Skip to content
ভারত ২০২৬ সালের ১৩ অক্টোবর জাহাজ নির্মাতাদের জন্য দুটি ক্রেডিট বিমা পলিসি চালু করেছে, প্রিমিয়ামে সরকারি ভর্তুকি আর দাবির ক্ষেত্রে বিমাকারীদের পাশে সরকার
অর্থনীতি ও পরিকাঠামো

ভারত ২০২৬ সালের ১৩ অক্টোবর জাহাজ নির্মাতাদের জন্য দুটি ক্রেডিট বিমা পলিসি চালু করেছে, প্রিমিয়ামে সরকারি ভর্তুকি আর দাবির ক্ষেত্রে বিমাকারীদের পাশে সরকার

ছবি: Ranjithsiji / Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0 (ছাঁটা)

বাংলা

মুম্বইয়ে ২১তম সামুদ্রিক রাজ্য উন্নয়ন পরিষদের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রী পলিসি দুটি চালু করেন। ইসিজিসির পলিসি রপ্তানি অর্ডারের জন্য আর নিউ ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্সের পলিসি দেশীয় অর্ডারের জন্য, দুটিই ₹১৯,৯৮৯ কোটির জাহাজ নির্মাণ উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে।

· · 5 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ১৩ অক্টোবর মুম্বইয়ে ২১তম সামুদ্রিক রাজ্য উন্নয়ন পরিষদের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রী ভারতীয় জাহাজ-কারখানাগুলোর জন্য দুটি ক্রেডিট বিমা পলিসি চালু করেছেন। ইসিজিসি (ECGC) লিমিটেড তৈরি করেছে জাহাজ নির্মাণ প্রকল্প ক্রেডিট ঝুঁকি বিমা পলিসি, যা রপ্তানি প্রকল্পকে আওতায় নেয়। নিউ ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্স কোম্পানি তৈরি করেছে জাহাজ নির্মাতাদের জন্য বিজনেস ক্রেডিট শিল্ড পলিসি, যা দেশীয় প্রকল্পকে আওতায় নেয়, মেরিটাইম গেটওয়ে ও জিকেটুডের খবর অনুযায়ী।

প্রিমিয়ামে সরকার ভর্তুকি দেবে, আর কারখানাগুলো দাবি জানালে বিমাকারীদের সরাসরি সহায়তাও দেবে, অল ইন্ডিয়া রেডিও, ফ্রি প্রেস জার্নাল ও মেরিটাইম গেটওয়ে জানিয়েছে। ক্রেডিট বিমা বিক্রেতাকে টাকা দেয় যখন ক্রেতা দাম মেটাতে ব্যর্থ হয়, আর জাহাজ-কারখানার ক্ষেত্রে সেটি চুক্তি সইয়ের পর থেকে জাহাজ হস্তান্তর পর্যন্ত বছরগুলোয় বয়ে বেড়ানো ঝুঁকি।

একটি দেরি-হওয়া কিস্তি জাহাজ-কারখানার কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ

একটি জাহাজের দাম একবারে মেটে না। মন্ত্রকের খসড়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিমাকে মানিয়ে নিতে হবে এমন চুক্তির সঙ্গে, যার ভিত্তি অগ্রিম পেমেন্ট, নির্মাণের ধাপের সঙ্গে বাঁধা মাইলফলক-পেমেন্ট, হস্তান্তরের সময়ের পেমেন্ট আর রিটেনশন মানি, অর্থাৎ দামের যে অংশ ক্রেতা আটকে রাখে।

পরিষদের বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, একটি মাইলফলক-পেমেন্ট বাদ পড়লেই একটি গোটা জাহাজ-কারখানার কাজ থমকে যেতে পারে, মেরিটাইম গেটওয়ে জানিয়েছে। অল ইন্ডিয়া রেডিও তাঁকে উদ্ধৃত করেছে জাহাজ নির্মাণকে “বিশাল, বহুবর্ষের উদ্যোগ” বলতে, আর লক্ষ্য হিসেবে জানিয়েছে দেরিতে পেমেন্ট বা বিশ্ববাজারের হঠাৎ বদলে আটকে না থেকে কারখানাগুলোকে জাহাজ বানাতে দেওয়া।

দুটি সরকারি মালিকানার বিমাকারী

ইসিজিসি ভারত সরকারের একটি উদ্যোগ, সদর দপ্তর মুম্বইয়ে। এটি রপ্তানি ক্রেডিট বিমা বিক্রি করে এবং ক্রেতারা খেলাপি বা দেউলিয়া হলে রপ্তানিকারক ও ব্যাংকগুলোকে টাকা দেয়, এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, যেখানে বিমা নিয়ন্ত্রক আইআরডিএআইয়ে এর নিবন্ধনও দেখা যায়।

নিউ ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্সও সরকারি মালিকানার। এর ওয়েবসাইট বলছে, এটি ১৯১৯ সালে স্যার দোরাবজি টাটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, ১৯৭৩ সালে জাতীয়করণ হয়, ভারতের বৃহত্তম সাধারণ বিমাকারী এবং ২০২৫-২৬ সালে এর বাজার-অংশ ছিল ১২.৭৪ শতাংশ।

বিমা কী রক্ষা করার জন্য নকশা করা

পলিসি দুটি এসেছে ২০২৫ সালের অক্টোবরে চলা একটি খসড়া তৈরির প্রক্রিয়া থেকে। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিংয়ের গড়া একটি কমিটিতে ছিল মন্ত্রক, ইসিজিসি, নিউ ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্স, সাগরমালা ফিনান্স কর্পোরেশন, শিপইয়ার্ডস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান শিপবিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন, শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ও কোচিন শিপইয়ার্ড। কমিটি ২০২৫ সালের ১৫ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে চারবার বসে এবং ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দেয়।

তার খসড়া নির্দেশিকা তিন ধরনের সুরক্ষার বর্ণনা দেয়:

  • প্রি-শিপমেন্ট বিমা কারখানাকে লোকসান থেকে রক্ষা করে, যদি নির্মাণের সময় ক্রেতা বাতিল করেন বা খেলাপি হন, এবং ইতিমধ্যে হওয়া উৎপাদন-ব্যয় ও সম্ভাব্য হারানো মুনাফা আওতায় নেয়।
  • পোস্ট-শিপমেন্ট বিমা হস্তান্তরের পর বিরোধ, ত্রুটি, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অন্য কারণে অ-পেমেন্ট আওতায় নেয়।
  • ভেন্ডর ডিফল্ট বিমা সেই অগ্রিম আওতায় নেয়, যা কারখানা কোনো সরবরাহকারীকে দিয়েছে আর সরবরাহকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

সব নিবন্ধিত ভারতীয় জাহাজ-কারখানার জন্য প্রযোজ্য এই খসড়া রপ্তানি-সংযুক্ত সুরক্ষার জন্য ইসিজিসি আর দেশীয় জাহাজ নির্মাণের জন্য নিউ ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্সের নাম করেছে। বৈঠকের কার্যবিবরণীতে প্রত্যাশা নথিভুক্ত আছে যে পলিসি লেখা হবে চুক্তি ধরে ধরে এবং চলবে ২ থেকে ৬ বছর, নির্মাণ-সময়ের সঙ্গে মিল রেখে। ইন্ডিয়া ব্রিফিং জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঘোষিত প্রকল্প-নির্দেশিকায় আছে “প্রি-শিপমেন্ট, পোস্ট-শিপমেন্ট ও ভেন্ডর-ডিফল্ট ঝুঁকির জন্য সরকার-সমর্থিত বিমা”-র একটি কাঠামো।

১৩ অক্টোবরের উদ্বোধন নিয়ে কোনো প্রতিবেদনই বলেনি নতুন প্রতিটি পলিসিতে ওই তিনটির কোনটি আছে।

পলিসিগুলোর পেছনের ₹১,৪৪৩ কোটি

দুটি পলিসিই জাহাজ নির্মাণ উন্নয়ন প্রকল্পের ভেতরে, যা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ₹১৯,৯৮৯ কোটি ব্যয়ে অনুমোদন করেছিল। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) লক্ষ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বছরে ৪.৫ মিলিয়ন গ্রস টনেজ (জাহাজের আবদ্ধ আয়তনের একটি মাপ) জাহাজ নির্মাণ ক্ষমতা, বিশাল জাহাজ নির্মাণ ক্লাস্টার, ইন্ডিয়ান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অধীনে একটি ইন্ডিয়া শিপ টেকনোলজি সেন্টার, আর জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের জন্য বিমা-সহায়তাসহ ঝুঁকি-সুরক্ষা।

কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রেডিট ঝুঁকি সুরক্ষার তহবিল ₹১,৪৪৩ কোটি, প্রকল্পের প্রায় ৭ শতাংশ। সংসদে পিআইবির পরবর্তী এক উত্তর বলছে, প্রকল্পের ₹৯,৯৩০ কোটি যায় গ্রিনফিল্ড জাহাজ নির্মাণ ক্লাস্টারে, যেখানে থাকবে ব্রেকওয়াটার এবং চ্যানেল ও বেসিন উন্নয়নের মতো ভাগ করা পরিকাঠামো।

ওই প্রকল্প একই দিনে অনুমোদিত ₹৬৯,৭২৫ কোটির প্যাকেজের তিন অংশের একটি। বাকি দুটি হলো জাহাজ নির্মাণ আর্থিক সহায়তা প্রকল্প, যার মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে ₹২৪,৭৩৬ কোটি দিয়ে, এবং ₹২৫,০০০ কোটির একটি সামুদ্রিক উন্নয়ন তহবিল। তিনটি অঙ্ক একসঙ্গে প্যাকেজের মোট। পিআইবি বলছে, প্যাকেজ থেকে প্রত্যাশা ৪.৫ মিলিয়ন গ্রস টনেজ ক্ষমতা, প্রায় ৩০ লক্ষ কর্মসংস্থান আর প্রায় ₹৪.৫ লক্ষ কোটির বিনিয়োগ।

কারখানাগুলো ইতিমধ্যে যা থেকে নিচ্ছে

বিমা এসেছে এমন একটি আর্থিক সহায়তা নীতির পাশাপাশি, যা আগেই চালু ছিল। ২০২৬ সালের ১৪ মার্চের লোকসভার এক উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ৪৫৬টি জাহাজ জুড়ে ₹১৯,৭৪৮ কোটির ২৮৮টি চুক্তি নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে, আর ২০৪টি জাহাজের জন্য ২৩টি জাহাজ-কারখানাকে ₹৬২০.৫৭ কোটি দেওয়া হয়েছে।

ওই উত্তরে ২০২৪ সালে খাতটির একটি তৃতীয়-পক্ষ মূল্যায়নেরও উল্লেখ আছে, যাতে কর্মসংস্থান গুণক ৬.৪ পাওয়া গিয়েছিল এবং বৃদ্ধির বাধা হিসেবে নাম এসেছিল দুর্বল দেশীয় চাহিদা, ঊর্ধ্ব অর্থায়ন-ব্যয় আর ক্ষমতা ও প্রযুক্তির সীমা। পিআইবি বলছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের প্যাকেজ অনুমোদিত হয়েছিল সেগুলো মোকাবিলার জন্য।

কারখানাগুলো জাহাজ বুঝিয়েও দিচ্ছে। বিমা চালুর তিন দিন পর, ২০২৬ সালের ১৬ অক্টোবর, আইএনএস সমর্থক নৌবাহিনীতে যোগ দিয়েছে, ভারতীয় বেসরকারি জাহাজ-কারখানায় তৈরি প্রথম বড় যুদ্ধজাহাজ হিসেবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে নৌবাহিনী ২০২৬ সালে ভারতে তৈরি নয়টি জাহাজ সেবায় নিয়েছে।

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত যা প্রকাশিত হয়নি

উদ্বোধনের প্রতিবেদনে প্রিমিয়ামের হার, ভর্তুকির শতাংশ, সুরক্ষার সীমা, বাদ-পড়া বিষয় বা দাবির শর্ত কিছুই নেই। দ্য উইক বলছে, মন্ত্রক তখনও সেগুলো স্পষ্ট করেনি, আর যোগ করেছে যে এই খুঁটিনাটিই ঠিক করবে দীর্ঘ নির্মাণ-সূচিতে পলিসিগুলো পেমেন্ট-ঝুঁকি কতটা আওতায় নেয়।

২০২৫ সালের নভেম্বরে কমিটির প্রতিবেদন বেশ কিছু সিদ্ধান্ত রেখে গিয়েছিল জাতীয় জাহাজ নির্মাণ মিশনের জন্য, প্যাকেজ তদারকি করতে গড়া সংস্থাটির জন্য। তার মধ্যে আছে কোন সংস্থা তহবিল ছাড়বে, পরবর্তী পর্যায়ে বেসরকারি বিমাকারী বা পুনর্বিমাকারীরা যোগ দিতে পারবে কি না, এবং পণ্যের নকশা ও দাম কীভাবে অনুমোদিত হবে। তার খসড়া বলেছিল, সরকার তহবিল জোগানোয় প্রিমিয়াম নামমাত্র হওয়া উচিত। অক্টোবরে চালু পলিসিগুলো সেই ভাষা রেখেছে কি না, প্রতিবেদনগুলোয় তা বলা নেই।

এপ্রিলে অনুমোদিত আলাদা একটি বিমা প্রকল্প

কোনো পলিসিই ভারত মেরিটাইম ইনসিওরেন্স পুল নয়। পিআইবি ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ₹১২,৯৮০ কোটির সার্বভৌম গ্যারান্টিসহ সেই পুল গড়ার অনুমোদন দিয়েছে। এটি ভারতীয় পতাকাবাহী ও ভারতীয় নিয়ন্ত্রণাধীন জাহাজের হাল ও যন্ত্রপাতি, পণ্য, সুরক্ষা ও ক্ষতিপূরণ, আর যুদ্ধ-ঝুঁকি আওতায় নেওয়ার কথা। এটি চলতি জাহাজের বিমা করে। অক্টোবরের পলিসিগুলো রক্ষা করে সেগুলো যে কারখানা বানায় তাদের।

পরিষদের বাকি আলোচ্যসূচি

ভারতীয় বন্দর আইন, ২০২৫-এর অধীনে বিধিবদ্ধ সংস্থা হওয়ার পর এটিই ছিল পরিষদের প্রথম বৈঠক। এতে ২০২৭ সালের মার্চকে সময়সীমা ঠিক করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রতিটি বন্দরকে ওয়ান নেশন ওয়ান পোর্ট প্রসেস প্রয়োগ করতে (যা নথি ও পদ্ধতি মানসম্মত করে) এবং সামুদ্রিক একক জানালা সাগর সেতুর সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। বন্দর-শুল্কের ইলেকট্রনিক প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং বাস্তবায়নে দিকনির্দেশ দিতে একটি রেডি রেকনার চালু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে বলা হয়েছে তিন মাসের মধ্যে আইনের অধীনে তাদের অধস্তন বিধি প্রজ্ঞাপিত করতে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Maritime Gateway: 21st Maritime State Development Council sets March 2027 ONOP deadline, launches shipbuilding credit insurance (October 2026)
  2. GKToday: Shipping Ministry launches credit insurance for shipbuilders (13 October 2026)
  3. News On AIR (All India Radio): Union Minister Sarbananda Sonowal announces two specialised credit risk insurance products for shipbuilding industry (14 October 2026)
  4. The Week: Ports get March 2027 digital reform deadline while shipbuilders receive new credit-risk cover (14 October 2026)
  5. Free Press Journal: India sets March 2027 port reform deadline, shipbuilders get new insurance support (14 October 2026)
  6. India Shipping News: Sarbananda Sonowal announces two specialised credit risk insurance products for shipbuilding industry (October 2026)
  7. Swarajya: India's shipbuilding sector receives financial safety net through specialised credit insurance products (14 October 2026)
  8. Press Information Bureau: Cabinet approves Rs.69,725 crore package to revitalize India's shipbuilding and maritime sector (24 September 2025)
  9. Ministry of Ports, Shipping and Waterways: Committee report on shipbuilding credit risk coverage guidelines under the Shipbuilding Development Scheme, with draft guidelines (3 November 2025)
  10. Press Information Bureau: Shipbuilding Financial Assistance Policy, Lok Sabha written reply (14 March 2026)
  11. Press Information Bureau: Port-led industrialisation and logistics connectivity, Rajya Sabha written reply (24 March 2026)
  12. Press Information Bureau: Cabinet approves the Bharat Maritime Insurance Pool with a Rs 12,980 crore sovereign guarantee (18 April 2026)
  13. India Briefing: Inside India's US$4.9 billion strategy to build a competitive shipbuilding industry (SbDS guidelines announced 27 December 2025)
  14. ECGC Ltd: official website (Government of India enterprise, export credit insurance)
  15. The New India Assurance Company Ltd: official website

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#shipbuilding#credit insurance#ecgc#new india assurance#shipbuilding development scheme#maritime state development council#ports shipping and waterways#indian shipyards

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: অর্থনীতি ও পরিকাঠামো
২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ভারতে তৈরি নয়টি জাহাজ নৌবাহিনীর কাজে যোগ দিয়েছে, স্টেলথ ফ্রিগেট দুনাগিরি থেকে সাবমেরিন-শিকারি মাঙ্গরোল পর্যন্ত
তিনটি ফ্রিগেট, উপকূলীয় সাবমেরিন-বিরোধী চারটি জাহাজ, একটি জরিপ জাহাজ আর একটি ডুবুরি সহায়তা জাহাজ, প্রতিটির তারিখ, ইয়ার্ড আর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সংখ্যা সহ। সঙ্গে যে হিসাবটি পুরো মেলে না, আর এরপর কী আসছে।
ব্রিটেনের সবচেয়ে পুরনো ভাসমান যুদ্ধজাহাজটি বোম্বেতে তৈরি হয়েছিল। এর পেছনের শিল্পকে মরতে দেওয়া হয়েছিল
ব্রিটেন যখন তার নৌবাহিনীর জন্য ওক কাঠের সংকটে পড়েছিল, ভারতীয় জাহাজ নির্মাতারা তাদের সেগুন কাঠ থেকে যুদ্ধজাহাজ তৈরি করে দিয়েছিল যা দেশে তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি টিকেছিল। একটি আজও ভাসছে। তাহলে কেন সাম্রাজ্যের সেরা জাহাজ নির্মাণ ঐতিহ্য অদৃশ্য হয়ে গেল?
অরবিন্দ আই কেয়ার ১৯৭৬ সালে মাদুরাইয়ের ১১ শয্যা থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের মার্চে শেষ হওয়া বছরে ৮,০২,০০৩ অস্ত্রোপচার, লেজার প্রক্রিয়া ও ইনজেকশনে পৌঁছেছে, ৪৮ শতাংশ বিনামূল্যে বা ভর্তুকিতে, আর আছে নিজস্ব লেন্স কারখানা
সরকারি চাকরি থেকে ৫৮ বছরে অবসর নেওয়া এক শল্যচিকিৎসক গড়েছিলেন এমন এক হাসপাতাল গোষ্ঠী, যেখানে মূল্য দেওয়া রোগীরা বিনামূল্যের রোগীদের খরচ মেটান। অরবিন্দের নিজস্ব প্রতিবেদন, পিয়ার-রিভিউ হওয়া গবেষণাপত্র আর ২০০৮ সালের গেটস পুরস্কারের বক্তৃতা দেখায় সংখ্যাগুলো কীভাবে মেলে।
← সব লেখা