Skip to content
ডিআরডিওর উচ্চ-উচ্চতার প্ল্যাটফর্ম ২১ কিলোমিটারে পৌঁছেছে আর ২০ কিলোমিটারে ৩০ মিনিটের বেশি স্থির থেকেছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ঘোষণা করেছে ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর
এআই ও প্রযুক্তি

ডিআরডিওর উচ্চ-উচ্চতার প্ল্যাটফর্ম ২১ কিলোমিটারে পৌঁছেছে আর ২০ কিলোমিটারে ৩০ মিনিটের বেশি স্থির থেকেছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ঘোষণা করেছে ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

আগ্রায় ডিআরডিওর এরিয়াল ডেলিভারি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্টাব্লিশমেন্টের তৈরি বাতাসের চেয়ে হালকা একটি প্ল্যাটফর্ম গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২১ কিলোমিটার উঠেছে, ২০ কিলোমিটারে ৩০ মিনিটের বেশি থেকেছে এবং সরাসরি ভিডিও ও উড়ানের তথ্য মাটিতে পাঠিয়ে উদ্ধার হয়েছে। এটি এসেছে একই গবেষণাগারের প্রথম স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক এয়ারশিপ উড়ানের ১৭ মাস পরে, যা পৌঁছেছিল প্রায় ১৭ কিলোমিটারে।

· · 5 মিনিটের পাঠ

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর ঘোষণা করেছে, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) দেশে তৈরি একটি হাই-অল্টিচিউড প্ল্যাটফর্ম গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২১ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত উড়ান-পরীক্ষা করেছে। সেদিন বিকেল ৩টা ৩৩ মিনিটে প্রকাশিত প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) বিবৃতি অনুযায়ী, পরীক্ষামূলক এই উড়ান ২০ কিলোমিটারে ৩০ মিনিটের বেশি স্থির ছিল, নামার নির্দেশ পেয়ে নেমেছে এবং উদ্ধার হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটি নকশা ও উন্নয়ন করছে আগ্রার এরিয়াল ডেলিভারি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্টাব্লিশমেন্ট (এডিআরডিই), ডিআরডিওর একটি গবেষণাগার। বিবৃতিতে একে বলা হয়েছে বাতাসের চেয়ে হালকা ব্যবস্থা, দীর্ঘস্থায়ী স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক আকাশ-নজরদারি প্ল্যাটফর্ম। বাতাসের চেয়ে হালকা মানে এটি ডানায় ভর করে ওড়ে না, বেলুন বা এয়ারশিপের মতো একটি গ্যাসের ওপর ভাসে।

বিবৃতি যা জানিয়েছে

ঘোষণাটি তিনটি সংখ্যার ওপর দাঁড়িয়ে। প্ল্যাটফর্মটি গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২১ কিলোমিটারে (এএমএসএল) পৌঁছেছে, ২০ কিলোমিটারে ৩০ মিনিটের বেশি থেকেছে, আর নির্দেশ পেয়ে নেমে এসেছে এবং উদ্ধার হয়েছে। বিবৃতি বলছে, উড়ানের কার্যকারিতার তথ্য পরে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গ্রাউন্ড স্টেশন পুরো উড়ান জুড়ে সরাসরি ভিডিও ও যানের অন্য সব প্যারামিটার পেয়েছে, এবং বিবৃতি বলছে এতে লক্ষ্যমাত্রার উড়ান-কার্যকারিতা দেখা গেছে। একই বিবৃতি নিয়ে প্রতিবেদন করে দ্য উইকও টেলিমেট্রি নিয়ে একই বিবরণ দিয়েছে।

ভেতরে কী ছিল, আর কারা যুক্ত ছিল

পিআইবি বিবৃতি অনুযায়ী প্ল্যাটফর্মে ছিল একটি ইনার্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট (গতি ও অভিমুখ মাপার সেন্সর), একটি জিপিএস রিসিভার, ভেতরের ক্যামেরা ও উচ্চতা-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, এবং আরও কিছু উপব্যবস্থা।

পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী, সেন্টার ফর মিলিটারি এয়ারওয়ার্দিনেস অ্যান্ড সার্টিফিকেশন (সেমিল্যাক), ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ), এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এএআই) এবং অন্যান্য অসামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডিআরডিও, বিমানবাহিনী, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও শিল্পক্ষেত্রের প্রশংসা করেছেন। বিবৃতির ভাষায় তিনি পরীক্ষাটিকে বলেছেন “দীর্ঘস্থায়ী স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক এয়ারশিপ বাস্তবায়নের পথে” আত্মনির্ভর ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রতিরক্ষা সচিব, যিনি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের সচিব ও ডিআরডিও চেয়ারম্যানও, দলগুলোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

কেন ২০ কিলোমিটার

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার, আবহাওয়ার ওপরের স্তর, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ওপরে শুরু হয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত গেছে, এনওএএর ২০২২ সালের ওজোন মূল্যায়ন অনুযায়ী। ২১ কিলোমিটারে প্ল্যাটফর্মটি তার ভেতরেই ছিল।

এ ধরনের যানের জন্য উচ্চতাটি যেমন-তেমন নয়। ক্যালটেকের কেক ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের ২০১৪ সালের এক সমীক্ষা, যাতে নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি ও কয়েকটি মহাকাশ-সংস্থার অংশগ্রহণকারীরা ছিলেন, বলছে পরিসংখ্যানগতভাবে বাতাস সবচেয়ে ধীর প্রায় ২০ কিলোমিটারে, ফলে নিচের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এয়ারশিপের কাজের সেরা জায়গা। একই প্রতিবেদন সেখানে বায়ুচাপ রেখেছে সমুদ্রপৃষ্ঠের ৩ থেকে ৫ শতাংশ, আর গড় তাপমাত্রা মাইনাস ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন “হাই অল্টিচিউড প্ল্যাটফর্ম স্টেশন” সংজ্ঞায়িত করে ২০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে থাকা কোনো বস্তুর ওপর বসানো স্টেশন হিসেবে, যা পৃথিবীর সাপেক্ষে একটি নির্দিষ্ট, নামমাত্র স্থির বিন্দুতে থাকে। প্ল্যাটফর্মটি মাটির ওপর স্থির অবস্থানে ছিল কি না, তা পিআইবি বিবৃতি বলেনি। সেটি জানিয়েছে, এটি একটি উচ্চতা ধরে রেখেছিল।

প্রায় ১৭ কিলোমিটার থেকে ২১

একই গবেষণাগারের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক কর্মসূচি থেকে ঘোষিত এটি দ্বিতীয় উড়ান। ২০২৫ সালের ৩ মে ডিআরডিও মধ্যপ্রদেশের শেওপুর পরীক্ষাস্থল থেকে চালিয়েছিল যাকে পিআইবি বলেছিল স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক এয়ারশিপ প্ল্যাটফর্মের প্রথম উড়ান-পরীক্ষা। এডিআরডিইর এয়ারশিপ যন্ত্রসজ্জিত পেলোড নিয়ে প্রায় ১৭ কিলোমিটারে পৌঁছেছিল, উড়ান চলেছিল প্রায় ৬২ মিনিট, আর ব্যবস্থাটি উদ্ধারের আগে দল এনভেলপের চাপ-নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি বায়ু-নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরীক্ষা করেছিল।

তখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন ব্যবস্থাটি ভারতের ভূ-পর্যবেক্ষণ এবং গোয়েন্দা, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ সক্ষমতাকে অনন্যভাবে বাড়াবে, ফলে ভারত এমন দেশীয় সক্ষমতাসম্পন্ন অল্প কয়েকটি দেশের একটি হবে। তখনকার ডিআরডিও চেয়ারম্যান প্রোটোটাইপ উড়ানকে বলেছিলেন বাতাসের চেয়ে হালকা প্ল্যাটফর্মের দিকে মাইলফলক, যা স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক উচ্চতায় অনেক দীর্ঘ সময় ভেসে থাকতে পারে।

২০২৬ সালের অক্টোবরের বিবৃতি বলছে ২১ কিলোমিটার, ২০২৫-এর সংখ্যার চেয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার বেশি। দুটি বিবৃতি ব্যবস্থাটির জন্য আলাদা নাম ব্যবহার করেছে, এবং ২০২৬-এর যানটি ২০২৫-এর এয়ারশিপেরই পরিবর্তিত রূপ নাকি নতুন তৈরি, কোনোটিই তা বলেনি।

প্ল্যাটফর্মটি কীসের জন্য

পিআইবি বলছে প্ল্যাটফর্মটি দীর্ঘস্থায়ী স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক আকাশ-নজরদারি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভাবা হয়েছে। অর্গানাইজার যোগ করেছে, এটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ভূ-পর্যবেক্ষণ অভিযানে সহায়তা করতে পারে, যা ২০২৫-এর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি। দৃষ্টি আইএএস পরীক্ষাটির সারাংশে বলছে, এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম বিমান আর উপগ্রহের মাঝের ফাঁক পূরণ করতে পারে।

আউটলুক বিজনেস, দ্য ইকোনমিক টাইমসকে উদ্ধৃত করে, ওই ফাঁকের সংখ্যা দিয়েছে: উচ্চ-উচ্চতার ড্রোন ওড়ে প্রায় ১২ কিলোমিটারে, আর নিম্ন-পৃথিবী-কক্ষপথের উপগ্রহ থাকে ৫০০ থেকে ২,০০০ কিলোমিটারে। ২০ কিলোমিটার বা তার বেশি উচ্চতার একটি প্ল্যাটফর্মের উদ্দেশ্য এই দুয়ের মাঝের জায়গা দখল করা। নিচে বর্ণিত বিমানবাহিনীর কর্মসূচি নিয়ে দ্য উইক যে সুবিধার কথা বলেছে তা হলো, মাসের পর মাস একটি এলাকার ওপর অবস্থান করা।

বিমানবাহিনীর আলাদা এক কর্মসূচি

২০২৬ সালের জুলাইয়ে দ্য উইক ও আউটলুক বিজনেস, দুটিই দ্য ইকোনমিক টাইমসকে উদ্ধৃত করে, জানায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ডিরেক্টরেট অফ অপারেশনস (রিমোট) এয়ারশিপ-বেসড হাই অল্টিচিউড সিউডো স্যাটেলাইটস (এএস-হ্যাপস) নামের একটি কর্মসূচি চালাচ্ছে, অনির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংগ্রহের জন্য আনুমানিক প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা। তারা জানায় প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ মেক-১ পথে এটি অনুমোদন করেছে, বিমানবাহিনী চায় এমন একটি প্রোটোটাইপ যা ২০ কিলোমিটারের ওপরে চলতে পারে, এবং অন্তত দুটি বেসরকারি উন্নয়ন-অংশীদার বাছা হবে।

দ্য উইক লক্ষ করেছে যে কোনো বেসরকারি ভারতীয় কোম্পানি এখনো এই প্রযুক্তি দেখাতে পারেনি, এবং খুঁটিনাটি এসেছে নাম-না-জানা সূত্র থেকে, তাই সেগুলো প্রতিবেদিত, সরকারিভাবে নিশ্চিত নয়। ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবরের পিআইবি বিবৃতি বা ২০২৫-এর বিবৃতি, কোনোটিই এএস-হ্যাপসের উল্লেখ করেনি, আর এই লেখার জন্য খোলা কোনো সূত্র বলেনি ডিআরডিওর প্ল্যাটফর্ম কীভাবে বা আদৌ তাতে যুক্ত হচ্ছে কি না।

যা প্রকাশিত হয়নি

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পিআইবি বিবৃতিতে উড়ানের নিজের তারিখ, উৎক্ষেপণস্থল, প্ল্যাটফর্মের আকার বা ভর, উত্তোলক গ্যাস, এনভেলপের উপাদান বা শক্তির উৎস দেওয়া নেই। দ্য উইক আর দৃষ্টি আইএএস দুটিই লক্ষ করেছে যে তারিখ ও জায়গা নির্দিষ্ট করা হয়নি।

প্রসঙ্গ হিসেবে, ২০১৪ সালের কেক প্রতিবেদন তখনকার সময়ে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক এয়ারশিপকে বাস্তবতার বদলে প্রতিশ্রুতি বলেছিল এবং জানিয়েছিল আগের চেষ্টায় কোনো এয়ারশিপ সাত ঘণ্টার বেশি ২০ কিলোমিটারে থাকেনি। ডিআরডিও বিবৃতির ২০ কিলোমিটারে ৩০ মিনিট হলো উচ্চতায় পৌঁছানো ও উদ্ধার হওয়ার প্রদর্শন। বিবৃতি দীর্ঘস্থায়িত্বকে সেই লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেছে যার দিকে মন্ত্রী ও গবেষণাগার কাজ করছেন, আর স্থায়িত্বের কোনো সংখ্যা ঘোষিত হয়নি।

ডিআরডিওর সাম্প্রতিক বাকি কাজের জন্য দেখুন ২০২৬ সালের জুন ও জুলাইয়ের পরীক্ষা-পরম্পরা এবং চাঁদিপুরে কোয়ান্টাম কী ডিস্ট্রিবিউশন পরীক্ষা। আমদানি করা সরঞ্জাম থেকে ভারতে তৈরি ব্যবস্থায় পৌঁছানোর দীর্ঘ পথ আছে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প কীভাবে আমদানিকারক থেকে নির্মাতা হলো লেখায়।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PIB, Ministry of Defence: DRDO Conducts Flight Trial of High-Altitude Platform (6 October 2026)
  2. PIB, Ministry of Defence: DRDO conducts maiden flight-trials of Stratospheric Airship Platform (3 May 2025)
  3. All India Radio News: DRDO successfully conducts flight trial of indigenously developed High-Altitude Platform (6 October 2026)
  4. The Week: Two tests, two high-altitude milestones, what DRDO achieved in the skies (6 October 2026)
  5. Organiser: DRDO successfully tests indigenous high-altitude airship and parachute (6 October 2026)
  6. IANS via Morung Express: DRDO successfully tests indigenous High-Altitude Airship at 21 km (6 October 2026)
  7. Drishti IAS: DRDO successfully tests High Altitude Platform System (10 October 2026)
  8. The Tribune: India conducts maiden flight trials of stratospheric airship platform (May 2025)
  9. The Week: Indian Air Force's next big defence bet, stratospheric airships for surveillance and intelligence (14 July 2026)
  10. Outlook Business: India eyes indigenous stratospheric surveillance with a Rs 15,000 crore airship project (14 July 2026)
  11. NOAA Chemical Sciences Laboratory: Scientific Assessment of Ozone Depletion 2022, Twenty Questions and Answers About the Ozone Layer
  12. International Telecommunication Union: Resolution 221 (Rev. WRC-07), use of high altitude platform stations providing IMT
  13. Keck Institute for Space Studies, Caltech: Airships, A New Horizon for Science (February 2014)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#drdo#high-altitude platform#stratospheric airship#adrde#agra#stratosphere#defence technology#aatmanirbhar bharat

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: এআই ও প্রযুক্তি
ডিআরডিও চান্দিপুরে কামান আর সাঁজোয়া যানের পরীক্ষার তথ্য বহনকারী সচল নেটওয়ার্কে কোয়ান্টাম কী ডিস্ট্রিবিউশন বসিয়ে পরীক্ষা করেছে
বেঙ্গালুরুর একটি কোম্পানি আর ডিআরডিওর একটি ক্লাস্টার কোয়ান্টাম-সুরক্ষিত কী বিনিময়কে পরীক্ষাগার থেকে একটি কর্মরত অস্ত্র-পরীক্ষা রেঞ্জে নিয়ে এসেছে। ১২ কিলোমিটারের সংযোগ থেকে চান্দিপুর পর্যন্ত ছয় বছরের পথ, আর যে সংখ্যাগুলো এখনও আসেনি।
ভারতের অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্রের শুরু ১৯৮৯ সালের একটি প্রযুক্তি প্রদর্শক হিসেবে, এখন তা অগ্নি-১ থেকে অগ্নি-৫ পর্যন্ত বিস্তৃত, আর ২০২৪ সালের ১১ মার্চ অগ্নি-৫ উড়েছে প্রথম একাধিক-ওয়ারহেডের পরীক্ষায়, যার নাম মিশন দিব্যাস্ত্র
২০০৮ থেকে ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিগুলো প্রতিটি অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্রকে অনুসরণ করে, উন্নয়ন-উড়ান থেকে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের নিয়মিত প্রশিক্ষণ-উৎক্ষেপণ পর্যন্ত, আর দেখায় সরকারি পাল্লার সংখ্যা ও শ্রেণি-নাম কীভাবে বলা হয়েছিল।
১৫৭০-এর দশকের গোড়ায় আকবরের শুরু করা লাল বেলেপাথরের শহর ফতেপুর সিক্রি ১৯৮৬ সাল থেকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল, আর তার দেখভাল করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ
ছয় কিলোমিটার প্রাচীর, নয়টি ফটক আর সরকারি পাতায় ৪০ বা ৫৪ মিটার বলা একটি তোরণসহ একটি টিলার শহর আগ্রার ৩৬ থেকে ৪০ কিমি পশ্চিমে। এখানে তারিখ, ভবন আর সরকারি নথি, সূত্রগুলো যেখানে একমত নয় সেখানেও।
← সব লেখা