্য ট্রিবিউন তাই বলেছে, আর দ্য ট্রিবিউন তালিকা দিয়েছে যা বাকি আছে তার: পোস্টার, একটি প্রচার-পুস্তিকা আর একটি ছাপার যন্ত্র। ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিকর্তা পি. কে. নায়ার ২০১৩ সালের জুলাইয়ে দ্য হান্স ইন্ডিয়াকে বলেছিলেন, ছবির নির্মাতারা প্রিন্টটির যত্ন নেননি। তাঁর আন্দাজ, ১৯৫০-এর আগে তৈরি ভারতীয় ছবির প্রায় ৭০ শতাংশ আর্কাইভের সংগ্রহের জন্য পাওয়া যায়নি।

২০২২ সালের মে মাসে মুম্বাইয়ের ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশন জানায়, আলম আরা-র প্রিন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত একটি বেল অ্যান্ড হাওয়েল কন্ট্যাক্ট প্রিন্টিং যন্ত্র তারা উদ্ধার করেছে। পিটিআই জানিয়েছে, যন্ত্রটি আদতে কিনেছিলেন ইরানি, পরে সেটি একটি শাড়ির দোকানে অলস পড়ে ছিল, আর কোহিনূর ফিল্ম কোম্পানির দ্বারকাদাস সম্পতের নাতি নলিন সম্পত সেটি ফাউন্ডেশনের কাছে জমা দেন। ফাউন্ডেশনের অধিকর্তা শিবেন্দ্র সিং ডুঙ্গারপুর বলেছেন, ছবিটির এটিই একমাত্র টিকে থাকা বস্তু।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. B. D. Garga Archives: Making of Alam Ara, an interview with Ardeshir Irani (1980; archived copy)
  2. Municipal Corporation of Greater Mumbai, Mumbai Legacy Project, D Ward: Jyoti Studios
  3. Government of Maharashtra, Maharashtra Ahead, January 2012 (Directorate General of Information and Public Relations)
  4. Britannica: Bollywood, the Hindi-language film industry of India (archived copy)
  5. Hindustan Times, 15 March 2024: Alam-Ara turns 93 (Nilosree Biswas)
  6. Press Institute of India, Vidura, 22 March 2025: Alam Ara, recalling India's first talkie and its enduring legacy (Mrinal Chatterjee)
  7. Outlook India, 5 February 2022 (updated 7 February 2024): The Ghost Who Talked (Rauf Ahmed)
  8. The Tribune, 14 March 2025: India's first talkie: Not a glorious affair (Varun Kaushik)
  9. Zoroastrians.net, 19 March 2021: Ardeshir Irani, the first talkie (Manash P. Goswami, from the Assam Tribune)
  10. The Quint, 14 March 2018 (updated 2019): 7 things you should know about the first Indian talkie Alam Ara (Dipti Kharude)
  11. Madras Musings, 16 to 31 August 2023: Let's watch Kalidas (1931) together
  12. The Hans India, 26 July 2013: No prints of several epic films, P. K. Nair
  13. Millennium Post (PTI), 8 May 2022: Film Heritage Foundation recovers printing machine used for creating Alam Ara prints

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#alam ara#ardeshir irani#first indian talkie#hindi cinema#zubeida#master vithal#imperial film company#lost films

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
কে. আসিফের মুঘল-ই-আজম মুম্বইয়ের মারাঠা মন্দিরে মুক্তি পেয়েছিল ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট, ছবিটির ভাবনার ষোলো বছর পর, আয়নার মহলের সেট, নৌশাদের সুর আর টেকনিকলরে তোলা একটি গান নিয়ে
যে প্রযোজক পাকিস্তানে চলে গেলেন, যে প্রধান অভিনেতা মারা গেলেন ১৯৪৯ সালে, আয়নার যে প্রাসাদ ক্যামেরার নিজের আলোই ক্যামেরার দিকে ফিরিয়ে দিত, আর ৪৪ বছর পর মুক্তি পাওয়া একটি রঙিন সংস্করণ। বাজেট আর আয় নিয়ে পাওয়া যায় একাধিক ভিন্ন অঙ্ক।
দিলীপ কুমার আটটি ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মবিভূষণ জেতেন, ১৯৪৪ সালে জোয়ার ভাটা দিয়ে শুরু হওয়া পর্দার কর্মজীবনে
পেশোয়ারের এক ফল-ব্যবসায়ীর ছেলে, যিনি ১৯৪৪ সালে পর্দায় আসেন এবং নিজের গঙ্গা যমুনা লিখে প্রযোজনা করেন। তাঁর ছবি, তাঁর সম্মান, আর তিনি ভারতের প্রথম মেথড অভিনেতা কি না সেই বিতর্ক, প্রতিটি দাবি কার মুখে বলা তা সহ।
শাহরুখ খান পৌঁছেছেন ১৯৮৯ সালের সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক ফৌজি থেকে পদ্মশ্রী, লিজিয়ঁ দনর, ১,০০০ কোটি টাকার দুটি ছবি আর ২০২৫ সালের সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে
১৯৮৯ সালে দূরদর্শনে এক প্রশিক্ষণরত কমান্ডো, ১৯৯৫ থেকে মুম্বইয়ে রোজ সকাল সাড়ে এগারোটার শো, আর ২০২৫ সালে নয়াদিল্লিতে একটি রুপোর পদ্ম, প্রতিটি ধাপের তারিখ, পুরস্কারদাতা সংস্থা আর সূত্র সমেত।
← সব লেখা