ছবি: Marajozkee / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)
বাংলা
অস্ট্রেলিয়া করেছিল ৪৪৫, ভারতকে ১৭১-এ অলআউট করে ফলো-অন করায়। তারপর লক্ষ্মণ আর দ্রাবিড় পঞ্চম উইকেটে যোগ করেন ৩৭৬, ভারত ৭ উইকেটে ৬৫৭ রানে ডিক্লেয়ার করে, আর হরভজন সিং ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে ১৭১ রানের জয় এনে দেন।
২০০১ সালের ১৫ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭১ রানে হারায় ভারত, ২৭৪ রানে পিছিয়ে থেকে ফলো-অন করতে বাধ্য হওয়ার পর। ভিভিএস লক্ষ্মণ করেছিলেন ২৮১, যা তখন কোনো ভারতীয়র সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোর, আর রাহুল দ্রাবিড় করেছিলেন ১৮০। দুজনে পঞ্চম উইকেটে যোগ করেন ৩৭৬, আর ভারত ৭ উইকেটে ৬৫৭ রানে ডিক্লেয়ার করে।
মাঠ থেকে ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জয়টি থামিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়ার টানা ১৬টি টেস্ট জয়ের ধারা, যা তখন রেকর্ড। ক্রিকইনফোর ম্যাচ রিপোর্ট বলছে, ফলো-অন করার পর টেস্ট জেতা তৃতীয় দল হলো ভারত। আগের দুবারই পরাজিত দল ছিল অস্ট্রেলিয়া, ১৮৯৪ সালে সিডনিতে আর ১৯৮১ সালে হেডিংলিতে।
মুম্বইয়ে দশ উইকেটের হার, তারপর কলকাতায় টস
তিন টেস্টের সিরিজ শুরু হয়েছিল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে, ২০০১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ। ক্রিকইনফোর স্কোরকার্ড অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ১০ উইকেটে। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট করেছিলেন ১৬২ বলে ১২২ আর ম্যাথু হেইডেন ১১৯, আর ভারত করেছিল ১৭৬ ও ২১৯। লক্ষ্মণের ইনিংস নিয়ে উইজডেনের লেখা সেই ফলকে বলেছে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড টানা ১৬তম টেস্ট জয়।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে, পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতে, অস্ট্রেলিয়া টস জিতে ব্যাট করে। ওপেনার মাইকেল স্লেটার আর হেইডেন তোলেন ১০৩, আর প্রথম দিনের এক পর্যায়ে ট্রিবিউনের পিটিআই প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়া ১ উইকেটে ১৯৩, হেইডেন তখন ৯৭-এর পথে।
৭০,০০০ দর্শকের সামনে হরভজন সিংয়ের হ্যাটট্রিক
ম্যাচ ঘুরে যায় চায়ের পর। জলন্ধরের ২০ বছর বয়সী অফ স্পিনার হরভজন সিং সেদিনের তাঁর পাঁচটি উইকেটই নেন ওই সেশনে, পিটিআইয়ের হিসাবে ৭০,০০০ দর্শকের সামনে।
নিজের ১৬তম ওভারে তিনি রিকি পন্টিংকে এলবিডব্লিউ করেন, তারপর অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে এলবিডব্লিউ, তারপর শেন ওয়ার্ন, যিনি শর্ট লেগে ক্যাচ দেন সদগোপন রমেশের হাতে। সিদ্ধান্ত আসার আগে আম্পায়ার এস. কে. বনসল ক্যাচটি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠান। এটি ছিল কোনো ভারতীয়র প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিক, ১৯৩২ সালে ভারতের প্রথম টেস্টের ৬৯ বছর পর, পিটিআই লিখেছিল।
ওই তিন বলে অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেটে ২৫২ থেকে ৭ উইকেটে ২৫২ হয়ে যায়, আর প্রথম দিন শেষ করে ৮ উইকেটে ২৯১ রানে। সেদিন হরভজনের হিসাব ছিল ৬৬ রানে ৫ উইকেট। “আমি শুধু ভেবেছিলাম আমাকে ভালো বল করতে হবে, কারণ জেতা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই,” সেদিন সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ছয় মাস আগে মারা যাওয়া তাঁর বাবাকে তিনি কীর্তিটি উৎসর্গ করেন।
ওয়, গিলেস্পি, তারপর ভারত ৮ উইকেটে ১২৮
দ্বিতীয় দিন, ১২ মার্চ, স্টিভ ওয় করেন ১১০ আর জেসন গিলেস্পি ১৪৭ বলে ৪৬। তাঁরা নবম উইকেটে যোগ করেন ১৩৩, অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে যান ৪০২-এ, আর ইনিংস শেষ হয় ৪৪৫-এ। হরভজন শেষ করেন ১২৩ রানে ৭ উইকেট নিয়ে।
ভারতের জবাব ছিল সংক্ষিপ্ত। দ্বিতীয় সন্ধ্যায় স্টাম্পের সময় তারা ৮ উইকেটে ১২৮, লক্ষ্মণ ২৬ রানে অপরাজিত। পরদিন সকালে ৫৮.১ ওভারে তারা ১৭১-এ অলআউট। গ্লেন ম্যাকগ্রা ১৪ ওভারে ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন, তার আটটি মেডেন, আর লক্ষ্মণ ৮৩ বলে ৫৯ করে সর্বোচ্চ রানকারী হন। অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে ছিল ২৭৪ রানে, যা ৪৪৫ থেকে ১৭১ বিয়োগ করলে হয়। cricket.com.au-র একটি বিশ্লেষণে লিড দেওয়া আছে ২৭৩, কিন্তু স্কোরকার্ডের মোট থেকে হয় ২৭৪।
ফলো-অন, আর ওয় কি ঠিক ছিলেন
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ ওয় ১৩ মার্চ ভারতকে আবার ব্যাট করতে পাঠান। cricket.com.au-র জন্য লেখা অ্যান্ড্রু র্যামজির বিবরণ অনুযায়ী, মুম্বইয়ে হারের পর ওয় ভারতকে “চেপে ধরে” রাখতে চেয়েছিলেন, আর সিদ্ধান্তটি আসে কোচ জন বুকাননের আর দলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর।
র্যামজি গুনেছেন, পরের যে সাতটি টেস্টে সুযোগ এসেছিল, সবগুলোতেই ওয় ফলো-অন করিয়েছেন। শেন ওয়ার্নের মত আলাদা। ২০২০ সালে উইজডেনকে তিনি বলেছিলেন: “আমার মনে হয়েছিল সে ওটা ভুল করেছে।” ওয়ার্নের মত ছিল, অস্ট্রেলিয়ার উচিত ছিল আবার ব্যাট করা। এ বিষয়ে ওয়ের কোনো জবাব উইজডেনের লেখায় নেই। র্যামজির বিবরণে বুকানন যুক্তি দিয়েছেন, ম্যাচে ফেরার একমাত্র পথ ছিল ভারতকে ফলো-অন করানো, বড় রান তোলা আর অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ ফেলা।
তৃতীয় দিনের শেষে ৪ উইকেটে ২৫৪
ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হয় খারাপভাবে, আর সঙ্গে ছিল ব্যাটিং অর্ডারের বদল। ৫৯ করার পর তিন নম্বরে পদোন্নতি পাওয়া লক্ষ্মণ নামেন ২ উইকেটে ৯৭-এ, আর দ্রাবিড়, নেমে গিয়ে ছয় নম্বরে, ব্যাট করতে নামেননি ৪ উইকেটে ২৩২ পর্যন্ত। ট্রিবিউনের চতুর্থ দিনের প্রতিবেদনে লক্ষ্মণের পদোন্নতির কথা আছে। নিজের নেমে যাওয়া নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে দ্রাবিড় বলেছিলেন, এটি দলের সিদ্ধান্ত আর দলের লক্ষ্যই আগে, ক্রিকইনফোর ২০০১ সালের ১৫ মার্চ সংকলিত উদ্ধৃতিতে।
শিব সুন্দর দাস করেন ৩৯ আর হিট উইকেট হন, রমেশ ৩০, সচিন তেন্ডুলকর ১০ আর সৌরভ গাঙ্গুলী ৪৮। গাঙ্গুলী আউট হন ৪ উইকেটে ২৩২-এ, তখনও ভারত ৪২ রানে পিছিয়ে। ১৩ মার্চের খেলা শেষে ভারত ৪ উইকেটে ২৫৪, ২০ রানে পিছিয়ে, লক্ষ্মণ ১৯টি চার সহ ১০৯ রানে অপরাজিত আর দ্রাবিড় ৭-এ।
উইকেটহীন এক চতুর্থ দিন
১৪ মার্চ গোটা দিনে অস্ট্রেলিয়া কোনো উইকেট পায়নি। ৪ উইকেটে ২৫৪ থেকে ৪ উইকেটে ৫৮৯-এর মধ্যে লক্ষ্মণ আর দ্রাবিড় তোলেন ৩৩৫ রান, যা ট্রিবিউনের পিটিআই প্রতিবেদন ইনিংসের ১৬৫ ওভারে ধরেছে। পিটিআই বলছে, স্টিভ ওয় আটজন বোলার ব্যবহার করেন, আর কেউই জুটি ভাঙতে পারেননি।
দিনের শেষে লক্ষ্মণ ৪৩৮ বলে ৬০৯ মিনিটে ২৭৫ রানে অপরাজিত, ৪৪টি চার সহ। দ্রাবিড় ৩১৮ বলে ১৫৫ রানে অপরাজিত। লক্ষ্মণ ছাড়িয়ে যান ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৪ সালে মাদ্রাজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে করা সুনীল গাভাস্কারের অপরাজিত ২৩৬-কে, কোনো ভারতীয়র সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোর হিসেবে। তিনি ছাড়িয়ে যান ১৯৫৮ থেকে ১৯৫৯ সালে ইডেন গার্ডেন্সে করা রোহন কানহাইয়ের ২৫৬-কেও, ভারতের মাটিতে সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোর হিসেবে। দিনের শেষে তাঁদের তোলা ৩৫৭ ছিল ভারতের পঞ্চম উইকেটের সর্বোচ্চ জুটি, ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৫ সালে একই মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রবি শাস্ত্রী আর মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের ২১৪-র আগে। পিটিআই ভারতে শুধু একটি বড় জুটির তালিকা করেছিল, ১৯৫৫ থেকে ১৯৫৬ সালে চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঙ্কজ রায় আর বিনোদ মানকড়ের প্রথম উইকেটে ৪১৩।
লক্ষ্মণ পরে টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, উইজডেন যা ২০২০ সালে জানায়, তিনি পিঠের খিঁচুনির সঙ্গে লড়ছিলেন আর দ্রাবিড়ের পায়ে ক্র্যাম্প হচ্ছিল। তিনি বলেন, তাঁরা একে অপরকে উদ্দীপিত করেছেন, “একটা বল, একটা ওভার, এক ঘণ্টা”, আর খেলা শেষে দুজনেরই ড্রিপ চলছিল। খেলার পর দ্রাবিড় দর্শকদের ধন্যবাদ জানান: “ইডেনের দর্শকদের আমার প্রশংসা করতেই হবে,” বলেন তিনি। গাঙ্গুলী টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় তাঁর কলামে লিখেছেন, তিনি প্রায় সারা দিন খালি গায়ে তোয়ালে জড়িয়ে বসে ছিলেন, যাতে কোনো ব্যাটসম্যানই আউট না হন। অস্ট্রেলিয়ার কোচ বুকানন লক্ষ্মণের ইনিংস সম্পর্কে বলেছিলেন: “দারুণ ইনিংস। আমার দেখা সেরাগুলোর একটি, আমার মনে হয়।”
শেষ দিন: ৬৫৭ রানে ৭ উইকেটে ডিক্লেয়ার, তারপর ১০ উইকেট
১৫ মার্চ লক্ষ্মণ আরও ৬ রান যোগ করেন আর ম্যাকগ্রার বলে গালিতে পন্টিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ২৮১ রানে, ৩০০ থেকে ১৯ কম। দ্রাবিড় রান আউট হন ১৮০ করে, ৩৫৩ বলে ২০টি চারে। পঞ্চম উইকেটের জুটি ছিল ১০৪ ওভারে ৩৭৬। গাঙ্গুলী সকালের সেশনের এক ঘণ্টা পর ১৭৮ ওভারে ৭ উইকেটে ৬৫৭ রানে ডিক্লেয়ার করেন। লিড ছিল ৩৮৩, আর অস্ট্রেলিয়ার জিততে দরকার ছিল ৭৫ ওভারে ৩৮৪।
হেইডেন করেন ৬৭ আর স্লেটার ৪৩, আর অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে ১৬৬ রানে, যখন হরভজনের বলে বদলি ফিল্ডার হেমাং বদানির হাতে ব্যাকওয়ার্ড শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে স্টিভ ওয় ফেরেন। চায়ের পর হরভজন আর তেন্ডুলকর পরপর উইকেট নেন। ক্রিকইনফোর রিপোর্ট ৩২ বলে আট রানে অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ উইকেট গুনেছে, ৩ উইকেটে ১৬৬ থেকে ৮ উইকেটে ১৭৪। অস্ট্রেলিয়ার ১৬টি জয়ের সবকটি টেস্টে খেলা গিলক্রিস্ট এক বল খেলে ০ রানে তেন্ডুলকরের বলে এলবিডব্লিউ হন। প্রথম ইনিংসেও তিনি এক বলই খেলেছিলেন।
তেন্ডুলকর ১১ ওভারে ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন, হেইডেন, গিলক্রিস্ট আর ওয়ার্নকে ফাঁদে ফেলে। হরভজন ৭৩ রানে ৬ উইকেট নেন, যা তাঁকে দেয় ম্যাচে ১৯৬ রানে ১৩। হরভজনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ম্যাকগ্রা শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন। অস্ট্রেলিয়া ৬৮.৩ ওভারে ২১২-তে অলআউট।
এর পর যা হলো
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে গাঙ্গুলী বলেন, জয়টি “মুম্বইয়ে হারের পর যাঁরা দলের সমালোচনা করেছিলেন, তাঁদের সবার জন্য একটি ভালো জবাব”। ভারতীয় বোর্ড লক্ষ্মণের জন্য ৩ লাখ টাকা, দ্রাবিড়ের জন্য ১.৫ লাখ আর হরভজনের জন্য ২ লাখ টাকার নগদ পুরস্কার ঘোষণা করে, বোর্ডের সভাপতি এ. সি. মুথাইয়া বলেছিলেন, পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী।
তৃতীয় টেস্ট হয় চেন্নাইয়ের চেপকে ১৮ থেকে ২২ মার্চ। ১৫৫ তাড়া করে ভারত জেতে দুই উইকেটে, আর সিরিজ নেয় ২-১ ব্যবধানে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, হরভজন সিরিজে নেন ৩২ উইকেট।
লক্ষ্মণ ২০১৩ সালে বলেছিলেন, কলকাতার জয় “দল হিসেবে আমাদের মানসিকতা বদলে দিয়েছিল”, উইজডেন ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, যা উইজডেন উদ্ধৃত করেছে। উইজডেন ২০০০-এর দশকের সেরা টেস্ট ইনিংসের তালিকায় তাঁর ২৮১-কে রেখেছিল প্রথম স্থানে। ভারতের প্রথম টেস্ট ত্রিশতরান আসে ২০০৪ সালের মার্চে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বীরেন্দ্র সেহবাগের হাত দিয়ে, আইসিসি জানিয়েছে। লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়, তার নিজস্ব স্কোরকার্ডসহ, আছে কপিল দেবের ১৭৫ আর ফাইনাল নিয়ে আমাদের লেখায়। ২০২৫ সালের জুনে ইএসপিএনের চালানো একটি ভোটে পাঠকেরা ২০০১ সালের কলকাতা টেস্টকে বেছে নিয়েছেন এ পর্যন্ত একবিংশ শতাব্দীর সেরা টেস্ট হিসেবে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Cricinfo archive: Scorecard, India v Australia, 2nd Test, Eden Gardens, Kolkata, 11 to 15 March 2001
- Cricinfo archive: Match report, Australia in India 2000-01, second Test, 15 March 2001
- Cricinfo archive: Scorecard, India v Australia, 1st Test, Wankhede Stadium, Mumbai, 27 February to 1 March 2001
- Cricinfo archive: Scorecard, India v Australia, 3rd Test, Chepauk, Chennai, 18 to 22 March 2001
- Cricinfo archive, compiled by AC Ganesh: Reactions to Laxman's 275 not out (15 March 2001)
- The Tribune (PTI): Harbhajan halts Aussie march, day one report (12 March 2001)
- The Tribune (PTI): India tottering at 128 for eight, day two report (13 March 2001)
- The Tribune (PTI): Superb century by Laxman, day three report (14 March 2001)
- The Tribune (PTI): Laxman (275 n.o.) leaves Australians clueless, day four report (15 March 2001)
- The Tribune (PTI, UNI): Incredible win for India, final day report (16 March 2001)
- Cricket Australia (cricket.com.au): Best Border-Gavaskar Trophy Tests, No.1
- Cricket Australia (cricket.com.au), Andrew Ramsey: Steve Waugh, Kolkata and the myth of the follow-on (15 March 2021)
- Cricket Australia (cricket.com.au): Harbhajan Singh caps off a memorable series with another starring role
- Wisden, Manoj Narayan: Wisden's Test innings of the 2000s, No.1, VVS Laxman's 281 (18 May 2020)
- Wisden: Laxman recalls the physical ordeal during the 2001 Test (19 March 2020)
- Wisden: Shane Warne on Steve Waugh's follow-on decision at Kolkata 2001 (22 August 2020)
- ICC Hall of Fame: Virender Sehwag
- ESPN: Vote for the greatest Test of the 21st century, final, Kolkata 2001 v Leeds 2019 v Brisbane 2021 (13 June 2025)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।